Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

47

শেখ কামালের ৭২তম জন্মদিন আজ: আ’লীগের কর্মসূচি

স্টাফ রিপোর্টার

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেষ্ঠ্যপুত্র শেখ কামাল-এর ৭২তম জন্মবার্ষিকী আজ। জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ। কর্মসূচির মধ্যে বেলা ১১টায় মহানগর যুবলীগের উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, বাদ মাগরিব মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা দোয়া মাহফিল। দোয়া মাহফিলে মহানগর আওয়ামী লীগের সকল নেতৃবৃন্দ, থানা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এবং মহানগর পর্যায়ের সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী সহ নির্বাচিত সকল কাউন্সিলরদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ আহবান জানিয়েছেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সিটি মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা।

আ’লীগ নেতা মন্টুর উন্নত চিকিৎসায় ঢাকায় প্রেরণ নেতৃবৃন্দের দীর্ঘায়ূ কামনা

খবর বিজ্ঞপ্তি

৩১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াউল ইসলাম মন্টুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার তাকে ঢাকায় স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি আত্মীয় স্বজন, দলের এবং সকল শুভানুধ্যায়ীদের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

এদিকে জিয়াউল ইসলাম মন্টুর সুস্থ্যতা দীর্ঘায়ু কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ নির্বাহী সদস্য, শ্রম কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি সিটি মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী।

রূপসা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা রোগীদের জন্য ‘বেড’ প্রদান করলেন সালাম মূর্শেদী এমপি

 রূপসা প্রতিনিধি

করোনাকালীন এই সময়ে খুলনা জেলার রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে ‘সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘে’মাধ্যমে বুধবার (আগস্ট)  কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য ১৬টি ‘

উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: শেখ সফিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রূবাইয়া তাছনিম, থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম,জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, আজাদ আবুল কালাম।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ডা:সঙ্গিতা চৌধুরী, আওয়ামীলীগ নেতা  আ:মজিদ ফকির,সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু,  আকতার ফারুক, মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, আজিজুল হক কাজল, আজমল ফকির,নাজির শেখ, সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার শামসুল আলম বাবু,  উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আ:রাজ্জাক শেখ,যুবলীগ নেতা আশিষ রায়, আবুল কালাম আজাদ, ছাত্রলীগের এস এম রিয়াজ প্রমূখ

রূপসায় মোটর শ্রমীকদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

রূপসা প্রতিনিধি

রূপসায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মাটর শ্রমীকদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠান আগষ্ট বুধবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন স্থানীয় সরকার খুলনার উপ-পরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশা। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন  সহকারী কমিশনার (ভূমি) খান মাসুম বিল্লাহ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফ হোসেন, অঅইসিটি কর্মকর্তা রেজাউল করিম, সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, সাবেক জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আঃ মজিদ ফকির, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহাজাহান কবির প্যারিস, সাবেক চেয়ারম্যান  মিজান, শ্রমীক নেতা হারুন মোল্লা, সাইফুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা  আঃ মজিদ শেখ প্রমূখ।

সাতক্ষীরার তালায় অপহরণ ঘটনায় আটক

ইলিয়াস হোসেন, তালা (সাতক্ষীরা)

সাতক্ষীরার তালায় অপহরণের ঘটনায় এক যুবকে আটক করেছে থানা পুলিশ। এসময় অপহূত ১০ম শ্রেণির ছাত্রীকে (১৬) উদ্ধার করা হয়েছে। অপহরণকারী ধ্রুব মন্ডল (২১) কে মঙ্গলবার রাত টার দিকে খেশরা ইউনিয়নের কলাগাছি গ্রাম থেকে আটক করা হয়। সে একই উপজেলার কলাগাছি গ্রামের গুরুপদ মন্ডলের ছেলে।

এঘটনায় মেয়ের পিতা কৃষ্ণ পদ ব্যানার্জী জানান, ‘কলাগাছি গ্রাামের গুরুপদ মন্ডলের ছেলে ধ্রুব মন্ডল আমার মেয়েকে দীর্ঘদিন বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। সে কারনে আমি ভবিষ্যৎতের কথা ভেবে তালা থানায় প্রায় জুন ২০২১ তারিখ একটি সাধারণ ডায়েরি করি। এরপরও আমার মেয়েকে সে বিভিন্ন কৌশলে উত্যক্ত করে আসছিলো। আমার মেয়ে তার কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মঙ্গলবার (আগষ্ট) সন্ধ্যা সাড়ে টার দিকে আমার বাড়ির পাশ থেকে ধ্রুব মন্ডল (২১), শান্ত মন্ডল(২১), ধিরাজ বাছাড়(২০), কমলেশ বাছাড় (২১) গুরুপদ মন্ডল (৪৫) জোর পূর্বকভাবে আমার মেয়েকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। পরে আমি তালা থানায় একটি অভিযোগ করলে থানা পুলিশ আমার মেয়েকে উদ্ধার করে এবং ধ্রুব মন্ডলকে আটক করে।

তালা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী রাসেল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এঘটনায় ভুক্তভোগি কৃষ্ণপদ ব্যানার্জী তালা থানায় জনকে আসামী করে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নাম্বার ২। এরমধ্যে আমরা আসামী ধ্রুব মন্ডলকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেছি।

নিউ মার্কেট কাঁচা বাজার এলাকায় মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির মাস্ক বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

মাস্ক পরুন, নিজে বাঁচুন অন্যকে বাঁচান, গরীব মানুষের খাদ্যের ব্যবস্থা করুন, লকডাউন সফল করুন, অবিলম্বে গণটিকা (করোনা ভ্যাকসিন) কার্যক্রম চালু করুন।” এই স্লোগান ধারণ করে করোনা প্রতিরোধ ব্রিগেড বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, খুলনা মহানগর কমিটির উদ্যোগে মহানগরের বিভিন্ন থানা-ওয়ার্ডে করোনা প্রতিরোধে গণসচেতনামূলক লিফলেট মাস্ক বিতরণের অংশ হিসেবে বুধবার (আগস্ট) বেলা ১১:৩০টায় করোনা প্রতিরোধ ব্রিগেড খুলনা সদর সোনাডাঙ্গা থানার উদ্যোগে খুলনা নিউ মার্কেট কাঁচা বাজার এলাকায় লিফলেট মাস্ক বিতরণ করা হয়। সময় উপস্থিত ছিলেনÑবাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড দিপংকর সাহা দিপু, কেন্দ্রীয় কমিটির বিকল্প সদস্য খুলনা মহানগর কমিটির সভাপতি কমরেড শেখ মফিদুল ইসলাম, মহানগর কমিটির নেতা কমরেড মনির হোসেন, কমরেড এড. কামরুল হোসেন জোয়ার্দ্দার, শ্রমিক নেতা অনিল দে, স্বেচ্ছাসেবক কর্মী কুদ্দুস ভাই প্রমুখ।

খুলনা বাজার ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সহ-সম্পাদক তার সহধর্মিনীর সুস্থতা কামনা

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা বাজার ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক মো: গোলাম আক্কাস স্বাধীন তার সহধর্মিনী করোনায় আক্রান্ত হয়ে খুলনা সিটি মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। তাদের সহ করোনায় আক্রান্ত সকলের জন্য দোয়া করে আশু রোগ মুক্তি কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা বাজার ব্যবসায়ী মালিক সমিতির কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সুরক্ষার জন্য কোভিড-১৯ এর টিকা যারা এখনও নেননি তাদের দ্রুত টিকা গ্রহণের জন্য তাদের অনুরোধ করা হচ্ছে।

বিবৃতি দাতারা হলেন সমিতির প্রধান উপদেষ্টা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি কাজি আমিনুল হক, সভাপতি শ্যামল হালদার, সাধারণ সম্পাদক মো: সোহাগ দেওয়ান, এম মতিন পান্না, অনিল পোদ্দার, আলহাজ্ব মো: সিরাজুল হক, রফি আহমেদ বাবলা, মো: রফিকুল ইসলাম টিপু, আলহাজ্ব মো: হায়দার আলী, এমদাদুল হক খালাসী, আলহাজ্ব মো: আমিন, অরবিন্দু কুমার সাহা, গৌর সুন্দর মন্ডল, আলহাজ্ব ইউসুফ হোসেন, মো: জামিরুল হুদা জহর, সৈয়দ বোরহান উজ্জামান, আলহাজ্ব মো: সেলিম, তরুন রায় শিবু, স্বপন কুমার সাহা, দিলীপ কুমার সাহা, এ. কবীর আহমেদ, গোলাম সরোয়ার পিন্টু, মো: ঝুন্নু মোল্লা, তপন সাহা, আলহাজ্ব আবু বকর সিদ্দিক, আলহাজ¦ মো. জাকির হোসেন ঝন্টু, মো: ওয়াহিদুজ্জামান বিপ্লব, সত্যপ্রিয় সোম বলাই, বেগ সাব্বির মাহমুদ, উজ্জ্বল ব্যানার্জী, অসিত বিশ্বাস, গোপাল সাহা, মো: জাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী দেওয়ান মো: লাভলু খান

বাগেরহাটে সাবেক স্বামীর মারধরে হাসপাতালে গৃহবধু

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে সাবেক স্বামীর মারধরে গুরুত্বর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন চায়না বেগম (৫০) নামের এক গৃহবধু। মঙ্গলবার (আগস্ট) সন্ধ্যায় মোরেলগঞ্জ বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে চায়না বেগমকে লাঠি দিয়ে বেড়ধর মারপিঠ করে তার সাবেক স্বামী হেমায়েত শেখ (৫৩)পরবর্তী ওই রাতেই স্বজনরা উদ্ধার করে চায়না বেগমকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

আহত চায়না বেগম মোরেলগঞ্জ উপজেলার পঞ্চকরণ গ্রামের মৃত রশীদ আকনের মেয়ে। প্রায় ৩৫ বছর আগে একই গ্রামের মৃত মকবুল শেখের ছেলে দিনমজুর হেমায়েত শেখের সাথে চায়না বেগমের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তিন ছেলে এক মেয়ে রয়েছেন। বছর দুয়েক আগে পারিবারিক কলহের জেরে হেমায়েতকে ডিভোর্স দেয় চায়না বেগম।

