Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

9

রামপালে র‌্যাবের অভিযানে পাইপগান ও গুলিসহ গ্রেফতার ১

স্টাফ রিপোর্টার

বাগেরহাট জেলার রামপাল থানার বাগা গ্রামে অভিযান চালিয়ে একটি  পাইপগান ও ৩ রাউন্ড শটগানের তাঁজা কার্তুজসহ এক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে করেছে র‌্যাব-৬। সোমবার রাত সোয়া ১১টার দিকে  গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার অস্ত্রধারী হলেন বাগেরহাট জেলা সদরের ভট্টে বালিয়াঘাটা গ্রামের আব্দুর রশিদ শেখের ছেলে মো. মাসুদ শেখ (২৩)। 

র‌্যাব-৬ জানায়, সোমবার রাত সোয়া ১১টার দিকে বাগেরহাট জেলার রামপাল থানার বাগা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় বাগা বাজার পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের সামনে থেকে একটি  পাইপগান ও ৩ রাউন্ড শটগানের তাঁজা কার্তুজসহ গ্রেফতার করা হয়। সে দীর্ঘদিন যাবত গোপনে অবৈধ অস্ত্র গোলাবারুদ নিজ দখলে রেখে বিভিন্ন অবৈধ কাজ করে আসছে। তার বিরুদ্ধে রামপাল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

নগরীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রফিক খানের ত্রান বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার

১৭নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক মো. রফিক খান অসহায়দের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও সাবান বিতরণ করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে তিনি এ ত্রানসামগ্রী বিতরণ করেন। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ মোশাররফ হোসেন ও সহ-সভাপতি এম এ নাছিম, ১৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ খান, মহানগর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মনিরুজ্জামান সাগর, সোনাডাঙ্গা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল ইসলাম, সাগর, সুজন, মো. হানিফ, আলাল, তাপু, নাসরিন, কারি কামরুল ইসলাম, মো. বাবু প্রমুখ।

নরসিংদী থেকে সাতক্ষীরায় আসা ১৭০ জন ইটভাটা শ্রমিককে পাঠানো হয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

নরসিংদীর ইটভাটায় কর্মরত ১৭০ জন শ্রমিক ট্রাক যোগে সাতক্ষীরার আসার সময় করোনা আক্রান্ত সন্দেহে তাদেরকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে সাতক্ষীরা শহরের সদর হাসপাতাল মোড় থেকে ৬টি ট্রাকে থাকা ১৭০ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের সবাইকে শ্যামনগরের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। তাদের সবারই বাড়ি জেলার শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে।

জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে নারায়নগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও নরসিংদিসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গত এক সপ্তাহে সাতক্ষীরায় জেলায় প্রায় ১২ হাজারের মত মানুষ প্রবেশ করেছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ১৪৭ জন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে ও বাকীরা হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে।

জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামাল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ১৭০ জন ইটভাটা শ্রমিককে শ্যামনগরের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে শ্যামনগরের ইউএনও কে যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

সাতক্ষীরায় জ্বর ও শ্বাস কষ্টসহ করোনার উপসর্গ নিয়ে দুই জনের মৃত্যু, জেলাব্যাপী আতংক

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় জ্বর ও শ্বাস কষ্টসহ করোনার উপসর্গ নিয়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা পশ্চিম পাড়ায় আব্দুর রহিম নামের এক নৈশ প্রহরী ও আশাশুনির কাকবাশিয়া গ্রামের রেজাউল করিম নামের এক কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। তাদের দুই জনেরই নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআরের কাছে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগ। এদিকে, জেলায় একদিনে দুই জনের মৃত্যুর ঘটনায় জেলা ব্যাপী আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।

মৃত নৈশ প্রহরী আব্দুর রহিম তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা পশ্চিম পাড়ার ওমর আলী গাজীর ছেলে ও কলেজ শিক্ষক রেজাউল করিম আশাশুনির কাকবাশিয়া গ্রামের মৃত ফজর আলী গাজীর ছেলে।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ হুসাইন শওকত বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, করোনা ভাইরাস পরীক্ষার জন্য তাদের দু জনেরই নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআরের কাছে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

আশাশুনি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা জানান, স্বাস্থ্যকর্মীদের নির্দেশনা ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তত্বাবধানে জানাযা শেষে কলেজ শিক্ষক রেজাউল করিমের মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। তিনি আরো জানান, ওই কলেজ শিক্ষকের বাড়িটি বর্তমানে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। তালা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন জানান, আপাতত ওই নৈশ প্রহরীর বাড়ির সবাই হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকবে। স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে জনউদ্যোগ খুলনার নেতৃবৃন্দ

দেশের এই সংকটময় মুহুর্তে অধিক মুনাফাকারিদের বিরুদ্ধে নিতে হবে আইনগত ব্যবস্থা

খবর বিজ্ঞপ্তি

নভেল করোনা ভাইরাসে তিন সপ্তাহ বেশি লকডাউনে মানবেতর জীবন-যাপন করছে কর্মহীন , শ্রমজীবীসহ সকল বেসরকারি কর্মচারীরা । অবিলম্বে শ্রমিক কর্মচারিদের  পাওনা মিটিয়ে দেবার দাবি জানিয়েছে জনউদ্যোগ , খুলনা ও নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন , করোনাভাইরাসে মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে, জীবন-জীবিকা থমকে গেছে। ত্রাণের অপেক্ষায় মানুষ । সীমিত ত্রান বন্টন ও একই ব্যক্তি একাধিক তালিকায়। ১০ টাকায় ওএমএস চাল বিক্রির কার্ড তৈরীতে দীর্ঘ কালক্ষেপন। পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতিরোধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে নিতে হবে নানা উদ্যোগ। দেশের এই সংকটময় মুহুর্তে অধিক মুনাফাকারিদের বিরুদ্ধে নিতে হবে আইনগত ব্যবস্থা। নগরীতে মশা নিধনের জন্য সিটি কর্পোরেশনের নিতে হবে কার্যকারি পদক্ষেপ।

মঙ্গলবার  বেলা ১১টায় জনউদ্যোগ, খুলনা ও নাগরিক সমাজের উদ্যোগে  নগরীতে  কর্মহীন শ্রমজীবী মানুষের জন্য খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়। এ সময় করোনা প্রতিরোধে আমাদের করণীয় নিয়ে কর্মহীন করার কারণ নিয়ে আলোচনা করেন বিএমএ এর সভাপতি ডা: বাহারুল আলম। এ্যাড: শামীমা সুলতানা শীল সঞ্চালনায় অন্যনান্যদের মধ্যে  বক্তব্য রাখেন ,এ্যাড: আ ফ ম মহসীন ,  নরেশ দেবনাথ , আব্দুল হালিম, চিশতি মুস্তারি বানু, এ্যাড: আ ফ ম মুস্তাকুজ্জামান মুক্তা প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জনউদ্যোগ,খুলনার সদস্য সচিব মহেন্দ্রনাথ সেন। বক্তারা ইজিবাইক ও রিকশা চালক, ফুটপাত হকার, দিনমজুর, হ্যান্ডলিং শ্রমিকদের আলাদা আলাদাভাবে তালিকা করে ত্রাণ বন্টন করার জোর দাবি জানিয়েছেন  এবং সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সকল বেসরকারি উদ্যোগে নিরন্ন মানুষের পাশে থেকে সকলকে খাদ্য সামগ্রি বিতরণের আহ্বান জানানো হয়।

রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতিরোধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণে নগর বিএনপির চার প্রস্তাব

খবর বিজ্ঞপ্তি

পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতিরোধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে খুলনা মহানগর বিএনপি। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে রমযান উপকরণ যেমন ছোলা, চিড়া, মুড়ি, খেসারী ডাল, চিনির মূল্য হু হু করে বাড়ছে। সরকার বলছে পর্যাপ্ত মজুত আছে, জনমনে প্রশ্ন তাহলে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণ কি ? করোনাভাইরাসে মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে, জীবন-জীবিকা থমকে গেছে। ত্রাণের অপেক্ষায় মানুষ. মিলছেনা ত্রান। সীমিত ত্রান বন্টনও দলীয়করণ ও একই ব্যক্তি একাধিক তালিকায়। ১০ টাকায় ওএমএস চাল বিক্রির কার্ড তৈরীতে দীর্ঘ কালক্ষেপন সবমিলিয়ে ব্যর্থ সরকার প্রশাসন ব্যবস্থাপনা একমুখী ও প্রায় সর্বত্র মিডিয়ায় চলছে গুনকীর্তন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ সরকার ও প্রশাসনকে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন। সেক্ষেত্রে বিএনপি মনে করে-

