খুলনাঞ্চল রিপোর্ট:
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন (বরখাস্তকৃত) আবদুল মাজেদের ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর তার বেহেস্ত চেয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন এক যুব মহিলা লীগ নেত্রী। শনিবার (১১ এপ্রিল) দিবাগত রাতে মাজেদের ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর রাজধানীর খিলক্ষেত থানা যুব মহিলা লীগের সভাপতি আইরিন রিয়া ওই স্ট্যাটাসটি দেন। এরপরই শুরু হয় সমালোচনা। আইরিন রিয়া তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছিলেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন, বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। আলহামদুল্লিাহ! আল্লাহ ওনাকে জান্নাতবাসী করুন।
এ নিয়ে ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান সজীব লিখেছেন, আরেক কুলাঙ্গারকে দেখুন! এই মহিলা বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্টের খুনি কুলাঙ্গার মাজেদের জন্য জান্নাত চেয়েছে! এভাবেই হাজার হাজার মোস্তাকের অনুসারী আওয়ামী লীগে প্রবেশ করেছে! সে আবার খিলক্ষেত থানা যুব মহিলালীগের সভাপতি, তার প্রোফাইল তথ্য অনুযায়ী। এর দায় কার? ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রী রুশি চৌধুরী লিখেছেন, আওয়ামী যুব মহিলালীগের খিলক্ষেত থানা ইউনিটের সভাপতি আইরিন রিয়া! বঙ্গবন্ধুর খুনি, বঙ্গবন্ধুর পরিবারের খুনি, খুনি মাজেদের জান্নাত কামনাকারী একজন মুমিন বান্দা যুব মহিলালীগের এই আরেক কালি মাখানো ভ্রু এর মহিলা। পোস্ট আবার এডিটও করেছে! কেউ বলবেন না যে এইটা রিয়েল আইডি না। এই মহিলাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হউক। “এর দায় সংগঠন নেবে না টাইপ কোন প্রেস রিলিজ চাই না!” “সরাসরি বহিষ্কার চাই।” যুব মহিলালীগে থেকে এই ধরনের মহিলাদের ঝাটায় বের না করা পর্যন্ত পাপিয়াদের সংখ্যা বাড়বেই। আইডি লিংক (দুইটা আইডি, দুইটায়ই সেইম পোস্ট ছিল)। তানভির আহমেদ রাসেল লিখছেন, খিলক্ষেত থানা মহিলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি আইরিন রিয়া জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যতম হত্যাকারী খুনি মাজেদের জান্নাতবাসী দেখতে চান বলে পোস্ট দেয়, প্রতিটি পদে পদে হাইব্রিড জামাতি বামাতিতে ভরে গেছে, একদম পাপিয়ার কপি পেস্ট এই আইরিন রিয়া।










































