Home আঞ্চলিক গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে জনগনের প্রতিপক্ষ হবেন না : বিএনপি

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে জনগনের প্রতিপক্ষ হবেন না : বিএনপি

14

নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৬

খবর বিজ্ঞপ্তি।।

১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির গণ-সমাবেশ বানচাল করতে বিশেষ অভিযানের নামে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের গ্রেফতার-হয়রানি-বাড়িতে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। শনিবার (৩ ডিসেম্বর) খুলনার বিভিন্ন থানায় ছয়জন নেতাকে গ্রেফতারের পাশাপাশি অসংখ্য নেতাকর্মীর বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে তারা। ঢাকায় কর্মসূচিতে কারা অংশ নেবেন তার এলাকাভিত্তিক তালিকা তৈরি করে চলছে পুলিশের এই অভিযান।

খুলনা মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ আজ এক বিবৃতিতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চলমান সংগ্রামে নিজেদেরকে জনগনের মুখোমুখি দাঁড় না করাতে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। দেশ আজ এক কঠিন সংকট সময় অতিক্রম করছে এবং জাতি এক মাহেন্দ্রক্ষণে উপনীত দাবি করে বিএনপি নেতারা বলেন, এই মুহুর্তে আপনাদের ভূমিকা কালের কষ্ঠিপাথরে বিচার করা হবে। প্রজাতন্ত্রের সেবক হিসেবে আপনাদের কর্তব্য হবে মুক্তিকামী ১৮ কোটি মানুষের বিপক্ষে না দাঁিড়য়ে, অবৈধ নিশিরাতের সরকারের অন্যায় হুকুম তামিল না করে, সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করা।
বিবৃতিতে জানানো হয়, শনিবার খানজাহান আলী থানা পুলিশের অভিযানে ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক এমদাদুল হক, যুবদল নেতা মেহেদী হাসান বাপ্পী ও বিএনপি কর্মী আরেফিন গ্রেফতার হয়েছেন। সদর থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে হোসেন ও ইয়াসিনকে। লবনচরা থানা পুলিশের অভিযানে আটক হয়েছেন ৩১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ এইচ এম আসলাম। তাদের বিরুদ্ধে কোন মামলা বা ওয়ারেন্ট নেই। এছাড়া বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের অসংখ্য নেতাকর্মীর বাড়ি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তাদের খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ। এ সময় পরিবারের সদস্যদের সাথে অসৌজন্যমূলক কথাবার্তা বলছে এবং ঢাকায় গণ-সমাবেশে যোগ না দিতে হুঁশিয়ার করছে। ঢাকায় গেলে পরবর্তীতে পরিণতি খারাপ হবে বলে জানিয়ে দিচ্ছে তারা।

বিবৃতিতে বিএনপি নেতারা বলেন, একটি অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকারী লুটেরা সরকার দেশটাকে খাদের কিনারে পৌঁছে দিয়েছে। দ্রব্যমূল্যের নজিরবিহীন ঊর্ধ্বগতি জনজীবনে নাভিশ^াস সৃষ্টি করেছে। জনগনকে ঋণের বোঝায় ডুবিয়ে দিয়ে লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে তারা বেগমপাড়া গড়ছে। দেশের রিজার্ভ আজ তলানিতে। অনিশ্চিত আগামীর দূর্ভাবনায় সারা দেশে বিভাগীয় সদরে বিএনপির গণ-সমাবেশে লাখো সাধারণ মানুষের উপস্থিতি, এই সরকারের জনবিচ্ছিন্নতাকে প্রমাণ করে দিয়েছে। জনদাবির সমর্থনে বিএনপির কর্মসূচি নানা চক্রান্ত ষড়যন্ত্র ও প্রতিবন্ধকতা সত্তে¡ও মানুষ সফল করেছে। ১০ ডিসেম্বরেও ঢাকার কর্মসূচি নয়াপল্টনেই সফল ভাবে পালন করা হবে। বাঁধার পাহাড় ডিঙ্গিয়ে পালিত হওয়া বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি থেকে ফ্যাসিবাদী সরকার পতনের চূড়ান্ত দিকনির্দেশনা আসবে। গণতান্ত্রিক এই কর্মসূচি বানচালে কোন অনির্বাচিত মধ্যরাতের ভোটের সরকারের অন্যায়ের সহযোগী না হতে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি উদাত্ত আহবান জানানো হয়।

বিবৃতিদাতারা হলেন খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক শফিকুল আলম মনা, সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ তারিকুল ইসলাম জহির, যুগ্ম আহবায়ক কাজী মোঃ রাশেদ, স ম আব্দুর রহমান, সৈয়দা রেহানা ঈসা, এ্যাড. নুরুল হাসান রুবা, কাজী মাহমুদ আলী, শের আলম সান্টু, আবুল কালাম জিয়া, বদরুল আনাম খান, মাহবুব হাসান পিয়ারু, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, একরামুল হক হেলাল, মাসুদ পারভেজ বাবু, শেখ সাদী, হাসানুর রশিদ চৌধুরী মিরাজ।