ক) পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে দ্রুত পৃথক কমিটি গঠন করে বাজার তদারকির ব্যবস্থা করা;

খ) টিসিবি’র সক্ষমতা বাড়িয়ে বেশী পণ্য বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা;

গ) দেশের বড় বড় আমদানীকারকদের আমদানীকৃত পণ্য বিক্রয় মনিটরিং করা;

ঘ) ১০ টাকার ওএমএস চাল বিক্রয় প্রক্রিয়া সহজ করে পূর্বের ন্যায় নি¤œ আয়ের মানুষের এলাকায় খোলা বাজারে বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ভোগ্যপণ্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের মানবিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, দেশের এই সংকটময় মুহুর্তে অধিক মুনাফা না করে আরও বেশী উদার হওয়ার আহ্বান জানান। একই সাথে নিরন্ন মানুষের পাশে থেকে সকলকে খাদ্য সামগ্রি বিতরণের আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিদাতারা হলেন, বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম দাদুভাই, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, আব্দুল জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এ্যাড. ফজলে হালিম লিটন, স ম আব্দুর রহমান, মোঃ ইকবাল হোসেন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এসএম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।

করোনা দুর্যোগ মোকাবেলায় দলীয় সংকীর্ণতা নয়, প্রয়োজন সমন্বিত ও পরিকল্পিত জাতীয় উদ্যোগ Ñ বাম জোট, খুলনা

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাম গণতাস্ত্রিক জোট, খুলনা জেলা কমিটির এক বৈঠক মঙ্গলবার বাম জোট, খুলনা জেলা ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ, খুলনা জেলার সমন্বয়ক কমরেড জনার্দন দত্ত নাণ্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেনÑবাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি খুলনা জেলা সভাপতি কমরেড ডাঃ মনোজ দাশ, মহানগর সাধারণ সম্পাদক কমরেড এড. বাবুল হাওলাদার, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ খুলনা জেলা সম্পাদকম-লীর সদস্য কমরেড মোস্তফা খালিদ খসরু, কমরেড কাজী দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ, খুলনা জেলা কমরেড আব্দুল করিম। শুরুতে নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন। একই সাথে এই অভূতপূর্ব দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে খুলনাসহ সারাদেশে বাম জোটের কর্মীরা ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও ব্যক্তিবর্গ অসহায় মানুষের পাশের দাঁড়িয়ে যেভাবে ত্রাণ সহায়তা দেয়া এবং নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তারজন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান। বৈঠকে নেতৃবৃন্দ বলেন, কোভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাস সংক্রমণ একটি বৈশ্বিক মহামারী কিন্তু সরকার শুরুতে একে গুরুত্ব দেয়নি বরং অবহেলা করেছে। ফলে সংক্রমণ পুরোপুরি ঠেকানো না গেলেও যে নিয়ন্ত্রণ করা যেতো, তা হয়নি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী এই সংক্রমণ প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্ব দিতে হবে গণহারে পরীক্ষা বা টেস্ট। এরপর আক্রান্তদের দ্রুত আলাদা করা ও চিকিৎসা সেবা দেয়া। এই প্রক্রিয়া যে দেশ যত অনুসরণ করেছে তারাই তত সফলভাবে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার শুরুতে বিদেশ থেকে আসা লোকদের সকলকে পরীক্ষা করা, আক্রান্তদের আইসোলেশনে রাখা ও চিকিৎসার জন্য যথাযথ প্রস্তুতি না নেয়ার কারণে এখন কমিউনিটি পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়েছে। দিন দিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। এখনও বাংলাদেশের প্রয়োজনের তুলনায় টেস্ট ও চিকিৎসা খুবই অপ্রতুল। নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমানে এই মহামারী মোকাবেলায় সরকারকে ‘জাতীয় দুর্যোগ পরিস্থিতি’ ঘোষণা করে সকল দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক, ডাক্তার, বিজ্ঞানী, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দপ্তরসমূহকে যুক্ত করে সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা। কিন্তু সরকার দলীয় সংকীর্ণতার উর্ধ্বে উঠতে না পারায় সকল পর্যায়ে চলছে সমন্বয়হীনতা, অব্যবস্থাপনা, ত্রাণ বিতরণে চলছে দলীয়করণ, স্বজনপ্রীতি, সীমাহীন চুরি, ব্যবসায়ী-কালো বাজারীরা ইতোমধ্যে এই সুযোগে চাল, ডাল, তেল, লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি করছে। সরকারের এ দিকে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। সামনে রমজানে দ্রব্যমূল্য আরও বাড়বে বলে নেতৃবৃন্দ আশঙ্কা প্রকাশ করেন। দিনমজুর-শ্রমজীবী মানুষের ঘরে খাদ্যের জন্য হাহাকার চলছে। কিন্তু তাদের বেশিরভাগই ত্রাণ বঞ্চিত, গার্মেন্টস, পাটকলসহ প্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হচ্ছে না। বরঞ্চ শ্রমিক ছাঁটাই চলছে, রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক চালক, নির্মাণ শ্রমিক, হকার প্রভৃতি অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের লক্ষ লক্ষ শ্রমিক হঠাৎ বেকার হয়ে পড়েছে, মধ্যবিত্তদের জমানো টাকা দ্রুত ফুরিয়ে আসছে, ফলে লকডাউনে ঘরে থাকার সরকারি নির্দেশ কার্যকর করা দুরূহ হয়ে পড়েছে। উল্টো বিভিন্ন এলাকায় বুভুক্ষু মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ছে। প্রধানমন্ত্রী যতই হুঙ্কার দিচ্ছেন, ত্রাণ চুরি যেন তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে, কয়েকজন চোরকে লোক দেখানো গ্রেফতার করা হলেও এরা নি¤œসারির সরকার দলীয় নেতা বা প্রশাসনিক কর্মকর্তা, কিন্তু এদের পিছনে থাকা রাঘব বোয়ালদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না, চুরি বন্ধ করতে না পারায় সরকার জনসমাগম ঘটার অজুহাতে ১০ টাকা মূল্যের চাল বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। টিসিবি পণ্যের পরিমাণও যথেষ্ট নয়। সরকারি ত্রাণের পরিমাণও অপর্যান্ত, ফলে নি¤œবিত্ত জনগণ আজ চূড়ান্ত অসহায় অবস্থায় পড়েছে। ধনী শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের জন্য এবং শ্রমিক, কৃষকদের জন্য সরকারি আর্থিক প্যাকেজগুলোর তুলনা করলে বুঝা যায় সরকারের গরীব মারা ও ধনী তোষণ নীতি এই সময়েও বিদ্যমান। ফলে দেশ এক দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতির দিকে এগুচ্ছে বলে নেতৃবৃন্দ আশঙ্কা প্রকাশ করেন। স্বাস্থ্যখাতে অপর্যাপ্ত বরাদ্দের ফলাফল আমাদের এখন ভোগ করতে হচ্ছে। ডাক্তার-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীদের পর্যপ্ত ন্যূনতম সুরক্ষা পোষাক নেই, যা দেওয়া হচ্ছে তাও নি¤œমানের। হাসপাতালে আইসিইউ বেড ও ভ্যান্টিলেটরের সংখ্যা হাতে গোনা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বাণিজ্যিক খাতে ছেড়ে দেয়ার ফলাফল আজ বেসরকারি হাসপাতালগুলোর ভূমিকা দেখলে বুঝা যায়। তারপরও হাজারও অপ্রতুলতার মাঝেও আমাদের ডাক্তার-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মী এবং বিভিন্ন জরুরী সেবাকর্মীরা জনগণের নিরাপত্তার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। এই সংকটজনক পরিস্থিতি মোকাবেলায় নেতৃবৃন্দ ১০দফা সুপারিশ করেন।

