করোনা প্রতিরোধে মাস্ক ও লিফলেট বিতরণে বঙ্গবন্ধু পরিষদ খুলনা মহানগর
খবর বিজ্ঞপ্তি
মঙ্গলবার দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধু চত্বর, ডাকবাংলা মোড়, কেসিসি মার্কেট, শিববাড়ী মোড়, সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড, সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কসহ বিভিন্ন এলকায় বঙ্গবন্ধু পরিষদ খুলনা মহানগরের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক ও সচেতননতা লিফলেট বিতরণ করা হয়। পরিষদের নেতৃবৃন্দ জনগনকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঘোষিত নিয়মাবলী নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, করমর্দন না করা, মাস্ক ব্যবহার করা, জনসমাগম এড়িয়ে চলা, জ্বর, সর্দি, কাশিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের স্বেচ্ছায় হোম কোয়ারেন্টাইনে যাওয়ার আহবান জানান। মাস্ক ও লিফলেট বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের খুলনা মহানগর সভাপতি ও সোনাডাঙ্গা থানা আ.লীগের সহ-সভাপতি এস এম রাজুল হাসান রাজ্,ু কার্যনির্বাহী সভাপতি মোঃ ইউসুফ আলী সাদা, সাধারণ সম্পাদক রোটা. এম আসাদুজ্জামান মুন্না, সহ-সভাপতি শরীফ এনামুল কবীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসমত আলী, সাবেক ছাত্রনেতা নূর হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাছির উদ্দিন সরদার, কবি স ম হাফিজুল ইসলাম, ডা. হাফিজুর রহমান সোহেল,প্রভাঃ ইফফাত সানিয়া ন্যান্সি, মোঃ সেলিম চৌধুরী, আবুল কালাম মোল্লা, আলহাজ্ব মোঃ শাজাহান খান, কবি আসাদুজ্জামান মিথুন, আলহাজ্ব হাফেজ শেখ আসলাম, মোঃ রেজাউল করিম, শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন, ইঞ্জি. শান্তনু বৈরাগী, সারাফাত উল্লাহ স্বপন, মহিদুল ইসলাম নান্নু, বিশ্বজিত কুমার মন্ডল, শরিফুল ইসলাম মিঠু, আদম গাজী মান্দার, কামাল হোসেন, রায়হান চৌধুরী, আফজাল হোসেন আমজালা, মোজাহার গাজী, লিয়াকত হোসেন, আঃ সালাম সিকদার, আঃ জব্বার কমান্ডার, টিটু মল্লিক, লিয়াকত আলী, আওলাদুল আমিন, জহুরুল হক প্রমুখ।
অভয়নগর থানা ও পৌর বিএনপির করোনা সচেতনতার লিফলেট বিতরণ
অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি
অভয়নগর থানা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গোলবার বিকালে থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও জেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য ফারাজী মতিয়ার রহমান, সাবেক পৌর সভাপতি ও জেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য আবু নঈম মোড়ল, থানা কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য কাজী গোলাম হাইদার ডাবলু, জেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য রেজাউল করিম মোল্যা, সাবেক উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান উমাদউদ্দীন গাজী সহ থানা স্বেচ্ছাসেবকদল, যুবদল সহ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কেশবপুরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ঠে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের কেশবপুরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ঠে কলেজ ছাত্রের করুণ মৃত্যু হয়েছে। এলাকাবাসি সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার দোরমুটিয়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের কলেজ পড়–য়া পূত্র জুবায়ের রহমান মিঠুন (১৭) মঙ্গলবার দুপুরে নিজ বাড়ির মটরের তার ঠিক করার সময় সে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়। তার পরিবার ও এলাকাবাসী তাকে কেশবপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। জুবায়ের রহমান মিঠুন কেশবপুর সরকারি ডিগ্রী কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিল। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পাটকেলঘাটায় মাস্ক সাবান লিফলেট বিতরণ অব্যাহত
পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি
তালার পাটকেলঘাটা সরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানের উদ্যোগে ধারাবাহিক মাস্ক, সাবান এবং সচেতনতা মুলক লিফলেট বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় সরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এরই ধারাবাহিকতায় পাটকেলঘাটাবাসীর অসহায়, দুস্থ ও খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে বিশেষত ভ্যান চালকদের উদ্দেশ্যে ২৫০ টি সাবান, ২৫০ টি মাস্ক ও লিফলেট বিতরণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদ সচিব প্রবীর হাজারী, ইউপি সদস্য আব্দুল আজিজ, পরিতোষ কুমার দাস, হাফিজুর রহমান, সাংবাদিক খান এস.এম মফিদুল ইসলাম সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, গণসচেতনতায় রুখতে পারে করোনা ভাইরাস। নিজেকে বাচালে বাচবে পরিবার, বাচবে সমাজ অতঃপর দেশ। সুতরাং সচেতনতায় পারে করোনা রুখতে। জানা যায়, করোনা ভাইরাসকে রুখতে প্রথম থেকেই তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডে মাইকিং কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। এছাড়া বিদেশ হতে আগত প্রবাসীদের কোয়ারেন্টাইন হোমে সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য ওয়ার্ড সদস্যদের সভাপতি করে দফাদার চৌকিদারদের নিয়ে ৫/৭ বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছেন। পাশাপাশি ৫৬ জন বিদেশ ফেরত প্রবাসীর বাড়িতে লাল পতাকা উত্তোলন করেছেন। স্বাভাবিক অবস্থায় না আসা পর্র্যন্ত তার কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানান।
ফকিরহাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ১জনের মৃত্যু : আহত-২
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হয়ে মতলেব গাজী (৬৫) নামের একজনের করুন মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় উপজেলার নলধা-মেীভোগ ইউনিয়নের মৌভোগ গাজী পাড়ার সিরমান গাজীর বাড়ীতে এই মুত্যুর ঘটনা ঘটে। এসময় তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে আরও দুইজন গুরুত্বর আহত হয়েছেন। আহত আনিসুর রহমান গাজী (২৮) ও ইউসুফ গাজী-কে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। মৃতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, মৌভোগ গাজীপাড়ার সিরমান গাজীর পুত্র আলমগীর গাজীর বাড়ীর টিউবয়েলের পাশে নিজ ইজিবাইকে সোমবার রাতে বিদ্যুতের তার সংযোগ দিয়ে রাখে। ঘটনার সময় সকালে মতলেব গাজী টিউবয়েলে পানি আনতে গেলে বিদ্যুৎ সংযোগ করা ইজিবাইকে হাত লাগলে এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় উক্ত এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সাংবাদিক বাবুল সরদারের মাতার মুত্যুতে শোক প্রকাশ
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট প্রেসকাবের সাবেক সভাপতি দৈনিক জনকন্ঠের সিনিয়র ষ্টাফ রিপোটার ও প্রবীণ সাংবাদিক বাবুল সরদার এর মাতা রমা রানী (৮২) পরলোকগমন করেছেন। তার মুত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন ফকিরহাটে কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ। এরা হলেন পি কে অলোক, মান্না কুমার দে, ফটিক ব্যার্নাজী, এম জাকির হোসেন, মতিউর রহমান মোড়ল, বাতশা আলম, আকাশ বিশ^াস, আনন্দ কুমার দে, সুমন কুমার দে, সোনাতন কর্মকার। চুলকাঠি প্রেসকাবের সভাপতি শেখ মিজানুর রহমান মিঠু, সাধারন সম্পাদক চন্দন কুমার দেবনাথ, সাবেক সভাপতি জি এম মিজানুর রহমান, সাবেক সাধারন সম্পাদক সেকেন্দর আলী মোড়ল, মোঃ আনিফুজ্জামান ঢালী, মোঃ মাফুজুর রহমান ও অমিত কর বিলাশ প্রমুখ।
চিতলমারীতে পুলিশ সুপারের লিফলেট বিতরণ
চিতলমারী প্রতিনিধি
বাগেরহাটের চিতলমারীতে জনসাধরণকে সচেতন করতে করোনা প্রতিরোধী লিফলেট বিতরণ করেছেন জেলা পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়। মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার চিতলমারী সদর বাজারে তিনি এ লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় এসম জেলা প্রশাসন থেকে উপস্থিত ছিলেন জেলা এডি,এম মোঃ শাহিনুজ্জামান, সাংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীনের প্রতিনিধি তার বিশেষ সহকারী মোঃ ফিরোজুল ইসলাম, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি ডাঃ শেখ আদনান হোসেন । অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চিতলমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অশোক কুমার বড়াল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মারুফুল আলম,উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ বাবুল হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক পীযূষ কান্তি রায়, থানা অফিসার ইনচার্জ মীর শরিফুল হক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মাহাতাবুজ্জামান, উপজেলা প্রেসকাবের সাধারন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাফা প্রমুখ।
বটিয়াঘাটা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ
ইন্দ্রজিৎ টিকাদার বটিয়াঘাটা
বিশ্বব্যাপী মহা সংক্রামক করোনা ভাইরাস(ঈঙঠওউ-১৯) প্রতিরোধ ও মোকাবেলায় বটিয়াঘাটা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। গত কয়েকদিন যাবৎ লিপলেট বিতরণ, মাইকিং, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন সহ সার্বিক কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুম সহ মনিটরিং সেল খোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে উপজেলার ৭ টি ইউনিয়নের সাপ্তাহিক হাট বাজারে গণ জমায়েত নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিদেশ থেকে যারা দেশে ফিরে এলাকায় অবস্থান করছে তাদেরকে নিরাপদে ঘরে অবস্থান করার নির্দেশ প্রদান করেছে। শুধু তাই নয় বিদেশ থেকে যারা দেশে ফিরেছে তাদের বাড়ীতে লাল পতাকা উত্তোলন করে দেওয়া হয়েছে। চায়ের দোকান সহ আড্ডা হয় এমন দোকানগুলোতে আড্ডা কিংম্বা গণজমায়েত বন্ধ করতে স্টলের টেবিল, চেয়ার ও বেঞ্চ অন্যত্র সরিয়ে দেওযা হয়েছে। বিভিন্ন অফিস পাড়ায় হাত ধোয়ার ব্যবস্থাও করে দেওয়া হয়েছে। অসাধু ব্যবস্যায়ীরা এ সুযোগে যাতে দ্রব্যমূল্য বাড়াতে না পারে সে লক্ষ্যে মূল্য নির্ধারণ করে দোকানে চার্ট টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সংক্রামক যাতে না বিস্তার ঘটে সে লক্ষ্যে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া সকলকে লগইন করে দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে সেনাবাহিনীর একটি টিম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলামের সাথে প্রাথমিক গোল বৈঠক করেছেন। আজ সকালে সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন সাদমান সাকিবের নেতৃত্বে ১০০ সদস্যের ৩ প্লাটুন সেনা সদস্য করোনা ভাইরাস ও বাজারে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন মোকাবেলায় মাঠে নামছে। আজ বুধবার অফিস কার্যদিবস শেষে আগামী চৌঠা এপ্রিল পর্যন্ত সকল সরকারী বে-সরকারী অফিস আদালত বন্ধ হচ্ছে। সব মিলিয়ে পূর্ণ লগইন এর দিনের দিন কাছিয়ে আসায় পূর্বের তুলনায় নানান উদ্বেগ আর উৎকন্ঠার মাত্রা বাড়ছে। তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল নিয়ম মেনে চলা ও আতঙ্কিত না হওয়ার আহব্বান জানিয়েছেন।
