Home খেলাধুলা মাঠে ময়দানের খবর

মাঠে ময়দানের খবর

14

পাঁচ বছর চলার সমতা আছে বিসিবির
ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনাভাইরাসের মহামারিতে ব্যাপকভাবে আর্থিক তির মুখে পড়েছে বিশ্ব। দেশে দেশে লকডাউনের কারণে স্থবির হয়ে আছে অর্থনীতির চাকা। বিশ্ব ক্রীড়ােেত্রও আর্থিক তি দেখা দিয়েছে। করোনা-উত্তর পৃথিবীতেও আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে ক্রীড়াঙ্গনকে।
বিশেষজ্ঞদের অর্থনৈতিক বিশ্নেষণ থেকে সে রকম একটা ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। সে আলোকে ক্রিকেটের আর্থিক তি নিয়ে রিপোর্ট করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। তারা একটি রিপোর্টে লিখেছে, ভারত ও ইংল্যান্ড ছাড়া বাকি দেশের ক্রিকেট বোর্ডগুলো আর্থিকভাবে দেউলিয়া হতে পারে। সম্ভাব্য দেউলিয়া হওয়ার তালিকায় রাখা হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকেও (বিসিবি)। তবে এ রিপোর্টের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিজামউদ্দিন চৌধুরী। এ কর্মকর্তার দাবি, সঠিক পরিকল্পনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা থাকলে বিনা আয়েও পাঁচ বছর চলার মতো সামর্থ্য আছে বিসিবির। বিসিবির অর্থনৈতিক সামর্থ্য এবং পরিচালনা ব্যবস্থা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকায় টাইমস অব ইন্ডিয়া রিপোর্টে বাংলাদেশের নাম জুড়ে দিয়েছে বলে মনে করেন নিজামউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘আইপিএলকে মডেল হিসেবে নিয়ে হয়তো রিপোর্টটি তৈরি করা হয়েছে। আমাদের প্রোপট, এফটিপি অনুযায়ী বিসিবির আর্থিক তির কোনো কারণ দেখি না। বিশ্ব অর্থনীতির প্রোপটে হয়তো ভবিষ্যৎ সিরিজ বিক্রিতে প্রভাব পড়বে। সেেেত্র আমরা সঠিক পরিকল্পনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করলে দেউলিয়া হওয়ার প্রশ্নই আসে না। বরং আমি বলব, আগামী পাঁচ বছর চলার মতো আর্থিক সমতা আছে বিসিবির।’ এফটিপি অনুযায়ী আগামী নভেম্বর পর্যন্ত জাতীয় দলের হোম সিরিজ আছে দুটি- অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপ।ে নিজাম উদ্দিন জানান, এ দুই সিরিজ থেকে ‘রেভিনিউ’ আসে না। এ নিয়ে একটি বিশ্নেষণও দেখালেন সিইও নিজামউদ্দিন,’অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সিরিজ রেভিনিউ জেনারেট সিরিজ নয়। ভারত, পাকিস্তান ও ইংল্যান্ডের সঙ্গে হোম সিরিজ থাকলে আর্থিক তির সম্মুখীন হতে হতো। কারণ এ তিনটি দলের বিপে খেলা থাকলে লাভ বেশি আসে। সুতরাং এফটিপি কমিটমেন্টের দিক থেকে আর্থিকভাবে তিগ্রস্ত হচ্ছি না।’এ বছর দুটি গুরুত্বপূর্ণ টি২০ টুর্নামেন্ট খেলবে বাংলাদেশ। আগস্টে এশিয়া কাপ আর অক্টোবর-নভেম্বরে বিশ্বকাপ। নিজামউদ্দিন জানান, এশিয়া কাপ বাতিল করা হলে আড়াই মিলিয়ন ডলার থেকে বঞ্চিত হবে বোর্ড। আইসিসি টুর্নামেন্ট থেকে এখন আর অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে সরাসরি রেভিনিউ দেওয়া হয় না। বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আট বছরের জন্য সব ইভেন্টের স্বত্ব বিক্রি করেছে। বার্ষিক মোট আয় থেকে সদস্য দেশগুলোকে বছরে দু’বার রেভিনিউ দেয় আইসিসি।