৩০নং ওয়ার্ড বিএনপি’র খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে মঞ্জু

মানবেতর জীবন-যাপন করছে রূপসার হতদরিদ্র মানুষেরা

খবর বিজ্ঞপ্তি

প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের মরণ ছোবল থেকে কেউ রক্ষা পাচ্ছে না। দিন দির ভাইরাসের আকার বৃদ্ধি পাচ্ছে অর্থাৎ মৃত্যুর সংখ্যা। মানবেতর জীবন-যাপন করছে রূপসার দরিদ্র প্রতিবাদী উন্নয়ন সংস্থার কিছু হতদরিদ্র পরিবার। পরিবারগুলোর মাঝে ত্রাণ বিতরণের সময়  তিনি তাদের বলেন, ঘর থেকে বের না হতে, সব সময় পরিস্কার-পরিছন্নতার দিকে খেয়াল রাখতে। সমাজের প্রতিটি এলাকার মানুষ কখন এই ভাইরাসের হাত থেকে মুক্তি পাবে। কখন শেষ হবে লকডাউনের সময়। চারিদিকে মানুষের চোঁখেমুখে যন্ত্রণার ছাপ। কি যেন একটা চেপে বসেছে আমাদের মাঝে। ঘরের মধ্যে বসে সবাই মুক্তির পথ খুঁজছে। দেশ জাতীর এই ক্রান্তিকালে বর্তমান সময় হতদরিদ্র মানুষগুলো সব চেয়ে বেশি সমস্যার মধ্যে দিন পার করছে। অর্থ ও খাদ্য সংকট, সব চেয়ে বড় সংকট। কিভাবে এই সমস্যার সমাধান হবে, তার সঠিক কোন উত্তর নেই। ঘনবসতি এই শহরে সাহায্যের চেয়ে মানুষের পরিমাণ বেশি। একদিকে মানুষ খাবার পাচ্ছে না, অন্যদিকে মৃত্যুর মিছিল বড় হচ্ছে। আমাদের সকলকে করোনা প্রতিরোধের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। নিজে সুস্থ থাকতে হবে এবং অপরকে সুস্থ থাকার পরার্মশ দিতে হবে। মানুষের পাশে থাকতে হবে এবং তাদের সাহায্যে করতে হবে সকলে মিলে।   

মঙ্গলবার দুপুরে সদর থানার ৩০নং ওয়ার্ড বিএনপি’র উদ্যোগে রূপসা শ্বশানঘাট এলাকার  হতদরিদ্র প্রতিবাদী উন্নয়ন সংস্থার কিছু হতদরিদ্র পরিবার মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও নগর বিএনপি’র সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এময় উপস্থিত ছিলেন  ইউসুফ হারুন মজনু, হাসানুর রশিদ মিরাজ, তৌহিদুল ইসলাম খোকন, মতিউর রহমান বুলেট, সেলিম বড় মিয়া, মেহেদী হাসান লিটন, মুন্না, মিজান শিকারী, নাজমুল হাসান প্রমুখ।

পাইকগাছায় ডাঃ মুহাঃ শেখ শহীদ-উল্লাহ’র নিজস্ব অর্থায়নে হতদরিদ্র ১শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছায় গদাইপুর ইউনিয়নে বিএমএএ-এর কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ডাঃ মুহাঃ শেখ শহীদ উল্লাহ‘র নিজস্ব অর্থায়নে ১শ অসহায় হতদরিদ্রদের পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে গদাইপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহবায়ক নির্মল চন্দ্র অধিকারীর বাড়ীতে এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শ্রমিকনেতা আলহাজ্ব হারুন-অর-রশিদ হিরু, কাজী সাখাওয়াত হোসেন পাপ্পু, শাহজাহান কবির, শেখ জিয়াউর রহমান, দিনেশ রায়, সঞ্জয় সরকার, বিবেক ধর, রহমত আলী মোড়ল সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

দেবহাটায় ন্যায্যমূল্যে  টিসিবি’র মালামাল বিক্রয়

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা :

দেবহাটা মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল)  টিসিবি’র ৭শ ৭০ টাকার মালামালের প্যাকেজ খোলা বাজার বিক্রয় করা হয়। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, শেখ হাসিনার নির্দেশে প্রশাসনের তদারকীতে এ প্যাকেজ বিক্রয় হয়।মঙ্গলবার সকাল থেকে দেবহাটা  উপজেলা সদরের ফুটবল মাঠে সর্ব সাধারণের জন্য উন্মুক্তভাবে টিসিবি’র ব্যানারে মালামাল বিক্রয় করা হয়। প্যাকেজে থাকছে পাঁচ লিটার তৈল, ৪ কেজি চিনি, ১ কেজি ডাল ও ২ কেজি ছোলা। সকালে এই মালামাল বিক্রয়ের উদ্বোধনকালে সুভাষ ঘোষ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় দেবহাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার সাহার নির্দেশনা  মোতাবেক ওসি (তদন্ত) উজ্জ্বল কুমার মৈত্র, সেকেন্ড অফিসার এসআই নয়ন চৌধুরী, এসআই আবু হানিফ, এএসআই সোহেল হোসেন ও এএসআই মোজাম্মেল হোসেনসহ পুলিশ ফোর্স সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ক্রমানুসারে সাধারণ মানুষের মাঝে এই টিসিবির মালামাল বিক্রয়ে সহযোগিতা করেন। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আনুমানিক ৪শত সাধারণ মানুষের মাঝে এই টিসিবির মালামাল বিক্রয় করা হয়।

কেশবপুরে ৫ শতধিক প্রতিবন্ধীর মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

আলমগীর হোসেন, কেশবপুর

প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে ও যশোর-৬ কেশবপুর সংসদীয় আসনে উপ-নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের অনুপ্রেরণায় যশোরের কেশবপুরে সুবোধমিত্র অর্টিজম ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের সভাপতি এ্যাড. মিলন মিত্রের অর্থায়নে মঙ্গলবার সকালে ৫ শত ৩৪ জন প্রতিবন্ধীকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে । করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে অতিদরিদ্র ৫ শত ৩৪ জন প্রতিবন্ধীর প্রতিজনকে নিজস্ব অর্থায়নে ৫ কেজি করে চাউল, ২ কেজি করে আলু, ১ কেজি করে ডাউল, ১ লিটার করে সয়াবিন তৈল ও ১ টি করে সাবান বিতরণ করেন সুবোধমিত্র অর্টিজম ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের সভাপতি এ্যাড. মিলন মিত্র। এসময় সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ আলী, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী এ এফ এম শফি, কেশবপুর উপজেলা প্রেসকাবের সভাপতি এস আর সাঈদ, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী রাবেয়া ইকবাল, সুবোধমিত্র অর্টিজম ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক আবুল বাসার খান, ব্যাবসায়ী স্বপন বিশ্বাস, পৌর আওয়ামী লীগনেতা মিজানুর রহমান মিল্টন, সুবোধমিত্র অর্টিজম ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষক সোহেলী সুলতানা, আসাদুজ্জামান, হোসনেআরা, লিলিমা বিশ্বাস, আসমা আক্তার, মিতালী অধিকারী, অনুপ বসু, সুজন চত্রবর্তী, ছবি বিশ্বাস, কানিজ ফাতেমা, আবু জাফর রানা, মহাতাপ প্রমুখ।

উল্লেখ্য কেশবপুর পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক এ্যাড. মিলন মিত্র তাঁর স্বর্গীয় পিতা সাবেক এম এন এ সুবোধ মিত্রের নামে নিজস্ব সম্পত্তি দান করে বালিয়াডাঙ্গায় সুবোধমিত্র অর্টিজম ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে উপজেলার প্রতিবন্ধীদের শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি নিজস্ব যানবাহনের ব্যাবস্থা করে উপজেলার প্রত্যান্ত অঞ্চল থেকে প্রতিবন্ধীদের নিয়ে এসে তাদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছেন। তিনি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, হুইল চেয়ার বিতরণ, মিড-ডে মিল চালু-সহ বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন। তাছাড়া এ্যাড. মিলন মিত্র ঈদ-পূজায়ও প্রতিবন্ধীদের নতুন পোষাকের ব্যাবস্থা করে থাকেন। সর্বপরি সুদক্ষ শিক্ষকমন্ডলীর দ্বারা সুবোধমিত্র অর্টিজম ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রতিবন্ধীরা শিক্ষা ক্ষেত্রে এগিয়ে চলেছে।