বটিয়াঘাটা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরী সভা
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি
বটিয়াঘাটা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক জরুরী সভা গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় স্থানীয় জ্যোতিষ্ক সম্মেলন কক্ষে উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই গাইন ও চঞ্চলা মন্ডল, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ অপর্ণা বিশ্বাস, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বঙ্কিম হালদার, সিঃ মৎস্য কর্মকর্তা মনিরুল মামুন, ওসি তদন্ত মোস্তফা হাবিবুল্লাহ, সমাজসেবা কর্মকর্তা অমিত সমাদ্দার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোনায়েম খান পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সরদার রফিকুল ইসলাম, খাদ্য কর্মকর্তা রফিকুল আলম, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রসেনজিৎ প্রণয় মিশ্র, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা আবু সাঈদ, উপজেলা প্রেসকাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ, চেয়ারম্যান মনোরঞ্জন মন্ডল, আলহাজ্ব আশিকুজ্জামান আশিক, ইসমাইল হোসেন মোল্লা বাবু, গোলাম হাসান, সরদার আব্দুল হাদী প্রমূখ। সভায় উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয় এবং বিভিন্ন পদক্ষেপ গৃহীত হয়।
বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর পক্ষ থেকে প্রচারপত্র বিলি
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনগণকে সচেতনা করার লক্ষ্যে বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর পক্ষ থেকে মঙ্গলবার নগরীর মিস্ত্রীপাড়া, ময়লাপোতা, নিরালা, গল্লামারীসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রচারপত্র বিলি করা হয়। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেনÑবৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ইমতিয়াজ আলী খোকন, জি এম মহিউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহাবুবুর রহমান খোকন, যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, ডাঃ আব্দুস সালাম, শেখ হেদায়েত হোসেন হেদু, সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল আহমেদ রাজা, মির্জা মাহমুদ, শেখ হেমায়েতুল ইসলাম প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। এ সময়ে নেতৃবৃন্দ অহেতুক আতঙ্কিত না হয়ে সচেতনমূলক নির্দেশনা পালনের আহ্বান জানান।
বাগেরহাটে শাহদাৎ হোসেন জীবন বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চান
মাসুম হাওলাদার, বাগেরেহাট
বাগেরহাটে জীবন বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চান ফুসফুসে পানি জমা (প্লুরাল ইফিউশন) রোগে আক্রান্ত গাড়ি চালক মোঃ শাহদাৎ হোসেন (৪৮)। চিকিৎসায় নিজের সঞ্চিত অর্থসহ আত্মীয় স্বজনের কাছ থেকে ধারও করেছেন অনেক টাকা। বর্তমানে টাকার অভাবে একদিকে ৩ ছেলে ও স্ত্রী‘র তিনবেলা ভাতও জুটছে না। অন্যদিকে নিজের চিকিৎসা করাতে পারছেন না এ অবস্থায় বাঁচার জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন শাহদাৎ হোসেন।
অসুস্থ্য শাহদাৎ হোসেন মোরেলগঞ্জ উপজেলার মোনাচ্ছের আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি যাত্রীবাহী বাসের চালক ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত কর্মীও বটে।
কিন্তু বর্তমানে টাকার অভাবে শাহদাৎ হোসেনের চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে। এর উপরে তার স্ত্রী রাজিয়া বেগমও ভুগছে টিবি রোগে। ব্রাক থেকে ফি চিকিৎসা পেলেও, রোগীর সেবাযতœ হচ্ছে না টাকার অভাবে। এ অবস্থায় জীবন বাঁচাতে শাহদাৎ হোসেন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেন। সকলের কাছে সহযোগিতার আহবান জানান তিনি।
অসুস্থ্য শাহদাৎ হোসেন বলেন, ফুসফুসে পানি জমায় দীর্ঘদিন ধরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। বর্তমানে টাকার অভাবে আর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে পারছি না। চিকিৎসার জন্য এখন ৬ লক্ষাধিক টাকার প্রয়োজন। এই টাকা না হলে আর বাঁচতে পারবনা বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি।
তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সকল মানুষের জন্য কাজ করছেন। আমি প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে চাই। আমাকে দেখলে তার দয়া হবে। তার সহযোগিতায় আমি নতুন জীবন ফিরে পাব। সহযোগিতার জন্য বিকাশ নং-০১৭৯২-০৬৬৬৯১।
সাতক্ষীরায় পৌঁছেছে সেনা বাহিনীর অগ্রগামী দল, করোনা প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের সাথে বৈঠক
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
করোনো ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সিভিল প্রশাসনকে সহযোগিতার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় পৌঁেছছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি অগ্রগামী দল। মঙ্গলবার বেলা ১২টায় লে. কর্নেল ফারহানের নেতৃত্বে যশোর ক্যান্টনমেন্ট থেকে সাতক্ষীরায় পৌঁছনোর পর অগ্রগামী দলটি জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামালের সাথে কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে করোনো ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সামাজিক দূরত্ব তৈরিতে সাধারণ মানুষকে বিনা কারণে ঘর থেকে বেরুনো রোধ ও বিদেশ ফেরত প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণে এক যোগে কাজ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, সেনাবাহিনীর ২০০ সদস্যের একটি দল বুধবার থেকে মাঠে নামবে। প্রতি উপজেলায় নিয়োজিত থাকবে এক প্লাটুন সেনা সদস্য। প্রতিদিন সকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সেনা সদস্যরা মাঠ পর্যায়ে কাজে নামবেন। এই বৈঠকের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামাল জেলাবাসীর প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, আমি বিশ^াস করি করোনো ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট বৈশি^ক মহামারী রোধে সাতক্ষীরাবাসী সচেতনতার পরিচয় দিয়ে নিজ ঘরে আবদ্ধ থাকবেন। তারা অহেতুক ঘর থেকে বেরুবেন না এবং এমন কিছু করবেন না যাতে কঠোর হতে হয়। প্রয়োজন হলে এই ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়াত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. বদিউজ্জামান ও মেজর সাবের।
সাতক্ষীরায় বিদশে ফেরতদের বাড়িতে লাল পতাকা উত্তোলন, হাতে সনাক্তকরন সিল
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরায় বিদেশ ফেরতদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করনের লক্ষ্যে ও আশেপাশের লোকজনদের সতর্ক করনের লক্ষ্যে লাল পতাক উত্তোলন করা হচ্ছে। হাতে মারা হচ্ছে সনাক্তকরন সিল। একই সাথে যানবন জীবানু মুক্ত করনে কাজ শুরু করছে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার সকাল থেকে সাতক্ষীরা সদরের বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদেশ ফেরতদের বাড়িতে যেয়ে তাদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করাসহ আশেপাশের লোকজনের সতর্ক করনের লক্ষে বাড়িতে লাল পতাকা তুলে দিচ্ছেন ও হাতে সনাক্তকরন সিল মেরে দিচ্ছেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেবশীষ চৌধুরীর নেতৃত্ব উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। এছাড়া শহরের বিভিন্ন সড়কে বাইরে থেকে আসা যানবাহনে জীবানুনাশক স্প্রে করছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা।
ঝিনাইদহে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে স্থানীয় সমস্যা ও সমাধানে মতবিনিময় সভা
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে স্থানীয় সমস্যা ও সমাধানে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন।
এতে জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ, পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডাঃ সেলিনা বেগম, পৌর সভার মেয়র ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু, সেনা বাহিনীর কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তরের সরকারী কর্মকর্তা ও জন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সেসময় বক্তারা, জেলার বিভিন্ন জায়গায় মাইকিং, লিফলেট বিতরনের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সকলকে সচেতন করার নির্দেশনা দেন। এমনকি দোকানে কিংবা কোন জায়গায় যেন জনসমাগম না হয় সে পরামর্শও দেওয়া হয়।
ঝিনাইদহে হাত ধুয়ে অফিসে প্রবেশের নোটিশ, সামনে বসানো হয়েছে বেসিন
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ঝিনাইদহের সিও সংস্থাসহ প্রতিটি দপ্তরে হাত ধুয়ে প্রবেশের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে অফিসের সামনে হাত ধোয়ার জন্য বসানো হয়েছে বেসিন, রাখা হয়েছে সাবান, হ্যান্ড ওয়াশ, হেক্সিসল হ্যান্ড রাব ও স্যাভলোন। অফিসে প্রবেশের পূর্বে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবা গ্রহীতারা নির্ধারিত স্থান থেকে হাত ধুয়ে অফিসে প্রবেশ করার জন্য আহবান জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিও সংস্থার সহকারী নির্বাহী পরিচালক মোঃ তোফাজ্জেল হোসেন, পরিচালক (সার্বিক) মোঃ ওহিদুর রহমান, পরিচালক (ঋন )কর্মসূচী মোঃ ফিরোজ আল মামুন, প্রধান হিসাব রক্ষক বদরুল আমীন, সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাফিদুন্নেছা শিলাসহ সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অভয়নগরে জমি কিনে বিপাকে শিক্ষক সিদ্দিক
অভয়নগর প্রতিনিধি
অভয়নগর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান জমি কিনে বিপাকে পড়েছেন। খেটেছেন জেলও। ক্রয়কৃত জমি থেকে উচ্ছেদে মরিয়া হয়ে উঠেছেন জসিম উদ্দিন ও হাজী মো. খোকন মোল্যা। নির্মাণাধীন বাড়ির কাজ বন্ধে করতে ১৪৪ ধারাও জারি করেছেন তারা। পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান। স্থানীয়ভাবে মিমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নওয়াপাড়া প্রেস কাবে সংবাদ সম্মেলন করেন শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান ও তার পরিবার।
