
আ.লীগ নেতা সাগর আর নেই…
স্টাফ রিপোর্টার।।
মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সম্মানিত সদস্য ও মহানগর যুব লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান সাগর আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ……. রাজেউন)। তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতরাতে মারা গেছেন। কথিত সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন বলে প্রচার হলেও সাগরের মৃত্যু রহস্যজনক বলে পরিবার ও স্বজনরা দাবি করেছেন। এদিকে মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুজ্জামান সাগরের মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহ্ উদ্দিন জুয়েল, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী।
২১নং ওয়ার্ডে আহবায়ক কমিটি গঠন জহর আহবায়ক; মুন্সি সেলিম সদস্য সচিব
খবর বিজ্ঞপ্তি
২১নং ওয়ার্ডে ১১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি দিয়েছে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ। কমিটিতে জামিরুল হুদা জহরকে আবহায়ক, মুন্সি মো. সেলিম হোসেনকে সদস্য সচিব খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি কাজি আমিনুল হক, শ্যামল সিংহ রায়, কাউন্সিলর শামছুজ্জামান মিয়া স্বপন, মো. শাহজাহান অরুন, মো. শফিকুর রহমান, মো. জিয়াউর রহমান জিয়া, উজ্জ্বল ব্যানার্জী, মো. কামাল হোসেন তোতা ও আব্দুর রহমানকে সদস্য করে এ আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্মেলনে মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি উপহার দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়।
ডিসি অফিসের সামনে বেসরকারী জুট মিল শ্রমিকদের অনশন কর্মসূচি সফলের লক্ষে প্রস্তুতি সভা
ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
বেসরকারী পাট সুতা বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন এর পুর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ি । মিল চালু ও শ্রমিক কর্মচারীদের চুড়ান্ত পাওনা পরিশোধের দাবিতে ২৪ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় অনশন কর্মসূচি সফল করার লক্ষে এক প্রস্তুতি সভা মঙ্গলবার সন্ধায় সোনালী জুট মিল ওয়াকার্স ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারী পাট সুতা বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি শেখ আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও প্রচার সম্পাদক সাইফুল্লাহ তারেকের পরিচালনায় সভায় বক্তৃতা করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক গোলাম রসুল খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম , এ ওয়াহেদ মুরাদ, আঃ ওহাব, আঃ ওয়াদুদ, মোঃ সেকেন্দার আলী, লিয়াকত মুন্সি, মোঃ বাবুল, লুৎফর, কাশেম , বিল্লাল মোড়ল,বিল্লাল শেখ , মোঃ কেসমত আলী, মোঃ আলাউদ্দিন, আবু তালেব, হোসেন প্রমুখ । সভা শেষে সোনালী জুট মিল এ্যাডহক কমিটি ও শ্রমিক নেতাদের উদ্যোগে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে এক দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই প্রথম একুশে পদক শুরু করেছিলেন: এজাজ
।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খুলনা জেলা বিএনপির আহবায়ক আমির এজাজ খান ভাষা আন্দোলনের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সমৃদ্ধ দেশ ও জাতি গঠনে সকলকে আত্মনিয়োগ করার আহবান জানিয়ে বলেন, পৃথিবীতে আমরাই একমাত্র জাতি যারা ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছি। ভাষা আন্দোলনই আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি রচনা করেছে। সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় মহান শহিদ দিবস ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপি কার্যালয়ে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সকল ভাষা শহীদ ও ভাষা সৈনিকদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে এজাজ আরো বলেন, দেশের উন্নয়নের গল্প রাতের ভোটে নির্বাচিত সরকারের তামাশা ছাড়া কিছুই নয়। উন্নয়ন বলতে কেবল সরকার দলীয় নেতা এমপি ও মন্ত্রীদের সম্পদ বেড়েছে। সরকার বিএনপিকে নির্মূল করার অপচেষ্টা করেছিলো কিন্তু তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়নি; তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি এখন অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে পরিণত হয়েছে।
৭০ বছর আগে ভাষা আন্দোলনের যে মূল চেতনা ছিল সেই চেতনা ছিল আমাদের স্বাধীকারের চেতনা, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার চেতনা। বাক-স্বাধীনতা থাকবে এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা থাকবে। সবচেয়ে বড় বিষয় ছিল দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। এই চেতনাকে ধারণ করেই আমরা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধ করেছি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই প্রথম একুশে পদক শুরু করেছিলেন। অবৈধ সরকার জনগণের ওপরে চেপে বসে আছে যারা জনগণের সমস্ত আশা আকাক্সক্ষাকে দমন করছে এবং একুশের যে চেতনা সেই চেতনাকে তারা ভুলুণ্ঠিত করে দিয়েছে। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া অসুস্থ অবস্থায় গৃহবন্দী হয়ে আছেন। আমাদের নেতা তারেক রহমান মিথ্যা মামলায় নির্বাসিত অবস্থায় আছেন। অগণিত মানুষ মামলায় জড়িত। তিনি দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অবৈধ সরকারের বিদায় ঘটবে ইনশাল্লাহ।
সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, জেলার সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি, বিএনপি নেতা স ম আব্দুর রহমান, কাজী মো. রাশেদ, সৈয়দা রেহেনা ঈসা, আজিজুল হাসান দুলু, এ্যাড, তসলিমা খাতুন ছন্দা, মোস্তাউল বারী লাভলু, আজিজা খানম এলিজা, মনিরুল হক বাবুল, কাজী মাহমুদ আলী, আবুল কালাম জিয়া, শেখ সাদি, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, বদরুল আনাম খান, সুলতান মাহমুদ, মোল্লা মোশারেফ হোসেন মফিজ, একরামুল হক হেলাল, নাজির উদ্দিন নান্নু, শামিম কবীর, এবাদুল হক রুবায়েত, আতাউর রহমান রুনু, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, ইশতিয়াক আহম্মেদ ইশতি, আহসান উল্লাহ বুলবুল, শামসুল বারী পান্না, গাজী আফসার উদ্দিন মাস্টার, নাসির খান, এইচ এম আসলাম, শফিকুল ইসলাম শফি, সিরাজুল ইসলাম লিটন, জি এম মঈন উদ্দিন, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মুনতাসীর আল মামুন, তরিকুল ইসলাম তারেক, নিঘাত সীমা, আনজিরা খাতুন, শাহনাজ সরোয়ার, শাম্মী আক্তার, সেতারা সুলতানা, এ্যাড, কানিজ ফাতেমা আমিন, মাহমুদা কাজল, আবু জাফর, মেশকাত আলী, এ্যাড, মারুফ হোসেন, দিপু প্রধান, আমিন আহম্মেদ, হুমায়ুন আহমেদ, কে এম মাহবুব আলমসহ অনেকে। আলোচনা সভায় সঞ্চালনা করেন কে এম হুমায়ূন কবীর। আলোচনা শেষে দোয়া মহাফিল অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে রাত১২.০১ মিনিটে বিএনপির নেতৃবৃন্দ শহীদ হাদিস পার্কের শহিদ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ২১ ফেব্রুয়ারি সুর্য্যেদয়ের সাথে সাথে মহানগর বিএনপির সকল কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ এবং কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৭টায় খালিশপুরে এবং ৮টায় দৌলতপুরে কালো ব্যাচ সহকারে প্রভাতফেরীতে নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহন করেন।
মহান শহীদ দিবসে কেইউজে’র আলোচনা সভা ও দোয়া
খবর বিজ্ঞপ্তি
মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে)’র উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় ইউনিয়ন কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাঈয়েদুজ্জামান সম্রাট এর পরিচালনায় বক্তৃতা করেন ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, শেখ আবু হাসান ও ফারুক আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মলি¬ক সুধাংশু ও মোঃ শাহ আলম, বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম-মহাসচিব হেদায়েৎ হোসেন মোল¬া, বিএফইউজে’র কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ হুমায়ুন কবির বিএফইউজে’র সাবেক নির্বাহী সদস্য আসাদুজ্জামান রিয়াজ, ইউনিয়নের সহ-সভাপতি মহেন্দ্রনাথ সেন, যুগ্ম-সম্পাদক নেয়ামুল হোসেন কচি, কোষাধ্যক্ষ অভিজিৎ পাল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নূর হাসান জনি, কার্যনির্বাহী সদস্য আল মাহমুদ প্রিন্স, ইউনিয়নের সদস্য সুনীল দাস, মোঃ জাহিদুল ইসলাম, শেখ আব্দুল¬াহ। এসময় উপস্থিত ছিলেন আলমগীর হান্নান, ওয়াহেদ-উজ-জামান বুলু, বাবুল আক্তার, রাশেদুল আহসান বাবলু, মীর মনিরুজ্জামান, রিতা রানী দাস, মিলন হোসেন, হাসানুর রহমান তানজির, দেবব্রত রায়, আব্দুস সাত্তার, শেখ জাহিদুল ইসলাম, শশংক স্বর্ণকার, কবিরুল ইসলাম বাপ্পী, সাগর সরকার প্রমুখ। এর আগে দিবসের প্রথম প্রহরে শহীদ হাদিস পার্কের শহীদ বেদিতে শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
একুশে ফেব্রুয়ারি মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রেরনা যুগিয়েছে ভাষা আন্দোলন: জেলা আ.লীগ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ বলেছেন,বাঙ্গালীর প্রাণের দিবস একুশে ফেব্রুয়ারির তাৎপর্য বহুমাত্রিক। এদেশের মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রেরনা যুগিয়েছে ভাষা আন্দোলন। ১৯৫২ সালের পর এদেশের আপামর জনগনের অধিকার রক্ষার প্রতিটি আন্দোলনে একুশে ফেব্রুয়ারি চেতনার বাতিঘর হয়ে পথ দেখিয়েছে।এ দিনটি এ দেশের মানুষের কাছে আত্মত্যাগ ও জনগনের অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত। নেতৃবৃন্দ বলেন, ৭০ বছর আগের এই দিনে মাতৃভাষার অধিকার রক্ষার দাবিতেশাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে অকুতোভয় বীর সন্তানরা নেমে এসেছিল রাজপথে। বুকের তাজা রক্ত দিয়ে মাতৃভাষার দাবিতে আত্মদানের এক অভ’তপূর্ব অধ্যায় সেদিন সংযোজিত হয়েছিল মানব ইতিহাসে। নেতৃবৃন্দ এসময় আরও বলেন, ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাকে এদেশের রাষ্ট্রভাষার দাবিতে এক কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে পুলিশের গুলীতে প্রাণ হারান সালাম,রফিক,জব্বার,বরকত,শফিক।তাঁদের রক্তের পথ বেয়ে বাংলা এ দেশের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি পায়। বাংলা ভাষার জন্য আত্মত্যাগের দিনটির স্বীকৃতি এখন বিশ্বজুড়েই। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকানিাতক প্রচেষ্টায় ১৯৯৯সালে জাতিসংঘের স্বীকৃতির পর প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে সারা বিশ্বেই পালন করা হয়। খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে দলীয় কার্যালয়ে একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২২ উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে রোগমুক্তি কামনা করে গতকাল শুক্রবার বিকালে দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি,জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ। এসময় বক্তৃতা করেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন-সম্পাদক বিশিষ্ঠ আইনজীবী এ্যাড. সুজিত অধিকারী,সহ-সভাপতি যথাক্রমে
কাজী বাদশা মিয়া, এএফএম মাকসুদুর রহমান, এ্যাডভোকেট রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, অধ্যক্ষ দেলোয়ারা বেগম, এ্যাডভোকেট নিমাই চন্দ্র রায় ও রফিকুর রহমান রিপন,যুগ্ম-সম্পাদক সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, কামরুজ্জামান জামাল ,তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অজয় সরকার, শ্রম সম্পাদক মোজাফফর মোল্যা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোখলেসুর রহমান বাবলু, সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আবু সালেহ,র্ , উপ-দফতর সম্পাদক সায়েদুজ্জামান সম্রাট, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খায়রুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য অসিত বরণ বিশ্বাস, অধ্যক্ষ ফ ম ছালাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, শিউলি সরোয়ার, শাহিনা আক্তার লিপি, ফারজানা নিশি, মোঃ জামিল খান,জেলা কৃষকলীগের সাধারনসম্পাদক মানিকউজ্জামান অশোক,জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হোসনেয়ারা চম্পা,সাধরণ-সম্পাদক নাজনীন নাহার কনা,জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শেখ মোঃ আবু হানিফ,সাধারণ-সম্পাদক আজিজুর রহমান রাসেল, জেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক সর্দার জাকির হোসেন,অজিত বিশ্বাস, সদস্য মাহফুজুর রহমান সোহাগ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পারভেজ হাওলাদার,সাধারন সম্পাদক মোঃ ইমরান হোসাইন,সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মারুফ হোসাইন,যুগ্ম-সম্পাদক তানভীর রহমান আকাশ,মৃনাল কান্তি বাছাড়,কাজী নাজিব,আরিফুল ইসলাম কাজল,চিশতী নাজমুল ,বাধন হালদার,শেখ রাসেল,পলাশ রায়,সাইফুল ইসলাম সাইফ প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন,জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জোবায়ের আহম্মেদ খান জবা। সভায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এমপির দীর্ঘায়ু কামনা,সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপির সুস্থ্যতা কামনা,জেলা আওয়ামীলীগের সকল অসুস্থ্য নেতৃবৃন্দের রোগ মুক্তি কামনা করেও এসময় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভিন্ন উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ এবং জেলার সকল অঙ্গ ও সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ভাষা শহীদদের প্রতি সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জু’র নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন
খবর বিজ্ঞপ্তি।।
২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টায় খুলনা বিএনপির উদ্যোগে ভাষা শহীদদের স্মরণে শহীদ হাদিস পার্কে খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি’র নেতৃত্বে বিএনপি, থানা ওয়ার্ড, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এসময় ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। নেতৃবৃন্দ র্যালী ংসহকারে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন শেখ মোশাররফ হোসেন, শেখ ইকবাল হোসেন, শাহজালাল বাবলু, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, ইকবাল হোসেন খোকন, সাদিকুর রহমান সবুজ,
এড. গোলম মওলা, মজিবর রহমান ফয়েজ, এড. মশিউর রহমান নান্নু, রবিউল ইসলাম রবি, শামসুজ্জামান চঞ্চল, আবু সাঈদ শেখ, জামিরুল ইসলাম জামিল, শরিফুল ইসলাম বাবু, আকরাম হোসেন খোকন, ইশহাক তালুকদার, মোল্যা মুজিবর রহমান, ওমর ফারুক, সরদার রবিউল ইসলাম রবি, মহিউদ্দিন টারজান, জাহিদ কামাল টিটু, এড আবুল হোসেন হাওলাদার, তৌহিদুল ইসলাম খোকন, আব্দুল জব্বার, মাজেদা খাতুন, জাকারিয়া লিটন, খান মঈনুল হাসান মিঠু, লিটু পাটোয়ারী, হুমায়ুন কবির, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, কামাল উদ্দিন, হেদায়েত হোসেন হেদু, মনিরুল ইসলাম, মাহাবুবুর রহমান লিটু, মোহাম্মদ আলী, সেলিম বড় মিয়া, আব্দুল হাকিম, নুরুল ইসলাম লিটন, গোলাম নবী ডালু, ডা. হালিম মোড়ল, ওহাব শরীফ, এস এম মাহমুদ, আকবার হোসেন, আমিন হোসেন মিঠু, ওলিয়ার রহমান, মেজবাউল আলম পিন্টু, সামসুর রহমান রানা, শফিকুল ইসলাম শাহিন, খন্দকার সোহেল রানা, সুলতান মাহমুদ সুমন, মাসুদ রেজা, আশিকুর রহমান আশিক, ওহেদুর রহমান বাবু, শহিদুল ইসলাম, গৌতম দে হারু, রাজিবুল আলম বাপ্পী, এমরান হোসেন, আতিয়ার রহমান, খান রাজিব হাসান, শহিদ হাওলাদার, তরিকুল আলম, হারুনার রশিদ, শেখ আল মামুন, সৈয়দ হুমায়ুন কবির, মিজানুর রহমান মিজান, বাবুল গাজী, আবু তালেব, মাসুদ রুমী, কবির বিশ্বাস, খায়রুল বাশার, কবির হোসেন, কাদের মিয়া, আনোয়ার হোসেন, মোসলেম উদ্দিন, মোস্তফা জামান নোমান, লাকি আক্তার, শেখ সাজ্জাদ আলী, পিএম সহিদ, আশিকুর রহমান সেলিম, শেখ জাহাঙ্গীর, জাহিদ শেখ, এস এম মাসুম প্রিন্স, কামরুজ্জামান সিরাজ, লায়লা পারভীন, হারুন মোল্যা, নজরুল ইসলাম নান্না, ঈশা শেখ, সিরাজুল ইসলাম বাবলু, সাইফুল ইসলাম, মো. মারুফ হোসেন, কামাল হোসেন, আব্দুল গফুর সরদার, সেলিম কাজী, জাহাঙ্গীর মল্লিক, মোল্যা আলী আহমেদ, লাভিন মোল্যা, নুর আলম, মো. ফারুক হোসেন, সাচ্চু ব্যাপারী, হুমায়ুন, মারুফুর রহমান, জুয়েল রহমান, মো. মুন্না, সোমা আক্তার প্রমুখ।
খুলনায় স্কাউটস এর বিপি দিবস পালিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা স্যার রবার্ট স্টিফিনসন স্মিথ লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল অব গিলওয়েল (বিপি) এর জন্মদিন উপলক্ষে সারা বিশে^র ন্যায় খুলনাতে পালন হয় বিপি দিবস-২০২২। রেলওয়ে জেলা কার্যালয়ে ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২২ বিকালে বাংলাদেশ স্কাউটস,খুলনা রেলওয়ে জেলার আয়োজনে খুলনা জেলা রোভার ও খুলনা নৌ জেলার সহযোগীতায় স্কাউটস পতাকা ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে বিপি দিবস এর কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর শহরব্যাপি বর্নাঢ্য র্যালী,আলোচনা সভা,কুইজ প্রতিযোগীতা ও কেক কাটার মাধ্যমে অনাড়ম্বরভাবে ১৬৫ তম বিপি দিবস উদযাপিত হয়। বাংলাদেশ স্কাউটস খুলনা রেলওয়ে জেলা কমিশনার মোঃ মুজিবর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ডিআরসি ট্রেনিং,রোভার অঞ্চল শিকদার রুহুল আমিন (এলটি)। বাংলাদেশ স্কাউটস খুলনা রেলওয়ে জেলার যুগ্ম সম্পাদক এ্যাড.মোঃ মাছুম বিল্লাহ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন খুলনা রেলওয়ে জেলা সম্পাদক বেনজির আহমেদ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডিআরসি ট্রেনিং নৌ অঞ্চল মোঃ হাবিবুর রহমান,খুলনা জেলা রোভার কমিশনার তাপস কান্তি সমাদ্দার,খুলনা জেলা রোভার সম্পাদক মোঃ মাহমুদ হোসেন,ডিআরসি স্পেশাল ইভেন্ট রেলওয়ে অঞ্চল ফজলুল বারী মল্লিক,সুন্দরবন রেলওয়ে মুক্ত স্কাউট গ্রুপের সভাপতি এ্যাড.মোমিনুল ইসলাম,সহ-সভাপতি এএলটি মোঃ নজরুল ইসলাম,সম্পাদক এস এম জি নেওয়াজ,জেলা রোভার লিডার মোঃ শফিকুল ইসলাম,তুলি রানী মন্ডল,রোভার মোঃ আকাশ,রোভার তুলতুলি চক্রবর্তী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে কোরআন থেকে তেলোওয়াত করেন রোভার মোঃ ইসমাইল হোসেন,গীতা থেকে পাঠ করেন রোভার তুলতুলি চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ স্কাউটস খুলনা রেলওয়ে জেলা,জেলা রোভার ও নৌ অঞ্চল এর রোভার লিডার,স্কাউটার সহ প্রায় ১০০ জন কাব,স্কাউট ও রোভার অংশগ্রহন করেন।
