শাহজাহান সিরাজ, কয়রা (খুলনা) ।।
কয়রায় দুটি ইউনিয়নের সীমানায় গড়িয়াবাড়ী স্লুইস গেটের লোহার পাট বাকিয়ে স্থানীয় দূর্বৃত্তরা চিংড়ী চাষ করতে লবণ পানি তোলায় দুটি ইউনিয়ন এখন হুমকীর মুখে। এ বিষয় সরেজমিনে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে কতিপয় ঘের ব্যবসায়ী স্লুইসগেটের বাহিরের লোহার পাটে মোটা কাঠ দিয়ে রাখায় জোয়ারের পানির চাপে পাট দুমড়ে মুচড়ে বাঁকা হয়ে যায়। এলাকাবাসী জানায়, গেটের পাট দুমড়ে যাওয়ায় প্রতিদিন জোয়ারের পানি ভিতরে প্রবেশ করছে এবং এভাবে জোয়ারের লবণ পানি ঢুকলে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশংকা রয়েছে। জানা গেছে, জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ¦ মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু বিগত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে উক্ত গড়িয়াবাড়ী স্লুইসগেটের দুটি পাট নির্মানের জন্য ৩ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ দেয়। উত্তরবেদকাশি ইউপি চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম বিগত এপ্রিল মাসে দুটি পাট তৈরি করে লাগিয়ে দেয়। কিন্তু স্থানীয় কয়েকটি গ্রামে সম্প্রতি লবণ পানির চিংড়ীঘেরের পাইপ বন্ধ করায় ঘের মালিকরা গেট ব্যবহার করে লবন পানি তুলে চিংড়ী চাষের আশায় গেটের পাট ক্ষতি করেছে বলে একাধিক সূত্রে জানা যায়। সূত্র জানায়, এভাবে প্রতিদিন জোয়ারের লবণ পানি উঠলে কাশির খালের দু’পাড়ের কয়রা সদর ও উত্তর বেদকাশি ইউনিয়নের একাধিক গ্রাম প্লাবিত হতে পারে এবং স্লুইস গেটটিও হুমকীর মুখে পড়বে। এদিকে উপজেলা চেয়ারম্যন এসএম শফিকুল ইসলাম শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থ পাট দ্রুত মেরামতের আশ^াস দিযেছেন। এবিষয় সংসদ সদস্য জানান, উল্লেখিত গেটের পাট দীর্ঘদিন নষ্ট থাকার খবর পেয়ে তিনি এক বছর আগে ঘটনাস্থলে গেলে এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে দুটি পাট নির্মানের জন্য ৩ লক্ষ টাকা দিয়েছিলাম। তিনি বলেন, গেট দিয়ে লবণ পানি তুলে কাউকে কৃষকের ক্ষতি করতে দেয়া হবে না এবং দূর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কয়রা সদর ও বেদকাশি ইউপি চেয়ারম্যান এসএম বাহারুল ইসলাম এবং সরদার নুরুল ইসলাম জানান, লবণ পানির ঘেরের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে ্্উঠায় অসাধু কিছু ঘের মালিক রাতের আধারে স্লুইস গেট ব্যবহার করে লবণ পানি তোলার চেষ্ঠা করছে এবং তারাই পাট নষ্ট করেছে বলে ধরনা করা হচ্ছে। চেয়ারম্যানদ্বয় বলেন, ইতোমধ্যেই লবণ পানি তোলার পাইপ ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে এবং আমরা ঘেরের বিপক্ষে নই লবণ পানির বিপক্ষে।









