সংবাদ সম্মেলনে সিদ্দিকুর রহমান তাঁর লিখিত বক্তব্যে বলেন, অভয়নগর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত হানেফ মোল্যার ছেলে হাবিবুর রহমান মোল্যার কাছ থেকে ২০১৬ সালে বালিয়াডাঙ্গা মৌজার ১৮৯০ দাগে ৮ শতক জমি ক্রয় করি। যার দলিল নং- ২১৪৪/১৬। এছাড়াও একই দাগে নাজিম উদ্দিন মোল্যার কাছ থেকে ৬.২৯ শতক জমি ক্রয় করি। যার দলিল নং- ৩২৫০/১৬। ১৪.২৯ শতক জমি ক্রয়ের পর থেকে আমি ভোগদখল করে আসছি। ওই ক্রয়কৃত জমি থেকে থেকে উচ্ছেদ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে একই গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে জসিম উদ্দিন ও মৃত নাজের মোল্যার ছেলে হাজী মো. খোকন মোল্যা। তারা নিজেদের মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে আমার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল হাজত খাটিয়েছেন। এখানেই ক্ষ্যান্ত হয়নি তারা। প্রতিনিয়ত দিচ্ছে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি। ক্রয়কৃত জমিতে আমি পাকা বাড়ির নির্মাণ কাজ শুরু করি। কিন্তু ওই প্রতারকদ্বয় আমার নির্মানাধীন বাড়ির কাজ বন্ধ করতে আদালতের মাধ্যমে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। বন্ধ হয়েছে বাড়ির নির্মাণ কাজ। নষ্ট হচ্ছে নির্মাণ সামগ্রী রড, সিমেন্ট, বালু, পাথর সহ বিভিন্ন মালামাল।
তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে দ্রত সময়ের মধ্যে বাড়ির নির্মাণ কাজ পূণরায় শুরু এবং জসিম উদ্দিন ও হাজী মো. খোকন মোল্যার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি করেন। সংবাদ সেম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষকের স্ত্রী নুরুনাহার বেগম ও ছেলে মেহেদী হাসান ইমন।
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে রিক্সা চালকদের মাঝে খালিশপুর ফুটবল একাডেমির মাক্স বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনাতামূলক প্রচার অভিযানের অংশ হিসেবে গতকাল মঙ্গলবার সকালে খালিশপুর ফুটবল একাডেমির উদ্যোগে খুলনা ব্লাড ব্যাংকের সহযোগিতায় স্থানীয় মানষী বিল্ডিং মোড়ে রিক্সা চালকদের মাঝে মাক্স বিতরণ করা হয়। এতে অতিথি ছিলেন খালিশপুর মুহসিন কলেজের সাবেক ভিপি আতিকুজ্জামান সেলিম। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি সালেহ আহমেদ সবুজ, মডারেটর শেখ সাইফুল ইসলাম ও রাজু আহমেদ, সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন খালিশপুর থানা শাখার সম্পাদক খলিলুর রহমান সুমন, ফুটবল একাডেমির সভাপতি কাজী নেয়ামুল হক মিঠু, সাঃ সম্পাদক কামাল হোসেন, ডাঃ সাইদুর রহমান, আঃ রাজ্জাক, সাব্বির আহমেদ, ইলিয়াস শিকদার, ইয়াসিন শিকদার প্রমূখ। অর্ধশতাধিক রিক্সা চালকদের মাঝে এ মাক্স বিতরণ করা হয়।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরন
খবর বিজ্ঞপ্তি
‘জনসাধারণের অতংকিত হওয়ার প্রয়োজন নাই’ এই শ্লোগান নিয়ে বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ, খুলনার পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলায় বেসরকারি সংস্থা র্ডপ এর পানিই জীবন প্রকল্পের উদ্যোগে নভেল করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরন করা হচ্ছে। গত রবিবার (২২ মার্চ) থেকে এখনও চলমান রয়েছে। সরকারে পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা হিসেবে র্ডপ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ৩টি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে, দোকানপাট, অফিস আদালতে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করে। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ১০ হাজার মানুষের মাঝে এই লিফলেট বিতরন করা হয়। প্রতিটি উপজেলায় পানিই জীবন প্রকল্পের কর্মসূচির মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা ইউনিয়ন পরিষদসহ গ্রাম পর্যায়ে স্বাস্থ্যগ্রামদলের সদস্য, মা-সংসদ, বাজেট কাবের সদস্য, স্থানীয় বাজারের দোকানপাটের এই লিফলেটবিতরণ করেন।
লিফলেট বিতরন প্রসঙ্গে ডরপ -এর পানিই জীবন প্রকল্পের সমন্বয়কারী আমীর খসরু জানান, হেলভেটাস সুইস ইন্টারকোঅপারেশন বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। গত ২২ মার্চ হতে ৩টি উপজেলায় প্রকল্পের কর্মীরা করোনাভাইরাস সংক্রামণের ঝুকি প্রতিরোধে আমাদের করণীয় শীর্ষক লিফলেট বিতরণ করছেন। এছাড়াও করোনার লক্ষণ, তথ্যের জন্য আইইডিসিআর এর হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য প্রচারণা চালানো হয়।
বেশিদামে ওয়ানটাইম গ্লাস বিক্রি, ২০ হাজার টাকা জরিমানা
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের মণিরামপুরে অতিরিক্ত দামে ওয়ানটাইম গ্লাস বিক্রির দায়ে বিপন কু-ু নামে এক ব্যবসায়িকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার রাত ১১ টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইউএনও আহসান উল্লাহ শরিফী তাকে এই জরিমানা করেন। বিপন পৌর এলাকার হাকোবা গ্রামের মলয় কু-ুর ছেলে। মণিরামপুর বাজারের কলা হাটায় মুদি মার্কেটে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বেঞ্চসহকারী আবুল কালাম আজাদ জানান, সাধারণ পোশাকে ক্রেতা সেজে মণিরামপুর থানা পুলিশ সোমবার রাতে ওই দোকানে যায়। দুই-তিনবার পুলিশ বিপনের কাছ থেকে ওয়ানটাইম গ্লাস কেনে। প্রতিবারই বিপন পণ্যের দ্বিগুণ দাম নেন। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আদালত পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার আইনে বিপনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
খুলনায় মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ: আটক ১
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার খালিশপুর থানাধীন বাস্তহারা কলোনীতে দীর্ঘ দিন ধরে প্রকাশ্যে চলছে মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবন। মাদকসেবীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী মঙ্গলবার সকালে মাদক ব্যবসা ও এর ব্যবহার বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
মিছিলের একপর্যায়ে মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ওমর, ইসমাইল, দুলাল, মানিক, সোহেলসহ পাঁচ-ছয়জনকে মারধর করেন এলাকাবাসী। এসময় এলাকাবাসী সোহেল ওরফে খোড় সাহেল নামে একজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে । বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাস্তহারা এলাকা থেকে মাদকবিরোধী বিশাল মিছিল বের হয়ে আশপাশের এলাকা প্রদক্ষিণ করে। পরে এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য দেন বাবলু, দিপু, দুলাল, মুজিবর, আসলাম, ফরিদ, শহীদ প্রমুখ। বক্তব্যে তারা বলেন, বাস্তহারাবাসী মাদকের বিরুদ্ধে জেগে উঠেছে। এখন থেকে এই এলাকায় কোন মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদক সেবনকারীদের কোন স্থান হবে না। যেখানেই মাদক ব্যবসা হবে সেখানেই এলাকাবাসীকে সাথে নেই প্রতিবাদ করা হবে। গুটি কয়েক মাদক ব্যবসায়ীদের জন্য আমাদের সুনাম ক্ষুন্ন হোক আমরা তা চাই না। পাঁচ-ছয়জন মাদক ব্যবসায়ীর কারণে এলাকায় মানসম্মান নিয়ে বাস করাই কঠিন হয়ে গেছে। এ সকল মাদক ব্যবসায়ীদের কারণে স্কুল ছাত্ররা আজ ধ্বংসের পথে।
এলাকাবাসীরা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাস্তহারা এলাকার ওমর, ইসমাইল, দুলাল, মানিক, সোহেলসহ পাঁচ-ছয়জন নিজ বাড়িসহ এলাকায় প্রকাশ্যে গাঁজা ও ইয়াবা বিক্রি করে আসছে। আগে তাঁরা কিছুটা গোপনে এ ব্যবসা চালালেও মাসখানিক ধরে প্রকাশ্যেই সব করছেন। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মাদকসেবীরা মোটরসাইকেল নিয়ে এই এলাকায় আসে। বিকেল থেকে এদের আনাগোনা বাড়ে। এদের অত্যাচারে নারী, শিশুসহ সাধারণ মানুষের পথচলাই কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে নারী ও ছাত্রীরা প্রায়ই এদের দ্বারা উত্ত্যক্ত হয়।
ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নে লিফলেট বিতরন
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় সদর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্দ্যোগে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতার লক্ষে লিফলেট বিতরন করা হয়েছে।গতকাল মঙ্গলবার সকালে ডুমুরিয়া বাসষ্ট্যান্ড,চেীরঙ্গী মোড়,বড়বাজার,বস্তি এলাকাসহ প্রতিটি ওয়ার্ডে এ লিফলেট বিতরন করা হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান গাজী হুমায়ুন কবির বুলু,ইউপি সচিব সিদ্ধার্থ শঙ্কর ব্যানার্জী,ইউপি সদস্য সরদার জাহাঙ্গীর হোসেন,আরজিনা বেগম প্রমূখ।অপরদিকে বে-সরকারী উন্নয়ন সংস্থা রুপান্তর’র উপজেলা এসডিজি ফোরামের পক্ষ থেকে সদর ইউনিয়ন পরিষদ সহ বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরন করা হয়।উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার ধনঞ্জয় সাহা বাপী,ইউপি সচিব সিদ্ধার্থ শঙ্কর ব্যানার্জী,ইউপি সদস্য আঃ গফ্ফার,তহমিনা বেগম প্রমূখ।এছাড়া রুপান্তর’র অপরাজিতা প্রকল্পের পক্ষ থেকে সদর ইউনিয়নে স্যানিটাইজিং সামগ্রী ও লিফলেট বিতরন করা হয়েছে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী দীপঙ্কর মন্ডল ও অপরাজিতা নারীনেত্রী বৃন্দ।
যশোরে হোম কোয়ারেন্টাইনে ১৩৫৬ জনের মধ্যে নতুন ২৪৮ জন
যশোর অফিস
করোনাভাইরাস বিস্তাররোধে গৃহিত কর্মসূচির আওতায় যশোরে ২৪ ঘণ্টায় হোম কোয়ারেন্টাইনে নতুন করে গেছেন ২৪৮ ব্যক্তি। ফলে যশোর জেলায় মোট কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়ালো ১৩৫৬-এ।
যশোরের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. প্রতিভা ঘরাই জানান, গত ১০ মার্চ থেকে মঙ্গলবার ২৪ মার্চ পর্যন্ত যশোর জেলায় মোট ১ হাজার ৩৫৬ জন জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অভয়নগরে ৫১ জন, বাঘারপাড়ায় ১৮, চৌগাছায় ৩২, যশোর সদরে ৮২০, ঝিকরগাছায় ১২০, কেশবপুরে ৩২, মণিরামপুরে ৬১ এবং শার্শায় ২২২জন রয়েছেন।
যশোরের সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, জেলায় এখনো পর্যন্ত কোনো করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হননি। কেউ প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনেও নেই।
সিভিল সার্জন বলেন, ‘যাদের তত্ত্বাবধানে রেখেছি তাদের প্রত্যেকের কাছে আমাদের ফোন নাম্বার আছে। তাদের ফোন নাম্বারও আমাদের কাছে আছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রতিদিন সকাল-বিকেল তাদের খোঁজ নিচ্ছেন। হোম কোয়ারেন্টাইনে কী কী নিয়ম পালন করতে হবে, তাদের সেগুলো বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
যশোরে যুবকের আত্মহনন
যশোর অফিস
বায়েজিদ হোসেন (২২) নামে এক যুবক পারিবারিক কলহের এক পর্যায় গলায় দঁড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সে যশোর সদর উপজেলার দাইতলা মাঠপাড়া গ্রামের রেজাউল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ ও নিহতর পরিবারের লোকজন জানান,সোমবার বায়েজিদ হোসেনের সাথে তার পরিবারের সদস্যদের সাংসারিক কলহের ব্যাপারে বিরোধ বাধে। সে অভিমান করে নিজ ঘরে গলায় দঁড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে। এ ব্যাপরে চাঁনপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরোতহাল প্রতিবেদন তৈরী করে ময়না তদন্তর ব্যবস্থা গ্রহন করেন।
করোনা ভাইরাসে এনডিএফ এর আহবান ও ১৪ দফা দাবি
যশোর অফিস
