Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

34

যশোরে অস্ত্রগুলি ও ২শ’পিস ইয়াবাসহ  অপরাধী বিল্লাল সহযোগীসহ গ্রেফতার

যশোর অফিস

ওয়ান স্যুটারগান গুলি ও ২শ’পিস ইয়াবাসহ দুই অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে পুলি। এরা হচ্ছে, যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ৮ নং হরিহর নগর ছোট কায়েমখোলা গ্রামের বর্তমানে যশোর শহরের বকচর হুশতলা লাইন চক্ষু হাসপাতালের সামনে গোলাম মোস্তফা ক্যাবিন মিস্ত্রীর বাড়ির ভাড়াটিয়া মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে বিল্লাল হোসেন ও যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী মঠবাড়ি গ্রামের মৃত জিয়াদ আলীর ছেলে আবুল হোসেন। অস্ত্রগুলি ও ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় কোতয়ালি   মডেল থানায় আলাদা দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

যশোর সদর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা জানান,বুধবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পান সদর উপজেলার রামনগর পুকুর কুল ঈদগাহ ময়দানের সামনে একটি  অপরাধ চক্র অপরাধ সংঘঠনের উদ্দেশ্যে অস্ত্র নিয়ে অবস্থান করছেন। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে রাত পৌনে ১ টায় উক্ত স্থানে পৌছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে থাকা বিল্লাল হোসেন ও তার সহযোগী আবুল হোসেন দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশ তাদের দু’জনকে গ্রেফতার করে। এ সময় বিল্লাল হোসেনের কাছে থাকা একটি ওয়ান স্যুটারগান ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। বিল্লাল হোসেনের লুঙ্গীর কোচরে থাকা ১৫০ পিস ইয়াবা ও আবুল হোসেনের কাছে থাকা ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। পরে তাদেরকে কোতয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করে অস্ত্র ও মাদক আইনে দু’টি মামলা দায়ের করে। বৃহস্পতিবার মামলা রেকর্ড হওয়ার পর তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করে। পুলিশ বলেছে,বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় ননএফআইআরের এশটিসহ ৩টি মামলা রয়েছে।

যশোরে প্রাইভেট কার দূর্ঘটনায় স্বামী- স্ত্রী হতাহত ঘটনায় মামলা চালক গ্রেফতার

যশোর অফিস

বেপরোয়া ভাবে প্রাইভেট চালিয়ে খাদে পড়ে গৃহবধূ হালিমা (২৩) নিহত ও তার স্বামী জাহিদুল ইসলাম গুরুতর আহতর ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ প্রাইভেট কারের চালক কাজল হোসেনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে।

কোতয়ালি মডেল থানার এসআই লিটন মিয়া বাদি হয়ে  কোতয়ালি মডেল থানায় দায়েরকৃত এজাহারে বলেছেন,মঙ্গলবার রাতে মোবাইল ডিউটি করার সময় তিনি বেতার বার্তার মাধ্যমে জানতে পারেন যশোর চাঁচড়া পালবাড়ী টু বাইপাস সড়কের ইউনিক তেল পাম্পের সামনে একটি প্রাইভেট কার খাদে পড়ে আছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে পৌছে জানতে পারেন,(যশোর ক-০২-০০৪৮) নাম্বারের প্রাইভেট কারের চালক বেনাপোল পোর্ট থানার বড় আচড়া গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে কাজল হোসেন বেপরোয়া গতিতে উক্ত স্থানে রাত পৌনে ১০ টায় খাদে পড়ে যায়। এতে প্রাইভেট কারের যাত্রী গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে জাহিদুল ইসলাম (৪৫) ও তার স্ত্রী হালিমা (২৩) গুরুরত আহত হয়ে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির পর রাত সাড়ে ১০ টার পর হালিমা  মারা যায়। ঘটনাস্থল থেকে প্রাইভেট কারের চালক কাজল হোসেনকে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার ৭ মে কাজল হোসেনকে আদালতে সোপর্দ করে। পুলিশ প্রাইভেট কারটিকে হেফাজতে নিয়েছে।

অধ্যাপক নাজমুল করিমের মৃত্যুতে যবিপ্রবি উপাচার্যের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (এফআইইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল করিম চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন করেছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন।

বৃহস্পতিবার অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল করিম চৌধুরী ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন। কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। 

এক শোক বাণীতে অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষক সাবেক অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল করিম চৌধুরী ছিলেন এদেশের একজন স্বনামধন্য শিক্ষাবিদ, লেখক ও গবেষক ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক থাকার সময় তাঁর সাথে আমার অত্যন্ত নিবিড় সম্পর্ক ছিল। তিনি আমাকে অত্যন্ত ¯েœহ করতেন। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরা অনেক সমস্যা একসাথে মোকাবিলা করেছি। এই সজ্জন ব্যক্তির মৃত্যুতে দেশ ও জাতির যে ক্ষতি হলো তা পূরণ হওয়ার নয়।

অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, দীর্ঘদিনের সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

কেশবপুরে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে  হাজার হাজার গ্রহক বিপাকে

আলমগীর হোসেন, কেশবপুর

কেশবপুরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কর্মহীন হাজার হাজার মানুষ তাদের বিদ্যুৎবিল নিয়ে বিপাকে বিপাকে পড়েছেন।

জানাগেছে, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বিলম্ব মাশুল ছাড়া ৩ মাসের বিদ্যুৎ বিল প্রদান করা যাবে বলে ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছেন। কিন্তু যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতায় কেশবপুর জোনাল অফিস আগামী ১৬ মে এর মধ্যে বিদ্যুৎ বিল বিলম্ব মাশুল ছাড়া প্রদান করা যাবে বলে গত ৫ মে কেশবপুরে মাকিং করে। পল্লী বিদ্যুৎ কেশবপুর জোনাল অফিস ছাড়া কোন ব্যাংকে বিদ্যুৎ বিল নিচ্ছে না। যার ফলে কেশবপুর উপজেলার হাজার হাজার গ্রাহক তাদের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। পল্লী বিদ্যুৎ কেশবপুর জোনাল অফিসে বিদ্যুৎ বিল নিলেও সেখানে জনবল কম থাকায় বৃহস্পতিবার দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে গ্রাহকরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এ ব্যাপারে জরুরী ভিত্তিতে পল্লী বিদ্যুৎ কেশবপুর জোনাল অফিসে বিদ্যুৎ বিল গ্রহণ সেকশানে জনবল বৃদ্ধি ও কেশবপুর উপজেলার সকল ব্যাংকে বিদ্যুৎ বিল গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন ভুক্তোভোগি পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকরা।

কেশবপুরে সরকারী নির্দেশনা না মানায় ৭ ব্যাবসায়ী ১৪ হাজার টাকা জরিমানা

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

কেশবপুরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারী নির্দেশনা না মানায় ৭ ব্যাবসায়ীর নিকট থেকে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারী নির্দেশনা না মানায় কেশবপুর শহরের গারমেন্টস ব্যাবসায়ী মধুসূদন সেনকে ৫ হাজার টাকা ও গারমেন্টস ব্যাবসায়ী ইদ্রিস হোসেনকে ১ হাজার টাকা, মঙ্গলকোটের মাহাবুর রহমানকে ২ হাজার টাকা, মনোহরী ব্যাবসায়ী শিমুল হাজরাকে ১ হাজার টাকা, হার্ডওয়ার ব্যাবসায়ী নজরুল ইসলামকে ১ হাজার টাকা, হার্ডওয়ার ব্যাবসায়ী প্রণব সরকারকে ৩ হাজার টাকা এবং গারমেন্টস ব্যাবসায়ী হুমায়ূন কবীরকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

ফকিরহাটে ৫দিনের ব্যাবধানে ৫টি দোকানে দুধর্ষ চুরি

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাটের টাউন নওয়াপাড়া মোড়ে অবিস্থত অনন্ত দে মার্কেটে দুর্ধষ চুরি সংঘঠিত হয়েছে। চোরেরা দোকানের সাটারের তালা ভেঙ্গে দেড়লক্ষাধীক টাকার খাদ্য সামগ্রী ও বিভিন্ন প্রকার মালামাল চুরি করে পালিয়েছে। বুধবার গভীর রাতে মিঠুন অধিকারীর মুদি দোকানে এঘটনা ঘটে। এনিয়ে কয়েক দিনের ব্যাবধানে উক্ত এলাকায় ৫টি দোকানে দুর্ধষ চুরি সংঘঠিত হলো। মিঠুন অধিকারী জানান, প্রতিদিনের ন্যায় তিনি দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যান। সকাল বেলায় তিনি দোকানে এসে দেখেন সাটারের তালা ভেঙ্গে ৯বস্তা চাউল, ৪বস্তা চিনি, ২বস্তা আটা, ২বস্তা লবন, ১বস্তা ছোলা, ১বস্তা ডাল, তেল ও সিগারেট সহ বিভিন্ন প্রকারের মালামাল চুরি হয়েছে। এর কয়েক দিন আগে পাশর্^বতী লেডিস কর্নার নামক ভ্যারাইট্রিজ দোকানে চুরি, আমতলা মোড়ে মনিরুলের দোকান চুরি, সাধুর সাধের বটতলার আব্দুল আজিত এর দোকান ও প্রবীর দাশ এর দোকানে অনুরুপ চুরি সংঘঠিত হয়। একের পর এক ধারাবাহিক ভাবে চুরি সংঘঠিত হলেও মালামাল উর্দ্ধার বা চোরদেরকে আটক করা সম্ভাব হচ্ছে না। যে কারণে ব্যাবসায়ীদের মাঝে চোর আতংক বিরাজ করছে। এদিকে স্থানীয় একটি সুত্রে জানা গেছে, পিলজংগ টাউন নওয়াপাড়া কাটাখালী শ্যামবাগাত লখপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় বিপুল পরিমানে ভাড়াটেরা বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছেন। অধিকাংশ ভাড়াটেরা কোথায় কাজ করেন বা কি কাজ করেন তা বাড়ির মালিকরাও অবগত নই। তাছাড়া বাড়ির মালিকদের কাছে তাদের নাম পরিচয় ছবি বা এনআইডি কার্ডের ফটো কপিও নাই। সরকারী ভাবে বাড়ির মালিকদের কাছে ভাড়াটেদের সকল তথ্য থাকার কথা রয়েছে। কিন্তু মালিকরা তার কোন তোয়াক্কা করছেন না। স্থানীয়দের ধারনা একটি অপরাধী চক্র বাসা ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় নানা প্রকার অপরাধ জনক কাজে লিপ্ত রয়েছে। তাদেরকে সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবীও করেছেন।

