খুলনায় আওয়ামী লীগের বর্ণাঢ্য র্যালী আজ
খবর বিজ্ঞপ্তি
বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিকাল ৪টায় দলীয় কার্যালয় হতে বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হবে। র্যালি শেষে দলীয় কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ পাউন্ডের কেককাটা হবে। কেককাটা শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
রূপসায় ইফা’র উদ্যোগে মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
রূপসা (খুলনা) উপজেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মাসিক সমন্বয় সভা ২৭ সেপ্টেম্বর২২ মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় সামন্তসেনা দারুসসুন্নত সিদ্দিকীয়া মাদরাসা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দীন বাদশা।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক মো. আজমল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফিল্ড অফিসার মো. ফোরকান হোসাইন, সামন্তসেনা দারুসসুন্নত সিদ্দিকীয়া মাদরাসা’র সুপার মাওলানা শফিউদ্দীন নেসারী, ফিল্ড সুপারভাইজার মো. নুরুল ইসলাম, মাস্টার ট্রেইনার মাওলানা কামরুল ইসলাম। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মডেল কেয়ারটেকার আব্দুস ছালাম’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন মাওলানা আবু বক্কার সিদ্দিক, হাফেজ হামিদুল ইসলাম, মো. আমানুল্লাহ, আকতার খান, মাওলানা আমিরুল ইসলাম, হাফেজ কবির হোসেন, হাফেজ হারুন জমাদ্দার, হাফেজ গোলাম রসুল, হাফেজ সাইদুজ্জামান প্রমুখ । সভায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সকলকে সহনশীল মানসিকতার পরিচয় দিতে আহ্বান জানান হয় ।
অনুষ্ঠানে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মো. শাহজাহান।
ডা. স্বপন কুমার হালদার বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা’র আমন্ত্রণে থাইল্যান্ড সফর
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের চীফ প্লানিং অফিসার আবির উল জব্বার ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. স্বপন কুমার হালদার বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা’র (ডব্লিউএইচও ) আমন্ত্রণে থাইল্যান্ড সফর করছেন।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত “রিজিওন্যাল মিটিং উইথ মাল্টিসেক্টরাল পার্টনারস আরবান গর্ভন্যান্স ফর হেলথ এন্ড ওয়েলবিং ইন সাউথ ইষ্ট এশিয়া রিজিঅন” শীর্ষক ৩দিন ব্যাপী কর্মশালায় অংশগ্রহণ করবেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হেলদি সিটি প্রকল্পের আওতায় খুলনা মহানগরীকে অন্তর্ভুক্ত করায় আন্ত:শহর অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কর্মশালা শেষে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর তারা দেশে ফিরবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।
গিলাতলা দক্ষিনপাড়ায় বিট পুলিশিং কমিটির আয়োজনে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত
ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব, মিথ্যা প্রচার, কিশোর গ্যাং, সাম্প্রদায়িক উষ্কানি, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা সূষ্ঠভাবে সম্পন্ন করার লক্ষে খানজাহান আলী থানার আটরা গিলাতলা ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের ৫ নং বিট পুলিশিং কমিটির আয়েজনে বিট পুলিশিং সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বিকেল ৫ টায় খুলনা মেট্রেপলিটন পুলিশ কমিশনারের নির্দেশনায় ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসাবে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত সমাবেশে এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম সাংবাদিক সহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। সমাবেশে অংশ নেওয়ারা সাম্প্রদায়িক উষ্কানি, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন, সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব, মিথ্যা প্রচার, কিশোর গ্যাং ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে এগিয়ে আসার আহবান জানান। বিট পুলিশের সমাবেশে বক্তারা বলেন, সামাজিক শৃঙ্খলা, জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে সর্বদা জনগণের পাশে রয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনায় অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে পুলিশ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খানজাহান আলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামাল হোসেন খান। খানজাহান আলী থানার ৫ নং বিট পুলিশিং কমিটির সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও বিট পুলিশিং কমিটির প্রচার সম্পাদক সাইফুল্লাহ তারেকের পরিচালনায় সম্প্রীতি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কমিটির সাধারন সম্পাদক শেখ আনোয়ার হোসেন, গিলাতলা দক্ষিনপাড়া বায়তুন নুর জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আবুল বাশার জিহাদী, গিলাতলা দক্ষিনপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির কমিটির সভাপতি মিন্টু দত্ত, ৫ নং বিট অফিসার এস আই রোকনুজ্জান, এ এস আই মোঃ বাশার, মোঃ মাসুদ, ৫ নং বিট পুলিশিং কমিটির সম্নানিত সদস্য খান মাশরুজ্জামান সাবু, মোঃ আমজাদ হোসেন, ফরমান মোল্লা , মোঃ ইদ্রিছ আলী , সবুজ হোসেন প্রমুখ।
দক্ষিন শিরোমনি সালাম মেম্বার সড়কে মসজিদে কুবা জামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তরের উদ্ধোধন
ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
দক্ষিন শিরোমনি সালাম মেম্বার সড়কে মসজিদে কুবা জামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তরের শুভ উদ্ভোধন অনুষ্ঠান গতকাল সকাল ৮ টায় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মসজিদ কমিটির সভাপতি ও জমিদাতা ডাঃ এস এম আরিফ ইফতেখার । মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তরের শুভ উদ্ভোধন করেন যোগিপোল ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড মেম্বার শাহ মোঃ হাফিজুল ইসলাম, সাবেক ইউপি মেম্বার শেখ আব্দুস সালামের পরিচালনায় বক্তৃতায় পরিচালনা করেন হাফেজ ডাঃ ইসমাইল হোসেন, হাফেজ রফিকুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা আঃ মজিদ হাফেজ ইব্রাহিম খলিল, আবু তালেব, শেখ শামিম হোসেন, আশরাফ হোসেন, মোঃ জিন্নাত সরদার, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ তরিকুল ইসলাম, আবুল কালাম, আসলাম হোসেন, মোঃ ওসমান সরদার, মোঃ টিপু, মোঃ ইয়াসিন প্রমুখ । অনুষ্ঠান শেষে দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা আতাউর রহমান।