কভিড-১৯ বা নভেল করোনাভাইরাস পরিস্থিতি বিশ্বজুড়েই ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। এ পর্যন্ত প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাড়ে ১৬ হাজারের বেশি মানুষ। আক্রান্ত ১৬৮ দেশের কমপক্ষে প্রায় ৩০০ কোটির মত মানুষ রয়েছেন হোম কোয়ারেন্টিনে। করোনার ঝড়ে বিশ্বের ৪০টির মত দেশ লকডাউন হয়েছে। গত এক সপ্তাহে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় এক লাখের অধিক মানুষ। বৈশ্বিক মহামারিতে রূপ নেওয়া কভিড-১৯ রোগে সারাবিশ্বে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন লাখের অধিক মানুষ। করোনাভাইরাস সংক্রমণে বিশ্বের প্রায় সব দেশে জনসমাগম নিষিদ্ধ, বিমান চলাচল বন্ধ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি, নাগরিকদের ঘরে আবদ্ধ রাখাসহ নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে কোভিড-১৯-এর আক্রমণে এ পর্যন্ত ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত সরকারি তথ্যমতে আক্রান্ত হয়েছে ৩৩ জন। বলা হয়ে থাকে, এ ভাইরাসে আক্রান্ত এক ব্যক্তি থেকে আরও অন্তত ২.৫ জন মানুষ আক্রান্ত হয়। অর্থাৎ যদি ৩৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়, তাহলে আসলে মোট ৮২ জন ইতিমধ্যে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে। কিন্তু আমরা এখনো জানি না আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আসা মানুষের কী অবস্থা। জানি না আমাদের দেশে যে করোনাভাইরাস এসেছে, তার স্বরূপ কী? প্রকৃতি কী? উৎপত্তিস্থল কোথায়? কোন ধরনের বিষক্রিয়া তারা তৈরি করে? কী কী জিন তার মধ্যে আছে? কোন দেশের করোনাভাইরাসের ডিএনএ তথা জেনেটিক গঠনের সঙ্গে তার মিল-ইতালি, চীন, ফ্রান্স নাকি ইরান? এমতাবস্থায় জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের সভাপতি ডাঃ এম.এ. করিম ও সাধারণ সম্পাদক ব্রিগেঃ জেনাঃ (অবঃ) এম. জাহাঙ্গীর হুসাইন এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের আঘাতের মধ্যদিয়ে জাতীয় দূর্যোগের ফলে সৃষ্ট ঘটনার দায়-দায়িত্ব সরকারকেই বহন করতে হবে। নেতৃবন্দ বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাবের ফলে বেরিয়ে পড়েছে প্রচলিত বিশ্বব্যবস্থার দগদগে ক্ষত। এ প্রেক্ষিতে পুঁজিবাদী-সা¤্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় আধুনিক জীবাণু, রাসায়নিক ও পারমাবিক তথা মারণাস্ত্র তৈরিতে একে অপরকে টেক্কা দিয়েই শুধু চলছে না, মাঝে মাধ্যে তা পরীক্ষা দ্বারাও জানান দিচ্ছে। তাদের এই সকল অপতৎপরতা বিশ্ব জনজীবনকে উদ্বিগ্নই শুধু করছে না, যুদ্ধের বিপদের মধ্যেও নিক্ষেপ করছে। আধিপত্য প্রতিষ্ঠার এই মরণ খেলায় হাজার হাজার কোটি ডলার ব্যয় করা হচ্ছে। কিন্তু মানুষের নিরাপত্তা ও সুস্থ জীবনযাপনের জন্য তাদের কোন উদ্যোগ নাই। সর্বোচ্চ মুনাফাকেন্ত্রিক বিশ্বব্যবস্থার কারণে যে সকল ভাইরাসজনিত রোগ স্বল্প সময়ের জন্য স্থায়ী হয় সেক্ষেত্রে বহুজাতিক কোম্পানীগুলির বিনিয়োগের কোন আগ্রহ থাকে না। একই সাথে মুনাফামুখি উন্নয়নের কারণে প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ ধ্বংস করে যে উন্নয়ন চলছে তার ফলে মানব সমাজ ও প্রকৃতির মধ্যে ভারসাম্য নষ্ট হয়ে নানা ধরণের নতুন নতুন রোগের আবির্ভাব ঘটছে। আর আমাদের মত পননির্ভরশীল দেশের জনগণের জীবনের প্রেক্ষিতে জাতীয় দূর্যোগকালীন অবস্থায় রাষ্ট্রের প্রস্তুতি কতটুকু আছে তার বাস্তব প্রতিফলন হচ্ছে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় প্রাথমিক প্রস্তুতিসহ সামগ্রিক দূর্বলতায়। পৃথিবীর আজকের এই অবস্থা থেকে মানুষ সংগ্রাম করে জয়ী হবে এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানসহ মানবজাতির সঞ্চিত জ্ঞান ভান্ডার থেকে মানুষ জ্ঞান আহরণ করে করোনা ভাইরাসকেও মোকাবেলা করবে। এ ঔষধ কোন দেশ আবিষ্কার করলেও এটা মূলত জীবন সংগ্রামের অগ্রযাত্রায় বিজ্ঞানের যে অগ্রসরতা তাই বিজয় হবে। আজ তাই প্রয়োজন সামাজিক জীবনের জন্য সামাজিক মালিকানা প্রতিষ্ঠা করা। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রেক্ষিতে লকডাউন ও আইসোলেশনের কারণে ক্ষুধার্ত শ্রমিক-শ্রমজীবি-মুটেমজুর-নি¤œ বিত্তসহ খেটে খাওয়া মানুষের জীবনের অর্থনৈতিক সঙ্কট বৃদ্ধি করবেই শুধু না, এর মধ্যে একটি বড় অংশ কর্মহীন হয়ে অর্ধাহারে-অনাহারে মধ্যে পড়ে জীবনের বেঁচে থাকার সঙ্কটকে আরো সঙ্কটাপন্না করে তুলবে। অন্যদিকে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষা বলতে আমরা বুঝি চিকিৎসক, নার্স, পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ পুরো হাসপাতালের সুরক্ষা। বৈশ্বিক অভিজ্ঞতায় দেখা যাচ্ছে, করোনাকবলিত দেশগুলোতে অনেক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন; বিশেষত চীন, ইরান ও ইতালি থেকে কিছু চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর মৃত্যুর খবরও এসেছে। ইতালিতে ১৮ মার্চ পর্যন্ত ৫ জন চিকিৎসক ও ১৩ জন স্বাস্থ্যকর্মী মারা গেছেন; আক্রান্ত হয়েছেন আড়াই হাজারের বেশি স্বাস্থ্যকর্মী। নেতৃবৃন্দ উদ্বুত পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে নিয়ম-কানুন মেনে তা মোকাবেলা করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। একই সাথে সংগঠনের সকল স্তরের নেতা, কর্মী, সমর্থকদরদীকে এই দুর্যোগের মধ্যে জনগণের পাশে থেকে কার্যকরভাবে সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানান। এই পরিস্থিতিতে সরকারের কাছে ১৪ দফা তুলে ধরেন।
করোনা ভয়াবহতাকে ‘জাতীয় দুর্যোগ’ ঘোষণার দাবি যশোরে
যশোর অফিস
করোনা সংক্রমণের ভয়াবহতাকে ‘জাতীয় দুর্যোগ’ ঘোষণা করে সর্বাত্মক প্রস্তুতি ও সতর্কতা গ্রহণ করার দাবি জানিয়ে যশোরের জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে বাম গণতান্ত্রিক জোট ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) যশোরের নেতৃবৃন্দ যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফের কাছে স্মারকলিপিটি পৌঁছে দেন।
নেতৃবৃন্দ স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ভাইরাস সংক্রমণকে বিশ্বব্যাপী মহামারি ঘোষণা করেছে। চীন, ইতালিসহ বিভিন্ন দেশের ভয়ংকর পরিণতি লক্ষ্য করার পরও সরকার গত তিনমাসে যথাযথ উদ্যোগ ও প্রস্তুতি গ্রহণ করেনি। এই মহাদুর্যোগ মোকাবেলায় জাতীয়ভাবে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের কথা এখনও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে না। বিদেশফেরতদের বিষয়ে উদাসীনতা, দায়িত্বহীনতা, সামগ্রিক অব্যবস্থাপনা, চিকিৎসাক্ষেত্রে চরম অরাজকতা, চিকিৎসা সামগ্রী এমনকী চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সরঞ্জামের ব্যবস্থা এখনও করা হয়নি। চিকিৎসাক্ষেত্রে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় মহামান্য আদালতকে রুল জারি করতে হয়েছে।
এর ফলে সারাদেশের মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। জনজীবন ভীত সস্ত্রস্ত। দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যেখানে সরকারের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নেই। দ্রব্যমূল্য, ক্ষুদ্র ঋণ, এনজিও ঋণের কিস্তির বোঝা টানতে নিম্নবিত্ত ও গরীব মানুষ দিশেহারা। শিল্প, কল-কারখানা, শ্রমিক, গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিরাপত্তার বিষয়েও কার্যকর উদ্যোগ নেই। এমতাবস্থায় ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবেলায় ‘জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা’সহ ৮ দফা দাবি পেশ করা হয়। দাবিগুলেঅর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বাজেট পুনর্বিন্যাস করে তাৎক্ষণিকভাবে কমপক্ষে ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ, কিছু হাসপাতালকে বিশেষায়িত এবং জেলা-উপজেলায় পর্যাপ্ত বিশেষায়িত প্যাথলজিকাল ল্যাবরেটরি স্থাপন, ভর্তুকি মূল্যে শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষের জন্য চাল, ডালসহ স্যানিটাইজার ও সাবান সরবরাহসহ খাদ্য নিরাপত্তা, জনঘণত্ব পূর্ণ এলাকা যেমন বস্তি, স্বল্প আয়ের মানুষের আবাসস্থল, ভাসমান মানুষদের জন্য সুরক্ষা, সচেতনতা, পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করার ব্যবস্থা গ্রহণ, গার্মেন্টসহ শিল্প কারখানার শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, কর্মক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা ও করোনার অজুহাতে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ এবং ডাক্তার, চিকিৎসাসেবাকর্মী, সাংবাদকর্মী, পরিবহন কর্মী, পুলিশসহ জনসম্পৃক্ত কাজে যারা যুক্ত আছেন তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মাকর্সবাদী) কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কম. ইকবাল কবির জাহিদ, বাম গণতান্ত্রিক জোট যশোর জেলা সমন্বয় কমিটির সমন্বয়ক কম. জিল্লুর রহমান ভিটু, বাংলাদেশের কমিউনিস্টর জেলা সভাপতি অ্যাড. আবুল হোসেন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মাকর্সবাদী) যশোরের সমন্বয়ক কম. হাচিনুর রহমান, বাংলাদেশের ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ যশোরের সম্পাদক কম. তসলিম-উর-রহমান প্রমুখ।
যশোরে নারীর শরীরে করোনার লক্ষণ পাঠানো হয়েছে ঢাকায়
যশোর অফিস
যশোরে করোনা ভাইরাসের আক্রান্তের লক্ষণ থাকায় জনৈকা নারীকে হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার রাতে যশোর জেনারেল হাসপাতালে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসলেও ওই নারীকে আইসোলেশন ইউনিটে পাঠিয়ে দেন চিকিৎসক।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দীলিপ কুমার রায়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এম আব্দুর রশিদ জানান, সোমবার রাতে একজন নারী সর্দি-কাশি, জ্বর, গলাব্যথা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে আসেন। করোনার লক্ষণ থাকায় তাকে প্রথমে আইসোলেশন ইউনিটে পাঠিয়ে দেয়া হয়। পরে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দীলিপ কুমার রায় বলেন, ওই নারী প্রথমে আইসোলেশন ইউনিটে রাখা হয়। আইইডিসিআরের সঙ্গে কথা বলে পরীক্ষার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
শতাধিক ভারতীয় নাগরিক বেনাপোলে আটকা
যশোর অফিস
এবার করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয়দের দেশে ফেরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করেছে ভারতীয় ইমিগ্রেশন। সোমবার(২৩ মার্চ) বিকাল ৫ টায় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনের চিঠির প্রেক্ষিতে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ ভারতীয়দের দেশে ফিরতে বাঁধা দেয়। এদিকে হঠাৎ করে এমন নিষেধাজ্ঞায় বিপাকে পড়েছেন বাংলাদেশে আটকে পড়া ভারতীয়রা। কবে কিভাবে ফিরবেন তা ভেবে উদ্বেগ আর উৎকন্ঠার মধ্যে পড়েছেন।
ভারত কোন পাসপোর্টযাত্রী গ্রহন না করায় বাংলাদেশে অধ্যায়নরত শতাধিক মেডিকেল শিক্ষার্থী বেনাপোল চেকপোষ্টে আটকা পড়ে আছে। এসব শিক্ষার্থীরা গাজীপুর ইন্টার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও ঢাকা কমিউনিটি বেস্ট মেডিকেলে পড়া শুনা করে। এদের বাড়ি ভারতের কাস্মির প্রদেশে।
