খবর বিজ্ঞপ্তি।।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে আজ ২৮ সেপ্টেম্বর (বুধবার) সকাল ১০.৩০ মিনিটে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইকেল মধুসূদন দত্ত অতিথি ভবনের সামনে নাগলিঙ্গম গাছের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। বৃক্ষরোপণের পর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন ৭৫-এর ১৫ আগস্টের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের পর তা মুখ থুবড়ে পড়ে। যার কারণে আমরা স্বাধীনতা পেলেও অর্থনৈতিক মুক্তি পাইনি। কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে দেশে প্রত্যাবর্তনের পর থেকে অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন। যার প্রেক্ষিতে তাঁকে বহুবার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। জীবনের ওপর বারবার ঝুঁকি আসলেও তিনি থেমে থাকেননি।
তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ মেনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষুধা, দারিদ্র্য এবং দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে আমাদের কাজ করতে হবে। ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ গড়ার যে অভিলক্ষ্য আমাদের সামনে রয়েছে তাতে সামিল হতে হবে। এজন্য যে যেখানে আছি, সেখান থেকে দুর্নীতিকে না বলতে হবে। নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে অচিরেই ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
উপাচার্য বলেন, মহান আল্লাহর কাছে আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘজীবন কামনা করি, যাতে তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণে আরও সেবা করতে পারেন এবং দেশকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যেতে পারেন।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, ট্রেজারার অমিত রায় চৌধুরী। সূচনা বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস।এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিনবৃন্দ, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও দিনের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল এবং মন্দিরে প্রার্থনা।
খুবিতে দু’দিনব্যাপী সিএসই ফেস্ট-২০২২ উদ্বোধন
একটি ভালো আইডিয়া সমস্ত পৃথিবীকে বদলে দিতে পারে : উপাচার্য
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে দু’দিনব্যাপী ‘কেইউ সিএসই ফেস্ট-২০২২’ শুরু হয়েছে। আজ ২৮ সেপ্টেম্বর (বুধবার) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন।
এসময় তিনি বলেন, একটি দেশকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সবার আগে প্রয়োজন শিক্ষা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে ইতোমধ্যে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে অনেক উন্নতি লাভ করেছে। আশা করি তাঁর নেতৃত্বেই ২০৪১ সালের মধ্যে দেশ উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে। তিনি আরও বলেন, বিখ্যাত দার্শনিক এরিস্টটল জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে ৪টি দিকের কথা উল্লেখ করেছেন। এগুলো হলো- লেখাপড়া, অঙ্কন, ব্যায়াম এবং সঙ্গীত।
উপাচার্য বলেন, বিশ্বে এখন অন্যরকম যুদ্ধ শুরু হয়েছে। তাহলো- প্রযুক্তির যুদ্ধ। যে দেশ যতো বেশি প্রযুক্তিতে এগিয়ে, সে দেশ ততো বেশি উন্নত, সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী। তিনি বলেন, দুই বছর আগে আমরা কখনো ভাবিনি অনলাইনে ক্লাস এবং পরীক্ষা নেওয়া নেওয়া যায়। কিন্তু করোনাকালে প্রযুক্তির বদৌলতে আমরা তা পেরেছি। একটি ভালো আইডিয়া সমস্ত পৃথিবীকে বদলে দিতে পারে। একজন ছাত্রের থিসিসের গবেষণা থেকেই স্কাইপি আবিষ্কার হয়। এটাই হলো আইডিয়ার শক্তি। শুধু সিএসই ডিসিপ্লিন নয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ডিসিপ্লিনের ছাত্র-ছাত্রীরা নিত্যনতুন আইডিয়ার নিয়ে এগিয়ে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অমিত রায় চৌধুরী এবং বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. আফরোজা পারভীন। সভাপতিত্ব করেন সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিন প্রধান (চলতি দায়িত্ব) প্রফেসর ড. অনুপম কুমার বৈরাগী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর ড. রামেশ্বর দেবনাথ।
এসময় বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে দিনব্যাপী কয়েকটি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। আগামীকাল এ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হবে।
আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষ্যে
খুবিতে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক সভা অনুষ্ঠিত
আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের আয়োজনে আজ ২৮ সেপ্টেম্বর (বুধবার) বিকাল ৩টায় সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক এক আলোচনা সভা শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিএর টিম লিডার ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস।
তিনি বলেন, তথ্য প্রাপ্তি মানুষের মৌলিক অধিকার। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে তথ্য সেবা প্রদান আমাদের অন্যতম দায়িত্ব। তবে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রীয় কোনো ক্ষতি বা ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এ ধরনের তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্ক হতে হবে। তথ্য অধিকার আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা প্রতিপালন করেই এসব ক্ষেত্রে তথ্য দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন এর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিতরণের লক্ষ্যে কাজ চলছে। কেননা উন্নত দেশ গড়ার নেপথ্যে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ও এপিএর তথ্য অধিকার বিষয়ক ফোকালপয়েন্ট এস এম আতিয়ার রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইসিটি সেলের পরিচালক ও এপিএর ইনোভেশন বিষয়ক ফোকালপয়েন্ট প্রফেসর ড. কাজী মাসুদুল আলম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিএর ফোকাল পয়েন্ট, উপ-রেজিস্ট্রার এস এম আবু নাসের ফারুক। সভা সঞ্চালনা করেন এপিএর সদস্য উপ-রেজিস্ট্রার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, শাখা প্রধান, প্রতিনিধি, এপিএর বিভিন্ন কমিটির ফোকালপয়েন্ট, বিকল্প ফোকালপয়েন্ট ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।











