ডুমুরিয়ায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় পুকুরে ডুবে নিরব বিশ্বাস (৫) নামের এক শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টায় উপজেলার মধুগ্রাম রাজবংশী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রুদাঘরা ইউনিয়নের মধুগ্রাম রাজবংশী এলাকার কুমারেশ বিশ্বাসের পাঁচ বছরের শিশু পুত্র নিরব বিশ্বাস ঘটনার দিন বিকেলে অপর দুই সাথীর সাথে খেলছিল। এ সময় বাড়ির নিকট¯’ মন্দিরের পাশে একটি পুকুরে ওই শিশুটি হাতমুখ ধুতে গিয়ে সে পুকুরে ডুবে যায়। তাৎক্ষণিক অপর দুই সাথী পরিবারকে খবর দিলে দ্রুত ঘটনা¯’লে এসে তাকে উদ্ধার করে ¯’ানীয় একটি ক্লিনিকে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শিশু নিরবের আকস্মিক এ মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বিপিজেএ’র দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি জাহিদ, সম্পাদক কামরুল
খবর বিজ্ঞপ্তি:
বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশন খুলনা জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ২০২২-২৪ এর চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। মোঃ জাহিদুল ইসলাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় সভাপতি ও শেখ কামরুল আহসান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ূন কবির বালু মিলনায়তনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এসময় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম কাজল ও অপর সদস্য শেখ তৌহিদুল ইসলাম তুহিন উপস্থিত ছিলেন।
কমিটির নির্বাচিত অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন, সহ-সভাপতি যথাক্রমে দেবব্রত রায়, মোঃ রবিউল গাজী উজ্জ্বল, মাঞ্জারুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পাদক যথাক্রমে এম এম মিন্টু, মোঃ সাগর সরকার, হেলাল মোল্লা, কোষাধ্যক্ষ মোঃ সোহেল রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শেখ শান্ত ইসলাম, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক ইমাম হোসেন সুমন, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে এস এম বাহাউদ্দিন, মামুন হাওলাদার, কাজী ফজলে রাব্বী শান্ত, ওবাইদুল হক তালুকদার। এসময় সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পর্যটন দিবসে করমজলে দ্বিগুন পর্যটক
মোংলা প্রতিনিধি
পর্যটন দিবসে দেশের একমাত্র বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র সুন্দরবনের করমজলে দ্বিগুন পর্যটকের আগমন ঘটেছে। করমজল হলো একদিকে বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র, অপরদিকে পর্যটন স্পটও। এখানে ভ্রমণকারীদের বাড়তি আকর্ষণ হলো সুন্দরবনের নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রাণী দেখার বিশেষ সুযোগ। যা এক কথায় একের ভিতরে দুই। করমজলে দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে দীর্ঘ ফুট টেইলর, সু-উচ্চ ওয়াচ টাওয়ার, গোল ঘর অর্থাৎ বিশ্রামাগার, কৃত্রিমভাবে বনের মায়াবী হরিণ ও বানর সংরক্ষণ ব্যবস্থা। আর বাড়তি সুযোগ হলো বিলুপ্ত প্রায় লবণ পানি প্রজাতির কুমির ও বাটাগুরবাস্কা প্রজাতির কচ্ছপ প্রজনন কেন্দ্র। করমজলই হলো দেশের বনবিভাগের একমাত্র বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র। কেন্দ্রটিতে থাকা বড় বড় কুমির ও কচ্ছপ দেখতে পারাটা ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে যেন এক অনন্য বাড়তি উপভোগের সুযোগ। এছাড়াও করমজলে রয়েছে বাঘসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর কংকাল ও মমি। রয়েছে ডলফিনের প্রকৃতিও। কারণ করমজলের সামনের পশুর নদীতে রয়েছে এ ডলফিনের প্রাকৃতিক বিচরণ ও প্রজনন। এবছর আবার করমজলকে দৃষ্টিনন্দন করা হয়েছে। করমজলে উঠে বনের অভ্যন্তরে প্রবেশ মুখে করা হয়ে গাছের আদলে সৌন্দর্য বর্ধন গেইট। এছাড়া কাঠের ফুট টেইলর বদলে করা হয়েছে পাকা টেইলর ও টাওয়ার। করমজলসহ বনের অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রগুলোকেও দর্শনার্থীদের জন্য সুন্দর টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। আর এর মুল কারণ হলো পদ্মা সেতু চালু হওয়ার বিষয়টি। কারণ সেতু চালু হওয়ার পর সুন্দরবনে পর্যটকদের আগমন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি সেপ্টেম্বর মাসের এ সময়টাতে গত বছর সুন্দরবনের পর্যটন কেন্দ্রগুলো এক কথায় ফাঁকা ছিলো। কারণ এই সময়টা পর্যটন মৌসুম নয়। মৌসুম না হলেও পদ্মা সেতুর সুবাদে অমৌসুম এখন কিছুটা মৌসুমের মতই হয়ে পড়েছে। মুলত পুরো শীতকালই হলো সুন্দরবনের পর্যটন মৌসুম। কারণ শীতকালে বনের সাগর, নদী ও খাল ঠান্ডা থাকে, থাকেনা ঢেউ ও দুর্যোগও। তাই শীত মৌসুমে পর্যটকদের ব্যাপক আনাগোনায় সরগরম থাকে পুরো বন। এরপর শুরু হয় দুর্যোগ মৌসুম, এই সময়টাতে সাগর নদী থাকে উত্তাল। তবে পর্যটকেরা এখন সেই দুর্যোগও মানছেন না। দুর্যোগ মৌসুমেও দেশের দূরদূরান্ত থেকে সুন্দরবনে ছুটে আসছেন পর্যটক। মঙ্গলবারও করমজলে বেশির ভাগ পর্যটক এসেছে দেশের উত্তরবঙ্গ থেকে।
সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আজাদ কবির বলেন, পর্যটন দিবসে মঙ্গলবার সপ্তাহের দ্বিগুন পর্যটক এসেছে। এর আগে সোমবার শ’খানেক আর রবিবার সোয়া’শ পর্যটক আসে এ কেন্দ্রটিতে। আর মঙ্গলবার দুই’শর অধিক পর্যটক এসেছে করমজলে। আর এ পর্যটকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বেশি সংখ্যক এসেছে উত্তরবঙ্গ থেকে। তিনি বলেন, এই সময়ে বিগত বছরগুলোতে এতো পর্যটক কখনও হতো না। যা হতো তা হলো ১০/১৫ ও ২০/২৫ জন। কারণ এই সময়টা সুন্দরবনের পর্যটনের অমৌসুম। কিন্ত বর্তমান অমৌসুমেও সুন্দরবনে পর্যটকদের আগমনের মুল কারণ হলো পদ্মা সেতু। পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় এ বছর অমৌসুমেও পর্যটকদের আগমন বাড়ছে।
তরঙ্গ শ্রমজীবি সমবায় সমিতির ম্যানেজমেন্ট ও লিডারশীপ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