জাতির পিতা ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বারবার কারাবরণ করেছেন- সালাম মূশের্দী এমপি
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন, মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলা সহ বিশ্বের সব ভাষাভাষীদের সংস্কৃতির মানুষের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করছি। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে গত ১৩ বছরে দেশের আর্থসামাজিক খাতের প্রতিটা ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন করেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার।
তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বারবার কারাবরণ করেছেন। স্বাধীন বাংলাদেশে জাতির পিতা সকল দাপ্তরিক কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহারের নির্দেশ দেন। তিনি সংবিধানে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করেন।
তিনি আরও বলেন, কোভিড-১৯ কালীন সময়ে কোন মানুষ না খেয়ে ছিল না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে যাদের জমি আছে ঘর নেই তাদের ঘর প্রদান করছেন। আর যাদের জমি ও ঘর কিছুই নেই তাদেরকে জমি ও ঘর দুটোই দিচ্ছেন বর্তমান সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর নির্দেশনা অনুযায়ি দলমত নির্বিশেষে এখন থেকেই সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান।
মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলায় মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে গৃহহীনদের জন্য ব্যক্তিগত অর্থায়নে নির্মিত ঘরের নির্মাণ কাজের পরিদর্শন, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ রশীদ দাতব্য চিকিৎসালয় উদ্বোধন, দিঘলিয়া এফডব্লিউসি আরএইচডি-পানিগাতি পথের বাজার সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধন, ব্রহ্মগাতি সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন, উপজেলার হাজীগ্রাম আশ্রয়ন প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের গৃহ হস্তান্তর, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, আরডিএন প্রাইমারি স্কুল থেকে দৌলতপুর ফেরীঘাট সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও দেয়াড়া আফতাব মাষ্টারের বাড়ি গোয়ালপাড়া সড়কের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফ ম আব্দুস সালাম, দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ এর সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোল্লা আকরাম হোসেন, খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক আহবায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন, দিঘলিয়া উপজেলা মহিলা লীগ এর সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সামসুন নাহার, সেনহাটী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এর সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান, দিঘলিয়া সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ আনসার আলী, সাধারণ সম্পাদক শেখ মুন্জুর হোসেন, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম রিতা, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শেখ মনিরুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি মোঃ রায়হান উদ্দিন, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান তারেক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মঈন শেখ, উপজেলা যুবলীগ এর সহ সম্পাদক হাচান মাহমুদ রাকিব, শেখ সাইদুর রহমান, রুবেল শেখ, মহিলা লীগের নেতৃ পাখি বেগম,আল্পনা বেগম,জয়ন্তী রানী রায়,ঝর্ণা বেগম,পারুল বেগম,আর্জিনা বেগম,অমলা রানী,লক্ষীরানী,সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক সৈয়দ জামিল মোর্শেদ মাসুম, যুগ্ম আহবায়ক শেখ আলামিন, যুব মহিলালীগ নেতৃ স্বর্ণালি হাচান,নয়ন তারা,ফাতেমা বেগম প্রমূখ।
অমর একুশে ফেব্রুয়ারী ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে জেলা তাঁতী লীগের শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ
খবর বিজ্ঞপ্তিঃ
অমর একুশে ফেব্রুয়ারী ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে খুলনা জেলা তাঁতীলীগের উদ্দ্যেগে প্রভাত ফেরীর আয়োজন করা হয়। প্রভাত ফেরী শেষে শহীদ হাদিস পার্কের শহীদ মিনারে ভাষা আন্দোলনে শহীদ সকল শহীদের উদ্দ্যেশে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা তাঁতীলীগের যুগ্ম-আহবায়ক শহিদুল ইসলাম ইমন, সদস্য সচিব কাজী আজাদুর রহমান হিরক, রেবা সুলতানা, জি.এম জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ সোহেল খান, মিলন মল্লিক, রাসেল হাওলাদার, মাহামুদুল হক রুবেল, আলামিন মোল্যা, মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক, আনিছুর রহমান রিপন, মোজাহিদুল মিনা, আসলাম হাওলাদার, এস এম শাহিন মুন্না, মহাদেব চন্দ্র দাস, পবিত্র বাড়ই মানিক, পপি তরফদার, সর্বরী মিস্ত্রী, তড়িৎ মল্লিক, সঞ্জিত মিস্ত্রী, প্রবীর মন্ডল, কনক বিশ্বাস, প্রনব মিস্ত্রী, উত্তম বালা, অমিতোষ তরফদার প্রমুখ।
অগ্রণী ব্যাংক ফুলবাড়ীগেট শাখার নবাগত ব্যবস্থাপকের বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা) প্রতিনিধি
অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড ফুলবাড়ীগেট শাখার আয়োজনে নিজস্ব কার্যালয়ে অগ্রণী ব্যাংক লিঃ এর নবাগত ব্যবস্থাপক মোঃ আসাদুল হক এর বরণ এবং ব্যবস্থাপক সুমন কুমার রায় এর বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। গতকাল মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারী)অগ্রণী ব্যাংক ফুলবাড়ী শাখার নবাগত ব্যবস্থাপক মোঃ আসাদুল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ফুলবাড়ীগেট বাজার বণিক সমিতির সভাপতি বেগ লিয়াকত আলী। অগ্রণী ব্যাংক লিঃ শাখার কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মান্নান শেখ এর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি খুলনা মহানগর এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলাম, ফুলবাড়ীগেট মমতা নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান এ্যাড. মোঃ রফিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক সৈয়দ এনামুল হাসান ডায়মন্ড, ফুলবাড়ীগেট মিরেরডাঙ্গা পূবালী ব্যাংক লিঃ শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ মনিরুল আমিন, মহেশ^রপাশা অগ্রণী ব্যাংক লিঃ এর ব্যবস্থাপক মোঃ শাহিদুল ইসলাম সহ অগ্রণী ব্যাংক এর কর্মকর্তা কর্মচারী ও গ্রাহকবৃন্দ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন অগ্রণী ব্যাংক হচ্ছে একটি রাষ্ট্রীয় ব্যাংক, এদেশের সকল মানুষের ব্যাংক। যে ব্যাংক থেকে মানুষ লোন এর মাধ্যমে সেবা নিয়ে অনেক উপকৃত হচ্ছেন। ব্যাংক এর বিভিন্ন পদের কর্মকর্তাদেরকে মনে রাখতে হবে গ্রাহকদেরকে সঠিক সেবা দিয়ে অগ্রণী ব্যাংকের সুনামকে ধরে রাখতে হবে।
খুকৃবিতে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন
খবর বিজ্ঞপ্তি
একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে শোকে বিহ্বল, গৌরবে গৌরবোজ্জ্বল এক অনন্য দিন। একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। মানব ইতিহাসের দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি মায়ের ভাষার অধিকার রক্ষায় বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন বাংলা মায়ের অকুতোভয় বীর সন্তানেরা। তাঁদের রক্ত ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা উপনীত হই ১৯৭১ এ। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই বীজ বপণ হয়েছিল বাঙ্গালী জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতা লাভ। দিবসটি উপলক্ষ্যে খুলনা কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের (খুকৃবি) পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচীর মধ্যে ২১ ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রহরে বিশ^বিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুর রহমান খান এর নেতৃত্বে বিশ^বিদ্যালয় পরিবার খুলনা মহানগরীতে ভাষা শহীদদের স্মৃতি বিজড়িত শহীদ হাদিস পার্কের শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে গভীরভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়াও বিশ^বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা ভাবে শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ^বিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক গোলাম সারোয়ার আকরাম আজিজ, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ডা. খন্দকার মাজহারুল আনোয়ার, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. তসলিম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ড. এম এ হান্নান, নীল দলের পক্ষ থেকে সভাপতি ডাঃ মোঃ আশিকুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক ড. মোঃ নজরুল ইসলাম, কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে ভাইস চ্যান্সেলরের একান্ত সচিব মোঃ রেজাউল ইসলাম এবং বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকেও পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যিনি ১৯৪৭ সালে ‘রাষ্ট্র ভাষা সংক্রান্ত ২১ দফা ইশতেহার’ এর অন্যতম স্বাক্ষরকারী ছিলেন। আমি আরও সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করছি সকল ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের, যাঁদের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি আমাদের প্রিয় মাতৃভাষা বাংলা, মহান স্বাধীনতা ও লাল সবুজের পতাকা। আমি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি জাতীয় চার নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক-সমর্থক, বিদেশি বন্ধুসহ সকলস্তরের জনগণকে যাঁরা আমাদের অধিকার আদায় ও মুক্তিসংগ্রামে অসামান্য অবদান রেখেছেন। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর ও জাতির জনকের জন্ম শতবাষির্কীতে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কর্মসূচী ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে রূপকল্প-২০২১, ২০৩০, ২০৪১ সহ ২১০০ সালের ডেল্টাপ্লান কে সামনে রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সে যাত্রায় দেশ, গণতন্ত্র ও সরকারবিরোধী সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের চলমান উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য এই মহান দিবসে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করার উদাত্ত আহবান জানাই।
ভাইস চ্যান্সেলর মহোদয় আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে তাঁদের অবদান চিরদিন স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ থাকবে।
খুলনা মহানগর ও জেলা শ্রমিক লীগের উদ্যোগে শহীদ দিবস পালন
খবর বিজ্ঞপ্তি
২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহীদ দিবস উপলক্ষ্যে খুলনা মহানগর ও জেলা শ্রমিক লীগের উদ্যোগে বাদ মাগরিব সংগঠনের কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর পূর্বে রাত ১২.০১ মিনিটে খুলনা মহানগর ও জেলা শ্রমিক লীগের উদ্যোগে শহীদ হাদিস পার্কে শহীদ মীনারে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করা হয়, সকাল ৬.৩০ মিনিটে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাক উত্তোলন, কালো ব্যাচ ধারন এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান। মাল্যদান শেষে প্রভাত ফেরি করে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ গ্রহণ করা হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা জেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বি এম জাফর। সভা পরিচালনা করেন খুলনা মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার ঘোষ। সভার শুরুতে ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, ২১শে ফেব্রুয়ারী বাংলা ভাষা ব্যবহারকারী জনগনের গৌরবোজ্জ্বল একটি দিন। আমরাই পৃথিবীর একমাত্র জাতি যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে তাই জাতি হিসেবে আমাদের ভাষার প্রতি অগাত ভালোবাসার জন্য ইউনেস্কো ভাষা শীদদের আত্মত্যাগের দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাঙালি জাতির নিজের মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠিত করার আন্দোলনের মর্মান্তিক ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতি বিজরিত একটি দিন হিসেবে ইতিহাসের পাতায় চিহ্নিত হয়ে আছে। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ও এই সকল কর্মসূচিতে উস্থিত ছিলেন, খুলনা জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোঃ পীর আলী, মল্লিক নওশের আলী, সৈয়দ তারিকুল ইসলাম বারেক, মোঃ সেলিম, নাসরিন আখতার, কাজী আব্দুর ওহাব, মোঃ আব্দুর রহিম খান, শাহিন আহম্মেদ, মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী রাহাত, মোল্লা আজাদ আলী, কিংকর সাহা, শরীফ মোত্তর্জা আলী, মোঃ মতিউর রহমান, মোঃ জামাল হোসেন মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোঃ ফারুখ হাসান, মোঃ আনিসুর রহমান, শেখ মোঃ রমজান, মোঃ মনিরুল ইসলাম, শেখ মঈনুল ইসলাম মোহন, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ আলমগীর মল্লিক, আজিজুর রহমান আজিজ, মোঃ জাবেদ মিয়া, মোঃ রফিকুল, মোঃ আক্তার হোসেন, মোঃ শরিফুল, মোঃ কামাল হোসেন, মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ মাসুদ রানা, বিপ্লব কুমার দে, মোঃ নুর ইসলাম, মোঃ আজিম উদ্দিন, মোঃ বাবুল শেখ, কাজী রফিকুল বারী, সঞ্জয় কর্মকার, মোঃ রফিকুল আলম মান্দার, মোঃ আলী আহম্মেদ, মোঃ আয়নুল ইসলাম, প্রশান্ত কুমার ঘোষ, খোকন শীল কুট্টি, বিপ্লব কুমার রায়, মোঃ মারুফ, মোঃ কামাল হোসেন, মোঃ ইমরান খান, মোঃ খোকন হাওলাদার, আব্দুস সত্তার, হায়দার আলী খান, মোঃ মাসুদ, মোঃ জাহাঙ্গীর, অসীম পাল, প্রবির পাল, মোহাম্মদ আলী, সিদ্দিক বেপারী, আবুল কালাম আজাদ সোহেল, শহিদুল ইসলাম লিটু, সোহাগ হাওলাদার, শহীদ গাজী, নজরুল মেম্বার, মানষ কুমার রায়, আশরাফুল হোসেন, মহিউদ্দিন আহম্মেদ, মোঃ বাবুল বেপারী, জাহিদ হাসান রাজ, আব্দুল রহিম, উত্তম বিশ^াস, শাহাদাত হোসেন, জহির রায়হান, সোহাগ শেখ, আরজ আলী, সুমন চৌধুরী, কামরুল মোড়ল, তপন কুমার দাস, মোঃ কামাল, মোঃ রাজু, প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। সভাশেষে বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন আব্দুর রহিম খান।
প্রভাতী স্কুল মাঠে মেয়র কাপ হা-ডু-ডু টুর্ণামেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগরীর খালিশপুরস্থ প্রভাতী স্কুল মাঠে মঙ্গলবার বিকেলে মেয়র কাপ হা-ডু-ডু টুর্ণামেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন করেন। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় ও তানিশা আবাসিক প্রকল্পের সহযোগিতায় খালিশপুর থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাজী ফয়েজ মাহমুদ এ টুর্ণামেন্টের আয়োজন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে সিটি মেয়র বলেন, খেলাধুলা সুস্থ বিনোদনের অন্যতম একটি মাধ্যম। শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি সামাজিক শৃঙ্খলাও নিশ্চিত করে খেলাধুলা। হাডুডু, দাড়িয়া বান্ধা, কানামাছিসহ আবহমান বাংলার নিজস্ব খেলাধুলার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হাডুডুকে জাতীয় খেলা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন। গঠন করেন জাতীয় কাবাডি ফেডারেশন। অথচ আধুনিকতার ছোয়ায় ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীন ঐতিহ্যের জাতীয় এই খেলাটি। খেলাধুলা সম্প্রসারণে বর্তমান সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে সিটি মেয়র আরো বলেন, নতুন প্রজন্মকে দেশীয় খেলাধুলা চর্চায় আগ্রহী করে তুলতে হবে। এ জন্য তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে উদ্যোগী হওয়ার আহবান জানান।
উল্লেখ্য, নক আউট পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এ টুর্ণামেন্টে ৮টি দল অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী দলগুলি হচ্ছে, এলআর ইন্টারন্যাশনাল, শামিম-আমিন বয়েজ ক্লাব, সেনহাটি ইউনিয়ন পরিষদ, রানা ফাইটার্স, পদ্মফুল লাল দল (তেরখাদা), পদ্মফুল সবুজ দল (তেরখাদা), ফরিদ মোল্লার দল ও ওসমানের দল (দিঘলিয়া)।
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শেখ শহিদুল ইসলাম, সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. সাইফুল ইসলাম, খালিশপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম সানাউল্লাহ নান্নু, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলাম বাশার, কেসিসি’র কাউন্সিলর মোঃ মনিরুজ্জামান, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পারভীন আক্তার, দৈনিক পূর্বাঞ্চল পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, দৈনিক সমযের খবর পত্রিকার সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম, খুলনা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এসএম তারিক মাহমুদ, পিপি মো: এনামুল হকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ধারা ভাষ্য বর্ণনা করেন সমীর কুমার সরকার।
মহান শহীদ দিবস-২০২২ উপলক্ষে ‘বিপিএমপিএ’, খুলনা জেলা শাখা শ্রদ্ধা নিবেদন
খবর বিজ্ঞপ্তি
গত ২১শে ফেব্রুয়ারী-২০২২ সোমবার, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২২ উপলক্ষে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাক্টিশনার্স এসোসিয়েশন (বিপিএমপিএ), খুলনা জেলা শাখার পক্ষ থেকে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয় শহীদ হাদিস পার্কের “শহীদ মিনার” “স্মৃতি স্মম্ভে” সকাল ০৮:৩০ মিনিটে খুলনায়।