আহত চায়না বেগমের বড় ছেলে মোঃ চয়ন শেখ বলেন, বিভিন্ন কারণে  বাবা আমার মাকে মারধর করত। এমনকি বাবার জমি আমাদের ভাই-বোনদের না দিয়ে তার ভাইপোদের দিয়েছেন। সব মিলিয়ে অনেকদিন ধরে সংসারে একটা ঝামেলা লেগেছিল। এসব সহ্য করতে না পেরে বছর দুয়েক আগে আব্বাকে ডিভোর্স দেয় মা। এরপর থেকে বাবা আরও বেপরোয়া হয়ে যায়। কয়েকবার সে মাকে মেরেছে। কিন্তু মান সম্মানের ভয়ে আমরা কিছু বলিনি। এবার মা সুস্থ্য হলে আমরা আইনের আশ্রয় নিব।

প্রতিবেশি সাজেদা বেগম বলেন, সন্ধ্যায় মাগরীবের নামাজের জন্য পুকুরে ওজু করছিলাম। দূর থেকে দেখি চায়না বাড়ি আসছে। হঠাৎ রাস্তার পাশে বসে থাকা ওর সাবেক স্বামী বড় লাঠি দিয়ে মারতে শুরু করে। সবাই এগিয়ে আসতে আসতে চায়না রাস্তায় পড়ে যায়। পরে আমরা উদ্ধার করে ওকে হাসপাতালে ভর্তি করি।

মারধরের স্বীকার চায়না বেগম বলেন, স্বামীর মার খেতে খেতে আমি অতিস্ট। জীবন বাঁচাতে তাকে ডিভোর্স দেই। এর পরেও সে আমাকে কয়েকবার মেরেছে। গতকাল সবাই এগিয়ে না আসলে, আর বাঁচতে পারতাম না। আমি এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

কেশবপুরে বাল্যবিবাহ বন্ধ করলেন এ্যাসিল্যান্ড ইরুফা সুলতানা

আলমগীর হোসেন কেশবপুর প্রতিনিধি,

কেশবপুরে করোনা ভাইরাস সংক্রাম রোধে লকডাউন চলাকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ইরুফা সুলতানা একটি বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছেন।

বুধবার দুপুরে উপজেলার মাদারডাঙ্গা গ্রামের আনিছুর রহমান তার স্কুল পড়ুয়া কন্যা রুমানা খাতুন (১৫) এর বাল্যবিবাহের আয়োজন করেন। খবরপেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ইরুফা সুলতানা মাদারডাঙ্গা গ্রামের আনিছুর রহমানের বাড়িতে হাজির হয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দেন। এসময় তিনি মেয়েকে বাল্যবিবাহ দেবেননা এই শর্তে মেয়ের মাতার নিকট থেকে মুচেলকা গ্রহণ করেন এবং লোক সমাগমের মাধ্যমে বাল্যবিবাহের আয়োজন করায় ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে মেয়ের পরিবারের নিকট থেকে হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। সময় তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন পেশকার হায়দার আলী সেনা সদস্য সহ পুলিশ প্রশাসন।

ফকিরহাট হাসপাতালে উপচেপড়া ভীড়, শনিবার ২য় ডোজ শুরু

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাটে করোনা ভাইরাসের টিকা গ্রহনে মানুষের আগ্রহ আগের তুলনায় অনেকাংশে বেড়েই চলেছে। প্রতিদিনই টিকা নিতে আসা মানুষের উপচেপড়া ভীড়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তৃপক্ষ-কে রীতিমত হিসমিন খেতে হচ্ছে। বুধবার একদিনে ৮৯৬ জনকে টিকা প্রদান করা হয়েছেন। পর্যন্ত হাজার ৮০২জনকে টিকার প্রথম ডোজ প্রদান করেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিশ্চত করে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. অসিম কুমার সমাদ্দার বলেন, আগামী শনিবার থেকে কোভিড-১৯ এর টিকার ২য় ডোজ প্রদান শুরু করবেন। এছাড়া আগামী ৭আগষ্ট থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকার প্রথম ডোজ প্রদানের লক্ষ্যে ইতো মধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

খুলনা বিএনপির করোনা সাপোর্ট সেন্টারে ওষুধ পাঠালেন তারেক রহমান

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনায় করোনা আক্রান্ত অস্বচ্ছল পরিবারের রোগীদের জন্য বিপুল পরিমাণ জীবন রক্ষাকারী অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ পাঠিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। খুলনা মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনসমূহের পক্ষ থেকে এসব ওষুধ অসহায় রোগীদের কাছে বিনামূল্যে পৌছে দেয়া হবে। বুধবার দুপুরে নগরীর সামসুর রহমান রোডে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত করোনা সাপোর্ট সেন্টারে এসব ওষুধ আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হয়।

সময় মহানগর বিএনপি নেতা শফিকুল আলম তুহিন বলেন, মহামারির হটষ্পট খুলনায় বিএনপির করোনা সাপোর্ট থেকে সেন্টার রাত দিন অসহায় মানুষকে অক্সিজেন সাপোর্ট, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ সেবা দেয়া হচ্ছে। করোনা আক্রান্ত পরিবারের দোড়গোড়ায় সেবা পৌছে যাওয়ায় গণমানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে বিএনপি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পাঠানো বিপুল পরিমাণ ওষুধ আমাদের সেই কর্মকান্ডকে আরও গতিশীলতা দেবে। বিএনপির সেবামূলক কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহযোগিতা পরামর্শ প্রদান করায় কেন্দ্রীয় নেতা খুলনা-আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ রকিবুল ইসলাম বকুলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পাঠানো ওষুধ গ্রহনের সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা আজিজুল হাসান দুলু, আল জামাল ভূঁইয়া, এহতেশামুল হক শাওন, মাহবুব হাসান পিয়ারু, আজিজা খানম এলিজা, শফিকুল ইসলাম শাহিন, ইশতিয়াক আহমেদ ইস্তি, মো: তাজিম বিশ^াস, আনোয়ার হোসেন আনো, শরিফুল ইসলাম টিপু, ওয়াহিদুজ্জামান হাওলাদার, মো: নাসিরউদ্দিন, শামসুন্নাহার লিপি, নাসরিন হক শ্রাবণী, সোনিয়া খান, সোহেল রানা, মাজহারুল ইসলাম রাসেল প্রমুখ।

কালীগঞ্জে বাফার সার গোডাউনে অনিয়মই যেখানে নিয়ম

সাবজাল হোসেন,বিশেষ প্রতিনিধি

আদেশপত্র দেওয়ার একদিন আগেই কতিপয় ডিলারকে সার সরবরাহ করেছেন কালীগঞ্জ বিসিআইসি বাফার (সার) গোডাউন কর্তৃপক্ষ। তবে, বিষয়টি নিয়ে বাফার কর্মকর্তা শাহাজান আলী প্রথমে আদেশপত্র পেয়েই সার ডেলিভারীর কথা বললেও পরে অবশ্য তার ভুল স্বীকার করে মানবিকতার কথা বলেছেন। অনৈতিক লেনদেনেই তিনি এমন কান্ড ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার বরাদ্ধপত্র ছাড়াই কতিপয় ডিলারকে সার সরবরাহ করায় ডিলারদের মাঝে নিয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সার ডিলার জানান, বর্তমানে কালীগঞ্জ বাফার গোডাউনে নানা অনিয়ম জেকে বসেছে। বাফার ইনচার্জ শাহাজান আলী কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই তার ইচ্ছামত কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।

একাধিক ডিলার জানান, সার প্রদানের ক্ষেত্রে বরাদ্ধপত্র না হওয়া পর্ষন্ত বাফার গোডাউন থেকে কোন সার প্রদানের নিয়ম নেই। অথচ গত রোববার তিনি কোন বরাদ্ধপত্র ছাড়াই কালীগঞ্জের রাম বাবু সোহরাব হোসেন নাই দুই সার ডিলারকে সার ডেলিভারী দিয়েছেন। সরকারী বাফার গোডাউনে এহেন অনিয়ম কর্মকান্ডে অন্য সার ডিলাররা প্রতিনিয়ত নাজেহাল হচ্ছেন।

বরাদ্ধ আদেশ ছাড়াই সার ডেলিভারীর বিষয়টি জানতে সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে মোবাইলে কথা বললে বাফার গোডাউন ইনচার্জ শাহাজান আলী জানান, রোববার আদেশ পত্র পেয়েই তারা সার ডেলিভারী দিয়েছেন। এর পরই আদেশপত্রের বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ে জানতে কালীগঞ্জ উপজেলা সার ব্যাবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শিকদার মোঃ মোহায়মেন আক্তার জানান, রোববার কোন আদেশপত্র দেওয়া হয়নি। সোমবার সকালে সার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া জেরিন বরাদ্ধপত্রে স্বাক্ষর করেছেন। সংশ্লিষ্ট দুটি পক্ষের এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সোমবার বেলা ১২ টার দিকে বাফার কর্মকর্তাকে পূনরায় কল দিলে তিনি আদেশ পত্রের দিন আগেই সার ডেলিভারী দেবার কথা স্বীকার করেন। তবে কেন এটা করলেন এমন প্রশ্নের জবাবে বিষয়টি তিনি অনেকটা মানবিক কারন দেখিয়ে এড়িয়ে যান।

একদিন আগে রোববার সার উত্তোলনকারী ডিলার রাম বাবু জানান, তিনি ডিও করে বাফার অফিসে কর্মকর্তার সাথে কথা বলেই এক ট্রাক সার গ্রহন করেছেন।

বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া জেরিন জানান, বরাদ্ধ আদেশপত্র ছাড়া সার ডেলিভারী দেওয়া ঠিক নহে। কিভাবে সার দিলেন বিষয়টি তিনি কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে যাবতীয় খোজ খবর নিচ্ছেন।

ফকিরহাটের কামটা নদীর ভেড়িবাঁধ কাটা নিয়ে জটিলতার অবসন

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার কামটা এলাকায় ভৈরব নদীর তীরে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক তৈরী করা ভৈড়িবাঁধ কাটা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে জটিলতার অবসন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা বেগম। তিনি মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি নিরসন করেন। এসময় নলধা-মৌভোগ ইউনিয়নের একক চেয়ারম্যান প্রার্থী সরদার আমিনুর রশিদ মুক্তি, স্থানীয় ইউপি সদস্য কওসার আলীসহ ইট ভাটার মালিক পক্ষ স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, সম্প্রতি প্রবল বৃষ্টিতে ভৈড়িবাধেঁর উত্তর পাশে এবং হাসান ব্রিক্স সংলগ্ন জমিতে পানি জমে জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ইট ভাটার মালিক পক্ষ ভেড়িবাঁধ কেটে পানি নিস্ককাশনের উদ্যোগ নিলেও স্থানীয়রা বাধাঁ সৃষ্টি করেন। স্থানীয়রা জানায়, পানি সরিয়ে যদি পুনরায় নদীর পানি উঠায় তাহলে ক্ষতি হবে। একপর্যায়ে ইটভাটা কর্তৃপক্ষ স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘ বিরোধিতার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে জানান, পানি সরানো যাবে কিন্তু পানি সরানোর নামে বাঁধ কেটে পুনরায় নদীর পানি উঠানো যাবে না। ছাড়া তিনি বিষয়টি নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে পরবর্তীতে সুষ্ঠ সমাধান করবেন বলেও তিনি জানান।