চিতলমারীতে কোভিড ১৯ শেরপ্রভাবে গৃহবন্দি মানুষের মাঝেঁ খাদ্য সহায়তা প্রদান

চিতলমারী প্রতিনিধি

বাগেরহাটের চিতলমারীতে কোভিড ১৯ করোনাভাইরাসের প্রভাবে গৃহবন্দি কর্মহীন পরিবার ও ভ্যান চালকদের মধ্যে সামাজিক দূরুত্ব বজায় রেখে ৮শ মাস্ক ও ২শ’ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু ভ্রাতুষ্পুত্র ও সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীনের পক্ষ থেকে ও উপজেলার বড়বাড়িয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো: আবুতাহের উদ্দিন তাহের, তার ব্যাক্তি গত তহবিল থেকে এখাদ্য সহায়তা বাড়ি বাড়ি পৌছেঁ দেন। মঙ্গলবার বিকালে বড়বাড়িয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দদের মাঝেএখাদ্য সহায়তা প্রদান করেন। সময় ওই ওয়ার্ডের গন্যমান্য ব্যাক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কূষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিলো সখিপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা

দেবহাটা উপজেলার ০৩নং সখিপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি তৌহিদ হোসেন এর উদ্যোগে   কৃষকের ধান কেটে দিল ছাত্রলীগ। দেবহাটায় চলতি মৌসুমের আগাম ইরি-বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। তবে ধানের বাম্পার ফলন হলেও করোনাভাইরাস আতঙ্কে ও হটাৎ বর্ষা হওয়ায়  ধানকাটা শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে অনেক অসহায় কৃষক তাদের জমির পাকা ধান ঘরে তুলতে পারছেন না। এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশে কৃষকের লোকসান কমানোর জন্য তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়ে ধান কেটে দিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। সোমবার   দিনভর সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সখিপুর  ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ  এলাকায়   ৩ বিঘা জমিতে ধান কেটে  জমির ধান কৃষকের বাড়ি তুলে দেয়া হয়। এসময়  উপস্থিত ছিলো দেবহাটা উপজেলা  ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জে এস আসাদুজ্জামান সোহাগ  সখিপুর  ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাভাপতি তৌহিদ হোসেন  দেবহাটা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আহছানউল্লা কল্লোলে সাধারণ সম্পাদক আকরাম মাহমুদ  ,সহ-সভাপতি ফরহাদ হোসেন ০৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল,সাংগঠনিক সম্পাদক তামিম প্রচার সম্পাদক আরিফ সাবেক সখিপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আব্দুর রায়হান,০৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সদস্য আকিব হোসেন,ও রাকিব মোড়ল,,সহ আরো অনেক নেতাকর্মী এ  কাজে অংশ নেন। স্থানীয়ও লোকজন ছাত্রলীগের ব্যতিক্রমী এমন  কাজে প্রশংসা করেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এক দিকে করোনাভাইরাস,  বৃষ্টি ও  অন্যদিকে শ্রমিক সংকটসহ কৃষি মজুরি আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় পাকা ধান নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।ফলে কৃষকরা মাত্রারিক্ত টাকায় শ্রমিক জোগার করতে দিশাহারা হয়ে পড়ায় ধান নষ্ট হতে চলেছে। এ অবস্থায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এসে এলাকার দরিদ্র কৃষকের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।

করোনা প্রতিরোধে নিবেদিত প্রাণ, অভয়নগর ইউএনও মো.নাজমুল হুসেইন খাঁন

মো.রিপানুর ইসলাম, অভয়নগর

বৈশ্বিক  মহামারিতে রুপ নেওয়া মরণঘাতি করোনা ভাইরাস (কোভিট-১৯) সংক্রমণ, নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরেধে যশোরের অভয়নগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো.নাজমুল হুসেইন খাঁন এর দায়িত্বশীল কর্ম তৎপরতায় উপজেলার সর্বমহলে প্রশংশিত হয়ে উঠেছেন। এ ভাইরাস সংক্রমণ রোধে ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা সৃষ্টি, বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা, দ্রব্যমূল্যের কৃএিম সংকট ও উর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় অভিযান  অব্যাহত রেখেছেন নিবেদিত প্রাণ এই ইউএনও। জানা গেছে, বিশ্বের  অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি আতংকে পরিণত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.নাজমুল হুসেইন খাঁন, নওয়াপাড়া পৌরসভা সহ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের সকল হাট-বাজার, গ্রামীণ জনগুরুত্বপূর্ণ স্থান ও বিভিন্ন সড়কে মাইকিং করে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার শুরু করেন।

এ ছাড়া বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে  দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং হোম কোয়ারেন্টাইন আইন অমান্যকারী বিদেশ ফেরত ব্যাক্তিদের জরিমানা এবং সর্তকতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। বিগত কয়েক সপ্তাহ অভয়নগর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধিকারি দোকানদার ও বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের হোম কোয়ারেন্টাইন আইন না মানার অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে অর্থদন্ডে দন্ডিত করেন।

এ সময় বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের  যত্রতত্র ঘোরাফেরা না করে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশনা  দেন এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি না করার কঠোর নির্দেশনা দেন। প্রতিদিন  অভয়নগর উপজোর নির্বাহী কর্মকর্তা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলার ৮টি ইউনিয়ও ১টি পৌরসভার সবকটি ওয়ার্ডে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। উপজেলায় করোনা ভাইরাস  সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্তণ ও আড্ডা-জমায়েত বন্ধে প্রচারণা চালান এবং ওএমএস, খাদ্য বান্ধব ও টিসিবি ডিলারেরা যেন কোন অনিয়ম করতে না পারে সেইজন্য তিনি খুব স্বোচ্ছার।  এমনকি ইউ পি চেয়ারম্যান ও সদস্যরা সরকারি ত্রাণ নিয়ে কোন অনিয়ম করতে না পারে সেইজন্য তিনি খুব স্বোচ্ছার।

অভয়নগর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.তাজুল ইসলাম জনান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.নাজমুল হুসেইন খাঁন  অত্যন্ত পরিশ্রমী একজন কর্মকর্তা। তিনি করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নিচ্ছেন এবং উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ব্যাপক ভূমিকা পালন সহ অভয়নগর থানা পুরিশের সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নিচ্ছেন।

একাধিক জনপ্রতিনিধিরা জানান, উপজেলানির্বাহী কর্মকর্তা মো.নাজমুল হুসেইন খাঁন যোগদানের পর থেকেই জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমম্বয় করে দিনে-রাতে অভয়নগর উপজেলাবাসীর জন্য নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। এমন নিষ্ঠাবান-কর্মঠ ও মানবিক গুনাবলী সম্পন্ন ইউএনও অতীতে খুব কম পেয়েছে। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় তিনি অভয়নগরে যে ভুমিকা পালন করে যাচ্ছেন নজিরবিহীন। তাঁর কর্মকান্ডে মনে হচ্ছে তিনি কেবল ইউএনও নন, অভয়নগর উপজেলার একজন সচেতন অভিভাবকও। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকার শুরু থেকেই সতর্ক অবস্থানে ছিলো। প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে জনসচেতনতামূলক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিলেন।

