তথ্য বিবরণী।।
খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া, বাগেরহাট জেলাসহ বিভিন্ন জেলায় কঠোর লকডাউনে করোনায় কর্মহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা বিতরণ করা হয়। কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ (বৃহস্পতিবার) একশত উপকারভোগীর মাঝে এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ (বৃহস্পতিবার) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত নয়শত উপকারভোগী পরিবারের মাঝে খাদ্যসহায়তা বিতরণ করা হয়।
এদিকে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্তে সিএসআর কার্যক্রমের আওতায় খুলনা জেলার বস্তিবাসী, ছিন্নমূল এবং করোনায় সংক্রমণের কারণে সাময়িকভাবে বেকার হয়ে পড়া ব্যক্তিদের পরিবারের সহায়তা প্রদানের জন্য আজ (বৃহস্পতিবার) খুলনার জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদারের নিকট ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করেন। চেক হস্তান্তর করেন খুলনা প্রিন্সিপাল অফিসের পক্ষে জিএম (ইনচার্জ) মোঃ শফিকুল ইসলাম। এসময় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সোনালী ব্যাংক খুলনার ডিজিএম এফএম মনিরুজ্জামানসহ ব্যাংকের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। খুলনা বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা বিতরণ
খুলনা জেলায় করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছেন ছয় হাজার পাঁচশত ৩৫ জন
খুলনা জেলায় আজ (বৃহস্পতিবার) ছয় হাজার পাঁচশত ৩৫ জন করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। যার মধ্যে পুরুষ তিন হাজার ছয়শত ২১ এবং মহিলা দুই হাজার নয়শত ১৪ জন। এ পর্যন্ত এক লাখ আট হাজার চারশত ২২ জন করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন।
আজ খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় তিন হাজার আটশত জন এবং আট উপজেলায় মোট দুই হাজার সাতশত ৩৫ জন করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন। উপজেলাগুলোর মধ্যে বটিয়াঘাটা দুইশত ২০ জন, দিঘলিয়ায় দুইশত ৬৯ জন, ডুমুরিয়ায় তিনশত ৮৮ জন, ফুলতলায় চারশত ৯০ জন, কয়রায় তিনশত ৬৯ জন, পাইকগাছায় একশত ৯০ জন, রূপসায় তিনশত ৮৮ জন এবং তেরখাদায় চারশত ২১ জন টিকা গ্রহণ করেছেন। এছাড়া বৃহস্পতিবার খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুইশত জন এবং সদর হাসপাতালে একশত ৯১ জন করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেন।
খুলনা সিভিল সার্জন দপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসকল তথ্য জানানো হয়েছে।











