ফিটনেস নিয়ে ভাবছেন খুলনা বিভাগীয় দু’কোচ
ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনাভাইরাসের প্রভাবে স্থবির হয়ে আছে দেশের ক্রীড়াঙ্গন। বন্ধ হয়ে আছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের(বিসিবি) খেলাধুলা ভিত্তিক সব কার্যক্রমও। তবে ক্রিকেটারদের ফিটনেস ধরে রাখা নিয়ে ভাবছে বিসিবি।
এ জন্য বিসিবি থেকে এরই মধ্যে ঘরে বসে ফিটনেস ঠিক রাখার একটি গাইড লাইনও দেয়া হয়েছে। ক্রিকেটাররা নিজেদের ফিট রাখার জন্য সেটাই মেইনটেইন করছেন। তবে বয়সভিত্তিক ক্রিকেটাররা সে কাজটি কতটুকুই বা করতে পারছেন? নিজেকে ফিট রাখার চ্যালেঞ্জটা বয়সভিত্তিক ক্রিকেটাররা নিতে পারছেন তো? এটা দেখভালের দায়িত্ব আপাতত বিসিবির ডেভেলপমেন্ট কোচদের। তারা নিজেদের কাজের সর্বোচ্চটাই করছেন বলে জানা যায়।
খুলনা বিভাগের দুই কোচ ইমদাদুল বাশার রিপন ও মনোয়ার আলী মনু ফোনে জানিয়েছেন, তাঁরা নিয়মিত খোঁজ রাখছেন ক্রিকেটারদের। পরামর্শ দিচ্ছেন প্রতিনিয়তই। এছাড়াও কোচেরা নিজেদের জেলার কোচদের সাথেও যোগাযোগ রাখছেন নিয়মিত। করোনাভাইরাসের কারণে বাসায় বেশিরভাগ সময় অলসভাবে কাটাতে হয়। এই সময়টা ক্রিকেটাররা কিভাবে কাজে লাগাতে পারে, সেটা নিয়েই কাজ করছেন কোচেরা।
বিসিবির খুলনা বিভাগীয় ডেভেলপমেন্ট কোচ ইমদাদুল বাশার রিপন বলেন, ‘আমরা খুব বাজে একটা সময় পার করছি। এই সময়টাতে সবাইকে বাসায় থাকতে হবে। বিসিবি থেকে আমাদের কাছে কিছু নির্দেশনা দেওয়া আছে। আমরা ক্রিকেটারদের খোঁজ রাখছি। বিশেষ করে বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটারদের। যাতে তারা অন্তত বাসায় বসে ফিটনেসের যতটুকু সম্ভব খেয়াল রাখতে পারে।’
এছাড়াও তিনি সব ক্রিকেটারকেই স্বাস্থ্য সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বিসিবি থেকে ফিটনেস ধরে রাখার যে গাইড লাইন দেয়া হয়েছে, সেটাও ফলো করার পরামর্শ দেন তিনি।
খুলনা বিভাগের ক্রিকেটার ও জেলার কোচদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এই বিভাগের বিসিবির ডেভেলপমেন্টের আরেক কোচ মনোয়ার আলী মনু। তিনি বলেন, ‘আমরা ক্রিকেটারদের খোঁজ নিচ্ছি। বাসায় বসে কিভাবে শরীরটাকে ফিট রাখতে পারে তার পরামর্শ দিচ্ছি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিভিন্ন ভিডিও পোস্ট করেও তাদের সহায়তা করছি। বিভাগের বিভিন্ন জেলায় যে কোচেরা আছেন, তাদের সাথেও যোগাযোগ রাখছি। যাতে তারা অন্তত ক্রিকেটারদের কিছুটা পরামর্শ দিয়ে ঠিক রাখতে পারেন।’
কোচ মনু আরও যোগ করেন, ‘এই সময়টাতে বাসায় বসে অনেক কিছু সম্ভব না হলেও কিছু কিছু কাজ করা সম্ভব। সেগুলো কিভাবে করা যেতে পারে সে ব্যাপারেই পরামর্শ দিচ্ছি।’