সেক্ষেত্রে অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.নুজমুল হুসেইন খাঁন অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। অভয়নগর উপজেলার জনগণকে সুরক্ষিত রাখতে এবং করোনা ভাইরাস বিস্তাররোধে তিনি নানামূখী কর্মকান্ড শুরু থেকে প্রতিনিয়ত অব্যাহত রেখেছেন। তিনি দিন-রাতে নিরলস ভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ইউএনওকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা দিয়ে যাওয়ার জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) কেএম রফিকুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার গণ, অভয়নগর থানা পুলিশ, সেনাবাহিনী সহ নওয়াপাড়া প্রেস কাবের সাংবাদিকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং এখনো অভয়নগর উপজেলাকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অবদান রেখে যাচ্ছেন তিনি। অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.নাজমুল হুসেইন খাঁন জানান, অভয়নগর উপজেলায় যোগদানের পর থেকে গণ-প্রজাতন্ত্রের একজন সেবক হিসাবে অর্পিত দায়িত্ব পালন করছি মাত্র। করোনা পরিস্থিতিতেও সরকারি নির্দেশনা মতে কাজ করে যাচ্ছি। সারাদেশের ইউএনও সহ সরকারি কর্মকর্তারা যেভাবে কাজ করছে আমিও সেভাবে কাজ করছি। চলমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ডাক্তার, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি, বাংলাদেশ সেনাবাহীনি, পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তা ও নওয়াপাড়া প্রেস কাবের  সাংবাদিক সহ অনেকে সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন। এজন্য তিনি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

ইউএনও আরো জানান, করোনা ভাইরাস নিয়ে সাধারণ মানুষ আতংকিত। নওয়াপাড়া পৌরসভা সহ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে জনপ্রতিনিধিরা সরকারি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছেন। সংকটময় এ মুহুর্তে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বৃত্তবানদের এগিয়ে  আসা দরকার। তিনি করোনা সংক্রমণ রোধে সবাইকে নিজ নিজ বাড়ীতে অবস্তান করারও অনুরোধ জানান

পাইকগাছায় জায়গা জমির ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে সংঘর্ষের আটক ৭

পাইকগাছা প্রতিনিধি

পাইকগাছায় জায়গা জমির ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে সংঘর্ষ ও জান-মালের ক্ষয়-ক্ষতির আশংকা দেখা দেয়ায় মঙ্গলবার সকালে উভয়পক্ষের ৭জনকে আটক করে পুলিশ জেলহাজতে পাঠিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার ভিলেজ পাইকগাছার দক্ষিণপাড়ায়। স্থানীয় শহিদুল মালীদের সাথে রবিউল মালীদের জায়গা জমির ভোগ বাটোয়ারা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। সোমবার সকাল ৭টায় উভয়পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয়পক্ষের খলিলুর রহমান মালী, মোস্তাফিজুর রহমান মালী, সেলিম আহম্মেদ, ফয়সাল আহম্মেদ, জলিল মালী, শহিদুল মালী ও রবিউল ইসলামকে আটক করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। এস,আই পলাশ বাদী হয়ে পাইকগাছা থানায় মামলা করেছে। ওসি এজাজ শফী জানান, উভয়পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জান-মালের ক্ষয়-ক্ষতির আশংকায় ৭জনকে আটক করা হয়েছে।

মোড়েলগঞ্জে করোনা সন্দেহে ১৪ জনের নমুনা পরীক্ষার নেগেটিভ রির্পোট

এম.পলাশ শরীফ,  মোড়েলগঞ্জ

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে সর্দি, কাশি ও জ্বরজ্বরভাব থাকায় করোনা উপসর্গ রয়েছে এমন সন্দেহে ১৪ জনের নমুনা সংগ্রহ ও তা সরকারিভাবে ল্যাবরেটরীতে পরীক্ষার রিপোর্ট এসছে নেগেটিভ। করানো সন্দেহে প্রথমে ৯ জনের নমুনা সংগ্রহে রির্পোটই নেগেটিভ হয়েছে। ২য় দফায় ৫দিন পরে বাকি ৫ জনেরও নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন মুফতি মঙ্গলবার দুপুরে এ খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সর্বশেষ: নমুনা সংগ্রহের রিপোর্টে বাকি ৫ জনের মধ্যে পুটিখালী ২, নিশানবাড়িয়া ১, গাবতলা ১ ও খাউলিয়া ইউনিয়নে ১ জন। এদের মধ্যে ২ জনের শ্বাসকষ্টে ভূগছিলেন তারাও এখন সুস্থ্য রয়েছেন।

এদিকে করোনা সংক্রমন এড়াতে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ইতোমধ্যে সচেতনতায় প্রতিদিনই বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশের বিশেষ মহড়া থাকছে। প্রতিনিয়ত মাঠে রয়েছে ভ্রম্যমান আদালত, দেশের আভ্যান্তরিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মোরেলগঞ্জে আসা ৩৪০ জনের বাড়িতে লাল পতাকা টাঙানো রয়েছে। ওইসব বাড়ির সদস্যরা হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন।

 সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান বলেন, মোরেলগঞ্জে এখন পর্যন্ত কোন করোনা রোগী পাওয়া যায়নি। সংক্রমন এড়াতে সরকারি সকল নির্দেশনা বাস্তবায়ন অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি নাজুক হলে আরো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিজগৃহে অবস্থানকারি কর্মহীন বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষের জন্য খাদ্য সহায়তা বিতরণ চলমান রয়েছে। 

মোড়েলগঞ্জে কর্মহীন ১৪১ পরিবারের মাঝে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার খাদ্যসামগ্রী বিতরণ    

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইউনুছ সরদারের নিজ উদ্যোগে ১৪১ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বারইখালীর ২নং ওয়ার্ডে ফকিরবাড়ি এলাকায় করোনা ভাইরাসে কর্মহীন হয়ে পড়া দিনমজুর পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, আলু ও সাবান এসব খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। এ খাদ্যসামগ্রী বিতরনকালে উপস্থিত ছিলেন মোরেলগঞ্জ প্রেস কাব সভাপতি মেহেদী হাসান লিপন, সহ-সভাপতি গনেশ পাল, অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক এম.পলাশ শরীফ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক খোকন ও এইচ এম শহিদুল ইসলাম। এ সময়  স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. ইউনুছ সরদার বলেন, করোনা ভাইরাসে কর্মহীন হয়ে পড়া দিনমজুর শ্রেনীর মানুষের পাশে দাড়াতে পেরে নিজেকে তিনি ধন্য মনে করেন। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ও বাগেরহাট-৪, মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন-এর নির্দেশনা অনুযায়ী এলাকার সাধারণ মানুষের পাশে এসে দাড়িয়েছি। এ মুর্হুতে অস্বচ্ছল পরিবারের পাশে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আশা দরকার বলে তিনি মনে করেন। উল্লেখ্য, এর আগে তিনি সাড়ে ৩শ’ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

শরণখোলায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করায় হয়রানির শিকার বাদীর পরিবার

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ঃ

শরণখোলায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করায় হয়রানির শিকার হচ্ছেন বাদীর পরিবার। আসামীপক্ষ তাদের নিজ ঘরে আগুন দিয়ে বাদীর পরিবারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র করছে। উপজেলার খোন্তাকাটা গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর নাইবের স্ত্রী বিলকিস বেগম গতকাল দুপুরে শরণখোলা প্রেসকাবে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন।

বাদী বিলকিস বেগমের লিখিত বক্তব্যে জানা যায়, করোনা পরিস্থিতির কারণে বাড়ীর উপর থেকে চলাফেরা ও আড্ডা দিতে বারন করায় প্রতিবেশী ও মাদক সেবী শহিদুল, শফিকুল, সাইফুল, রাকিব সহ ৭/৮জন তার স্বামীকে মারধর করে। এ ঘটনায় শরণখোলা থানায় বিলকিস বেগম বাদী হয়ে গত ১৫ এপ্রিল একটি মামলা দায়ের করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বাদীর পরিবারকে ফাঁসাতে প্রতিপক্ষ শহিদুল নিজ বসত ঘরের মালামাল সরিয়ে পাকের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। শহিদুলের এ ষড়যন্ত্র পরবর্তীতে ফাঁস হয়ে যায়। এছাড়া তিনি আরও জানান, প্রতিপক্ষ শহিদুল ও তার বোন শাহিনুর বেগম প্রয়োজনে নিজেদের বৃদ্ধ মাতা বা একটি সন্তানকে জবাই করে তাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেয়। প্রতিপক্ষের মিথ্যা মামলার ভয়ে বাদী বিলকিস বেগম ও তার পরিবার ভীত সন্ত্রাস্ত হয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় তিনি প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন।