মঙ্গলবার ভোর ৬ টা থেকে তারা ভারতে প্রবেশের অপেক্ষায় বেনাপোল আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে বসে আছে। তবে এসব যাত্রীদের বেনাপোল ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতায় কোন বাধা নেই। ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাদের গ্রহন করতে রাজী নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে বেনাপোল ইমিগ্রেশনকে। আবার সেদেশে আটকা পড়া বাংলাদেশীদের তারা ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে। এসব বাংলাদেশী যাত্রীদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ গ্রহন করছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি আহসান কবির বলেন, ভারতে লক ডাউন করায় এবং তাদের কাছে সকল দেশ থেকে যাত্রী প্রবেশে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বিধি নিষেধ আরোপ সংক্রান্ত চিঠি ইস্যুর কারনে তারা তাদের নিজ দেশের যাত্রীদের ও নিতে অপরাগতা প্রকাশ করায় প্রায় শতাধিক মেডিকেল ছাত্র/ ছাত্রী বেনাপোল আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে অপেক্ষা করছে।
তিনি আরো বলেন, আমাদের উপরের থেকে কোন নির্দেশনা আসে নাই যে কোন যাত্রী প্রবেশ করানো যাবে না। যার কারনে বিদেশী যাত্রী বাদে শুধু আটকে পড়া বাংলাদেশী যাত্রীদের প্রবেশ করাচ্ছি। এর মধ্যে অধিকাংশ ভারতে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিল। তারা ফেরত আসছে।
ইমিগ্রেশন সুত্রে জানা যায়, চিকিৎসা,ব্যবসা,ভ্রমন ও বিশেষ করে মেডিকেল শিক্ষা গ্রহনে বিপুল পরিমানে ভারতীয় শিক্ষার্থী বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রয়েছেন। তাদের অনেকে ফিরতে পারেনি। এছাড়া সাধারণ ভারতীয়রা অনেকে আটকা পড়েছে। এদের সংখ্যা শতাধিক।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আহসান হাবিব আরো বলেন, সোমবার ২৩ মার্চ বিকাল পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয়রা নিজ দেশে ফিরছিলেন। এছাড়া ভারত থেকেও বাংলাদেশিরা ফিরছিলেন। হঠাৎ করে বিকাল ৫ টায় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ ভারতীয়দের ফেরত নেবে না জানিয়ে দেয়। নির্দেশনা পাবার পর থেকে কোন ভারতীয়দের ফিরতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। তবে ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা নিজ দেশে ফিরতে পারবেন বলে জানান তিনি।
সেনাবাহিনী নামার খবরে যশোরে কমেছে নিত্য পণ্যের দাম
যশোর অফিস
সারা দেশের ন্যয় করোনা ভাইরাসের আতঙ্কের প্রভাব পড়েছিলো যশোরের বাজারে। বিশেষ করে চাল, ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম দফায় দফায় গত এক সপ্তাহ ধরে বাড়তে থাকে। তবে সোমবার সারাদেশে সেনাবাহিনীর নামার খবরে এই উর্দ্ধমুখি বাজার কিছুটা কমতে শুরু করেছে।
সুযোগ বুঝে চালের দাম বাড়িয়ে দেয় চালকল মালিক ও বড় বাজারের চাল ব্যবসায়ীরা। এজন্য তাদের চিঠি দিয়ে সতর্ক করে প্রশাসন। কিন্তু কোন কাজ হয়নি। দাম বাড়তে থাকে দফায় দফায়। এভাবে দফায় দফায় নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বেজায় ক্ষুব্ধ হন সাধারণ ক্রেতারা। গত শুক্রবার যশোর বড়বাজারে আগের ২৮ থেকে ৩০ টাকার মোটা চাল বিক্রি হয় ৩৮ টাকায়। রবিবার এই চালের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৪২ টাকা। এভাবে সকল চালের দাম বেড়ে যায় কেজি প্রতি আট থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত।
চালের মতো পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে বিক্রি হয় ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। ১৫ টাকার আলুর দাম বেড়ে ২৫ থেকে ২৮ টাকা দাঁড়ায়। এভাবে রসুন, ছোলাসহ সব ধরনের নিত্য পণ্যের দাম বেড়ে যায়।
তবে সেনাবাহিনী নামার খবরে বাজার দর এখন নিম্নমুখী হয়েছে। আলুর দাম এখন ২০ টাকার নিচে নেমে এসেছে। চালের দামও পড়তির দিকে। কমছে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম।
যশোর বাজার নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা সুজাত হোসেন খান বলেন, কোন কারণ ছাড়াই যশোরের বাজারে চালসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে যায়। চালকল মালিকরা সুযোগ বুঝে চালের দাম বাড়িয়ে দেন। এজন্য আমরা চালকল মালিক ও বাজারের ব্যবসায়ীদের চিঠি দিয়েছিলাম। তবে খুব বেশি কাজ হয়নি। তবে সোমবার বিকাল থেকে বাজারে পণ্যের দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে। এরা সকলেই সেনা বাহিনীর মাঠে নামার খবর জেনেই মূল্য বৃদ্ধির প্রবনতা থেকে সরে এসেছে।
চোরমারা দিঘীর পাড় আদর্শ পাড়া ও ডালমিল পশ্চিম অংশ কম্যুনিটি পুলিশিং কমিটি নিয়ে বিতর্ক
যশোর অফিস
যশোর পৌর এলাকায় একটি কম্যুনিটি পুলিশিং ফোরাম কমিটি নিয়ে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। চোরমারা দিঘীর পাড় আদর্শ পাড়া ও ডালমিল পশ্চিম অংশ কমিটিতে বিতর্কিতরা স্থান পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
জানা গেছে চোরমারা দিঘীর পাড় আদর্শ পাড়া ও ডালমিল পশ্চিম অংশ কম্যুনিটি পুলিশিং কমিটিটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায়। কিন্ত আপদ মস্তক বিতর্কিতদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে কমিটি। এই কমিটিতে যেমন রয়েছে সরকারি চাকুরীজীবি তেমনি ছিনতাই মামলার আসামি, জামায়াত শিবিরের নেতা-কর্মী ও ডোনাররা পদ দখল করে আছেন। আওয়ামীলীগের কাউকে এখানে রাখা হয়নি। এই কমিটির সভাপতি তৈয়ব মিয়া। রেলগেট তেতুলতলায় মুজিব সড়কে তার ফার্মেসীতে নিয়মিত নেশার ট্যাবলেট বিক্রি হয়। তার পুত্র আকবর হোসেন সাগর নেশা গ্রস্থ। তাকে মাদক নিরাময় কেন্দ্র ও জেলখানায় রাখা হয়েছিল। সহ সভাপতি রেজাউল করিম রাজু তিনি বিদেশী একটি সংস্থায় চাকুরী করেন পাশাপাশি জামায়াতের ডোনার হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে। প্রতিদিন তাকে তেতুলতলাস্থ মোকাররমের চায়ের দোকান ও তার আশে পাশে জামায়াত ও শিবিরের দায়িত্বশীলদের নিয়ে অবস্থান করতে দেখা যায়। এই কমিটির সাধারন সম্পাদক শাহাজাদা নেওয়াজ। যিনি একটি ছিনতাই মামলায় ১০ বছর কারাদন্ড ভোগ করেছেন। ঐ মামলার বাদী ছিলেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক প্রয়াত সাধারন সম্পাদক এ্যাড. শরীফ আব্দুর রাকিবের ভাই রবি। তিনি বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করেছেন।
কমিটির একজন মামুন যিনি শহর শিবিরের সাধারন সম্পাদক। তিনি ছাড়াও জামায়াত শিবিরের অন্তত ছয় জন রয়েছে পেশকৃত কমিটিতে। সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বাবু ২৪ ঘন্টা নেশাগ্রস্থ। স্থানীয়দের অভিযোগ একটি কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হওয়ার কোন যোগ্যতাই নেই এই মোহাম্মদ আলী বাবুর। তিনি নেশার ট্যাবলেট ও মদ নেশা করেন। কমিটির একজন ফয়জুল ইসলাম রনি যিনি জামায়াত সদস্য ও বখাটে হিসেবে চিহ্নিত। সদস্য লিটন সরদার একাধারে বাংলাদেশ ও ভারতীয় নাগরিক। তার একটি মুদি দোকান থাকলেও তার কোন ট্রেড লাইসেন্স নেই। সেও নেশাগ্রস্থ ও জামায়াত কর্মী। দেলোয়ার হোসেন সরকারি চাকুরিজীবি। তিনি নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব। সদস্য শান্টু একই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বাবুর পুত্র। তার বয়স এখনো ১৮ হয়নি। বাকেরের পুত্র ফয়সাল জামায়াতের চিহ্নিত কর্মী। প্রতি সপ্তাহে চোরমারা দিঘীর পাড়ে মালেক কাষ্টমের পুত্র দারোগা বাবুর বাড়ি নেশার আসর বসে। ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারেনা। সরকারি চাকুরি করেও তিনি প্রতি সপ্তাহে কিভাবে ছুটি পায় তা এক বড় প্রশ্ন। তাছাড়া চাকুরির বয়স এখনো ১০ হয়নি তিনি কোটি টাকার জমি ক্রয়, নিজস্ব প্রাইভেট কারে বখাটে সহ চলাফেরা, এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। জামায়াত ও বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের এলাকায় পূনবার্সন ও নিজে গড ফাদার সাজার চেষ্টায় এই দারোগ বাবু। স্থানীয়রা বলছেন এমন দারোগা আগে কখনো দেখা যায়নি। তিনি তার পছন্দের লোকদের ঐ কমিটিতে নাম রাখার সুপারিশ করেছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ শিক্ষিত ও যোগ্যতা সম্পন্ন অনেকেই এই এলাকায় বসবাস করেন। কিন্ত তাদের এড়িয়ে একটি অযোগ্য পকেট কমিটি গঠন করে পুলিশ সুপারের কাছে পেশ করা হয়েছে। এই কমিটিতে জামায়াত শিবিরের ডোনার, নেতা কর্মীর পাশাপাশি চিহ্নিত বখাটে, ছিনতাই মামলার আসামি, অসামাজিক ব্যক্তি, পিতা-পুত্র, সরকারি চাকুরীজীবি, ঘুষ খোর সাংবাদিক, মাদকাসক্ত, বখাটে, জামায়াত শিবির জঙ্গী, চোর সবই রয়েছে। এমনিতে এলাকাটিতে এই মুহুর্তে চাদাবাজ, চোর জোচ্চোরে ভরে গেছে। অনেকেই বলেন এটি জামায়াত শিবির অধ্যুষিত এলাকা। তাছাড়া প্রতিদিন এলাকায় নেশার আসর বসছে। বখাটেরা সংঘবদ্ধ চলাফেরা করে গভীর রাত পর্যন্ত। সভাপতির পুত্র আকবর হোসেন সাগর ও ফয়জুল ইসলাম রনি উঠতি যুবকদের শিবির কর্মী হিসেবে দলে ভেড়াতে ব্যপক অপতৎরতা চালায় বলে স্থানীয় অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন। প্রতি রাতে হাস মুরগী, নারকেল ডাব চুরি হচ্ছে। প্রান ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারেনা। এই কমিটির সদস্যদের হাতে ব্যাংক কর্মকর্তা লাঞ্চিত, ইমাম কে আটকে রেখে চাদা আদায় ঘটনা শহরে ব্যাপক প্রচার পায়। গোয়েন্দা শাখাও বিষয়টি জানে। তারপরেও পেশকৃত কমিটি পাশ হলে সাধারন মানুষের দূর্ভোগের শেষ থাকবে না।
প্রকৃত সাধারন মানুষ ও আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকেরা অবিলম্বে চোরমারা দিঘীর পাড় আদর্শ পাড়া ও ডালমিল পশ্চিম অংশ কম্যুনিটি পুলিশিং কমিটি বাতিল দাবি করেছেন। অন্যথায় এলাকাটি মগের মুল্লুকে পরিনত হবে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
করোনা সচেতনতায় যশোর ব্লাড ব্যাংক
যশোর অফিস
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে জনসচেতনতায় এগিয়ে এসেছে যশোর ব্লাড ব্যাংক।
মঙ্গলবার সকালে তারা যশোরের প্রেসকাব মোড়, কোর্ট মোড়, পোস্ট অফিস মোড়, চিত্রা মোড়, টাইন হল মাঠ, চৌরাস্তাসহ বিভিন্ন এলাকায় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে মাস্ক এবং সাবান বিতরণ করেছে।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাসান মাহমুদ, এম এ হাসান জানান, সংগঠনের পক্ষ থেকে আজ ও আগামীকাল শহরের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে সাবান ও মাস্ক বিতরণ করা হবে। তারা সমাজের বিত্তবানদের এই বিষয়ে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান।
পি-৩/৩
ডুমুরিয়ায় ভদ্রার চরে দৃশ্যমান সামাজিক বনায়ন নজর কেড়েছে দর্শণার্থীর
এস রফিক, ডুমুরিয়া
ডুমুরিয়ায় সামাজিক বনায়নের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বেশীর ভাগ মানুষ।সামাজিক বনায়ন একদিকে আর্থিক অন্যদিকে জলবায়ূর বিরুপ প্রভাব মোকাবেলায় অন্যতম সহায়ক।ইট পাথরের নগরী,ইটভাটা ও কল কারখানার কালো ধোঁয়ায় বাতাসে যখন কার্বন-ডাই অক্সাইডের আগ্রাসন, ঠিক তখন বেঁেচ থাকতে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য-জীব বৈচিত্র রক্ষার্থে বনায়নের কোন বিকল্প নেই।এমনটি বুঝে বনায়নের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে সাধারন মানুষ।কিন্তু এক শ্রেণীর মানুষ এটি না বুঝে কখনও কখনও বনায়নের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় বলেও অভিযোগ রয়েছে।এজন্য আইনের শাসন ও জনসচেতনতার বিকল্প নেই বলে অভিমত সুশীল সমাজের।