এএফসির দুইয়ে বাংলাদেশের গোলরক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
এএফসি কাপের অভিষেক ম্যাচে দুইটি পেনাল্টি সেভ। আর তাতেই এএফসি কাপের সেরা পেনাল্টি সেভের তালিকায় উঠে এসেছেন বসুন্ধরা কিংসের গোলরক আনিসুর রহমান জিকো। গতকাল রবিবার এশিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম এএফসি কাপের ফেসবুকে প্রকাশ করেছে পেনাল্টি সেভের সেরা গোলরকদের তালিকা। দ্বিতীয় স্থানে আছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের এই গোলরক।
গত মাসের ১১ তারিখে এএফসি কাপে মালদ্বীপের কাব টিসি স্পোর্টসের বিপে অভিষেক ঘটে আনিসুর রহমান ও তাঁর দল বসুন্ধরার। বসুন্ধরা পেয়েছে ৫-১ গোলের বড় জয়। দুই বারের পেনাল্টিতে আনিসুর সেভ করেছিলেন তিনটি শট। এক বার প্রথম শট রুখে দিলেও গোল লাইনের সামনে চলে আসার অপরাধে পুনরায় শটের সুযোগ পায় মালদ্বীপের কাব। পরের বারও বাঁ দিকে ঝাঁপ দিয়ে ঠেকিয়ে দেন তিনি। সে সুবাদেই বাংলাদেশের তরুণ এই গোলরকের নাম উঠে এসেছিল এএফসি কাপের সপ্তাহ সেরা ৫জন খেলোয়াড়ের তালিকায়। এএফসি কাপে সর্বোচ্চ তিনটি পেনাল্টি সেভ দিয়ে এক নম্বরে আছেন ফিলিপাইনের রোলান্ড মুলার।

হকি কর্মকর্তার ভিডিও কনফারেন্স
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ঘরে থাকুন, জনসমাগম এড়িয়ে চলুন-সরকারের এ নির্দেশনা মেনে দেশে এখন সবকিছুই বন্ধ। অন্যান্য েেত্রর মতো ক্রীড়াঙ্গনেরও একই অবস্থা। খেলা বন্ধ। বন্ধ ফেডারেশন ও কাবগুলো। প্রয়োজনীয় কাজগুলো অনলাইনে সম্পন্ন করছেন সবাই।
সে ধারাবাহিকতায় গতকাল রবিবার বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সভাপতি এয়ার মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত ভিডিও কনফারেন্সে জরুরী আলোচনা করেছেন নির্বাহী কমিটির বিভিন্ন কর্মকর্তার সঙ্গে। সভাপতি ২ঘন্টা নির্বাহী কমিটির কর্মকর্তাদের সাথে ভিডিও কনফারেন্স করেছেন। এ কনফারেন্সে যারা যোগ দিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন সহসভাপতি আব্দুর রশিদ শিকদার, সাজেদ এ এ আদেল, জাকি আহমেদ রিপন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইউসুফ, যুগ্ম সম্পাদক কামরুল ইসলাম কিসমত ও কোষাধ্য হাজী মোহাম্মদ হুমায়ুন।

