তাঁতী দল নেতা নান্নার পিতার ইন্তেকালে মহানগর তাঁতী দলের শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল মহানগর শাখার সদস্য মোস্তফা আজাদ নান্নার পিতা আলহাজ্ব সরদার আবুল বাসার (৯৮) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না…..রাজিউন)। বৃহস্পতিবার (২৭ মে) ভোর ৬টায় তিনি নিজ বাসভবনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক, শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা মহানগর তাঁতী দলের নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দরা হলেন মহানগর তাঁতী দলের আহবায়ক মুহাম্মদ আবু সাঈদ শেখ, সদস্য সচিব ম শ আলম,
যুগ্ম আহবায়ক রিয়াজুর রহমান, সৈয়দ গাজী, এড. আসলাম হোসেন, সেলিম বড় মিয়া, দেলোয়ার হোসেন মাতুব্বর, মোক্তার হোসেন, মোল্যা আলী আহমেদ, মুনসুর আলী বাবলু, মাসুদ রেজা, ডা. হালিম মোড়ল, সৈয়দ হুমায়ুন কবির, আলী আজগর, কাজী সালাউদ্দিন সুইট, আফসার উদ্দিন ডাবলু, ফয়সালুর রহমান স্বপন, মো. ফাহাদ আহমেদ, মো. মুরাদ আহমেদ প্রমুখ।
নবনিযুক্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেনকে খুবি শিক্ষক সমিতির শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
খবর বিজ্ঞপ্তি
প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে যোগদানপূর্বক দায়িত্বভার গ্রহণ করায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ তাঁকে আনন্দের সঙ্গে স্বাগত, শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ ওয়ালিউল হাসানাত ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. তানজিল সওগাত যৌথ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, শিক্ষকতা, গবেষণা ও নেতৃত্ব সবদিক থেকেই ড. মাহমুদ হোসেন বিগত দিনে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। গবেষণাক্ষেত্রে তিনি শতাধিক প্রকাশনাসহ দেশি-বিদেশি সংস্থার অর্থায়নে ২৬টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন। তাঁর এই প্রসিদ্ধি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশা করছি। ইতঃপূর্বে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ও শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করায়, তিনি শিক্ষকদের যৌক্তিক ও নায্য দাবি পুরণে সহায়ক ভূমিকা রাখবেন বলে শিক্ষকদের প্রত্যাশা। সর্বোপরি, প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়েরই একজন সম্মানিত শিক্ষক হওয়াতে শিক্ষকরা উদ্বেলিত। তাঁর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং এই মহামারি পরিস্থিতিতে পিছিয়ে পড়া শিক্ষা-কার্যক্রম নতুন গতি পাবে বলে শিক্ষকরা আশাবাদী।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে থেকেই উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য নিযুক্ত করায় প্রাসঙ্গিকভাবে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীকেও আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেনকে আবারও আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানোসহ তাঁর সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।
সীমান্তবর্তী জেলা যশোর করোনা ভাইরাসের জন্য মাত্রাতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ
যশোর অফিস
