ঢাকা অফিস।।
দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোকে সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ে আনতে ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ প্রকাশ করেছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। নীতিমালার মাধ্যমে সারা দেশে প্রায় ২ কোটি নারী প্রধানকে জিটুপি পদ্ধতিতে সরাসরি অর্থ সহায়তার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এর মধ্যে ৮ ধরনের ব্যক্তি বা পরিবারকে নীতিমালার বাইরে রাখা হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, দেশের প্রতিটি পরিবারকে একক ডিজিটাল কাঠামোর আওতায় আনতে ‘ওয়ান-আইডি’ হবে এই কর্মসূচির প্রধান ভিত্তি। পরিবারের উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
যে ৮ শ্রেণির মানুষ ফ্যামিলি কার্ডের আওতাভুক্ত হবেন না:
>নির্ধারিত পিএমটি স্কোর: সরকার নির্ধারিত পিএমটি স্কোরের ঊর্ধ্বসীমার বেশি স্কোরধারী পরিবার।
>সরকারি চাকরিজীবী ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক: পরিবারপ্রধান সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা রাষ্ট্রায়ত্ত কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত হলে অথবা এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী হলে।
>পেনশনভোগী: সরকারি পেনশন বা অবসর সুবিধা গ্রহণকারী ব্যক্তি (প্রতিবন্ধী সন্তান হিসেবে বিশেষ পেনশন সুবিধাভোগী ছাড়া)।
>সঞ্চয় ও বিনিয়োগ: সঞ্চয়পত্রে ৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ কিংবা ব্যাংকে ৫ লাখ টাকার বেশি ফিক্সড ডিপোজিট থাকলে।
যানবাহনের মালিকানা: বিআরটিএ নিবন্ধিত সিএনজি, কার, জিপ, পিকআপ বা অন্য কোনো চার চাকার যানবাহনের মালিক হলে।
>ব্যবসা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান: হালনাগাদ লাইসেন্সপ্রাপ্ত বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মালিক হলে।
>করদাতা: পরিবারের যেকোনো সদস্যের করযোগ্য আয় থাকলে বা নিয়মিত আয়কর প্রদান করলে।
>জমির পরিমাণ: বসতভিটাসহ আবাদি জমির পরিমাণ ০.৫০ একর বা তার বেশি হলে অথবা অকৃষি জমির মূল্যায়িত বাজারমূল্য ৫ লাখ টাকার বেশি হলে।
আদেশে আরও স্পষ্ট করা হয়, ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া নারী প্রধান অন্য কোনো সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির (যেমন: টিসিবি স্মার্ট কার্ড, ভিডব্লিউবি বা বয়স্ক ভাতা) আর্থিক সুবিধা একসাথে ভোগ করতে পারবেন না। তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা নিয়মানুযায়ী সুবিধা পাবেন।









































