Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

33

যশোরে আরও ১০ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত

যশোর অফিস

যশোরে নতুন করে আরো দশজনের শরীরের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট ৪৪ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হলো।
সোমবার যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারের ল্যাবে যশোরসহ আশপাশের আরো দুটি জেলার সন্দেহভাজন মোট ৭২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এরমধ্যে ১৮টির পজেটিভ রেজাল্ট পাওয়া যায়। অন্য আটজন করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয় ঝিনাইদহের। এই জেলা থেকে পাঠানা ২৩টি নমুনা এদিন পরীক্ষা করা হয়।
এছাড়া মাগুরা জেলার দুটি নমুনা পরীক্ষা করে নেগেটিভ রেজাল্ট আসে।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারের সহকারী পরিচালক প্রফেসর ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদ বলেন, নমুনা পরীক্ষার রেজাল্ট আইইডিসিআরসহ সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জনকে ইমেইল করা হয়েছে।
যবিপ্রবি জেনোম সেন্টারে এখন বৃহত্তর যশোরের চার জেলার করোনা সন্দেহভাজন রোগীদের শরীর থেকে সংগৃহিত নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। বৃহত্তর কুষ্টিয়ার তিন জেলার নমুনাও এখানে কয়েকদিন পরীক্ষা করা হয়।

অধ্যাপক জামিলুর রেজার মৃত্যুতে যবিপ্রবি উপাচার্যের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

দেশের খ্যাতিমান প্রকৌশলী জাতীয় অধ্যাপক, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরীর আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন।
মঙ্গলবার ভোররাতে অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।
এক শোক বার্তায় অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, স্বাধীনতার পর এ দেশে যত বড় বড় ভৌত অবকাঠামো তৈরি হয়েছে, তার প্রায় প্রতিটির সঙ্গেই অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী কোনো না কোনোভাবে জড়িত ছিলেন। তিনি এ দেশের স্বপ্নের পদ্মা সেতুর বিশাল কর্মযজ্ঞের সঙ্গেও নিবিড়ভাবে জড়িত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে জাতি একজন আলোর বাতিঘরকে হারালো। জাতির এ ক্ষতি কখনো পূরণ হওয়ার নয়।
অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, দীর্ঘদিনের সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

যশোরে ২৪ ঘন্টায় মদ পানে দুইজনের মৃত্যু

যশোর অফিস

যশোর শহরের আরবপুর গোরাপাড়ায় মদপান করে আরো এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মৃত পোল্লাদ (৪৫) ওই পাড়ার মৃত কেষ্টপদ দাসের ছেলে। মঙ্গলবার বিকালে হাসপাতালে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এর আগে ওই পাড়ায় সোমবার রাতে ওই পাড়ায় মদ পানে আরো মৃত্যু হয়।
স্থানীয়রা জানান, গোরাপাড়ার মৃত অজিত দাসের ছেলে প্রশান্ত দাস ও কেষ্টপদ দাসের ছেলে পোল্লাদ দাস সোমবার দুপুরে এক সাথে বাড়িতে বসে মদ পান করে। রাতে প্রশান্ত দাসের মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার দুপুরে পোল্লাদ দাস অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। বিকেল ৪টার দিকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগের ডাক্তার দেলোয়ার হোসেন তাকে মৃত ঘোষণা করে বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। প্রসঙ্গত. গত সপ্তাহে যশোরে অতিরিক্ত মদ পানে ১৫ জনের মৃত্যু হয়।

যশোর শহর থেকে কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে
অপহরণের অভিযোগে মামলা, গ্রেফতার নাই

যশোর অফিস

প্রকাশ্য দিবালোকে কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থী মোছাঃ মাসুমা খাতুন ওরফে সাদিয়া (১৭)কে অপহরণের অভিযোগে কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় আসামী করা হয়েছে,যশোর শহরের বেজপাড়া টিবি কিনিক রোড আনসার ক্যাম্পের পিছনে বর্তমানে যশোর ঝুমঝুমপুর বিজিবি ক্যান্টিনের সামনে আদর্শপাড়া মাওলার বাড়ির ভাড়াটিয়া আব্দুল মান্নানের ছেলে হৃদয় ও শহরের বেজপাড়া টিবি কিনিক আনসার ক্যাম্পের পিছনে মৃত সাকাতের ছেলে হাসানসহ অপ্সাতনামা ২/৩জন।
যশোর শহরের বেজপাড়া টিবি কিনিক মোড়ের শাহাবুদ্দিনের স্ত্রী মোছাঃ মিনা খাতুন বাদি হয়ে সোমবার রাতে কোতয়ালি মডেল থানায় উল্লেখিত আসামীদের নামে এৎাহার দায়ের করেন। তিনি এজাহারে উল্লেখ করেন,তার ভাই আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে মোছাঃ মাসুমা খাতুন (১৭) তার বাড়িতে থেকে যশোর এমএম কলেজে লেখাপড়া করে। কলেজে আসা যাওয়ার প্রাক্কালে হৃদয় তাকে উত্যক্তসহ বিয়ের প্রলোভন দেখাতো। মাসুমা খাতুনের কাছ থেকে জেনে মিনা খাতুন হৃদয়ের সহযোগী হাসানকে বাধা নিষেধ করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা বিভিন্ন ভাবে অপহরণের সুযোগ খুঁজতে থাকে। গত ২৪ এপ্রিল সকালে মাসুমা খাতুন খাবার কিনতে ফুফুর বাড়ি হতে বের হয়। সকাল সাড়ে ৮ টায় বেজপাড়া টিবি কিনিক মোড়স্থ ফুফুর বাড়ির সামনে আসা মাত্রই ওৎপেতে থাকা হৃদয় ও হাসানসহ তাদের অপ্সাতনামা সহযোগীরা দুই মোটর সাইকেল যোকে মাসুমা খাতুনকে ফুসলিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ফুফু মিনা খাতুন হৃদয়ের সহযোগী হাসানের কাছে মাসুমা খাতুনের ব্যাপারে জানতে গেলে তাকে হুমকী দিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে জানতে পারেন মাসুমা খাতুনকে জনৈক লুৎফর রহমানের বাড়িতে আসামীরা লুকিয়ে রাখে। পুলিশ মাসুমা খাতুনকে উদ্ধার করে মঙ্গলবার ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন করে আদালতে ২২ ধারায় জবান বন্দি গ্রহনের জন্য সোপর্দ করে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হৃদয় ও হাসানসহ তাদের সহযোগী কাউকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি।

যশোর বাঘারপাড়ায় আরো একজন বিশ্ব বিদ্যালয়ের ছাত্র করোনা পজেটিভ

যশোর অফিস

যশোরের বাঘারপাড়ায় আরো একজনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত যুবক খুলনা বিএল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র এবং পৌরসভার মহিরণ স্বর্ণপট্টি এলাকার বাসিন্দা। গত ২১ মার্চ থেকে সে বাড়িতে অবস্থান করছিল। ওই যুবকের বাড়িসহ আশে-পাশের কয়েকটি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। এর আগে গত ২৬ এপ্রিল প্রথম এ উপজেলার পশ্চিমা গ্রামের বাসিন্দা ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়ে।
বাঘারপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার শরিফুল ইসলাম জানান,গত ২৫ এপ্রিল জ্বর,সর্দি ও কাশি নিয়ে হাসপাতালে যায় ওই যুবক। এ সময় চিকিৎসকদের সন্দেহ হলে ২৬ এপ্রিল তার নমুনাসহ আরো চারটি নমুনা পরিক্ষা করতে পাঠায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জীনোম সেন্টারে। মঙ্গলবার সকালে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জীনোম সেন্টারের ঘোষণা অনুযায়ি শুধু ওই যুবকের শরীরেই করোনা পজেটিভ পাওয়া যায়। আক্রান্ত যুবককে বাড়িতেই চিকিৎসা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন ডাক্তার শরিফুল ইসলাম।
খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকাল পৌনে এগারটার দিকে ওই যুবকের বাড়ি পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানিয়া আফরোজ,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার শরিফুল ইসলাম,থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আল-মামুন। এ সময় ওই যুবকসহ বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের ১৪ দিন ঘরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সাথে আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়িসহ আশ-পাশের কয়েকটি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করে উপজেলা প্রশাসন। লকডাউন ঘোষণা করা পরিবারের সদস্যদের নমুনা পরিক্ষা করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এদিকে আক্রান্ত ওই যুবক সেল ফোনে জানিয়েছে,সে খুলনা বিএল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র। গত ২১ এপ্রিল খুলনা থেকে এসে বাড়িইে অবস্থান করছিল। বাড়িতে অবস্থানকালে একাধিকবার বাজারসদাই করাসহ এলাকায় অবাধে বিচরন করেছে ওই যুবক। এ কারনে শংকিত হয়ে পড়েছে স্বর্ণপট্রি এলাকার বাসিন্দারা।
বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানিয়া আফরোজ জানান,আক্রান্ত ওই যুবকের বাড়ি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। মানুষ সচেতন না হলে আরো ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হবে বলে আশংকা প্রকাশ করেন তিনি।

যশোর বড় বাজারে ছয়টি প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা আদায়

যশোর অফিস

র‌্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের সদস্যরা মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল সকাল ১০ টাক থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত যশোর শহরের বড় বাজার এলাকায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালকের সহযোগীতায় ৬টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে সাড়ে ১২ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য্য করে তা আদায় করেছে। ক্রেতাদের কাছ থেকে বাজার মূল্য চেয়ে বেশী মূল্য নেওয়ার কারনে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সূর্য দিপ্ত ষ্টোরকে, এমসি নং-৯৯/২০, ১ হাজার টাকা, বি পি ট্রেডার্স, এমসি নং-১০০/২০, ৬ হাজার টাকা, মেসার্স বজলু হাওলাদার, এমসি নং-১০১/২০, ১ হাজার টাকা,আব্দুল মতিন ষ্টোর, এমসি নং-১০২/২০ইং ২ হাজার টাকা, নিউ আমিন এন্ড সন্স ষ্টোর, এমসি নং-১০৩/২০, ২ হাজার টাকা, ও ইয়াছিন ষ্টোর, এমসি নং-১০৪/২০, কে ১৫শ’ টাকা জরিমানা ধার্য্য করে তা আদায় করে।টাকা, মোট ০৬ (ছয়) মোবাইল কোর্ট অভিযানে জরিমানাকৃত টাকা চালান মোতাবেক সরকারী কোষাগারে জমা করা হয়েছে এবং আসামীদেরকে জরিমানা আদায়ের মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়।