সাতক্ষীরায় করোনার উপসর্গ নিয়ে তিন নারীর মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৪৪ জন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় করোনা সংক্রমনে আক্রান্ত মৃত্যুর হার উল্লেখ্য যোগ্য হারে কমেছে। গত ২৪ ঘন্টায় করোনার উপসর্গ নিয়ে তিন নারীর মৃত্যু হয়েছে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের মৃত্যু হয়। নিয়ে, করোনার উপসর্গ নিয়ে আজ পর্যন্ত মারা গেছেন মোট ৫৫৭ জন। আর ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ৮৫ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪৫ জনের নমুনা পরীক্ষা শেষে ৪৪ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। যা শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ। এনিয়ে, জেলায় আজ পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন হাজার ৮৩৩ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন হাজার ৬৩০ জন।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তা ডাঃ জয়ন্ত কুমার সরকার জানান, জেলায় বর্তমানে সরকারী বেসরকারী হাসপাতালে মোট ২৩০ জন করোনা রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকীরা হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তিনি সময় করোনা প্রতিরোধে সকলকে মাস্ক পরার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানান।

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে আহরিত আটমন চিংড়ি জব্দ

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট

সুন্দরবন সংলগ্ন খাল থেকে বিষ (কিটনাশক) দিয়ে আহরিত আট মন চিংড়িসহ নৌকা জব্দ করেছে বন বিভাগ। বুধবার (০৪ আগস্ট) সকালে সুন্দরবন পূর্ববন বিভাগের কাটাখালী খাল থেকে এই মাছ জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের নির্দেষে চিংড়ি মাছ গুলোকে কেরোসিন দিয়ে মাটি চাপা দিয়েছে বনরক্ষিরা।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক এনামুল হক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে বনরক্ষিরা ওই এলাকায় অভিযান চালায়। বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে জেলেরা পালিয়ে যায়। তখন নৌকায় রাখা ড্রামের মধ্যে হরিণা, চামিসহ কয়েক প্রজাতির আট মন চিংড়ি পাওয়া যায়। এসব চিংড়ি সুন্দরবনের বিভিন্ন খাল নদীর পানিতে কিটনাশক দিয়ে ধরা হয়েছিল। এগুলো খাওয়া মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুকিপূর্ণ তাই কেরোসিন দিয়ে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য নৌকাটি জব্দ করা হয়েছে। ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

তিনি আরও বলেন, প্রজনন মৌসুম হওয়ায় জুন, জুলাই আগস্ট এই তিন মাস সুন্দরবনের অভ্যন্তরে মাছ আহরণ সম্পূর্ণ  নিষিদ্ধ। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এই সময়ে অধিক মুনাফা লাভের আশায় মাছ আহরণ করে। অল্প সময়ে বেশি মাছ ধরার জন্য কিটনাশকও ব্যবহার করে তারা। তবে এসব অসাধু জেলে ব্যবসায়ীদের রুখতে বন বিভাগ সবসময় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

বাগেরহাটে ক্ষতিগ্রস্থ উদ্যোক্তাদের মাঝে এসএমই ঋণ বিতরণ

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট

বাগেরহাটে ক্ষতিগ্রস্থ পল্লী উদ্যোক্তাদের মাঝে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) পক্ষ থেকে এসএমই ঋণ বিতরণ শুরু হয়েছে। বুধবার (০৪ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই ঋণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান। বিআরডিবি বাগেরহাটের উপ-পরিচালক মোঃ নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ঋণ প্রদান অনুষ্ঠানে  অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম, বাগেরহাটের সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ সাইদুর রহমান, তন্ময় কান্তি মিরবর, শম্ভু নাথ সাহা, সদর উপজেলা পল্লী উন্নয়ণ কর্মকর্তা বিবেকানন্দ রায়সহ ঋণ গ্রহনকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিন বাগেরহাট সদর উপজেলার সাতজন উদ্যোক্তার মাঝে দশ লক্ষ টাকার ঋণ প্রদান করা হয়। করোনা পরিস্থিতিতে স্বল্প সুদে ঋণ পেয়ে খুশি করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ ব্যববসায়ীরা।

বিআরডিবি বাগেরহাটের উপ-পরিচালক মোঃ নাসির উদ্দিন বলেন, এই প্রথম জেলা উপজেলা পর্যায়ে এসএমই ঋণ প্রদান কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড এর অংশ হিসেবে বাগেরহাট জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে মোল্লাহাট ছাড়া আটটি উপজেলায় ২২০ জন উদ্যোক্তার মাঝে দুই কোটি ৮১ লক্ষ ৯০  হাজার টাকা ঋণ প্রদান করা হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে ঋণ গ্রহিতাদের মাঝে এই টাকার চেক হস্তান্তর করা হবে। পর্যায়ক্রমে জেলা-উপজেলার আরও উদ্যোক্তাদের মাঝে বিআরডিবি এসএমই ঋণ বিতরণ করবে। এই ঋণের সুদ মাত্র চার শতাংশ। ঋণ গ্রহিতারা ঋণ পরিশোধের জন্য তিন মাস গ্রেস পিরিয়ড পাবেন। এই সময়ে তাদের কোন ঋণ পরিশোধ করতে হবে না। এর ফলে ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন বলে দাবি করেন তিনি।

মোড়েলগঞ্জে একটি চক্রের অত্যাচারে অতিষ্ট একটি আওয়ামীলীগ পরিবার

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে পুটিখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ব্যবসায়ী আবুল বাশার শেখ(৪৯) এলাকার একটি চক্রের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে আতংকে দিন যাপন করেছে তিনিসহ তার পরিবারটি।

এলাকার দুষ্কৃতকারি চক্রটি তার কাছে অর্থ দাবি করে হয়রানি করছে বলে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা আবুল বাশার।

প্রাপ্ত অভিযোগে জানাগেছে পুটিখালী গ্রামের মৃত. কাছেম আলী হাওলাদারের ছেলে শামীম আহসান দুলালের নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়ী আবুল বাশার শেখের নিকট এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। নিরুপয় হয়ে ওই ব্যবসায়ী হাজার টাকা দিয়েও রেহাই পায়নি মারপিট লাঞ্চিতের শিকার হয়েছেন তিনি।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘটনারদিন আগষ্ট রবিবার বিকেল সাড়ে টার দিকে মঙ্গলেরহাট বাজারে  ওই ব্যবসায়ী আবুল বাশার নাসির হাওলাদারের দোকানের সামনে বসে ছিলেন।

সময় শামীম আহসান দুলালসহ ১৫/২০ জনের ওই সংঘবদ্ধ দলটি তাকে ঘিরে ফেলে তার ওপর চড়াও হয়ে বাজার থেকে বের করে দেওয়ার জন্য টানা হেচড়া করে মারপিট লাঞ্চিত করে। সময় বাজারে থাকা স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করতে আসলে হামলাকারি চক্রটি পিছু হঠতে বাধ্য হয়। ব্যাপারে আবুল বাশার শেখ বাদি হয়ে শামীম আহসান দুলাল আলী আজিম বাবুল বারেক বয়াতি সহ অজ্ঞাত ৭/জনের নামে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়ে ব্যবসায়ী আওয়ামী লীগ নেতা আবুল বাশার শেখ বলেন, ২০০১ সালে তিনি তার  ভাই মাওলানা আব্দুল কাদেরসহ তাদের পরিবার জামাত-বিএনপির হাতে নির্যাতিত হয়ে বিভিন্ন মামলা হামলার শিকার হয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকতেও এখনও নির্যাতনের শিকার হতে হবে চক্রের হাতে। পরিবার পরিজন নিয়ে শান্তিপ্রিয় ভাবে বসবাসের জন্য উর্দ্ধতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। শামীম আহসান দুলাল তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের বিষয় সম্পূর্ন অস্বিকার করে বলেন আবুল বাশার বিগত দিনে স্থানীয়ভাবে তাকে সহ অনেককে হয়রানি করছে। সর্ম্পকে থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, ব্যবসায়ী আবুল বাশারের একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পূর্বক সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খুলনায় চার হাজার নিম্ন আয়ের মানুষ প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা পেলেন

তথ্য বিবরণী

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নগরীর নয়টি ওয়ার্ডে করোনাকালীন কঠোর লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া প্রায় চার হাজার অসহায়, দুঃস্থ নি¤œআয়ের শ্রমজীবী মানুষ প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা পেলেন। মানবিক সহায়তার মধ্যে ছিলো জনপ্রতি সাত কেজি চাল এবং সবজি ক্রয়ের জন্য নগদ অর্থ।

বুধবার (আগস্ট) কেসিসি’প্যানেল মেয়র-মোঃ আমিনুল ইসলাম মুন্না, প্যানেল মেয়র-মোঃ আলী আকবর টিপু মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা এসব খাদ্যসামগ্রী নগদ অর্থ বিতরণ করেন। এসময় বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা নগরীর ৪, ৫, ৬, ৯, ১০, ১১, ১৪ ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রত্যেকটিতে চারশত ২৮ জন হিসেবে মোট তিন হাজার চারশত ২৪ জনের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যসহায়তা মোট নগদ তিন লাখ ৪২ হাজার চারশত টাকা বিতরণ করেন। এছাড়া ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে পাঁচশত ৭১ জনের মাঝে মোট ৫৭ হাজার একশত টাকা ও  জনপ্রতি সাত কেজি চাল বিতরণ করা হয়। এসময় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মঈনুল ইসলাম নাসির, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আতাউর রহমান সিকদার রাজু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে অতিথিরা বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে কোন মানুষ না খেয়ে থাকবে না। সরকার মানুষের কষ্ট লাঘবে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যসামগ্রী নগদ অর্থ বিতরণ করে যাচ্ছে। করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে সঠিকভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেলে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্মহীন অসহায় মানুষের পাশে রয়েছেন।

কয়রায় নারী নির্যাতন এবং বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ প্লাটফর্মের অন-লাইন শেয়ারিং সভা