উপজেলা সামাজিক বনায়ন অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়,১৯৯০ সাল থেকে ডুমুরিয়ায় সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুতেই এ কার্যক্রমের প্রতি জনগনের তেমন আগ্রহ ছিলনা বললেই চলে। সম্প্রতি বনায়ন একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান ও মানব স্বার্থে এর উপকারিতা অপরিহার্য এমনটি বুঝে এর প্রতি ঝুঁকে পড়েছে বিভিন্ন এলাকার সাধারন মানুষ।সম্প্রতি পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভেঁড়িবাঁধের দু’পাশ ও খননকৃত ভদ্রানদীর চরে গড়ে উঠেছে শতাধিক বনায়ন।এরমধ্যে বেশীর ভাগ বনায়ন সৃষ্টি হয়েছে সবুজের সমারহ ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশ।এমনি বনায়নের মধ্যে একটি উপজেলার খর্ণিয়া ইউনিয়নের শ্যামল বনায়ন নামের একটি বনায়ন।যাহা বাগমারা মসজিদ হতে বামুন্দিয়া অভিমূখে প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার জায়গা নিয়ে অবস্থিত।যেখানে ঝাউ,আকাশমনি,সুন্দরী,কৃষ্ণচূড়া, তেঁতুল, নারকেল, কদবেল সহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ জাতীয় ১৪ হাজার বৃক্ষের চারা রোপন করা হয়েছে।মাত্র দু’বছর বয়সে বাগানটিতে ঘটেছে সবুজের বিপ্লব।আর ভৌগলিক অবস্থানে ওই বনায়নের একধারে খননকৃত ভদ্রানদী,এর কুল ঘেঁষে শ্যামল বনায়ন আর একপাশে নদী খননের বিশাল মাটির স্তুপ।যা দেখলে মনে হয় পাহাড়ের গা ঘেঁষা এক সবুজের সমারহ।এক পড়ন্ত বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,দুর দুরন্ত থেকে আগত প্রকৃতি প্রেমি ও ভ্রমন পিপাসু একাধিক নারী-পুরুষ জুটি বেঁধে বসে আছে বনায়নের ভিতর।দেখে মনে হচ্ছিল এ যেন বেগম সুফিয়া কামালের “ঝাউ শাখে যেথা বনলতা বেঁধে হরষে খেয়েছি দোল”এমনই স্মৃতি গাঁথা কোন এক দৃশ্য।এ নিয়ে কথা হয় মাগুরখালী প্রাইমারী শিক্ষক প্রসেন বিশ্বাস,ছাত্র মহিতোষ মল্লিক,রাহুল মল্লিক,উত্তম বিশ্বাস,রনজিত বিশ্বাস,রাব্বি শেখ,রত্মা গাইন,দিপালী মল্লিক,ইসমাইল সরদারসহ একাধিক আগন্তক’র সাথে।তারা একই সুরে সুর মিলিয়ে বলেন,মনোমুগ্ধকর এ বনায়নে আসলে আমরা প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যাই।গোধূলী লগ্নে মাটির স্তুপে বসলে মনে হয় যেন পাহাড়ের চূড়ায় বসে সবুজ বৃক্ষের ফাঁক দিয়ে শুনতে পাই নদীর কল কলনি শব্দ অন্যদিকে দেখতে পাই সূর্যাস্তের মনোরম দৃশ্য।যে কারনে শুধু আমরা নই বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিনিয়ত দর্শণার্থীরা এখানে ভিড় জমায়।আবার কেহ কেহ এটাকে পিকনিক কর্ণার হিসেবে বেছে নিয়েছে এ বনায়নটি।এখানে সরকার নজর দিলে এটি একটি মিনি পার্ক বা দর্শণীয় স্থান হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।এ নিয়ে কথা হয় উপজেলা বন কর্মকর্ত্ ামোঃ ফোরকানুল আলমের সাথে।তিনি জানান বনায়নের সভাপতি আলমগীর হোসেন সহ সকল সদস্যদের অকান্ত পরিশ্রমে ও উপজেলা বন অধিদপ্তরের সার্বিক সহায়তায় উন্নতমানের ১৪ হাজার বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা রোপন করা হয়।যা অনেক প্রতিকুলতা উপেক্ষা করে মাত্র দুই বছর বয়সে বেড়ে উঠে সবুজের বিপ্লব ঘটিয়েছে।এটি একদিকে আর্থিক অন্যদিকে প্রাকৃতিক ভারসাম্য-জীববৈচিত্র রক্ষায় সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।
কোয়ারেন্টাইন না মানায় ভারত ফেরত যুবকের ১০ হাজার টাকা জরিমানা
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
যশোরের মণিরামপুরে কোয়ারেন্টাইন না মানায় ভারত ফেরত যুবকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (২৪মার্চ) বিকেলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইয়েমা হাসান আদালত পরিচালনা করে এই জরিমানা করেন।
দ-প্রাপ্ত ওই যুবকের নাম পলাশ দাস। তিনি উপজেলার বাসুদেবপুর গ্রামের মৃত যতন দাসের ছেলে। গত ১ মার্চ তিনি তীর্থ ভ্রমণে ভারতে যান এবং ১৬ মার্চ ফিরে আসেন।
স্থানীয়রা জানান, পলাশের ফেরার খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাকে বাড়িতে আবদ্ধ থাকতে বলে। কিন্তু সে তা না মেনে বাইরে ঘোরাফেরা করত। মঙ্গলবার বিকেলে ম্যাজিস্ট্রেট এসেও পলাশকে বাড়িতে পাননি।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বেঞ্চ সহকারী হাদিউজ্জামান বলেন, ভারত থেকে ফেরার পর পলাশ কোয়ারেন্টাইন না মেনে ঘোরাঘুরি করছে এমন খবর পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে এসিল্যান্ড স্যার তার বাড়িতে যান। বাড়ি গিয়ে পলাশকে পাওয়া যায়নি। পরে সে বাড়িতে আসে। তখন তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
পলাশের দাবি, এলাকায় তার ঘেরভেড়ি রয়েছে। ভারত থেকে ফেরার পর তিনি স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা দেখভাল করছেন। কেউ তাকে কোয়ারেন্টাইন মানতে বলেন নি।
এমডিএ বাবুল রানা’র করোনা প্রতিরোধ দ্রব্য বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাস থেকে নিজেকে ও সমাজকে রক্ষা করতে সচেতনতামূলক লিফলেট, সাবান, হ্যা- ওয়াশ, মাস্ক, জীবানু নাশক স্প্রে বিতরণ করেছেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা। গতকাল বেলা ১১টায় নগরীর ২৯ নং ওয়ার্ডের হাজী মহাসিন রোড, খানজাহান আলী রোড, ফকির বাড়ি লেন, সাউথ সেন্ট্রাল রোড, গগনবাবু রোডের বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসা এবং বাড়িতে পুলিশিং কমিটির উদ্যোগে তিনি লিফলেট বিতরণ করেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, সদর থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল হাই পলাশ, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, হারুন মানু, ফেরদৌসী আলম রিতা, শবনম মোস্তারী বকুল, শেখ মো. মাসুদ কবীর, ইলিয়াছ হোসেন লাবু, কেএম চঞ্চল সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
সাবেক সাংসদ নুর আফরোজ আলী দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন আ’লীগ নেতৃবৃন্দ ও সংসদ সদস্য
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নুর আফরোজ আলী গলব্লাডারে ষ্টোন হয়ে অসুস্থ অবস্থায় ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও রোগমুক্তি কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী।
খুলনায় মার্কেট, শপিংমল সহ অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাস মোকাবেলার লক্ষ্যে খুলনার সকল ঔষধের দোকান, কিনিক ও হাসপাতাল, কাঁচা বাজার, মাছ-মাংসের দোকান, খাবারের দোকান ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকান ব্যতীত সকল ধরণের মার্কেট, শপিংমল সহ অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগামী ২৬ মার্চ থেকে ০৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এছাড়া করোনা ভাইরাস সতর্কে সরকারের যে কোন নির্দেশনা গুরুত্বের সাথে মেনে চলার জন্য সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।
খানজাহান আলী থানার উদ্যোগে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনাতামূলক মাইক প্রচার
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
খানজাহান আলী থানা’র(কেএমপি) উদ্যোগে থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম সহ তার সকল এসআই দেরকে নিয়ে গতকয়েক দিন ধরে ফুলবাড়ীগেট, শিরোমণি, গিলাতলা, আটরা, আফিলগেট, আলিম ইষ্টার্ণ, মশিয়ালী থেকে পথের বাজার সহ খানজাহান আলী থানা এলাকায় পুলিশের পিকআপে করে করোনা ভাইরাস(কোভিড-১৯) সংক্রামনের ঝুকি রোধে করণীয় সচেতনতামূলক নির্দেশনা মাইক দ্বারা প্রচারণা করা হয় এবং সর্বশেষ গতকাল বিকাল ৫টায় ফুলবাড়ীগেট , শিরোমণি , আফিলগেট ,আলিম ইষ্টার্ণগেট বাজার, পথের বাজারে মুদি দোকান ও ঔষধের দোকান বাদে সকল দোকানপাট বন্ধ করে দেন। এছাড়া পথচারী এবং বিভিন্ন যানবাহনের উদ্যেশ্যে করে বলেন, যেমন হাত ধৌত করুন জিবানু মুক্ত হোন, একই স্থানে একাধিক লোকের সমাগমে না থাকা, অপ্রয়োজনে বাজারে ঘোরাফেরা করা থেকে বিরত থাকুন।
করোনাভাইরাস : খুলনার দক্ষিণ জনপদে লঞ্চচলাচল বন্ধ করোনাভাইরাসে বাজার ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সতর্কতাবস্থা
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত থাকার জন্য খুলনা বাজার ব্যবসায়ী মালিক সমিতি নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। বড় বাজার এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন মোড়ে মাইক দিয়ে প্রতিদিন সকল থেকে রাত পর্যন্ত সকলকে সচেতন থাকার জন্য আহবান জানানো হয়। বিভিন্ন এলাকায় প্রচার পত্র বিতরণ করা হয়েছে এবং বাজারের গুরুত্বপূর্ন মোড়ে বড় বড় প্লাটিকের ড্রামে পানি ও সাবান রাখা হয়েছে। বাজারে আগত ব্যবসায়ী, ক্রেতা, শ্রমিক, রিকসা, ভ্যান, ঠেলাগাড়ি চালকসহ সর্বস্তরের মানুষ সাবান দিয়ে হাত ধুচ্ছেন। গত কয়েকদিন আগে থেকে এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।
খুলনা বাজার ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি শ্যামল হালদার, সাধারণ সম্পাদক মো. সোহাগ দেওয়ান ও ব্যবসায়ী সুব্রত হালদার তপা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, করোনাভাইরাসে আতংকিত হলে চলবে না। সচেতন হতে হবে। সরকারি নির্দেশ মেনে চলতে হবে। বিবৃতিদাতারা করোনাভাইরাসে আতংকিত না হয়ে সকলকে সচেতন হওয়ায় আহবান জানান।
ডাক্তারদের সুরক্ষা না থাকায় যশোরে চিকিৎসা বাঞ্চিত রোগিরা
যশোর অফিস
ব্যক্তিগত সুরক্ষা না থাকায় রোগী দেখছেন না যশোরের বেসরকারি কিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর ডাক্তাররা। তাদের অভিযোগ, তাদের সুরক্ষার ব্যাপারে কিনিক মালিকরা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।
জেলার চৌগাছা উপজেলার সলুয়া গ্রামের মোজাহার আলী ও কোহিনুর বেগম গত সোমবার সন্ধ্যায় তাদের ছয় মাসের অসুস্থ শিশুকে ডাক্তার দেখানোর জন্য শহরের একটি কিনিকে গিয়ে সিরিয়াল দিতে চাইলে কিনিক থেকে জানানো হয়, করোনাভাইরাসের কারণে কিছুদিন চেম্বার বন্ধ থাকবে। করোনা আতঙ্ক কাটলে তাদের ফোন করে জানানো হবে।
মোজাহার আলী উপায় না পেয়ে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে তার শিশুর ব্যবস্থাপত্র নেন। তার মতো আরো অনেকেই বিভিন্ন কিনিকে গিয়ে ডাক্তারের সিরিয়াল না পেয়ে ফিরে গেছেন। ডাক্তাররা জানান, বেসরকারি কোনো কিনিকে রোগী না দেখলেও সরকারি হাসপাতালে তারা নিয়মিত রোগী দেখবেন। তবে কিনিক কর্তৃপক্ষ করোনাভাইরাস থেকে তাদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করলে তারা রোগী দেখার ব্যাপারে বিবেচনা করবেন বলে জানান।
ভুক্তভোগী রোগীরা বলছেন, প্রতিদিন বিভিন্ন কিনিকে কমপক্ষে এক হাজার রোগী ব্যবস্থাপত্র নিয়ে থাকেন। করোনা আতঙ্কে বেসরকারি কিনিকে ডাক্তার রোগী না দেখলে সরকারি হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়বে। এতে রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি হিমশিম খেতে হবে সরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।