১০ টাকার চাল খাবো, করোনা ভাইরাসে ঘরে থাকবো

মোড়েলগঞ্জের নিশানবাড়িয়ায় ২৬ শ” পরিবার পেলেন ১০ টাকার চাল

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

“১০ টাকায় চাল খাবো, করোনা ভাইরাসে ঘরে থাকবো” মোড়েলগঞ্জের নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নে করোনা ভাইরাসে কর্মহীন হয়ে পড়া ২৬ শ’ ২০ পরিবার পেলেন খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকায় চাল। ইউনিয়ন জুড়ে চলছে সরকারের সামাজিক বিভিন্ন প্রকল্পের খাদ্য সহায়তা বিতরণ।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার গুয়াতলা গ্রামের পলিটিক্স মোড় এলাকায় ২, ৩ ও ৪ নং ওয়ার্ডে ৬শ’ ২০ জন হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করেন নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতি ইউপি সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক মহারাজ মৃধা প্রমুখ। কথা হয়, উমাজুড়ি গ্রামের সুবিধাভোগী শাহাজাহান শেখ, হোসনেয়ারা বেগম, ধানসাগর গ্রামের আনোয়ার হোসেন ও পিসি বারইখালী গ্রামের আলম হাওলাদার তারা বলেন, ঘরে চাল নেই এমন সময় আমাদের প্রধানমন্ত্রী গরিবের কথা ভেবে ১০ টাকার চাল দিচ্ছেন। “১০ টাকার চাল খাবো’ করোনায় ঘরে থাকবো” সংসারে জোগানদাতা দিনমজুর শ্রেণীর মানুষগুলো তাদের মনের কথা ব্যক্ত করেন সংবাদকর্মীদের সামনে। এ সর্ম্পকে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু বলেন, প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসে সচেতনতায় এ ইউনিয়নে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ যাতে করে খাদ্যসহায়তার সুবিধাপেতে পারে সে লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মোতাবেক সরকারের সামাজিক প্রকল্পের বিভিন্ন কর্মসূতির আওতায় ২৬শ’ ২০ পরিবার পাচ্ছেন ৩০ কেজি করে চাল। এ ছাড়াও  স্থানীয় সংসদ সদস্য এ্যাড. আমিরুল আলম মিলন-এর উদ্যোগে ৩শ’ কর্মহীন পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছেন। ১৭৫ মৎস্য জেলে পরিবার পাচ্ছেন জনপ্রতি দু’মাসের ৮০ কেজি করে চাল ও ৩ শ’ হতদরিদ্র পরিবার প্রতি মাসে পাচ্ছেন ভিজিডির চাল।

মোড়েলগঞ্জের হোগলাবুনিয়ায় ইউনিয়নে ২শ’ পরিবার পেলেন খাদ্যসহায়তা

 মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে করোনায় ভাইরাসে কর্মহীন নিজ গৃহে থাকা হতদরিদ্র ২০০ পরিবারের মাঝে স্থানীয় সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন এর পক্ষে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি তরুন সমাজ সেবক শামীম আহ্সান পলাশ। মঙ্গলবার বিকেলে সামাজিক দূরাত্ব বজায় রেখে হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন তিনি।

স্বামীর সাথে দ্বন্দ্বে প্রাণ গেলো স্কুল শিক্ষিকার

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের মণিরামপুরে স্বামীর ওপর অভিমান করে আসমা বেগম (৩০) নামে এক গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার নারকেলবাড়িয়া গ্রামে এঘটনা ঘটে।

আসমা বেগম ওই এলাকার ঘের ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। তিনি স্থানীয় নারকেল বাড়িয়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ছিলেন।

নেহালপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই সৈয়দ বখতিয়ার রহমানসহ স্থানীয়রা জানান, সোমবার রাতে স্বামীর সাথে কথা কাটাকাটি হয় আসমা বেগমের। এরপর মঙ্গলবার সকালে রফিকুল ইসলাম বিলে ঘেরে মাছ ধরতে যান। বাড়িতে কেউ না থাকায় ওই সুযোগে ঘরের আড়ার সাথে রশি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন আসমা বেগম। ওই দম্পতির একমাত্র ছেলে রিফাত (৫) মাকে ঝুলতে দেখে আশপাশে খবর দেয়। পরে লোকজন এসে মরদেহ নামিয়ে আনেন। এসআই বখতিয়ার বলেন, খবর পেয়ে বিকেলে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

ভাঙ্গায় বর্তমান ও সাবেক এমপির সমর্থকদের সংঘর্ষে নিহত এক

ফরিদপুর প্রতিনিধি

ভাঙ্গায় আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ও ফরিদপুর-৪ আসনের সাবেক এমপি কাজী জাফরউল্লাহ ও স্বতন্ত্র দলীয় বর্তমান সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সনের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত ও ২৪ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় ১৬ বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওই ব্যক্তি নাম শহীদ মাতুব্বর (৩৬)। তিনি লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত জয়নাল মাতুব্বরের ছেলে। জানা গেছে, ওই গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্বতন্ত্র দলীয় এমপি মজিবুরের সমর্থক শাহজাহান মাতুব্বরের সঙ্গে একই গ্রামের বাসিন্দা কাজী জাফরউল্লাহর সমর্থক, মানিকদহ ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য ওসমান গনির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার রাতে শাহজাহানের তিন/চারজন সমর্থক পক্ষ ত্যাগ করে ওসমানের দলে যোগ দেন। এর ফলে মঙ্গলবার সকালে শাহজাহানের সমর্থকরা পক্ষত্যাগকারী ওই ব্যক্তিদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। এ ঘটনার জের ধরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দুই পক্ষের কয়েকশ সমর্থক ঢাল, সড়কি, রামদা, শাবল ও ইট নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

সংঘর্ষের এক পর্যায়ে শাহজাহানের সমর্থক শহীদ মাতুব্বরের মাথায় শাবলের আঘাত লাগলে তিনি গুরুতর আহত হন। ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে আনার পথে তার মৃত্যু হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ২৪ জন আহত হয়। সংঘর্ষের সময় ১৬টি বাড়িতে হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরে ভাঙ্গা থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে আহতদের ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল, ভাঙ্গা ও সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত শহীদের মৃতদেহ পুলিশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

সংঘর্ষের বিষয়ে ওসমান গনি জানান, তিনি বর্তমানে এলাকার বাইরে অবস্থান করছেন। তিনি জানতে পেরেছেন শাহজাহানের সমর্থকরা তার সমর্থকদের ওপর হামলা করেছে এবং বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। এ বিষয়ে শাহজাহানের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে তার সমর্থক মানিকদহ ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য হামিদ মাতুব্বর বলেন, ওসমানের সমর্থকদের হামলায় শাহজাহানের এক সমর্থক নিহত হয়েছেন।

উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় স্বজনদের হাত-পা ভেঙ্গে দিল ৩ বখাটে

খুলনাঞ্চল রিপোর্ট

পাথরঘাটায় স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মামা-নানার হাত-পা ভেঙ্গে দিল তিন বখাটে। বরগুনার পাথরঘাটায় নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় ওই ছাত্রীর মামা, নানা ও বাবাকে বেধড়ক পিটিয়েছে বখাটেরা। মামা আবদুল করিমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া নানা মোঃ হানিফাকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে দিয়েছে এবং বৃদ্ধ বাবাকেও বেধড়ক পিটিয়েছে তিন বখাটে। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের রুহিতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বখাটেরা হলো- মোঃ সাইকুল (২৫), মোঃ রাজু (২৪) ও ইয়াছিন (২৬)। এরা ওই এলাকায় যৌন হয়রানি করে বেড়ায় বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছে। ছাত্রীর বাবা বলেন, গত রবিবার বিকেলে পাশের বাড়ি থেকে নিজের বাড়ি আসার পথে পথরোধ করে মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে সাইকুল, রাজু ও ইয়াছিন। পরে এ ঘটনা বাড়িতে এসে আমাদের বলার পরে সোমবার সাইকুলকে ডেকে এনে কয়েকটি থাপ্পড় দিয়ে সংশোধন হতে বলেন ওর মামা করিম ও নানা হানিফা। এক পর্যায়ে বখাটে সাইকুল ছাত্রীর পা ধরে ক্ষমাও চান। এর জেরে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে বাড়ির সামনে এসে বখাটেরা পিটিয়ে মামা করিমের বাম পা ও নানা হানিফার বাম হাত ভেঙ্গে দেয় আমাকে পিটিয়ে আহত করে।