যোগীপোল ইউনিয়নের হতদরীদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নির্দেশে খুলনা মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি ও ফুলতলা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ ইকবাল হোসেনের পক্ষ থেকে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস এর কারণে কর্মহীন হয়ে পড়ায় ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় যোগীপোল ইউনিয়নে কর্মহীন অসহায় হতদরীদ্রদের মাঝে সামাজিক ও শারিরিক দুরত্ব বজায় রেখে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন খানজাহান আলী থানা বিএনপি’র সভাপতি মীর কায়সেদ আলী, যোগীপোল ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক শেখ আলমগীর হোসেন, আতাউর রহমান, শহিদুল ইসলাম, হাদিউজ্জামান, মোল্যা সোহাগ হোসেন, আলহাজ্ব শেখ আল আমিন, মোঃ আজম, জাহাঙ্গীর হোসেন, আজিজুল, মিজান, গোলদার, মন্টু, আব্দুল হালিম , আব্দুল ওহাব, দিদারুল ইসলাম লাভলু, তৈয়ব আলী, মিনা মুরাদ, নজরুল ইসলাম, কালাম, মোঃ শাহ আলম প্রমুখ।

যোগীপোল ইউনিয়নের সকল মসজিদের ইমাম,মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ


ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি

জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও খানজাহান আলী থানার যুবলীগের আহ্বায়ক মোঃ সাজ্জাদুর রহমান লিংকন এর পক্ষ থেকে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস এর কারণে যোগীপোল ইউনিয়ন এলাকার সকল মসজিদের ইমাম,মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন। ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় ইউনিয়ন এলাকার সকল মসজিদে যেয়ে তাদের হাতে ইফতারী সামগ্রী তুলে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব রবিউল ইসলাম, মোঃ মিজানুর রহমান রুপম,আবু হেনা বাবলু, তানজির হোসেন লিখন, মোঃ রবিউল ইসলাম প্রমুখ।

মোড়েলগঞ্জে পৃথক স্থানে কৃষকের ধান কাটতে ৩০ যুবক-যুবতী মাঠে

এম.পলাশ শরীফ, মোড়েলগঞ্জ

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে পুটিখালী ও দৈবজ্ঞহাটী দুটি ইউনিয়নে ২০ একর জমির ধান কেটে দিলেন প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক প্যানেল নিয়োগ চাই-২০১৮ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যরা।
মঙ্গলবার দুপুরে উত্তর পুটিখালী গ্রামের কৃষক নাজিম হোসেন, আনিস খান, জাহিদুল ইসলাম, জয়নাল শেখ, শাহাজাহান শেখ, মিত্রডাঙ্গা গ্রামের নিখিল ডাকুয়া, জোকা গ্রামের শামীম শেখ, ও দৈবজ্ঞহাটী গ্রামের আব্দুর রব হাওলাদারের ফসলি জমিতে বোরো, ব্রি-ধান-২৮, ৫৮, ২৯ সহ বিভিন্ন প্রজাতির জাতের পাকা ধান ৩ গ্রামের কৃষকের ২০ একর জমির স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কাটতে নেমেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ চাই কমিটির সদস্যরা। যুবক ও যুবতীর ৩০ সদস্য বিশিষ্ট দুটি গ্রুপে নেতৃত্বে দেন কমিটির প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ চাই জেলা সভাপতি মিরাজ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রাজিব শিকদার,কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নেয়ামুল শেখ, খোকন মৃধা, সুজন হালদার, সঙ্গিতা মাঝি, ডলি রানীসহ ৩০ সদস্য’র টিম। এ ৩০ জনের এ স্বেচ্ছাসেবক দলে নারী সদস্য আছেন ৩ জন। কথা হয় উত্তর পুটিখালী গ্রামের কৃষক নাজিম হোসেনের সাথে তিনি জানান, তার ১ একর জমির ধান কেটে দিয়েছে এ সদস্যরা। অনুরুপ একই গ্রামের আনিছ খানের ২ একর জমির ধান কেটে মাড়াই করে দিয়েছেন তারা। এরকম একাধিক কৃষকরা জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ধান কাটার শ্রমিক সংকট থাকায় এ মুর্হুতে স্বেচ্ছাশ্রমে এ সদস্যদের মাধ্যমে ধান কেটে ঘরে তুলতে পেরে আনন্দিত তারা।
এ বিষয়ে সভাপতি মিরাজ হোসেন ও সঙ্গিতা মাঝি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী তারা নিজ উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে ২০ একর ফসলি জমির ধান পর্যায়ক্রমে কেটে কৃষকের ঘরে তুলে দিবেন।

মোড়েলগঞ্জে বিএনপি’র উদ্যোগে ৪ হাজার পরিবার পেলেন খাদ্য সহায়তা

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি:

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে করোনায় কর্মহীন আরো ৪ হাজার পরিবার পাচ্ছে খাদ্য সহায়তা ও ইফতার সামগ্রী। বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী বিএনপি নেতা কাজী খায়রুজ্জামান শিপন এসব খাদ্য সামগ্রী প্রদান করছেন।
মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার দৈবজ্ঞহাটী, রামচন্দ্রপুর, পঞ্চকরণ, হোগলাপাশা ও বনগ্রামের বিএনপি নেতাকর্মীরা বিতরণের জন্য এসব খাদ্য সামগ্রী গ্রহন করেন। তিনি বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ-শরণখোলার অসহায় দু:স্থ মানুষের মাঝে সহায়তা ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ করছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি সভাপতি শহিদুল হক বাবুল, উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দুর্যোগকালীন ত্রান বিষয়ক আহবায়ক ফারুক হোসেন সামাদ, সাবেক চেয়ারম্যান কেরামত আলী, উপজেলা বিএনপি যুগ্ম সম্পাদক আফজাল হোসেন জোমদ্দার সহ দু’উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।
বিএনপি নেতা কেকে গ্রুপের চেয়ারম্যান কাজী খায়রুজ্জামান শিপন পূর্বাঞ্চলকে জানান, ইতোপূর্বে মোড়েলগঞ্জ-শরনখোলার করোনায় কর্মহীন ৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ বাড়িকে বাড়িতে গিয়ে এসব খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে। যতদিন করোনা প্রভাব থাকবে ততদিন এ খাদ্য সহায়তা অব্যহত থাকবে বলে তিনি জানান।

কেশবপুরে দুই চিকিৎসক-সহ আরো ৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস সনাক্ত

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় মঙ্গলবার দুই চিকিৎসকসহ নতুন করে ৪ জন করোনা ভাইরাস রোগে সংক্রমিত হয়েছেন। এ নিয়ে কেশবপুর উপজেলায় ৮ জন করোনা ভাইরাস রোগে সংক্রমিত হয়েছেন। তাদের কেশবপুর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে চিকৎসা দেয়া হচ্ছে।
কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ আলমগীর হোসেন জানান, করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে কেশবপুর হাসপাতালের চিকৎসক ডা: প্রতিম চৌধুরী, উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার আশিকুর রহমান, একই হাসপাতালের টিএল টি এ নাজমুল কবির এবং কেশবপুর শহরের ত্রিমোহিনী মোড়স্থ আহম্মদ মঞ্জিলের বাসিন্দা ফিরোজ আহম্মদ রিপন নামে এক যুবক রয়েছেন। পর্যন্ত কেশবপুর উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৮জনে দাঁড়ালো।
এদিকে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরাত জাহান মঙ্গলবার থেকে কেশবপুর উপজেলার সকল নাগরিকদের জন্য খাদ্যদ্রব্য, ঔষধ, চিকিৎসা, মৃতদেহ সৎকার সংক্রান্ত কাজ ব্যতিত কেউ নিজ গৃহ থেকে বের না হতে আদেশ জারি করেছেন। আদেশ অমান্য কারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানা গেছে।

পাইকগাছায় অপহৃত সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ডুমুরিয়া থেকে উদ্ধার : অপহরণকারী গ্রেপ্তার

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছায় অপহৃত সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ডুমুরিয়া থেকে উদ্ধার ও অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা যায়, ডুমুরিয়া থানার মাগুরাঘোনা গ্রামের আকাম মোড়লের ছেলে ইমদাদুল হক (৩৫) পৌরসভার গোপালপুর গ্রামের মেয়েকে অপহরণ করে। গত ৯ এপ্রিল বিকাল ৫টায় ভিকটিম তার বাড়ীর রাস্তার উপর আসলে ইমদাদুল ও তার সহযোগীরা তাকে মোটরসাইকেলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। কয়েকদিন খোঁজার পর না পেয়ে গত রোববার ভিকটিমের পিতা পাইকগাছা থানায় ইমদাদুল হক ও তার ভাই আতাউর রহমানের নামে মামলা করে। পুলিশ সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় অপহরণকারীর বাড়ী থেকে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় ভিকটিমকে উদ্ধার ও অপহরণকারী ইমদাদুলকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের আলামত পেয়েছে বলে পুলিশ রিপোর্টে দেখা যায়। মামলা সূত্রে ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম স্থানীয় একটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। বিদ্যালয়ের আশপাশে প্রায়ই ভিকটিমকে ইমদাদুল উত্যক্ত করত। ওসি এজাজ শফী জানান, এ ঘটনায় মামলার হওয়ার সাথে সাথে দ্রুততার সাথে অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার ও ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে।

পাইকগাছায় ধর্ষণ মামলার আসামী আটক

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছায় ধর্ষণ মামলার আসামী ভবেন্দ্রনাথ সরকারকে পুলিশ আটক করেছে। সে পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড সরল গ্রামের মৃত অমূল্য সরদারের ছেলে। তার ডিএনএ প্রোফাইলিং করার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ৯ মার্চ ২০১৯ তারিখে আনুমানিক রাত ১টায় উপজেলার নায়েবখালী গ্রামের বিপ্র সরদারের মেয়ে ধর্ষণের শিকার হয়। প্রকৃতির ডাকে বাইরে আসলে ৩জন ব্যক্তি তাকে পার্শ্ববর্তী গোলবাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর ভোরে অজ্ঞান অবস্থায় পরিবারের লোকজন গোলবাগানের ভিতর থেকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ৩জনকে আসামী করে ভিকটিমের পিতা থানায় এজাহার দাখিল করে। পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে আদালতে পাঠালে ভিকটিম ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট ২২ ধারা জবানবন্দিতে স্থানীয় কামরুল গাজী, শংকর সরদার ও ভবেন্দ্রনাথ সরকারের নাম উল্লেখ করে বিস্তারিত বর্ণনা দেন। থানাপুলিশ ভিকটিমকে মেডিকেল রিপোর্ট সংগ্রহের জন্য পাঠালে ভিকটিমের ধর্ষণের আলামত মিলেছে। যা ঢাকা মেডিকেলের ডিএনএ এনালিস্ট ন্যাশনাল ফরেন্সি রিপোর্টে একজন অজ্ঞাত পুরুষের ডিএনএ পাওয়া গেছে। এ কারণে আটক ভবেন্দ্রনাথ সরদারকে ডিএনএ করার জন্য আদালতে পুলিশ আবেদন করেছে। ওসি এজাজ শফী জানান, তিন মাসে পূর্বে এ মামলায় কামরুল গাজী ও গতকাল ভবেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পাইকগাছায় মুক্তিযোদ্ধা শেখ মোবারক হোসেন আর নেই