এ সময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বিপিএমপিএ, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও খুলনা শাখার সভাপতি ডা. গাজী মিজানুর রহমান এবং বিপিএমপিএ, খুলনা শাখার সাধারণ-সম্পাদক ডা. মো: সওকাত আলী লস্কর। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি ডা. আর. কে নাথ, ডা. মো: বোরহান উদ্দিন আহমেদ, ডা. এম. আর. খান, ডা. মো: মোস্তফা কামাল, যুগ্ম-সম্পাদক প্রফেসর ডা. বঙ্গ কমল বসু, কোষাধ্যক্ষ ডা. এম. এ. হান্নান, দপ্তর-সম্পাদক ডা. এম. বি. জামান, বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক ডা. কাজি হাফিজুর রহমান, প্রচার ও জনসংযোগ সম্পাদক ডা. গৌতম রায়, গ্রন্থাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক ডা. মো: মাহমুদ হাসান লেনিন, সমাজ কল্যান সম্পাদক ডা. মো. আব্দুস সবুর, কার্যকরী পরিষদের সিনিয়র সদস্যগণ ডা. মো: শরাফত হোসেন, ডা. মো. বজলুল হক, প্রফেসর ডা. মনোজ কুমার বোস, ডা. মোল্লা হারুন-অর-রশীদ, ডা. চন্দন কুমার সাহা, ডা. বিশ্বজিৎ সরকার ও ডা. মোস্তফা-আল-মামুন সহ সরকারি-বেসরকারি বিপুল সংখ্যক সম্মানিত চিকিৎসকবৃন্দ।
সাজাশেষে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরল বাংলাদেশি দুই নারী
বেনাপোল প্রতিনিধি
অবৈধ পথে ভারত গিয়ে দুই বছর সাজাশেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশি দুই নারী। ফেরত আসারা ভারেতর ওয়াল বেঙ্গল সেইফ হোমের হেফাজতে ছিল।
মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫টার সময় বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদেরকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। তারা ভারতে ২ বছর সাজাভোগ করেছে বলে ভুক্তভোগীরা জানায়। পরে বেনাপোল পোর্ট থানা পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার শর্তে তাঁদেরকে গ্রহন করেছে। ফেরত আসা রেখা (ছদ্ম নাম) ও সুমি (ছদ্ম নাম) যশোর এবং বাগেরহাট জেলার বাসিন্দা। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু আহমেদ জানান, এই নারীরা পাসপোর্ট ভিসা ছাড়া বিভিন্ন সীমান্ত পথে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে কাজ করার সময় কলকাতা পুলিশের হাতে আটক হয়। এরপর আদালতের মাধ্যমে তারা জেলহাজতে যায়। পরে ভারতের ওয়াল বেঙ্গল সেইফ হোম নামে একটি বে-সরকারি সংস্থা তাদের জেল থেকে ছাড়িয়ে নিজেদের শেল্টার হোমে রাখে। সেখানে ২ বছর থাকার পর ভারত সরকারের দেয়া বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে আজ দেশে ফিরেছে । ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবেন বেনাপোল পোর্ট থানা।
মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ‘স্বাচিপ’ জেলা শাখার শ্রদ্ধা নিবেদন
খবর বিজ্ঞপ্তি
গত ২১শে ফেব্রুয়ারী-২০২২ সোমবার, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২২ উপলক্ষে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ), খুলনা জেলা শাখার পক্ষ থেকে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয় শহীদ হাদিস পার্কের “শহীদ মিনার” “স্মৃতি স্মম্ভে” সকাল ০৮:৩০ মিনিটে খুলনায়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) খুলনা জেলা শাখার সভাপতি ডা. এস. এম. সামছুল আহসান মাসুম। স্বাচিপ, খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মো: মেহেদী নেওয়াজ। সহ-সভাপতি ডা. মোল্লা হারুন অর রশিদ, ডা. মো: সালাহউদ্দিন রহমতুল্ল্যা, যুগ্ম-সম্পাদকবৃন্দরা হলেন ডা. সুমন রায়, ডা. নিয়াজ মুস্তাফি চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ ডা. বিষ্ণু পদ সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মো: ইউনুস-উজ-জামান খাঁন তারিম, দপ্তর সম্পাদক ডা. এস. এম. তুষার আলম, প্রচার সম্পাদক ডা. মো: জিল্লুর রহমান তরুন, বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক ডা. এস. এম. মাহমুদুর রহমান রিজভী, গ্রন্থাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক ডা. শৈলেন্দ্রনাথ বিশ^াস, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ডা. অনল রায়, ক্রীড়া সম্পাদক ডা. কাজী করিম নেওয়াজ, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ডা. সুদীপ পাল। স্বাচিপ, খুলনা জেলা শাখার কার্যকরী পরিষদের সিনিয়র সদস্যবৃন্দ হলেন ডা. আনোয়ারুল আজাদ, প্রফেসর ডা. কাজী হামিদ আসগর, প্রফেসর ডা. পরিতোষ কুমার চৌধুরী, প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ মহসীন, ডা. গোলাম সারোয়ার ফারুক, ডা. তোজাম্মেল হোসেন জোয়ার্দ্দার, ডা. শেখ ফরিদউদ্দিন আহমেদ, ডা. এ.টি.এম. মঞ্জুর মোর্শেদ, ডা. এস. এম. দিদারুল আলম শাহীন, ডা. উৎপল কুমার চন্দ, ডা. শ. ম. জুলকার নাইম, ডা. মোসা: ডালিয়া আখতার, ডা. শেখ শহীদুর রহমান, ডা. এস. এম. খালিদুজ্জামান, ডা. মো: কুতুব উদ্দীন মল্লিক, ডা. শীতেষ চন্দ্র ব্যানার্জী, ডা. ডলি হালদার, ডা. বিপ্লব বিশ^াস, ডা. পার্থ প্রতিম দেবনাথ, ডা. বাপ্পা রাজ দত্ত, ডা. খালেদ মাহমুদ, ডা. পলাশ কুমার দে, ডা. উপানন্দ্য রায়, ডা. মেহেদী হাসান, ডা. মো: ফিরোজ হাসান, ডা. হিমেল সাহা, ডা. শাহীন আকতার শেখ, ডা. অনিক দেউড়ি, ডা. মোহাম্মদ হাসান, ডা. শাহেদ মাহমুদ খান, ডা. নাজিমুল ইসলাম লিটন, ডা. রফিকুল ইসলাম, ডা. ফিরোজ আহমেদ, ডা. সাইফুল্লাহ মানসুর, ডা. শিমুল চক্রবর্তী, ডা. সাফাত আল দ্বীন ও ডা. সরদার তানভীর আহমেদ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সম্মানিত চিকিৎসকবৃন্দ।
বাগেরহাট সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় উদ্বোধন
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে খানজাহান আলী (রহঃ) মাজারের মোড়ে নতুন এ কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ষাটগম্বুজ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান বাচ্চুর সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাড হেমায়েত উদ্দিন ভুইয়া। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এম এ মতিনের পরিচালনায় উক্ত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ- সভাপতি সেলিম সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ফজলে সাঈদ ডাবলু, কোষাধ্যক্ষ ও প্রেস-ক্লাবের সাধারন সম্পাদক আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল বাকী,সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা যুব লীগের আহবায়ক সরদার নাসির উদ্দিন, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ তন্ময়ের একান্ত সহকারী মোঃ শাহীনসহ সদর উপজেলা আওয়ামীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
জাতীয় মহিলা সংস্থা খুলনার শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন
খবর বিজ্ঞপ্তি:
২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এবং শহিদ দিবস উপলক্ষে জাতীয় মহিলা সংস্থা খুলনা জেলা কার্যালয় সকাল ৭ ঘটিকায় শহিদ হাদিস পার্কে শহিদ বেদীতে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মহিলা সংস্থা খুলনার চেয়ারম্যান অধ্যাপক রুনু ইকবাল বিথার। আরও উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত সদস্য শবনম সাবা, নুরানী রহমান বিউটি, ইসরাত আরা হীরা এবং জাতীয় মহিলা সংস্থা খুলনা জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
খুলনায় ভাষা দিবসে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের বর্ণমালা মিছিল ও দোয়া
খবর বিজ্ঞপ্তি
গত সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ৮ ফাল্গুন সকাল ১০ টায় নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বর্ণমালা মিছিল ও দোয়া অনুষ্ঠান ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সভাপতি মুহাম্মাদ মঈনউদ্দিন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোল্লা ফরহাদ আহমেদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির আলোচনা করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সেক্রেটারী শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা জেলা শাখা সেক্রেটারী হাফেজ আসাদুল্লাহ আল গালিব, জয়েন্ট সেক্রেটারী আলহাজ্ব জাহিদুল ইসলাম, ছাত্র আন্দোলনের সাবেক জেলা সভাপতি মোহাম্মদ নাজমুস সাকিব, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন খুলনা জেলা সভাপতি এনামুল হাসান সাঈদ, সহ-সভাপতি আবু রায়হান, জাতীয় শিক্ষক ফোরাম নগর সদস্য প্রফেসর গোলাম মোস্তফা বাঙালি, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের মহাদি হাসান মুন্না, ইমাম হোসাইন, শাকিল হোসাইন, হাবিবুল্লাহ মেজবাহ, আবুল কাশেম, গাজী শফিকুল ইসলাম, মোঃ রফিকুল ইসলাম, হাফেজ উসামা আবরার, মোঃ সাইফুল ইসলাম, রাজীব হোসাইন, হাবিবুল্লাহ, মহিবুল্লাহ, শরিফুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাহবুবুল হক মিসকাত, আব্দুল্লাহ সজল প্রমুখ। সমাবেশ শেষে বর্ণমালা মিছিল নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন এবং ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
রূপসায় প্রাণনাশের হুমকি-ধামকি ও ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখল চেষ্টার অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার
রূপসায় ক্রয়কৃত সম্পত্তি জবর দখল করার পায়তারা ও হুমকি-ধামকি এবং ভয়ভীতি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন হাসিনা বেগম নামের এক ভুক্তভোগী নারী। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে তিনি মঙ্গলবার খুলনা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, রূপসা উপজেলার তিলক মৌজায় ১৯৯৯ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর জমি কিনে হাসিনা বেগম ও তার ভাই মো. শহিদুল ইসলাম খান লিটন দখলে রয়েছেন। এ যাবতকাল তাদের ভূমিতে বসবাস করতে কোন সমস্য সৃষ্টি হয়নি। তারা নিয়মিত কর-খাজনা চৌকিদারী ট্যাক্স ও নিজ নিজ নামে বৈদ্যুতিক লাইন এনে ব্যবহার করেন। এ জমির একটি অংশ হাসিনা বেগমের মেয়ে আফসানা আক্তার কে হেবা রেজিষ্ট্রি দলিল মূলে হস্তান্তর করা হয়। পরে মেয়ে আফসানা আক্তার নামপত্তন করে ভোগদখল করতে থাকেন।
এদিকে, তার মেয়ে আফসানা আক্তার জীবন-জীবিকার তাগিদে প্রবাসে থাকার কারনে উক্ত সম্পত্তি দেখাশোনা ও মামলা মোকাদ্দমা পরিচালনা করাসহ যাবতীয় কার্যাদি পরিচালনা করার জন্য তার মাকে ক্ষমতা পত্র প্রদান করেন। সেখানে পাকা ঘর নির্মাণ সহ বিভিন্ন ধরনের বৃক্ষ রোপন করে ভোগ দখল করছিলো। এ অবস্থায় গত ১৪ ফেব্রুয়ারি তিলক গ্রামের মৃত খোরশেদ শেখের পূত্র মো. সেলিম শেখ ও মাসুম শেখ সহ অজ্ঞাত ৭/৮ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল এসে ঘেরা বেড়া ভাঙ্গতে উদ্যত হয়। এ অবস্থায় ভুক্তভোগী তাদের উক্ত কাজে বাধা প্রদান করায় প্রতিপক্ষরা ভুক্তভোগীকে মারতে উদ্যত হলে তিনি ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে চিৎকার করতে থাকেন। তখন আশপাশের লোক এগিয়ে আসলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে যাওয়ার সময় প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে। এ অবস্থায় জানমালের নিরাপত্তায় তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী হাসিনা বেগম। এই খবর পেয়ে প্রতিপক্ষরা ক্ষিপ্ত হয়ে ৪/৫ লোকজন নিয়ে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সকালে প্রতিপক্ষরা ভুক্তভোগী হাসিনা বেগমের অনুপস্থিতিতে বাড়ির মধ্যে অনুপ্রবেশ করে ঘেরা-বেড়া ভাঙ্গচুর করে জমি দখল করে নেয়। এ সময় তারা তাকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ভাষায় মামলা তুলে নেওয়াসহ হামলা ও মিথ্যা মামলার হুমকি দেয়। এ অবস্থায় ভুক্তভোগী হাসিনা বেগম সু-বিচার পাওয়ার জন্য উর্দতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
পাইকগাছায় যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত
পাইকগাছা প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। গত সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২ টা ১ মিনিটে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ৫২’র ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন, উপজেলা পরিষদের, উপজেলা প্রশাসন, পাইকগাছা থানা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, পৌর সভা, আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জাতীয় পাটি, কমিউনিস্ট পার্টি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আইনজীবি সমিতি, প্রেসক্লাবসহ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের ব্যানারে শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এছাড়াও সকালে প্রভাত ফেরী, শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পুরষ্কার বিতরণ, বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও প্রার্থনাসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপিত হয়েছে।
বটিয়াঘাটায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি:
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হয়েছে। ইতিহাসের গৌরবোজ্জ্বল এই দিনে আত্মোৎসর্গকারী সকল ভাষা শহীদদের স্মরণে বিনম্র শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে রবিবার রাত ১২ টা ১ মিনিটে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পূর্ষ্পাঘো অর্পণ করেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড। জাতীয় সংসদের হুইপ পঞ্চানন বিশ্বাস এমপি “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” কবিতা উচ্চারণ আর মঙ্গলদ্বীপ মোমবাতি জ্বালিয়ে তাঁর সহযোগিদের নিয়ে শহীদ মিনারে এসে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পর্যায়ক্রমে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, থানা পুলিশ, অফিসার ক্লাব, উপজেলা আ’লীগ, উপজেলা প্রেসক্লাব, ফায়ার সার্ভিস, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগ, সিপিবি স্বাস্থ্য দফতর, নিজেরা করি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। অপরদিকে সোমবার বেলা ১১ টায় স্থানীয় পরিষদ সম্মেলন কক্ষে দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক এক আলোচনা সভা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মমিনুর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নারায়ন চন্দ্র মন্ডল এর সঞ্চালনায় সকল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ পঞ্চানন বিশ্বাস এমপি। উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম খান, ভাইস চেয়ারম্যানদ্বয় নিতাই গাইন ও চঞ্চলা মন্ডল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল হাই সিদ্দিকী, থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শাহ্ জালাল, অধ্যক্ষ অমিতেষ দাশ, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মিজানুর রহমান, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বঙ্কিম কুমার হালদার, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল মামুন, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ রবিউল ইসলাম, প্রকৌশলী প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ এমদাদুল হক, সমাজ সেবা কর্মকর্তা অমিত সমাদ্দার, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জি এম আলমগীর কবির, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদর সদস্য দিলীপ হালদার, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, ইউপি চেয়ারম্যান যথাক্রমে পল্পব বিশ্বাস রিটু, বিধান রায়, জি এম মিলন গোলদার, উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি পরিতোষ কুমার রায়, কোষাধ্যক্ষ মোঃ মনিরুজ্জামান মনি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাওন হাওলাদার, সিনিয়র সাংবাদিক এস এম এ ভূট্টো, সাংবাদিক বুদ্ধদেব মন্ডল, সাংবাদিক সুমন বিশ্বাস, তরিকূল ইসলাম, বিশ্বজিৎ মন্ডল, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট বটিয়াঘাটা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বিউটি রাণী পাল, দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মোঃ আমিনুল ইসলাম অপু, মানবাধিকার সংরক্ষণ কমিশনের সাধারণ সম্পাদক সরদার হাফিজুর রহমান, উপজেলা বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট নেতা রাজু হালদার, সবুজ সরকার, উত্তম টিকাদার, ওয়াসিয়া রহমান সেতু, শিউলি বিশ্বাস, প্রতাপ মল্লিক, দেবাশীষ রায়, সুজল বালা, রূপান্তর, দীপঙ্কর ঢালী, সৌরভ সরকার সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পরে শিশুদের জন্য এক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
একুশের হাত ধরেই আমরা বাঙালি জাতিসত্ত্বার পরিচয় পেয়েছি : উপাচার্য
খবর বিজ্ঞপ্তি
মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে ২১ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) সকাল ১০টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে ‘বঙ্গবন্ধু ও ভাষা আন্দোলন’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিকে শুধু ভাষা আন্দোলন ভাবলেই চলবে না, এর গভীরতা অনেক। একুশের হাত ধরেই আমরা বাঙালি জাতিসত্ত্বার পরিচয় পেয়েছি। বাঙালি জাতীয়তাবাদ পেয়েছি। পৃথিবীতে বাঙালিই একমাত্র জাতি, যারা ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছে। মায়ের ভাষাকে প্রতিষ্ঠিত করতে শাসকশ্রেণির রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেছে। পরবর্তী সময়ের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনগুলোর অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে আমাদের এই ভাষা আন্দোলন। এর ফলেই আমরা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি। তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশেই গঠিত হয়। ’৫২ এর ২১ ফেব্রুয়ারি যখন মিছিলে পুলিশের গুলিতে আন্দোলনকারীরা শহিদ হন, তার আগ থেকেই রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে করা আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে বঙ্গবন্ধু কারাগারে বসে অনশন পালন করেন। তাদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা নিজেদের ভাষাকে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি কিন্তু এখনো পুরোপুরিভাবে অর্থনৈতিক মুক্তি পাইনি। বর্তমান সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী করার অভিলক্ষ্য হাতে নিয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ সেলক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছে। উপাচার্য বলেন, চীন, জাপান, জার্মানি তাদের মাতৃভাষার জ্ঞানচর্চা করতে পারলে আমরা কেনো পারবো না?। আমাদেরও নিজ মাতৃভাষায় জ্ঞান চর্চা করতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের যতো রাজনৈতিক অর্জন তার সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্ররা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। এক্ষেত্রে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা ও জ্ঞান চর্চায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভূমিকা রাখতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই বাংলা ভাষার সমৃদ্ধি, উৎকর্ষ সাধন, বিকাশ, বহুমুখী চর্চা ও ব্যবহারে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ভিত্তিক পাঠ্যপুস্তক ও গবেষণা গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ ও প্রকাশের আহ্বান জানান। এক্ষেত্রে প্রকাশক পাওয়া না গেলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই তা প্রকাশনায় সহায়তা করা হবে বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল ও ডিসিপ্লিনের নামকরণ বাংলায় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, এ মাসেই তা চূড়ান্ত হবে। উপাচার্য বলেন, আসুন সকল দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে নিজেরা এগিয়ে যাই। আর নিজেদের হৃদয়ে বাংলা ভাষাকে ধারণ করি। সকলে বলি ‘আমি বাঙালি, আমি গর্বিত’।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা। মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলা ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. রুবেল আনছার। সভাপতিত্ব করেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ছাত্র বিষয়ক পরিচালকের পক্ষে মোহাম্মদ রকিবুল হাসান সিদ্দিকী। আরও বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. তরুণ কান্তি বোস, অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের সভাপতি এস এম মনিরুজ্জামান (পলাশ)। সভায় শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে দিবসটি উপলক্ষ্যে সকাল সাড়ে ৬টায় শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসন ভবনের সামনে কালো ব্যাজ ধারণ, জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলনের পর উপাচার্যের নেতৃত্বে প্রভাতফেরি কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পৌঁছায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সেখানে উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এ সময় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, বিভিন্ন স্কুলের ডিন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), ডিসিপ্লিন প্রধান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, প্রভোস্ট, বিভাগীয় প্রধানবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর পরপরই খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল, ডিসিপ্লিনসমূহ, আবাসিক হলসমূহ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স কল্যাণ পরিষদ, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, এ্যালামনাই এসোসিয়েশন এবং আশপাশের স্কুল-কলেজের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি নেভাল ও আর্মি উইংয়ের ক্যাডেটরা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠান পালনে শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করেন।
শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের পর উপ-উপাচার্য আইন ডিসিপ্লিনের কর্তৃক প্রকাশিত একুশের স্মরণিকা দেয়াল ভাঙার গান এর পঞ্চম সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করেন। এসময় আইন স্কুলের ডিন ও আইন ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ ওয়ালিউল হাসানাত এবং ডিসিপ্লিনের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরে প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও প্রশাসন ভবন সংলগ্ন মসজিদে শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এছাড়া সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে প্রদীপ প্রজ্বালন করা হয়।
ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলার আগে প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব বিবেচনা করা উচিৎ: খুবি উপাচার্য
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেছেন, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলার আগে তার প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় নেওয়া উচিৎ। প্রাচীন স্থাপনাগুলো ইতিহাসের অমূল্য উপাদান। এর রয়েছে প্রত্নতাত্ত্বিক ও স্থাপত্যভিত্তিক গুরুত্ব। তাই এসব স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলার আগে সংশ্লিষ্ট দপ্তর বা সংস্থার নজরে আনা দরকার। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সফররত প্রত্নতত্ত্ববিদ ও হেরিটেজ নিয়ে বিশ্বব্যাপী কর্মরত বিশেষজ্ঞদের একটি প্রতিনিধিদল উপাচার্যের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতকালে তিনি একথা বলেন। উপাচার্য বলেন, খুলনা শহরে এবং আশপাশে, এমনকি সুন্দরবনেও কয়েকশ বছরের বহু পুরাতন স্থাপনা ছিলো। কিন্ত সেসব ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। সেখানে নতুন স্থাপনা তৈরি হচ্ছে। ফলে কালের অতলে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্য ও ইতিহাসের উপাদান। তিনি প্রতিনিধিদের স্থাপনার পাশাপাশি প্রাচীন বৃক্ষের ঐতিহ্য সংরক্ষণের আহবান জানান। প্রতিনিধিদলের সদস্যবৃন্দ তাদের কার্যক্রমের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ব্যক্ত করে বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এসব বিষয়ে দক্ষ করে তোলার জন্য কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। এর ফলে এ বিষয় নিয়ে একসাথে কাজ করার সুযোগ হবে। প্রত্নতত্ত্ব স্থাপত্যবিদ্যার অন্যতম শাখা। এছাড়া সাইক বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যগুলো তাদের ওয়েবসাইটে ও প্রকাশনায় তুলে বাংলাদেশের ঐতিহ্য স্থাপনা সম্পর্কে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরবে। এসময় বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. আফরোজা পারভীন, স্থাপত্য ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. শেখ সিরাজুল হাকিম, প্রফেসর ড. খন্দকার মাহফুজ-উদ-দারাইন, সহযোগী অধ্যাপক শেখ কবীর আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের লেকচার থিয়েটার-উঠান এ ‘থ্রিডি ডকুমেন্টেশন অব কালচারাল হেরিটেজ’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. আফরোজা পারভীন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ মোজাম্মেল হক। কর্মশালায় থ্রিডি ডকুমেন্টস উপস্থাপন ও বিস্তারিত আলোচনা করেন সানফ্রাসিস্কোভিত্তিক আন্তর্জাতিক সারির বেসরকারি সংস্থা সাইআর্ক (ঈুধৎশ) এর প্রধান ফিল্ড ক্যাপচার ক্রিস্টোফার ক্যানডেল মিলবার্ন এবং ফিল্ড ক্যাপচার স্পেশালিস্ট রব ক্যাসেক। কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন স্থাপত্য ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. শেখ সিরাজুল হাকিম। এসময় সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিন পর স্বরূপে ফিরছে শিক্ষাঙ্গন নবীণ-প্রবীণ শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত খুবি ক্যাম্পাস
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন ধরে সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকার পর ২২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের শুরু হয়েছে শিক্ষাকার্যক্রম। আজ নতুন শিক্ষাবর্ষের (২০২০-২১) প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদেরও প্রথম পদার্পণ ক্যাম্পাসে। ফলে নবীণ-প্রবীণের পদচারণায় মুখরিত ছিলো খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। সকালেই দেখা যায় শত শত শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের একাডেমিক ভবন অভিমুখে প্রবেশ করছে। সকাল থেকে প্রত্যেক ডিসিপ্লিনে ছিলো ভিন্ন আয়োজন ও ব্যস্ততা। নবীণ শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করেছে পুরাতন শিক্ষার্থীরা। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্ব স্ব ডিসিপ্লিনও এমন আয়োজন করেছে। ডিসিপ্লিনে ব্রিফিং হয়েছে, নবীণ-বরণ হয়েছে। সবখানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও ভাবমূর্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি এখান থেকে বিশ্বমানের জ্ঞান অর্জন করে বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে দক্ষতা ও যোগ্যতা দিয়ে নিজেদের ভবিষ্যত জীবনের সোপান তৈরি, দেশ ও জাতির সেবা করার আহবান জানানো হয়। প্রথম দিনে নবীণ শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় ও তাদের কোর্স সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। আইন ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মো. ওয়ালিউল হাসানাত জানান, প্রথম বর্ষের প্রথম দিনেই তাঁর ডিসিপ্লিনে নবীণ বরণ, মুদ্রিত কোর্সকারিকুলার পুস্তিকা বিতরণসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়। সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর মোছা. তাসলিমা খাতুন জানান, তাদের ডিসিপ্লিনে প্রথম বর্ষের নবীণ শিক্ষার্থীদের সাথে দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের পরিচিতি, কোর্স সম্পর্কে ধারণা প্রদান, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থাপনার সাথে পরিচিতি করতে একসঙ্গে নবীণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে ক্যাম্পাস পরিদর্শন করানো হয়। এ সময়ে শিক্ষার্থীদের হাতে হাতে ছিলো রজনীগন্ধার স্টিক। সাতক্ষীরা থেকে আগত প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সীমা রায় তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বপ্ন ছিলো খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বো। সে আশা পূর্ণ হয়েছে। এই ক্যাম্পাস অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ। তাই আমার অভিভাবকও নিশ্চিন্ত এখানে ভর্তির সুযোগ পাওয়ায়। চুয়াডাঙ্গা থেকে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী আব্দুস সালাম অনুভূতি ব্যক্ত করে বলে সুন্দর ক্যাস্পাস, ফুলে ফুলে সাজানো। পলাশ, গাদাসহ অসংখ্য ফুলে শোভিত ক্যাম্পাসে ভার্তি হতে পেরে আমি আনন্দিত। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করেই অসংখ্য প্রস্ফুটিত নানা বর্ণের ফুলই যেন আমাদেরকে বরণ করে নিয়েছে।
শ্যামনগরে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
খান নাজমুল হুুসাইন, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরার শ্যামনগরের জয়াখালীতে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে ২১ বছর পূর্বে ক্রয়কৃত রেকর্ডীয় সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের উদ্দেশ্যে নির্মাণ চেষ্টা এবং মিথ্যা মামলায় হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী গ্রামের মৃত আহছান আলী মল্লিকের পুত্র গ্রাম্য চিকিৎসক আশরাফুল ইসলাম।
লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আমি বিগত ২০০০ সালে জে এল নং-৭৫, এস এ খতিয়ান নং ১/১০৪৩, এস এ দাগ নাং- ৭৮৫, ডি,পি খতিয়ান ৪৭৭৬ ,৭২০৫ কোবলা দলিল মূলে ১ শতক এবং ৪৮৭ নং রেজি কোবলা দলিল মূলে ৭ শতক সম্পত্তি ক্রয় করি। এরপর ৮ শতক সম্পত্তি রেকর্ড প্রস্তুতসহ খানজা দাখিলাসহ সকল প্রকার কাগজপত্র তৈরি করে সেখানে একটি দোকানঘর নির্মাণ করে ঔষধের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। কিন্তু সম্প্রতি আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়লে তার সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করি। গত ২৫ জুন ২০২১ তারিখ থেকে বৈশখালী গ্রামের আব্দুল কাদের মোড়লের পুত্র মোকারাম হোসেন মোকা বাহিনী অবৈধভাবে উক্ত সম্পত্তি দখলের ষড়যন্ত্র শুরু করে। সেখানে আমার দোকানে সংস্কার কাজে বাধা দেওয়াসহ লুটপাট, অগ্নি সংযোগ খুন জখমের হুমকি প্রদর্শন করতে থাকে। এঘটনায় আমি উপায়ন্তর হয়ে শ্যামনগর সহকারী জজ আদালতে দেং ৪১৬/২১ (শ্যাম:) মামলা দায়ের করি। বিজ্ঞ আদালত বিবাদী অর্থ্যাৎ মোকারত হোসেন মোকা বাহিনীকে অন্তবর্তী কালিন নিষেধাজ্ঞা আদেশ দ্বারা বারিত করা হইল মর্মে আদেশ দেন। কিন্তু মোকা আদালতের সে নির্দেশের তোয়াক্কা না করে ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০ তারিখে ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে রাতের আধারে একটি টল দোকান বসায়। পরবর্তীতে নিজেরাই টল দোকানে আগুন লাগিয়ে আমার, আমার পরিবার এবং অসহায় মানুষদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। অথচ ঘটনাস্থল থেকে আমার বাড়ী প্রায় ৬কিলোমিটার দুরে। এছাড়া গত ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখ দুপুরে ভাড়াটিয়া বহিরাগত লোকজন নিয়ে উক্ত সম্পত্তিতে প্রবেশ করে দখলের চেস্টা করে। উল্লেখিত মোকারাম হোসেন মোকা অবৈধ লোভ লাভের বশবর্তী হয়ে উক্ত ৩ শতক জয়গা দখলের চক্রান্ত শুরু করেছে। আমি ওই যবর দখল চেষ্টাকারী মোকারাম হোসেন মোকার ষড়যন্ত্র দিশেহারা হয়ে পড়েছি। সে আইন আদালত কিছু মানে না। সম্পূর্ণ গায়ের জোরে উক্ত সম্পত্তি দখল করতে চায়। তিনি মোকা বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বাগেরহাটের রনজিৎপুরে টাকার জন্য বন্ধুকে হত্যা অপর বন্ধু আটক
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটে মাত্র ৩৮হাজার টাকার জন্য ভ্যানচালক বন্ধুকে হত্যা করেছে তার ঘনিষ্ট বন্ধু। এঘটনায় হত্যাকারী নজরুল ইসলাম (৩২) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো অস্ত্র ও ৩৭ হাজার ৬৮০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। টাকা ছিনিয়ে নিতেই বন্ধুকে হত্যা করা হয় বলে স্বীকার করেছেন গ্রেফতার নজরুল ইসলাম (নজু)। সোমবার দুপুরে পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাগেরহাটের পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হক।
গ্রেফতার নজরুল ইসলাম বাগেরহাট সদর উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের মৃতঃ হানিফ শেখের ছেলে। সে পেশায় একজন ভ্যান চালক। হত্যার স্বীকার দেলোয়ার শেখ (৩২) বাগেরহাট সদর উপজেলার ভট্টবালিয়াঘাটা গ্রামের মরহুম ইলাল নিকারীর ছেলে। পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হক বলেন,ইকোপার্কের সামনে থেকে ভ্যানচালক দেলোয়ার হোসেনের মরদেহ উদ্ধারের পর থেকে হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তৎপর ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় রবিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজ বসতবাড়ির সামনে থেকে নজরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাবাদে নজরুল স্বীকার করেছেন দেলোয়ারের কাছে থাকা ৩৮ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য সে এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। নজরুলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ধারালো দা (লোহার তৈরি) ও ৩৭ হাজার ৬৮০ টাকা উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের পূর্বক সোমবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য ১৮ ফেব্রুয়ারি বাগেরহাট সদর উপজেলার রনজিৎপুর এলাকায় চন্দ্রমহল ইকোপার্কের ২য় গেটের সামনে থেকে দেলোয়ার হোসেন নামের ওই ভ্যান চালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপের চিহ্ন ছিল।
কলারোয়ায় আদালতের আদেশ অমান্য করে ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর
সোহাগ হোসেন ,কলারোয়া(সাতক্ষীরা)
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় অবৈধ ভাবে জমি দখল নিতে না পারায় ব্যবসায়ীকে জীবণ নাশের হুমকি দিয়ে কাঠের ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে,কলারোয়া পৌর সদরের গদখালী গ্রামে। রবিবার ২০শে ফেব্রুয়ারি বিকাল ৫টার সময় প্রতিপক্ষের লোকজন বাড়িতে এসে কাঠের ঘর সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর করে।
সাতক্ষীরা আদালতে জমির মালিক মৃত আব্দুল হামিদ সরদারের ছেলে এসএম আজাদুর রহমান বিজ্ঞ অতিঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৫ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি গ্রহন করে তদন্ত পূর্বক আদেশ দেন। এই আদেশে বলা হয়-বাদী এসএম আজাদুর রহমানের পক্ষের মালিকানাধীন ও দখলে থাকা নালিশী সম্পত্তিতে প্রবেশ বিবাদী আতিয়ার রহমানের পক্ষে সাময়িক ভাবে বারিত করা হলো। একই সাথে এসএম আজাদুর রহমানের পক্ষের মালিকানাধীন ও দখলে থাকা নালিশী সম্পত্তিতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে একটি দেং-২৭/২২নং মামলা দায়ের করেন। এর পরেও বিবাদী আতিয়ার রহমানের ছেলে আক্তারুল ইসলাম বাঁশের লাঠি শাবল দিয়ে সীমানা প্রাচীর ও কাঠের ঘর ভাঙচুর করে। এসএম আজাদুর রহমান বলেন আমি বাধা দিতে গেলে আমাদের মেরে ফেলে দেয়ার হুমকি দিচ্ছে, এছাড়া বিভিন্ন অপরিচিত লোকজন দিয়ে তাদের দুই ভাইকে জীবণ নাশের হুমকি দেয়া হচ্ছে। যে কোন সময় তাদের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করতে পারে বলে তারা আশংকা করছেন। এদিকে জমির মালিক এসএম আজাদুর রহমান ও আতাউর রহমান বিপ্লব ন্যায় বিচারের দাবীতে জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ডুমুরিয়ায় নির্বাচিত নারী জনপ্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় বে-সরকারী উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তর এর অপরাজিতা প্রকলপের আয়োজনে নারী জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব কর্তব্য বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বিআরডিবি মিলনায়তনে আয়োজিত কর্মশালার উদ্বোধন করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস। দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে সহায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন জেন্ডার ট্রেনিং অফিসার মোরশেদা খাতুন দিলারা ও উপজেলা সমন্বয়কারী দীপঙ্কর মন্ডল। সমাপনী পর্বে বক্তব্য রাখেন সরস্বতী মন্ডল, লাভলী বিশাস, লাকী সুলতানা, রোজিনা বেগম, বন্দনা কবিরাজ, অর্চনা ফৌজদার, আসমা বেগম, ফিরোজা বেগম, ললিতা সরদার ও শিউলী খাতুন।
হাকিমপুর সামসুল হুদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাতজন শিক্ষার্থীকে বাইসাইকেল প্রদান