অসহায়দের জন্য নিলামে মুশফিকের ব্যাট
ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সহায়তার হাত বাড়াতে নিজের জার্সি নিলামে তুলেছেন ইংলিশ ক্রিকেটার জস বাটলার। বিক্রিও হয়েছে চড়া দামে, ৬৫ হাজার পাউন্ডে। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও এমন কিছু করতে পারেন কিনা, তা ভেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। এমন আহ্বানের একদিনের মধ্যেই নিজের ব্যাট নিলামে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মুশফিকুর রহিম।
করোনায় আক্রান্ত দুস্থ মানুষদের সাহায্যের জন্যই প্রিয় ব্যাটটি নিলামে তুলতে চান তিনি। কেবল মুশফিকই নন, অন্য অনেক ক্রিকেটারই নিজেদের জার্সি, ব্যাটসহ ক্রিকেট সামগ্রী নিলামে তোলার চিন্তা-ভাবনা করছেন। অবশ্য বাংলাদেশে নিলামের কোনো প্ল্যাটফর্ম না থাকায় এ বিষয়টি নিয়ে এক ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। মুশফিকের বিভিন্ন বিষয় তদারকি করা স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি নিবকোর একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘মুশফিকের ব্যাট কীভাবে নিলামে উঠানো যায়, আমরা সেই চিন্তা ভাবনা করছি। তবে এখনো কিছু চূড়ান্ত হয়নি। ’

মাগুরা থেকে কাজ শুরু করলো সাকিবের ফাউন্ডেশন
ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনাকালে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে তহবিল গঠন করেছে ‘দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন। এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম এরই মধ্যে শুরু হচ্ছে সাকিবের নিজ জেলা মাগুরা থেকে।
নিজের জন্মস্থানে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম শুরু করতে পেরে দারুণ তৃপ্ত সাকিব আল হাসানও। যুক্তরাষ্ট্র থেকেই এই ফাউন্ডেশনের কর্মকা- এগিয়ে নিতে নির্দেশনা দিচ্ছেন। একের পর এক ভিডিও বার্তায় এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সমাজের সকল শ্রেণির মানুষের কাছে সহযোগিতা চাইছেন। এরই মধ্যে তার ফাউন্ডেশনে জমা পড়েছে ৩৮ লাখ ৬৪ হাজার ৬৭৯ টাকা। তার এমন উদ্যোগে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে কনফিডেন্স গ্রুপ, মিশন সেভ।

জোকোভিচের প্রস্তাবে হাত বাড়ালেন ফেদেরার-নাদাল
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রাণঘাতী মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে সকল প্রকার খেলাধুলা বন্ধ হয়ে আছে। চলতি বছরের শুরুতে টেনিসে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ায়। এরপর থেকে আর কোনো বড় টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ায়নি। এমনকি স্থগিত হয়ে আছে রোলা গাঁরো ও উইম্বলডন।
এমন অবস্থায় র‌্যাংকিংয়ে নিচের সারির খেলোয়াড়রা আছে সবচেয়ে বেশি বিপাকে। খেলা না থাকায় অর্থ আয়ের কোনো সুযোগ নেই তাদের। খেলোয়াড়দের এমন দুঃসময়ে এগিয়ে এসেছেন টেনিসের ৩ মহারথী। নোভাক জোকোভিচ, রজার ফেদেরার ও রাফায়েল নাদাল। তাঁরা পরিকল্পনা করছেন র‌্যাংকিংয়ে নিচে থাকা খেলোয়াড়দের পাশে থাকার। তাদের সঙ্গে একমত হয়েছে এটিপিও।

জাতীয় দলে ফেরার সুযোগ পাচ্ছেন রুশো
ক্রীড়া প্রতিবেদক
কলপ্যাক চুক্তিতে দণি আফ্রিকা ক্রিকেট ছেড়ে ইংল্যান্ডে পাড়ি দিয়েছিলেন রাইলি রুশো, কাইল অ্যাবোট, সিমন হার্মার ও ডুয়ানেন অলিভিয়ের মতো প্রতিভাবান ক্রিকেটাররা।
শুধু তাঁরাই নন, তাদের দেখানো পথে হেঁটেছেন একাধিক প্রোটিয়া ক্রিকেটার। কিন্তু ব্রিটেনের নেওয়া একটি সিদ্ধান্তে প্রভাব পড়তে যাচ্ছে কলপ্যাক চুক্তিতে ইংল্যান্ডে যাওয়া ক্রিকেটারদের। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ব্রিটেন। এ কারণে ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর ইংল্যান্ডে কোনো ক্রিকেট খেলতে পারবেন না। ফলে কাযত ‘বেকার’ হয়ে পড়বেন তাঁরা। এ অবস্থায় তাদের পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ক্রিকেট দণি আফ্রিকা।

