খুলনায় ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার আলোচনায় বক্তারা
খবর বিজ্ঞপ্তি||
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি, প্রধান আলোচক ও আলোচকবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশকে মানচিত্রহীন জঙ্গী রাষ্ট্রে পরিণত করতে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার চালানো হয়েছিলো। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা শুধু শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই নয়, এটা গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব এবং মানচিত্রকে অন্যের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। যারা শেখ হাসিনাকে মানব ঢাল তৈরি করে রক্ষা করেছিলেন তারা শুধু শেখ হাসিনাকে রক্ষা করেনি; তারা দেশের গণতন্ত্র, মানচিত্র, সার্বভৌমত্বকে ও আদর্শকে রক্ষা করেছেন। বক্তারা আরো বলেন, এই ভূ-খন্ডে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ না থাকলে থাকবেনা গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব। হবেনা অর্থনৈতিক মুক্তি। সেকারণে এ প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ মনে প্রাণে ধারণ করতে হবে। তাহলেই তাদের মধ্যে দেশপ্রেমের সৃষ্টি হবে। থাকবেনা কোন সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস, উগ্র জঙ্গীবাদ ও দেশ বিরোধী কোন কর্মকান্ড। বক্তারা আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু সেই নেতা ছিলেন যিনি ভাষা আন্দোলনে মূখ্য ভূমিকা রেখেছেন। অথচ তাঁর এ অবদানকে অনেকেই স্বীকার করতে চায়না। বঙ্গবন্ধু যে একজন বিচক্ষণ দূরদর্শী নেতা ছিলেন, তাঁর রাজনৈতিক চিন্তাধারা এবং কর্মপরিকল্পনাই প্রকাশ ঘটেছে। ৬২ সালের আগেই বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। সে কারনেই তিনি জাতীয় সঙ্গীত কি হবে তা নির্ধারণ করে রেখেছিলেন। অথচ আমরা এই সত্যতে স্বীকার করতে চাই না। সে কারণেই ১৫ ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মতো ভয়াবহ দূর্ঘটনার সৃষ্টি করা হয়েছে। বক্তারা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাকারীদের ফাঁসির রায় এই সরকারের মেয়াদে কার্যকর করার দাবি জানান।
গতকাল রবিবার বিকাল ৪টায় দলীয় কার্যালয়ে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তরা এসব কথা বলেন। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা বিএল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শরীফ আতিকুজ্জামান, বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা আযম খান বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সহযোগী অধ্যাপক কল্লোল কুমার রক্ষিত। এসময়ে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যা. আলমগীর কবির, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, সদর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার ঘোষ, সদর থানা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরীনা রহমান বিউটি, মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মো. শফিকুর রহমান পলাশ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল। মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগের পরিচালনায় এসময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা কাজী এনায়েত হোসেন, মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ শহিদুল ইসলাম, এ্যাড. আইয়ুব আলী শেখ, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, মো. আশরাফুল ইসলাম, শেখ মো. ফারুক আহমেদ, আবুল কালাম আজাদ কামাল, এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, মো. শাহজাদা, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, কাউন্সিলর শামছুজ্জামান মিয়া স্বপন, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাকসুদ আলম খাজা, শেখ ফারুক হাসান হিটলু, শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, বিরেন্দ্র নাথ ঘোষ, হাফেজ মো. শামীম, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, শেখ নুর মোহাম্মদ, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, আজগর আলী মিন্টু, অধ্যা. রুনু ইকবাল বিথার, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, শেখ সৈয়দ আলী, মনিরুজ্জামান খান খোকন, এস এম আকিল উদ্দিন, কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ বিকু, কাউন্সিলর মাহমুদা বেগম, কাউন্সিলর আমেনা হালিম বেবী, কাউন্সিলর মনিরা আক্তার, কাউন্সিলর সাহিদা বেগম, কাউন্সিলর রহিমা আক্তার হেনা, কাউন্সিলর রেকসোনা কালাম লিলি, কাউন্সিলর পারভিন আক্তার, কাউন্সিলর কণিকা সাহা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোতালেব হোসেন, এ্যাড. এ কে এম শাহজাহান কচি, বিএম জাফর, এ্যাড. সুলতানা রহমান শিল্পী, এম এ নাসিম, পারভীন ইলিয়াছ, সবনম সাবা, এ্যাড. রাবেয়া ওয়ালী করবী, আইনির চৌধুরী নীপা, নূর জাহান রুমি, সমীর কৃষ্ণ হীরা, মোক্তার হোসেন, আকবর আলী মাতুব্বর, এ্যাড. শামীম আহমেদ পলাশ, বাদল সরদার বাবুল, আব্দুল হাই পলাশ, ফেরদৌস হোসেন লাবু, এ্যাড. ফারুক হোসেন, চ. ম. মজিবুর রহমান, শেখ আবিদ উল্লাহ, জামিরুল হুদা জহর, নজরুল ইসলাম তালুকদার, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, শেখ হাসান ইফতেখার চালু, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, মো. ফায়েজুল ইসলাম টিটু, মীর মো. লিটন, মো. সেলিম মুন্সি, মুন্সি নাহিদুজ্জামান, এস এম হাফিজুর রহমান, কবীর পাঠান, মো. শওকত হোসেন, জেসমিন সুলতানা শম্পা, আলেয়া সাঈদ, রেখা খানম, সাবিহা ইসলাম আঙ্গুরী, মেহজাবিন খান, আফরোজা জেসমিন বিথী, রোজী ইসলাম নদী, নাসরিন আক্তার, নাসরিন সুলতানা তন্দ্রা, সবনম মুস্তারি বকুল, মো. শহীদুল হাসান, জিলহাজ্ব হাওলাদার, অভিজিৎ পাল, জব্বার আলী হীরা, মাসুদ হাসান সোহান, মাহমুদুুর রহমান রাজেস, বায়েজীদ সিনা, এম এম হাসান সবুজ, ওমর কামালসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে ১৫ ও ২১ আগস্টসহ সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মো. আবু সাহেদ।











