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাট সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হাকিমপুর সামসুল হুদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে মানসম্মত শিক্ষারমান উন্নয়ন, ঝরেপড়া রোধ, শ্রেণী কক্ষে শতভাগ উপস্থিতি ও আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরন ও বাই-সাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার সকাল ১০টায় বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও বিশিষ্ট শিল্পপতি লিটন শিকদার এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ও মুক্তিযোদ্ধাকালীন কমান্ডার শিক্ষাবিদ হৃষীকেশ দাশ, বিশেষ অতিথি ছিলেন, বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি পূজা শিকদার ও চুলকাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের (আইসি) ইন্সপেক্টর মোঃ ওয়ালিয়ার রহমান, উদ্ভোধক ছিলেন বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক নিখিল কুমার ঘোষ।
বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা শরিফুল ইসলাম নোমানী এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শক্তি নারায়ন দাস, বিদ্যালয়ের আজীবন দাতা সদস্য অসীম কুমার শিকদার, দীপ্ত টাইমস এর সম্পাদক দেব প্রসাদ রায়, মনোরঞ্জন দাশ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ননী গোপাল সাহা, বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সদস্য শিশির কুমার শিকদার, মোস্তফা কামাল ও কামরুজ্জামান প্রমুখ। আলোচনা সভার আগে শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা মহান ২১শে’র কুচকাওয়াজ পরিবেশন,শহীদস্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পন এবং ৭জন কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি পূজা শিকদার এর নিজস্ব অর্থায়নে ৫জনকে ও থাই-বাংলাদেশী কমিউনিটি পাতায়া এর সভাপতি আব্দুল আলীম মোল্লার নিজস্ব অর্থায়নে ২জনকে সহ মোট সাতজনকে বাই-সাইকেল ছাড়াও মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে পুরস্কার বিতরন, এবং ভাষা শহীদদের আত্নারমাগফেরাত কামনায় শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরন করা হয়। এ সময় শিক্ষক সাংবাদিক জনপ্রতিনিধি অভিভাবক ও বিপুল সংখ্যাক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
ফকিরহাটে সর্বস্তরের মানুষের ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাটে বিনম্র শ্রদ্ধা ও যথাযথ মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সর্বস্তরের মানুষ। সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সূর্যদয়ের পরপরই উপজেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন, মডেল থানা পুলিশ, কাটাখালী হাইওয়ে থানা পুলিশ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, বিএনপি, উপজেলা প্রেসক্লাব সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এসময় ভাষা শহীদদের সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এরপর শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্ত্বরে আলোচনা সভা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান স্বপন দাশ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা বেগম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মোস্তায়িদ সুজা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তহুরা খানম, এসিল্যান্ড বিধান কান্তি হালদার, মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আবু সাঈদ মো. খায়রুল আনাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার সৈয়দ আলতাফ হোসেন টিপু সহ বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্ত্,া বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক. শিক্ষার্থী, গনমাধ্যমকর্মী ও বিশিষ্টজনেরা।
খুলনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকালে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভা ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
স্বাস্থ্য বিধি মেনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম। সভা পরিচালনা করেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা। সভায় বক্তৃতা করেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, শেখ আবু হাসান, এস এম জাহিদ হোসেন ও ফারুক আহমেদ, সহ-সভাপতি মোঃ মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, যুগ্ম-সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মুন্না, কোষাধ্যক্ষ এস এম কামাল হোসেন, সহকারী সম্পাদক এ এইচ এম শামিমুজ্জামান ও শেখ তৌহিদুল ইসলাম তুহিন, নির্বাহী সদস্য মোঃ তরিকুল ইসলাম, মোঃ শাহ আলম ও শেখ মাহমুদ হাসান সোহেল, সদস্য মোঃ মোস্তাকুজ্জামান ও ওয়াহেদ-উজ-জামান বুলু, ইউজার সদস্য ড. সাহিদা খানম প্রমুখ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লা, সহ-সভাপতি মোঃ জাহিদুল ইসলাম, সহকারী সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, ক্লাব সদস্য মোঃ হুমায়ুন কবীর, দেবনাথ রনজিৎ কুমার, সুনিল কুমার দাস, মোঃ হেদায়েৎ হোসেন মোল্লা, বিমল সাহা, শেখ আব্দুল্লাহ, মোঃ আব্দুস সাত্তার, এস এম নূর হাসান জনি, আসাদুজ্জামান খান রিয়াজ, এজাজ আলী, ইউজার সদস্য রিতা রানী দাস, নাজমুল হাক পাপ্পু, আল মাহমুদ প্রিন্স, শশাংক শেখর স্বর্ণকারসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।
এর আগে একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ হাদিস পার্কের শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান খুলনা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা, সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মল্লিক সুধাংশু, সহ-সভাপতি মোঃ জাহিদুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মুন্না, কোষাধ্যক্ষ এস এম কামাল হোসেন, সহকারী সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম কাজল ও এ এইচ এম শামিমুজ্জামান, নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ আলী সনি, মোঃ শাহ আলম, শেখ মাহমুদ হাসান সোহেল, শেখ মোঃ সেলিম, সদস্য মোঃ হুমায়ুন কবীর, রকিব উদ্দিন পান্নু, মোঃ মোস্তাকুজ্জামান, আসাদুজ্জামান খান রিয়াজ, জয়নাল ফরাজি, পলাশ দত্ত, দিলিপ বর্মনসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।
কৃষক চান্নু মিয়া হত্যা মামলায় আমৃত্যু এক, ৫ জনের যাবজ্জীবন ও ১৭ জনের ১ বছর করে কারাদন্ড
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহে কৃষক চান্নু মিয়া হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলায় ১ জনের আমৃত্যু, ৫ জনের যাবজ্জীবন ও ১৭ জনের ১ বছর করে কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে জেলার অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোঃ শওকত হোসাইন এ দন্ডাদেশ প্রদাণ করেন। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০০৭ সালের ৮ এপ্রিল সদর উপজেলার করিমপুর গ্রামে পুর্ব শত্রুতার জের ধরে কৃষক চান্নু মিয়াকে কুপিয়ে হত্যা করে আসামীরা। এ ঘটনায় পরদিন নিহতের পিতা শাহাদাত হোসেন বাদি হয়ে ৩০ জনকে আসামী করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। তদন্ত শেষে ওই বছরের ৩০ জুন ৩০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে তদন্তকারী কর্মকর্তা। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত মামলার আসামী বজলু মিয়াকে আমৃত্যু, তফসের আলী, আব্দুল জলিল, তিতু, ইকতিয়ার ও আব্দুল আলিমকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদাণ করেন। এ মামলায় আরও ১৭ জনকে ১ বছর করে কারাদন্ডাদেশ প্রদাণ করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৩ জনকে খালাস দেয় আদালত। মামলা চলাকালে মৃত্যুবরণ করায় ৪ জনকে মামলা থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে।
আসামী পক্ষের আইনজীবী এ্যাড. নেকবার হোসেন বলেন, আমরা ন্যায় বিচার পায়নি। আমার উচ্চ আদালতে আপিল করবো। রাষ্টপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি এ্যাড. আব্দুল খালেক বলেন, আমরা এ হত্যা মামলার আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আমরা আরও কঠোর শাস্তি আশা করেছিলাম। কিন্তু আদালত যা রায় দিয়েছেন তাতেও আমরা সন্তুষ্ট।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি নগর যুবলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন
খবর বিজ্ঞপ্তি
মহান একুশে ফেব্রুয়ারী ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে নগরীর শহীদ হাদিস পার্কের শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পনের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, খুলনা মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, নগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ, যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন, সদস্য কামরুল ইসলাম, আব্দুল কাদের শেখ, এ্যাডঃ আল আমীন উকিল, কাজী কামাল হোসেন, শওকত হোসেন, কবির পাঠান, তাজুল ইসলাম, কাজী ইব্রাহিম মার্শাল, কে এম শাহিন, ইয়াসিন আরাফাত, রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, সাবেক ছাত্রনেতা অভিজিৎ পাল, ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা ইলিয়াস হোসেন লাবু, অলক শীল, আরীফুর রহমান আরীফ, শওকত হাসান, আসাদুজ্জামান শাহিন প্রমুখ।
এর পর নেতৃবৃন্দ ভোরে নগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত প্রভাত ফেরী ও আলোচনা সভায় অংশগ্রহন করেন।
খুলনায় একুশে বইমেলা শুরু ২৫ ফেব্রুয়ারি
তথ্য বিবরনী
আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত ২১ দিনব্যাপী একুশে বইমেলা খুলনার বয়রাস্থ বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগার চত্বরে অনুষ্ঠিত হবে। বইমেলা ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন বিকাল তিনটা থেকে রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত এবং সরকারি ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত সকলের জন্য উম্মুক্ত থাকবে। মেলা প্রাঙ্গণে প্রতিদিন সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এছাড়া আলোচনা সভা, শিশুদের জন্য উপস্থিত বক্তৃতা, বিতর্ক, আবৃত্তি, চিত্রাংকন, সংগীত ও বইপাঠ প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকবে। মেলা প্রাঙ্গণে সকলকে মাস্ক পরতে হবে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।
রূপসায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
রূপসা প্রতিনিধি :
মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে উপলক্ষে রূপসা উপজেলা প্রশাসনের আযোজনে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২১ ফেব্রুয়ারী সোমবার সকাল সাড়ে নয়টায় উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। জুম কনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা -৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী।
এর আগে একুশের প্রথম প্রহরে শহিদ বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে রূপসা উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, রূপসা থানা, রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগ, কৃষকলীগ,যুবলীগ, ছাএলীগ সহ অঙ্গ সংগঠন, রূপসা প্রেসক্লাব,রূপসা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ, কাজদিয়া সরকারী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সিপিবি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সহ বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবি সংগঠন। ভাষা দিবসের আলোচনা গত
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভার:) মো:সাজ্জাদ হোসেন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন বাদশা, ভাইসচেয়ারম্যান আবদুল্লাহ যোবায়ের, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা ।
রূপসা প্রেসক্লাবের সাঃ সম্পাদক কৃষ্ণ গোপাল সেনের পরিচালনায় আরও বক্তৃতা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা: মো: শফিকুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফরিদুজ্জামান, রূপসা থানা অফিসার ইন চার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মজুমদার, সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা বাপী কুমার দাস, উপজেলা প্রকৌশলী ওহিদুজ্জামান,উপজেলা পল্লীউন্নয়ন অফিসার তারেক ইকবাল আজিজ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফ হোসেন, আইসিটি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান,মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা শিউলি মজুমদার,সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মতিয়ার রহমান, একাডেমির সুপার ভাইজার নিত্যানন্দ মন্ডল, বন কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান, তথ্য কর্মকর্তা দিলশান আরা, আওয়ামী লীগ নেতা আঃ মজিদ ফকির, সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, ইমদাদুল ইসলাম, জেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক আহবায়ক মোতালেপ হোসেন, আঃ গফুর খাঁন, মহিলা নেএী মাধুরি সরকার, ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের মডেল কেয়ার টেকার আব্দুস সালাম, প্রমুখ। পরে বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
পরে এ উপলক্ষে রূপসা উপজেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন বাদশার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য আঃ মজিদ ফকির, জেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক আহবায়ক মোতালেপ হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক আক্তার ফারুক, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, আওয়ামী লীগ নেতা আঃ গফুর খাঁন, বিনয় কৃষ্ণ হালদার, মাসুম ফকির, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রুহুল আমীন রবি, মোল্লা তৌহিদুল ইসলাম, পলাশ সাহা জগো, আওরঙ্গজেব স্বর্ন, দাউদ আলী শেখ, মহিলা নেএী মাধুরি সরকার, হোসনেয়ারা, হীরা বেগম, সোহেল পারভেজ, যুবলীগ নেতা শাহরিয়ার হোসেন মানিক প্রমূখ।
ডুমুরিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ দিবস পালিত
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হযেছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে গত সোমবার সকালে উপজেলা প্রশাসন, প্রেসক্লাব, আওয়ামীলীগ, বিএনপি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংষ্কৃতিক সংগঠন প্রভাত ফেরিতে ডুমুরিয়া মহাবিদ্যালয়ে শহিদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পন করেন। এছাড়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে চিত্রাংকন,স্বরচিত কবিতা আবৃতি, বাংলা ভাষা শুদ্ধাচার প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরনী সভা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা শহীদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আবদুল ওয়াদুদ এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি। বক্তব্যদেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হালিম ও শারমিনা পারভীন রুমা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মামুনুর রশীদ, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. ওবাইদুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছাদ্দেক হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুল ইসলাম মানিক, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকতা সিকদার আতিকুর রহমান জুয়েল,মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সেখ ফিরোজ আহম্মেদ, প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মাহামুদা সুলতানা, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিকসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগীতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন অতিথি বৃন্দ। অনুরূপভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ক্লিনিক মালিক সমিতি যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালন করেন।
মহেশপুরে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত
মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি,
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান মহেশপুর উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা আওয়ামী লীগ, পৌরসভা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তরা। সরকারী কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) কাজী আনিসুর রহমানসহ উপজেলা প্রশাসনের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
প্রতুষে মহেশপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পৃথক পৃথক পুষ্পস্তবক প্রদান শেষে রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে অর্ধনমিত জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন শেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করা হয়। এছাড়াও শোক মিছিল করেন আওয়ামীলীগও অন্যসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ -৩ আসনের এমপি শফিকুল আজম খান চঞ্চল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাজ্জদুল ইসলাম সাজ্জাদ, সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ময়জদ্দিন হামীদ, পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ খাঁন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর সুলতানুজ্জামান লিটন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আব্দুস সাত্তার প্রমুখ।
মহেশপুরে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি,
ঝিনাইদহের মহেশপুরে পানিতে ডুবে আলী(৭)নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিকালে উপজেলার বাকোসপোতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আলী নেপা ইউনিয়নের বাঘাডাঙ্গা গ্রামের কৃষক ইব্রাহিম মন্ডলের ছেলে। এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার বাকোসপোতা গ্রামে আলী তার মায়ের সাথে নানি বাড়ি বেড়াতে আসে। সোমবার বিকাল সাড়ে চারটার দিকে শিশুটি একাকী বাড়ির উঠনে খেলাধুলা করছিল। একপর্যায়ে সে বাড়ির পাশে একটি পুকুরে পড়ে তলিয়ে যায়। খোঁজাখুঁজি করে বিকাল পাঁচটার দিকে মৃত অবস্থায় শিশুটির লাশ সেখান থেকে উদ্ধার করেন তার স্বজনেরা।
স্থানীয় নেপা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শামছুল আলম মৃধা ওই শিশুর মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার সকালে পারিবারিক কবরস্থানে শিশুটির লাশ দাফন করা হয়েছে।
ভারতের আন্তর্জাতিক নৌ মহড়ায় অংশ নিতে মোংলা ছেড়েছে নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ ওমর ফারক