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছায় মুক্তিযোদ্ধা শেখ মোবারক হোসেন (৭০) আর নেই। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নানিল্লাহি……রাজিউন)। তিনি উপজেলার শিলেমানপুর গ্রামের মৃত শেখ মোজাহার আলীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ মেয়ে ও ১ ছেলে সহ অসংখ্যগুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বেলা ৩টায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে গাড অফ অনার শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ আরাফাতুল আলম, ওসি (তদন্ত) আশরাফুল আলম সহ মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ। মুক্তিযোদ্ধা শেখ মোবারক হোসেন সাবেক ইউপি সদস্য ও পাইকগাছা আইনজীবী সহকারী সমিতির সদস্য ছিলেন। মৃত্যুর আগে মুক্তিযুদ্ধের উপরে “লড়াই করে বিজয় অর্জন” নামে একটি গ্রন্থ প্রকাশ করে।

কয়রায় বঙ্গবন্ধু যুব পরিষদের মত বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান: এমপি বাবু

কয়রা প্রতিনিধি

চলোমান মরণঘাতি কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসে অসহায় শ্রমজীবি মানুষের পাশে দাড়িয়েছে বঙ্গবন্ধু যুব পরিষদ ও মহারাজপুর ইয়ংস্টার কাব। অনুরুপ এলাকার সকল বিত্তবানদেরকে অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর আহবান জানিয়েছেন সাংসাদ আলহাজ্ব মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু। তিনি ২৭ এপ্রিল সোমবার আছর নামায বাদ কাব চত্তরে উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নে বঙ্গবন্ধু যুব পরিষদ ও মহারাজপুর ইয়ংস্টার কাব আয়োজিত শ্রমজীবি মানুষের মধ্যে খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এমন দাবী করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আয়োজক কতৃপক্ষকে জানান, এলাকার সকল মানুষ সম্পার্কে আপনাদের কমবেশি ধারণা আছে, সেজন্য প্রকৃত অসহায় এবং সে সমস্ত মানুষ অন্যের কাছে হাত পারতে পারে না একমাত্র তাদের খুজে বের করে ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিন । তিনি বলেন, যদিও এই মহুর্তে কোন ব্যক্তি না খেয়ে থাকে না, তবুও অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারে চরম খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে এমন খবর বিভিন্ন সূত্র থেকে শোনা গেছে। তিনি আরও বলেন, প্রতিটি গ্রামে ২/১ জন করে বিত্তবান মানুষ আছে যারা এই পবিত্র রমযান মাসে অসহায়দের মাঝে সাহায্য করে মহান অল্লাহর ভালবাসা অর্জন করতে পারেন। বঙ্গবন্ধু যুব পরিষদের সভাপতি শাহজাহান সিরাজ জানান, কাবের উপদেষ্টা ও সদস্যদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে তহবিল গঠন করে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের বাড়ী বাড়ী খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া হবে এমন সিদ্ধান্ত সকল সদস্যের এবং তারই ধারাবাহিকতায় আজ প্রধান অতিথির মাধ্যমে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। বঙ্গবন্ধু যুব পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ও উপজেলা আ’লীগের সংস্কৃতি সম্পাদক প্রভাষক শাহাবাজ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জিএম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরেজমিন গবেষণা বিভাগ খুলনার প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ হারুনর রশীদ, মহারাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান জিএম আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু, কয়রা সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হুমায়ুন কবির, কযরা প্রেস কাবের সভাপতি এসএম হারুন অর রশীদ। যুব পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা জানান, আজ বঙ্গবন্ধু যুব পরিষদ ২৫০ জন পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছে এবং মধ্যবিত্ত অসহায়দের রাতে বাড়ী বাড়ী খাবার পৌছে দিবে। যুব পরিষদের সভাপতি শাহজাহান সিরাজ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহররম হোসেনের পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সদর উদ্দনি আহম্মদ, সাংবাদিক রিয়াছাদ আলী, জেলা যুবলীগ নেতা শামীম সরকার, খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোঃ আবু সাঈদ খান, জেলা ছাত্রলীগ নেতা শেখ মোঃ শাকিল, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিংকু, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) আমিনুল হক বাদল, সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম। বৈজ্ঞানিক সহকারি জাহিদ হাসান, যুব পরিষদের উপেেদষ্ঠা রফিকুল ইসলাম কোম্পানী, আম্মারুল ইসলাম, আঃ রহিম, ফরহাদ হোসেন,কোষাধাক্য আবুল হাসান, আল আমিন, শাহিনুর রহমান, আমিরুল ইসলাম, তৈয়েবুর, জামিরুল, হাফিজুল, জিয়া, শিপন, মন্টু ও আশিক সহ সকল সদস্যবৃন্দ।

শরণখোলায় ১১ শ’ পরিবারকে স্যানেটারী হাইজিং কিটস বিতরন

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

শরণখোলায় করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে ১১’শ পরিবারকে স্যানেটারী হাইজিং কিটস বিতরন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে)। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় উপজেলার উত্তর কদমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রঙ্গনে আনুষ্ঠানিকভাবে তারা ১৫ জনের মধ্যে এ কিডস বিতরনের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করে।
ডিএসকে’র স্পন্সারশিপ অফিসার রাসিদা পারভিন জানান, দাতা সংস্থা ইউকে এইড ও স্টার্ড ফান্ড বাংলাদেশের আর্থিক সহযোগীতায় উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের ১ হাজার ১’শ পরিবারের মাঝে প্রতিটি পরিবারকে ১০পিচ লইফবয় সাবান, ৫০ পিচ মাক্স, এক কেজি হুইল পাউডার, এক প্যাকেট স্যানেটারী ন্যাপকিন, একটি মগ ও একটি ট্যাব সংযুক্ত বালতি দেয়া হবে। তারা প্রতিটি পরিবারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এসব হাইজিং কিটস বিতরন করা হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন শরণখোলা থানার অফিসার ইন চার্জ এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদ, প্রেসকাবের সভাপতি ইসমাইল হোসেন লিটন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ নুরুজ্জামান খান, এনজিও সমন্বয় কমিটির সভাপতি মীর সরোয়ার হোসেন, সংস্থার সিনিয়র প্রজেক্ট ম্যানেজার সঞ্জিব সরকার প্রমুখ।
অপরদিকে, সকাল ১১টায় উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রবেশদ্বারে হাত ধোয়া নিশ্চিত করার জন্য নির্মিত ভ্যাসিনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মেহেদী হাসান। এসময় ওই দপ্তরের পক্ষ থেকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পাঁচ পিচ করে সাবান ও এক কেজি করে ব্লিসিং পাউডার বিতরণ করা হয়।

মোংলা-রামপালের আড়াই হাজার কর্মহীনদের বাড়ীতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিলেন বিএনপি নেতা ড. ফরিদুল

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া মোংলা ও রামপালের (বাগেরহাট-০৩ আসনের) ২ হাজার ৫‘শ মানুষের বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। মঙ্গলবার সকালে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ফয়লা গ্রামের আড়াইশ কর্মহীন মানুষের বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়। এর আগে মোংলা পোর্ট পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড ও ৬টি ইউনিয়ন এবং রামপাল উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ২ হাজার ২৫০ জন অসহায় মানুষের বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন ড. ফরিদ।
বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, দলীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় মোংলা ও রামপালের ১৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ১৫৩ টি ওয়ার্ডের ২ হাজার ৫‘শ অসহায় পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি। দেশের এই দূর্দিনে আমরা সবাই যদি নিজ নিজ এলাকার অসহায় মানুষের দায়িত্ব নেই তাহলে এই দূর্যোগ মোকাবেলা করা অনেক সহায়ক হবে। ‘মানুষ মানুষের জন্য’ এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

নিজের গোলায় মজুদ ৩‘শ মন ধানের চাল দিয়ে দাকোপে সাবেক মেয়রের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

দাকোপ (খুলনা) সংবাদদাতা

করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ মোকাবিলায় কর্মহীন ঘরবন্ধি অসহায় দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন খুলনার দাকোপের চালনা পৌরসভার সাবেক মেয়র অধ্যক্ষ ড. অচিন্ত্য কুমার মন্ডল ও তার চার ভাইয়ের যৌথ পরিবার। নিজের গোলায় মজুদ ৩০০ মন ধান ছাটাই করে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের মোট ১৫০০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী হিসেবে ৫ কেজি করে চাল, ২ কেজি আলু ও ১ কেজি করে লবণ বিতরণ করেছেন তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত এ ত্রান খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শেষ হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্যে প্রত্যেকের বাড়ি বাড়ি এখাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়েছে বলে সাবেক মেয়র অধ্যক্ষ ড. অচিন্ত্য কুমার মন্ডল জানান। এছাড়া আরো কিছু দরিদ্র লোকজন ত্রানের জন্য তার বাড়ি আসছেন তাদেরও দুই এক দিনের মধ্যে ত্রান দিবেন বলে জানান। ত্রান সামগ্রী বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা-১ আসনের সাবেক সংসদ ননী গোপাল মন্ডল, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুনসুর আলী খান, উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদ সভাপতি আ‘লীগনেতা অসিত বরণ সাহা, গাজী আব্দুর রহিম, সমর বিশ^াস, ছাব্বির আহম্মেদ শেখ, শিবেন্দ্রপ্রসাদ রায়, পৌরসভা পূজা উদ্যাপন পরিষদ সভাপতি অতীন মন্ডলসহ আরো অনেকে।

বটিয়াঘাটার জলমায় করোনায় কর্মহীন মানুষের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি

বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে করোনায় কর্মহীন প্রায় ২ শত ৫০ জন মানুষের মাঝে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় স্থানীয় জলমা তহসীল অফিস চত্তরে আ’লীগনেতা নারায়ণ চন্দ্র রায়, বিজয় টিকাদার, সুবীর মল্লিক, প্রদীপ টিকাদার, মনোজ মল্লিক, বিধান হালদারের পক্ষ থেকে চাল, ডাল, আলু, সাবান, পেয়াজসহ বিভিন্ন উপকরণ সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে বিতরন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন জলমা ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি নারায়ন চন্দ্র সরকার, সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ভগবতী গোলদার, এস আই সুপ্রভাত, আ’লীগ নেতা বিকর্ণ গাইন, সাবেক ইউপি সদস্য নীলা মিস্ত্রী, ডাঃ সবুজ সরকার প্রমূখ। এছাড়া বিজয় টিকাদারের নেতৃত্বে জলমা ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার ও জন গুরুত্বপূর্ন স্থানে জীবানু নাশক স্প্রে করা হয়।