এ ব্যাপারে বেসরকারি কিনিক মালিক সমিতির সভাপতি ডাক্তার আতিকুর রহমান খান জানান, ‘সুরক্ষা চাই ঠিকই। তবে রোগী সেবা বন্ধ করে নয়। স্বাস্থ্য বিভাগের সকল ইউনিটের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ডাক্তাররা আন্তরিকভাবে সরকারি হাসপাতালে রোগী সেবা দিচ্ছেন। সকল কিনিক মালিককে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। চেম্বারে ডাক্তারদের সুরক্ষা দেয়ার দায়িত্ব প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকে নিতে বলা হয়েছে। এরপরও কেউ রোগী দেখতে না চাইলে সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যপার।
নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার নির্দেশ মির্জা ফখরুলের
ঢাকা অফিস
দলের নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের সামনে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে সাংবাদিকদের সামনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এ আহ্বান জানান তিনি। ফখরুল বলেন, আমরা আলোচনা করবো। দলের নেতারা এসেছেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে পরামর্শ করে আমরা দলীয় সিদ্ধান্ত জানাবো। তবে, করোনাভাইরাসের কারণে নেতাকর্মীদের স্বাস্থ্য সচেতন হতে আহ্বান জানান বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, এখন করোনা ভাইরাস আক্রমণের এই সময়ে দলের নেতাকর্মীরা শান্ত থাকবেন। কেউ যেন আক্রান্ত না হন খেয়াল রাখবেন, শান্ত থাকবেন। এই মুহূর্তে স্বাস্থ্যের প্রতি যতœবান হবেন।
খালেদা জিয়াকে ছয় মাসের শর্তসাপেক্ষে মুক্তির সরকারি সিদ্ধান্তের বিষয়ে ফখরুল বলেন, দেশনেত্রীর মুক্তি নিয়ে সারাদেশের মানুষ উদ্বিগ্ন ছিল। তারা কিছুটা স্বস্তি পাবেন, অন্তত ছয় মাসের জন্য হলেও তিনি মুক্ত থাকবেন। তবে ব্যক্তিগতভাবে চিন্তিত এই জন্য, দেশের বাইরে যেতে না পারলে তার চিকিৎসার কী হবে। সে সুযোগ নেই দেখলাম।’ তবে বিএনপির মহাসচিব জানান, তারা নেতাদের সঙ্গে ও আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। প্রসঙ্গত, বিএনপির কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে শর্তসাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য মুক্তি দেওয়ার সুপারিশ করেছে সরকার। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) আইনমন্ত্রী আনিসুল হক তার নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন, বিএনপির কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে খালেদা জিয়া ঢাকায় নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন। দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। সরকার মানবিক কারণে সদয় হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা (উপধারা-১) অনুযায়ী মুক্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
করোনার আড়ালে পঙ্গপালের ভয়াবহতা
খুলনাঞ্চল ডেস্ক
করোনাভাইরাস পৃথিবীর সব মানুষকে আতঙ্কিত করছে। মৃত্যুভীতি ছাড়াও অর্থনৈতিকভাবে করোনা বিশ্বকে কাবু করেছে। মহামারি এই ভাইরাস ছাড়াও বৈশ্বিক ঝুঁকি হিসেবে ধরা দিয়েছে পঙ্গপালও। কোনোভাবে থামানো যাচ্ছে না তাদের হানা। উত্তর আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্যসহ পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোতে বাড়ছে এর প্রকোপ। ফলে খাদ্য সংকটে পড়বে পুরো বিশ্ব। এজন্য জলবায়ুর অস্বাভাবিকতাকে দায়ী করছেন অনেকে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) জানিয়েছে, সীমান্ত ও আন্তর্জাতিক ফাইট বন্ধ করায় পঙ্গপাল নিয়ন্ত্রণের কীটনাশকসহ প্রয়োজনীয় সরজ্ঞাম সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, করোনা ভাইরাস আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমস্ত মনোযোগ পঙ্গপাল নিয়ন্ত্রণে বিমুখ করছে। এফএও-এর তথ্যানুযায়ী, পঙ্গপালের আক্রমণ কেনিয়া, ইথিওপিয়া ও সোমালিয়ার মতো প্রভৃতি দেশে খাদ্য সুরক্ষা এবং বহু পরিবারের জীবন ও জীবিকা হুমকির মধ্যে ফেলবে। এরইমধ্যে আফ্রিকার আড়াই কোটি মানুষ পঙ্গপালের কারণে খাদ্য সংকটে পড়েছে। পঙ্গপাল নিয়ন্ত্রণে ১৫৩ মিলিয়ন ডলার আবেদন করা হয়েছে। তবে জাতিসংঘ সংস্থা এখন পর্যন্ত মাত্র ১০৭ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। এফএওর হিসাবে, ২০০৩ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে উত্তর আফ্রিকার ২০টি দেশে পঙ্গপালের আক্রমণে ৫০ কোটি ডলারেরও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়। আর ফসলের ক্ষতি হয়েছিল ২৫০ কোটি ডলার। এফএও আশঙ্কা করছে, নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে জুনের দিকে পঙ্গপালের প্রকোপ ৫০০ গুণ বাড়তে পারে। সে পর্যন্ত এ পতঙ্গের প্রজনন মৌসুম চলবে।
সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে দেশে ঢুকছেন বাংলাদেশিরা
খুলনাঞ্চল রিপোর্ট
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে পার্শ্ববর্তী ভারত থেকে অবৈধভাবে আসছেন ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা। এর মধ্যে সে দেশের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া কয়েকজনও রয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত ১০ ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের নির্দিষ্ট ঘরের বাইরে না বেরোতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অপরদিকে এখন পর্যন্ত এখানকার আড়াই শতাধিক প্রবাসী দেশে ফিরেছেন। বিভিন্ন দেশ থেকে ফিরে আসা প্রবাসীদের মধ্যে গত দুদিনে ১৫০ জনের বাড়ির সামনে লাল নিশানা তোলা হয়েছে। এসব প্রবাসীকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, দৌলতপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী প্রাগপুর ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার বেশকিছু মানুষ ভারতের কেরালা রাজ্যসহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে দিনমজুরির কাজ করে আসছিলেন। করোনার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় তাদের সে দেশ থেকে বের করে দেয়া হচ্ছে। এমনকি দেশটির কারাগারে বন্দি থাকা বাংলাদেশিদের বেশ কয়েকজনকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) রাতের আঁধারে তাদের সীমান্ত পথ দিয়ে ঠেলে পাঠাচ্ছে। ভারত থেকে অবৈধভাবে ফেরত আসা এ পর্যন্ত প্রায় ১০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে চিহ্নিত করেছে উপজেলা প্রশাসন। আইনি জটিলতার কারণে তাদের বাড়ির সামনে লাল নিশানা দেয়া না হলেও নির্দিষ্ট ঘরের বাইরে না বেরোনোর জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের শুধু একটি এলাকারই চার ব্যক্তি ভারতের দমদম কারাগার থেকে ছাড়া পেয়ে অবৈধভাবে দেশে চলে এসেছেন। এরা হলেন, মহিষকু-ি পাকুড়িয়া সীমান্ত এলাকার ভিকু ম-লের ছেলে আশরাফুল (২৮), জিন্নাত আলীর ছেলে বজলু (৩২), মৃত আব্দুল হান্নানের ছেলে সোনারুল (৩৭) ও কালু শেখের ছেলের নুরুল শেখ (৩৫)। এদের প্রথম তিনজন গত ২০ মার্চ এবং শেষের জন পরেরদিন ২১ মার্চ নিজ এলাকায় ফেরেন। রাতের আঁধারে বিএসএফ তাদের ঠেলে পাঠিয়ে দেয় বলে জানা যায়। জেলার বৃহত্তম এ উপজেলার ৪৬ কিলোমিটার সীমান্তের ১৬ কিলোমিটার সীমান্ত উন্মুক্ত রয়েছে। যেখানে কাটাতারের বেড়া নেই। এই উন্মুক্ত সীমান্ত দিয়ে ভারতের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে শ্রম দিতে যাওয়া দৌলতপুর সীমান্ত এলাকার অনেক মানুষ নিজ দেশে ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন। তারা সীমান্তের ওপারে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গী থানা ও নদীয়া জেলার হোগলবাড়িয়া থানার বিভিন্ন এলাকার সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামে অবস্থান করছেন। রাতের অন্ধকারে তারা বিএসএফের সহায়তায় বাংলাদেশে চলে আসছেন বলে সীমান্তবর্তী গ্রামবাসী জানিয়েছেন।
অপরদিকে এ উপজেলার আড়াই শতাধিক প্রবাসী এখন পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন। বিভিন্ন দেশে থেকে ফিরে আসা লোকজনের মধ্যে গত দুদিনে ১৫০ জনের বাড়িতে লাল নিশানা তোলা হয়েছে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে এসব বাড়ির সামনে লাল নিশানা উঠিয়ে প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। সাধারণ মানুষের বোঝার স্বার্থে উপজেলার ১৪ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এসব প্রবাসীর বাড়িতে এই লাল নিশানা তোলা হয়। ১৪ দিনের সঙ্গরোধ নিশ্চিত করতে এই প্রবাসীরা প্রশাসনের নজরদারিতে রয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তারের নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজগর আলী এবং দৌলতপুর থানার ওসি এসএম আরিফুর রহমান পর্যাপ্ত ফোর্স নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের সতর্ক ও সচেতন করছেন। প্রবাসীরা যেন কোনোভাবেই ঘরের বাইরে বের না হন, হোম কোয়ারেন্টিনে থাকেন বা মেনে চলেন সেই জন্য নির্দেশনা দিচ্ছেন তারা। একই সাথে সাধারণ মানুষকেও করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন থাকতে নানা পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এদিকে বিদেশ ফেরত অনেকেই প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে হাট-বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইওএনও) শারমিন আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, ‘সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর জন্য বিজিবিকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তারা সতর্কাবস্থায় রয়েছে। আমরা আমাদের তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে জনসমাগম এড়িয়ে চলার জন্য গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এক সঙ্গে পাঁচজনের অধিক মানুষ দেখা গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ করোনার প্রভাবে নিত্যপণের মূল্যবৃদ্ধি রোধে বাজার মনিটরিংসহ করোনা ইস্যুতে এই মুহূর্তে সবচে’ বেশি ব্যস্ত থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি), নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আজগর আলী জানান, এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ জন ভারতের কেরালা থেকে অবৈধ পথে ফেরত আসার তথ্য তার কাছে রয়েছে। তাদেরকে নজরদারিতে রেখে রাষ্ট্রীয় বিধি-বিধান মেনে চলতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আর বিদেশ ফেরতদের মধ্যে বেশিরভাগই দুবাই, কাতার, মালয়েশিয়া প্রবাসী। ইউরোপের কমই রয়েছেন। তবে সব প্রবাসীকে ঘর থেকে না বেরিয়ে হোম কোয়ারেন্টাইন মেনে চলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাদের বিষয়ে নিয়মিত খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। দৌলতপুর থানার ওসি এসএম আরিফুর রহমান বলেন, প্রতিদিনই কমবেশি প্রবাসী এলাকায় আসছেন। এ পর্যন্ত ২৪৭ জনের নাম-পরিচয় পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে গত দুই দিনে প্রায় দেড়শ জনের বাড়িতে লাল নিশানা তুলে দেয়া হয়েছে। অনেকে এলাকায় ফিরে এলেও পুলিশের কাছে তথ্য দিতে গড়িমসি করছেন। তাদের খুঁজে বের করতে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
ধর্ষিতাকে চরিত্রহীন গালি দেয়ায় আত্মহত্যা!