হোয়াটমোরের ঠিকানা সেই ভারতেই
ক্রীড়া প্রতিবেদক
তাকে বলা হয় জাদুকরী কোচ। ১৯৯৬ সালে অখ্যাত শ্রীলঙ্কাকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন ডেভ হোয়াটমোর। এরপর বাংলাদেশের দায়িত্ব নিয়েও পেয়েছেন সাফল্য। তার কোচিংয়েই বড় দলগুলোকে হারাতে শেখে টাইগাররা। হোয়াটমোরের নামটি তাই এ দেশের মানুষ এখনও মনে রেখেছে। তবে একটা সময় আন্তর্জাতিক দলগুলোকে কোচিং করিয়ে ঈর্ষণীয় সাফল্য পাওয়া হোয়াটমোর, দীর্ঘদিন ধরে পড়ে আছেন রাজ্য আর ঘরোয়া ক্রিকেট নিয়ে।
মাঝে একবার ভারতের মতো বড় দলের কোচ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল, যদিও সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। তবে পাকিস্তান, জিম্বাবুয়েকে কোচিং করিয়েছেন হোয়াটমোর। মোট কথা, ছিলেন আন্তর্জাতিক আঙিনাতেই। তবে এখন তার চিন্তা ভাবনা অন্যরকম। যে ভারতের হেড কোচ হওয়ার দৌড়ে ছিলেন, ২০১৭-১৮ মৌসুমে সেই ভারতেরই রাজ্য দল কেরালা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের দায়িত্ব নেন হোয়াটমোর। তিন বছর ছিলেন সেখানে। সেই চুক্তি ফুরোনোর পর আরও একবার ভারতেই ফিরছেন বাংলাদেশের সাবেক কোচ। এবার হোয়াটমোর দায়িত্ব নিচ্ছেন বারোদার। শুধু কোচ নয়, তাকে ডিরেক্টর অব ক্রিকেট হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে ভারতের রাজ্য দলটি।

নেইমারকে পেতে তিন খেলোয়াড় ছাড়ছে বার্সা
ক্রীড়া প্রতিবেদক
আরেকটি দলবদলের আগে ফের নেইমারকে নিয়ে টানাহেঁচড়া শুরু হলো। গতবার এমন অবস্থা হয়েছিল যে ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নিশ্চিতভাবেই বার্সেলোনায় ফিরে আসছেন, ধরে নিয়েছিলেন ভক্ত-সমর্থকরা।
দিনের পর দিন আলোচনা আর নানা নাটকীয়তার পর শেষতক প্যারিস সেন্ট জার্মেইতে (পিএসজি) থেকে যান নেইমার। পিএসজি ছাড়বে ছাড়বে ভাব করেও ছাড়েনি। এবার ফের আলোচনা শুরু হয়েছে। সামনের দলবদলে নেইমারকে টার্গেট করে রেখেছে বার্সা, এমন খবর যেমন বের হচ্ছে, তেমনি তার বিকল্প অনেকের কথাও শোনা যাচ্ছে। এর মধ্যে স্প্যানিশ এক গণমাধ্যমের দাবি, নেইমারকে পিএসজি থেকে ছাড়িয়ে আনতে তিনজন খেলোয়াড় দিতে চায় বার্সেলোনা এবং তিন খেলোয়াড়ই ফ্রান্সের।