‘জলবায়ুর প্রভাবে খুলনা মহানগরে স্থানান্তরিত অভিবাসী ও দরিদ্র পরিবারসমূহের অভিযোজিত জীবন-জীবিকার উন্নয়নে ছাগল পালন প্রকল্প’র অধীনে জেলা সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধিত তরঙ্গ শ্রমজীবি সমবায় সমিতি লিঃ -এর সদস্যদের দুই দিন ব্যাপী ম্যানেজমেন্ট ও লীডারশীপ ট্রেনিং (সোমবার ও মঙ্গলবার) নগরীর বয়রাস্থ আঞ্চলিক সমবায় ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জার্মান ফেডারেল মিনিস্ট্রি ফর ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট এন্ড কো-অপারেশন (বিএমজেড) এর যৌথ অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ রিজিলিয়েন্ট এন্ড লাইভলিহুড প্রোগ্রামের আওতায় (জিআইজেড) -এর আর্থিক সহায়তায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ওয়েভ ফাউন্ডেশন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের রায়েরমহলস্থ ১৪ নং ওয়ার্ড এলাকায় ৫৯ টি পরিবারে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়ে আসছে। ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে প্রকল্পটির আওতায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের রায়েরমহল এলাকার জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্থ ৫৯ টি পরিবারকে ০২ টি করে মা ছাগল ও ছাগল পালনের জন্য মাচাসহ ছাগলের ঘর প্রদান করে। ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে এই ৫৯টি পরিবার জেলা সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধিত হয়ে ‘তরঙ্গ শ্রমজীবি সমবায় সমিতি লিঃ’ নামে একটি সমবায় সমিতি পরিচালনা শুরু করে। উক্ত সমিতিটি সঠিক নিয়মে পরিচালনা এবং সমিতিটিতে টেকসইকরণের জন্য ওয়েভ ফাউন্ডেশন এই প্রশিক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করে। এই সময়ে তরঙ্গ সমবায় সমিতির পক্ষ থেকেও বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে সমিতির উদ্যোগে গরু ও ছাগলের বর্জ্য হতে ভার্মি কম্পোষ্ট সার প্রস্তÍত করা, পলিথিনের ব্যবহার কমাতে কাপড় ও চটের ব্যাগ প্রস্তÍত ইত্যাদি। এছাড়াও সমিতির উদ্যোগে লক্ষাধিক টাকা সঞ্চয় জমা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত উৎপাদিত ছাগলের সংখ্যা প্রায় ৬৩০ টি। এর মধ্যে ২১০ টি ছাগল ১২ লাখ ৬০ হাজার ২শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ সকল পরিবার গুলোতে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়ন ও শিশু শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেসিসির সংরক্ষিত আসনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ্যাড. মেমোরী সুফিয়া রহমান শুনু। প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আঞ্চলিক সমবায় প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম এবং আঞ্চলিক সমবায় প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষক এখলাচউদ্দিন। প্রশিক্ষণে ওয়েভ ফাউন্ডেশনের পক্ষে প্রকল্প ম্যানেজার সোহেলী সুলতানা এবং ফিল্ড সুপারভাইজার উজ্জ্বল কুমার সানা উপস্থিত ছিলেন।
কয়রায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা
কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধি
কয়রা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে আইনশৃংখলা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এস এম শফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ এবিএম এস দোহা (বিপিএম), উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডঃ কমলেশ কুমার সানা। এতে বক্তব্য রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, আলহাজ্ব মোঃ আঃ সামাদ গাজী, প্রভাষক শাহনেওয়াজ শিকারী, সহকারি শিক্ষা অফিসার আনোয়ার হোসেন, কপোতাক্ষ কলেজের অধ্যক্ষ অদ্রিশ আদিত্য মন্ডল, সাংবাদিক মোঃ রিয়াছাদ আলী, কোবাদক স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ ফারুকুল ইসলাম, দুপ্রোকের সভাপতি মোল্যা আবু দাউদ, বিআরডিবির চেয়ারম্যান মোঃ শাহাদাত হোসেন, কয়রা বাজার কমিটির সভাপতি জুলফিকার আলম প্রমুখ। সভায় কয়রার সার্বিক আইনশৃংখলা বিষয়ের উপর বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পরে একই স্থানে উপজেলা পরিষদের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এস.এম শফিকুল ইসলাম। মাসিক সভায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা সহ কমটির সকল সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কয়রায় বিশ্ব পর্যটন দিবস পালন উপলক্ষে আলোচনা
কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধি
কয়রা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এস.এম শফিকুল ইসলাম। এ উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ এবিএম এস দোহা (বিপিএম), উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডঃ কমলেশ কুমার সানা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুদীপ বালা, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মোঃ আমিনুল হক, সমাজ সেবা অফিসার অনাথ কুমার বিশ্বাস, ইউপি চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, আলহাজ্ব মোঃ আঃ সামাদ গাজী, প্রভাষক শাহনেওয়াজ শিকারী, ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান আঃ ছালাম খান, প্যানেল চেয়ারম্যান হরষিত মন্ডল, সহকারি শিক্ষা অফিসার আনোয়ার হোসেন, প্রভাষক বিদেশ রঞ্জন মৃধা প্রমুখ।
ডুমুরিয়ায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের বিদায়ী সংবর্ধনা
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়া উপজেলা মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির আয়োজনে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শেখ ফিরোজ আহমেদ’র বিদায়ী সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোঃ বিলায়েত হোসেন। মাদ্রাসা সুপার বায়েজিদ হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ধনঞ্জয় মন্ডল, একাডেমিক সুপারভাইজার টিকেন্দ্রনাথ সানা, অধ্যক্ষ কেএম জাকির হোসাইন, সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান, শিক্ষক গাজী গোলাম মোস্তফা, মাওলানা শহিদুল ইসলাম, মোঃ আবু তাহের, জিএম আকরাম হোসেন, জাকির হোসেন, মোঃ মতিউর রহমান, বোরহান সরদার প্রমূখ। আলোচনা শেষে বিদায়ী অতিথি কে সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভে”ছা জানানো হয়। তিনি বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসেবে বদলি হয়েছেন।
ডুমুরিয়ায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় বজ্রপাতে বিল্লু মঙ্গল দাস (৪০) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কুলবাড়িয়া বিলে এ দূর্ঘটনা ঘটে।