করোনা ভাইরাসের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচিত জেলা গুলোর একটি যশোর। ভারতীয় সীমান্তবর্তী হওয়ার কারনে এই জেলায় করোনার ঝুকি শতভাগ। ইতিমধ্যে জেলার বিস্তৃর্ণ সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিনই ভারত থেকে বৈধ অবৈধ পথে বাংলাদেশীরা ফিরছে নিজ ঠিকানায়। এতে করে এই জেলাসহ আশেপাশের জেলা গুলোতে করোনা ভাইরাসের ভারতীয় ভেরিয়েন্ট ও ব্লাক ফাঙ্গাস মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে গত ১ মাসে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে এনওসি নিয়ে প্রায় ৪ হাজার বাংলাদেশী পাসপোর্ট যাত্রী দেশে ফিরেছেন। এছাড়া অবৈধ পথে সীমান্ত গলি দিয়ে আরো কতো মানুষ যে ভারত থেকে দেশে ফিরেছে তার কোন সঠিক পরিসংখ্যান নেই কারোর কাছেই। এদিকে সীমান্ত বন্ধের সরকারী ঘোষনার পর থেকে যশোরের জেলা প্রশাসক এক প্রজ্ঞাপনে ভারত ফেরত সব পাসপোর্ট যাত্রীকে নিজ খরচে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করেন। এই জন্য বেনাপোল ও ঝিকরগাছার সব হোটেল মোটেল এবং পর্যটনের গেষ্টহাউজ জেলা প্রশাসন রিকুইজিশান করেন।
এছাড়া যশোর শহরের ১৬টি আবাসিক হোটেল মালিকবৃন্দ জেলা প্রশাসনের অনুরোধে অর্ধেক ভাড়ায় ভারত ফেরত পাসপোর্ট যাত্রীদের কোয়ারেন্টাইনে থাকার ব্যবস্থা করতে সম্মত হন । এদিকে এসব হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে থাকা ৩৯ জনের শরীরে বিভিন্ন সময় করোনা ভাইরাসের সন্ধান মেলে। এর মধ্যে ৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের অস্তিত্ব প্রমানিত হয় যবিপ্রবি জেনোম সেন্টারের পরীক্ষাগারে। এছাড়া বাকিদের শরীরে নানা ধরনের রোগ ব্যাধির উপসর্গ দেখা দেয়। ভারত ফেরতদের সারি দীর্ঘ হওয়ায় এই প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের পরিধি খুলনা, নড়াইল, সাতক্ষীরা ও ঝিনাইদহ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। ভারত ফেরত পাসপোর্ট যাত্রীদের পুলিশী প্রহরায় এসব জেলার প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন সেন্টার গুলোতে পাঠায় যশোরের জেলা ও পুলিশ প্রশাসন। এই অবস্থার মধ্যেও যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসাপাতালের ডেডিকেটেড করোনা ওয়ার্ড থেকে দফায় দফায় ভারত ফেরত করোনা রোগীদের পলায়নের ঘটনা ঘটেছে। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশকে আদালতের আশ্রয় নিতে হয়েছে। পলাতক করোনা রোগীদের আদালতের নির্দেশে গ্রেফতার করে কোর্টে সোপর্দ করার ঘটনাও ঘটেছে যশোরে।
এদিকে সীমান্ত সংলগ্ন জেলা হওয়ার কারনে এখানে অবাধে ভারত বাংলাদেশের মধ্যে সীমান্ত চলাচল অপেক্ষাকৃত সহজ। ইচ্ছা করলেই যে কেহ বিজিবির প্রহরার ফাক গলিয়ে এপার ওপার করতে পারে। এছাড়া দেশের বৃহত্তম স্থল বন্দর বেনাপোল দিয়ে পাসপোর্ট যাত্রীদের পাশাপাশি দুই দেশের ব্যবসা বাণিজ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন বেনাপোল পোর্ট ও পেট্রাপোল পোর্ট ব্যবহার করে চলাচল করছে। এসব চলাচলকারী ট্রাক ড্রাইভার, হেলপার, সিএন্ডএফ এজেন্ট ও তাদের কর্মচারী, দুই পোর্টের দায়িত্বশীল সরকারী বেসরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ, সীমান্তে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত সীমান্ত প্রহরীবৃন্দ ছাড়াও লোড আনলোডের লেবার, কুলি মুটে মুজুর থেকে শুরু করে হরেক শ্রেণী পেশার মানুষ হর হামেশায় দুই দেশের মধ্যে বর্ডার পাস নিয়ে বৈধ অবৈধ পন্থায় অবাধে চলাচল করছে। ফলে এসব চলাচলকারীরা করোনা ভাইরাস বহনের জন্য উচ্চ ঝুকিপূর্ণ বাহক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আর এ কারনে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ইসমাইল হোসেন ছুটে যান বেনাপোল স্থল বন্দর পরিদর্শনে। তিনি সেখানকার দৃশ্য দেখে হতবাক হয়ে যান। দুই দেশের মধ্যে ফ্রি স্টাইলে চলাচলকারীদের দেখে তিনি নিজেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তাৎক্ষনিক তিনি বেনাপোল বন্দর ব্যবহারকারী বিভিণœ প্রকারের স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে জরুরী বৈঠক করেন। বৈঠকে যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান, পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার, সিভিল সার্জন ডাক্তার আবু শাহিন, বেনাপোল বন্দরের কমিশনার আজিজুর রহমান, ইমিগ্রেশন অফিসার ইনচার্জ, বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসিয়েশসের সভাপতি, সম্পাদকস স্থলবন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারগণ ও তাদের প্রতিনিধিবৃন্দ এই সভায় উপস্থিত ছিলেন। সভায় করোনা ভাইরাসের ভারতীয় ভেরিয়েন্ট ও ব্লাক ফাঙ্গাসের আক্রমন রোধে সকলকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ প্রদান করে বিভাগীয় কমিশনার ইসমাইল হোসেন জানান, দ্রুত বেনাপোল বন্দর সংশি¬ষ্ট সকল পক্ষকে টিকার আওতায় আনা হবে। একই সাথে বৈধ পাসপোর্ট যাত্রীদের নিজ খরচে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের ১৪ দিন কঠোর ভাবে প্রতি পালন করতে হবে। একই সাথে অবৈধ পথে এই মুহুর্তে যেন একজন বাংলাদেশীও প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়ে বিজিবির কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন বিভাগীয় কমিশনার।একই সাথে ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভার ও হেলপারদের প্রতি বিশেষ নজরদারি করার পরামর্শ দেন বিভাগীয় কমিশনার। এই জন্য বিজিবি, পুলিশ ও কাস্টমস এই তিন বিভাগ যৌথ ভাবে একটি চৌকষ মনিটোরিং টিম গঠনের সিদ্ধান্ত হয় ওই সভা থেকে।
উল্লেখ্য, ২৬ এপ্রিল থেকে সীমান্ত বন্ধ ঘোষনার পর বিশেষ ব্যাবস্থায় বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে গত একমাসে দেশে ফিরেছে ভারতে আটকে পড়া ৩৭১৬জন যাত্রী। এদের মধ্যে ৩৯জন করোনা পজেটিভ রয়েছে। ৭৭১ জনকে বেনাপোলের বিভিন্ন হোটেলে কোয়ারেনটাইন করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৭ জনের দেহে করোনা ভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পজেটিভ পাওয়া যায়। ফলে নতুন করে আতংক ছড়াচেছ বেনাপোলে।
এদিকে জেলঅর সিভিল সার্জন ডাক্তার আবু শাহিন জানান, সম্প্রতি যশোওে করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাব লক্ষ করা যাচ্ছে। ঈদেও পর থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমন। যা গতকাল সর্বোচ্চ ২৩ শতাংশে গিয়ে পৌছায়। এই হার ঈদেও আগে ১০-১২ শতাংশের বেশি ওঠেনি। যবিপ্রবি ল্যাব ও যশোর মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবের পরীক্ষায় প্রতি দিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। যা রীতিমত ভয়ংকর বলেই মনে হচ্ছে। ফলে এই পরিস্থিতিতে দেশে যে কয়টি জেলঅ করোনা ভাইরাসের আকান্তের দিক দিয়ে উচ্চ মাত্রার মধ্যে পড়েছে যশোর তাদের একটি। সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ার কারনে ইতিমধ্যে এই জেলাকে রেড জোন ঘোষনা করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। বিশেষ করে জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা ও ইউনিয়ন এবং গ্রাম গুলোতে বিশেষ নজরদারি বাড়িয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
যশোরে মাদকাসক্তি নিরাময় ও পূর্নবাসন কেন্দ্রে যুবক খুনের ঘটনায় ১১ আসামির রিমান্ড শুনানী পিছিয়েছে
যশোর অফিস
যশোর শহরের রেলরোড ফুড গোডাউনের বিপরীত পাশে মাদকাসক্তি নিরাময় ও পূনর্বাসন কেন্দ্রে মাহাফুজুর রহমান নামে এক যুবক হত্যা মামলায় আটক ১১ আসামির রিমান্ড শুনানীর দিন পিছিয়েছে। বৃহস্পতিবার ২৭ মে নির্ধারিত দিনে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অসুস্থ্য থাকায় আদালতে উপস্থিত হতে পারেন নি। ফলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুদ্দীন হোসাইন আগামি রোববার শুনানির পরবর্তি দিন ধার্য করেন।