সাতক্ষীরায় যাওয়া-আসা বন্ধে শপথ পড়ালো প্রশাসন


সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা জেলাকে করোনা মুক্ত রাখতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারী করা হয়েছে। করোনা আক্রান্ত যে সমস্থ জেলা ইতিমধ্যে লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে সে সমস্ত জেলা থেকে কেউ যাতে করোনা ভাইরাস বহন করে এ জেলায় না আসেন সে জন্য জেলার প্রবেশদ্বারে চেকপোষ্ট বসানো সহ বিভিন্ন স্থানে আইসশৃখংলা বাহিনীর নজরদারী বাড়ানো হয়েছে। এ জেলার প্রবেশদ্বারে বসানো চেকপোস্টসহ বিভিন্ন স্থানে চলছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা। বিশেষ করে যারা সাতক্ষীরার বাহিরে থেকে এ জেলায় কিংবা এ জেলা থেকে বাহিরের জেলায় গিয়ে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করেন, তাদের ইমিমধ্যে যাতায়াত বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। তাদেরকে স্ব-স্ব কর্মস্থলে থাকার জন্য বলা হয়েছে। অন্যথায় কোন চেকপোস্ট ও পুলিশি টহলে পড়লে তাকে প্রয়োজনীয় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে ঘোষনাও দিয়েছেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার। আর এ জন্য জেলার প্রতিটি প্রবেশদ্বারে বসানো চেকপোষ্ট গুলোকে আরো নজরদারী বাড়ানো হয়েছে।
ইতিমধ্যে, জেলার প্রবেশদ্বার তালা উপজেলার সুভাষিনী এলাকায় পুলিশি চেকপোষ্টে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে কর্মরত এক জন ডাক্তারসহ কমপক্ষে ৭/৮জন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্টানে কর্মরত চাকুরীরতদের খুলনা থেকে সাতক্ষীরায় আসার পথে গতিরোধ করা হয়। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় তারা প্রতিদিন খুলনা থেকে সাতক্ষীরায় কর্মস্থলে আসেন। পরে তাদের স্ব-স্ব কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করে তারা যাতে আর এভাবে না আসেন সে জন্য তাদের শপথ করান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান। এরপর তাদেরকে ফেরত পাঠানো হয়।
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামাল ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সবাইকে স্ব-স্ব কর্মস্থলে থেকে দায়িত্ব পালন করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

জাতীয় অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর ইন্তেকালে এবং এমপি গ্লোরিয়া সরকারের পিতার মৃত্যুতে খুবি উপাচার্যের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

বঙ্গবন্ধু সেতু, পদ্মা বহুমুখী সেতু, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলী টানেলসহ চলমান নানা উন্নয়ন প্রকল্পে বিশেষজ্ঞ প্যানেলের নেতৃত্বদানকারী খ্যাতিমান প্রকৌশলী একুশে পদকপ্রাপ্ত জাতীয় অধাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর কলাবাগানের নিজ বাসায় ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহে…রজিউন)। প্রবীণ এই শিক্ষাবিদ, প্রকৌশলীর ইন্তেকালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোক বার্তায় তিনি বলেন, জাতীয় অধ্যাপক ডক্টর জামিলুর রেজা চৌধুরী বাংলাদেশের অবকাঠামোকগত উন্নয়ন ও প্রকৌশল শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমে অতুলনীয় ভূমিকা রেখেছেন। দেশের অগ্রযাত্রায় তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। উপাচার্য অপর এক শোক বিবৃতিতে জাতীয় সংসদের খুলনা-বাগেরহাট সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য গ্লোরিয়া সরকার ঝর্ণার পিতা সুশান্ত সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে ডাকাতি: সর্বশান্ত ঝিনাইদহের ট্রাক চালক

খ্ইারুল ইসলাম নিরব

ঝিনাইদহের ট্রাক, ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের চট্রগ্রাম থেকে মালভর্তি করে ঢাকায় ফেরার পথে চট্রগ্রামের সীতাকুন্ডুর দারোগারহাট স্কেল এলাকা থেকে ডাকাতের কবলে পড়ে সর্বশান্ত হয়েছে ঝিনাইদহের এক ট্রাক চালক। সোমবার রাত পোনে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার সূত্র ধরে জানা যায়, দারোগারহাট স্কেলের ইনচার্জ সুজন বলেন এখানকার একটি স্কেলে গতকাল থেকে যান্ত্রিক ক্রুটি দেখা দিয়েছিল। আজ তা মেরামত করা হয়। একই সাথে ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম এবং চট্রগ্রাম থেকে ঢাকা মহাসড়কের স্কেলে দুইটি স্কেলের পরিমাপ একই করে নির্ধারণ করার স্বার্থে ঝিনাইদহের একটি ট্রাকের ভাড়ার চালানের পরিমাণ নির্ধারণ করে সঠিক ওজন পরিমাপ করা হয়। সেজন্য ঢাকার উদ্যেশ্যে ট্রাকটি ছেড়ে গেলেও স্কেলে দুটির পরিমাপ একই করার স্বার্থে ওই ট্রাকটির ড্রাইভারকে পূনরায় বিপরীত স্কেলে নেওয়া হয়। তারপর স্কেল থেকে পরিমাপ নির্ধারণ শেষে ট্রাকটি পূনরায় ঢাকার উদ্যেশ্যে ছেড়ে আসে। এমতাবস্থায় ট্রাকটি আনুমানিক দুইশত মিটার আসার পর ডাকাতদল বলতে থাকে বিপরীত দিক দিয়ে ট্রাক কেনো নিয়ে যাস, সাইড কর। শুরু হয় ডাকাতদের নিষ্ঠুরতার কাহিনী।
ট্রাক চালক জানান, স্কেল কর্তৃপক্ষের কথামত স্কেলের পরিমাপ নির্ধারণ করার জন্য ট্রাকটির সহযোগিতা দাবি করে স্কেল কর্তৃপক্ষ। এক পর্যায়ে তিনি অপরাগতা প্রকাশ করলে জোর দাবি করে স্কেল কর্তৃপক্ষ সেই সাথে দুই কিলোমিটার রাস্তা দুরত্ব হওয়ায় ঘুরে আসতে ১শত টাকা তেল খরচ দেয়। পাশাপাশি তাদের স্কেলের পরিমাপ সঠিক করে নেয়। এই সুযোগে ওৎ পেতে থাকা ডাকাতদল আমাদেরকে রাস্তায় মোটর সাইকেল দিয়ে গতিরোধ করে এবং গাড়ি থেকে নামতে বলে। জীবনেনর ঝুকি নিয়ে ট্রাকটি নিয়ে দিকবেদিক ছোটাছুটি করতে থাকি। একপর্যায়ে তাদের কাছে থাকা নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেয় এবং একাধিকবার জোর জুলুম করতে থাকে। এভাবে কেটে যায় প্রায় দেড় ঘন্টা সময়। অবশেষে সর্বশান্ত হয়ে তারা জীবন বাচাঁতে সক্ষম হয়। তিনি আরও জানান, স্কেল এলাকায় এ্যপাসি আরটিআর মোটরসাইকেলে সড়কে প্রকাশ্যে ঘুরে ডাকাতি করে, এরা কারা! স্কেল কর্তৃপক্ষের কথামত আসায় এ ঘটনার শিকার হতে হয়েছে। তাই এদের কারও সাথে ডাকাতদের যোগসাজস থাকতে পারে। তাই তিনি তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের দাবি জানান।

মাগুরা জেলার আড়পাড়া বাজারের ফারুক নামের এক ট্রাক ড্রাইভার জানান, আমরা দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে থাকি। তিনি বলেন দীর্ঘ ২০ বছর ধরে মটর গাড়িতে আছি। বিগত দিনের তুলনায় বর্তমানে ডাকাতি নেয় বললেই চলে। ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম একটি ব্যস্ততম সড়ক কিন্তু এই দারোগারহাট স্কেল এলাকায় ইতিপূর্বেও এমন ডাকাতি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এরা যাকে পায় তাকে হায়েনার মত করে ধরে। এমনকি কয়েকজন ট্রাক ড্রাইভারকে ডাকাতির সময় হত্যা করা হয়েছে। কিছুদিন আগেও ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার এক ট্রাক ড্রাইভারকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আজ আবার এই অবস্থা। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের উপায় কি হবে! তাই আমরা সড়কে নিরাপত্তার দাবি রেখে প্রশাসনসহ সরকারের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা জোনের কন্টোল রুমে ফোন করলে দায়িত্বরত কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার আগেই ডাকাতদল পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে কুমিল্লা হাইওয়ে জোনের ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, স্কেল কর্তৃপক্ষ ট্রাকটি বিপরীত দিকে নেওয়ার ফলে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানার পর তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তাছাড়া মহাসড়কে সার্বক্ষণিক পুলিশের টহল চলমান রয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্কেলে কর্মরত নির্বাহী প্রকৌশলী জুলফিককার জানান, স্কেল ইনচার্জকে বিষয়টি অবগত করে সিসি টিভির ফুটেজ সংরক্ষণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীকে আইনানুগভাবে যথাযত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

করোনা প্রতিরোধে নৌবাহিনীর জীবাণুনাশক স্প্রে, খাদ্য সহায়তা ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত

খবর বিজ্ঞপ্তি

দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ মোকাবেলায় রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক, ফুটপাত ও আশেপাশের পরিবেশ জীবাণুমুক্ত রাখতে জীবাণুনাশক ঔষধ ছিটানোসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে নৌবাহিনী। মঙ্গলবার নৌবাহিনীর সদস্যরা দিনব্যাপী কার্যক্রম পরিচালনা করে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও খুলনার দ্বায়িত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নৌবাহিনী নিয়মিতভাবে জীবাণুনাশক ঔষধ ছিটানো, চিকিৎসা সহায়তা, অসহায় ও দরিদ্রদের ঘরে ঘরে খাদ্য সহায়তা পোঁছে দেয়াসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
নৌসদস্যরা এসব এলাকাগুলোতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে এবং মানুষকে ঘরে থাকা নিশ্চিত করতে নিয়মিত মাইকিং করা ও বিভিন্ন লিফলেট বিতরণ করছে। তাছাড়া নৌসদস্যরা উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় জনসমাগম পরিহার করে স্থানীয় গরীব, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে জীবাণুনাশক সাবান ও মাস্ক, চাল, ডাল, আলুসহ বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছে। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় নৌবাহিনী এ দ্বায়িত্ব পালন করে চলেছে। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত নৌবাহিনীর এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।

এতিম ছাত্র-শ্রমজীবী ও পথচারীদের মাঝে খাদ্য ও ইফতার বিতরণ করলেন ছাত্রনেতা রাসেল

স্টাফ রিপোর্টার:

খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল এতিম ছাত্র, ছিন্নমূল শিশু, পথচারী ও শ্রমজীবী মানুষদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করেছেন।
তিনি মঙ্গলবার বাদ আসর খুলনা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা ও বসুপাড়া এতিমখানায় ও নগরীর বিভিন্ন স্থানে তিনি এ খাবার ও ইফতার বিতরণ করেন। এসময় তিনি করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সকলকে সচেতন করেন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও সকলকে ঘরে থাকার আহবান জানান। এসময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর ছাত্রলীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, মাহমুদুল ইসলাম সুজন, আহনাফ অর্পন, মারুফ রহমান, জিহাদি জিসান, শাহরিয়ার নেওয়াজ রাব্বি, অভিজিৎ সরকার রাহুল, রিজু ইসলাম, আবিদ আল হাসান, মোঃ পিয়াল, সাইফুল ইসলাম, মোঃ আলামিন সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের করোনায় কর্মহীনদের মাঝে খাদ্রসামগ্রী বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখার পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাসের কারণে ঘরে থাকা অসহায় কর্মহীন পরিবারের মাঝে ধারাবাহিকভাবে মঙ্গলবারও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। কর্মহীনদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেনÑবাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি শ্যামল হালদার, সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কু-ু, পূজা পরিষদের অন্যতম নেতা ননীগোপাল সাহা, মনোরঞ্জন সাহা, পূজা উদ্যাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর কোষাধ্যক্ষ রতন কুমার নাথ, শ্রীমদ্ভগবত গীতা সংঘের সভাপতি দেবাশিষ কর্মকার, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি বিশ্বজিৎ দে মিঠু, খুলনা সদর থানা পূজা পরিষদ সভাপতি বিকাশ কুমার সাহা, পূজা পরিষদের অন্যতম নেতা বাবলু বিশ্বাস, সোনাডাঙ্গা থানা সভাপতি বিপ্লব মিত্র, খালিশপুর থানা সভাপতি রজত কান্তি দাস, দৌলতপুর থানা সভাপতি তিলক গোস্বামী, লবণচরা থানা সভাপতি ডাঃ শেখর চন্দ্র পাল, হরিণটানা থানা সভাপতি মনোজ কান্তি রায়, রামচন্দ্র পোদ্দার, বিপ্লব সাহা লব, প্রকাশ অধিকারী, দীপক দত্ত, রঞ্জন রায়, তোতন হালদার, উজ্জ্বল ব্যানার্জি, বাবু শীল, উজ্জ্বল রায়, মাণিক শীল, অলোক সাহা, প্রাপপুর সরকার, রবীন দাস, রাজু শীল, পুলকেশ সাহা, বিধান রায় প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

এমপি গ্লোরিয়া সরকার ঝর্ণার পিতার পরলোকগমন

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, (খুলনা-বাগেরহাট) সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট গ্লোরিয়া সরকার ঝর্ণার পিতা সুশান্ত শিকারী মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ভোর ৫টার দিকে পরলোকগমন করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। তিনি গত এক বছর ধরে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দেশি বিদেশী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে খুলনার দাকোপ উপজেলার লাউডোব ইউনিয়নে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক কন্যা ও পুত্র, নাতি নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। তাঁর বড় কন্যা অ্যাড. গ্লোরিয়া সরকার ঝর্ণা বর্তমান সরকারের সংরক্ষিত আসন (খুলনা-বাগেরহাট-৩০), এর সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ কেন্দ্র কমিটির সদস্য। পুত্র রিপন সরকার একজন চাকুরীজীবী। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের বটিয়াঘাটা উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। বিববৃতিদাতার হলেন উপজেলা শাখার সভাপতি ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, জোট নেতা ডাঃ বেল্লাল হোসেন, আলহাজ্ব আসলাম তালুকদার, শিক্ষক বিজন মল্লিক, রাজু হালদার, ফাল্গুনী গোলদার, সনজীবন মিস্ত্রী, তনুশ্রী রায়, অরিত্র মল্লিক, ডাঃ সবুজ সরকার প্রমুখ।

ভালো নেই কপিলমুনির সেলুন ব্যবসায়ীরা

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি

দোকান বন্ধ তাই পুরো ১ মাস ধরে কোন আয় নেই, তাই না খেয়ে না দেয়ে বড্ড বিপদে আছেন পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি বাজারের সেলুন ব্যবসায়ীরা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর সাহায্যের আবেদন করেও অসহায় শ্রমজীবিদের ভাগ্যে আজো সরকারী সাহায্য জোটেনি।
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরাধে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেন। যার ফলে কাঁচাবাজার, চাউলের দোকান, মুদি দোকান, সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। ফলে মানুষ প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হচ্ছে না। এ অবস্থায় ক্ষুদ্র এই সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীরা (নরসুন্দর) বিপাকে পড়েছেন।
সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণ ছুটিতে অফিস-আদালত বন্ধ ঘোষণার পর বেশিরভাগ নরসুন্দর নিজ নিজ বাড়িতে রয়েছেন। ফলে অর্থকষ্টে মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে এই তাদের। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে নরসুন্দরদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য উঠে এসেছে। কপিলমুনি বাজারের ৪০ জন সেলুন দোকানী রয়েছেন। নিদারুন কষ্ঠের মধ্যে দিনাতিপাত করছেন তারা। সেলুন ব্যবসায়ীদের বেশির ভাগই একেবারেই দরিদ্র ও প্রতিদিনকার কাজের উপর নির্ভরশীল হওয়ায় তারা পড়েছেন বড্ড বেকায়দায়। পরিবার পরিজন নিয়ে অর্ধহারে অনাহারে দিন কাটছেন, অথচ সরকারীভাবে কোন সাহয্য আজও দেওয়া তাদের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সেলুন কর্মী বলেন, ‘প্রতিদিন দোকানে আসি লোকের চুল কাটি, দেড় ২‘শ টাকা পাই আর তাতেই চলে আমার কষ্টের সংসার। কিন্তু দোকান বন্ধ রয়েছে তাই আমার আয় ও বন্ধ। বাজার করবো কি দিয়ে খাবো কি কিছুই জানি না।
কপিলমুনি সেলুন ব্যাবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নীল কোমল বলেন, ‘করোনার কারণে দীর্ঘদিন আমাদের সমিতির ৪০ জন সদস্যের সকলেরই দোকান বন্ধ। এতো দিন ধার দিনা করে খেয়েছি, এখন আর কেউ ধার দিচ্ছে না, তাহলের আমাদের চলবে কিভাবে। উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর সাহায্যের জন্য একটা দরখাস্ত দিয়েছিলাম কিন্তু কোন সাহায্য আসেনি।
সমিতির সভাপতি তুষার কুমার বলেন, ‘আমাদের কেউ কেউ এলাকাভিত্তিক সামান্য কিছু সাহায্য পেলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় কম। আমরা দিন আনি দিন খাই। তাই বিপদে সদস্যদের বাঁচাতে এমপি মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

অসহায়দের পাশে থাকতে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান সংসদ সদস্য বাবু’র

খবর বিজ্ঞপ্তি

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে নির্বাচনী এলাকায় কর্মহীন-দরিদ্র পরিবার যাদের ঘরে হাঁড়ি জ্বলে না তাদের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণকালে খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু বলেছেন, আমি সুখের সময় না হলেও দুঃখের সময়ের মানুষ। তিনি সোমবার পাইকগাছা পৌরসভার সরল দীঘির পাড়ে এ্যাডঃ মুজিবর রহমান ও সহযােগী অধ্যাপক এসএম মোহাম্মদ উল্লাহসহ সরদার বাড়ির সহযােগিতায় ১৬৫ টি পরিবার ও সোলাদানা ইউপির আবু হোসেন কলেজ মাঠে দুইশ’ পরিবারের মাঝে দুঃস্থ কল্যাণ সংস্থার খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, দুঃখ আসবে, জরা আসবে, জীর্ণতা আসবে তখনই আমি আপনাদের মাঝে থাকবো। করােনা ভাইরাস মহামারির এই সময় ঝুঁকি নিয়ে আমি আপনাদের পাশে আছি। ধনী, দরিদ্র, রাজা – এই অদৃশ্য শক্তি কেউ কাহারো মানে না। করােনা বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী’র একার পক্ষে মোকাবেলা করা সম্ভব নয় বা এমপি, একজন মেয়র বা কোন পরিবারের পক্ষে প্রতিরােধ করা সম্ভব নয়। সকলে মিলে মােকাবলা করতে হবে। এজন্য তিনি বিত্তবান, দানশীল, সামাজিক, রাজনৈতিক ব্যক্তি যে যেখানে যে অবস্থানে আছেন সেখান থেকে যাদের ঘরে হাঁড়ি জ্বলে না সেই অভুক্ত পরিবারকে খুঁজে বের করে সাহায্যের আহবান জানিয়েছেন। মানবতার নেত্রী শেখ হাসিনা ৫ কােটি মানুষের জন্য রেশন কার্ড ও শিশুদের ২ হাজার টাকা দেবেন বলে ঘােষণা দিয়েছেন। এই উপকূলের মানুষের বাড়ি বাড়ি চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকারের কাছ থেকে দু’উপজেলা হাসপাতালে ২টা গাড়ীর ব্যবস্থা- করেছেন। পৃথক দুটি স্থানে খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনােয়ার ইকবাল মন্টু, জেলা পরিষদ সদস্য আ’লীগ নেতা আঃ মান্নান গাজী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরােজ বুলু, লিপিকা ঢালী, ইউপি চেয়ারম্যান কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন, আ’লীগ নেতা বিভূতী ভূষণ সানা, পঞ্চানন সানা, স্নেহেন্দু বিকাশ, তপন কুমার বাইন, কাউন্সিলর আঃ সালাম গাজী, এসএম শাহাবুদ্দীন শাহিন, এসএম লােকমান হকিম, ডাঃ আওরঙ্গজেব প্রিন্স, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সরকার আঃ মঈন, দীলিপ ঢালী, পরিতাষ মন্ডল, জেলা যুবলীগ নেতা শামিম সরকার, ইউপি সদস্য বিএম আরফিন, উপজেলা যুবলীগ নেতা এমএম আজিজুল হাকিম, আকরামুল ইসলাম, আঃ রউফ, দুঃস্থ কল্যান সংস্থার চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল, এসএম আঃ রব, মােল্লা আনিছ, হাবিবুর রহমান, কৃষক আব্দুর রহমান,জেলা ছাত্রলীগ নেতা শেখ মোঃ শাকিল, এস,এম, মেহেদী হাসান, পৌর ছাত্রলীগ নেতা রায়হান পারভজ রনি, এস এম সহিল উদ্দীন, সহ বিভিন শ্রেনী-পেশার মানুষ।

সাতক্ষীরায় ৩ হাজার ৫৬৬ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে, ২৯৯ জনের নমুনা সংগ্রহ: করোনায় আক্রান্ত ১

খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরায় বিদেশ ফেরত মোট ৩ হাজার ৫৬৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। ছাড় পত্র দেয়া হয়েছে আরো ৩ হাজার ৫৬৮ জনকে। এছাড়া মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের আসোলেশনে রয়েছে ৪ জন ও যুবউন্নয়নের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে আরো ৭ জন। এছাড়া, সাতক্ষীরা জেলা থেকে মোট ২৯৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর ও পিসিআরল্যাবে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে ১৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট ইতিমধ্যে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পৌঁছেছে। ১৫৩ টি রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে। অর্থাৎ সাতক্ষীরা জেলায় এখনও পর্যন্ত কেউ করোনায় আক্রান্ত হননি।
তবে, যশোরের শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোশিয়ান মাহমুদুর রহমান সুমন ভারত থেকে আসা পাসপোর্ট যাত্রীদের করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়ে সেখান থেকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে তিনি তার সাতক্ষীরা শহরের বাড়িতে রয়েছেন। ইতিমধ্যে বাবা, মা, স্ত্রী ও সন্তানসহ তার ১৬ জন নিকট আতœীয়ের নমুনা সংগ্রহ করে খুলনা পিসিআর ল্যাবে পাঠিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগ।

