।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খুলনা মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে খুলনার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে। খুলনার মানুষ আজ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। শাসকদলের ছত্রছায়ায় খুলনার পাড়া-মহল্লায় অপরাধীরা সংগঠিত হচ্ছে। উঠতি বয়সী কিশোর-যুবকরা গ্রুপ তৈরি করে ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, হত্যাকান্ডের মতো ঘটনায় জড়িয়ে পড়ছে।
শনিবার (০২ জুলাই) প্রদত্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, গত ৩০ জুন দুপুরে নগরীর দৌলতপুরে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্র তাহমিদুন্নবীকে কুপিয়ে জখম করে সন্ত্রাসীরা রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাহমিদের মৃত্যু হয়। এর আগে ২৯ জুন রাতে মুজগুন্নি বাসস্ট্যান্ডে চরমপন্থি সদস্য ও একাধিক হত্যা মামলার আসামি জুলকার নাঈম মুন্না ওরফে মারজানকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকান্ডের ক্লু চারদিনেও খুঁজে পায়নি পুলিশ। এ সকল ঘটনা থেকে প্রমাণিত হয় দেশে আইন-শৃঙ্খলা বলতে কিছু নেই।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ পুলিশ কর্মকর্তারা ধারাবাহিক এসব ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়ে শুধুমাত্র বিরোধী দলের রাজনীতিতে বাধা না দিয়ে অপরাধ দমনে এলাকাভিত্তিক মাদক ব্যবসায়ী সন্ত্রাসীদের তালিকা করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। বিবৃতিদাতারা হলেন, মহানগর বিএনপির আহবায়ক শফিকুল আলম মনা, সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো: তারিকুল ইসলাম জহির, যুগ্ম আহবায়ক কাজী মো: রাশেদ, স ম আব্দুর রহমান, সৈয়দা রেহানা ঈসা, এ্যাড. নুরুল হাসান রুবা, কাজী মাহমুদ আলী, আজিজুল হাসান দুলু, শের আলম সান্টু, আবুল কালাম জিয়া, বদরুল আনাম খান, মাহবুব হাসান পিয়ারু, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, একরামুল হক হেলাল, শেখ সাদী, মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ প্রমুখ।










