ফকিরহাটে কৃষকদের মাঝে রিপার মেশিন বিতরণ

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাটে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ ও সহযোগিতা করার জন্য উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে কৃষকদের মাঝে ধান কাটার রিপার মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। শ্রমিকের স্বল্পতায় কারণে যাহাতে কৃষকদের সমস্যা না হয় তার জন্য ধান কাটার জন্য মোট ৫টি রিপার মেশিন বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ এই মেশিন গুলি বিতরণ করেন। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাছরুল মিল্লাতের সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ শাহানাজ পারভীন, সদর ইউপি চেয়ারম্যান শিরিনা আক্তার, মুলঘর ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডঃ হীটলার গোলদার, উপ-সহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা নয়ন কুমার সেন, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা সুমন বাগচী ও দেবদাশ বালা প্রমূখ। এ পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মোট ৭টি রিপার মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। 

ফকিরহাটে বোরো ধান সংগ্রহে লটারীর মাধ্যমে কৃষক নির্ধারন

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় সরকারি ভাবে বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্যে লটারীর মাধ্যমে কৃষক নির্দারন করা হয়েছে। উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে মোট ৬ হাজার তালিকাভুক্ত কৃষকের মধ্যে ৭৯৮জনকে নির্ধারিত করা হয়েছে। যা প্রত্যেকের নিকট থেকে এক মে: টন ধান সংগ্রহ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। লটারী ড্র অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ শাহানাজ পারভীন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মোস্তাহীদ সুজা, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাছরুল মিল্লাত, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার তন্ময় কুমার দত্ত, সমাজসেবা অফিসার মোঃ আব্দুর সবুর আলী, খাদ্য পরির্দশক ও খাদ্য গুদামের (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা অচিন কুমার দাশ, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ফাহমিদা পারভীন বানু, সহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা নয়ন কুমার সেন, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা নীল রতন রায়, সুমন বাগচী প্রমূখ।

ফকিরহাটে আনসার সদস্যদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উদ্যোগে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় আট্টাকা কেরামত আলী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আনসার সদস্যদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এদিন উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মোট ৩শত আনসার সদস্যদের মাঝে চাল, ডাল, আলু, পেয়াজ, তেল, সাবান ও মাক্স বিতরণ করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন কুমার দাশ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ শাহানাজ পারভীন, মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আবু সাঈদ মো: খায়রুল আনাম, সহকারি জেলা কমান্ডেন্ট মো:মিজানুর রহমান, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা সামাউল ইসলাম, সহকারি কর্মকর্তা আছিয়া বেগম, প্রশিক্ষক মিলন বিশ্বাস প্রমূখ।

প্রণোদনার অর্থ প্রদান ও ত্রাণের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের প্রণোদনার অর্থ প্রদান ও ত্রাণের দাবিতে মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে সাতক্ষীরার ১৩টি শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় জেলা কালেক্টরেট চত্ত্বরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উক্ত মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়।

এ সময় বক্তারা বলেন, গত ২৬ মার্চ থেকে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়ে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকরা। এতে জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন, রং পালিশ শ্রমিক, ইলেক্ট্রিশিয়ান, রেস্তোঁরা, বোর্ড ফার্নিচার, টাইলস মোজাইক, স্বর্ণ ছাই শ্রমিক, দর্জি, রিকসা-ভ্যান, সংবাদপত্র বিক্রেতা, ইটভাটা, ওয়েলডিং শ্রমিকসহ সাতক্ষীরা শহরের প্রায় সাড়ে ১৫ হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে তারা তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। সরকার প্রদত্ত ত্রাণ সামগ্রী অনেকেই পেলেও তারা বঞ্চিত হয়েছেন। একই সাথে সরকার ঘোষিত অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের প্রণোদনার অর্থও তারা পাননি। বক্তারা এ সময় কর্মহীন হয়ে পড়া অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রণোদনার আওতায় অর্ন্তভুক্তকরণ ও ত্রাণ সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

পরে জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলুর নেতৃত্বে শ্রমিক নেতৃবৃন্দ সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. বদিউজ্জামানের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি পেশ করেন।

সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের নিঃশর্ত মুক্তিসহ গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম কর্মীদের কণ্ঠরোধের চেষ্টার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের নিঃশর্ত মুক্তিসহ গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম কর্মীদের কণ্ঠরোধের চেষ্টার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা নিউ মার্কেটস্থ শহীদ স.ম আলাউদ্দিন চত্ত্বরে সাতক্ষীরা প্রেসকাবের উদ্যোগে উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়।

এতে সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, সারাদেশে গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম কর্মীদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা চলছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিকদের হয়রানির পাশাপাশি গ্রেফতার করা হচ্ছে। যা স্বাধীন গণমাধ্যমের অন্তরায়। বক্তারা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

সাতক্ষীরা প্রেসকাবের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আবু আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপীর সঞ্চালনায় মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা প্রেসকাবের সাবেক সভাপতি আব্দুল কালাম আজাদ, প্রেসকাব সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, সাবেক সাধারন সম্পাদক এম কামরুজ্জামান, সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন, প্রেসকাবের কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য সাংবাদিক সেলিম রেজা মুকুল, সাপ্তাহিক সূর্যের আলোর সম্পাদক ওয়ারেশ খান চৌধুরী পল্টু প্রমূখ।

কয়রায় লবণাক্ত জমিতে বাদাম চাষে লাভ গুনছেন চাষিরা

শাহজাহান সিরাজ, কয়রা

উপকূলীয় এলাকা খুলনার কয়রা উপজেলায় লবণাক্ত জমেিত বাদাম চাষ করে লাভবান হওয়ায় আগামীতে কৃষকদের মাঝে আগ্রহ বাড়ছে। কারন চলতি বছরে এ উপজেলায় সামান্য কিছু জমিতে চিনা বাদামের চাষ করে কম খরচে লাভের মুখ দেখায় চিনা বাদাম চাষে এগিয়ে এসেছেন অনেক কৃষক। কয়রা সরেজমিন গবেষণা বিভাগ পরিক্ষামূলকভাবে পরপর দুই বছর বাদাম চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে বাম্পার ফলন ফলাতে পেরেছন। সূত্র জানায় বিগত ২০১৯ সালে বাদাম চাষ লবণাক্ত জমিতে পরিক্ষামূলকভাবে দুই জন কৃষকের মাধ্যমে সরেজমিন কৃষি গবেষণা বিভাগ বাদাম চাষ করে আশানুরুপ ফলন উৎপাদন হয়। অতঃপর চলতি বছরের শুরুতেই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ৬ জন কৃষককে উদ্বুদ্ধ করে ১০ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ শুরু করেন এবং সম্প্রতি মাঠ থেকে বাদাম তোলা শুরু হলে বিঘা প্রতি ৬ মন বাদাম উৎপাদন দেখা যায় । যে কারনে উপজেলার অনেক এলাকার কৃষকরা আগামীতে বাদামের চাষ করার আগ্রহ দেখাচ্ছে। এ বিষয়  উত্তর বেদকাশি ইউনিয়নের জালালি পাড়ার বাদাম চাষী রফিকুল ইসলামের সাথে কথা বললে, তিনি তার আমন ধান কাটা শেষে পরিত্যাক্ত জমিতে প্রথমবার ৬০ শতক জমিতে চাষ করে প্রায় ১০ মন বাদাম পেয়ে খুশির কথা জানান। অনুরুপ অনেকে বাদাম চাষী সামান্য খরচে বাদাম চাষ করে লাভের আশা করছেন, কেননা তারা অনেকেই মাঠ থেকে বাদাম তোলা শেষ করেনি। এছাড়া এসব বাদাম চাষীরা অনেকেই জানান, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট সরেজমিন গবেষণা বিভাগ আমাদের কে বাদাম চাষের জন্য আগ্রহ দেখিয়েছেন এবং ভাল বীজ, সার কটিনাশক সরবরাহ করার আশ্বাস দেওয়ায় আমরা প্রথমবার চাষ করে লাভের মুখ দেখেছি। তবে এম্বলেটি সাইট কয়রার বৈজ্ঞানিক সহকারি জাহিদ হাসান এ বিষয় বলেন, আমরা এ বছর কৃষকদের মাঝে ৩ টি জাত দিয়েছিলাম বারী চিনা বাদাম ৮, ৯ ও স্থানীয় জাত। স্থানীয় জাত ভাল গজায়নি কিন্তু আমাদের গবেষণা ২ টি জাত বারি চিনাবাদাম ৮ ও ৯ খুবই ভাল ফলন হয়েছে। জানা গেছে কয়রার কৃতি সন্তান খুলনার সরেজমিন গবেষণা বিভাগের  প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হারুনর রশীদ আইলা পরবর্তী  বিগত ৪ বছর ধরে উপকূলীয় এলাকা খুলনার কয়রা উপজেলার মাটিতে শুধু বাদম নয় ধান,তরমুজ, মুগডাল, সরিসা, ভুট্্রা চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়াতে কয়রায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধিন্যস্ত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট সরেজমিন গবেষণা বিভাগের আওতাধীন এমএলটি সাইট কয়রা নামে একটি নতুন অফিস করেন। তিনি পরিক্ষামূলকভাবে  এসব ফসল চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়াতে বিভিন্ন সময় দেশি ও বিদেশী কৃষি বিশেষজ্ঞদের কয়রায় এনে মাটি পানি এবং ফসলের মাঠ পরিক্ষা করেছেন। ফলে চলতি শীত মৌসুমে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে এসব ফসলের আবাদ করে কৃষকরা লাভবান হয়েছে।

এ বিষয় খুলনার সরেজমিন গবেষণা বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হারুনর রশীদের সাথে কথা বললে তিনি জানান, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এ পর্যন্ত ১০ টি বাদামের জাত আবিস্কার করেছে। ১৯৭৬ সালে মুক্তায়িত প্রথম জাত ঢাকা-১ যার ফলন প্রতি হেক্টরে ১.৫-২.০ টন্ কিন্তু বারি বাদাম -৮, ৯ ও ১০ লেটেষ্ট হওয়ায় এর ফলন ৫০০-৮০০ কেজি বেশি। এ জাত গুলো চাষ করলে কৃষক বেশি লাভবান হবেন। তিনি আরও বলেন, চিনা বাদাম একটি অর্থকরী ফসল। এটি একটি উৎকৃষ্ট ভোজ্য তৈলবীজ। সব বয়সের মানুষের জন্য চিনা বাদাম স্বাস্থ্য সম্মত খাবার। শখ করে কখন কখন হয়তো খাওয়া হয় তবে এর উপকারিতা সম্পর্কে জানলে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এই বাদাম রাখতে চাইবেন। শরিরের মাত্রাধিক কোলেস্টেরল হ্নদ রোগ, উচ্চ রক্ত চাপ, ওজন বৃদ্ধি, ও ডায়বেটিস এর মতো কঠিন রোগ প্রতিরোধ সৃষ্টি করে। বাদামের অসাধারণ কার্যকরি ফ্যাট শরীরে কোলেস্টরল কমাতে সাহায্য করে । তাছাড়া এই বাদামে চর্বিও কমাতে সাহায়্য করে। রাতে ১০- ১৫ টি বাদাম বাদাম পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খেলে ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে থাকে। চিনা বাদামে প্রচুর পরিমানে বি৩ আছে যা মস্তিস্কের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। শরিরে সঠিক পরিমাণ পুষ্টি না থাকলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। চিনা বাদামে আ্যান্টি- অক্সিডেন্ট শরিরে রোগকে বাসা বাধতে বাঁধা দান করে। তাই প্রতিদিন দিন চিনা বাদাম খেয়ে শরিরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ান।