করোনা ভাইরাস রোধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধকল্পে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রকাশিত নীতিমালা অনুসরন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায়, সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে যশোর, রাজবাড়ী এবং গোপালগঞ্জ এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে মঙ্গলবার সেনাসদস্যদের নিজেদের সঞ্চয়কৃত রেশনের অংশ থেকে উপযুক্ত প্যাকেটের মাধ্যমে চাউল, ডাল, তৈল, চিনিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বিতরণ করেন। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে সেনাবাহিনীর সদস্যগণ এই সাহায্য বিতরণ করেন। তারা নিশ্চিত করছেন যে, প্রান্তিক অথবা যে কোন রকম সাহায্য প্রাপ্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্তি হয়নি এমন কেউ যেন বাদ না যায়। এলাকায় পেট্রোলকালীন তারা এই সব মানুষকে চিহ্নিত করে পরবর্তীতে রাতের আঁধারে তাদের বাড়ীতে এই খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন। এছাড়াও করোনা সংক্রমন বিস্তার ঠেঁকাতে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা প্রতিনিয়ত সামাজিক দূরত্ব ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মানুষের মাঝে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং লিফলেট বিতরণ, অসহায় ও হত দরিদ্রদের মাঝে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষুধ বিতরণ, বিনা প্রয়োজনে মানুষ যাতে যত্রতত্র ঘোরাফেরা না করতে পারে সে দিকে নজরদারি বৃদ্ধি, নিয়মিত বাজার মনিটারিং করার কাজে বেসামরিক প্রশাসনকে যথাসাধ্য সহযোগিতার পাশাপাশি প্রত্যন্ত গ্রাম-অঞ্চলের অসহায় কৃষকদের ক্ষেত থেকে সবজি ক্রয় করে চাষীদের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে দেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
“সমরে আমরা, শান্তিতে আমরা, সর্বত্র আমরা দেশের তরে ” এই মূলমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে জাতীয় যেকোন ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সদা সর্বত্র সহায়তা প্রদান করে আসছে এবং অদূর ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

বাগেরহাটের শেখ তন্ময় এমপি এবার চিকিৎসকদের সুরক্ষা দিতে ডক্টরস্ সেফটি চেম্বার চালু করলেন

মাসুম হাওলাদার, বাগেরহাট

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে এবার বাগেরহাট সদর হাসপাতালের চিকিৎসকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা দিতে চালু হল ডক্টরস্ সেফটি চেম্বার। বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময়ের ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই ডক্টরস্ সেফটি চেম্বার চালু করল স্বাস্থ্য বিভাগ। মঙ্গলবার বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ডক্টরস্ সেফটি চেম্বারের উদ্বোধন করেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ। হাসপাতালে ডক্টরস্ সেফটি চেম্বার চালু হওয়ায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের যে ঝুঁকি ছিল তা অনেকাংশে কাটবে এবং চিকিৎসকরা সাধারণ রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা দিতে আগ্রহী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এরআগে এই সংসদ সদস্য বাগেরহাট সদর ও কচুয়া উপজেলার সাধারণ মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগিতায় ‘ডাক্তারের কাছে রোগী নয়, রোগীর কাছে ডাক্তার’ এই স্লোগানে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম গঠন করেন।
এসময় বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়, সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির, বাগেরহাট পৌরসভার মেয়র খান হাবিবুর রহমান, বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. পুলক দেবনাথ, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. বেলফার হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজুল ইসলাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিজিয়া পারভীনসহ চিকিৎসা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। ‘ডক্টরস সেফটি চেম্বারের’ উদ্বোধন শেষে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আস্থা ফিরেয়ে আনতে ‘ডক্টরস সেফটি চেম্বার’ চালু একটি প্রভূত ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে করোনা ভাইরাসের প্রাদূর্ভাব মোকাবেলায় এই সেফটি চেম্বার অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জেলা যুবলীগ আহবায়ক সরদার নাসির উদ্দিন বলেন, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ তন্ময়ের অর্থায়নে হাসপাতালের চিকিৎসকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা দিতে চালু হল ডক্টরস্ সেফটি চেম্বার চালু করা হয়েছে। তিনি এরআগে বাগেরহাট সদর ও কচুয়া উপজেলার সাধারণ মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগিতায় ‘ডাক্তারের কাছে রোগী নয়, রোগীর কাছে ডাক্তার’ এই স্লোগানে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম গঠন করেন। তারই ধারাবাহিকতায় সারাদেশে চিকিৎসকরা যেভাবে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন সেই কথা মাথায় রেখে আমাদের এই সংসদ সদস্য চিকিৎসকদের সুরক্ষা দিতে ডক্টরস্ সেফটি চেম্বার চালু করলেন। করোনা পরিস্থিতিতে মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেয়ায় উপজেলাবাসীর পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, কচুয়া, চিতলমারী, ফকিরহাট ও মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ‘ডক্টরস সেফটি চেম্বার তৈরির কাজ চলছে। আগামী ২/১ দিনের মধ্যে এগুলোও চালু করছেন এই আমাদের এই সংসদ সদস্য। বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতের জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। এই পরিস্থিতির শুরুতে মাননীয় এমপি মহোদয়ের নির্দেশে আমরা ‘ডাক্তারের কাছে রোগী নয়, রোগীর কাছে ডাক্তার’ এই সেবা চালু করেছিলাম। যার ফলে হাসপাতালে রোগী কমলেও, সাধারণ রোগীরা চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন। হাসপাতালে চিকিৎসকদের সুরক্ষার জন্য এমপি মহোদয় ‘ডক্টরস সেফটি চেম্বার’ করে দিয়েছেন। এটি চিকিৎসকদের সুরক্ষায় ভূমিকা রাখবে।

মালিক সমিতি ও ইউনিয়নগুলোর গচ্ছিত অর্থে পরিবহন শ্রমিকদের সহায়তার দাবি:
ওএসএম চালের রেশনকার্ড বরাদ্দে জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ বিএনপির

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনার পরিবহন শ্রমিকরা গত একমাসে অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে। দীর্ঘ এক মাস পরিবহন বন্ধ থাকায় খুলনা মহানগর ও জেলায় ১০ থেকে ১২হাজার পরিবহন চালক-সুপারভাইজার হেলপার কলার ওয়ার্কশপ কর্মচারী শ্রমিকরা কঠিন সময় পার করছে। বেতন নেই, ত্রাণ নেই কোন খেয়ে না খেয়ে নিদারুন কষ্টে আছে পরিবহন শ্রমিকরা। পরিবহন শ্রমিকদের এই দুঃসময়ে শ্রমিক ইউনিয়ন মালিক সমিতি ও সরকারের কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে খুলনা মহানগর বিএনপি। প্রদত্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বছরের পর বছর সমিতি ও ইউনিয়নের নামে আদায়কৃত কোটি কোটি টাকার চাঁদা যদি দুঃসময়ে পরিবহন শ্রমিকদের কল্যাণে না লাগে তাহলে এসকল সমিতি ইউনিয়ন কাদের স্বার্থে? বর্তমান সরকারের ১১বছরে একাাধিক মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের দফায় দফায় চাঁদার হার বাড়ানো ও সরকারী দলের তোষামদিতে অর্থ ব্যয় এবং জৌলুসপুর্ণ জীবন-যাপনকারী নেতারা পরিবহন শ্রমিকদের কষ্টের সময় কেন এগিয়ে আসছে না।
বিএনপি নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে ইউনিয়নের ও সমিতির গচ্ছিত অর্থ দিয়ে দ্রুত শ্রমিকদের খেয়ে বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন এবং একই সাথে জেলা প্রশাসনকে মটর শ্রমিকদের জন্য পৃথক ১০টাকা কেজিধরে ওএসএম চালের রেশনকার্ড বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন। বিবৃতিদাতারা হলেন, বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম দাদুভাই, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, আব্দুল জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এ্যাড. ফজলে হালিম লিটন, স ম আব্দুর রহমান, মোঃ ইকবাল হোসেন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এসএম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।

করোনা উপসর্গ নিয়ে মোংলা বন্দরে আসা বিদেশী জাহাজের ৬ চীনা নাবিক সুস্থ্য, পণ্য খালাস কাজ শুরু

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

মোংলা বন্দরে ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা নিয়ে আসা এমভি ‘চ্যাং হ্যাং জিং হাই’ নামক চীনা পতাকাবাহী জাহাজের করোনা ভাইরাস উপসর্গ নিয়ে শারীরিক অসুস্থ্য ক্যাপ্টেনসহ ৬ চীনা নাবিক অবশেষে সুস্থ্য হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সদস্যরা তাদের পুনরায় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ছাড়পত্র প্রদাণ করে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাহাজটি মোংলা বন্দরে ভিড়ার পর ওই জাহাজের ক্যাপ্টেনসহ ৬ চীনা নাগরিকের শরীরে করোনা উপসর্গ পরিলক্ষিত হওয়ায় তাদেরকে ওই জাহাজের মধ্যেই আইসোলেশনে রাখা হয়। এদিকে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর থেকেই জাহাজটি থেকে পণ্য (কয়লা) খালাসের জন্য শ্রমিক কর্মচারীদের পাঠিয়েছে পণ্য খালাসকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স গ্রীণ এন্টারপ্রাইজ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মোংলা পোর্ট হেলথ অফিসার ডাঃ সুফিয়া খাতুন জানান, বিদেশী ওই ৬ জন নাবিকের শরীরে স্বাভাবিকের চাইতে জ্বরের মাত্রা বেশি পাওয়ায় তাদেরকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছিল। মঙ্গলবার সকালে পুনরায় জাহাজের ওই নাবিকদের শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। এতে তাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে ছাড়পত্র প্রদাণ করা হয়।
মোংলা বন্দরে আসা বিদেশী ওই জাহাজটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট মাহমুদুল হক রাজু জানান, ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা বোঝাই করে গত ১ এপ্রিল ‘মের্সাস চ্যাং হ্যাং জিং হাই’ জাহাজটি চট্রগ্রাম বন্দরে এসে ৩০ হাজার মেঃ টন কয়লা খালাস করে। এরপর বাকি কয়লা খালাসের জন্য মোংলা বন্দরে আসে। চট্রগ্রাম বন্দরে অবস্থানকালে এসব নাবিক ওই জাহাজের মধ্যেই কোয়ারেন্টিনে ছিলেন।
এর আগে গত মার্চ মাসের প্রথম সপ্তায় ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা বোঝাই করে মোংলা বন্দরে খালাসের উদ্দেশ্যে আসা অপর একটি জাহাজের তিন বিদেশী নাবিকের শরীরে করোনা উপসর্গ দেখা দেয়। পরবর্তিতে তাদের আইসোলেশনে রাখা হলে তারা ধীরে ধীরে সুস্থ্য হন।

