স্টাফ রিপোর্টার:
বাংলাদেশের মতো একটি দেশের উন্নয়ন প্রয়াসের সবচেয়ে বড় লড়াইটা হলো দরিদ্র দুরিকরণ। বহু মানুষকে দরিদ্রসীমার নিচ থেকে বের করে আনা সম্ভব হলেও ছোট আয়তনের বেশি মানুষের দেশে অনেক মানুষ এখনও দরিদ্রসীমার নিচে বসবাস করছে। করোনাকালে তাদের হাহাকার আমরা শুনেছি। নানা ব্যাক্তি ও সংগঠন চেষ্টা করছে অনাহারে থাকা হতদরিদ্র মানুষকে যতটা পারে খাদ্রসামগ্রী পৌছে দিতে। কিন্তু এসমাজে এমন কোটি কোটি পরিবার আছে যারা হাত পেতে সাহায্য নেবে না, বাইরে বের হয়ে এসে ভিক্ষা নেবে না। এরা আছে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায়। এদের খুব বেশি সচ্ছলতা ছিল, সেটা হয়তো নয়। কিন্তু নিত্যদিনের অভাব ছিল না। ভেঙ্গে পড়া অর্থনীতি করে উঠে দাঁড়াবে, তার কোন নিশ্চয়তা নেই। এর মধ্যে এসব নি¤œ মধ্যবিত্তরা পড়েছে সবচেয়ে বিপদে। দু’বেলা দু’মুঠো অন্ন কিভাবে মুখে উঠবে সে চিন্তায় তাদের রাতের ঘুম উঠে গেছে। এ রকম একটা কঠিন বাস্তব পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমরা চলছি। যেখানে জনজীবন কবে স্বাভাবিক হবে সেটা কারো জানা নেই। একদিন স্বাভাবিক হয়ে আসবে জীবনযাত্রা। কিন্তু ততদিন পর্যন্ত এই অজানা-অদেখা শত্রুর বিরুদ্ধে মানুষের কঠিন লড়াইটা চলবে। এই সময় বেঁচে থাকার, রোগমুক্ত থাকার লড়াইটা নিঃসন্দেহে কঠিন। তাই করোনা সংক্রমন রুখতে মানিয়ে নিতে হবে স্বাস্থ্যবিধির সাথে। সামাজিক ও শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখতে যে শিক্ষার কথা আমরা জেনেছি তা বজায় রাখতে সবার প্রতি আহবান জানান তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার সদর থানার ৩১নং ওয়ার্ড যুবদলের উদ্যোগে ও যুবনেতা সাখাওয়াত হোসেনের সহায়তায় শিপইয়ার্ড গেট সংলগ্ন ইমাম হাসান-হোসেন জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের কারণে গৃহবন্ধি অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে সাবেক সংসদ সদস্য ও নগর বিএনপি’র সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জালু মিয়া, ইউসুফ হারুন মজনু, আফসার উদ্দিন মাস্টার, আসলাম হোসেন, মনিরুল ইকবাল কিরণ, নাজমুল হাসান নাছিম, সাখাওয়াত হোসেন, কামরুজ্জামান টুকু, ইয়াকুব পাটোয়ারী, মাসুদ রুমী, সায়েম, রেজাউল করিম, আব্দুর রহিম, গোলজার, ইদ্রিস আলি, হায়দার আলি প্রমুখ।











