২২ মে যশোর মাদকাসক্তি নিরাময় ও পূনর্বাসন কেন্দ্রের চিকিৎসাধীন চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবন নগর উপজেলার মনিরুজ্জামানের ছেলে মাহফুজুর রহমান পিটিয়ে হত্যা করে। পরে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে উঠে আসে। পরে প্রতিষ্ঠানের ১৪জনকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে। একই সাথে
দুই পরিচালক আশরাফুল কবির তুহিন ও মাসুদ করিম সহ ১১ আসামির রিমান্ড আবেদন জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি রোকিবুজ্জামান। একই দিন তিন আমামি হত্যার কথা স্বিকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি রোকিবুজ্জামান বলেন, তিনি হাসপাতালে ভর্তি। ফলে আদালতে যেতে পারেন নি। তিনি দাবী করেন , অন্যআসামিদের রিমান্ডে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য আসতে পারে ।
যশোরে গাজা উদ্ধারও ৪ মাদক কারবারি আটক
যশোর অফিস
যশোরে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পৃথক অভিযানে সাড়ে ৪ কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে। বুধবার ২৬ মে রাত থেকে বৃহস্পতিবার ২৭ মে দুপুর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।
যশোর গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র থেকে জানা যায়, বুধবার রাত রাত ১১ টায় যশোরের শার্শার নাভারন রেলবাজার এলাকার মিসেস টিটু এন্টারপ্রাইজ প্রতিষ্ঠানের সামনে থেকে ৩ কেজি গাঁজাসহ বেনাপোল গাতিপাড়া এলাকার আতিয়ার গাজীর ছেলে খোকন গাজী (৪০) কে আটক করে। এ সময় মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও জব্দ করেন।
গোয়েন্দা পুলিশের অপর এক অভিযানে, বুধবার ২৬ মে বিকেল সাড়ে ৫ টায় যশোরের চৌগাছা উপজেলার দিঘড়ী যুগীপোলপাড়া এলাকার কুতুবুদ্দিনের বাড়ি থেকে তাকে ১ কেজি গাঁজাসহ আটক করে। কুতুবউদ্দিন ওই এলাকার মান্নান বিশ্বাসের ছেলে।
এছাড়া,২৬ মে বুধবার সন্ধ্যায় যশোর শহরের চোর মারা দিঘির পূর্ব পাড়া এলাকার রায়হানের চায়ের দোকানের সামনে থেকে বেজপাড়া চোপদারপাড়া এলাকার এনামুল শেখের ছেলে বাবুল হোসেন ও রেলগেট চোরমারা দিঘীর পূর্ব পাড় এলাকার ফিরোজ শেখের স্ত্রী বিথী খাতুন ওরফে পাখি (২৭) কে ৫শ’ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি পুলিশের একটি চৌকসদল।
যশোর গোয়েন্দা ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সমেন দাস বলেন, আটককৃতরা এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
রউফ মোড়লের ভাই শাহাদাতের দাফন সম্পন্ন
খবর বিজ্ঞপ্তি
৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রউফ মোড়লের বড় ভাই মো: শাহাদাৎ হোসেন মোড়লের জানাযা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মরহুমের নামাজে জানাযা আজ বৃহস্পতিবার বাদ জোহর দেয়ানা মোড়লপাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে মরহুমকে দেয়ানায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। শাহাদাৎ হোসেনের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক এবং মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা শোকাহতদের পাশে যান। নেতৃবৃন্দ সেখানে কিছু সময় অবস্থান করেন এবং ধৈর্য্য ধারনের জন্য সান্তনা দেন। পরে নেতৃবৃন্দ মরহুমের নামাজে জানাযায় অংশগ্রহণ করেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, মো: মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, বীরমুক্তিযোদ্ধা মাকসুদ আলম খাজা, শেখ ফারুক হাসান হিটলু, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, শেখ সৈয়দ আলী, শহীদুল ইসলাম বন্দ, কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মদ আলী, শফিকুর রহমান পলাশ, শেখ শাহাবুদ্দিন আহমেদ, আব্দুর রউফ মোড়ল, মো. ওহিদুজ্জামান, আবু আসলাম মোড়ল, রানা পারভেজ সোহেল, গোলাম রাব্বানী টিপু, বাচ্চু মোড়ল, মেহেদী হাসান মোড়ল, আব্দুল আজিজ মোড়ল সহ এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের দলীয় নেতাকর্মী সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সকল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে আ’লীগের কৃতজ্ঞতা উপাচার্যকে অভিনন্দন
০খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ে ১২তম উপাচার্য হিসেবে বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেনকে নিযুক্ত করায় রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর মো: আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি’র প্রতি কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন খুলনা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। একই সাথে উপাচার্য হিসেবে যোগদান করায় প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুলনায় শিক্ষিতের হার বৃদ্ধিসহ দক্ষিণাঞ্চলের জনগোষ্ঠীর জীবনমানোন্নয়নে বিশ^বিদ্যালয় স্থাপন করেছেন। এই বিশ^বিদ্যালয় যাতে সুষ্ঠু ও সুশৃংখল ভাবে পরিচালিত হয়ে এ অঞ্চলের সন্তানেরা ভালো গবেষক হয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে পারে সেজন্যে উপাচার্যকে সর্তক দৃষ্টি রাখতে হবে। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতিকে শতভাগ শিক্ষিত করে দেশকে উন্নত বিশে^র কাতারে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন। তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে দেয়নি ৭১-এর পরাজিত শত্রু আর ’৭৫-এর খুনীরা। আজ জাতির পিতা স্বপ্ন বাস্তবায়নে তার সুযোগ্য কন্যা দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আর সে কারনেই আজকে প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেনকে উপাচার্য হিসেবে খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ে নিযুক্ত করা হয়েছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমান উপাচার্য একজন মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের মানুষ। একই সাথে তিনি এই অঞ্চলের সন্তান। আমরা মনে করি এই অঞ্চলের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে খুলনা বিশ^বিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলবেন। আর এই সফলতার মাধ্যমে দক্ষিনাঞ্চলের শিক্ষিত বেকার যুবক যুবতীরা খুঁজে পাবে তাদের কর্মসংস্থান। স্বনির্ভর দেশ হিসেবে মর্যাদাশীল জাতিতে পরিণত করবে এই প্রতিষ্ঠান, এটাই প্রত্যাশা করেন নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ উপাচার্যকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শিক্ষার মান উন্নত করতে অত্যন্ত শক্তহাতে বিশ^বিদ্যালয়ের হাল ধরে কাজ করতে হবে। খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির স্বার্থে আপনার পাশে থাকবে আওয়ামী লীগ সহ এ অঞ্চলের জনগোষ্ঠী। আপনার অগ্রগতির সাথে এগিয়ে যাবে প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প ২০৪১। নেতৃবৃন্দ উপাচার্যের সুস্বাস্থ্য ও সফলতা কামনা করেন।
বিবৃতি দাতারা হলেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মানিত নির্বাহী সদস্য, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মানিত নির্বাহী সদস্য ও খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী।
বাগেরহাটে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা,মহিলাসহ আহত-৬