করোনার টিকা গ্রহণে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে

খবর বিজ্ঞপ্তি

বুধবার (আগস্ট) সকালে নারী নির্যাতন বাল্যবিয়ে বন্ধে কয়রা উপজেলা প্লাটফর্ম-এর এক শেয়ারিং সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্লাটফর্মের যুগ্ম-আহ্বায়ক নারীনেত্রী জনপ্রতিনিধি সুলতানা শাহাদত মিলি সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাটি জুম অন-লাইন প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, করোনার ছোবলে দেশের মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে। মানুষের জীবন-জীবিকা মারাত্মক সঙ্কটে। এই অবস্থায় করোনা মোকাবেলায় রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যাপক টিকাদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তা’ সফল করতে আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে। সেই সাথে যাতে মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন সে জন্যে তাদের উদ্বুদ্ধ করতে উদ্যোগ নিতে হবে। করোনাকালে বাল্যবিয়ে এবং নারী নির্যাতনের বৃদ্ধি পাওয়ার যে ধারা তা’ রোধ করতেও সচেতন সবাইকে উদ্যোগী হতে হবে।

সভায় বক্তৃতা করেন প্লাটফর্মের সদস্য কয়রা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোস্তফা শফিকুল ইসলাম, সুন্দরবন বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ খায়রুল আলম, রিয়াজুল আলম, মনিরা আক্তার, ইমরান হোসেন, কবিতা রাণী তরফদার, আব্দুল্লাহ আল মামুন, রুদ্রমোহন রায়, রাজীব বৈরাগী, নীলাবতী, আলমগীর খোকন, রূপান্তর-এর প্রকল্প সমন্বয়কারী অসীম আনন্দ দাস।

এই সভায় নারী নির্যাতন এবং বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করতে প্লাটফর্ম সদস্যরা আগামী তিন মাস স্ব স্ব অবস্থানে থেকে বহুমুখী কর্মসূচী গ্রহণ করেছেন। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে করোনার টিকা গ্রহণ এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সাধারণ জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা, বিভিন্ন সভায় সুযোগ মিললে বাল্যবিয়ে নারী নির্যাতন বন্ধে কথা বলা, বাল্যবিয়ের সংবাদ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে অবহিত করা ইত্যাদি।

খুলনার নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসকের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা জেলা প্রশাসক জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং খুলনা প্রেসক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার বুধবার সকালে খুলনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। খুলনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে স্বাস্থ্য বিধি মেনে বুধবার (৪আগস্ট) প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেন। সভা পরিচালনা করেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লা।

মতবিনিময় সভায় বক্তৃতা করেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পুলক কুমার মন্ডল, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, ক্লাবের সাবেক সভাপতি কে হিরু, সাবেক সভাপতি নির্বাহী সদস্য এস এম নজরুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, সহ-সভাপতি মোঃ তরিকুল ইসলাম, খুলনা প্রেসক্লাবের সদস্য দৈনিক পূর্বাঞ্চল সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সনি, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা, মল্লিক সুধাংশু শেখ দিদারুল আলম, কোষাধ্যক্ষ বিমল সাহা, সহকারী সম্পাদক মোঃ মাকসুদুর রহমান (মাকসুদ) মাহবুবুর রহমান মুন্না, নির্বাহী সদস্য মোঃ শাহ আলম প্রমুখ।

সময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শেখ আবু হাসান, সহকারী সম্পাদক এস এম নূর হাসান জনি, মোঃ মোজাম্মেল হক হাওলাদার শেখ মাহমুদ হাসান সোহেল, ক্লাব সদস্য মোঃ হুমায়ুন কবীর, দেবনাথ রনজিৎ কুমার, দেবব্রত রায়, এইচ এম আলাউদ্দিন, ওয়াহেদ-উজ-জামান বুলু, সুনীল কুমার দাস, এম হাসান, বাপ্পী খান, শেখ তৌহিদুল ইসলাম তুহিন, আব নুরাইন খোন্দকার, শেখ শামসুদ্দীন দোহা, আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, আসাদুজ্জামান খান রিয়াজ, এস এম ফরিদ রানা, মোঃ নূর ইসলাম (রকি), শেখ লিয়াকত হোসেন, দীলিপ কুমার বর্মন, আশাফুর রহমান কাজল, শেখ জাহিদুল ইসলাম, ক্লাবের ইউজার সদস্য রীতা রানী দাস, কাজী ফজলে রাব্বী শান্ত, মিনা অছিকুর রহমান দোলন, তিতাস চক্রবর্তী, এস এম বাহাউদ্দিন, মোঃ হেলাল মোল্লা, মোঃ সোহেল রানা, মোঃ কলিন হোসেন আরজু, তুফান গাইনসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।

এর আগে মতবিনিময় সভার শুরুতে নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদারের হাতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং খুলনা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ক্রেস্ট প্রদান করেন ক্লাবের সভপতি এস এম জাহিদ হোসেন সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লা।

 ‘সরকার তৃণমূল জনগোষ্ঠির স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে’

খবর বিজ্ঞপ্তি

বিএনপি’জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জেলা শাখার সভাপতি এ্যাড. এসএম শফিকুল আলম মনা বলেছেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ইউনিয়ন কমিউনিটি কেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসক, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, ওষুধ এবং চিকিৎসা উপকরণ সংকটের কারণে গ্রামের মানুষ স্বাস্থ্য সেবা পেতে শহরমুখী। তৃণমূল জনগোষ্ঠির স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে বিনাভোটের ফ্যাসিষ্ট সরকার কখনোই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহন করেনি। ফলে মহামারী করোনা পরিস্থিতিতে এখন শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলও সমানতালে মৃত্যু ঘটছে। শহরের মানুষ ব্যক্তিগতভাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে পারলেও তৃণমূল জনগোষ্ঠি সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত হচ্ছে। সরকার খুলনার নয়টি উপজেলার ৬৮টি ইউনিয়নের ১১০৬টি গ্রামেই স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। অথচ স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দকৃত কোটি কোটি টাকা লুটপাটের খবর মিডিয়াতে প্রকাশিত হচ্ছে। যদিও ফ্যাসিষ্ট নিপীড়নে গণমাধ্যম বাস্তবচিত্রও প্রকাশ করতে পারছে না।

সারাদেশের করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রদত্ত ওষুধ সহায়তা প্রদান করলেন এসব কথা বলেছেন তিনি। বুধবার (০৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় ফুলতলা পাইকগাছা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছে করোনা চিকিৎসায় ওষুধ ভাইরাস প্রতিরোধক সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান করেছেন খুলনা জেলা বিএনপি’সভাপতি এ্যাড. এসএম শফিকুল আলম মনা।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মুর্শিদুর রহমান লিটন, ফুলতলা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ সেলিম সরদার, শেখ আঃ ছালাম, তানভীরুল আজম রুম্মান, সামসুল বারিক পান্না, মোঃ শফিকুল ইসলাম, ফকির রবিউল ইসলাম, মোঃ জামাল মোঃ বাচ্চু প্রমুখ।

অপরদিকে, পাইকগাছা উপজেলা বিএনপির পক্ষে ওষুধ স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী গ্রহন করেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য মোঃ কোহিনুর ইসলাম।

এরআগে, গত মঙ্গলবার বিকেলে দাকোপ উপজেলা বিএনপির পক্ষে চালনা পৌরসভা বিএনপি’সদস্য সচিব শেখ মোজাফ্ফর হোসেন, কয়রা উপজেলা বিএনপি’আহবায়ক এ্যাড. মোমরেজুল ইসলাম, তেরখাদা বিএনপি’পক্ষে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রবিউল হোসেন ওষুধ সামগ্রী গ্রহন করেন।

দেশের যেকোন সংকটে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকেন : খুবি উপাচার্য

খবর বিজ্ঞপ্তি

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের অক্সিজেন সংকটকালে সহায়তার জন্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের অনুদানে ক্রয়কৃত ১৫টি অক্সিজেন সিলিন্ডার শিক্ষক সমিতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে। বুধবার (আগস্ট) সকাল ১১টায় শহিদ বুদ্ধিজীবী ডা. আলীম চৌধুরী চিকিৎসা কেন্দ্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ ওয়ালিউল হাসানাত এর সভাপতিত্বে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সিলিন্ডারগুলো হস্তান্তর করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা এই সিলিন্ডারগুলো গ্রহণ করেন। পরে সিলিন্ডারগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে হস্তান্তর করা হয়।

অক্সিজেন সিলিন্ডার হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, করোনা মহামারী মোকাবেলাই এখন জাতির সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন, সবাইকে সচেতন হওয়া এবং সংকটে সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তায় এগিয়ে আসতে হবে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ ১৯৯৯ সালে শিক্ষক সমিতি চালু হওয়ার পর থেকে দেশের সকল সংকটকালে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবিধা-অসুবিধায় পাশে দাঁড়িয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে দেশের যেকোন সংকটে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে দেশে ফেরার পর দেশ গঠনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মতামত, পরামর্শ গ্রহণ করেছিলেন এবং তাদেরকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছিলেন। এমনকি ১৯৭৩ সালের পর দেশে যখন বিভিন্ন সেক্টরে দুর্নীতি লক্ষণীয় হয়ে ওঠে তখনও বঙ্গবন্ধু এই সংকট নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের পরামর্শ গ্রহণ করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ন্যায়, সততা কর্তব্যনিষ্ঠার ব্যাপারে আস্থাশীল ছিলেন। বর্তমান করোনা মহামারীকালে অক্সিজেন সংকট মোকাবেলার মহতী কাজে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ যেভাবে এগিয়ে এসেছেন এজন্য তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এই অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রাপ্তির ফলে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রের অক্সিজেন প্রদানের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেল এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের ঝুঁকি মোকাবেলা সহজ হলো।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা। তিনি এই মহতী উদ্যোগে এগিয়ে আসার জন্য শিক্ষক সমিতির মাধ্যমে শিক্ষকবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. তানজিল সওগাত। সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা করেন চিফ মেডিকেল অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ডা. কানিজ ফাহমিদা।

এর আগে সকাল ১০টায় শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে রোটার‌্যাক্ট ক্লাব অব খুলনা ইউনিভার্সিটি স্বেচ্ছায় রক্তদান সংগঠন বাঁধন এর প্রতিনিধিদের কাছেও পৃথকভাবে ২টি করে অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান করা হয়। রোটার‌্যাক্ট ক্লাবের পক্ষে সহ-সভাপতি মোঃ তানভীর আহমদ সাধারণ সম্পাদক মেহরাব হোসেন এবং বাঁধন এর পক্ষে সহ-সভাপতি ডানা শিকদার সদস্য শেখ মাকসুদুল ইসলাম সিলিন্ডারগুলো গ্রহণ করেন। এসময় চিকিৎসা কেন্দ্রের অন্যান্য চিকিৎসক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নাগরিকের দুর্ভোগে সরকারকে অবশ্যই মানবিক আচরণ করতে হবে: সাবেক মেয়র মনি