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
ভারতের আন্তর্জাতিক নৌ মহড়ায় অংশ নিতে মোংলার দিগরাজ নৌঘাঁটি থেকে ছেড়ে গেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ বিএনএস ওমর ফারক। মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে দিগরাজ নৌঘাঁটি থেকে এ যুদ্ধ জাহাজটি ছেড়ে যায়। এ সময় খুলনা নৌ অঞ্চলের আঞ্চলিক কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল এম আনোয়ার হোসেন উপস্থিত থেকে জাহজটিকে নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে বিদায় জানান। এছাড়া এ সময় নৌবাহিনীর পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা, যুদ্ধ জাহাজ ওমর ফারুকে গমনকারী কর্মকর্তা ও নাবিকদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মোংলার দিগরাজ নৌঘাঁটির অধিনায়ক ক্যাপ্টেন এম মোশাররফ হোসেন জানান, ভারতের বিশাখাপত্তনমে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারী থেকে ৪ মার্চ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক নৌ মহড়ায় অংশ নিবে এ জাহাজটি। যুদ্ধ জাহাজ ওমর ফারুকের অধিনায়ক ক্যাপ্টেন এ,বি,এম জাকিউল হাসান ভুঁঞায়ার নেতৃত্বে প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তাসহ ২৮৪ জন নৌবাহিনীর সদস্য জাহাজে থেকে এ মহড়ায় অংশগ্রহণ করবেন।
মোংলার দিগরাজ নৌঘাঁটির অধিনায়ক ক্যাপ্টেন এম মোশাররফ হোসেন আরও বলেন, আন্তর্জাতিক এ মহড়ায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৪৬ টি দেশ অংশ নিচ্ছে।
অংশগ্রহণকারী দেশসমূহের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন, সমুদ্র পথে জলদস্যুতা, মাদক ও চোরাচালান, মানব পাচার, অবৈধ মৎস্য আহরণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডরোধ এ মহড়ার মূল লক্ষ্য বলে জানান খুলনা নৌ অঞ্চলের আঞ্চলিক কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল এম আনোয়ার হোসেন। এছাড়া বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কর্মকর্তা, ক্যাডেট ও নাবিকদের পেশাগত মানোন্নয়নের পাশাপাশি বন্ধুপ্রতীম দেশসমূহের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেও জানান তিনি। মহড়া শেষে যুদ্ধ জাহাজ ‘ওমর ফারুক ‘ আগামী ৬ মার্চ দেশে প্রত্যাবর্তন করবেন।
কোটচাঁদপুরে শিশুর পাশবিক নির্যাতনকারী গ্রেফতার
কোটচাঁদপুর প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে চার বছরের এক শিশুকে পাশবিক নির্যাতনের দায়ে মতিয়ার রহমান (৫৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ভিকটিমের পিতা মামলা করার পর সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের রুদ্রপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে। মতিয়ার ওই গ্রামের মৃত আব্দুল্লার ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, রুদ্রপুর স্কুল পাড়ার ওই শিশু শনিবার বিকালে বাড়ির সামনে খেলছিল। এসময় লম্পট মতিয়ার রহমান পরিবারের অগোচরে শিশুটিকে পেয়ারা খাওয়ানোর কথা বলে তার বাড়ির রান্না ঘরে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন চালায়। শিশুটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে ফিরে গেলে পরিবারের লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯ ফেন দেয়। পুলিশ দ্রুত এসে মতিয়ার রহমানকে গ্রেফতার করে।
কোটচাঁদপুর মডেল থানার ওসি মঈন উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। এদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই অমিত জানান, এর আগেও আসামির বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী এক মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
মোরেলগঞ্জ সরকারি এস এম কলেজ-এ বিপি দিবস পালন
মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধি
বাগেরহাট গত ২২-০২-২০২২ ইং তারিখ সরকারি সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজে বি.পি দিবস পালন করা হয়েছে। রোভার গ্রুপের সম্পাদক, সহকারি অধ্যাপক মোঃ জাকির হোসেন এ.এল.টি এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গ্রুপের সভাপতি সুযোগ্য অধ্যক্ষ প্রফেসর নীতিশ বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মোঃ এমদাদুল হক, যুগ্ম সম্পাদক-মোঃ জসিম উদ্দিন হাওলাদার, বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান-প্রবীর কুমার নাথ, অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, রোভার নেতা- মোঃ মনিরুল ইসলাম। রোভার নেতা মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ এর পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক পরিষদের সাবেক সম্পাদক মোঃ আফজাল ফারুক, যুগ্ম-সম্পাদক মোঃ নুরুল আমিন শেখ, ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান-মোঃ শহিদুল ইসলাম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান-মোঃ বখতিয়ার হোসেন, প্রভাষক বিনয় ভূষন রায়, অর্থনীতি বিভাগের-প্রভাষক গোবিন্দ মল্লিক, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের-প্রভাষক শিল্পী রাণী সাহা প্রমুখ। সভায় বি.পি দিবসে কলেজের সুযোগ্য অধ্যক্ষ প্রফেসর নীতিশ বিশ্বাস স্যার এবং এ.এল.টি সন্মাননা পাওয়ায় মোঃ জাকির হোসেন রিয়াজ কে সন্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী প্রথম-আব্দুল্লাহ, দ্বিতীয়-হাসিবুল সিফাত ও তৃতীয়-সাইফুল্লাহ কে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
দুবলার চরের ১৪ হাজার জেলে পাচ্ছেন টিকা, সাথে সাথে হাতে টিকা কার্ড
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
প্রথমবারের মত বঙ্গোপসাগর পাড়ের সুন্দরবনের দুবলার চরের জেলেদের করোনা টিকা দেয়া শুরু হয়েছে। পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলা জেলে পল্লীর আলোরকোলে সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে এ টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়। দুবলা ফিসারম্যান গ্রুপের আয়োজনে দুবলার চরের সমুদ্রগামী ১৪ হাজার জেলেদের এ করেনা টিকা দেয়া হচ্ছে। দুবলার চরে
স্বাস্থ্য অধিদফতরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচীর এই কার্যক্রমের উদ্ধোধন করেন বাগেরহাট সিভিল সার্জন ডাঃ জালাল উদ্দিন আহম্মেদ।
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুকান্ত কুমার পাল জানান, দুর্গম বঙ্গোপসাগর পাড়ের দুবলার চরের আলোরকোল, মাঝিরকিল্লা ও নারিকেলবাড়ীয়ায় জেলেদের টিকা কার্যক্রমে অংশ নেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মেডিকেল অফিসার ডাঃ সৌরসহ অন্তত পাঁচজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। ১২ জন অভিজ্ঞ স্বাস্থ্য সহকারী জেলেদের এ টিকা প্রদান করছেন। এছাড়া রেড ক্রিসেন্টের ৮ জন স্বেচ্ছাসেবীও কার্যক্রমে অংশ নেন।
জেলেদের জন্য ১৮ হাজার টিকা দুবলার চরে আনা হলেও জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন থাকলেই ১৪ হাজার জেলেদের দেয়া হবে আমেরিকার ‘জনসন এন্ড জনসন’ ভ্যাকসিন। যার এক ডোজই দেয়া হবে। এর কোন দ্বিতীয় ডোজ নেই। একই সাথে এসব জেলেদের টিকা কার্ড প্রদান করা হবে বলেও জানান ডাঃ সুকান্ত কুমার পাল।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গভীর সমুদ্রে মাছ আহরনে আসা এসব জেলেদের টিকা কার্যক্রমে বাগেরহাট সিভিল সার্জন ডাঃ জালাল উদ্দিন আহম্মেদ ছাড়াও রয়েছেন রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুকান্ত কুমার পাল, ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ অসিম সমাদ্দারসহ আরো ২ জন মেডিকেল অফিসার, বনবিভাগের দুবলা টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রহ্লাদ চন্দ্র রায় ও দুবলা ফিশারম্যান গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল উাদ্দন আহম্মেদ।
ভাষা আন্দোলনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আমাদের জন্য গৌরবের: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব
তথ্য বিবরনী
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মকবুল হোসেন বলেছেন, আমাদের মহান ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক এ দিনটিকে ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে মর্যাদা দিয়েছে। ভাষা আন্দোলনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আমাদের জন্য গৌরবের বিষয়। এখন শুধু বাংলাদেশে নয় বিশ্বের অন্যান্য দেশেও এ দিবসটি যথাযথ মর্যাদার সাথে পালিত হচ্ছে। মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে ঢাকা মহানগরীতে দিনব্যাপী ট্রাকযোগে ভ্রাম্যমাণ সংগীতানুষ্ঠান উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ জসীম উদ্দিনসহ মন্ত্রণালয়ের গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের শিল্পীদের পরিবেশনায় মহান ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্যভিত্তিক সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে ঢাকা বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিস এ ভ্রাম্যমাণ সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করে। নানা শ্রেণি পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ এ সংগীতানুষ্ঠান উপভোগ করেন।
তালায় মসজিদে চুরি
ইলিয়াস হোসেন, তালা(সাতক্ষীরা)
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খেশরায় একটি মসজদি থেকে ১২ টি ফ্যান, ১ টা মটর, ২ টা সোলারের ব্যাটারি চুরি হয়েছে। সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারী) রাতে খেশরার দঃ শাহাজাতপুর জামে মসজিদে এ চুরি সংগঠিত হয়। এলাকাবাসী বলছে, চোরাচক্র মসজিদে প্রবেশের সময় পিছনের কাঁঠাল গাছ বেয়ে ছাদের চিলিকোটা দিয়ে মসজিদে প্রবেশ করে। মসজিদে ঢুকে তারা নিজেদের পছন্দমতো ১২ টি ফ্যান, মসজিদের ব্যবহারিত ১ টি মোটর এবং সোলার প্যানেলের ২ টি ব্যাটারি চুরি করে মসজিদের নিচের অজু খানার তালা ভেঙে তারা বাহির হয়। ৯ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. আনিচুর রহমান জানান, মসজিদের মোয়াজ্জিন ফজরের সময় আযান দিতে গিয়ে দেখতে পায় মসজিদের মাইকের ব্যাটারি নেই এবং মসজিদের ভিতরে সব এলেমেলো করা। এরপর বিদ্যুতের লাইট জ্বালাতে গেলে না জ্বললে তখন সে বুঝতে পারে মসজিদে চুরি হয়েছে। এলাকাবাসী ধারণা করছে, এ চক্রের একাধিক সদস্য মিলে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। খেশরা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই গোলাম রসুল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে আমরা মসজিদটি পরিদর্শন করেছি। আশু চোরাচক্রের সদস্যদের আটকের চেষ্টা চলছে। উল্লেখ্য, এর আগে গতবছরের ৩১ ডিসেম্বর এই ইউনিয়নের ৭, ৮ এবং ৯ নং ওয়ার্ডের ৬ টি মসজিদে একযোগে চুরি সংগঠিত হয়।
খুলনায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত
তথ্য বিবরনী
খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২২ পালিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। একুশের প্রথম প্রহরে নগরীর শহিদ হাদিস পার্কে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ খুলনা জেলা ও মহানগর কমান্ড, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, কেসিসি’র মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন, কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার মোঃ মাসুদুর রহমান ভূঞা, রেঞ্জ ডিআইজির দপ্তর, জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার, শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য, জেলা পরিষদ, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সিটি কর্পোরেশন, খুলনা প্রেসক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন, স্কুল-কলেজ, পেশাজীবী সংগঠন এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধাসরকারি,স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ভবন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। ভোর হতেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অন্যান্য সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন শহিদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে।
সকালে নগর ভবনে সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। অনুষ্ঠানে কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লস্কার তাজুল ইসলাম, বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলরগণ উপস্থিত ছিলেন। বাদজোহর কালেক্টরেট জামে মসজিদসহ সকল মসজিদে শহিদদের রূহের মাগফিরাত ও দেশের কল্যাণ, শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া মন্দির, গীর্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে অনুরূপ বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। খুলনা জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে ভ্রাম্যমান চলচ্চিত্র প্রদর্শন এবং একুশের পোস্টার প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে বঙ্গবন্ধু ও ভাষা আন্দোলন বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সন্ধ্যায় শহিদ হাদিস পার্কে বঙ্গবন্ধু ও ভাষা আন্দোলন বিষয়ক আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। এতে প্রধান আলোচক ছিলেন খুলনা সরকারি বিএল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর জাফর ইমাম। খুলনা জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এসএম ফজলুর রহমান ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ। অনুষ্ঠানে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ সাইফুল ইসলাম ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলমগীর কবির বক্তৃতা করেন। স্বাগত জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলী। শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা, চিত্রাংকন ও ছড়াপাঠ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে স্থানীয় দৈনিক পত্রিকাগুলো বিশেষ নিবন্ধ ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে। বাংলাদেশ বেতারের খুলনা কেন্দ্র দিনব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করে।
স্বাধীনতার মূল উৎস ও চেতনা ছিল একুশ: সিটি মেয়র
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, ‘৫২ সাল একদিনে আসেনি। ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর থেকে এ আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় এক একটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়। ১৯৫২ সালে বাঙালি জাতীয়তাবাদের যে ভিত্তি রচিত হয়, তা পরবর্তীকালের সকল ঘটনা প্রবাহকে প্রভাবিত করে। ’৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬-র ছয় দফা, ৬৯’র গণ-অভ্যুত্থান, ৭০-এর নির্বাচন এবং ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামে একুশের চেতনা তাৎপর্যপূর্ণভাবে ভূমিকা পালন করেছে। এই আন্দোলনের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছিল বাঙালির জাতীয় চেতনা এবং বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন জাতিরাষ্ট্রের। মূলত বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও বাঙালিয়ানার জোয়ার ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির মধ্য দিয়েই এসেছে।
তিনি বলেন, একুশ আমাদের চেতনার বহ্নিশিখা। স্বাধীনতার মূল উৎস ও চেতনা ছিলো একুশ। একুশের উৎস থেকে জেগেছিল গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার স্বপ্ন। স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধুই বাংলা ভাষাকে প্রথম রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দান করেন। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন, বাংলা ভাষা পৃথিবীর অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ভাষা হোক। বাংলা ভাষায় সংবিধান প্রণয়ন করেন বঙ্গবন্ধু। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে প্রথম বাংলায় বক্তব্য দিয়ে বিশ্বসভায় বাংলাকে তুলে ধরেন। একুশে ফেব্রুয়ারি আজ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। আর উন্নতির এই সোপানে এগিয়ে যেতে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ যেমন প্রেরণা জোগায়, ঠিক একইভাবে প্রেরণা দেয় আমাদের ভাষা। কারণ আমরাই সেই জাতি, যারা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছি। সোমবার সকাল সাড়ে ৭টায় ভাষা দিবসে প্রভাত ফেরি শেষে দলীয় কার্যালয়ে মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময়ে বক্তব্য রাখেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান, সহ-সভাপতি এ্যাড. রজব আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যা. আলমগীর কবির, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক শেখ ফারুক হাসান হিটলু, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশা, মহিলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুলতানা রহমান শিল্পী, মহানগর কৃষক লীগের আহ্বায়ক এ্যাড. এ কে এম শাহজাহান কচি, মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মো. সফিকুর রহমান পলাশ, মহানগর যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক এ্যাড. রাবেয়া ওয়ালী করবী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল। মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগের পরিচালনায় এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, মো. শাহজাদা, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, কামরুল ইসলাম বাবলু, শেখ নুর মোহাম্মদ, অধ্যা. রুনু ইকবাল, মাহবুবুল আলম বাবলু মোল্লা, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, এস এম আকিল উদ্দিন, অধ্যা. এ বি এম আদেল মুকুল, শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন, আইরিন চৌধুরী নীপা, আব্দুল হাই পলাশ, চ.ম মুজিবর রহমান, বাদল সরদার বাবুল, জামিরুল হুদা জহর, মঈনুল ইসলাম নাসির, মো. জাহিদুল হক, ফেরদৌস হোসেন লাবু, এ্যাড. ফারুক হোসেন, ইউসুফ আলী খান, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, মো. জাকির হোসেন, আজম খান, অহিদুজ্জামান পলাশ, মো. শিহাব উদ্দিন, কাউন্সিলর মাহফুজুর রহমান লিটন, কাউন্সিলর কণিকা সাহা, কাউন্সিলর রোকসোনা কালাম লিলি, এ্যাড. তারেক মাহমুদ তারা, নূরীনা রহমান বিউটি, নুরজাহান রুমি, কাজী কামাল হোসেন, কবীর পাঠান, শওকত হোসেন, সাবিহা ইসলাম আঙ্গুর, জেসমিন সুলতানা শম্পা, পলাশী আক্তার, শবনম সাবা, আফরোজা জেসমিন বিথী, নাসরিন ইসলাম তন্দ্রা, বলাকা রায়, রেজওয়ানা প্রধান, আঞ্জুমানোয়ারা, নাছরিন আক্তার, জিলহজ্ব হাওলাদার, জব্বার আলী হীরা, জহির আব্বাস, মাহমুদুর রহমান রাজেস, ওমর কামাল সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভার শুরুতেই সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দাড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এর আগে দিবসের প্রথম প্রহরে ১২.০১ মিনিটে শহীদ হাদিস পার্কে শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ অর্পন করা হয়। সকাল ৭.১৫ মিনিটে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত করণ, কালো পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাজ ধারন করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করা হয়। সকাল ৭.৩০ মিনিটে দলীয় কার্যালয় হতে প্রভাত ফেরি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে শহীদ হাদিস পার্কে শ্রদ্ধা নিবেদন করে দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে শেষ করা হয়।