রামপালে এসএস জামান ব্রাদার্স এর ত্রান বিতরণ

রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

বাগেরহাটের রামপালে মেসার্স এসএস জামান ব্রাদার্স এর পক্ষ থেকে ত্রান বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় রামপালের বড়দিয়া হাজী আরিফিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্তরে প্রায় ৫ শতাধিক পরিবারের মাঝে ত্রান বিতরণ করেন প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধীকারী শেখ মোঃ সাইফুজ্জামান ও শেখ মোঃ শফিকুজ্জামান। সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শেখ মোঃ একলাস আলী। সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মোঃ আবু সাইদ। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বড়দিয়া জামে মসজিদেও ইমাম মোঃ জুলফিকার আলী,আজম শেখ,মকলেছ শেখ,হাফেজ মোঃ জাহিদুল ইসলাম,আঃ হক,মোঃ ইনতাজ মোল্লা প্রমুখ।

মোড়েলগঞ্জ হাসপাতালে  উপজেলা পরিষদের এসি প্রদান

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে করোনা প্রতিরোধে সচেতনতায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষে উপজেলা পরিষদের তরফ থেকে একটি এয়ারকন্ডিশনার(এসি) প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় উপজেলা চেয়ারম্যানএ্যাড. শাহ-ই আলম বাচ্চু তার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন মুফতির কাছে এসি হস্তান্তর করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান, ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম, মেডিকেল অফিসার ডা. খালিদ হাসান, প্রেস কাব সভাপতি মেহেদী হাসান লিপন, সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মাসুমসহ কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মোরেলগঞ্জে ৩ শ’ শ্রমিকের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধি:

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ৩ শত শ্রমিককে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে জরুরি খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. শাহ্-ই-আলম বাচ্চু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান, ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

এ সম্পর্কে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রায়হান কবির বলেন, ভ্যান, ইজিবাইক ও বাস শ্রমিকদের কষ্টেসৃষ্টে দিন কাটছে। তাই বিভিন্ন গ্রামের ৩ শত শ্রমিকের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া চাল, ডাল বিতরণ করা হয়েছে।

যোগীপোল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিবাদ সভা

ফুলবাড়ীগেট (খুলনা) প্রতিনিধি

যোগীপোল ইউনিয়ন এলাকার হতদরীদ্রদের মাঝে করোনা ভাইরাসের কারনে কর্মহীন হয়ে পড়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২০ কেজি করে চাল ইউনিয়ন এলাকায় মোট ১ হাজার ২৮ জনের তালিকা তৈরী কালে ৬ মে বুধবার বিকালে এলাকার তালিকা থেকে বাদ পড়ে যাওয়া সাধারণ মানুষ যোগীপোল ইউননিয়ন পরিষদে তালা লাগিয়ে চেয়ারম্যান, মেম্বরদের অবরুদ্ধ করে রাখে এবং  যোগীপোল এলাকায় ও ফুলবাড়ীগেট খুলনা যশোর মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল করে । এরই প্রতিবাদে ৭ মে বৃহস্পতিবার যোগীপোল ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয় সকাল ১০টায় এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউপি চেয়ারম্যান ও খানজাহান আলী থানা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন মহানগর আ’লীগের সাবেক সহ সভাপতি বেগ লিয়াকত আলী, সলেমান মুন্সি, এমএ শহিদ, ইউপি সদস্য কবির হোসেন, আরিফ হোসেন, আবু সাইদ হাওলাদার আব্বাস, কিবরিয়া হোসেন, আমজাদ হোসেন, আমিরুল ইসলাম, মাহফুজা বেগম, ফিরোজা বেগম। আ’লীগ নেতা সুরুজ জামান হানিফ,  রফিকুল ইসলাম,আজিজুর রহমান পল্টু, হাসিবুল ইসলাম, জাহাঙ্গির খোকন, বকুল কাজী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান হোসেন, ইয়ার আলী মোল্যা,থানা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ কামাল হোসেন, যুবলীগ নেতা ওলিয়ার রহমান রাজু ,শেখ সেলিম হোসেন, আবু সাইদ, মোকসেদ ফকির, ইসলাম হোসেন, কোরবান আলী, পারভীন বেগম, মুকুন্দ বিহারী, গোলাম রব্বানী, আল আমিন হোসেন, জয়ন্ত ঢালী, লাভলু হোসেন, কামরুল ইসলাম, রমজান আলী, বাবুল হোসেন, শরিফুল ইসলাম, মনির দাড়া, মিজানুর রহমান, ইউনুস মিয়া, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা শেখ জামিল আহম্মেদ প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, করোনার প্রভাবে ইউনিয়নে হতদরীদ্রদের প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ১ হাজার ২৮ জনের তালিকা করা হয়। একটি চক্র সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য এবং ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের লক্ষে সাধারণ মানুষকে ফুসিয়ে দিয়ে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করেছে। এঘটনায় তিব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তারা বলেন যারা উসকানী দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের তালা লাগিয়ে চেয়াম্যান মেম্বরদের অশালীন বক্তব্য দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে অতি দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আম বাজারজাত করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রাজশাহীর চাষিরা

দুলাল আবদুল্লাহ

১৫ মে থেকে বাজারে আসবে রাজশাহীর আম। গাছে গাছে ক্রমশ বড় হয়ে উঠছে আম। কিন্তু পরিবহন বন্ধ থাকায় চাষি ও ব্যবসায়ীদের এই আম বাজারজাত করা নিয়ে দুশ্চিন্তাও বাড়ছে। কারণ, আমকে পচন থেকে রক্ষায় রাজশাহীতে দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণের কোনও ব্যবস্থা নেই।

তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর ও জেলা প্রশাসনের ভাষ্য, পরিস্থিতি মোকাবিলা করে এবারও আমের বাজারে রাজশাহী অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে। দুশ্চিন্তার কারণ নেই। চাষি ও ব্যবসায়ীদের সব রকম সহযোগিতা করা হবে। এবার রোজার পরেই রাজশাহীর আমের বাজার জমজমাট হয়ে উঠবে। আবহাওয়া ও বাজারজাতকরণ পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে এই মৌসুমে ৭৩৫ কোটি টাকার আম বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক শামসুল হক জানান, এবার রাজশাহীতে ১৭ হাজার ৫৭৩ হেক্টর জমিতে আমের চাষ করা হয়েছে। এবার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে দুই লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন। ফলন অনুযায়ী গড়ে ৩৫ টাকা কেজি দরে লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ৭৩৫ কোটি টাকার আম বিক্রি করার সম্ভাবনা রয়েছে।

রাজশাহীর নগরীর শালবাগান এলাকার ফল ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘ঈদের ছয়-সাত দিন আগে গোপালভোগ আম গাছ থেকে নামিয়ে বাজারে নিয়ে আসতে পারবো। তবে লকডাউনের এই পরিস্থিতিতে যদি ঢাকা থেকে অর্ডার না পাই তাহলে সেই আম রোজার পরেই নামাবো। এবার পরিস্থিতি নিয়ে একটু ভয়েই আছি। পরিবহন সমস্যা হলে আম নিয়ে বিপদে পড়ে যাবো।’

রাজশাহী জেলার সবচেয়ে বেশি আম কেনাবেচা হয় পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর হাটে। বানেশ্বর বাজারের আলমগীর হোসেন নামে এক আড়তদার বলেন, ‘আড়তের পাশাপাশি আমরা কয়েকজন ব্যবসায়ী মিলে বাগান থেকে আম কিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে চাহিদা মোতাবেক সরবরাহ করি। এ বছর আমাদের প্রায় ৭৫ বিঘা আমবাগান কেনা আছে। করোনার কারণে এবার আমের বাজার কী হবে বলা মুশকিল।’

আমচাষি হাবিবুর রহমান বলেন, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটের পরিবর্তন না হলে এবার আমে ব্যাপক লোকসান হতে পারে।’ পবা উপজেলার আমচাষি সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘আমার ১০ থেকে ১২টা মতো আম গাছ আছে। বৃষ্টি হওয়ায় পরিচর্যা ভালো হয়েছে। ফলন নিয়ে তেমন চিন্তা করছি না। তবে ঝড় ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আতঙ্কে রয়েছি।’

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক শামসুল হক বলেন, ‘আমের বাজারজাতকরণ নিয়ে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে। অন্য জেলায় আম পরিবহনে ট্রাকসহ অন্য বাহন নিয়ে যেতে ব্যবসায়ীরা যাতে হয়রানির শিকার না হয়, সেই সঙ্গে বাগান থেকে বাজারে কিংবা আড়তে আম নির্বিঘ্নে নিয়ে আসতে পারেন চাষিরা, সেদিকটায় লক্ষ রাখার জন্য বলা হয়েছে। এজন্য তারা সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘গতবারের মতো এবারও আগেই বাগান থেকে আম নামানো যাবে। আগের মৌসুমে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা মোতাবেক ১৫ মে থেকে গুটিজাতীয় আম পাড়া ও কেনাবেচা শুরু হয়েছিল। এবারও সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আম পাড়া ও বেচাকেনা শুরু হবে। তবে এবার আমের মুকুল দেরিতে এসেছিল। তাই রোজার পরেই আমপাড়া ও বেচাকেনা শুরু হবে। এবার আমের ফলন ভালো হবে। কারণ, গাছে আমের ঘনত্ব যত কম হবে আকৃতি তত বড় হবে। ফলে ওজনও বাড়বে। এর মধ্যে পরিস্থিতি ভালো হলে তেমন সমস্যা নেই। আর অবনতি হলেও অর্থনৈতিক দিক চিন্তা করে আমরা সবরকম প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।’