অসহায়দের হাজার টন খাবার দিলেন সালাহ
ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনায় স্থবির হয়ে পড়েছে সারা বিশ্ব। অসহায় হয়ে পড়েছে কোটি কোটি মানুষ। অসহায় এসব মানুষদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন বিশ্বের নামি-দামি তারকারা। সেই তালিকায় লিভারপুল ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ সালাহ।
দেশটির সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নিজ এলাকা ও আশপাশের এলাকার দুস্থ পরিবারগুলোর মাঝে হাজার টন খাদ্য ও তাজা মাংস বিতরণ করেছেন এই লিভারপুল ফরোয়ার্ড। করোনা মোকাবিলায় ভূমিকা রাখছে মোহাম্মদ সালাহ ফাউন্ডেশন। এর আগে হাসপাতালে ১০ লাখেরও বেশি ইউরো অনুদান দেন লিভারপুলের হয়ে গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা এই ফরোয়ার্ড।

করোনার প্রতিষেধক না এলে আবার পেছাবে অলিম্পিক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কৃত না হলে আগামী বছরও টোকিওতে অলিম্পিক বা প্যারালিম্পিক হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন না বিশ্বের প্রথম সারির স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী দেবী শ্রীধর। তিনি পরিষ্কার জানিয়েছেন, একমাত্র কার্যকরী ও সাশ্রয়ী মূল্যের চিকিৎসার সন্ধান পাওয়া গেলেই সেটা সম্ভব। না হলে নয়।
এই সপ্তাহেই আইওসি ও টোকিওর আয়োজকেরা পরের বছর সুষ্ঠুভাবে অলিম্পিক আয়োজনের ব্যাপারে নতুন করে আশার কথা শুনিয়েছেন। যদিও একইসঙ্গে আইওসির এক কর্তা জন কোটস আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, মহামারীর দাপট পরের বছরের ক্রীড়াসূচিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। তাঁর দাবি, সব চেয়ে বড় সমস্যাটা দাঁড়াবে দর্শকসমাবেশ ও অ্যাথলেটদের স্বাস্থ্য পরীা নিয়ে।

আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল স্থগিত
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রাণঘাতি করোনভাইরাসের কারণে আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় আফ্রিকান কাব ফুটবল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও কনফেডারেশন কাপ ফাইনাল স্থগিত করা হয়েছে। গতকাল রবিবার এক বিবৃতিতে এ খবর নিশ্চিত করেছে কনফেডারেশন অব আফ্রিকান ফুটবল (সিএএফ)।
সিএএফ জানায়, ‘পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত ২০১৯-২০২০ মৌসুমের কনফেডারেশন কাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ স্থগিত করা হলো।’ ৫০হাজার ধারণমতা সম্পন্ন ক্যামেরুনের বন্দর নগরী দুয়ালার জাপোমা স্টেডিয়ামে আগামী ২৯ মে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। আর কনফেডারেশন কাপের ফাইনাল আগামী ২৪ মে মরক্কোর রাজধানী রাবাতের দ্য প্রিন্স মউলা আবদিল্লাহ স্টেডিয়ামে হবার কথা ছিল।

তিন মাস পর দেশে ফিরলো উহান জাল
ক্রীড়া প্রতিবেদক
মরণঘাতী করোনভাইরাসের কারণে স্থবির সারা বিশ্ব। লকডাউন রয়েছে অনেক দেশ। আর তাই স্পেনে ১০৪ দিন আটকা পড়েছিলো চায়না সুপার লীগের (সিএসএল) দল উহান জাল। দীর্ঘ তিন মাস পর নিজেদের পরিবারের কাছে ফিরলো উহান জাল। নিজ শহর শহর ও পরিবারের কাছে ফিরতে পেরে আবেগপ্রবন হয়ে পড়েছে দলের সদস্যরা।
করোনাভাইরাসে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু ও সংক্রমনের কারণে গেল জানুয়ারি থেকে উহান শহরটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো। শহরটি থেকে এখন লকডাউন তুলে নেয়া হয়েছে। শনিবার রাতে উহানে ফেরার পর ট্রেন স্টেশনে দলটির সাথে হাজার-হাজার সমর্থক সাাৎ করেছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের রিপোর্টে এ কথা বলা হয়েছে। মাস্ক পড়ে, হাতে ফুলের তোড়া নিয়ে খেলোয়াড় যখন দাঁড়িয়ে ছিলো, তখন সমর্থকরা কমলা রঙের পোশাক ও ব্যানার নিয়ে গান গাচ্ছিলো।

