মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
যশোরের মনিরামপুরের ঝাঁপায় সরকারি খাল দখল করে মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তি অবৈধভাবে ঘের তৈরি করছিলেন। খবর পেয়ে সোমবার (৭জুন) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জাকির হাসান সেখানে অভিযান চালান। এরপর তিনি ঘেরের মাটি কাটার কাজ বন্ধ করে দেন। এ সময় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে এস্কেভেটর চালক সাজু হোসেনকে এক হাজার টাকা জরিমানা করেন ইউএনও।
ভ্রাম্যমাণ আদালতে অংশ নেওয়া এসিল্যান্ড অফিসের সহকারী লুৎফর রহমান বলেন, ঝাঁপা এলাকার নূরমোহম্মদ নামে এক ব্যক্তি ঝাঁপা বাজারের নিচের সরকারি ‘মরগাঙ’ নামের খালের ২৫ বিঘা জমি দখলে নিয়েছেন। তিনি সেই জমি এলাকার মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তিকে আড়াইলাখ টাকায় ইজারা দেন। ইজারা নিয়ে এস্কেভেটর বসিয়ে মিজান ঘের কাটার কাজ করছিলেন। খবর পেয়ে ইউএনও জাকির হাসান সেখানে অভিযান চালান।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘেরের মাটি কাটার কাজ প্রায় অর্ধেক সম্পন্ন করেছে চক্রটি। বিকেলে আদালত উপস্থিত হয়ে এস্কেভেটরে মাটি কাটতে দেখেন। আদালত কাজ বন্ধ করে দিয়ে চালক সাজুকে এক হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।
পেশকার সাইফুল জানান, আদালত উপস্থিত থেকে দখলকারী মিজানকে মোবাইলে কাটা মাটি ফের খালে ফেলার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে মাটি ভরাটের কাজ শুরু করে এস্কেভেটর চালক।
স্থানীয়রা বলছেন, ১০-১৫ দিন ধরে মিজান ঘের কাটার কাজ করাচ্ছেন। স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিককে ম্যানেজ করে তিনি অপকর্মটি চালাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ।
এদিকে সোমবার বিকেলে ইউএনও জাকির হাসান ঝাঁপা বাজারে অভিযান চালিয়ে মাস্ক না পরায় মুদি দোকানি সংকর পালকে ৫০০ টাকা ও মোটরসাইকেল চালক সাইফুল ইসলামকে ৫০০ টাকা জরিমানা করেছেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জাকির হাসান বলেন, জমিটি জেলা প্রশাসকের। সরকারি জমি দখল করে ঘের কাটার বিষয়টি ডিসি স্যারের মাধ্যমে জানতে পারি। পরে ঝাঁপা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব শহিদুল ইসলামকে পাঠিয়ে ঘটনার সত্যতা পাই। এরপর অভিযান চালিয়ে কাজ বন্ধ করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পাওয়া এস্কেভেটর চালককে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।










