গত মৌসুমে বাগান থেকে আম পাড়ার জন্য জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী ১৫ মে থেকে গুটি জাতীয় আম; ২০ মে গোপালভোগ; ২৫ মে রানীপছন্দ, খিরসাপাত ও হিমসাগর; ২৮ মে লক্ষ্মণভোগ ও লখনা; ২৫ মে ল্যাংড়া; ৬ জুন আম্রপালি; ১৬ জুন ফজলি ও সুরমা ফজলি আশ্বিনা ১ জুলাই নির্ধারণ ছিল। এ ব্যাপারে রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ শরিফুল হক বলেন, ‘ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর কর্মকর্তাদের আলোচনা হয়েছে। আগের শিডিউল অনুযায়ী এবার চাষিরা বাগান থেকে আম নামাতে পারবেন। এজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। আমের পরিবহন ও বাজারজাতকরণ নিয়ে তেমন সমস্যা হবে না। তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আম ক্রেতা ও বিক্রেতারা ব্যবসা করবে। এছাড়া অসাধু ব্যবসায়ী ও চাষিরা যাতে আমে কোনও বিষাক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার না করতে পারে সেজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং থাকবে।’ কোথাও কোনও অনিয়মের খবর পেলে তৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ঢাকাসহ অন্য এলাকার ব্যবসায়ীরা এবার রাজশাহীতে এসে কীভাবে আম কিনে নিয়ে যাবেন– এমন প্রশ্নে মুহাম্মদ শরিফুল হক বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর এলাকার ব্যবসায়ীদের রাজশাহীতে না এসে অর্ডার মোতাবেক আম কেনার জন্য অনুরোধ করা হবে। প্রয়োজনে তারা রাজশাহীর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ট্রান্সপোর্টের মাধ্যমে আম নিয়ে যাবে। সেইসঙ্গে তারা টাকা লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে করবে, যাতে রাজশাহীতে করোনা আক্রান্তের হার বেড়ে না যায়।’

যশোরের শীর্ষ সন্ত্রাসী  বিহারী আরিফ কুমিল্লায় আটক

যশোর অফিস

অবশেষে যশোরের শীর্ষ সন্ত্রাসী-অস্ত্র ব্যবসায়ী আরিফ বিহারী অস্ত্র-গুলি, ম্যাগজিন, মাদকসহ র‌্যাব-১ এর সদস্যদের হাতে কুমিল্লায় গ্রেফতার হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে তাকে র‌্যাব সদস্যরা গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানায় মামলা হয়েছে। গতকাল (৬ এপ্রিল) বুধবার তাকে কুমিল্লার আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানো হয়। আরিফ বিহারী যশোর শহরের বারান্দী মোল্লাপাড়া কদমতলা এলাকার আওয়াল মিস্ত্রির ছেলে।

ব্রহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজম উদ্দিন মাহমুদ জানান, মঙ্গলবার বিকালে র‌্যাব-১ (নারায়গঞ্জ রূপগঞ্জ পূর্বাচল ক্যাম্প) সিপিসি-৩ এর পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যান) কাজী আব্দুস সালামের নেতৃত্বে কুমিল্লার বাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী শশীদল ইউনিয়নের মল্লিকাদিঘি একটি দল অভিযান চালায়। এসময় শশীদল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কুমিল্লা-বাগড়া সড়কের উপর থেকে আরিফ বিহারীকে গ্রেফতার করে। পরে তার কাছ থেকে একটি একনালা বন্দুক, তিনটি নাইন এমএম পিস্তল, ২৬ রাউন্ড তাজা বুলেট, ৬টি তাজা কার্তুজ, ৯টি ম্যাগজিন, ৯৩৫ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। এছাড়া একটি লাল রঙের ইয়ামাহা  (ফেজার) মোটর সাইকেল জব্দ করে।

এ ঘটনায় র‌্যাব-১ (নারায়গঞ্জ রূপগঞ্জ পূর্বাচল ক্যাম্প) সিপিসি-৩ এর পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যান) কাজী আব্দুস সালাম বাদী হয়ে থানায় দুটি মামলা করেন। যার একটি অস্ত্র ও অপর একটি মাদক আইনে। এছাড়া আরিফ বিহারীকে থানা পুলিশে সোপার্দ করা হয়।

তিনি বলেন, আরিফ বিহারী একাধিক নামে পরিচিত। সে একক সময় একের নাম ধারণ করে। আরিফ হোসেন প্রকাশ, আরিফ বিহারী প্রকাশ, জুবায়ের হোসেন আরিফসহ তার অনেকগুলো নাম রয়েছে।

ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদ আরও জানান, বুধবার আরিফ বিহারীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সূত্র জানায়, আরিফ বিহারীর নামে ২০১৫ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি যশোরের জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা মোশারফ হোসেন হত্যা মামলা হয়। যার মামলা নং ২৩। জিআর নং ১৭২/১৫। ধারা ৩০২/৩৪।

২০১৪ ঝুমঝুমপুরের হাফিজুর হত্যা মামলা হয়।  এ মামলা নং ১২৩। ধারা নং ৩০২/৩৪।

২০১৩ সালে সুলতানপুরের আব্বাস হত্যা হয়। যার জিআর নং ১৭৮/১৩। এসব মামলার  চার্জশীটভুক্ত আসামি। এছাড়া অস্ত্র-মাদকসহ অন্তত: ১০টি মামলার আসামি আরিফ বিহারী।

জানা গেছে, গত বছরের ২৮ নভেম্বর র‌্যাব-৬ ঝিনাইদহ ক্যাম্পের সদস্যরা আরিফ বিহারীরর বড় ভাই বিহারী শাকিলকে চারটি বিদেশী পিস্তল, চারটি ম্যাগজিন ও ১৩ রাউন্ড গুলিসহ কালীগঞ্জের মিঠাপুকুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। আরিফ ও শাকিল দীর্ঘদিন ধরে যশোরাঞ্চলের অস্ত্র ব্যবসা চালিয়ে আসছে।

তার ছোট ভাই আসিফ হোসেন সানি গত ২০ মার্চ রাতে শহরের জেল রোডে কুইন্স হাসপাতালের সামনে থেকে ছিনতাইয়ের অভিযোগে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। তার নামে মারপিট, চুরি, ছিনতাই, হুমকি দেওয়ার অভিযোগে কোতয়ালি থানায় মামলা রয়েছে। মামলা নং ৬।

গত ২৩ মার্চ বড় ভাই বিহারী শাকিলের সাথে ঝিনাইদহ কারাগারে দেখা করে যশোর ফেরার পথে আত্মগোপনে যান আরিফ। আরিফের ছোট ভাই বিহারী আসিফ হোসেন সানি সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, তার ভাইকে নিমতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে সাদা পোষাকে ওঠিয়ে নিয়ে গেছে। আরিফ এর আগেও অনেকবার আত্মগোপনে ছিলেন।

নগর আ’লীগে দেয়া বিবৃতির প্রতিবাদ খুলনা মহানগর বিএনপি’র নেতৃবৃন্দের

খবর বিজ্ঞপ্তি

নগর আওয়ামী লীগের দেয়া বিবৃতির প্রতিবাদ জানিয়েছে খুলনা মহানগর বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ। গতকাল বৃহস্পতিবার (০৭ মে) প্রদত্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, নভেল করোনা ভাইরাসে কর্মহীন নি¤œ আয়ের মানুষের মাঝে ত্রাণ বন্টন ও ১০টাকা কেজি দরের চাল রেশন কার্ড তৈরী প্রক্রিয়ার অস্বচ্ছতা নিয়ে পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ ও জনমনে বিক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার পক্ষেই খুলনা মহানগর বিএনপি ও নগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বিবৃতি ও বক্তব্য দিয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই দফায় ত্রাণ বন্টন প্রক্রিয়ায় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে তালিকা প্রস্তুত ও মালামাল বন্টনের নির্দেশনা থাকলেও আওয়ামী লীগের নেতাদের কাছে সিংহভাগ ত্রাণের চাল তুলে দিতে অনেকেই বাধ্য হয়েছেন। বিএনপির দাবি ছিল, সারা বাংলাদেশে সরকারি দলের নেতাদের ত্রাণচুরির সংবাদ পত্রিকায় আসায় বন্টন তালিকা প্রস্তুতিতে দলীয়করণ না করে সরকারি কর্মকর্তা দিয়ে তালিকা প্রস্তুত ও সেনা বাহিনীর নেতৃত্বে ত্রাণ বন্টন কার্যক্রম পরিচালনা করা।

নি¤œ আয়ের মানুষের জন্য ওএমএস’র ১০টাকা কেজি দরের চাল বন্টনের রেশনকার্ড তৈরীর প্রক্রিয়ায় সরকারি দলের নেতাকর্মীদের না দিয়ে বন্দর ও শিল্পনগরী খুলনার শ্রমজীবী মানুষের সেক্টর ভিত্তিক রেশনকার্ড বন্টনের দাবি ছিল বিএনপির। বিএনপির কতিপয় কাউন্সিলরের সাথে ক্ষমতাধর আওয়ামী নেতা রূঢ় ব্যবহার; কেমন হয়েছে সেটা তিনি ভালো বলতে পারবেন। একই সাথে বিএনপিপন্থী কাউন্সিলরদের রেশনকার্ড বন্টন প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা কতখানি সচ্ছতা ও আওয়ামীলীগের কাছে সে প্রশ্ন জনগনের। আর ত্রাণের মালিক জনগন; বস্তুত্ব জনগনের টাকায় কেনা ত্রাণ কোন দলীয় সম্পদ নয়।

করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় জনগনের পাশে বিএনপি শুরু থেকেই ছিল। গত ১৫ মার্চ নগরীতে ৫০ হাজার করোনা সতর্কীকরণ লিফলেট বিলির মধ্যদিয়ে বিএনপি কর্মসূচি শুরু এবং ৩১ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত খুলনা মহানগরীর ১৯টি ওয়ার্ডে ১৪ হাজার ৪০০জনকে মানবিক কর্মসূচির আওতায় ত্রাণ সহায়তাসহ বিএনপির এমপি প্রার্থীসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা আরও কয়েক হাজার ত্রাণ দিয়েছে এবং এটি অব্যাহত থাকবে।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আওয়ামী লীগের দেয়া বিবৃতিকে রাজনৈতিক শিষ্ঠাচার বহির্ভূত ও বিগত প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনে বিজয়ীদের জনবিচ্ছিন্নতার অসুস্থ্য মানসিকতার বহিপ্রকাশ এবং আওয়ামী দম্ভোক্তি হিসেবে অভিহিত করে জনসমর্থনহীনতার চরমমূল্য দেবার জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। বিবৃতিদাতারা হলেন বিএনপি’র চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম দাদুভাই, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, আব্দুল জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এ্যাড. ফজলে হালিম লিটন, স ম আব্দুর রহমান, মোঃ ইকবাল হোসেন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এসএম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।

কয়রার ইউএনও এবং থানার ওসি’র নিকট সংসদ সদস্য বাবু’র মেডিক্যাল সামগ্রী বিতরণ 

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু মঙ্গলবার দুপুরে কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ও কয়রা থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিমুল কুমার সাহার নিকট ও কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রবিউল হোসেনের নিকট থার্মাল স্ক্যানার বিতরণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কয়রা উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডঃ  কমলেশ  কুমার সানা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাছিমা আলম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুদীপ বালা, কৃষি অফিসার মিজান মাহমুদ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী প্রশান্ত পাল, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মোস্তাইন বিল্লাহ, মৎস্য কর্মকর্তা এস এম আলাউদ্দিন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ খান, সমাজ সেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার মন্ডল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার সরদার, ইউপি চেয়ারম্যান  আলহাজ্ব আমির আলী গাইন, আব্দুর সাত্তার পাড়, আলহাজ্ব সরদার নূরুল ইসলাম কোম্পানী, এইচ এম হুমায়ুন কবির, আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু, খুলনা জেলা যুবলীগ নেতা শামীম সরকার, খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোঃ আবু সাঈদ খান, কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিংকু, সাধারন সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) আমিনুল হক বাদল, সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম প্রমুখ।