মোংলায় মাতৃভাষা দিবসে প্যারাবন বৃক্ষ রোপন করলেন পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
যেসব মানবিক কাজ প্রকৃতি ও মানুষকে উন্নত করে সেসবই সংস্কৃতি। রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, প্রকৃতির দান ও মানুষের জ্ঞান এই দুই মিলেই মানুষের সভ্যতা ও সংস্কৃতি। আর সুন্দরবন সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর বলেছেন, বঙ্গোপসাগরের পাশ দিয়ে যে সুন্দরবনটা রয়েছে এইটা হলো বেরিয়ার। এটা যদি রক্ষা করা না হয় তাহলে একদিন খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লার কিছু অংশ, ঢাকার কিছু অংশ সমুদ্রের মধ্যে চলে যাবে। একবার যদি সুন্দরবন শেষ হয়ে যায় তো সমুদ্র যে ভাঙ্গন সৃষ্টি করবে সেই ভাঙন থেকে রক্ষা করার কোনও উপায় নাই। ২১ ফেব্রুয়ারী সোমবার সকালে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে মোংলা বন্দর ও পৌর শহরের নদীর চরে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ ও পশুর রিভার ওয়াটারকিপারের আয়োজনে প্যারাবন বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার এসব কথা বলেন।
সোমবার সকাল ৮টায় প্যারাবন বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) বাগেরহাট জেলা কমিটির আহ্বায়ক পশুর রিভার ওয়াটারকিপার মো. নূর আলম শেখ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, মোংলা পোর্ট পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুর রহমান, উপজেলা নির্বাহি অফিসার কমলেশ মজুমদার, সহকারি পুলিশ সুপার আসিফ ইকবাল, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম হোসেন ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুজ্জামান জসিম। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার আরো বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের মাটি-পানি ও পরিবেশের কথা বিবেচনায় নিয়ে প্যারাবন বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী জোরদার করতে হবে। উল্ল্যেখ্য, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ’র উদ্যোগে উপকূলজুড়ে প্যারাবন বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী চলমান রয়েছে।
বাগেরহাটে ট্রাকের চাপায় রিকশা চালকসহ দুইজন নিহত,আহত ৩
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাটে ট্রাকের চাপায় ইঞ্জিন চালিত রিকশা চালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট-পিরোজপুর মহাসড়কের বাগেরহাট সদর উপজেলার বৈটপুর এলাকায় বাগেরহাট গামী একটি রিকশাকে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি খালি ট্রাক চাপা দিলে এই দূর্ঘটনা ঘটে। এসময় ট্রাকের ধাক্কায় খুলনাগামি একটি এ্যাম্বুলেন্স খাদে পড়ে যায়। সংঘর্ষে ঘটনা স্থলে রিকসা যাত্রী সদর উপজেলার বেমরতা গ্রামের দেলোয়ার হোসেন ও হাসপাতালে নেয়ার পথে রিকসা চালক কচুয়া উপজেলার দোবারিয়া গ্রামের লুৎফার সরদার মারা যায়। এ সময় আরো তিন জন আহত হয় । এ্যাম্বুলেন্সে আহত দুই নারী নাজমা ও নার্গিসের বাড়ি মঠবাড়িয়া এবং আহত রিকশার যাত্রী শুকুর এলাইচ রাসেলের বাড়ি মোরেলগঞ্জ উপজেলার কালিকাবাড়ি এলাকায়। এদিকে রিকশা চাপা দেওয়া ট্রাকটি রাস্তার উপর রেখেই চালক পালিয়ে যায়। এর ফলে দুই পাশে প্রায় ঘন্টাব্যাপি যানজটের সৃষ্টি হয়। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের আধাঘন্টার চেষ্টায় যানজট মুক্ত হয় বাগেরহাট পিরোজপুর মহাসড়ক।
মঠবাড়িয়া থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে আসা এ্যাম্বুলেন্স চালক মোঃ মিলন বলেন, দূর থেকে দেখি একটি ট্রাক খুব দ্রুত গতিতে আমাদের দিকে ধেয়ে আসছে। ঘটনাস্থলে পৌছেই একটি রিকশাকে চাপা দিয়ে আমার এ্যাম্বুলেন্সকে ধাক্কা দেয়। এতে আমার এ্যাম্বুলেন্সে থাকা রোগী ও তার বোন গুরুত্বর আহত হয়। ট্রাকের হাত থেকে বাঁচতে আমি এ্যাম্বুলেন্সটিকে ডান পাশে নিয়ে আসি, তারপরও শেষ রক্ষা হয়নি বলে আক্ষেপ করেন এ্যাম্বুলেন্স চালক।
বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শাহজাহান সিরাজ বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছি। আহত দুইজনকে এ্যাম্বুলেন্সে করে খুলনা পাঠানো হয়েছে। দূর্ঘটনায় আহত একজন বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা গেছে। বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আজিজুল ইসলাম বলেন, দূর্ঘটনায় নিহত দুটি মরদেহ উদ্ধার করেছি আমরা। দ্রুততম সময়ের মধ্যে রাস্তার যানজট নিরসন করা হয়েছে। নিহত দুই জনের মধ্যে একজনের পরিচয় জানাগেছে। অন্যজনের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। পলাতক ট্রাক চালককে আটকের জন্য পুলিশ কাজ শুরু করেছে।
৭০ বছরেও স্বীকৃতি পাননি চারণ কবি শামছুদ্দিন
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
মহান ভাষা আন্দোলনের আত্মত্যাগের মহত্ব তুলে ধরে “রাষ্ট্রভাষা” নামের মর্মস্পর্শী এই গানের রচয়িতা বাগেরহাটের চারণ কবি শেখ শামছুদ্দিন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রাজপথে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিলের সময় পাক সেনাদের নির্বিচার গুলিতে ছাত্র নিহত হওয়ার পর ওই রাতেই তিনি এই গানটি রচনা করেন। ২২ র্ফেরুয়ারি ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে বাগেরহাটের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সর্বাত্মক ধর্মঘট পালন শেষে সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংক মাঠে প্রতিবাদ সমাবেশে নিজের লেখা গান গেয়ে ছাত্র-জনতাকে ভাষা আন্দোলনের প্রতি উদ্বুদ্ধ করেন তিনি। পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন স্থানে ‘রাষ্ট্রভাষা’ গান গেয়ে ভাষা অন্দোলনে গতির সঞ্চার করেন। পরবর্তীকালে তার গানটি এত জনপ্রিয় হয় যে, সবার মুখে মুখে ছড়িয়ে পরে। তবে ভাষা আন্দোলনের ৭০ বছরেও বিখ্যাত এই চারণ কবি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাননি। কবির পরিবারও পায়নি কোনো সহায়তা। এখন পর্যন্ত কবির নামে একটি গেট ও টাইলসে বাঁধানো কবর ছাড়া অন্য কোনো কিছুই চোখে পড়ে না। কবির পরিবার ও স্থানীয়রা মরনোত্তর স্বীকৃতি চেয়েছেন ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রথম গান লেখা এই কবির। জেলা প্রশাসন বলছে কবির স্বীকৃতির জন্য চেষ্টা করা হবে। চারণকবি শেখ শামছুদ্দিন ১৯১৫ সালে বাগেরহাট সদর উপজেলার বেমরতা ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তৎকালিন বাগেরহাট টাউন স্কুলে (বর্তমানে বাগেরহাট বহুমুখি কলেজিয়েট স্কুল) কবির শিক্ষা জীবন শুরু হয়। আর্থিক অনটনের কারণে ছোটবেলায় পড়াশুনা ছেড়ে ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরু করেন তিনি। গান ও কবিতার প্রতি ভালোবাসা থেকে তিনি গান ও কবিতা লেখা শুরু করেন। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে মিছিলের সময় পাক সেনাদের গুলিতে ছাত্র নিহত হওয়ার প্রতিবাদে “রাষ্ট্রভাষা” শিরোনামে গান লিখে ব্যাপক আলোচিত হন প্রত্যন্ত গ্রামের এই কবি। স্বাধীনতার আগে এই গানের সূত্র ধরে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ অনেক বিখ্যাত মানুষের সঙ্গে তার দেখা হয়। ১৯৫৩ সালে খুলনার দি ইস্টার্ন প্রেস থেকে পাকিস্তান পল্লীগীতি নামে তার লেখা একটি গানের বই বের হয়। ওই বইয়ে তার বিখ্যাত “রাষ্ট্রভাষা”সহ মোট ১৬টি গান ছাপা হয়। প্রতিটি গানে তৎকালিন পাকিস্তান সরকারের শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা ও সমালোচনা ছিল। এই গানের বই ছাড়াও কবির আরও গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি রয়েছে। কিন্তু পাকিস্তানী হানাদারবাহিনীর সমূহ আক্রমণ থেকে নিজেকে এবং পরিবারকে বাঁচানোর জন্য কবি শামছুদ্দিন তার বড় ছেলে খোকনকে সঙ্গে নিয়ে সব বই এবং লেখা পুড়িয়ে ফেলেন। নানা রোগে ভুগে ১৯৭৪ সালে তিনি মারা যান। শামসুদ্দিনের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। এর মধ্যে বড় মেয়ে লাইলি বেগম মারা গেছেন বছরখানেক আগে। ছোট ছেলে মুকুল শেখ ঢাকায় চাকরি করেন। বাড়িতে থাকেন বড় ছেলে দেলোয়ার হোসেন খোকন। তিনি বলেন, স্থানীয় হাট-বাজারে ফেরি করে বিভিন্ন জিনিসপত্র বিক্রি করতেন আমার বাবা। এসব জিনিস বিক্রির সময় তিনি গান গাইতেন। আর যে গানগুলো তিনি গাইতেন, তা তিনি নিজেই রচনা করতেন এবং নিজেই সুর করতেন। তার রচিত, “রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন করিলিরে বাঙালি, তোরা ঢাকার শহর রক্তে ভাসাইলি” গানটি খুবই সমাদৃত। ভাষা আন্দোলনে জনমত সৃষ্টিতেও এই গান অনেক ভূমিকা রেখেছে। দুঃখের বিষয় বাবা আজও রাষ্ট্রীয় কোনো স্বীকৃতি পাননি। প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আসলে স্থানীয় লোকজন বাবার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান, আর কিছুই না। সবকিছু মিলে চরম আর্থিক কষ্টে দিন কাটে আমাদের। তবে কবির সন্তান হিসেবে কখনও কোনোদিন আমরা কোনো সহযোগিতা পাইনি। রাষ্টীয় স্বীকৃতি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে খোকন আরও বলেন, যতদিন বেঁচে আছি কেটে যাবে, আমাদের কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন নেই। তবে বাংলা ভাষা আন্দোলনে যে বাবার অবদান ছিল, সেই স্বীকৃতিটুকু আমরা পেতে চাই।
শেখ শামছুদ্দিনের প্রতিবেশী আব্দুস সালাম বলেন, চরণ কবি শেখ শামসুদ্দিন ছিলেন একজন ভাষা সৈনিক। ভাষা আন্দোলনের সময় লেখা তার গান সারা বাংলাদেশে তখন আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলো, অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিলো। ভাষা আন্দোলনের প্রথম গানের এ গীতিকার ও সুরকারকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
বেমরতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন টগর বলেন, স্থানীয়ভাবে কবির সম্মানে তার বাড়ির সামনে একটি গেট, তার কবরটা বাঁধানো হয়েছে। তার নামে ইউনিয়ন পরিষদে একটি পাঠাগার নির্মাণও করেছি আমরা। কিন্তু এখন পর্যন্ত কবি রাষ্টীয় স্বীকৃতি পাননি। সরকারের কাছে প্রায়ত এ কবির মরনোত্তর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানান এই জনপ্রতিনিধি।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, চারণ কবির কালজয়ী গান ও ভাষা আন্দোলনে তার ভূমিকার জন্য অবশ্যই স্বীকৃতি পাওয়া উচিত। এজন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যতটুকু করা যায় তা আমরা করব। সেই সঙ্গে কবির জরাজীর্ণ বাড়িটি মেরামত করে দেওয়ার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসনের এই শীর্ষ কর্মকর্তা।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চারন কবির পরিবারকে সহায়তা প্রদান
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন করিলিরে বাঙালি, ঢাকা শহর রক্তে ভাসাইলি। এই গানের রচয়িতা ভাষা সৈনিক বাগেরহাটের চারণ কবি শামসুদ্দিন আহমেদ এর বাড়িতে যেয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সহযোগিতা করা হয়েছে। সোমবার সকালে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আজিজুর রহমান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সকালে সদরের বৈটপুর গ্রামে চারণ কবির বাড়িতে যান। সেখানে তার পরিবারের হাতে একটি অটো রিক্সা, ৯ হাজার টাকা ও ৩ ভান ঢেউটিন প্রদান করেন। এ সময উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খন্দকার রেজাউল করিম,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মোঃ শাহিন উজ্জামান,সদর উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ মুসাব্বিরুল ইসলাম,বেমরতা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াররম্যান মনোয়াার হোসেন টগরসহ কবি”র পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী।
এ সময জেলা প্রশাসক বলেন,ভাষাসৈনিক কবি শামসুজ্জামান কে রাষ্ট্রীয স্বীকৃতির জন্য সরকারের উচ্চ পর্যায়ে চিঠি লিখবেন বলে জানান।
বাগেরহাটে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ছাত্র অধিকার পরিষদের র্যালী
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বাগেরহাটে ছাত্র আধিকার পরিষদ র্যালী করেছে। মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বাগেরহাট শহরের খানজাহান আলী কলেজের সামনে থেকে সংগঠনটির বাগেরহাট জেলা শাখার নেতাকর্মীরা র্যালী বের করেন। র্যালীটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে বাগেরহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে পুস্পস্তাবক অর্পন করেন।
এসময়, ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা রহমাত উল্লাহ, বাগেরহাট জেলা সভাপতি তাওহিদুল ইসলাম, যুব অধিকার পরিষদের আহবায়ক আব্দুস সোবহান হাওলাদার সহ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
শুধু বাগেরহাট নয়, জেলার শরণখোলা উপজেলায়ও একই ভাবে র্যালি করেছেন ছাত্র অধিকার পরিষদ।
ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোলা রহমাত উল্লাহ বলেন, শুধু বাগেরহাট নয়, আমাদের নেতা ভিপি নূরের নেতৃত্বে আমরা সারা দেশে শহীধ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পন করেছি। দেশের মানুষের মত প্রকাশের অধিকার ফিরিয়ে আনতে আমাদের আন্দোলন চলবে।
কালীগঞ্জের অসহায় দাদির সঙ্গী নাতি: থাকে পরের ঘরের বারান্দায়
সাবজাল হোসেন,বিশেষ প্রতিনিধি ॥
শিশুকালে মা মারা গেছে আয়েশার। কিছুদিন পরে বাবাও বিয়ে করে অন্য জায়গায় সংসার করছে। ফলে বৃদ্ধা দাদি নুরজাহানই তার এখন শেষ ঠিকানা। তবে সেখানেও ভাগ্য সাথে নেই তার। কারন দাদীর স্বামীর কুলে আপন বলে আর কেউ নেই। ফলে অসহায় বৃদ্ধা দাদি আর নাতির মহা কষ্টের জীবন। দাদি অন্যের বাড়ি কাজ করে যে খাবার পায় তা ভাগাভাগি করে খেয়ে বেঁচে থাকে। চারপাশে তাদের মত ছিন্নমুল মানুষের অভাব নেই। তবে দাদি আর নাতির অসহায়ত্ব সকলকে হার মানিয়েছে। কেননা তাদের মাথা গোজার ঝুঁপড়ি ঘরও নেই। জরিনা নামের এক মহীয়সী নারী তাদেরকে জায়গা দিয়েছে নিজ ঝুঁপড়ি ঘরের বারান্দায়। এমনই মানবেতর জীবন যাপন তাদের। তারা থাকে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের রাখালগাছি ইউনিয়নের নরদহী গ্রামে।
দাদি নুরজাহান বেগম জানান,আজ থেকে প্রায় ৩৫ বছর আগে তার ভূমিহীন স্বামী মারা যায়। সে সময়ে মিন্টু নামের ছোট্র একটি ছেলে ছিল তার। তখনও তারা পরের জমিতে ঝুঁপড়ি ঘরবেধে বসবাস করতেন। তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলেন,অন্যের বাড়িতে কাজ করে মিন্টুকে বড় করেছিলেন। আশা ছিল ভবিষ্যতে সে তাদের দেখবে। এমন আশায় ছেলেকে বিয়েও করিয়ে ছিলেন। কিছুদিন পরে নাতি আয়েশা জন্ম গ্রহন করে। কিন্ত ভাগ্য তার সাথে ছিল না। কেননা শিশুকালেই মা হারিয়েছে আয়েশা। কিছুদিন পরে তার বাবা মিন্টুও ফেলে চলে গেছে। এখন নিজের মত আয়েশারও দেখার মত কেউ নেই। দাদি আর নাতি দুই অসহায়ের কষ্ঠের জীবন তাদের। চাল চুলা কিছুই নেই তাদের। রাতে নিজেদের ঘুমানোর ঘরও নেই। অন্যের মহত্বে পরের ঝুঁপড়ি ঘরের বারান্দায় তারা থাকে। সকালে অন্যের বাড়িতে কাজে বেরিয়ে পড়ে সারাদিন পর সন্ধ্যায় ফিরে আসে। তারা যে খাবার দেয় তা নিয়ে এসে নাতির সঙ্গে ভাগাভাগি করে খায়।
নুরজাহান বেগম আরও জানান,বর্তমানে তার বয়স ৫৭ বছর। এ বয়সে অসুস্থ শরীরে তেমন কাজ করতে পারিনে। সে কারনে গ্রামের মানুষও এখন আর কাজে নিতে চায় না। তবে গ্রামের একজন বাড়িতে কাজ দিয়ে মানবতা দেখিয়েছেন। তারা খাবার ও হাত খরচ বাবদ ২’শ করে টাকা দেয়। এমন অবস্থায় আয়েশাকে গ্রামের মাদ্রাসায় ভর্তি করে দিয়েছেন। যেখানে ঠিক মত খাবারই জোটেনা। সেখানে বই কিনে দেয়া সম্ভব হয় না। সে আশপাশের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বই এনে পড়ে।
তিনি দুঃখ করে বলেন,বর্তমান হতদরিদ্রদের জন্য সরকার বিভিন্ন ভাতা দিচ্ছে। এজন্য ইউনিয়নে দফায় দফায় অসহায়দের তালিকা হয়েছে। চেষ্টা করার পরও সেই তালিকায় তার নাম ওঠেনি। আমরা দাদি -নাতি অসহায়ের চরমসীমায় থাকলেও একটি বিধবা ভাতার কার্ডটিও জোটেনি। এখন ভাবনা আসে এগুলো তার মত মানুষের জন্য হয়তো নয়।
দাদি নাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নুরজাহান বেগম বলেন, বাবার ভিটেই ৮ শতক জমি পেয়েছি। আর কতদিন পরের বারান্দায় থাকবো। তাছাড়াও নাতি আয়েশাও বড় হচ্ছে। ওই ভিটেই আমি মরার আগে আয়েশার জন্য একটি ঝুঁপড়ি ঘর করে যেতে চাই। সে জন্য জীবনের সঙ্গে সংগ্রাম করছি। প্রতিদিন কাজ থেকে ফিরে একদলা করে মাটি এনে জমা করছি। তিল তিল করে গত তিন মাসে বেশ কিছু মাটি জমা করেছি। তাছাড়াও গ্রামের অনেকে কাঠ বাঁশ দিয়ে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। সেখানেই মরার আগে নাতিকে নিয়ে একটু মাথা গুজতে চাই।
ওই গ্রামের বাসিন্দা নুর মোহম্মদ জানান, নুরজাহান আয়েশারা যে কত বড় অসহায় তা বলে বোঝানো যাবে না। তারা দুটি প্রাণী বেঁচে আছে পরের বাড়ির ভাতে। বৃদ্ধা বয়সেও দাদিকে বাড়ি বাড়িতে কাজ করতে হয়। আর নাতি আয়েশার দাদি ছাড়া পৃথিবীতে আর কেউ নেই। গ্রামের জরিনা বেগম তার নিজের ঝুঁপড়ি ঘরের বারান্দায় তাদেরকে থাকতে দিয়ে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন। পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার আগে নাতির জন্য একটি ঠিকানা রেখে যেতে চান দাদি তাই তিলে তিলে বেশ মাটিও জমা করেছে।