খবর বিজ্ঞপ্তি।।

খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, সাবেক সিটি মেয়র, বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি বলেছেন, নাগরিকের দুর্ভোগে সরকারকে অবশ্যই মানবিক আচরণ করতে হবে। সরকারের একের পর এক ভুল সিদ্ধান্তের কারণে করোনা মোকাবিলা করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। দেশে করোনাভাইরাসে মৃত্যু, সংক্রমণ অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে। করোনা মহামারীতে দীর্ঘ হচ্ছে লাশের মিছিল। করোনা রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনকহারে বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছে আইসিইউর চাহিদা। সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে একই চিত্র। কোথাও নেই আইসিইউ বেড। একটি আইসিইউ বেডের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। করুণ বাস্তবতা হচ্ছে একজন রোগীর মৃত্যু পর কেবল আইসিইউ বেড পাচ্ছে অপেক্ষারত অসংখ্য রোগীদের কেউ একজন।

বুধবার (আগস্ট) দুপুর পৌনে ২টায় নগরীর ৩০নং ওয়ার্ডের গেদনপাড়া এলাকায় লকডাউনে ক্ষুধার্ত সাড়ে ৩শ’ মানুষের মাঝে মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে রান্না খাবার বিতরণকালে তিনি কথা বলেন। সাবেক মেয়র আরো বলেন, গণটিকা দেয়ার ক্ষেত্রে সরকারকে আরো বেশি আন্তরিক হতে হবে। খুলনা সিটি কর্পোরেশনে প্রায় ১৫ লাখ মানুষের বসবাস এখানে টিকা কেন্দ্র বৃদ্ধি করতে হবে। প্রয়োজনে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ভোট কেন্দ্রকে গণটিকা কেন্দ্র করতে হবে। নিজ নিজ ভোট কেন্দ্র থেকে মানুষ টিকা গ্রহন সহজ হবে। অন্যথায় অতীতের মত আবারো হযবরল অবস্থা দেখা দিবে।

খাবার বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, আরিফুজ্জামান অপু, মেহেদী হাসান দিপু, চৌধুরি হাসানুর রশিদ মিরাজ, মিজানুর রহমান মিলটন, তৌহিদুল ইসলাম খোকন, নুরুল হুদা খান বাবু, ফিরোজ আহমেদ, এবাদুল ইসলাম, সেলিম বড়মিয়া, সাজ্জাদ হোসেন জিতু, রবিউল ইসলাম রবি, আবু তালেব, তুহিন ইসলাম, মাসুদ রুমী, কাজী সেলিম, মোজাম্মেল হোসেন, জিল্লুর রহমান, এস এম মনির, বাহার প্রমূখ।

খুলনা জেলায় করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছেন ছয় হাজার নয়শত ছয় জন

তথ্য বিবরনী

খুলনা জেলায় বুধবার( আগস্ট) ছয় হাজার নয়শত ছয় জন করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। যার মধ্যে পুরুষ তিন হাজার সাতশত ১২ এবং মহিলা তিন হাজার একশত ৯৪ জন। পর্যন্ত এক লাখ এক হাজার আটশত ৮৭ জন করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন।

খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় তিন হাজার আটশত ৩০ জন এবং নয়টি উপজেলায় মোট তিন হাজার ৭৬ জন করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন। উপজেলাগুলোর মধ্যে দাকোপে একশত ৫৯ জন, বটিয়াঘাটা দুইশত ৯২ জন, দিঘলিয়ায় তিনশত ৫৮ জন, ডুমুরিয়ায় পাঁচশত জন, ফুলতলায় চারশত ১২ জন, কয়রায় দুইশত ৬৫ জন, পাইকগাছায় চারশত ৪৪ জন, রূপসায় দুইশত ২৬ জন এবং তেরখাদায় চারশত ২০ জন টিকা গ্রহণ করেছেন। এছাড়া বুধবার খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একশত আট জন এবং সদর হাসপাতালে দুইশত ২৯ জন করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেন। খুলনা সিভিল সার্জন দপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসকল তথ্য জানানো হয়েছে।

খুলনা বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা বিতরণ

তথ্য বিবরনী

খুলনা বিভাগের মাগুরা জেলাসহ বিভিন্ন জেলায় কঠোর লকডাউনে করোনায় কর্মহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা বিতরণ করা হয়। মাগুরা জেলা ত্রাণ পুনর্বাসন দপ্তরের উদ্যোগে বুধবার একশত উপকারভোগীর মাঝে একশত প্যাকেট শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়। কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ (বুধবার) দুইশত উপকারভোগীর মাঝে এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং দুইশত ৫০ উপকারভোগী পরিবারের মাঝে ত্রাণ হিসেবে দশমিক মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়। এছাড়া ৩৩৩ কল এর মাধ্যমে ১৫ পরিবারকে খাদ্যসহায়তা প্রদান করা হয়েছে। খুলনা বিভাগের অন্যান্য জেলাগুলোতে অনুরূপ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

খুলনায় এক দিনে ৩৫ জনের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। তবে কমেছে শনাক্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৭৪৫ জন। এর আগে মঙ্গলবার বিভাগে ৩১ জনের মৃত্যু এবং ৯৪৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়।

বুধবার দুপুরে খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তথ্য নিশ্চিত করে। স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনায়। বাকিদের মধ্যে যশোরে জন, কুষ্টিয়ায় চুয়াডাঙ্গায় জন করে, মাগুরা মেহেরপুরে জন করে এবং ঝিনাইদহে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছেন ৯৬ হাজার ৮৭৬ জন। আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে হাজার ২৫২০ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ৭৩ হাজার ৯৬২ জন।

খুলনা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে একজন, গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল জনের মৃত্যু হয়েছে। ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৬৬২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১০৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৫ শতাংশ।

করোনা রোগীর সবকিছু আলাদা করে দেওয়ায় ‘আত্মহত্যা’

যশোর অফিস

যশোরে খাবারের জিনিসপত্র ঘর আলাদা করে দেওয়ায় হাবিবুর রহমান (৪৮) নামে এক করোনা আক্রান্ত রোগী আত্মহত্যা করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার গভীর রাতে সদর উপজেলার খোলাডাঙ্গা গ্রামের নিজ বাড়িতে গলায় দড়ি দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। নিহত হাবিবুর ওই গ্রামের হাজি জাবেদ আলীর ছেলে। অপরদিকে বুধবার সকালে যশোর শহরের পূর্ব বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়া বাঁশতলা এলাকার একটি বাসা থেকে হাফিজুর রহমান (৫৫) নামে এক ভিক্ষুকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার বাড়ি মণিরামপুর উপজেলার হানুয়ার গ্রামে। সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহারুল ইসলাম বলেন, হাবিবুর রহমান গত ৩১ জুলাই করোনা পজিটিভ হয়ে বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তার খাবারের জিনিসপত্র ঘর আলাদা করে দেওয়ায় তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে পরিবার থেকে জানতে পেরেছি। মৃত হাবিবুর রহমানের ভাই জিয়াউর রহমান জানান, তার বড়ভাই গত ৩১ জুলাই করোনা পজিটিভ হয়ে বাড়িতে ছিলেন। ভোরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবদুর রশিদ জানান, হাবিবুর রহমান মঙ্গলবার রাত ৪টার দিকে মারা গেছেন। তিনি ছিলেন করোনা পজিটিভ। তার গলায় দড়ির দাগ রয়েছে।

কোতোয়ালি থানার ওসি মো. তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, করোনা আক্রান্ত হাবিবুর গলায় দড়ি দিয়ে আতœহত্যা করেছেন। তার লাশ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে যশোরে হাফিজুর রহমান (৫৫) নামে এক ভিক্ষুকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে শহরের পূর্ব বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়া বাঁশতলা এলাকার একটি বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

সদর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শরিফুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, আশপাশের লোকজনের সাহায্য নিয়ে চিকিৎসার চেষ্টা করতেন। বুধবার সকালে তার ঘরের দরজা বন্ধ দেখে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। ডাকাডাকি করে সাড়াশব্দ না পেয়ে তারা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে দেখতে পান ভিক্ষুক হাফিজুর রহমান গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। পরে তারা লাশ উদ্ধার করেন।

মণিরামপুর উপজেলার হানুয়ার গ্রামের বাসিন্দা হাফিজুর রহমান যশোর শহরের পূর্ব বারান্দীপাড়া বাঁশতলা এলাকার জনৈক নুর ইসলামের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ। শারীরিক যন্ত্রণা সহ্য করতে পারছিলেন না। ওষুধ কেনার সক্ষমতাও ছিল না।

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত গরু খামারীদের মাঝে গো খাদ্য বিতরণ

মোংলা রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

ঘূর্নিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত গরু খামারিদের মাঝে গো খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার পেড়িখালী ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত ২৬ জন খামারীকে জনপ্রতি ১৫ কেজি খৈল, ১৫ কেজি ফিড ১৫ কেজি ভুসি দেয়া হয়েছে। গো খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনে আরা মিলি। আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ট্যাগ অফিসার ভাগীরথী বিশ্বাস।

এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার বাঁশতলী ইউনিয়ন পরিষদে গো খাদ্য বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কবীর হোসেন। মঙ্গলবার প্রথম দিনে ওই ইউনিয়নের ৩০ জনের মাঝে গো খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। সময় উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল হক লিপন বাঁশতলী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মোহাম্মদ আলী।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কবীর হোসেন বলেন, ঘূর্নিঝড় ইয়াসের প্রভাবে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকার গরু খামারীদের গো খাদ্যের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। সেই ক্ষয়ক্ষতির বিবেচনায় গরু খামারীদের সহায়তায় সহায়তা দেয়া হচ্ছে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত ৪শ গরু খামারীদের চিহ্নিত করে সহায়তা দেয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া সহায়তা পর্যায়ক্রমেবাছাইকৃতদের মাঝে বিতরণ করা হবে।

চাঁদখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতির মৃত্যুতে এমপি বাবু’শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ইয়াসিন আরাফাত (২৫) বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে বুধবার (আগস্ট) বিকাল সাড়ে টার দিকে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু। এক শোক বিবৃতিতে তিনি শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা এবং বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