খুলনার বিভিন্ন স্থানে নৌবাহিনীর ইফতার বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনা ভাইরাস এর সংক্রমণ রোধকল্পে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষের পাশে সবসময় রয়েছে নৌবাহিনী। অসহায় ও দুস্থ পরিবারে ঘরে ঘরে ত্রাণ ও ইফতার সামগ্রী পৌছানোসহ জনসাধারণের মাঝে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় নৌ ঘাঁটি তিতুমীর কর্তৃক জোড়াগেট সংলগ্ন বরইপাড়া মসজিদ এলাকায় ২০০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এছাড়া নৌ  ঘাঁটি সোলাম কর্তৃক মাথাভাঙ্গা এলাকায় ১০০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অপরদিকে মোতায়েনকৃত নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট বরগুনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় টহলের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে ও ২০০টি জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। সাধারণ জনগণকে কাঁচা বাজার, ঔষধের দোকান ও মসজিদ ব্যবহারে সরকারী নীতিমালা অনুসরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। একই সাথে অনুমোদিত নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর দোকান নির্দিষ্ট রুটিন সময়ের পর বন্ধ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করে। নৌ কন্টিনজেন্ট মংলা জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিগরাজ বাজার, মংলা বন্দর, সোনাইতলা, আপাবাড়ি, বুড়িরডাঙ্গা ও চরকানাই এলাকায় টহল পরিচালনা করে। এ সময় ৭৫টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে সহায়তা প্রদান করা হয়।

কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সঞ্জয় দাশের ব্যাতিক্রম প্রচারণা

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি

‘আপনারা নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলবেন, বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া অকারণে বাজারে আসবেন না, কোথাও কোন আড্ডা দিবেন না, নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের দোকান, ডাক্তারখানা, ওষুধের দোকান ছাড়া অন্য কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলবেন না, প্রাণঘাতি করোনায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলবেন, মাস্ক ও সেনিটাইজার ব্যবহার করবেন।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি বাজারে এক হাতে হ্যান্ড মাইক আর  এক হাতে মাইক্রোফোন নিয়ে নিজেই জনস্বার্থে এমন প্রচারণা চালাচ্ছিলেন কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক সঞ্জয় দাশ। এসময় তার সাথে কয়েকজন ফোর্সও ছিলেন। শুধু বৃহস্পতিবার নয়, প্রায় প্রতিদিনই প্রাচীনতম এ বাজারটির অলিগলিতে এমনিভাবে প্রচারণায় চালিয়ে থাকেন তিনি। প্রতিটি মূহুর্র্তে তিনি বাজারের দোকান বন্ধ রাখা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, বাইরের এলাকা থেকে আসা মানুষদেরকে হোমকোয়ারেন্টিনে রাখা, মাস্ক ব্যবহার করাসহ বিভিন্ন রকম সচেতনতা সৃষ্টি করে চলেছেন তিনি। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মানুষের সেবায় নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন পরিদর্শক সঞ্জয় দাশ। বাজারের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত সারাক্ষণ সেবা দিয়ে মানুষের আস্থাভাজনও হয়ে উঠেছেন ইতোমধ্যে।

বাজারের কীটনাশক ও বীজ ব্যবসায়ী মোঃ রফিকুল ইসলাম গাজী বলেন, ‘কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ একজন দক্ষ জনবান্ধব অফিসার, এখানে উনার দ্বারা মানুষ উপকৃত হচ্ছে। এই ভাইরাসের মৌসুমে তিনি অকান্ত পরিশ্রম করে মানুষের নিরাপত্তা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।’

এ বিষয়ে পুলিশ ফাঁড়ী ইনচার্জ সঞ্জয় কুমার দাশ বলেন, ‘দেশের মহামারী রুখতে সরকার যেসব সচেতনতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছেন সেটা বাস্তবায়নে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। জনস্বার্থে কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ী জনতার কাতারে থাকবে এবং সেবা করবে।’

পার হচ্ছে সময়সীমা, মণিরামপুরে শুরু হয়নি বোরো সংগ্রহ

আনোয়ার হোসেন, মণিরামপুর

সরকারিভাবে বোরো ধান সংগ্রহের সময়সীমা শুরু হয়ে পার হয়েছে ১৩ দিন। গত ২৬ এপ্রিল থেকে মণিরামপুরে কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয় কাজ শুরু করার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত এই কাজের উদ্বোধন করতে পারেনি খাদ্য গুদাম কর্তৃপক্ষ। কখন থেকে ক্রয় কাজ শুরু হবে দিনক্ষণ ঠিক করে তাও বলতে পারছেন না সংশ্লিষ্টরা। তবে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা বলছেন, কৃষক আগ্রহ না হওয়ায় এবং ধানের আদ্রতা বেশি থাকায় ধান ক্রয় শুরু করা যাচ্ছে না।

এবারে যশোরের মণিরামপুর খাদ্যগুদামের মাধ্যমে চার হাজার এক মেট্রিকটন বোরো ধান সংগ্রহ করবে সরকার। সেইলক্ষে ইউনিয়নভিত্তিক লটারির মাধ্যমে চারহাজার একজন কৃষক বাছাই করা হয়েছে। এই তালিকার কৃষকরা ১৫ জুলাই পর্যন্ত ধান বিক্রি করতে পারবেন। এদের কেউ ব্যর্থ হলে ১৬ জুলাই থেকে অপেক্ষমান তালিকার দুই হাজার কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা হবে। ক্রয় কাজ চলবে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

এদিকে প্রথম তালিকা ইতিমধ্যে প্রতি ইউনিয়ন পরিষদের দেওয়ালে সেঁটে দেওয়া হয়েছে। তালিকায় স্থান পাওয়া প্রতি কৃষক একটন করে ধান বিক্রি করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে তারা মণপ্রতি পাবেন একহাজার ৪০ টাকা।

কৃষকদের হয়রানি কমাতে এবার তালিকাভুক্ত কৃষকদের জন্য সুখবর দিয়েছে সরকার। টনপ্রতি ২৬ হাজার টাকার বিপরীতে কৃষকরা বিনা সুদে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প থেকে অগ্রিম ২০ হাজার টাকা নিতে পারবেন। পরে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুযোগ বুঝে কৃষক গুদামে ধান দিবেন। আর গুদামে এসে কৃষক যেন হয়রানি না হন সেইলক্ষে এবার কৃষক নিজনিজ ইউনিয়ন পরিষদে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ধানের আদ্রতা মেপে ঠিক করে নিতে পারবেন।

তবে কৃষকদের অভিযোগ, লটারিতে কার নাম স্থান পেয়েছে; কবে থেকে ধান নেওয়া হবে তার কিছুই জানেন না তারা।  

এদিকে লটারির তালিকা এখনো উপজেলা খাদ্য গুদাম চত্বরে সাঁটা হয়নি। ফলে আমন সংগ্রহের মত তালিকায় ভুয়া কৃষকের নাম স্থান পেয়েছে কিনা সেটা ভালভাবে যাচাই করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে, রোহিতা ইউপির এক নম্বর (স্মরণপুর-পট্টি) ওয়ার্ডের তালিকা যাচাই করে দেখা গেছে আমন সংগ্রহের তালিকার মত এবারও ওই ওয়ার্ডের তালিকায় কয়েকটি নাম স্থান পেয়েছে যাদের কেউ ধান চাষ করেননি।

ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আমিনুর রহমান বলেন, লটারির তালিকায় আমার ওয়ার্ডের ১৩ জনের নাম আছে। যারমধ্যে পাঁচ জন বোরো চাষ করেননি।

যদিও চলতি মৌসুমে প্রকৃত বোরো চাষিদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের নির্দেশনা রয়েছে সরকারের।

আমনে লোকসান হলেও এবারে শুরুতে ধানের দাম ভাল পাচ্ছেন কৃষকরা। বর্তমানে সাতশ’ ৭০ থেকে আটশ’ ৮০ টাকায় মণপ্রতি ধান বিক্রি করতে পারছেন কৃষক। সরকার ক্রয় কাজ শুরু করলে খোলা বাজারে ধানের দাম আরো বাড়বে বলে ধারণা ব্যবসায়ীদের।

এদিকে খেদাপাড়া ইউপির সাত নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তায়জুল ইসলাম মিলন বলেন, কবে বোরো চাষিদের তালিকা হয়েছে বা লটারিতে ওয়ার্ডের কার কার নাম এসেছে তার কিছুই আমার জানা নেই।

মণিরামপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মামুন হোসেন খান বলেন, ধানের আদ্রতা বেশি থাকায় এবং কৃষক আগ্রহী না হওয়ায় ধান ক্রয় কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। আবহাওয়া ভাল হলেই ধান ক্রয় শুরু হবে। বিষয়টি কৃষকদের জানান দেওয়ার জন্য আগামী সপ্তাহে মাইকিং করা হবে।

বোরো ধান ক্রয় কমিটির সভাপতি মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ শরিফী বলেন, লটারির তালিকায় স্থান পাওয়া কোন নামের ব্যাপারে অভিযোগ থাকলে তদন্তপূর্বক সেটা বাদ দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে অপেক্ষমান তালিকা থেকে ধান ক্রয় করা হবে।

খুলনা শিল্পাঞ্চল শ্রমিক লীগ সভাপতি শেখ আনসার আলীর ইন্তেকাল: আ’লীগের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা শিল্পাঞ্চল শ্রমিক লীগ সভাপতি শেখ আনসার আলী ইন্তেকাল করেছেন (৭৫) (ইন্নালিল্লাহে ………….. রাজেউন)। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী সন্তান, নাতি নাতনি, আত্মীয় স্বজন সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমকে বৃহস্পতিবার খুলনায় আনা হয়।

শেখ আনসার আলী ফুলতলা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, তিনি আফিল জুট মিলের বার বার নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি সামরিক শাসক, স্বৈরাচার ও খালেদা বিরোধী আন্দোলন সহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। এ সকল আন্দোলনে ভূমিকা রাখতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে জেল জুলুম অত্যাচার নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন। এছাড়া তিনি খানজাহান আলী থানা প্রেস কাবের সভাপতি ছিলেন। তিনি স্থানীয় দৈনিক জন্মভূমি এবং জাতীয় পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেছেন। তাঁর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক এবং সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা শোকাহতদের পাশে যান। নেতৃবৃন্দ সেখানে কিছু সময় অবস্থান করেন এবং শোকাহতদের ধৈর্য্য ধারনের জন্য সান্তনা দেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি বেগ লিয়াকত আলী, সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, সাবেক শ্রম সম্পাদক শেখ ইউনুচ আলী, মুক্তিযোদ্ধা স. ম রেজওয়ান, খানজাহান আলী থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ আবিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এস এম আনিছুর রহমান সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে নেতৃবৃন্দ বাদ এশা উত্তর শিরোমনি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের নামাজে জানাযায় অংশগ্রহণ করেন। জানাযা শেষে মরহুমকে শিরোমনি পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে শেখ আনসার আলীর মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী, ফুলতলা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ আকরাম হোসেন, খান জাহান আলী থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ আবিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এস এম আনিছুর রহমান।