স্বেচ্ছাসেবী সামিউর রহমান জানান, গ্রামাঞ্চালে হতদরিদ্্র গরীব মানুষের অভাব নেই। তারা আবার সরকারী নানা সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকেন। প্রতিবছরই দেশে সামাজিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সরকারী সকল ভাতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। কিন্ত সেখানে নাম নেই অসহায় দাদি নাতির। বিষয়টি ভাবলেও খারাপ লাগে।
ওই ওয়ার্ডের মেম্বর কামরুজ্জামান রকি জানান, দাদি আর নাতি প্রকৃতপক্ষে অসহায়। নির্বাচিত হয়ে আমি সবেমাত্র শপথ নিয়েছি। আমার মত গ্রামের সকলেই জানে নুরজাহান আর আয়েশার কতটা কষ্ঠের জীবন। সবচেয়ে বড় কথা নিজেদের একটি ঘরের জন্য নুরজাহান প্রতিদিন অল্প অল্প করে মাটি এনে গত তিন মাসে বেশ কিছু মাটি জমা করেছেন। কিন্ত কথায় আছে সাধ থাকলেও সাধ্য নেই। নতুন এই জনপ্রতিনিধি জানান, সুযোগ আসলেই তাদের বিষয়টি দেখবো।
এ ব্যপারে রাখালগাছি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম মন্টু জানান, তার ইউনিয়নের মানুষ অত্যন্ত গরীব। নুরজাহান ও তার নাতি তাদের মধ্যে অন্যতম। শুনেছি তারা পরের ঘরের বারান্দায় থাকে। নরদহি গ্রামে নুরজাহানের বাবার ভিটেই ৮ শতক জমি আছে শুনছি। কিন্ত ঘর করার সামথ্য নেই। আবার বিধবা ভাতা পাননা ফলে তিনি সুযোগ পেলেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবেন।
কালীগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কৌশিক খান জানান, দাদি আর নাতি এতোটা অসহায় পূর্বে কেউ জানায়নি। এ বছরের বিধবা ভাতার কর্মকান্ড আগামী জুনে আসবে। তখন বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
তবে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া জেরিন জানান, যার জমি আছে তিনি আর সরকারী খরচের ঘর পাবেন না। জমি আছে ঘর আছে প্রকল্প শেষ হয়ে গেছে। এখন যে প্রকল্প আছে সেটি হলো যার জমি নেই তিনি ঘরের সুযোগ পাবেন। তারপরও সুযোগ পেলেই দাদি নাতির বিষয়ে অগ্রাধিকার দিবেন।
মোংলা-খুলনা মহাসড়কে ট্রাক চাপায় নৌবাহিনীর কর্মকর্তা নিহত
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোংলা-খুলনা মহাসড়কের চুলকাঠী এলাকায় ট্রাক চাপায় মোংলার দিগরাজ নৌঘাটির সাব/সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট মোঃ ফিরোজ কবির নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে এ মহাসড়ক দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে মোংলায় যাওয়ার পথিমধ্যে মহাসড়কের চুলকাঠী বাজারে পৌছালে বিপরীত থেকে একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। এ দুর্ঘটনার খবর পেয়ে কাটাখালী হাইওয়ে পুলিশ, চুলকাঠী পুলিশ ফাড়ি ও মোংলার দিগরাজ নৌঘাটির কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌছেছেন।নি
হত ফিরোজ কবির দিগরাজ নৌঘাটির বিএনএস রুপসা জাহাজে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট পদে কর্মরত ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে তার স্ত্রীকে কাটাখালী থেকে গাড়ীতে উঠিয়ে দিয়ে মোংলায়স ফিরছিলেন তিনি। চুলকাঠী পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মোঃ ওলিয়ার রহমান বলেন, কাটাখালী থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে মোংলা যাচ্ছিলেন নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ফিরোজ কবির। চুলকাঠী নামক স্থানে পৌছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। ট্রাকের চাকার চাপায় ফিরোজের মাথা থেতলে গিয়ে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। ঘটনাস্থলে হাইওয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনীর কর্মকর্তাসহ সদস্যরা রয়েছেন। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
রাতে স্ত্রীর সঙ্গে ঘুমিয়েছিলেন স্বামী, সকালে মিলল মরদেহ
মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের মনিরামপুরে আকবর সানা নামে এক ব্যবসায়ীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার রাতে স্ত্রী রহিমা খাতুনের সঙ্গে একঘরে থাকলেও সকালে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়।
মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুলিশ লাশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে রহিমা তার স্বামীর গোপনাঙ্গ চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যার পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে রেখেছিল।
এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রহিমা খাতুনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ভাঙা জিনিসপত্রের ব্যবসায়ী নিহত আকবর (৩৬) উপজেলার মশ্বিমনগর ইউনিয়নের পারখাজুরা গ্রামের আরশাদ সানার ছেলে।
আকবরের চাচাতো ভাই তরিকুল ইসলামসহ পরিবারের লোকজন জানান, দুই সন্তানের জনক আকবর বাগেরহাট জেলায় ব্যবসা করতেন। মাঝেমধ্যে তিনি বাড়িতে আসতেন। পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। সোমবারই বাগেরহাট থেকে বাড়িতে এসেছিলেন আকবর।
মনিরামপুর থানার ওসি (তদন্ত) গাজী মাহবুবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় এখনও কেউ মামলা করেননি। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একদিনের ব্যবধানে বিদ্যুৎস্পর্শে দুই হনুমানের মৃত্যু
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের কেশবপুরে একদিনের ব্যবধানে বিদ্যুৎস্পর্শে দু’টি বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমানের মৃত্যু হয়েছে। রোববার ও মঙ্গলবার সকালে উপজেলার কোমরপোল গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কেশবপুর থেকে খাদ্যের সন্ধানে একদল হনুমান উপজেলার কোমরপোল গ্রামের বিভিন্ন গাছগাছালিতে বিচরণ করছিল। সকালে একটি হনুমান ওই গ্রামের লুৎফর গাজীর বাড়ির পাশে নারকেল গাছ থেকে অন্য গাছে যাওয়ার সময় পাশ দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যায়। এলাকার লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে ওই মৃত হনুমানের চারপাশে ভিড় জমায়। এর আগে গত রোববার একই গ্রামে বিদ্যুতের তারে বিদ্যুতায়িত হয়ে আরও একটি কালোমুখো হনুমান মারা যায়। খবর পেয়ে উপজেলা বনকর্মকর্তারা মৃত হনুমান দু’টি উদ্ধার করেছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা বন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা বলেন, বিদ্যুৎ স্পর্শে মারা যাওয়া ওই হনুমান দু’টি উদ্ধার করে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, কয়েকশ বছর ধরে কেশবপুর সদর ও পার্শ্ববতী এলাকা জুড়ে প্রায় পাঁচশ’বিরল প্রজাতির কালোমুখো হনুমান বসবাস করে আসছে। বিভিন্ন সময়ে খাদ্যের সন্ধানে তারা দলছুট হয়ে এলাকা ছেড়ে অন্যত্রও চলে যাচ্ছে। সরকারিভাবে কালোমুখো হনুমানের জন্য যে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয় তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বছর ১৫-২০ টি হনুমান বিদ্যুতের তারে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যাচ্ছে। এ কারণে হনুমান বিচরণ এলাকায় বিদ্যুতের কভার যুক্ত তার দেওয়ার দাবিতে কেশবপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়ে আসছে।
নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল: যশোরের নওয়াপাড়া গ্রুপের অফিসে রয়েছে ‘টর্চার সেল’
যশোর অফিস
যশোরের অভয়নগর উপজেলায় এক তরুণকে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার সারাদিন নওয়াপাড়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল নির্যাতনের ভিডিওটি। ঘটনাটি ২০২০ সালের ১ মার্চ সন্ধ্যার। তবে সেটি প্রকাশ্যে আসে মঙ্গলবার।
নির্যাতনের শিকার ওই তরুণ ওবায়দুল ইসলাম (২২) অভয়নগর উপজেলার কোটা গ্রামের আব্বাস মোল্যার ছেলে। তিনি স্থানীয় সার, গম, কয়লা আমদানিকারী প্রতিষ্ঠান নওয়াপাড়া গ্রুপের স্কেলম্যান হিসেবে কর্মরত। গম চুরির অপবাদ দিয়ে তাকে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ ওই তরুণের। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তাদের কেউ ওই নির্যাতনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। অন্যদিকে পুলিশ বলছে, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ২৪ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি ঘরের ভেতরে টেবিল-চেয়ারের পাশে মেঝেতে ফেলে এক তরুণকে চ্যাংদোলা করে ধরে রাখা হয়েছে। ওই তরুণের দুই পাশে দুই তরুণ তার একহাত ও এক পা উঁচু করে ধরে রেখেছে, আর পেছনে দাঁড়িয়ে দু’জন। তাদের একজনের পরনে হাফহাতা লাল শার্ট, আরেকজনের পরনে ফুলহাতা সাদা গেঞ্জি। মাথায় খয়েরি রঙের ক্যাপ। লাল শার্ট পরিহিত ব্যক্তি বলছেন, ‘ধরো ধরো ধরো, ভালো করে ধরো। হাতে লাগবে না।’ এরপর সাদা গেঞ্জি পরিহিত ব্যক্তি দুই হাতে মোটা লাঠি দিয়ে ওই তরুণের পশ্চাদদেশে বেদম প্রহার করছেন।
লাল শার্ট পরিহিত ব্যক্তি হলেন শোয়েব খান। তিনি নওয়াপাড়া গ্রুপের কর্মকর্তা। তিনি নওয়াপাড়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইদুর রহমান লিটুর আত্মীয়। আর সাদা শার্ট পরিহিত ব্যক্তি হলেন সোহাগ।
নির্যাতনের শিকার তরুণ জানান, নওয়াপাড়া গ্রুপের একজন অংশীদারের দূরসম্পর্কের শ্যালক শোয়েব খান কারণে-অকারণে তাদের ওপর নির্যাতন চালান। শারীরিক, মানসিক নির্যাতনের সঙ্গে অর্থনৈতিকভাবেও শোষণ করা হয়। যেসব কর্মচারী প্রতিবাদ করেন, তাদের চাকরিচ্যুতির পাশাপাশি পাওনা না মিটিয়ে বের করে দেওয়া হয়।
ওবায়দুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি ২০২০ সালের ১ মার্চ সন্ধ্যার। তিনি ফরিদপুরে দায়িত্ব পালন করছিলেন। কথিত একটি চুরির ঘটনাকে পুঁজি করে আমাদের নওয়াপাড়ায় অফিসে ডেকে আনা হয়। সেখানে রাকিবুল ইসলাম রকি (২৬) ও বায়েজিদ শেখ (২২) নামে আরও দুই কর্মচারী ছিলেন। সন্ধ্যার পর অফিসের ভেতরে স্টাফদের খাওয়ার কক্ষে নিয়ে রকি ও বায়েজিদকে দিয়ে আমার দুই হাত ও দুই পা ধরতে নির্দেশ দেন শোয়েব খান। সোহাগ নামে আরেকজন পেছনে মোটা লাঠি দিয়ে বেদম প্রহার করেন। পরে রকি ও বায়েজিদকেও একইভাবে পেটানো হয়। আমাকেও তাদের হাত-পা ধরতে বাধ্য করা হয়। নির্যাতনের পর আমাদের ওই কক্ষের মধ্যে ফেলে রাখা হয়। পরদিন ২ মার্চ সকালে পুলিশ ডেকে এনে আমাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর পুলিশ ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় আমাদের নিয়ে যায়। সেখানে আমাদের বিরুদ্ধে গম চুরির অভিযোগে মামলা দেওয়া হয়। আড়াই মাস হাজতবাস করার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়ি আসি।
মারধরের শিকার রাকিবুল ইসলাম রকি বলেন, শোয়েব খান একই অফিসের কর্মী ও তার অনুগত সোহাগ, ইমরান, অনুপ ও ইমদাদের সহায়তায় আমাদের অমানবিকভাবে পেটান। কথিত একটি চুরির অপবাদ দিয়ে আমাদের মারধর করা হয়। ফরিদপুরে গম চুরির কথিত একটি মামলায় আমাদের দায়ী করে বিনা কারণে এভাবে অমানবিকভাবে পেটানো হয়। ঘটনার পরপরই আমাদের চাকরিচ্যুতিও ঘটে। নওয়াপাড়া বাজারের প্রধান সড়কে নওয়াপাড়া গ্রুপের অফিস। অনেক বড় জায়গা নিয়ে অফিসটি। এই অফিসের ডাইনিংয়ে রয়েছে কর্মচারীদের মারধরের জন্য টর্চার সেল। সেখানে শতাধিক লাঠি (বেলচার জন্য নির্মিত কাঠের বাঁট) রাখা ছিল, যেগুলো দিয়ে মারধর করা হয় কর্মীদের।
নির্যাতনের শিকার অভয়নগর উপজেলার আমডাঙ্গা গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে নছিমন চালক আমিন উদ্দিন জানান, তিনি নওয়াপাড়া গ্রুপের মালপত্র নছিমনে টানেন। চলতি বছর ৯ ফেব্রুয়ারি নছিমনে করে ইট নিয়ে যান। তাকে ওখানকার লোকজন ১০ থেকে ১৫টি ইট দেয়। এ ঘটনায় চুরির অভিযোগ এনে তাকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে নওয়াপাড়া গ্রুপের টর্চার সেলে আটক রাখে। রাতের বেলায় নওয়াপাড়া গ্রুপের কর্মকর্তা শোয়েব খান কোদালের হাতল দিয়ে মারেন।
এদিকে, নির্যাতনের ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অভিযুক্ত শোয়েব খানকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তার ব্যবহূত মোবাইল ফোন দুটিও রয়েছে বন্ধ।
তবে নওয়াপাড়া গ্রুপের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জনি বলেন, নির্যাতনের শিকার যুবক তাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকাকালে গম চুরির ঘটনায় জড়িয়ে পড়লে জনরোষের শিকার হন। কিন্তু ভিডিওতে মারধর যারা করেছে, তাদের কেউ নওয়াপাড়া গ্রুপের নয়।
যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ ওসি রূপন কুমার সরকার বলেন, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি তাদের নজরে আসার পর ডিবির দক্ষ একটি টিমকে বিষয়টি অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তের পর এ ব্যাপারে যথাযথ আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
পিকআপ ভ্যানের চাপায় কৃষকের মৃত্যু
মনিরামপুর(যশোর)প্রতিনিধি
যশোরের মনিরামপুরে মুরগি বোঝাই একটি পিকআপভ্যানের চাপায় আকতারুল ইসলাম (৪০) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন।
সোমবার বিকেলে উপজেলার হাকিমপুরে নলতাঘাট মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় স্থানীয়রা পিকআপভ্যানের চালক রুবেল হোসেনকে আটক করে।
নিহত আকতারুল ইসলাম চালুয়াহাটি ইউনিয়নের শয়লা গ্রামের মৃত কদম আলীর ছেলে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে কৃষক আকতারুল ইসলাম মাঠ থেকে ঘাস কেটে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় রাজগঞ্জ-ত্রিমোহিনী সড়ক পার হওয়ার সময় পিছন থেকে আসা মুরগিবোঝাই একটি পিকআপভ্যান তাকে চাপা দিয়ে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে পিকআপভ্যানটি সড়কের পাশে ধান ক্ষেতের মধ্যে ঢুকে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই কৃষক আকতারের মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা এসে পিকআপভ্যানের চালক রুবেল হোসেনকে আটক করে।
খবর পেয়ে পুলিশ নিহত আকতারের মরদেহ উদ্ধার করে এবং পিকআপ চালককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
মনিরামপুর থানার ওসি(তদন্ত) গাজী মাহাবুবুর রহমান জানান, মঙ্গলবার সকালে আকতারের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও আটক চালক রুবেল হোসেনকে আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে।
কুষ্টিয়ায় মহাসড়কে উল্টে গেছে গ্যাসবাহী ট্রাক, যান চলাচল বন্ধ
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়কের বহুলবাড়িয়া এলাকায় রোববার বিকেল ৩টার দিকে গ্যাসবাহী একটি ট্রাক উল্টে যায়। সড়কের ওপর ট্রাকটি আড়াআড়ি উল্টে যাওয়ায় পুরো সড়কটি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ২০ ঘণ্টা পার হলেও সেটি সরাতে পারেনি হাইওয়ে পুলিশ। এদিকে সড়কে ট্রাক পড়ে থাকায় উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
কুষ্টিয়া চৌড়হাস হাইওয়ে থানার ওসি ইদ্রিস আলী বলেন, উন্নতমানের বড় ক্রেন ছাড়া এই গ্যাসবাহী ট্রাক সরানো সম্ভব হচ্ছে না। দীর্ঘক্ষণ ধরে মহাসড়ক বন্ধ রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। চেষ্টা করা হচ্ছে ট্রাকটি সরানোর। তবে সময় লাগবে।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্র জানায়, রোববার বিকেলে মোংলা থেকে ১০ চাকার বড় ট্রাকটি প্রায় ১৭ টন এলপিজি নিয়ে নাটোর যাচ্ছিল। বেলা ৩টার দিকে কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়কের মিরপুর বহলবাড়িয়া এলাকায় ভাঙাচোরা সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকটি সড়কের ওপর উল্টে যায়। ট্রাকটি উল্টে আড়াআড়িভাবে সড়কে পড়ে থাকায় উভয়দিকের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে। এই মহাসড়ক দিয়ে উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গের ৩২ জেলার মানুষের যাতায়াত।
রাত সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম পাবনার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে একটি টিম পাঠান ঘটনাস্থলে। রাশিয়ান ওই টিম এসে গ্যাসভর্তি ট্রাকটি সরাতে গেলে তা বিস্ফোরিত হতে পারে- এমন ঝুঁকির কথা জানিয়ে চলে যান। এদিকে মহাসড়ক বন্ধ থাকায় এলাকার বিভিন্ন বিকল্প পকেট রাস্তা দিয়ে ভারি যানবাহন চলাচল করতে থাকে। এতে সরু সড়কগুলোতেও চাপ বেড়ে যায়। কয়েক জায়গায় ভেঙেও যায়।
হাইওয়ে থানার ওসি ইদ্রিস আলী বলেন, ট্রাকটি সড়ক থেকে সরানোর জন্য স্থানীয়ভাবে সব রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিস্ফোরণ হলে যাতে ক্ষতি না হয় সেজন্য উভয়পাশে বালুর স্তুপ রাখা হয়েছে। জানি না কখন সড়ক স্বাভাবিক হবে।
জেলা প্রশাসক সাইদুল ইসলাম জানান, মহাসড়ক সচল করতে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। গ্যাসবাহী ট্রাক হওয়ার কারণে একটু সময় লাগছে। সাবধানে কাজ করতে হচ্ছে। আরো কিছুটা সময় লাগতে পারে।
জুতা পায়ে শহীদ মিনারে
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি।।
সাতক্ষীরায় শহীদ মিনারের পবিত্রতা নষ্ট করে জুতা পায়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) জেলার শহীদ আব্দুর রাজ্জার পার্কে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ ঘটনা ঘটে। মাইকে বারবার ঘোষণা দিয়ে জুতা পায়ে শহীদ মিনারের পাদদেশে উঠতে নিষেধ করা হলেও সাতক্ষীরা হিসাবরক্ষণ অফিসের কর্মকর্তারা তা মানেননি। তারা নিয়মনীতি ভেঙে হুড়োহুড়ি করে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন এবং সেলফি তোলায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে হাতেগোনা কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়া শেষ হলেই শুরু হয়ে যায় আগে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়ার প্রতিযোগিতা। এসময় সাতক্ষীরা হিসাবরক্ষণ অফিসের এসএএস সুপারিনটেনডেন্ট আব্দুস সোবহানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা জুতা পায়েই শহীদ মিনারের বেদিতে উঠে পড়েন এবং শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে ফটোসেশন করেন।
এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে হিসাবরক্ষণ অফিসের এসএএস সুপারিনটেনডেন্ট আব্দুস সোবহান বলেন, ‘প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে ভুল করে জুতা পায়ে উঠে পড়েছিলাম। পরে আবার জুতা খুলে উঠেছি। তবে এটি করা আমাদের উচিত হয়নি।’
জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন বলেন, ‘আমরা বারবার ঘোষণা মঞ্চ থেকে জুতা পায়ে কেউ যেন বেদিতে না ওঠেন সেজন্য অনুরোধ করেছি। এরপরও এমন দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে।’








