শরণখোলায় জলাবদ্ধতা নিরসনে কাটা হচ্ছে বাঁধ

শরণখোলা প্রতিনিধি

জোয়ার, জলোচ্ছ্বাসের পানি থেকে রক্ষায় টেকসই বাঁধের দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। ২০১৬ সালে বাগেরহাটের উপকূলীয় উপজেলা শরণখোলায় শুরু হয় সেই বহুপ্রতীক্ষিত বাঁধের কাজ। প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্পের (সিআইপি-১) আওতায় নির্মাণাধীন বেড়িবাঁধের কাজ প্রায় শেষের পথে। কিন্তু সেই বাঁধের কারণেই সেখানকার প্রায় ২০ হাজার মানুষ এখন পানিবন্দী। পানি সরাতে কাটা হচ্ছে সেই প্রতীক্ষিত বাঁধ। জলমগ্ন এলাকার পানি অপসারণে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে শরণখোলা উপজেলার রাজৈর গ্রামের কালিয়ার খাল এলাকায় এক্সকাভেটর দিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বাঁধ কাটার কাজ শুরু হয়েছে। পানিবন্দী মানুষ এর আগে রোববার রাতে উপজেলার পশ্চিম রাজাপুর গ্রামের বটতলা পয়েন্টে বাঁধ কেটে দিয়েছিলেন।

গত ২৭ জুলাই থেকে ভারী বৃষ্টিপাতে শরণখোলার প্রায় ৩৫টি গ্রাম পানিবন্দী হয়ে পড়ে। এতে ভেসে যায় হাজার ৫০০ মাছের ঘের পুকুর। পানিতে তলিয়ে যায় ৭৩০ হেক্টর আমন ধানের বীজতলা।

এদিকে পাউবোর সঙ্গে আলোচনা করে গতকাল উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পানি সরাতে বাঁধ কাটার কাজ শুরু হয়। এতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পানিবন্দী এলাকার মানুষ।

স্থানীয় রাজৈর গ্রামের জাকির হোসেন বলেন, ‘বেড়িবাঁধ আমাদের খুবই দরকার। কিন্তু বেড়িবাঁধে প্রয়োজনীয় স্লুইসগেটের অভাবে ঠিকমতো পানি নামতে না পারায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। আজ সাত দিন হলো আমরা পানিবন্দী।’

২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডরের জলোচ্ছ্বাসে ওই এলাকার মোস্তাফা শেখ তাঁর মা–বাবা, ভাইসহ পরিবারের ছয় সদস্যকে হারিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘উঁচু বাঁধ থাকলে হয়তো সেদিন পানির তোড়ে আমাগো পরিবারটা শ্যাষ হয়ে যাইত না। এখন বাঁধ হইল, কিন্তু এবার বাঁধের মদ্দিই আমরা পানিতে চুবানি খাইয়ে মরতিছি।’

বাঁধ কেটে পানি অপসারণ শুরু হওয়াতে খুশি স্থানীয় এসব বাসিন্দা। তবে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান চান তাঁরা। জন্য সঠিক পরিকল্পনা করে পর্যাপ্ত জলকপাট (স্লুইসগেট) নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তাঁদের।

স্থানীয় ব্যক্তিরা বলেন, ৬২ কিলোমিটার বাঁধের বিভিন্ন স্থানে খালের মুখে অন্তত ৫০টি জলকপাট প্রয়োজন ছিল, কিন্তু নির্মাণ করা হয়েছে মাত্র ৩১টি। কারণে পানি নামতে না পেরে অবস্থা তৈরি হয়েছে।

শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাতুনে জান্নাত বলেন, ‘জলাবদ্ধতায় ফসলের মাঠসহ এলাকাবাসীর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাউবোর বেড়িবাঁধে পর্যাপ্ত স্লুইসগেট না থাকায় বৃষ্টির পানি ঠিকমতো নামতে পারছিল না।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সিইআইপি-১–এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে বাঁধ কেটে পানি অপসারণের ব্যবস্থা করেছি। বাঁধে প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্লুইসগেট নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।’

সিইআইপি-খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল আলম বলেন, জরুরি ভিত্তিতে শরণখোলা উপজেলার জলাবদ্ধতা নিরসনে চারটি ইউনিয়নের নয়টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে পাইপ বসিয়ে দ্রুত পানি নামার ব্যবস্থা করা হবে। ছাড়া জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানের জন্য ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খুলনা বিভাগে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা আড়াই হাজার ছাড়াল

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৩৫ জন মারা গেছেন। নিয়ে বিভাগে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা আড়াই হাজার ছাড়াল। এই সময়ে আরটি-পিসিআর, জিন এক্সপার্ট র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন এই তিন প্রক্রিয়ায় হাজার ৩৭৮টি নমুনা পরীক্ষা করে মোট ৭৪৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ২২ দশমিক শূন্য শতাংশ। এই সময়ে সুস্থ হয়েছেন হাজার ৯০ জন। বুধবার খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন সূত্রে তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার করোনায় ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। করোনা শনাক্ত হয়েছিল ৯০৬ জনের। গতকালের চেয়ে ৫৩৪টি নমুনা কম পরীক্ষা হয়েছে। আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ছিল ২৪ দশমিক ১৮ শতাংশ। আজ শনাক্ত রোগী শনাক্তের হার দুটোই কমেছে। তবে সময় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। করোনায় মারা যাওয়া সর্বশেষ ব্যক্তিদের মধ্যে খুলনায় জন, যশোরে জন, কুষ্টিয়ায় চুয়াডাঙ্গায় জন করে, মাগুরা মেহেরপুরে জন করে এবং ঝিনাইদহে জন রয়েছেন। নিয়ে বিভাগে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে হাজার ৫২০। মৃত্যুর হার দশমিক ৬০ শতাংশ। বিভাগে মোট মৃত্যুর মধ্যে সর্বোচ্চ ৬৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা জেলায়। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মারা গেছেন কুষ্টিয়ায় ৫৮৯ জন। ছাড়া যশোরে মারা গেছেন ৩৬৮ জন, ঝিনাইদহে ২১৪ জন, চুয়াডাঙ্গায় ১৭১ জন, মেহেরপুরে ১৪৬ জন, বাগেরহাটে ১২৭ জন, নড়াইলে ৯৪ জন, সাতক্ষীরায় ৮৫ জন এবং মাগুরায় ৭৩ জন মারা গেছেন।

করোনায় মারা যাওয়া সর্বশেষ ব্যক্তিদের মধ্যে খুলনায় জন, যশোরে জন, কুষ্টিয়ায় চুয়াডাঙ্গায় জন করে, মাগুরা মেহেরপুরে জন করে এবং ঝিনাইদহে জন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিভাগে নতুন শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৫০ জন যশোরের। ছাড়া ঝিনাইদহে ৭৭ জন, খুলনায় ১০৩ জন, কুষ্টিয়ায় ১৪৩ জন, চুয়াডাঙ্গায় ৪০ জন, সাতক্ষীরায় ৪৪ জন, বাগেরহাটে ৪৭ জন, মাগুরায় ৫৯ জন, মেহেরপুরে ৪৩ জন এবং নড়াইলে ৩৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নিয়ে বিভাগে করোনায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৬ হাজার ৮৭৬।

শনাক্ত বিবেচনায় জেলাগুলোর মধ্যে শীর্ষে আছে খুলনা। জেলায় এখন পর্যন্ত ২৪ হাজার ৩৬৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ছাড়া যশোরে শনাক্ত ১৯ হাজার ২৯৭ জন, কুষ্টিয়ায় ১৫ হাজার ২৭১ জন, বাগেরহাটে হাজার ২৪২ জন, চুয়াডাঙ্গায় হাজার ১৬৯ জন, ঝিনাইদহে হাজার জন, সাতক্ষীরায় হাজার ৮৬১ জন, নড়াইলে হাজার ৩০৫ জন, মেহেরপুরে হাজার ৪৪ জন এবং মাগুরায় হাজার ৩১০ জন শনাক্ত হয়েছেন।

বিভাগে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৭৩ হাজার ৯৬২ জন। সুস্থতার হার ৭৬ দশমিক ৩৫। বিভাগে বর্তমানে বাসা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন করোনা রোগী রয়েছেন ২০ হাজার ৩৯৪ জন। তাঁদের মধ্যে হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন হাজার ৩০৪ জন। অন্যরা বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

খুলনায় হাসপাতালে জনের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা মহানগরে অবস্থিত ২টি বেসরকারিসহ ৫টি করোনা হাসপাতালের মধ্যে ৩টিতে করোনা রোগী মারা গেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে বুধবার সকাল আটটা পর্যন্ত) হাসপাতালগুলোয় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁরা মারা যান। অন্য দুটি হাসপাতালে ওই সময়ের মধ্যে কোনো করোনা রোগীর মৃত্যু হয়নি। এটা নিয়ে টানা ছয় দিন খুলনায় করোনা রোগীর মৃত্যুর সংখ্যা দুই অঙ্কের নিচে থাকল। আগের ২৪ ঘণ্টায় ওই হাসপাতালগুলোয় জনের মৃত্যু হয়েছিল।

যে করোনা রোগী মারা গেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নারী। এর মধ্যে ৩০ বছর ৪৬ বছর বয়সের জন আছেন। ছাড়া মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে জনের বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। ৬০ থেকে ৮০ বছর বয়সের মধ্যে জন এবং ৮০ থেকে ৯০ বছর বয়সের মধ্যে আছেন জন।

হাসপাতালগুলোর দৈনিক প্রতিবেদন থেকে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিচতলায় অবস্থিত ২০০ শয্যার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। ছাড়া বেসরকারি গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন বেসরকারি সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন মারা গেছেন। ওই সময়ের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট খুলনা সদর (জেনারেল) হাসপাতাল শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোয়ও কেউ মারা যাননি।

খুলনা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, খুলনার তিনটি হাসপাতালে যে করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে জন খুলনা জেলার। বাকিরা অন্য জেলা থেকে খুলনায় চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনায় ৬৬২টি নমুনা পরীক্ষা করে ১০৩টি নমুনায় করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। শনাক্তের ওই হার মাত্র ১৫। এর আগের দিন শনাক্ত ছিল ১৭ শতাংশ।

হাসপাতালগুলোয় রোগী ভর্তির তথ্য থেকে দেখা গেছে, সকাল পর্যন্ত ২০০ শয্যার ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে রোগী ভর্তি আছেন ১১২ জন। এর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত রোগী আছেন ৩৯ জন করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রোগী আছেন ৪০ জন। ছাড়া ওই হাসপাতালে থাকা ২০টি এইচডিইউতে রোগী ভর্তি আছেন ১৩ জন। আর ২০টি আইসিইউ শয্যার সব কটিতেই রোগী আছেন।

এদিকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট খুলনা সদর (জেনারেল) হাসপাতালে বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত রোগী ভর্তি আছেন ৩৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ওই হাসপাতালে নতুন করোনা রোগী ভর্তি হয়েছেন। আর ছাড়পত্র নিয়েছেন জন।

খুলনার শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে ১০টি আইসিইউসহ ৪৫টি শয্যার করোনা ইউনিটে বর্তমানে রোগী ভর্তি আছেন ৩৮ জন। তবে কোনো আইসিইউ শয্যা খালি নেই। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে করোনা রোগী ভর্তি হয়েছেন। ছাড়া ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি গেছেন জন।

বেসরকারি গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় প্রস্তুত করা হয়েছিল ১৫০টি শয্যা। বর্তমানে সেখানে ৫৭ রোগী ভর্তি আছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে রোগী ভর্তি হয়েছেন ছাড়পত্র নিয়েছেন জন। খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আছে ৯০টি শয্যা। বর্তমানে সেখানে ৬৫ রোগী ভর্তি আছেন। ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ১২ জন ভর্তি জন ছাড়পত্র নিয়েছেন।

করোনায় ঝরে গেছে ইবির প্রাণ, আক্রান্ত ৪৫ শিক্ষক

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) পরিবারের ছয়টি প্রাণ ঝরে গেছে। এরমধ্যে তিন শিক্ষক, এক কর্মকর্তা, এক শিক্ষার্থী এক গাড়িচালক রয়েছেন। এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৪৫ জন শিক্ষক।

সর্বশেষ গত ২৬ জুলাই দিবাগত রাত ১টার দিকে ঢাকার কল্যাণপুর ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আক্রাম হোসাইন মজুমদার। তিনি গত ১৫ জুলাই সপরিবারে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সেখানে ভর্তি হন। পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে ২৫ জুলাই সকালে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। ওইদিন রাত ১টার দিকে তিনি মারা যান। বর্তমানে তার স্ত্রী সন্তানরা সুস্থ আছেন। তবে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুবরণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক সাইদুর রহমান। চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি ভোরে রাজধানীর কল্যাণপুরে ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

গত মে দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ আহসান উল্লাহও করোনায় মারা যান। ওইদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী শিব্বির আহমেদ। তিনি বিভাগের মাস্টার্স ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত জুলাই ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। কর্মকর্তাদের মধ্যে মারা যান জামিনুর রহমান দুদু। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদ্দাম হোসেন হলের সহকারী রেজিস্ট্রার ছিলেন। গত ২৯ জুন মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

গত জুলাই ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন অফিসের চালক গোলাম সরওয়ার।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, অধ্যাপক রাকিবা ইয়াসমিন, অধ্যাপক মোহাম্মাদ সোলায়মান, অধ্যাপক নাসিম বানু, অধ্যাপক রেজওয়ানুল ইসলাম (সপরিবারে), অধ্যাপক মাহবুবর রহমান, অধ্যাপক তপন কুমার জোদ্দার (সস্ত্রীক), অধ্যাপক রুহুল কে এম সালেহ, অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক মিজানুর রহমান (সস্ত্রীক), অধ্যাপক রেবা ম-ল, অধ্যাপক নুরুন নাহার, অধ্যাপক নিলুফা আক্তার বানুসহ (সপরিবারে) বিশ্ববিদ্যালয়েরা ৪৫ জন শিক্ষক করোনায় আক্রান্ত চিকিৎসাধীন। এছাড়া ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন আইন বিভাগের অধ্যাপক শাহজাহান ম-ল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশসহ সারা পৃথিবী এক ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ও এর ব্যতিক্রম নয়। করোনাকালে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ছয়জনকে হারিয়েছি। যার ক্ষতি অপূরণীয়। তাদের চলে যাওয়াতে আমরা ব্যথিত।

চুয়াডাঙ্গায় স্বামীর নির্যাতনে স্ত্রীর মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গায় স্বামীর নির্যাতনে স্ত্রী নাজমা খাতুনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (আগস্ট) মধ্যরাতে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নাজমা খাতুনের মৃত্যুর ঘটনা প্রথমে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হলেও বুধবার (আগস্ট) দুপুরে পুলিশের জেরায় বিষয়টি স্বীকার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে পুলিশ ঘাতক স্বামীকে আটক করে। নিহত নাজমা খাতুন (৩২) চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার হাজরাহাটি গ্রামের হাজি পাড়ার শিপন আলীর স্ত্রী। স্থানীয়রা জানায়, পারিবারিক বিষয়ে গত কয়েকদিন আগে শিপন আলী তার স্ত্রী নাজমা খাতুনকে বেধড়ক মারপিট করলে সে গুরুতর আহত হয়। পরে বাড়িতেই তার চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। তবে অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার (আগস্ট) রাত ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে রাত ২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

এদিকে নাজমা খাতুনের স্বামীর বাড়ির লোকজন বিষয়টি গোপন রেখে মরদেহ বাড়িতে নেয়ার চেষ্টা করে। তবে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত নাজমা খাতুনের শরীরে মারধরের আলামত দেখে বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশি জেরায় মারধরের কথা স্বীকার করে তারা।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, মঙ্গলবার রাতে উঠান থেকে পড়ে গেছে বলে নাজমা খাতুনকে হাসপাতালে ভর্তি করে স্বামী শিপন আলী। তবে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহৃ দেখে সন্দেহ হলে পুলিশকে জানানো হয়। মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান বলেন, স্বামীর নির্যাতনে স্ত্রী নাজমা খাতুনের মৃত্যু হয়েছে। প্রথমে তারা বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে। বুধবার (আগস্ট) দুপুরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিপন আলীকে আটক করা হয়। বিষয়ে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বড়শিতে উঠে এলো ১৮ কেজি ওজনের কাতল

খুলনাঞ্চল রিপোর্ট

কুড়িগ্রামে ধরলা নদীতে বড়শি ফেলে ১৮ কেজি ওজনের একটি কাতলা মাছ শিকার করেছে স্থানীয় তিন যুবক। সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের কদম তোলা এলাকায় ধরলা নদীতে যুবকরা বড়শি ফেললে ১৮ কেজি ওজনের একটি কাতল মাছ ধরা পড়ে।

বুধবার সকালে যুবকরা মাছটি নদী থেকে ডাঙ্গায় তুলে আনেন। স্থানীয়রা জানায়, ওই গ্রামের মামুনুর রশীদ, মাসুদ রানা আতিকুর শখের বসে ধরলা নদীতে বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে যান। পরে একসময় ১৮ কেজি ওজনের একটি কাতল মাছটি তাদের বড়শিতে ধরা পড়লে প্রায় ঘণ্টা চেষ্টার পর মাছটি নদী খেকে শুকনো স্থানে তুলে আনতে সক্ষম হন তারা। পরে বিশাল আকারের কাতল মাছটি স্থানীয়রা হাজার টাকা কেজি দরে ভাগ করে নেন। আতিকুর বলেন, আমরা প্রতি বছরেই বড়শি দিয়ে নদীতে মাছ ধরি। তবে জীবনে এতো বড় মাছ পাইনি। মাছটি আমাদের এলাকার লোকজন মাছটি হাজার টাকা কেজি দরে কিনে নিয়েছে।

কুড়িগ্রামের মৎস্য কর্মকর্তা কালি পদ রায় বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ধরলা নদীতে সাধারণত এতো বড় কাতলা মাছ পাওয়া যায় না। তবে জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা ব্রহ্মপুত্র নদে এর চেয়েও বড় মাছ ধরা পড়েছে।

গিলাতলায় দির্ঘদিন ধরে গৃহবধুকে শারীরিক মানসিক নির্যাতন থানায় অভিযোগ

ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি

থানায় দায়ের করা অভিযোগ নির্যাতনের শিকার  নারী ইভা বিশ^াসের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আটরা গিলাতলা ইউনিয়নের নং ওয়ার্ডের গিলাতলা দক্ষিনপাড়া (বালিরঘাট) এলাকার মৃত আমজাদ বিশ^াস এর পুত্র বর্তমানে ৫৯ ব্যাটালিয়ন চাপাইনবাবগনঞ্জ বিজিবিতে কর্মরত মোঃ আহাদ বিশ^াস (৩৮) এর সাথে ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ হয় বিয়ের কিছুদিন পর থেকে যৌতুকের জন্য নববধূকে চাপ দিতে থাকেন স্বামী তাঁর পরিবারের লোকজন। যৌতুক দিতে অস্বীকৃতি জানালে স্বামী আহাদ বিশ^াস, শাশুড়ি রোকেয়া বেগম , ননোদ আসমা বেগম প্রায়ই গৃহবধু ইভাকে মারধর করেন। গৃহবধু ইভা দুই কন্যা সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে শাশুড়ি ননোদের অত্যাচার সহ্য করতে থাকে গত ১৬ জুন গৃহবধু ইভার স্বামি আহাদ বিশ^াস ছুটিতে বাড়িতে আসে সময় শাশুড়ি ননোদের উস্কানিতে এলোপাতাড়ি মারপিট করে ইভাকে , প্রতিবেশি শিরিনা বেগম জানান বিয়ের পর থেকে ইভার উপর শারিরিক মানসিক নির্যাতন  করে আসছে ।  আর এক প্রতিবেশি তাসলিমা বলেন মেয়েটি শুধুমাত্র টি শিশু সন্তানের কথা ভেবে নিরবে অত্যাচার মেনে নিয়ে সংসার করে যাচ্ছে, তার উপর কিছুদিন পর পর বিনা কারনে শাশুড়ি ননোদ নির্যাতন করে যা এলাকার  ছোট বড় সকলেই জানে অত্যাচারের পরিমান বেড়ে যাওযায় গত ২৯ জুলাই গৃহবধু ইভা বিশ^াস খানজাহান আলী থানায় স্বামি , শাশুড়ি , ননোদ ননোদের ছেলে মোঃ আবদুল্লাহ বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন খানজাহান আলী থানার ওসি প্রবীর কুমার বিশ^াস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন ব্যাপারে ইভা বিশ^াস থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনিয় ব্যাবস্থ্যা গ্রহন করা হবে নির্যাতনের স্বীকার ইভা বিশ^াস বলেন  ‘বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই স্বামী আহাদ বিশ^াস তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মারধর করেন।  শাশুড়ি , ননোদ এর উস্কানিতে ঘটনা ঘটছে আমার  আতিকা বিশ^াস (৮) অনিকা বিশ^াস (৩) নামে টি কন্য সন্তান আছে। সন্তানের কথা চিন্তা করে অনেক নির্যাতন সহ্য করেছি। অজানা সংকয় নিয়ে   ছোট  মেয়েদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সংসার করে যাচ্ছি আমার শুধু এটুকুই চাওয়া মেয়ে টির ভবিষ্যত তাদের নিয়ে আমার চিন্তা বেশি স্থানিয়রা জানান গৃহবধু ইভার উপরে অনেক আগে থেকে তার শাশুড়ি ননোদ অত্যাচার করে আসছে , আর স্বামী চাকুরী থেকে ছুটিতে বাড়িতে আসলে শাশুড়ি ও  ননোদের উস্কানিতে অত্যাচারের পরিমান আরো বেড়ে যায়