করোনা আক্রান্ত হয়েও প্রফেসর মুনতাসির মামুন খোঁজ নিলেন খুবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য, একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ অসংখ্য পদক ও পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক ড. মুনতাসির মামুন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার মুগদা হাসপাতালের আইসিইউ থেকে এখন ক্যাবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এখনও তিনি পুরো সুস্থ নন। তাঁর শরীর দূর্বল এবং গলার স্বরও পুরো স্পষ্ট নয়। এ অবস্থায় দেশ-বিদেশের তাঁর শতশত শুভাকাঙ্খী মোবাইল ফোন করে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে চাইছেন। কিন্তু তিনি বাইরে কারও সাথে খুব একটা কথা বলছেন না। এর মধ্যেও বৃহস্পতিবার দুপুরে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সাথে ফোনালাপে ক্ষীণস্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্ত, কর্মচারিদের খোঁজ-খবর নেন। তিনি বিশেষভাবে জানতে চান বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই ভালো আছেন কি না এবং কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে কি না? খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারে তাঁর এই মমত্ববোধ এবং একান্ত ভালোবাসায় উপাচার্য তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। উল্লেখ্য, প্রফেসর মুনতাসির মামুন করোনা আক্রান্ত হয়ে মুগদা হাসপাতালে আইসিইউতে থাকাকালে তাঁর সুস্থতা কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদে জোহরের নামাযের পরে বিশেষ দোয়া করা হয়।

দেশী-বিদেশী ৮ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা তৈরিতে সাড়ে ৬ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন, বাংলাদেশ অংশের নেতৃত্বে খুবি

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মাঝ থেকে উদ্যোক্তা গড়ে ওঠাকে উৎসাহিত করা এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে এ অঞ্চলের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সক্ষমতা তৈরির উদ্দেশ্যে ইউরোপিয়ান কমিশন এর ইরোসমাস প্লাস কর্মসূচির অধীনে এমইএলবিইউ (মোর ইন্টারপ্রিনিউরিয়াল লাইফ ইন বাংলাদেশী ইউনিভার্সিটিজ) শীর্ষক একটি প্রকল্প কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশী আনুমানিক প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকার মূল্যমানের এ প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে তিন বছর। প্রকল্পটির বাংলাদেশ অংশে নেতৃত্ব দিচ্ছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউরোপের অংশে নেতৃত্ব দিচ্ছে জার্মানীর লাইপজিগ বিশ্ববিদ্যালয়। গতকাল দুপুরে অনলাইন কিকঅফ মিটিং এর মাধ্যমে প্রকল্পটির কার্যক্রম সূচনা করা হয়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। বিশ্বব্যাপি করোনা পরিস্থিতির কারনে প্রকল্পটির উদ্বোধনে এ পন্থা অবলম্বন করা হয়। উপাচার্য তাঁর উদ্বোধন বক্তব্যে নতুন উদ্যোক্তা উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও জোরালো ভুমিকার প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করেন। উপাচার্য তাঁর নিজের এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এই প্রকল্পে সম্ভব সকল প্রকার সহায়তা প্রদানের আশ্বাস ব্যক্ত করেন। তিনি এ প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং প্রকল্পের সাফল্য কামনা করেন।                

প্রকল্পটিতে সংযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হচ্ছে জার্মানির লাইপজিগ বিশ্ববিদ্যালয় (খবরঢ়ুরম টহরাবৎংরঃু), পোল্যান্ডের মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি অফ স্তেতিন (গধৎরঃরসব টহরাবৎংরঃু ড়ভ ঝঃবঃঃরহ), এবং বাংলাদেশের খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল এবং প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়.গোপালগঞ্জ, নর্দান  ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস এন্ড টেকনোলজি খুলনা এবং নর্থ ওয়েস্টার্ন  ইউনিভার্সিটি। প্রকল্প ব্যবস্থাপনার সাথে সংশ্লিষ্ট এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ জন শিক্ষক অনলাইনে সংযুক্ত থেকে কার্যক্রম বাস্তবায়ন সূচনাপর্বের এ অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন।

প্রকল্পের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত বাংলাদেশী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ  উপযোগী মডিউল প্রণয়ন করা, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষামূলকভাবে  শিক্ষার্থীদের জন্য উদ্যোক্তা সহায়ক কেন্দ্র স্থাপন করা এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে স্টার্ট-আপ (ঝঃধৎঃ-ঁঢ়) উৎসাহিত করা এবং সমর্থনের জন্য একটি ক্রাউডসোর্সিং প্লাটফরম (ঈৎড়ফিংড়ঁৎপরহম চষধঃভড়ৎস) গড়ে তোলা। এছাড়া  প্রকল্পের অধীনে খুলনা এবং জার্মানির লাইপজিগ শহরে দুটি সামার স্কুল ( ঝঁসসবৎ ঝপযড়ড়ষ) আয়োজন করা যেখানে প্রত্যেকটি অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্বাচিত সংখ্যক  শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়াও এই প্রকল্পের অধীনে একটি আঞ্চলিক ইনোভেশন প্লান কম্পিটিশন (জবমরড়হধষ ওহহড়াধঃরড়হ ধহফ ইঁংরহবংং চষধহ ঈড়সঢ়বঃরঃরড়হ) আয়োজন করা হবে। প্রকল্পের অন্যতম সমন্বয়কারী জার্মানীর লাইপজিগ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. উটজ ডোম্বার্গার (চৎড়ভ. উৎ. টঃু উড়ৎহনবৎমবৎ) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা প্রদান করেন এবং করপশড়ভভ গববঃরহম এ সংযুক্ত থেকে এ কর্মসূচির যাত্রাসূচনা জন্য ধন্যবাদ জানান। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মোঃ নূরুন্নবী এ প্রকল্পের বাংলাদেশ অংশের সমন্বয়কারী এবং বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ মুরছালিন বিল্লাহ এবং ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম টিমের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ।

ফলোআপ: বন কর্মকর্তার সুন্দরবনের গাছ পাচারের ঘটনায় তোলপাড়: তদন্ত শুরু

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

খোদ বন কর্মকর্তা নিজেই সুন্দরবনের কর্তন নিষিদ্ধ সুন্দরী গাছ কাটার ঘটনায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকার ঘটনা ঘটিয়ে এখন বিপাকে ওই বন কর্মকর্তা নিজেই। পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের ঢাংমারী ষ্টেশনের ষ্টেশন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন খাঁন বুধবার (৬ মে) দুপুরে বনের ঘাগরামারী এলাকা হতে কর্তন নিষিদ্ধ সুন্দরী ও কাঁকড়া গাছ কেটে তা পাচার করছিল। গাছ পাচারের সাথে জড়িত তিন পাচারকারী সনজিৎ, তরুন ও পংকজ তাৎক্ষনিকভাবে গণমাধ্যমের কাছে স্বীকারও করেন তা। গাছ পাচার কাজে ব্যবহার করা হয় বনবিভাগের পতাকাবাহী ট্রলারও। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার/প্রকাশিতও হয়েছে।

এদিকে সুন্দরবন থেকে খোদ বন কর্মকর্তার গাছ কেটে পাচারের ঘটনায় ওই বন কমকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোঃ বেলায়েত হোসেনকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বনবিভাগের খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মোঃ মঈন উদ্দি খাঁন। তিনি বলেন, তদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই এসও আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে মামলাসহ বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো: বেলায়েত হোসেন আবার এ তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো: এনামুল হককে। চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো: এনামুল হক বলেন, তিনি ইতিমধ্যেই তদন্ত কাজ শুরু করেছেন। আগামী রবিবার, সোমবারের মধ্যে তিনি এ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

উল্লেখ্য, পূর্ব সুন্দরবনের ঢাংমারী ষ্টেশনের ষ্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মোঃ আনোয়ার হোসেন খাঁন ঘাগরামারি এলাকা থেকে সুন্দরী ও কাকড়া গাছ কেটে তা ট্রলারযোগে পাচার করছিল। বুধবার (৬ মে) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে পাচার কাজে ব্যবহৃত করা হয় বনবিভাগের পতাকাবাহী ট্রলার। গাছ বহনকারী ট্রলারে থাকা পাচারকারী তরুন, সনজিৎ ও পংকজ বলেন, এ গাছ তাদের এসও আনোয়ার সাহেব ঘাগরামারী থেকে কেটে আনার অনুমতি দিয়েছেন।

এদিকে এ ঘটনায় বনবিভাগের প্রধান বন সংরক্ষক (সিসিএফ) মোঃ আমির হোসাইন চৌধুরী জানান, এ সংক্রান্ত ভিডিও এবং সংবাদ পেয়েছি, আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

খোদ বনবিভাগের কর্মকর্তাই সুন্দরবনের গাছ কাটার ঘটনায় বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের বাগেরহাট জেলা সমন্বয়কারী মোঃ নুর আলম শেখ বলেন, বনবিভাগের অসাধু কর্তা ব্যক্তিদের সহযোগিতায় বনের গাছ কেটে পাচার হচ্ছে, যা প্রত্যক্ষভাবে সবার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এতেই প্রমাণ হয় সুন্দরবন রক্ষায় বনবিভাগ পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে, কাজেই এই বনকে রক্ষা করতে হলে বনবিভাগের উপর আস্থা না রেখে সরকারের উচিত বিশেষ নজরদারী করা।

নিম্ন আয়ের কর্মহীনদের মাঝে সিটি মেয়রের ত্রাণসামগ্রী বিতরণ

তথ্য বিবরণী

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় বৃহস্পতিবার সকালে খুলনার ১৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে পাঁচশত ৭১ কর্মহীন নি¤œআয়ের শ্রমজীবী, অসহায়, দুস্থ ও হতদরিদ্রদের মাঝে সাত কেজি করে চালসহ আলু, ডাল, লবণ, পেঁয়াজ, সাবান ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এসব খাদ্যসামগী বিতরণ করেন।

ত্রাণসামগ্রী বিতরণকালে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, ১৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আনিছুর রহমান বিশ^াস, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ মোঃ আবিদুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক হাসান ইফতেখার চানুসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হওয়া থেকে ৭ মে পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় খুলনা মহানগরীর ৩১টি ওয়ার্ডের প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ধাপে প্রায় ৩৭ হাজার কর্মহীন নি¤œআয়ের শ্রমজীবী, অসহায়, দুস্থ ও হতদরিদ্রদের মাঝে সাত কেজি করে চালসহ আলু, ডাল, লবণ, পেঁয়াজ, সাবান, সবজি ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