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণতহবিলে ১৫ লাখ টাকা দিচ্ছে খুবি

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনা ভাইরাসের বর্তমান মহামারী পরিস্থিতিতে দেশের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানবিক আবেদনে সাড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণতহবিলে ১৫ লাখ টাকা দিচ্ছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার(ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তদের ১ দিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মিলিয়ে যৌথ মোট ১৫ লাখ টাকা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণতহবিলে প্রদানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত আজ ২৮ এপ্রিল এক পত্রের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) কে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিহারী ক্যাম্পের কর্মহীনদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে সিটি মেয়র:
করোনা মোকাবেলায় সক্ষম ব্যক্তিদেরও এগিয়ে আসতে হবে

তথ্য বিবরণী

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় মঙ্গলবার সকালে খুলনার খালিশপুর ১২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিস চত্বরে খালিশপুরের বিহারী ক্যাম্পের প্রায় এক হাজার কর্মহীদের মাঝে আট কেজি করে চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মোঃ কামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। খাদ্যসামগ্রী বিতরণের সুষ্ঠু পরিবেশ দেখে সচিব সন্তোষ প্রকাশ করেন। খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে সিটি মেয়র বলেন, কারোনভাইরাস সহনীয় পর্যায়ে না আসা পর্যন্ত সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত থাকবে। দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। তিনি করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি সক্ষম ব্যক্তিদেরও এগিয়ে আসার আহবান জানান। খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মোঃ আরিফুল ইসলাম, ১২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ মনিরুজ্জামান, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পারভীন আক্তার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
খুলনা সিটি মেয়র একই স্থানে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘বেসরকারি মানবিক সহায়তা সেল’-এর আওতায় বিহারী ক্যাম্পের প্রায় এক হাজার কর্মহীন মানুষের মাঝে শাক, লাউ, করল্লা ও ঢেঁড়শসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

চিকিৎসাসেবাকর্মীদের সবার আগে সুরক্ষিত রাখতে হবে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব

তথ্য বিবরণী

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় চিকিৎসাসেবায় জড়িত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সবার আগে সুরক্ষিত রাখতে হবে। চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিতরা যেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত না হন সেদিকে সর্বাগ্রে নজর দিতে হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মোঃ কামাল হোসেন মঙ্গলবার সকালে খুলনা সার্কিট হাউজে কোভিড-১৯ মোকাবেলায় খুলনা জেলা কমিটির সদস্য ও গণ্যমান্যদের সাথে মতবিনিময়কালে একথা বলেন। তিনি করোনাভাইরাস মোকাবেলায় খুলনা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবও। সচিব আরও বলেন, বিশ^জুড়ে এই ক্রান্তিকালে বেতার-টিভি খুললেই শুধু ভীতিকর খবর শোনা যায়। এসকল খবর শুনে ও দেখে জনসাধারণ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। এ ধরণের খবর পরিহার করে জনমনে সাহস যোগানোর মতো সংবাদ প্রচার হলে জনগণ আশ^স্ত হবে এবং তা দেখে অন্যরাও অনুকরণ করবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোঃ কামাল হোসেন খুলনা জেলার ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনাসহ করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গৃহিত পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আমাদেরকে ভবিষ্যতের কথা ভেবে এখনই পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। এর ফলে যে কোন কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করা সহজ হবে। রোজা এবং ঈদকে সামনে রেখে কিছু অর্থনৈতিক কর্মকান্ডকে সচল করতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, স্বাস্থ্যবিধিগুলো অনুসরণ করা এবং কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থাকে জোরদার করতে পারলে করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। সভায় জানানো হয়, খুলনা জেলায় এ পর্যন্ত নয় জন কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে একজন মারা গেছেন এবং আট জনের অবস্থা সন্তোষজনক। খুলনায় আক্রান্ত সকলেই বাইরে থেকে আগত। খুলনায় প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। খুলনায় ডায়বেটিক হাসপাতালটিকে কোভিড-১৯ চিকিৎসায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এখানে ১০টি বেড আইসিইউসহ ভেন্টিলেটার সুবিধা রয়েছে। চিকিৎসকদের জন্য যথেষ্ট পরিমান ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী মজুদ আছে। সভায় আরও জানানো হয়, খুলনা জেলায় দুই লাখ ৮০ হাজার মানুষের (৭০ হাজার পরিবার) মধ্যে ৮৮ লাখ ৮ হাজার জিআর নগদ অর্থ বিরতণ করা হয়েছে। এছাড়া পাঁচ লাখ ৩৬ হাজার ৮০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠুভাবে ত্রাণ বিতরণের লক্ষ্যে তালিকা তৈরিতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘বেসরকারি মানবিক সহায়তা সেল’ নামে একটি অ্যাপ চালু করা হয়েছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে এখানে ত্রাণের জন্য আবেদন করা যাবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বিভাগীয় কমিশনার ড. মু: আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, পুলিশ কমিশনার খন্দকার লুৎফুল কবির, খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ, সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি লে. কর্নেল মির্জা, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবাল, প্রেসকাবের সভাপতি এসএম নজরুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানাসহ কমিটির সদস্যরা

ফকিরহাটে দেশী মুরগীর র্ফামে মড়ক ৫লক্ষাথিক টাকার ক্ষতি

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাটে অজ্ঞাত রোধে আক্রান্ত হয়ে একটি দেশী মুরগীর ফার্মের ১২শত মুরগী মারা গেছে। এতে র্ফাম মালিকের প্রায় ৫লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। এই ক্ষতিতে তিনি এখন পথে বসার উপক্রম হয়েছে। ঘটনাটি লখপুর ইউনিয়নের জাড়িয়া মাইট কুমরা গ্রামের নিজাম উদ্দিন শেখ এর ফার্মে। উক্ত গ্রামের মোঃ ইদ্রিস আলী শেখ এর পুত্র নিজাম উদ্দিন শেখ জানান, তিনি দীর্ঘকাল ধরে নিজ বাড়িতে বিভিন্ন প্রজাতির দেশী মুরগীর (রাজা হাঁস পাতি হাঁস তিত পাখি ও কবুতর) ফার্ম করে তা চাষ করে আসছিলেন। স্বল্প পুজিতে অধিক উপার্জনও করছিলেন তিনি। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার হঠাৎ করে মুরগীর ফার্মে মড়ক লাগতে শুরু করে। প্রতি রাতে ৫০/১শত করে মরতে মরতে এখন ফার্মে মুরগীর শুন্য হয়ে পড়ে। সোমবার রাতে ফার্মের জিবিত সকল মুরগী মারা যাওয়ায় তিনি এখন পথের ফকিরে পরিনত হয়েছে। বিভিন্ন জনের কাজ থেকে ধারদেনা করে তিনি দেশী মুরগীর ফার্ম করে ছিলেন। সেই ফার্মে অজ্ঞাত রোধে আক্রান্ত হয়ে প্রায় ১২শত মুরগী মারা যাওয়ায় প্রায় ৫লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।

নগরীতে ৩১নং ওয়ার্ড যুবদলের খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে মঞ্জু: ভেঙ্গে পড়া অর্থনীতি কবে উঠে দাঁড়াবে, তার কোন নিশ্চয়তা নেই

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশের মতো একটি দেশের উন্নয়ন প্রয়াসের সবচেয়ে বড় লড়াইটা হলো দরিদ্র দুরিকরণ। বহু মানুষকে দরিদ্রসীমার নিচ থেকে বের করে আনা সম্ভব হলেও ছোট আয়তনের বেশি মানুষের দেশে অনেক মানুষ এখনও দরিদ্রসীমার নিচে বসবাস করছে। করোনাকালে তাদের হাহাকার আমরা শুনেছি। নানা ব্যাক্তি ও সংগঠন চেষ্টা করছে অনাহারে থাকা হতদরিদ্র মানুষকে যতটা পারে খাদ্রসামগ্রী পৌছে দিতে। কিন্তু এসমাজে এমন কোটি কোটি পরিবার আছে যারা হাত পেতে সাহায্য নেবে না, বাইরে বের হয়ে এসে ভিক্ষা নেবে না। এরা আছে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায়। এদের খুব বেশি সচ্ছলতা ছিল, সেটা হয়তো নয়। কিন্তু নিত্যদিনের অভাব ছিল না। ভেঙ্গে পড়া অর্থনীতি কবে উঠে দাঁড়াবে, তার কোন নিশ্চয়তা নেই। এর মধ্যে এসব নি¤œ মধ্যবিত্তরা পড়েছে সবচেয়ে বিপদে। দু’বেলা দু’মুঠো অন্ন কিভাবে মুখে উঠবে সে চিন্তায় তাদের রাতের ঘুম উঠে গেছে। এ রকম একটা কঠিন বাস্তব পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমরা চলছি। যেখানে জনজীবন কবে স্বাভাবিক হবে সেটা কারো জানা নেই। একদিন স্বাভাবিক হয়ে আসবে জীবনযাত্রা। কিন্তু ততদিন পর্যন্ত এই অজানা-অদেখা শত্রুর বিরুদ্ধে মানুষের কঠিন লড়াইটা চলবে। এই সময় বেঁচে থাকার, রোগমুক্ত থাকার লড়াইটা নিঃসন্দেহে কঠিন। তাই করোনা সংক্রমন রুখতে মানিয়ে নিতে হবে স্বাস্থ্যবিধির সাথে। সামাজিক ও শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখতে যে শিক্ষার কথা আমরা জেনেছি তা বজায় রাখতে সবার প্রতি আহবান জানান তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার সদর থানার ৩১নং ওয়ার্ড যুবদলের উদ্যোগে ও যুবনেতা সাখাওয়াত হোসেনের সহায়তায় শিপইয়ার্ড গেট সংলগ্ন ইমাম হাসান-হোসেন জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের কারণে গৃহবন্ধি অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে সাবেক সংসদ সদস্য ও নগর বিএনপি’র সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জালু মিয়া, ইউসুফ হারুন মজনু, আফসার উদ্দিন মাস্টার, আসলাম হোসেন, মনিরুল ইকবাল কিরণ, নাজমুল হাসান নাছিম, সাখাওয়াত হোসেন, কামরুজ্জামান টুকু, ইয়াকুব পাটোয়ারী, মাসুদ রুমী, সায়েম, রেজাউল করিম, আব্দুর রহিম, গোলজার, ইদ্রিস আলি, হায়দার আলি প্রমুখ।

খুলনায় করোনাভাইরাস : নার্স-পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ আক্রান্ত ৩

