সাবজাল হোসেন,বিশেষ প্রতিনিধি ॥
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মরহুম জহুরুল হক স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্টে যশোর বসুন্দিয়া ফুটবল কল্যান সমিতি খালিশপুরের জালে গোল উৎসব করেছে। তারা রবিবার বিকেলে কালীগঞ্জের চাপালী স্কুল মাঠে প্রতিদ্বন্দি খালিশপুর বীরশ্রেষ্ট হামিদুর রহমান ফুটবল একাডেমিকে ৩-০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে সেমিতে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।
বিকেল ৩.৫০ মিনিটে শুরু হয় ১ম রাউন্ডের ৩য় খেলা। রেফারী রবিউল ইসলাম বাঁশিতে ফুঁক দেয়ার সাথে সাথে বল নিয়ন্ত্রনে নিয়ে উভয় দল ছুটতে থাকে। প্রথমার্ধের সময়টুকু উভয় ফুটবল দল পার করে আক্রমন আর পাল্টা আক্রমনের মধ্যদিয়ে। কিন্ত গোল নামের সোনার হরিণের দেখা পায়নি কোন দল। এভাবেই শেষ হয় প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটের খেলা। বিরতির পর মাঠে নেমে গোল ক্ষুধায় ক্ষুধার্ত বাঘের মত রুপ নেয় বসুন্দিয়া ফুটবল একাদশ। দ্বিতীয়ার্ধের ২য় মিনিটেই তাদের দলের ৫ নং জার্সিধারী বিশ্বজিত প্রথমে প্রতিপক্ষ খালিশপুরের গোলকিপারকে বোকা বানিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন। এরপর গোল পরিশোধে মরিয়া হয়ে ওঠে খালিশপুর ফুটবল একাদশ। তাদের আক্রমনভাগের একাধিক খেলোয়াড় বার বার সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি তারা। এরই ফাঁকে দ্বিতীয়ার্ধের ১৬ মিনিটে গোলমুখে বল পায় বসুন্দিয়ার আক্রমন ভাগের ১৩ নং জার্সিধারী সুযোগ সন্ধ্যানী সুজন। তিনি গোলে আচমকা সট দিয়ে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে জড়িয়ে দেন। সে সময়ে ব্যবধান বেড়ে ২-০ হয়। সর্বশেষ খেলার মাত্র ৩০ সেকেন্ড বাকি থাকতে মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে একইভাবে আচমকা সট দেয় ১৫ নং জার্সিধারী সতীর্থ খোকা বাবু, এ সটে খালিশপুরের অদক্ষ গোলকিপার শেষ বারের মত ব্যর্থ হয়। খোকা বাবুর এ গোলটি ছিল খালিশপুরের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকার মত। এরপরেই খেলার শেষ বাঁশি পড়ে যায়। অর্থাৎ ৩-০ তে পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে খালিশপুর বীরশ্রেষ্ট হামিদুর রহমান ফুটবল একাদশ। খেলা শেষে ম্যাচ সেরার পুরষ্কার তুলে দেয়া হয় বসুন্দিয়ার চৌকস অধিনায়ক বিশ্বজিতের হাতে।
খেলাটির পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন অভিজ্ঞ রেফারী রবিউল ইসলাম, ও তার সহকারী জামাল হোসেন ও বাবু।
ধারা বিবরনীতে ছিলেন খোরশেদ আলম, রবিউল ইসলাম ও কামাল হোসেন।










