নিহত পরিবার ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে,উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের বরাতিয়া দাসপাড়া এলাকার মৃত বাবুরাম দাসের ছেলে বিল্লু মঙ্গল দাস একজন বর্গাচাষী কৃষক। ঘটনার দিন দুপুরে তিনি কুলবাড়িয়া বিলে বর্গা নেয়া জমির ধান ক্ষেতে সার প্রয়োগ করছিলেন। এসময় বজ্রপাত হলে তার দেহের বিভিন্ন ¯’ানে দগ্ধ হয়ে ঘটনা¯’লে তার মৃত্যু হয়। মাঠে থাকা অন্যান্য কৃষকরা দ্রুত এগিয়ে গিয়ে তার মৃত্যু দেহ পড়ে থাকতে দেখে পরিবারকে খবর দেয়। খবর পেয়ে তার পরিবারের লোকজন মৃত্যুদেহ উদ্ধার করে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। এদিকে তার অকাল মৃত্যুতে স্বজন ও এলাকাবাসীর আহাজারিতে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতরণ ঘটে। গোটা এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।
ফকিরহাটের কাটাখালী জননী টেলিকমে দুর্ধষ চুরি : ৬লক্ষ টাকার মালামাল লুট
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাটাখালী বাস্ট্যান্ডে অবস্থিত জননী টেলিকম নামক একটি মোবাইলের দোকানে দুর্ধষ চুরি সংঘঠিত হয়েছে। চোরেরা দোকানটির সাটারের দুটি তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে নগদ টাকা ও প্রায় ছয় লক্ষাধীক টাকার মোবাইল নিয়ে যাবার সময় নতুন একটি তালা লাগিয়ে সটকে পড়েছে। মঙ্গলবার ভোর ৬.৯মিনিট থেকে ৬.১৮মিনিট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। মডেল থানা পুলিশের উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এস,আই) মোঃ রফিকুল ইসলামসহ সঙ্গিয় ফোর্স নিয়ে ঘটনা স্থান পরিদর্শন করেছেন। এর আগে গত ৭ই সেপ্টেম্বর একই কায়দায় পার্শ্ববর্তী মাসুম মার্কেটের মের্সাস মল্লিক ট্রেডাসে একই কায়দায় দুর্ধষ চুরি সংঘঠিত হয়।
তৈয়েবুর রহমান মার্কেটের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও জননী টেলিকম দোকানের প্রোপাইটর মোঃ শরিফুল ইসলাম জানান, প্রতিদিনের ন্যায় সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় দিকে তিনি দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যান। মঙ্গলবার (২৭সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় দিকে তিনি দোকানে এসে দেখতে পান দোকানের সাটারে নতুন একটি তালা লাগানো এবং অপরটি ভাঙ্গা। এতে তার সন্ধেহ হলে তিনি পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে অপর তালাটি ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে দেখতে পান মালামাল উলোট-পালট ও তছনছ করা। তিনি জানান, চোরেরা মোট ৩৯টি দামি মোবাইল চুরি করেছে। এর মধ্যে তিনটি লাইট ডেমী, ৯টি ভিভো ও ১৫টি স্মাট মোবাইল। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৫লক্ষ ৬৫হাজার টাকা।
সি,সি ক্যামেরায় ফুটেজ থেকে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোর ৬.৯মিনিটের সময় দু’জন চোর ভিতরে প্রবেশ করে। এবং ৬.১৮মিনিট সময় পর্যন্ত তারা দু’জনে বিভিন্ন প্রকার মোবাইল চুরি করে তাদের ব্যাগে রাখছে। তাদের দু’জনের মাথায় ক্যাপ ও মাক্স পরা ছিল। এরির্পোট লেখা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মডেল থানায় কোন মামলা দায়ের হয়নী। একেরপর এক এই ধরনের চুরির ঘটনায় সাধারন ব্যবসায়ী ও জনমনে চোর আতংক বিরাজ করছে। ##
ফকিরহাটের লখপুর ইউনিয়নে আ’লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাটের লখপুর ইউনিয়নের খাজুরা ২নং ওয়ার্ডে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ও কমিটি গঠন অনুষ্ঠান সোমবার সন্ধ্যায় খাজুরা বাসস্ট্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মোশাররফ হোসেন এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ, বিশেষ অতিথি ছিলেন, (ভারপ্রাপ্ত) সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সাহেব, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবীর কুমার মিত্র, যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক শেখর রঞ্জন দেবনাথ, সাংগঠনিক সম্পাদক তপন দেবনাথ ভজন। উদ্ভোধন করেন ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারন সম্পাদক এম,ডি সেলিম রেজা। ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারন সম্পাদক জাকির মোল্লার সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তৃতা করেন উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক জয়ন্ত কুমার দাশ ও যুবলীগ নেতা জাহিদ ইকবাল। সভা শেষে মোঃ গোলাম হোসেন-কে সভাপতি ও মোঃ শাহিন সরদার-কে সাধারন সম্পাদক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
বাগেরহাটের সর্ববৃহৎ চক্ষু শিবিরে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৩ সহস্রাধিক রোগী
রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাটের রামপালে দক্ষিণ বঙ্গের সর্ববৃহৎ চক্ষু চিকিৎসা শিবির সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা মেগা সিটি লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে ও লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলামের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম আবারও শুরু করা হয়।
বড়দিয়া হাজী আরিফ (র.) মাদরাসা মাঠে সোমবার দিনব্যাপী রোগী বাছাই করা হয়েছে। এ বছর প্রায় ৫ শতাধিক ছানিপড়া ও নেত্রনালী রোগীকে অপারেশনের জন্য বাছাই করা হয়েছে।
এসব বাছাইকৃত রোগীদের ঢাকা মেগা সিটি লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালে ভর্তি করে অপারেশন ও লেন্স সংযোজন করা হবে। এ ছাড়াও প্রায় ৩ সহস্রাধিক রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান, বিনামূল্যে ঔষধ ও বয়স্ক রোগীদের চশমা প্রদান করা হয়েছে।
ইতিপূর্বে দেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের এই সর্ববৃহৎ চক্ষু চিকিৎসা শিবিরের মাধ্যমে প্রায় সড়ে ৪ হাজার চোখে ছানি পড়া ও নেত্রনালীর রোগীকে ঢাকা নিয়ে অপারেশনসহ লেন্স সংযোজন করা হয়েছে। ওই সময়ে প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশী রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ঔষধ প্রদান করা হয়েছে।
চিকিৎসা নিতে আগত বাগেরহাট সদরের সৈয়দপুর গ্রামের রোগী বৃদ্ধ ইসরাফিল মোড়ল তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন দীর্ঘ দুই তিন বছর এ এলাকায় চক্ষু চিকিৎসা শিবির বন্ধ থাকায় আমরা খুব অসুবিধায় ছিলাম। আবার চক্ষু চিকিৎসা শিবির চালু হওয়ায় আমাগো পরানের মানুষের জন্যি আমরা দুয়া করি। একই অনূভুতি ব্যক্ত করেন রামপালের সোনাতুনিয়া গ্রামের লাইলী বেগম, পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার চরবলেস্বর গ্রামের মো. শাহ আলম হাওলাদার।