সর্দি জ্বর ও শ্বাসকষ্টে আরও ১১ জনের মৃত্যু

খুলনাঞ্চল রিপোর্ট

দেশের বিভিন্ন স্থানে সর্দি জ্বর ও শ্বাসকষ্টে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে সাতক্ষীরায় ২ জন, খুলনায় ২ জন, বরিশালে ১ জন, পটুয়াখালীতে ১ জন, চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ১ জন, বগুড়ায় ১ জন, ফেনীতে মসজিদের মোয়াজ্জিন এবং নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে দুইজন।

সাতক্ষীরা: জ্বর ও শ্বাসকষ্টে সাতক্ষীরায় দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা পশ্চিমপাড়ায় আব্দুর রহিম নামের এক নৈশপ্রহরী ও আশাশুনির কাকবাশিয়া গ্রামের রেজাউল করিম নামের এক কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। তাদের দুই জনেরই নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআরের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এদিকে, জেলায় একদিনে দুই জনের মৃত্যুর ঘটনায় জেলাব্যাপী করোনা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। মৃত নৈশপ্রহরী আব্দুর রহিম পাটকেলঘাটা পশ্চিমপাড়ার ওমর আলী গাজীর ছেলে ও কলেজ শিক্ষক রেজাউল করিম আশাশুনির কাকবাশিয়া গ্রামের মৃত ফজর আলী গাজীর ছেলে। সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য তাদের দুইজনেরই নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআরের কাছে পাঠানো হয়েছে।

খুলনা: খুলনায় জ্বর সর্দি, কাশিসহ অন্য উপসর্গ নিয়ে এক বৃদ্ধাসহ ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে তাদের মৃত্যু হয়। এরা হলেন খুলনা মহানগরীর লবণচরা এলাকার ফেরদৌসী আরা (৭০)। তিনি খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। অপর জন জেলার রূপসা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের নুর আলম খান (৪৫)। খুমেক হাসপাতালে আনার পথে তার মৃত্যু হয়। তাদের করোনার সংক্রমণ ছিল কি না তা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জনান খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের রেসিডেন্স ফিজিশিয়ান (মেডিসিন) ও করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডের মুখপত্র ডাঃ শৈলেন্দ্রনাথ বিশ^াস।

বরিশাল: শেবাচিমের করোনা ওয়ার্ডে করোনার উপসর্গ নিয়ে ৪২ বছর বয়সের এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। ওই রোগীর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য সোমবার রাতে কলেজের আরটি-পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ বাকির হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১৯ এপ্রিল শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে শেবাচিমের সিসিইউতে ভর্তি হন ভোলার দৌলতখান উপজেলার কলাকোপা এলাকার ওই ব্যক্তি। হৃদযন্ত্রের সমস্যাসহ তার শরীরে আরও বেশকিছু সমস্যা ছিল। পরে ওইদিনই তাকে সিসিইউ থেকে হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে পাঠান চিকিৎসকরা। সোমবার সন্ধ্যার পর পরই সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া এক বৃদ্ধ মঙ্গলবার সকালে মারা গেছেন। খবর পেয়ে তার নমুনা পরীক্ষা সংগ্রহ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। মৃত ওই বৃদ্ধের বয়স ৬০ বছর। তার বাড়ি সদর উপজেলার সেহাকা গ্রামে। সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম শিপন জানান, ইতোমধ্যে মৃত ওই ব্যক্তির বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে এবং কোভিড-১৯ নির্দেশনা অনুযায়ী তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ফজরের নামাজের পর ওই বৃদ্ধকে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসা হয়। এ সময় তার শাসকষ্ট ছিল। পরে সকাল সাড়ে ৭ টার সময় তার মৃত্যু হয়।

বাঁশখালী: কোভিড-১৯ করোনাভাইরাসের সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের পূর্ব বৈলগাঁও ১নং ওয়ার্ডের দমদমা দীঘিরপাড় এলাকার এক নারীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে মৃত নারীর পরিবার ও আশপাশের ২টি বাড়ি লকডাউনসহ তার সংস্পর্শে থাকা ২৮ ব্যক্তিকে সোমবার রাত ৮টায় হোমকোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশনা দিয়েছে বাঁশখালী উপজেলা প্রশাসন। ‘করোনাভাইরাসের ভয়ে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে এসে কবরে পাড়ি জমিয়েছেন পঞ্চাশোর্ধ নারী’। তাছাড়া মৃত্যুর কারণ লুকিয়ে পরিবারের ২৮ সদস্যের সংক্রমণের ঝুঁকিতে রেখে গেছেন তার বাড়ির সদস্যরা। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাধনপুর বৈলগাঁও ১নং ওয়ার্ডের আব্দুর রহমানের স্ত্রী ছলিমা বেগম (৫৫) পেটব্যথা, জ্বর সর্দি, কাশি ও কিডনিজনিত রোগে অসুস্থ ছিলেন দীর্ঘদিন থেকে। রবিবার সকালে তার পরিবারের সদস্যরা তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে জরুরী বিভাগে কর্মরত চিকিৎসকগণ তাকে করোনাভাইরাস সন্দেহে চট্টগ্রাম আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের (কোভিড-১৯) ওয়ার্ডে ভর্তি করানোর জন্য পরামর্শ প্রদান করেন। তবে পরিবারের সদস্যরা তাকে আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালে না নিয়ে সোজা নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন। সোমবার সকাল ৬টায় বাড়িতেই তার মৃত্যু ঘটে। পরবর্তীতে ওই মৃত নারীর জানাজা শেষে পার্শ¦বর্তী নিজ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে চমেক হাসপাতাল থেকে বাঁশখালী প্রশাসনের কাছে তথ্য আসেন করোনা রোগী সন্দেহে এক নারী হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে পালিয়ে চলে আসে।

বগুড়া: মঙ্গলবার সকালে বগুড়া মোহাম্মদ আলী আইসোলেশন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক ব্যক্তি মারা গেছেন। তার বয়স ২৮ বছর। বাড়ি সদরের সাবগ্রামে। আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার শফিক আমিন কাজল জানান, তিন দিন আগে তাকে করোনা উপসর্গের কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার নমুনা সংগ্রহ করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের পিসিআর রসায়নাগারে পাঠানো হয়। ফল এখনও আসেনি।

ফেনী: ফেনীর দাগনভূঁইয়ায় জ্বর, কাশিসহ শ্বাসকষ্ট নিয়ে এক মোয়াজ্জিনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাত তিনটার দিকে উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে অসুস্থ অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত বজলুর রহমান নিজ বাড়ির সামনের মসজিদের মোয়াজ্জিন ছিলেন। এ নিয়ে ফেনী জেলায় ৪ জন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। তবে আগের তিন জনের নমুনা পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট পাওয়া গেছে বলে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে।

সোনারগাঁ: সোনারগাঁ করোনা উপসর্গ নিয়ে আবদুর রহিম (৩৮) নামে এক ব্যক্তি শনিবার রাতে ভাড়া বাসায় মারা গেছেন। মৃত ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে পাঠালে সোমবার তার রিপোর্টে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। তিনি উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের গোহাট্টা এলাকার রূপচাঁন মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া ও হাজীগঞ্জ এলাকার রাসেল নিট এ্যান্ড ডাইংয়ের শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।

এদিকে উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চেলারচর গ্রামে করোনার উপসর্গ নিয়ে আসাদ মিয়া (৫০) নামে আরেক জনের মৃত্যু হয়। মৃত আসাদ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে কি না তা নিয়ে এলাকাবাসী সন্দেহ হলে করোনা পরীক্ষা করে লাশ দাফন করার দাবি জানিয়ে লাশ দাফনে বাধা প্রদান করে। পরে সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। মঙ্গলবার বিকেলে তার রিপোর্টে জানা যায় তার করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। ফলে সোনারগাঁয়ে দুজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়।