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের ল্যাবে আরও তিনজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। আক্রান্তরা হলেন খুমেকের নার্স, রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নারী পরিচ্ছন্নতাকর্মী (২৯) ও নৈশপ্রহরী (৩৩)। এ নিয়ে খুলনায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১২ জনে দাঁড়াল। এদের মধ্যে একজন সুস্থ হয়েছেন এবং একজন মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের চিকিৎসক সুজ্জাত আহমেদ। তিনি বলেন, মঙ্গলবার খুমেকের ল্যাবে ৬৮টি নমুনার পরীক্ষা করা হয়। এতে তিনজনের পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। তারা তিনজনই করোনায় আক্রান্ত রোগীদের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। রূপসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাসরিন আক্তার বলেন, রূপসা হাসপাতালের দুই কর্মীর করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাই হাসপাতালের ৪র্থ শ্রেণির কোয়ার্টার (২) লকডাউন করা হয়েছে। সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

গার্মেন্টস শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত, নিরাপত্তার দাবিতে সহকর্মীদের বিক্ষোভ

যশোর প্রতিনিধি

যশোরের চৌগাছার ডিভাইন গার্মেন্টসে শ্রমিক বিক্ষোভ হয়েছে। কর্মীদের দাবি, পূর্ণ নিরাপত্তা না দিলে তারা কাজ করবেন না। একইসঙ্গে মহামারির সময়ে কাজ না করার কারণে যেন চাকরিচ্যুত না হন সে দাবিও তুলেছেন শ্রমিকরা। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুল ইসলামের অনুরোধে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী মাসুদ চৌধুরী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা শান্ত হয়। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) গার্মেন্টটির একজন নারী শ্রমিক করোনা পজিটিভ হন। এরপর ডিভাইন গ্রুপের চৌগাছা ফ্যাশনের কর্মীরা প্রথম শিফটের কাজ শেষে এই বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। সূত্র জানায়, উপজেলার চৌগাছা সদর ইউনিয়নে ডিভাইন গ্রুপের ডিভাইন গার্মেন্টস ও চৌগাছা ফ্যাশন নামে দুটি ফ্যাক্টরি রয়েছে। দুটি ফ্যাক্টরিতে চৌগাছাসহ আশপাশের কয়েকটি উপজেলার প্রায় ২ হাজার কর্মী কাজ করে। দেশের অন্যান্য স্থানের মতো চৌগাছার ফ্যাক্টরি দুটিও চালু করে গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ। অথচ করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ায় ২৩ এপ্রিল থেকে গোটা চৌগাছা উপজেলা লকডাউনে রয়েছে।
সূত্রমতে, রবিবার গার্মেন্টস দুটি খুলে দেওয়ার পর প্রথমদিনেই কর্মীদের প্রবেশ পথে স্ক্যানিং করানো হয়। এসময় চৌগাছা ফ্যাশনের একজন নারী ও একজন পুরুষ কর্মীর শরীরে তাপমাত্রা বেশি পাওয়া যায়। ওই নারী কর্মীর কাশি থাকায় তাদের গার্মেন্টসে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ওই নারী কর্মী চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে চিকিৎসকরা তার নমুনা নিয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে পাঠান। সেখানে সোমবার পরীক্ষায় ওই নারী কর্মীর করোনা পজিটিভ হয়। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ওই নারীর করোনা পজিটিভের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। একইসঙ্গে গার্মেন্টস লকডাউন করতে হবে বলেও মতামত দেন। রিপোর্ট আসার আগেই সকালে গার্মেন্টস কর্মীরা ফ্যাক্টরিতে প্রবেশ করায় প্রথম শিফটের কাজ শেষে দুপুরে বাইরে বেরিয়ে বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর তারা কাজ করতে হলে পূর্ণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। না হলে কাজ করবেন না বলে চৌগাছা ফ্যাশনের সামনে বিক্ষোভ করতে থাকেন।

সংবাদ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুল ইসলাম চৌগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফুলসারা ইউপি চেয়ারম্যান মেহেদী মাসুদ চৌধুরীকে বিষয়টি দেখতে অনুরোধ করেন। গার্মেন্টস কর্মীরা কাজ করতে হলে তাদের পূর্ণ নিরাপত্তার ব্যবস্থার দাবি করেন। অন্যথায়, তারা কাজ করবেন না বলে জানান। একইসঙ্গে মহামারির সময়ে তাদের চাকরিচ্যুত যেন না করা হয়, সে দাবিও উত্থাপন করেন। মাসুদ চৌধুরী গার্মেন্টস মালিক হাসানুজ্জামান রাহিনের সঙ্গে কথা বলে তাদের জন্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী মাসুদ চৌধুরী বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অনুরোধে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। শ্রমিকদের আশ্বাস দিয়ে এসেছি। তবে, মালিক হাসানুজ্জামান রাহিনের মোবাইল নম্বর না থাকায় তার সঙ্গে কথা বলতে পারিনি। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানিয়েছি। তিনি পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।
ডিভাইনের চৌগাছা অঞ্চল ম্যানেজার হাদিউজ্জামান সাগর বলেন, করোনা আক্রান্ত কর্মীর সংস্পর্শে যারা এসেছিল তাদের ছুটি দেওয়া হয়েছে। তবুও কিছু শ্রমিক বিশৃঙ্খলা করছিল। চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষকে তাদের ফ্যাক্টরি বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এরপরও গার্মেন্টস চালু রাখা হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এক টাকায় ইফতার

মাগুরা প্রতিনিধি

কোভিড ১৯ (করোনা) যোদ্ধা নামে একটি ফেসবুক গ্রুপের পক্ষ থেকে মাগুরায় কর্মহীন মানুষকে এক টাকার বিনিময়ে ইফতার প্রদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। মাগুরা শহরের সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের সামনে একশ’ জনের হাতে এই ইফতার তুলে দেওয়া হয়। ইফতারে মুরগির মাংসসহ খিচুড়ি, খেজুর ও শশা দেওয়া হয়েছে। এই গ্রুপের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ হাসান শাকিল বলেন, ‘দিনমজুর লোকের কথা ভেবেই আমাদের এই আয়োজন। আগামীতেও রোজার প্রতিদিন শহরের বিভিন্ন স্থানে আমাদের এই কার্যক্রমে অব্যাহত থাকবে।’
সমন্বয়কদের মধ্যে তারিক আব্দুল্লাহ, মীর মেহেদী হাসান রুবেল, হ্যাপি খান, নাজির আহম্মেদ, রাজীব শিকদার, কাজী আশিক রহমান শশী, তামান্না ফেরদৌস, কাজী ফারজানা রহমান ও আসিফ রেজা নয়ন উপস্থিত ছিলেন।

নিখোঁজের ৩ দিন পর কিশোরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলের লোহাগড়ায় নিখোঁজের তিনদিন পর মুজাহিদ হোসেন (১৬) নামে এক কিশোরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের নওখোলা গ্রামের ধানক্ষেত থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ জানায়, নওখোলা গ্রামের বকুল শেখের ছেলে মুজাহিদ গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিখোঁজ হয়। তাকে খুঁজে না পেয়ে সোমবার বকুল শেখ লোহাগড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন। মঙ্গলবার দুপুরে এলাকাবাসী নওখোলার মাঠে ধানক্ষেতের মধ্যে একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মুজাহিদের অর্ধগলিত লাশটি উদ্ধার করে। লোহাগড়া থানার ওসি আর জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নওখোলা গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে এরশাদকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মাথায় ও হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ হত্যাকা-ের প্রকৃত রহস্য দ্রুত উদঘাটন হবে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে ওসি জানান।

খুলনা অঞ্চলে প্রথম ৩৬ দিনে করোনা শনাক্ত ৫০, গত ৩ দিনেই আরও ৫০

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এনিয়ে বিভাগে করোনা পজিটিভের সংখ্যা ১১২ জন। এছাড়াও মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। জানা যায়, ১০ মার্চ থেকে করোনার হিসাব শুরু হয় খুলনা বিভাগে। চুয়াডাঙ্গায় আসা ইতালী প্রবাসী প্রথম করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয় ১৯ মার্চ। তারপর দ্বিতীয় করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয় ১৩ এপ্রিল খুলনার এক তাবলিগ ফেরত ব্যক্তি। আর ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৫১ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। প্রথম ৫০ হতে সময় লাগে ৩৬ দিন। আর গত দিন দিনেই শনাক্ত হলো আরও ৫০ জন। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক রাশিদা সুলতানা জানান, ১০ মার্চ থেকে খুলনায় করোনার হিসাব শুরু হয়। ৭ এপ্রিল থেকে শুরু হয় পরীক্ষা। ২৫ এপ্রিলের রিপোর্টে বিভাগে মোট পজিটিভ ছিল ৫১ জন। আর ২৮ এপ্রিলের রিপোর্টে পজিটিভ হলো মোট ১১২ জন।
তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) বিভাগে ১৮ জন নতুন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে যশোরে ১০ জন ও ঝিনাইদহে ৮ জন। এই ২৪ ঘণ্টায় ৩২৬ জনকে কোয়ারেন্টিনে নেওয়া হয়েছে। আর ৪৩৪ জনকে কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ৬৪ জনকে। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে ৯ জনকে। তিনি আরও জানান, গত ১০ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত খুলনা বিভাগে মোট ১১২ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত ও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৪৪ জন করোনা পজিটিভ নিয়ে বিভাগের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে যশোর জেলা। ২১ জন পজিটিভ নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ঝিনাইদহ জেলা। এছাড়া নড়াইল জেলায় ১৩ জন, কুষ্টিয়া জেলায় ১১ জন, খুলনা জেলায় ৯ জন করোনা পজিটিভ ও একজন মৃত, চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৭ জন পজিটিভ, মাগুরা জেলায় ৪ জন পজিটিভ, মেহেরপুর জেলায় ২ জন পজিটিভ ও একজন মৃত্যু এবং বাগেরহাট জেলায় একজন পজিটিভ রয়েছেন।
এছাড়া বিভাগে মোট ২৫০৬২ জনকে কোয়ারেন্টিনে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৫৯২ জন রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে। আর ২০০১৭ জনকে কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আর আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ২৭৮ জনকে। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে ১৬০ জনকে।

নগরীতে ১৩জনকে হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করেছে পুলিশ

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা মহানগর পুলিশ গেল ২৪ ঘন্টায় বিভিন্ন এলাকা থেকে খুলনা মহানগরীতে আগত ১৩ জন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে তাদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
কেএমপির মুখপাত্র উপ পুলিশ কমিশনার শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু জানান, বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ব্যক্তিদের মধ্যে খুলনা থানা- ০৩ ( ঢাকা-০১, পিরোজপুর-০১, খুলনা জেলা-০১) সোনাডাঙ্গা থানা-০৩(নোয়াখালী-০২, পিরোজপুর-০১), লবনচরা থানাঃ ০৪( রংপুর-০১, ময়মনসিংহ-০৩), দৌলতপুর থানা-০২ (ঢাকা-০২, আড়ংঘাটা থানাঃ ০১ ( গাজীপুর -০১) মোট- ১৩ জন।