অনুষ্ঠানে অনুভূতি ব্যক্ত করে ঢাকা মেগা সিটি লায়ন্স ক্লাবের সভাপতি লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন আমি মানবতার কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। এ জন্য আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি ও দোয়া চাই। করোনার কারণে ২ দুই বছর পর আবারও আমারা চক্ষু চিকিৎসা শিবির শুরু করেছি। আজকে আমরা ছানি পড়া ও নেত্রনালী রোগীসহ বিভিন্ন সমস্যার প্রায় ৫ শতাধিক রোগী বাছাই করেছি। প্রাথমিক চিকিৎসা ও ঔষধ প্রদান করা হয়েছে প্রায় ৩ সহস্রাধিক রোগী। চশমা প্রদান করা হয়েছে ৭ শতাধিক রোগীকে। প্রচন্ড রৌদ্র ও তাপ উপেক্ষা করে শত শত রোগী সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে সেবা নিচ্ছিলেন।
খুলনার দাকোপের শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বসে বসে সরকারী বেতন ভাতা তুলছে
মোঃ শামীম হোসেন- বাজুয়া (দাকোপ)
খুলনার দাকোপের শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বসে বসে সরকারী বেতন ভাতা তুলছে। জানা যায়
শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চিত্তরঞ্জন, সভাপতি পরীক্ষিত কবিরাজ, প্রতিষ্ঠাতা, অশোক মোড়ল, সবাই বিদ্যালয়ের নিজেরা নিজেরা। এলাকাবাসী জানায় খুলনার দাকোপ উপজেলার ৮নং বাজুয়া ইউনিয়নের চুনকুড়ি গ্রামের শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চিত্তরঞ্জন তার নিজ ইচ্ছা মত স্কুল পরিচালনা করে যাচ্ছে। সরোজমিনে উপস্থিত হয়ে জানা যায়, বেরিয়ে আসে এক যুগ প্রতিষ্ঠান চালানোর রহস্যময় কাহিনী। প্রধান শিক্ষক চিত্তরঞ্জন প্রতিষ্ঠাতা অশোক মোড়লের নিজের মেয়ের জামাতা। বিদ্যালয়ের সভাপতি পরীক্ষিত কবিরাজের নিজের সালোক। তবে মোট কথা, এখানে পরিষ্কার যে, তাদের আত্নীয় স্বজনদের নিয়ে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্কুল সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলে, সাংবাদিকদের প্রধান শিক্ষক চিত্তরঞ্জন জানান, সভাপতি কাকে বানাবো? যোগ্যলোকের অভাব। তাছাড়া তিনি আরো বলেন, স্কুলটি ২০০০ সাল হইতে চালু হয়েছে। শিক্ষক সহ কর্মচারী বৃন্দ মোট ১৭ জন। মোট ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ১২০ জন। কিন্তু এদিকে সরোজমিনে উপস্থিত হয়ে অনুসন্ধানে প্রধান শিক্ষক চিত্তরঞ্জনের কথার কোন মিল খুজে পাওয়া যায়নি। প্রত্যেক ক্লাস রুমে প্রবেশ করে দেখা যায়, ছাত্রীদের উপস্থিতি খুবই দুঃখ জনক। ৬ষ্ট শ্রেনীতে ৬ জন, ৭ম শ্রেনীতে ৫ জন, ৮ম শ্রেণীতে ৫ জন, ৯ম শ্রেণীতে ৪ জন, ১০দশম শ্রেনীতে ৭ জন। এভাবে চলছে শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের লেখাপড়া। তাছাড়া ক্লাস রুমে প্রবেশ করে ছাত্রীদের নিকট তাদের স্ব স্ব ক্লাসের ছাত্রীর সংখ্যা জানতে চাইলে বলতে পারেনা। শুধু এদিক ওদিক করে তাকিয়ে শেষ হলো ক্লাস রুমের বাস্তব তথ্য সংগ্রহের চিত্র। ফিরে আবার সেই অফিস রুমে হাজির, কি হলো? কি বললেন প্রধান শিক্ষক? এবার প্রবেশ করা হলো অফিস সহকারীর রুমে। অফিস সহকারীর নিকট ছাত্রীদের নামের হাজিরা খাতা বের করে দেখতে চাওয়া হয়। দেখতে চাওয়ায় অফিস সহকারীর নানা অজুহাত। এখানে তো খাতা ছিল, কই গেল? খাতা কি আজ আলমারি থেকে বের করা হয়নি? আরো কত কি? অন্য অন্য ভূমিকা। শেষমেষ তাল বাহানার ইতি। অফিস সহকারী বলেন, স্কুল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চাইলে আমাদের প্রধান শিক্ষকের নিকট যান। আমি এ বিষয় কিছু বলতে পারবো না। শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের তথ্য সংগ্রহ শেষে, ফিরার পথে চোখে দেখা মেলে এক ঝাক হাস আর মুরগী মাঠে চরাতে। খামারের ঘর পশ্চিম পাশ্বে, কার এই খামারের ঘর? স্কুলের ভিতর হাস আর মুরগীর ব্যবসা, কে করছে? মিললো না মালিক, খুললো না কেহ মুখ। চুনকুড়ি এলাকা বাসি উক্ত বিদ্যালয়ের অনিয়মের বিরুদ্ধে দাকোপ উপজেলার শিক্ষা অফিসারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
খুলনার দাকোপে অনলাইন জুয়ার নেশায় আসক্ত হচ্ছে কিশোর ও যুব সমাজ
বাজুয়া (দাকোপ) প্রতিনিধি
খুলনার দাকোপে সারা দেশের ন্যায় অনলাইন জুয়ার নেশায় আসক্ত হচ্ছে কিশোর ও যুব সমাজ। এলাকা ঘুরে দেখা যায় দাকোপের বাজুয়া, চালনা, লাউডোব, বানিশান্তা, কৈলাশগঞ্জ, তিলডাঙ্গা, কামারখোলা, পানখালি, চুতরখালি, দাকোপসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের কিশোর ও যুব সমাজ ভয়াল অনলাইন জুয়ার নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েছে। বিকেল থেকেই চায়ের দোকান, খেয়াঘাট, ভ্যানস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন মোড় গরম থাকে অনলাইন জুয়া খেলায়। জুয়াড়িরা মনে করে এতে কোন রকম ঝামেলাই নেই। কারণ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে চলে এ খেলা। যা প্রশাসনের নজরে আসে না। এদিকে এলাকার উঠতি কিশোর ও যুবকেরা অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ায় অভিভাবকরা আছে চরম উদ্বেগ আর উৎকন্ঠায়। কারণ জুয়ার টাকা যোগাতে অনেকে পরিবারের পকেট কাটছে তাদের আদরের সন্তানেরা, আবার অনেকে চুরির মতো ঘটনায় জড়িয়ে পড়ছে। নাম প্রকাশ না করা শর্তে কয়েক যুবক বলেন, এই জুয়া খেলতে লাগে অনলাইন জুয়ার এ্যাপস এবং এ্যাপস ইনস্টল করার পর লাগে টাকা। এই টাকা রির্চাজ করতে মধ্যসত্ত্ব ভোগি এজেন্টের কাছে যেতে হয়। এতে করে লাভবান হচ্ছে মধ্যসত্ত্ব ভোগি এজেন্টরা আর ধ্বংস হচ্ছে কিশোর ও যুব সমাজ। এজেন্টের যত একাউন্ট হবে ততো বেশি লাভ। কারণ এই টাকা রিচার্জ করতে কাটা হয় কমিশন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক যুবক বলেন, অনলাইনের এই জুয়া খেলাটা অন্ধকারে খেলার মতো। বাঁধলে বাজিমাত, না বাঁধলে কুপোকাত। তারপরও অনেকেই সহজে বড়লোক হওয়ার আশায় বাজি ধরে। যারা খেলে তারাও জানে না যে কারা এ্যাপসটা নিয়ন্ত্রণ করছে। টাকা কখন আসছে, কখন যাচ্ছে। হারলে মনে হচ্ছে, পরের দানেই পাব। জিতলে মনে হয়, আরেকবার ধরে দেখি, বাঁধতেও তো পারে। সব মিলিয়ে একটা ঘোরের মধ্যে সময় চলে যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা পড়েছিম মহা-বিপদে। ছেলে মেয়েরা গেম খেলছে নাকি জুয়া খেলছে বুঝতে পারছি না। বাড়ি থেকে টাকা চুরি করে মোবাইলে রির্চাজ করে এই গেম খেলছে। টাকা না দিতে চাইলে করছে অশান্তি। স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধির সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা গ্রামে-গঞ্জে বিভিন্ন মহল্ল্যায় এই ভয়াল নেশা অনলাইন জুয়া যাতে না খেলে তার জন্য বলি। অনলাইন জুয়া খেলে ধ্বংস হচ্ছে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ কিন্তু ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে গ্রামের অনলাইন জুয়ার এজেন্টরা। এই ভয়াল নেশা (অনলাইন জুয়া) থেকে রক্ষা পেতে আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। কথা হয় দাকোপ থানার অফিসার ইনচার্জ উজ্জ্বল কুমার দত্তের সাথে তিনি বলেন অনলাইন জুয়া যারা খেলে এবং খেলার সাথে যারা জড়িত তাদের নাম ঠিকানা সহ সঠিক তথ্য আমাকে দিলে আমি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবো।