চাল, গম ও আমের উপাদন বেড়েছে দেশে, বাঁচাবে কৃষি খাত

মফিজুল সাদিক

বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। কালের পরিক্রমায় এ দেশের মানুষের পেশায় বৈচিত্র্য এলেও কৃষি এখনও বড় খাত। তবে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান খুবই কম। অবদান বেশি সেবা ও শিল্প খাতের। তবে করোনা ভাইরাসের কারণে এখন (কোভিড-১৯) সেবা ও শিল্প খাতে স্থবিরতা চলছে। দেশের মানুষ দু’বেলা দু’মুঠো খেয়ে-পরে বাঁচতে এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানে এখন কৃষি খাতই ভরসা। বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের ৪৩তম অর্থনীতির দেশ। এই উন্নতির মূলে শিল্পখাত। বর্তমানে জিডিপি’তে শিল্পখাতের অবদান ১২ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং সেবাখাতের অবদান ১০ দশমিক ২২ শতাংশ। অথচ কৃষি খাতের অবদান মাত্র সাড়ে ৩ শতাংশ। তবে বর্তমানে চাল, গম ও আম-সহ নানা কৃষি পণ্যের উৎপাদন বেড়েছে। এসব কৃষিপণ্য এখন সঠিকভাবে ঘরে তোলায় প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদেরা। উনারা মনে করেন, কৃষিখাতকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে তা না হলে দেশে খাদ্য নিরাপত্তা দেখা দেওয়ার পাশপাশি দিনমজুরদের মধ্যে হাহাকার দেখা দেবে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন,  দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান বেশি নয়।  তবে করোনা সংকট মোকাবেলায় কৃষিখাতের অবদান বেশি। দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় কৃষিই এখন প্রধান খাত। বর্তমানে বোরো হার্ভেস্টিং ভালো করে করতে হবে। হাওরে শ্রমিকদের ভালোমতো ম্যাকানিজম করতে হবে। চালের উৎপাদন বাড়াতে হবে। শাকসবজি ফলমূলের উৎপাদন বেশি করতে হবে। সকল নজর এখন কৃষিখাতে দিতে হবে। বর্তমানে কৃষিতে নিয়োজিত জনশক্তির সংখ্যা ৪০ দশমিক ৬ শতাংশ। স্বাধীনতার পর থেকে দেশের জনসংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। তবুও কৃষিতে শ্রম-শক্তির সংখ্যা কমেনি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী ৪৬ দশমিক ৬১ শতাংশ খানা (পরিবার) কৃষি নির্ভর । এ থেকে বোঝা যায় কৃষি দেশের অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখছে।

প্রধান খাদ্যশস্যের উৎপাদন বাড়ানোব ক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশে বর্তমানে নানা ধরণের ফসল উৎপাদিত হয়। তার মধ্যে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রধান ছয়টি ফসল হিসাব করে। এগুলো হলোÍ আউশ, আমন, বোরো,  আলু, গম ও পাট। এছাড়া আরও ১২০টি অপ্রধান ফসলের হিসাব করা হয়েছে। সব কিছু ছাপিয়ে চাল ও আলু উৎপাদনে বিশাল সাফল্য অর্জিত হয়েছে। বর্তমানে দেশে চাল উৎপাদনের পরিমাণ ৩৬৪ লাখ মেট্রিক টন এবং একই সময়ে আলু  উৎপাদন করা হয়েছে ৯৬ দশমিক ৫৫ লাখ মেট্রিক টন।  বিবিএস সূত্র জানায়, স্বাধীনতার পূর্বে ও পরে দেশে খাদ্য ঘাটতি থাকলে বর্তমানে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। ১৯৬৯-৭০ অর্থবছরে চাল উৎপাদন ছিল মাত্র ১১৮ দশমিক ১৪ লাখ মেট্রিক টন, বর্তমানে (২০১৮-১৯) বেড়ে হয়েছে ৩৬৪ লাখ মেট্রিক টন। চার বছর আগে চাল উৎপাদন হয়েছিল ৩৪৭ মেট্রিক টন। দেশে ১১ দশমিক ০৫ লাখ হেক্টর জমিতে ধান উৎপাদন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৭ দশমিক ৭৫ লাখ মেট্রিক টন আউশ, ১৪০ দশমিক ৫৫ লাখ মেট্রিক টন আমন এবং ১৯৫ দশমিক ৬১ লাখ মেট্রিক টন বোরো উৎপাদন করা হয়েছে। সরকারের যুগোপোযোগী পরিকল্পনা, কৃষকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং বৈজ্ঞানিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলেই কৃষিতে এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। বিবিএস সূত্রে আরও জানা গেছে, দিন দিন আলু উৎপাদন বাড়ছে। খাদ্য হিসেবে আলুর চাহিদা ব্যাপক। একই সঙ্গে দেশের চাহিদা মিটিয়ে আলু রফতানিও হচ্ছে। অধিক জনসংখ্যার জন্য খাবারের যে চাপ তা অনেকটা মেটাচ্ছে আলু। ১৯৬৯-৭০ সালে আলু উৎপাদন ছিল ৮ দশমিক ৯১ লাখ মেট্রিক টন। যা বর্তমানে (২০১৮-১৯) বেড়ে হয়েছে ৯৬ দশমিক ৫৫ লাখ মেট্রিক টন। স্বাধীনতার পরে আলু উৎপাদন ১১ গুণের বেশি উৎপাদিত হয়েছে। বর্তমানে ৪ দশমিক ৭১ লাখ হেক্টর জমিতে আলু উৎপাদন করা হচ্ছে। তবে আলু উৎপাদনের জমি কমলেও উৎপাদন বাড়ছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৪ লাখ ৭১ হেক্টর জমিতে  ৯২ দশমিক ৫৪ লাখ মেট্রিক টন আলু উৎপাদন করা হয়েছিল। 

বেড়েছে গমের উৎপাদনঃ খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনে দেশে বেড়েছে গমের চাহিদা। স্বাধীনতা পূর্ব বাংলাদেশে গমের উৎপাদন আগের তুলনায় বর্তমানে বেড়েছে। ১৯৭১ সালে ৩ দশমিক ১১ লাখ হেক্টর জমিতে ১ দশমিক ১ লাখ মেট্রিক টন গম হয়েছে। বর্তমানে ৩ দশমিক ৩০ লাখ হেক্টর জমিতে গমের উৎপাদন বেড়ে ১০ দশমিক ১৭ লাখ মেট্রিক টন।

আম উৎপাদনে বিশ্বে দশমঃ বাংলাদেশ আম উৎপাদনে বিশ্বে দশম। বিশ্বে আম উৎপাদনের অর্ধেকের বেশি হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ায়। বাংলাদেশে দিনদিন  আমের চাষ বাড়ছে। ১৯৭১ সালে আমের উৎপাদন ছিল ৪ দশমিক ১৫ লাখ মেট্রিক টন। বর্তমানে বেড়ে হয়েছে ১২ দশমিক ১৯ লাখ মেট্রিক টন।

এছাড়া বেড়েছে ভুট্টার উৎপাদন। ২০০০ সালে ভুট্টার উৎপাদন ছিল মাত্র ০ দশমিক ১ লাখ মেট্রিক টন। অথচ বর্তমানে এর উৎপাদন বেড়ে হয়েছে ৩৫ দশমিক ৬৯ লাখ মেট্রিক টন।

সরিষা প্রধান ভোজ্য তেল ফসল। বর্তমানে এর উৎপাদন বেড়ে ৩ দশমিক ১২ লাখ মেট্রিক টন। একইভাবে মশুরডালের উৎপাদন বেড়ে ১ দশমিক ৬১ লাখ মেট্রিক টন হয়েছে। চলতি অর্থবছরে উৎপাদন আরও বাড়বে।  এসব ফসল সঠিকভাবে ঘরে উঠলেই করোনা সংকট থেকে  সাময়িক মুক্তি মিলবে বলে দাবি করেছেন অর্থনীতিবিদেরা।