এছাড়াও কোভিড-১৯ প্রতিরোধে পাটকল শ্রমিক, লেদার শ্রমিক, হর্কাস, মোটর শ্রমিক, মোটরযান শ্রমিক, ট্রাকচালক, বাসচালক, হেলপার, বেবিট্রেক্সি চালক, ইটভাটা, স’মিলস শ্রমিক, হোটেল, দর্জি শ্রমিক, স্বর্ণশিল্পী শ্রমিক, দোকান কর্মচারী, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীসহ নি¤œআয়ের প্রায় ১৭ হাজার কর্মহীনদের মাঝে আট কেজি করে চালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

পরে সিটি মেয়র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় খুলনার ২ এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চারশত ২৮ জন করে মোট আটশত ৫৬ কর্মহীন নি¤œআয়ের শ্রমজীবী, অসহায়, দুস্থ ও দরিদ্রদের মাঝে সাত কেজি করে চালসহ আলু, ডাল, লবণ, পেঁয়াজ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করেন।

করোনা আক্রান্ত রূপসা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মী ও স্টাফদের পাশে নগর যুবলীগ

খবর বিজ্ঞপ্তি

সচেতনতা বৃদ্ধিতে এবং করোনা আক্রান্ত পরিবারের দূর্ভোগ লাঘবে কাজ করছে খুলনা মহানগর যুবলীগ। এর অংশ হিসেবে খুলনা মহানগরীর করোনা আক্রান্তদের পরিবার ও লক ডাউনকৃত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও আর্থিক সাহায্য করছেন তারা। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে যারা আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের পরিবার এবং আক্রান্ত হয়ে যারা মারা গেছেন তাদের পরিবারসহ লক ডাউনকৃত পরিবারদের খাদ্য সামগ্রী ও আর্থিক সাহায্য শুরু করেছে যুবলীগ।

যার অংশ হিসেবে বৃহষ্পতিবার সকালে খুলনার রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা আক্রান্ত স্বাস্থ্য কর্মী শাহারুল আসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, নাসরিন বেগমকে খাদ্য সামগ্রী পাঠানো হয়েছে। খুলনা মহানগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ উদ্যোগে এই খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেওয়া হয়। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক আ:রাজ্জাক শেখ,  ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক আ:মজিদ শেখ সহ দলীয় নেতাকর্মীরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে এই খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

নগর যুবলীগের ইফতার বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

পবিত্র মাহে রমজানে বর্তমান করোনা সংক্রমন পরিস্থিতিতে ন্মিম আয়ের মানুষকে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করছে খুলনা মহানগর যুবলীগ। এর অংশ হিসাবে ৩০নং ওয়ার্ডে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বৃহষ্পতিবার ৩০নং ওয়ার্ড কউন্সিলরের কার্যালয়ে নিম্ম আয়ের মানুষের মাঝে এই ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ওয়ার্ড কাউন্সিলর এস এম মোজাফফর রশিদী রেজা, নগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ, যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন, কমরুল ভাই, আব্দুল কাদের শেখ, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, মসিউর রহমান সুমন, ওয়ার্ড যুবলীগের আহবায়ক  মোঃ রিপন, ইলিয়াস হোসেন লাবু, ইমরুল ইসলাম রিপন, কে এম ”ঞ্চল, আসাদুজ্জামান, জুয়েল, ফরাজী প্রমূখ।  ৩১নং ওয়ার্ড যুবলীগের কর্মী রফিকুল ইসলাম রফিক ও ইমাজ উদ্দিন রিপনের উদ্দ্যোগে প্রায় দুই শতাধিক নিম্ম আয়ের মানুষের মাঝে এই ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

৩১নং ওয়ার্ডে নগর যুবলীগের সবজি বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

নগর জুরে মহানগর যুবলীগের সবজি বিতরণ কার্যক্রমের অংশ হিসাবে বৃহস্পতিবার সকালে ৩১নং ওয়ার্ড যুবলীগের উদ্যোগে সবজি বিতরণ করা হয়। ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা রবিউল ইসলাম রবির উদ্যোগে রূপসা ব্রীজের নিচে ২৫০ জন মানুষের নিকট সবজি  বিতরণ করা হয়।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নগর যুলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ, ৩১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরিফ হোসেন মিঠু, কামরুল ভাই, আব্দুল কাদের শেখ, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, শামীমুর রহমান শামীম, আরীফুর রহমান আরীফ, এনামূল হোসেন, রাশেদ, রাফী আহমেদ রণি, তাজমুল কবীর তাজু প্রমূখ।

ঐক্যবদ্ধভাবে কর্মহীন মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে: মঞ্জু

খবর বিজ্ঞপ্তি

কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিদিনই বাড়ছে। এ মুহুর্তে সমাজের অসচ্ছল, ভাসমান, গরীব ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিতে হবে। ত্রাণ বিতরণে দলের পক্ষ থেকে সামাজিকভাবে সম্মিলিত কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। দেশের জনগণ সংগ্রাম করে যাচ্ছে দু’মুঠো ভাতের জন্য।

মঞ্জু আরো বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির এখন একটাই লক্ষ্য, এদেশের দরিদ্র, শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের খাদ্য সমস্যার সমাধান করা। দল ও দলের বাইরে বৃহৎ জনগোষ্ঠি অর্ধাহারে, অনাহারে দিন পার করছে। স্ত্রী পরিবার পরিজন কর্মহীন ভাবে ঘরে বন্দি আছে। বেঁচে থাকার তাগিদে করোনা নামক অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। প্রতিদিন আর্থিক অসচ্ছলতার মধ্যে দিয়ে মানুষ দিন পার করছে। সকলে মিলে সমাজের কর্মহীন মানুষের সাহায্যের জন্য হাত বাঁড়াতে হবে।     

মহানগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বৃহস্পতিবার দুপুরে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশক্রমে নগর বিএনপি’র মানবিক সাহায্য কর্মসুচির অংশ হিসেবে নগর বিএনপি’র উদ্যোগে ২২নং ওয়ার্ডের নতুন বাজার চর এলাকার নি¤œ আয়ের মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা, নগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র মো. মনিরুজ্জামান মনি, যুগ্ম-সম্পাদক অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যক্ষ আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দীপু, ইউসুফ হারুন মজনু, চৌধুরী নাজমুল হুদা সাগর, আলমগীর কবির আলম, তরিকুল ইসলাম তরু, শামীম আশরাফ, জাহিদ কামাল টিটু, সিরাজুল ইসলাম লিটন, শামসুল আলম খান বাদল, খান মঈনুল হাসান মিঠু, ডা. ফারুক হোসেন, নুরুল ইসলাম দিপু, শহিদুল ইসলাম, সাহারুজ্জামান মুকুল, এম এ হাসান, ইয়াকুব আলি ব্যাপারী, তরিকুল ইসলাম তারেক, আবু তালেব, ইমরান হোসেন  প্রমুখ।

প্রণোদনা স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্তভাবে বিতরণের দাবিতে পোল্ট্রি ফিশ ফিড শিল্প মালিক সমিতির সভা

খবর বিজ্ঞপ্তি

বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় বিপিআইএ-এর খুলনা বিভাগীয় কমিটি ঃ খুলনা পোল্ট্রি ফিশ ফিড শিল্প মালিক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক নিরাপত্তা প্রতিপালনের মাধ্যমে সংগঠনের সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা ইব্রাহিম ফয়জুল্লাহের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক, খুলনার মহাসচিব প্রাণিপ্রেমী এস এম সোহরাব হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ভয়ঙ্কর করোনা ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত পোল্ট্রি-ডেইরী শিল্পের খামারী-ব্যবসায়ীদের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত প্রণোদনা স্বচ্ছ দুর্নীতিমুক্তভাবে সুষম ও সুষ্ঠুভাবে তালিকা প্রণয়নের মাধ্যমে বিতরণের দাবী করা হয়। করোনা প্রতিরোধে ডিম, মাংস, দুধ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী জনগণকে ব্যবহার করতে উৎসাহিত করা এবং আর্থিক প্রণোদনা ও খামারীদের সহায়তা প্রদানের অঙ্গীকারকে সভায় ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। আর্থিক সহায়তা যেন সফল খামারী-ব্যবসায়ীরা পায় তারজন্য প্রধানমন্ত্রী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনÑসমিতির উপদেষ্টা আলহাজ্ব মহিউদ্দিন আহমেদ, আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন, সহ-সভাপতি সৈয়দ মোঃ বেল্লাল হোসেন, শেখ রেজানুল ইসলাম, যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ্ব মোঃ মামুনুর রহমান, প্রচার সম্পাদক শেখ আব্দুল হালিম, দপ্তর সম্পাদক সামছুর রহমান বাবুল, সঞ্চয় ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হক, নির্বাহী সদস্য শাহ জাফর মাহমুদ মেহেতা প্রমুখ।

করোনায় দ্বিতীয়বার সংক্রমণের বিষয়ে যা বললেন বিশেষজ্ঞরা

খুলনাঞ্চল রিপোর্ট

আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়ার পর বাংলাদেশে ছয় জনের শরীরে পুনরায় করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা রিঅ্যাকটিভেশন (শরীরে সুপ্ত অবস্থায় থাকার পর ভাইরাসটি দ্বারা পুনরায় সংক্রমিত হওয়া) অথবা রিইনফেকশন (একবার পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার পর পুনরায় আক্রান্ত হওয়া) হতে পারে। তাছাড়া ভাইরাসটি এখন নতুন অবস্থায় থাকায় এর গতি প্রকৃতি সম্পর্কে সবকিছু জানা যাচ্ছে না। তবে দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হওয়াদের সংখ্যা বিশ্বজুড়ে এতই কম যে, এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই।

এ বিষয়ে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত দেশে মোট ছয় জনকে পাওয়া গেছে, যারা সুস্থ হওয়ার পর পুনরায় কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন। তবে দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হওয়ার পরও  তারা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তাদের আইইডিসিআরের পক্ষ থেকে সব ধরনের সাবধানতা মেনে চলতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানায়, প্রথমবার কোভিড–১৯ এ আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়া রোগী অর্থাৎ যার অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে, তিনি দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হবেন না। এ রকম কোনও প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি বলেও জানায় সংস্থাটি। ডব্লিউএইচও বলছে, গবেষণায় দেখা গেছে, সুস্থ হওয়া ব্যক্তিদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। তবে কিছু মানুষের শরীরে খুব কম অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য ও বিশিষ্ট ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘করোনাভাইরাসে দ্বিতীয়বার আক্রান্তকে ‘রিইনফেকশন নাকি রিঅ্যাকটিভেশন’ বলা হবে, এ প্রশ্নের উত্তর জরুরি। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও নিশ্চিত না হয়ে এ নিয়ে কথা বলবে না।’ তিনি বলেন, ‘এ ভাইরাসের গতি-প্রকৃতি এখনও অজানা। এ কারণে রিইনফেকশন নাকি রিঅ্যাকটিভেশন হচ্ছে, টা বোঝা যাচ্ছে না।’ উদাহরণ দিয়ে এই চিকিৎসক বলেন, ‘হেপাটাইটিস বি-তে রিঅ্যাকটিভেশন আছে, কিন্তু করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে এখনও সেটা বলা যাচ্ছে না এবং বলার সময়ও আসেনি।’ তবে রিইনফেকশন হলে তা জটিল বিষয় হবে মন্তব্য করে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘দেশে পাওয়া পুনরায় আক্রান্ত ছয় জন রোগীকে ফলোআপে রাখতে হবে। তবে এটা ‘ভয়ংকর’ কিছু নয়। এসব নিয়ে কাজ করতে হবে।’