প্রধানমন্ত্রীর ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে খুবিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
আজ ২৮ সেপ্টেম্বর (বুধবার) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান অতিথি হিসেবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। এছাড়াও এদিন বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল এবং মন্দিরে প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ক্রীড়াপঞ্জী প্রণয়নসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খুবির শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের আয়োজনে মতবিনিময়
খবর বিজ্ঞপ্তি
২৭ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) দুপুর ২টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের আয়োজনে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের (ক্রীড়া) নিয়ে খেলাধুলা সংক্রান্ত বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. আহসান হাবীব। সভা সঞ্চালনা করেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের উপ-পরিচালক এস এম জাকির হোসেন।
সভায় আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে খেলাধুলার বিভিন্ন ইভেন্ট আয়োজনে ক্রীড়াপঞ্জী প্রণয়ন, ক্রিকেট-ফুটবল, ভলিবল, ইনডোর গেমস্ এর পাশাপাশি বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন এবং মাঠের উন্নয়ন, সিডিউল অনুযায়ী খেলা শেষ করার বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনাকালে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়নশিপে খেলোয়াড় নির্বাচনের বিষয়টিও স্থান পায়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রীড়াপঞ্জী প্রণয়ন ও অনুসরণের এ ধরনের এবারই প্রথম নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিবৃন্দ তাদের মতামত তুলে ধরেন।
সভায় শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. আহসান হাবীব বলেন, খেলাধুলা সংক্রান্ত বিষয়ে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের মতামত নিয়ে শিক্ষক প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করা হবে। পরবর্তীতে প্রশাসনের সাথে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি এসকল ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
বিশ^ পর্যটন দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
তথ্য বিবরনী
‘পর্যটনে নতুন ভাবনা’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে মঙ্গলবার সকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে বিশ^ পর্যটন দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, বাংলাদেশ বিপুল পর্যটন সম্ভাবনার একটি দেশ। বৃহত্তর খুলনায় পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনের পাশাপাশি ষাটগম্বুজ মসজিদ, রবীন্দ্র স্মৃতিবিজড়িত দক্ষিণডিহিসহ আরো অনেক সম্ভাবনাময় পর্যটন স্থান রয়েছে। দেশে পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। খুলনার বটিয়াঘাটা থেকে দাকোপ পর্যন্ত নদীর পাড় ঘেঁষে পর্যটনের স্পট তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের ৪০ লাখ মানুষ পর্যটনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সরকার পর্যটনখাতে দক্ষ জনশক্তি বৃদ্ধি এবং আকর্ষণীয় পর্যটন স্থানসমূহে আগত দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে খুবই আন্তরিক। এ অঞ্চলের পর্যটন বিকাশে খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় শেখ রাসেল ইকো পার্ক তৈরি করা হচ্ছে। পর্যটকদের আকৃষ্ট করার জন্য সুন্দরবন কেন্দ্রিক ইকোট্যুরিজমের বিকাশে বিস্তৃত পরিকল্পনা প্রণয়নে সংশ্লিষ্টদের নিদের্শনা দেন জেলা প্রশাসক। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাবির্ক) মোঃ সাদিকুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহসিন হোসেন এবং প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম নজরুল ইসলাম। মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরিষ্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো: ওয়াসিউল ইসলাম। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলমগীর কবির, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক আহমেদ, খুলনা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালক আফরোজা খান মিতা প্রমুখ।
সভায় ট্যুর অপারেটর, আবাসিক হোটেল ও রেস্তোরা মালিক, এনজিও প্রতিনিধি, ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য, স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। খুলনা জেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠান শেষে দিবসটি উপলক্ষে চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
শার্শায় নকল বিড়িসহ ডিলার আটক
বেনপোল প্রতিনিধি
কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত সরকারের অনুমোদনহীন নকল ব্যান্ডরোল লাগিয়ে করিম বিড়ি বাজারজাত করছে কুষ্টিয়ার একটি অসাধু চক্র। চক্রটির মুলহোতা কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকার আব্দুল করিম। বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত নকল বিড়ি বাজারজাত করছে চক্রটি।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় র্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম নাজিউর রহমানের নেতৃত্বে র্যাবের একটি চৌকস দল যশোরের শার্শা উপজেলার পাকশিয়া বাজারে অভিযান পরিচালনা করে। বাজারের দুটি গুদাম তল্লাশী করেন র্যাব সদস্যরা। এসময় গুদাম দুটিতে বিক্রয়ের জন্য সংক্ষরিত বিপুল পরিমাণ করিম বিড়ি জব্দ করে র্যাব। বিড়ির প্যাকেটের গায়ে লাগানো ব্যান্ডরোল প্রাথমিক ভাবে পরীক্ষা করে ব্যান্ডরোল নকল পাওয়া যায়।
