Home আঞ্চলিক ডুমুরিয়ায় প্রবাসি টিকুর অর্থায়নে বিএনপির খাদ্য বিতরন

ডুমুরিয়ায় প্রবাসি টিকুর অর্থায়নে বিএনপির খাদ্য বিতরন

35

এস রফিক, ডুমুরিয়া ।।

ডুমুরিয়ায় আমেরিকা প্রবাসি জিএম মফিজুর রহমান টিকুর অর্থায়নে উপজেলা বিএনপির উদ্দ্যোগে করোনায় কর্মহীন অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা সদরের আব্দুল লতিফ ট্রাষ্টের সামনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা মোশাররফ হোসেন মফিজ।উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক শেখ শাহিনুর রহমান শাহিনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যদেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ আবু হাসেন বাবু।এসময় উপস্থিত ছিলেন মোল্যা মশিউর রহমান,শাহাদাৎ হোসেন,মাহবুবুর রহমান,মিজানুর রহমান লিটন,মাওলানা খলিলুর রহমান,শফিকুল ইসলাম খান,মাষ্টার সেলিম হালদার,দেলোয়ার হোসেন,আঃ গফ্ফার শেখ,পারভেজ গাজী,সাদেক বিশ্বাস,হারুনর রশিদ, জাহিদুর রহমান,তাজানুর রহমান খান,নজরুল ইসলাম,আবরার হোসেন সৈকত প্রমূখ।এসময় উপজেলা বিএনপি নেতারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে অসহায় পরিবারের মাঝে ৫’শ খাবার প্যাকেট বিতরন করেন।

ডুমুরিয়ায় করোনা যুদ্ধে ঝুঁকি নিয়ে করোনায় মৃতব্যক্তির দাফন করে আসছে উলামা পরিষদ

ডুমুরিয়ায় দক্ষিণ ডুমুরিয়া ইমাম উলামা পরিষদ নিঃস্বার্থ ভাবে জীবন ঝুঁকি নিয়ে করোনায় মৃত ব্যক্তিদের দাফন করে আসছে।গত ১৮ মাস ধরে এ কাজে অংশ নিয়ে ২৫ জন নারী পুরুষের সমন্বয়ে গঠিত টিম প্রায় ১’শ মরা দেহ দাফন করেছে।এরমধ্যে ২টি সনাতন ধর্মের মরাদেহের সৎকার সম্পন্ন করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।এ নিয়ে কথা হয় ওই টিমের আহবায়ক হাফেজ মোঃ ওয়াহেদুজ্জামান ও সদস্য সচিব মাওলানা মুফতি মোঃ ফয়জুল করিমের সাথে। তারা একই সুরে সুর মিলিয়ে বলেন,২০২০ সাল থেকে দেশে যখন করোনায় আক্রান্ত হয়ে যত্রতত্র মানুষের মৃত্যু হতে থাকে,তখন সর্বত্র খবর নিয়ে জানা যায়,মৃতের খবর শুনে এলাকাবাসি ও স্বজনদের মধ্যে ওই লাশ দাফন নিয়ে ভয়ে আতংকে সংকট সৃষ্টি হচ্ছে।এমনকি নিজের পিতা-মাতার লাশ ফেলে পালাতে শুরু করেছে সন্তানরা।তখন ইমানী শক্তি ধারন করে করোনায় মৃত ব্যক্তিদের দাফন ও সৎকারে উদ্দেশ্যে ১৯ জন পুরুষ ও ৬ জন নারী নিয়ে ২৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি স্বেচ্ছাসেবী টিম গঠন করা হয়। সংগঠনটি খুলনা,নে গোপালগঞ্জ,সাতক্ষীরা,যশোর,পিরোজপুর,নড়াইল সহ বিভিন্ন জেলায় কাজ করে আসছে।এ কর্মসূচীর আওতায় এ পর্যন্ত ৮৯ জন মুসলিম ও ২জন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকের দাফন-সৎকার সম্পন্ন করা হয়েছে।তারা আরও জানান,বেশীর ভাগ লাশের গোসল সম্পন্ন করা হয় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গের সামনে খোলা আকাশের নীচে।যেখানে গোসলখানা কোন ঘর বা পরিবেশ না থাকায় কখনও বৃষ্টি,কখনও রৌদ্রর মধ্যে অতিকষ্টে একাজটি করে আসছি।এজন্য সরকারী উদ্দোগে একটি গোসলখানার বিকল্প নেই বলে আমরা মনে করি।তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,মোবাইল ফোনে খবর পেলেই আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই কিন্তু আমাদের নিজস্ব কোন গাড়ি না থাকায় ও মৃতের পরিবার মানবতার হাত বাড়িয়ে না দেয়ায় অত্যন্ত হিমশিম খেতে হচ্ছে সংগঠনটির।এ ছাড়া পর্যাপ্ত সুরক্ষা (পিপি,স্যানিটাইজার সহ অন্যান্য উপকরন) না থাকায় ঝুঁকির মাত্রা আরও বেড়ে যায়। এরপরও থেমে নেই আমাদের কার্যক্রম।শুধু তাই নয় করোনা রোগীদের বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা দিয়ে আসছি।্ এ মহৎ কর্মসূচী অব্যাহত রাখতে যানবাহন সেবার জন্য একটি গাড়ি,পর্যাপ্ত পিপি,মৃতের পরিবার মানবিক ও সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা এবং বিত্তবানদের ্এগিয়ে আসতে হবে বলে তারা জানান।