খুলনাঞ্চল রিপোর্ট
বছর দুয়েক আগের ঘটনা। বড় মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে মা তাকে ডাক্তার দেখানোর জন্য ঢাকায় নিয়ে যান। দশম শ্রেণি পড়ুয়া ছোট মেয়েকে রেখে যান প্রতিবেশীর বান্ধবীর বাড়িতে। রাতের বেলায় ছোট মেয়েটি ঘুমিয়ে পড়লে এক যুবক তাকে কৌশলে তাকে ধর্ষণ করে। ঘটনা প্রকাশ না করার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দেয়। সেই ঘটনার দুই বছর পর গত রোববার (২২ মার্চ) ধর্ষকের পরিবারের লোকজন মেয়েটিকে চরিত্রহীন বলে গালাগালি করলে রাগে অভিমানে মেয়েটি নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। ঘটনাটি ঘটেছে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার নীলগুন গ্রামে। আত্মহত্যা করা মেয়েটির নাম স্বপ্না কবিরাজ (১৪)। সে নীলগুন গ্রামের মালদ্বীপ প্রবাসী বিপুল কবিরাজ ও লাবনী কবিরাজ দম্পতির মেয়ে এবং স্থানীয় ভেদরগঞ্জ প্রতিভা সাইন্স প্রিপ্রারেটরি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী। এ ঘটনায় সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে নড়িয়া থানায় মামলা করেছেন নিহতের মা লাবনী কবিরাজ।
স্থানীয় ও নড়িয়া থানায় মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর নড়িয়া লাবণী কবিরাজের বড় মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে ছোট মেয়ে স্বপ্নাকে প্রতিবেশি সুশীলের মেয়ে প্রাপ্তি বাছার ও তার বান্ধবী জিতুর কাছে রেখে ঢাকায় ডাক্তার দেখাতে যান লাবনী। ওই রাতে বাড়ির এক কক্ষে ঘুমাতে যায় স্বপ্না। রাত ১২টার দিকে ওই বাড়ির ছেলে সুজিত (৩০) স্বপ্না কবিরাজকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে। স্বপ্না ভয়ে পরিবার ছাড়া আর কাউকে কিছু বলেনি। প্রায় দুই বছর পর রবিবার দুপুরে সুজিতের ভাই, ভাবি ও বোন মিলে স্বপ্নাকে ডেকে নিয়ে আসে। তাকে চরিত্রহীন বলে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে। পরে স্বপ্না লজ্জায়, ঘৃণায় বাড়িতে গিয়ে বিকেলে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তর জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
স্বপ্নার মা লাবনী কবিরাজ বলেন, সুজিতের ভাই অজিত, রিনা ও পারুল আমার ছোট মেয়েকে তাদের বাড়িতে ডেকে নিয়ে বলে, তুই নাকি বিভিন্ন লোকজনের কাছে আমাদের বদনাম বলিস। তুই তো নষ্টা, চরিত্রহীন, তোর স্বভাব চরিত্র ভালো না, তুই বিভিন্ন জায়গায় অপকর্ম করে সুজিতের দোষ দিস। তুই গলায় দঁড়ি দিয়ে মরতে পারিস না। তুই মরলে এলাকা ভালো থাকবে। ওদের কথাগুলো শুনে সহ্য করতে না পেরে মেয়েটা আত্মহত্যা করেছে। এর আগে সুজিত আমার মেয়েকে ধর্ষণও করেছিল। নড়িয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, স্বপ্নার আত্মহত্যার ঘটনায় লাবনী কবিরাজ থানায় মামলা করেছেন। মামলার আসামি অজিত বাছার ও তার মা পারুল রানীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
মোড়েলগঞ্জে করোনা সর্তকতায় লাল পতাকা উত্তোলন ! বাড়ি-বাড়ি-যাচ্ছেন ইউএনও মো. কামরুজ্জামান
মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি
মোড়েলগঞ্জে করোনা ভাইরাস বিষয়ে সচেতনতায় বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন ইউএনও মো. কামরুজ্জামান। ৪০৯ বাড়িতে লাল পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। দু’দিন ধরে উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নসহ পৌরসভায় বিদেশ ফেরত বাড়িগুলোতে এ লাল পতাকা টাঙ্গিয়ে দেওয়া হয়। ওই বাড়ির মানুষগুলোর সর্ম্পকে তাদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী কর্মকর্তা। এদিকে মঙ্গলবার সকালে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, মোড়েলগঞ্জের বনগ্রাম, হোগলাপাশা, দৈবজ্ঞহাটী ইউনিয়নের বিদেশ ফেরত বাড়িগুলো পরিদর্শন করেন।
এ সময় তার সাথে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.কামরুজ্জামান, থানা অফিসার ইনচার্জ কেএম আজিজুল ইসলামসহ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ইতোমধ্যে এ উপজেলায় গত এক সপ্তাহ ধরে করোনা ভাইরাস বিষয়ক সচেতনতায় লিফলেট বিতরন করা হয়েছে। বাজারে দ্রুব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য দু’দিনে মোবাইল কোটে ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে ৩৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে চায়ের দোকানগুলোতে টিভি কেরামবোর্ড। প্রতিটি গ্রামের বিদেশ ফেরত মানুষদের হোম কোয়ারেন্টাইনে স্বেচ্ছায় দুই সপ্তাহের জন্য পাঠানোর জন্য মাইকিং করে আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় মেয়র ও চেয়ারম্যানদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পঃ পঃ কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন মুফতি জানিয়েছেন করোনা ভাইরাস সচেতনতায় মাঠ পর্যায়ে কমিউনিটি কিনিকের সিএইস সিপি ফিল্ড ওর্য়াকরা কাজ করছেন। এ পর্যন্ত ৬১ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে ভারত থেকে আসা ৫০জন, বাকি ১০ জন সিংঙ্গাপুর, রোমান, গ্রিস, জার্মানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসেছেন। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা একজন সুস্থ হয়েছে।
অফিস সূত্রে আরো জানাগেছে, লাল পতাকা টাঙ্গানো হয়েছে যে বাড়িগুলো তেলিগাতি ১৪, পঞ্চকরণ ১০, পুটিখালী ১২, দৈবজ্ঞহাটী ১৪, রামচন্দ্রপুর ২০, চিংড়াখালী ১৯, হোগলাপাশা ১৪, বনগ্রাম ২৭, হোগলাবুনিয়া ২৪, বহরবুনিয়া ৮, জিউধরা ১৩, নিশানবাড়িয়া ১৫, বারইখালী ১১, মোড়েলগঞ্জ সদর ২৬, খাউলিয়া ৩১, পৌরসভা ৮।
দুর্যোগ কালে সরকারের নির্দেশনা মেনে চলতে চিকিৎসক সহ সকলের প্রতি আ’লীগের আহবান
খবর বিজ্ঞপ্তি
দুর্যোগকালে সরকারের নির্দেশনা মেনে চলতে চিকিৎসক ও দলীয় নেতাকর্মীসহ সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ। একই সাথে করোনা ভাইরাস থেকে সমাজ, দেশ ও জাতিকে বাঁচাতে সবাইকে সর্তক থাকারও আহবান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে বলেন, সরকার এবং প্রশাসনের নিদের্শনা অনুযায়ী সকলকে স্ব স্ব বাসভবনে অবস্থান করতে হবে। নিদ্ধারিত সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান খোলা থাকবে। এ ছাড়া নগরী এবং উপজেলা পর্যায়ের সকল শপিংমল, সুপার মার্কেট বন্ধ থাকবে। চায়ের দোকান বিকাল ৫টার পরে বন্ধ থাকবে। সকলেই মাস্ক, হ্যা- গ্লোবস সহ করোনা প্রতিরোধক পোশাক পরে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হবে না। দেশের এই দুর্যোগ কালে সরকার দেশ ও জাতির স্বার্থে কঠোর অবস্থান গ্রহণে বাধ্য। সেকারনেই জনস্বার্থে কেউ সরকার ও প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করবেন না। নিজে সুস্থ থাকুন সমাজকে সুস্থ রাখুন। নেতৃবৃন্দ দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রত্যেক ওয়ার্ডে এবং ইউনিয়নের বাড়িতে বাড়িতে খোঁজ রাখতে হবে। জাতীয় এই দুর্যোগ কালে নিজেকে সর্তক অবস্থানে রেখে মানুষের নিরাপত্তা দিতে তাদের পাশে থাকতে হবে। কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে সে বাড়িতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে লাল পতাকা টানিয়ে দিতে হবে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকান ছাড়া প্রসাধনি বা এই জাতীয় দোকান বন্ধ রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহযোগিতায় বন্ধ রাখতে হবে। নেতৃবৃন্দ চিকিৎসকদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, মানুষের জন্যই মানুষ। আপনারা সর্তক অবস্থানে থেকে অবশ্যই অসুস্থ মানুষের সেবা করবেন। করোনার কারনে অন্য রোগীরা যেন তাদের চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হয় সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি রাখতে হবে। একই সাথে করোনা রোগীদের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা রাখতে চিকিৎসকদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী।









