ঘটনাস্থল থেকে করিম বিড়ির স্থানীয় ডিলার শিববাস গ্রামের আনছের আলী’র ছেলে হাফিজুর রহমানকে আটক করা হয়। এছাড়া নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত ১৯ বস্তায় প্রায় ৮ লাখ বিড়ি জব্দ করে এবং আটককৃত হাফিজুরকে র্যাব অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।
সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নকল বিড়ি ব্যবসা পরিচালনা করার কথা জানতে পেরে স্থানীয় মানুষ অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, এ ধরনের ব্যবসা বন্ধ করা উচিত এবং এর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
র্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার লেঃ কমান্ডার এম নাজিউর রহমান সাংবাদিকদের জানান, নকল ব্যান্ডরোল লাগিয়ে বিড়ি বাজারজাত করার অপরাধে আটকের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে শার্শা থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মামুন খান জানান, আটক আসামিকে আজ যশোর আদালতে প্রেরণ করা হবে।
খুলনায় বুস্টার ডোজ নিয়েছেন ৩৬ শতাংশ, উদ্বেগ স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনায় করোনার টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৮০ শতাংশ ও দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৭১ শতাংশ। এ হার সন্তোষজনক। তবে বুস্টার ডোজ নিয়েছেন ৩৬ শতাংশ। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য দফরত সূত্র জানায়, করোনার সংক্রমণরোধে গত দেড় বছরে খুলনায় আট হাজার ৬৮১ ডোজ টিকা অপচয় হয়েছে। প্রতিটি অ্যামপুলের দশ ডোজ সম্পূর্ণ ব্যবহার না হওয়ায় অপচয়ের প্রধান কারণ। অপচয় বেশি হয়েছে মডার্নার টিকা। মডার্নার অপচয়কৃত টিকার পরিমাণ তিন হাজার ৩০ ডোজ।
খুলনার সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, শুরু থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অ্যাস্ট্রাজেনেকার দুই হাজার ৩৯৯ ডোজ, সিনোফার্মের দুই হাজার ৩৫ ডোজ, মডার্নার তিন হাজার ৩০ ডোজ, ফাইজারের ১৬৬ ডোজ, শিশুদের সিনোভ্যাক্সের ৩৩ ডোজ এবং ফাইজারের এক হাজার ১৮ ডোজ অপচয় হয়েছে।
বর্তমানে খুলনায় করোনার বিভিন্ন ধরনের এক লাখ ১১ হাজার ৩৩৮ ডোজ টিকা মজুত রয়েছে। এর মধ্যে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১৪ হাজার ১৩৪ ডোজ, সিনোফার্মের ২৯ হাজার ৩৪৩ ডোজ, ফাইজারের ১৪ হাজার ৮৯ ডোজ, জনসনের চার হাজার ৭০০ ডোজ, শিশুদের সিনোভ্যাক্সের ৩৬ হাজার ৩০২ ডোজ এবং ফাইজার (শিশু) ১২ হাজার ৭৭০ ডোজ টিকা বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মজুত আছে।
খুলনার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. মো. ছাবেতুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনায় ২৬ লাখ ৭৩ হাজার ৩৪১ বাসিন্দা রয়েছেন। এর মধ্যে সিটি করপোরেশন এলাকায় সাত লাখ ১৮ হাজার ৭৩৫ জন ও জেলার ৯ উপজেলায় ১৯ লাখ ৫৪ হাজার ৬০৬ জন রয়েছেন। তাদের জন্য এ পর্যন্ত ৫১ লাখ ৪২ হাজার ৩৪৯ ডোজ টিকা পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৫০ লাখ ২২ হাজার ৩৩০ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। প্রথম ডোজ নিয়েছেন ২১ লাখ ৪০ হাজার ২৫৩ জন, দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ১৯ লাখ সাত হাজার ৮৫৫ জন এবং বুস্টার ডোজ নিয়েছেন ৯ লাখ ৭৪ হাজার ২২২ জন। প্রথম ডোজ নেওয়ার হার ৮০ শতাংশ, দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার হার ৭১ শতাংশ। বুস্টার ডোজ নেওয়ার হার ৩৬ শতাংশ। টিকা দেওয়ার সময় আট হাজার ৬৮১ ডোজ অপচয় হয়েছে। এখনও মজুত রয়েছে এক লাখ ১১ হাজার ৩৩৮ ডোজ। জেলার ৯ উপজেলার স্বাস্থ্যকেন্দ্র, নগর স্বাস্থ্য ভবন, খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, আবু নাসের হাসপাতাল, পুলিশ হাসপাতাল, তালতলা হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতালে টিকা কার্যক্রম অব্যাহত আছে।’
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, ‘বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে টিকা মজুত রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে অপচয়ের সুযোগ কম। একটি অ্যামপুলে ১০ ডোজ থাকে। ক্ষেত্রবিশেষে আট জন গ্রহণ করেন। অনেক ক্ষেত্রে টিকা গ্রহণকারী না আসায় প্রতিটি অ্যামপুল থেকে দুই ডোজ করে অপচয় হয়েছে। অন্য কোনও উপায়ে অপচয়ের সুযোগ নেই। এ পর্যন্ত খুলনা বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিন হাজার ২৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে আক্রান্ত হন এক লাখ ৩১ হাজার ১৫৩ জন।’
এদিকে, বুস্টার ডোজ গ্রহণের হার বাড়াতে জনসচেতনতা সৃষ্টিসহ নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে গত শনিবার হাঙ্গার প্রজেক্টের আয়োজনে স্কুল হেলথ ক্লিনিকে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অংশ নেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. ফাহরীন ফাতমী জাহান, ডা. মো. ছাবেতুল ইসলাম, স্কুল হেলথ ক্লিনিকের মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. নারগিস সুলতানা ও খুলনা মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের প্রশিক্ষক মাহমুদা আক্তার। সভায় বুস্টার ডোজ গ্রহণে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর জোর দেন আলোচকরা।
টেন্ডারের জন্য খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার
টেন্ডার নিয়ে বিরোধের জেরে খুলনার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দফতরের কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদার নিয়োগের টেন্ডার জটিলতায় নিজ কার্যালয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হন উপ-নিয়ন্ত্রক সেখ আনোয়ারুল করিম। সোমবারের (২৬ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) খাদ্য কর্মকর্তারা অনশন ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। খুলনার খাদ্য কর্মকর্তা সমিতি ও খাদ্য পরিদর্শক সমিতি যৌথভাবে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