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, ‘শনাক্ত ১১ হাজার রোগীর মধ্যে দ্বিতীয়বার সংক্রমিত হয়েছেন মাত্র ছয় জন। এটি সংখ্যায় অনেক কম। তবুও তাদের সাবধানে আইসোলেশনে থাকতে হবে। তবে এ বিষয়ে শেষ কথা বলার সময় এখনও আসেনি, কারণ কোভিড-১৯ এর গতি-প্রকৃতি এখনও নিরূপণ করা যায়নি।’ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজের ভাইরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. জাহিদুর রহমান বলেন, ‘বিশ্বের কয়েকটি দেশে দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, তবে সংখ্যায় সেটা খুবই কম। আমাদের দেশেও শনাক্ত হওয়া মোট রোগীর তুলনায় দ্বিতীয়বার শনাক্ত খুবই নগণ্য।’ ডা. জাহিদুর রহমান বলেন, ‘এ ধরনের ভাইরাস রূপ বদলায় বলে এর ভ্যাকসিন আবিষ্কার করাও কঠিন। তবে এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।’ তিনি বলেন, ‘এ ভাইরাসের বিরুদ্ধে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় এবং সেটা প্রকৃতই সুরক্ষা দেয় কিনাÍএটা প্রমাণিত নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এই অ্যান্টিবডি ভবিষ্যতে কোনও সংক্রমণ থেকে নিশ্চয়তা দেবে কিনা, তার প্রমাণ পায়নি।’

বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাত

যশোর প্রতিনিধি

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পারভেজ বিশ্বাস (২৮) নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে ছুরিকাঘাত করেছে প্রতিপক্ষরা। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যা ৬টার দিকে যশোর শহরের ঘোপ মাহমুদুর রহমান স্কুলের পাশে এই ঘটনা ঘটে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পারভেজ সাংবাদিকদের জানান, সন্ধ্যায় ঘোপ বউবাজার এলাকার রকি তাকে মোবাইলফোনে ডেকে নিয়ে যায় মাহমুদুর রহমান স্কুলের সামনে। এরপর ঘটনাস্থলে থাকা টুটুল, রকি, ফরাজি, ইমরুল শানু , ইরান, হানিফ মিলে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। জখম অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়।

ঘোপ এলাকার একাধিক সূত্র জানায়, ঘোপ বউ বাজারে চাঁদাবাজির ঘটনা নিয়ে দুই গ্রুপের বিরোধের কারণে প্রতিপক্ষরা এই কাজ করেছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার অমিয় দাশ বলেন, ‘আহতের বাম পাশের বাহুর নিচের আঘাতটি গুরুতর। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।’

জানতে চাইলে উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই এইচ এমএ লতিফ বলেন, ‘খবর শুনে ঘটনাস্থলে এসেছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকে পুলিশ অভিযানে রয়েছে। পারভেজ যশোর শহরতলীর বাহাদুরপুর গ্রামের তোতা বিশ্বাসের ছেলে।’

ঝড়ে উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

মেহেরপুর প্রতিনিধি

মেহেরপুরে কাল বৈশাখি ঝড়ে উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বুধবার (৭ মে) ভোরের দিকে কালবৈশাখি ঝড় শুরু হয়। প্রচ- ভ্যাপসা গরমের পর ভোরের দিকে সেহেরি খাওয়ার পরপরই মেহেরপুরের আকাশে মেঘ জমতে থাকে। এরপর শুরু হয় ঝড়ের তা-ব।

প্রচ- ঝড়ের কারণে মেহেরপুরের বিভিন্ন এলাকায় বড় বড় গাছ ভেঙে পড়ে থাকতে দেখা গেছে, মাঠে মাঠে পাকা ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়ে যায়। এদিকে ঝড়ের পাশাপাশি প্রবল বর্ষণের ফলে মেহেরপুরের বিভিন্ন এলাকাতে পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। ঝড়ে উঠতি ফসলের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ আম ঝরে পড়ে। করেনাভাইরাসের কারণে এমনিতেই মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তার ওপর ঝড় ও ভারী বর্ষণের ফলে কৃষকেরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

মসজিদের ফ্যানে বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার তালায় বিলাত আলী মোড়ল (৬৫) নামে এক বৃদ্ধর মরদেহ মসজিদের ভেতরে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে তালা উপজেলার জেঠুয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। বিলাত আলী মোড়ল একই গ্রামের মৃত খোদাবক্স মোড়লের ছেলে। তালা থানা ওসি মেহেদী রাসেল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এলাকাবাসী জানান, বিলাত আলী মোড়ল দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার কারণে বাড়ির পাশে মসজিদের ভেতরে ফ্যানের সিলিংয়ের সঙ্গে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে স্থানীয় এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে নামানোর আগেই তিনি মারা যাযন।

চর দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১০

নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতি থানার পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের বল্লাহাটি গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আলী খাঁ (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা। আঠারোবেকি নদীর চর দখলকে কেন্দ্র করে এ সংঘষের্র ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ জানায়। প্রতিপক্ষ আজিজুল ঠাকুরের লোকজন আলী খাঁকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত আলী খান বল্লাহাটি গ্রামের ওসমান খানের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালিয়া উপজেলার আটারোবেকি নদীর চর দখল নিয়ে বল্লাহাটি গ্রামের আজিজুল ঠাকুরের সঙ্গে একই গ্রামের ওসমান খার ছেলে আলী খার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে আজিজুল খা ও তার সমর্থকরা চরটি দখল নিতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে আলী খাঁ (৪০), নাসির খাঁ (৫৫), শানাল খাঁ (৩৮), জহুর মোল্যা (৬০) ও আজিজুল ঠাকুরসহ (৪২) কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। গুরুতর আহত আলী খানকে গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে তিনি মারা যান।

নড়াগাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকসানা খানম জানান, আলী খাঁ হত্যাকা-ে জড়িতদের গ্রেফতারে জোর চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় নিউটন বাড়ৈ (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ী ইউনিয়নের বৈকুণ্ঠপুর গ্রামে এ হত্যাকা- ঘটে। নিউটন বাড়ৈ কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ীর নিশিকান্ত বাড়ৈর ছেলে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেনে, নিউটন বাড়ৈ পুকুর খনন করার জন্য ভেকু মেশিন নিয়ে বৈকুণ্ঠপুর বিলে যাচ্ছিলেন। এ সময় ভেকু মেশিনের নিচে পড়ে বৈকুণ্ঠপুর গ্রামের বিজয় বাগচীর ছেলে কমলেশ বাগচীর কিছু পাকা ধান নষ্ট হয়। এ নিয়ে নিউটন বাড়ৈর সাথে কমলেশ বাগচীর কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে কমলেশ বাগচী এবং তার বিপুল বাগচী ও বিনয় বাগচী মিলে নিউটন বাড়ৈকে বেধড়ক পিটিয়ে ফেলে রেখে চলে যায়।

এলাকাবাসী আহত নিউটন বাড়ৈকে তার বাড়িতে নিয়ে আসেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বিকেলে পরিবারে লোকজন তাকে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় নিউটন বাড়ৈ মারা যান। নিউটনের মৃত্যু সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ক্ষোভে ফেটে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার পর কমলেশ বাগচী ও তার ভাইরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লুৎফর রহমান বলেছেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এলাকার অবস্থা এখন শান্ত রয়েছে। দোষীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

বিষ মিশিয়ে বানর হত্যা: তদন্ত কমিটি

খুলনাঞ্চল রিপোর্ট

মাদারীপুরের পৌর শহরের চরমুগরিয়ায় খাবারের সাথে বিষ মিশিয়ে বানর হত্যার ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফুন নাহার নাজীমকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে মাদারীপুরের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম এই তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- অতিরিক্তি পুলিশ সুপার বদরুল আলম মোল্লা, জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবু বকর সিদ্দিক ও সহকারী বন সংরক্ষক (ভারপ্রাপ্ত সামাজিক বন কর্মকর্তা) তাপস কুমার সেনগুপ্ত।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে মাদারীপুর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের চরমুগরিয়ার মধ্যখাগদি এলাকায় খাবারের সাথে বিষ মিশিয়ে ১৬টি বানরহত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সামাজিক বন বিভাগের কর্মকর্তারা। পরে মৃত বানরের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য জেলা প্রাণি সম্পদ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় সদর মডেল থানায় ফৌজদারি এবং বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে আলাদা দুটি মামলা দায়ের করে মাদারীপুর বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষণ তাপস কুমার সেনগুপ্ত। তারই ধারাবাহিকতায় এবার তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো।

খুলনায় সেনাবাহিনীর করোনা জীবাণুমুক্তকরণ টানেল উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা মহানগরীর শেরেবাংলা রোডে জোহরা খাতুন শিশু বিদ্যা নিকেতনের সামনে সেনাবাহিনীর করোনা জীবাণুমুক্ত করার দুটি টানেল উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৭ মে) সকালে খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক প্রধান অতিথি হিসেবে এ টানেলের উদ্বোধন করেন। দুটি টানেলের একটি দিয়ে পথচারী এবং অপরটি দিয়ে যানবাহন প্রবেশ করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনার জেলা প্রশাসক মো. হেলাল হোসেন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মির্জা।

জীবাণুমুক্ত করতে পানির সঙ্গে মানুষের ব্যবহার উপযোগী মেডিসিন ব্যবহার করা হচ্ছে এ দুটি ট্যানেলে। ফলে সব ধরনের যানবাহন এবং মানুষের শরীরে লেগে থাকা জীবাণু ধ্বংস করা সম্ভব। যানবাহন প্রবেশের ট্যানেলটি ১৫ ফুট লম্বা এবং ৮ ফুট চওড়া। পথচারী প্রবেশের টানেলটি ছয় ফুট লম্বা ও ছয় ফুট চওড়া। জীবাণুনাশ করণের জন্য ট্যানেলে দেড় হাজার লিটারের দুটি পানির ট্যাংক রয়েছে।