মাঠে ফিরতে ভয় হচ্ছে উইলিয়ানের
ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনাভাইরাসে স্থবির সারা বিশ্ব। এ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কোন সংকেতই দেখা যাচ্ছে না। অথচ দ্রুতই মাঠে খেলা গড়ানোর চিন্তা করছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপ। আগামী মাসের শেষের দিকে লিগ শুরুর আভাসও দিয়ে রেখেছে তারা।
এমন আভাসের পর ভয়ে শঙ্কিত হয়ে উঠেছেন চেলসির ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার উইলিয়ান। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ ভাইরাস নিয়ে সবুজ সংকেত না দিলে মাঠে নামতে ভয় পাচ্ছেন ৩১ বছর বয়সী উইলিয়ান। তিনি বলেন, ‘ভাইরাসের সংক্রমণ আছে এমন একজনের সঙ্গে আমি মাঠে খেললাম বা আমার কোন সতীর্থের ভাইরাস আছে তার সঙ্গে আমি মিশলাম। তাতে তার থেকে আমি সংক্রমিত হতে পারি। এরপর আমি অসুস্থ হয়ে পড়লাম। তখন বিষয়টা খারাপ দিকেই যাবে। আমার ভাবতেই ভয় লাগছে’।

বড় তির মুখে পড়বে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের তোপে বড় তি সম্মুখীন হতে যাচ্ছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সাবেক অধিনায়ক ব্রেন্ডন টেইলর। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের ক্রিকেটের জন্য এই পরিস্থিতি বড় ধাক্কা। এখান থেকে ঘুড়ে দাঁড়ানো সহজ হবে না। আমাদের অনেক বেশি ম্যাচ খেলা দরকার। কারণ আমাদের খেলার পরিমাণ খুবই কম। তাই ক্রিকেট খেলার জন্য মুখিয়ে থাকি। খেলোয়াড়রা তাদের ফিটনেস নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেছে। তাই সবদিক দিয়েই আমরা সমস্যা পড়ে গেছি।’
এমনিতেই খুব বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ পায় না জিম্বাবুয়ে। আর্থিক সমস্যার কারণে বিভিন্ন দেশের কাছ থেকে সহায়তাও পায় তারা। তারপরও ২০২০ সাল নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখছিল জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট। কারণ এ বছর তাদের বেশকটি দ্বিপাকি সিরিজ ছিল। ইতোমধ্যে দেশের মাটিতে শ্রীলংকার বিপে ও বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের বিপে সিরিজ খেলেছে জিম্বাবুয়ে। এ মাসে আয়ারল্যান্ড সফর ছিল জিম্বাবুয়ের। পরবর্তীতে আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও নেদারল্যান্ডসের বিপে সিরিজ ছিল তাদের। কিন্তু এখন সবই অনিশ্চিত।

বিশ্বকাপ আয়োজনে আইসিসির বিভিন্ন পরিকল্পনা
ক্রীড়া প্রতিবেদক
করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে স্থগিত করা হয়েছে সকল ক্রীড়া ইভেন্ট। চলতি বছরের অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপ নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। তবে এর মাঝেই বিশ্বকাপকে ঘিরে নানা পরিকল্পনা সাজাচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
সম্প্রতি আইসিসির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, আইসিসি ইভেন্ট যেভাবে হয় সেভাবেই পরিকল্পনা সাজাচ্ছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সে অনুপাতেই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে মুখপাত্র বলেন, এই মহামারির ভেতর কিভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করা যায় তার সব বিকল্প খোঁজ করা হচ্ছে। আমরা আয়োজক দেশ তথা অস্ট্রেলিয়ার সরকারের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ ও কর্তৃপরে সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। তাদের সঙ্গে পরামর্শ অব্যাহত রয়েছে। সঠিক সময়ে আমাদের সিদ্ধান্ত জানানো হবে।