 বটিয়াঘাটা উপজেলা  প্রশাসনের প্রস্তূতি সভা

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি

বটিয়াঘাটা উপজেলা  প্রশাসনের উদ্যোগে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদত বার্ষিকীতে “জাতীয় শোক দিবস-২০২১” উদযাপন উপলক্ষ্যে এক প্রস্তূতি মূলক সভা গতকাল বুধবার বিকাল টায় স্থানীয় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আশরাফুল আলম খান বিশেষ অতিথি ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যানদ্বয়  নিতাই গাইন চঞ্চলা মন্ডল, থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শাহ্ জালাল অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ অমিতেষ দাস,আরএমও ডাঃ অভিজিৎ মল্লিক, প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বঙ্কিম কুমার হালদার, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ রবিউল ইসলাম, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল মামুন, প্রকৌশলী প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী, সমাজ সেবা কর্মকর্তা অমিত সমাদর, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নারায়ন চন্দ্র মন্ডল, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ এমদাদুল হক,যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ মোনায়েম খান, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জিএম আলমগীর কবির, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাসি রাণী রায়, বীরমুক্তিযোদ্ধা বিনয় কৃষ্ণ সরকার,উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, চেয়ারম্যান যথাক্রমে মনোরঞ্জন মন্ডল, আলহাজ্ব আশিকুজ্জামান আশিক, শেখ হাদি উজ-জ্জামান হাদী, গোলাম হাসান, জিএম মিলন গোলদার, প্রধান শিক্ষক যথাক্রমে তপন কুমার বিশ্বাস,অন্নদা শংকর রায়, সন্তোষ কুমার মন্ডল প্রমূখ

বটিয়াঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আয়োজনে সেমিনার

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি

দেশব্যাপী  করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গণ-টিকা কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে  গতকাল বুধবার বেলা ১১ টায় বটিয়াঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আয়োজনে স্থানীয় সেমিনার কক্ষে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মিজানুর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আব্দুল হাই সিদ্দিকী। উপস্থিত ছিলেন  বটিয়াঘাটা থানার ওসি মোহাম্মাদ শাহ্ জালাল, লবনচরা থানার ওসি সমীর কুমার সাধু, হরিনটানা থানার ওসি (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম,আরএমও ডাঃ অভিজিৎ মল্লিক, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ, ইউপি চেয়ারম্যান  যথাক্রমে মনোরঞ্জন মন্ডল,শেখ হাদীউজ্জামান হাদী, আশিকুজ্জামান আশিক, গোলাম হাসান, ইসমাইল হোসেন বাবু মিলন গোলদার  সহ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা স্টাফবৃন্দ। সভায় আগামী ৭, ১০ আগষ্ট উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের প্রতিটি ইউনিয়নের ১২ নং ওয়ার্ডে প্রতিদিন ২০০ জন করে ইউনিয়ন ওয়ারী সর্বমোট ৬০০ জনকে আগে আসলে আগে পাওয়ার ভিত্তিতে টিকা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বেনাপোলে দুস্থ: অসহায় মানুষের পাশে দাড়াতে বিএনপির করোনা হেল্পলাইনের উদ্বোধন

বেনাপোল প্রতিনিধি                           

বেনাপোলে  বিএনপির করোনা হেল্পলাইনের উদ্ধোধন করা হয়েছে স্থাণীয় বিএনপি অফিসে। বুধবার দুপুরে করোনা হেল্পলাইনের উদ্ধোধন করেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খাইরুজ্জামান মধু। দুস্থ অসহায় মানুষের পাশে দাড়াতে হেল্পলাইনে করোনায় আক্রান্তদের বিনা পয়সায় অক্সিজেন সাপ্লাই, মাস্ক হ্যান্ড সেনিটাইজার সরবরাহ  করার জন্য এটি খোলা থাকছে সার্বক্ষনিক। সহযোগীতা করেন যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা নুরুজ্জামান লিটন। উদ্বোধন শেষে সমাবেশে সভাপত্বি করেন গাজীপুর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মতিয়ার রহমান বাবু। বক্তব্য রাখেন,বিশেষ অতিথি শার্শা উপজেলা বিএনপির যুগ্নসাধারন সম্পাদক মাসুদুর রহমান মিলন বেনাপোল পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক শাহাবউদ্দিন। বিএনপি নেতা আ: মালেক, সাহেব আলী, মফিজুর রহমান বাবু, ইদ্রিসআলী ইদু, সবুর হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কনি, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মোসতাফিজ্জোহা সেলিম, আক্তার হোসেন, ছাত্র নেতা সালাহউদ্দিন, সরোয়ার হোসেন, আমিরুল ইসলাম, সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মনি, রাহানুজ্জামান দিপুু,  মাকসুদুর রহমান রিন্টু।

৯৬ হেক্টর আমনের বীজতলা সম্পূর্ণ নষ্ট দাকোপে হাজারো কৃষকের মাঝে হতাশা

জাহিদুর রহমান সোহাগ দাকোপ

কয়েক দিনের অতি বৃষ্টিতে খুলনার উপকূলীয় দাকোপে বিভিন্ন এলাকায় আমনের বীজতলা পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। অধিকাংশ বীজতলা ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় হাজারো কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। অবস্থায় কৃষকরা পুনরায় বীজতলা তৈরীর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ফলে চলতি মৌসুমে আমন চাষ ব্যহত হতে পারে বলে আংশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, তিনটি পৃথক দ্বীপের সমন্বয় এবং ১টি পৌরসভা ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই উপজেলা। এখানে চলতি মৌসুমে আমনের লক্ষমাত্র ধরা হয়েছে ১৯ হাজার ৪৮০ হেক্টর জমি। এর মধ্যে স্থানীয় জাত হাজার ১২০ হেক্টর উপসি ১৫ হাজার ৩৬০ হেক্টর। জমি আবাদের জন্য হাজার ১৫ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরী করা হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি নি¤œ চাপের প্রভাবে কয়েক দিনের অতি বৃষ্টিতে অধিকাংশ বীজতলা পানিতে তলিয়ে যায়। এতে অসংখ্য কৃষকের বীজতলা ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। কৃষি অধিদপ্তর দাবি করছেন ৯৬৫ হেক্টর বীজতলা পানিতে তলিয়ে যায়। এর মধ্যে ৯৬.হেক্টর বীজতলা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে। বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সাথে আলাপকালে জানা গেছে, অঞ্চলে সাধারণত আষাঢ মাসের শুরু থেকে শ্রাবণ মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত এলাকার কৃষকরা আমনের বীজতলা তৈরী করেন। আর শ্রাবণ মাসের মাঝামাঝি থেকে ১৫ ভাদ্র পর্যন্ত আমন ধানের চারা রোপন করে থাকেন। এবারও সময় মতো বীজতলা তৈরী করেছিলেন এলাকার কৃষকরা। কিন্তু অতি বৃষ্টিতে অধিকাংশ বীজতলা তলিয়ে নষ্ট হওয়ায় ৩৬ হাজারেরও বেশি কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। পরিস্থিতে পূনরায় বীজতলা তৈরীর প্রস্তুতি নিচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্থ্য কৃষকরা। এতে তাদের খরচও বাড়বে আবার চারা রোপনে অতিরিক্ত সময়েও লাগবে। ফলে চলতি মৌসুমে আমন উৎপাদন মারাত্মক ভাবে ব্যহত হতে পারে বলে এসকল কৃষকদের মাঝে চরম হতাশা দেখা দিয়েছে। ভূক্তভোগি এসব কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভাল থাকলে ধরনের প্রাকৃতিক দূর্যোগে বীজতলার তেমন কোন ক্ষতি হতো না। তাছাড়া সরকারী খাষ খালগুলো ইজারাদার এবং কতিপয় স্বার্থনেষী ব্যক্তি প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় দখলে রেখেছে। তাঁরা নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে জলাশয়গুলোতে খন্ড খন্ড নেটপাটা এবং জাল পেতে রাখায় খালের নব্যতা কমে গেছে। যে কারণে স্লুইচ গেটগুলো দিয়ে সঠিক ভাবে পানি সরবরাহ করতে না পারায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলার ঝড়খালী এলাকার কৃষক শ্যামল রায় বলেন তিনি বিঘা জমি আবাদের জন্য বীজতলা তৈরী করেছিলেন। ধানের চারা কিছুটা বড়ও হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি নি¤œ চাপের প্রভাবে কয়েক দিনের অতি বৃষ্টিতে তাঁর বীজতলা পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। এখন তিনি পুনরায় বীজতলা তৈরীর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে পানিতে এখনো পর্যন্ত বীজতলা তলিয়ে থাকায় বিলম্ব হচ্ছে। তাছাড়া ভালো বীজ পাচ্ছেন না এবং দামও অনেক চড়া। এতে তাঁর খরচ অনেক বেড়ে যাবে। চারা রোপনে সময়ও অনেক পিছিয়ে যাবে। যে কারণে তিনি হতাশ হয়ে পড়েছেন।

গুনারী এলাকার কৃষক বরুন মন্ডল জানান, তাঁর বীজতলা ডুবে থাকার দুইদিন পর পানি নেমে গেছে। কিন্তু চারা নেতিয়ে পড়েছে এবং মারা যাচ্ছে। তাঁর আশে পাশেও একই অবস্থা। এছাড়া অনেক কৃষকের বীজতলা এখনো পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে রয়েছে বলে জানান।

এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান খান বলেন, এখনো পর্যন্ত অনেক বীজতলা পানিতে তলিয়ে রয়েছে। আবার যে সব বীজতলার চারা নেতিয়ে রয়েছে সেগুলো কৃষি অধিদপ্তরের পরামর্শ মতো পরিচর্যা করলে কিছুটা হলেও ক্ষতি কমবে। তাছাড়া উর্দ্ধতন মহলে যোগাযোগ করে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের বীজ ধান দেওয়ার জন্য।