খুলনা চলাচল ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের (খাদ্য) উপ-নিয়ন্ত্রক সেখ আনোয়ারুল করিম বলেন, খাদ্য ঠিকাদার সমিতির ১৫-১৭ জন সোমবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে আমার দফতরে আসেন। তারা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন। এক পর্যায়ে জেলা কার্যালয়ের টেন্ডার বিষয়ে আলোচনা করেন তারা। তাদেরকে এ বিষয়ে থামিয়ে দিয়ে বলা হয়ে, জেলা অফিসের আলোচনা এখানে করা ঠিক না। তখন তারা চলে যান। পাঁচ মিনিট পর তারা ফিরে এসে গালিগালাজ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে আমার শার্ট টেনে ছিঁড়ে ফেলে এবং রক্তাক্ত জখম করে। এরপর সহকর্মীরা আমাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
পরে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে এসে খালিশপুর থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি। মামলায় ঠিকাদার সমিতির সেক্রেটারিসহ পাঁচ জনের নাম উল্লেখ ও ১০-১২ জন অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
খুলনা খাদ্য ঠিকাদার সমিতির সেক্রেটারি রেজাউল ইসলাম রেজা বলেন, ওই কর্মকর্তা দায়িত্ব নিয়ে কাজটি করতে না পারায় ঠিকাদাররা তার কাছে যেয়ে কারণ জানতে চান। তখন সন্তোষজনক জবাব না দিয়ে তিনি ঠিকাদারদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান। তবে তাকে কোনও আঘাত করা হয়নি।
খালিশপুর থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর বলেন, খাদ্য উপ-নিয়ন্ত্রক সেখ আনোয়ারুল করিমকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় ২৭ সেপ্টেম্বর মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় পাঁচ জনের নাম উল্লেখ ও ১০-১২ জন অজ্ঞাত আসামি রয়েছে। মামলাটির তদন্ত চলছে। পাশাপাশি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যহত রয়েছে।
এদিকে খাদ্য উপ-নিয়ন্ত্রককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে অনশন ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন কর্মকর্তারা। পরে কর্মকর্তারা কার্যালয়ের সামনে খুলনা যশোর মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
এদিকে ঠিকাদাররা খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বরাবর টেন্ডারে অনিয়ম নিয়ে লিখিত অভিযোগে জানান, জেলায় আটটি এলএসডি ও দু’টি সিএসডি খাদ্য গুদাম রয়েছে। খাদ্য বিভাগ থেকে গত ২৫ জুলাই ঠিকাদার নিয়োগের লক্ষ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়। দরপত্র জমাদানের শেষদিন ছিল গত ২২ আগস্ট। ওইদিন দরপত্র খোলা হয়। দরপত্র জমা পড়ে দুইশ’র বেশি। এই প্রক্রিয়া পাবলিক প্রক্রিউরমেন্ট অ্যাক্ট ২০০৬ ও পিপিআর ২০০৮ অনুযায়ী আহবান করা হলেও বাস্তবে সেই নীতি অনুসরণ করা হয়নি।
খুলনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ বাবুল হোসেন বলেন, নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন এবং পিপিআর’র শর্ত মেনে ছয় সদস্য বিশিষ্ট কমিটি দরপত্র যাচাই-বাছাই করেছে। মূল্যায়ন কমিটি বাছাই সাপেক্ষে যারা যোগ্য হয়েছে তাদের নির্বাচন করেছে। একইসঙ্গে সেটি পাস করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়। অনেকেই বিষয়টি জানতে চেয়েছেন। তবে পিপিআর বিধান অনুযায়ী কেউ যদি অযোগ্য হয় সেই কারণ জানাতে কমিটি বাধ্য নয়। এরপরও কারও আপত্তি থাকলে সেটা আরসি ফুডের কাছে তারা আবেদন করতে পারেন।
ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৪ নারী
বেনাপোল (যশোর) উপজেলা প্রতিনিধি
ভালো কাজের প্রলোভনে ভারতে পাচারের শিকার চার বাংলাদেশি নারীকে ট্রাভেল পারমিটে বেনাপোলে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ পাচার হওয়া ওই নারীদের বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে হস্তান্তর করে।
ফেরত আসা নারীরা হলেন- যশোরের অভয়নগর উপজেলার তানজিলা আক্তার (২৩), সাবিরা খাতুন (২০), মনিরামপুরের শিল্পী খাতুন (২৬) ও গাজীপুরের রহিমা খাতুন (২৭)।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ভালো কাজের আশায় দালালদের খপ্পরে পড়ে তারা ভারতে পাড়ি জমায়। পরে তারা সে দেশের পুলিশের হাতে আটক হয়ে কারাগারে যায়। প্রায় তিন বছর পর তারা বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফেরত আসলো। ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে এই চার নারীকে তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামে একটি এনজিও দায়িত্ব নিয়েছে।
যশোর জাস্টিজ অ্যান্ড কেয়ারের বেনাপোল ফিল্ড অফিসার রোকেয়া খাতুন বলেন, ভালো বেতনে কাজের প্রলোভনে সীমান্তের অবৈধ পথে তিন বছর আগে দালালের মাধ্যমে তারা ভারতে গিয়েছিল। এসময় অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে কারাগারে পাঠায়। পরে আইনি সহায়তা দিতে আদালত থেকে ছাড়িয়ে ভারতীয় একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের হেফাজতে নেয়। দীর্ঘ তিন বছর পর দুই দেশের সরকারের সহযোগিতায় ট্রাভেল পারমিটে তারা দেশে ফেরার সুযোগ পায়। ফেরত আসা বাংলাদেশিরা পাচারকারীদের শনাক্ত করে আইনি সহায়তা চাইলে সংস্থার পক্ষ থেকে সেটা দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ফেরত আসা চার নারীকে বেনাপোল থেকে যশোরে নিজেদের সংস্থার শেল্টার হোমে রাখা হবে। পরে অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নারীদের জ্বীনের ভয় দেখিয়ে স্বর্ণ হাতিয়ে নিতেন এই কবিরাজ
খুলনাঞ্চল রিপোর্ট
স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীরা ছিল তার মূল টার্গেট। প্রতারণার মাধ্যমে বিভিন্ন বয়সী নারীদের দেখাতেন জ্বীনের ভয়। তারপর কবিরাজ সেজে নানানভাবে হাতিয়ে নিতেন সেইসব নারীদের সোনার গহনাসহ টাকা পয়সা।
সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) তেমনই এক প্রতারক কবিরাজকে আটক করেছে সিআইডি। মঙ্গলবার সকালে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানায় পুলিশের বিশেষায়ীত সংস্থাটি।
সিআইডি জানায়, গত ২৯ আগস্ট মুন্সীগঞ্জ থানার করা একটি মামলার প্রেক্ষিতে অভিযানে নেমে মো. শরীফ হোসেন (২৩)-কে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানাধীন হাড়িখোলা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীসহ মহিলাদের নিকট থেকে স্বর্ণ, গহনা, টাকা কুরিয়ার সার্ভিস এবং বিকাশের মাধ্যমে গ্রহণ করতো। জ্বীনের ভয় দেখিয়ে প্রতারণা করে তান্ত্রিক কবিরাজের সহযোগী হিসেবে অনলাইনে দেশের বিভিন্ন স্থানের ঠিকানা ব্যবহার করে সে আর্থিকভাবে লাভবান হতো। এ সময় তার দেওয়া তথ্যমতে আত্মসাৎকৃত বিভিন্ন ধরনের আনুমানিক ৯ ভরি স্বর্ণালঙ্কারও উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রতারক চক্রটিকে উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে বলেও জানায় সিআইডি।










