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট সদর ্উপজেলার বেমরতা ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় মহিলাসহ ৬ জন আহত হয়েছে। বুধবার (২৬ মে) দুপুরে সুলতানপুর গ্রামের মোঃ জাকির শেখের বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় জাকির শেখের বোন লুৎফুন্নেসা (৪৫), স্ত্রী মোসা রোজিনা আক্তার (৪০), ভাগ্নে মাফিজুল (২৪), ছেলে সুলতান (২১), ভাইপো আজাদ শেখ (১৪) ও ভাই বুলবুর হোসেন (৩৫) আহত হয়। ঘটনায় সুলতানপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ,মান্নান শেখের পুত্র মোঃ জাকির শেখ বাদি হয়ে বাগেরহাট মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে জানা যায়, সুলতানপুর গ্রামের মোঃ জাকির শেখের বসত বাড়িতে পাশ^বর্তি গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান নকিবের পুত্র মাহাবুবুর রহমান নকিব (৬৫) সহ তার ১০/১২ জন সহযোগী অবৈধ ভাবে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে। এসময় ম্ঃো জাকির শেখের বসতবাড়িতে জোর পূর্বক ঘর বাধতে যায়। এতে জাকির হোসেন ও তার পরিবার বাধা দিলে মাহাবুবুর রহমান নকিব সহ তার ১০/১২ জন সহযোগী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এতে লুৎফুন্নেসা, রোজিনা আক্তার, মাফিজুল, সুলতান, আজাদ শেখ ও বুলবুর হোসেন গুরুতর¡ আহত হয়। আহতদের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলা কারীতে প্রান নাশের হুমকি দিয়ে দ্রুত ঘটনা স্থল ত্যাগ করে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে হামলাকারীর পক্ষ থেকে মাহাবুবুর রহমান নকিবের নিকট আত্মীয় যাত্রাপুর এলাকার বিপুল তার ব্যবহৃত মোবাইলে নিজেকে সেনাবাহিনীর পরিচয় দিয়ে জাকিরের ভাই বুলবুলকে হুমকি দেয়। পরে বুধবার রাতে বাদির বাড়িতে হামলা করতে গেলে ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছালে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার সকালে অতিঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার আবেদন করতে আদালত তা মঞ্জুর করে।
এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আজিজুল অসিলাম জানান, ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
ফুলতলার শিরোমনিতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান
ফুলতলা প্রতিনিধি
নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও ইউএনও সাদিয়া আফরিনের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার দুপুরে ফুলতলা উপজেলার শিরোমনি বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। নোংরা ও অস্বাস্থকর পরিবেশ বিরাজ করায় নিউ সাতক্ষিরা ঘোষ ডেয়ারীকে ৫ হাজার টাকা, সাতক্ষিরা সুইটসকে ২ হাজার টাকা, বাগাট দধি ঘরকে ৫ হাজার টাকা এবং মূল্য তালিকা না থাকায় দুই দোকানীকে ১ হাজার টাকা ও মাস্ক ব্যবহার না করার অপরাধে ৩ ব্যক্তিকে ২শ’ ৫০ টাকা জরিমানা ধার্য ও আদায় করেন।
ফুলতলায় অবসরপ্রাপ্ত নৌ সদস্যের ইন্তেকাল
ফুলতলা প্রতিনিধি
ফুলতলার গাড়াখোলা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত নৌ সদস্য ইনছার আলী শেখ (৫৫) বৃহস্পতিবার ভোরে খুলনার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহী ওয়া ইন্না এলাহী রাজেউন)। বাদ জোহর গাড়াখোলা খাঁ বাড়ি জামে মসজিদ চত্ত্বরে জানাযা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গাউসুল আজম হাদি, ক্যাপ্টেন (অবঃ) আতিয়ার আকুঞ্জী, মনিরুল ইসলাম সরদার, এ্যাড. আঃ সবুর. ডাঃ রেজোয়ান আলী, আনিস সরদার, লোকমান হাকিম, আঃ রউপ সরদার, সার্জেন রেজাউল ইসলাম, সৈকত শেখ, জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।
তেরখাদায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৬ জুয়ারীর দন্ড, পুলিশের ধরা ছোয়ার বাইরে ৫ জন
তেরখাদা প্রতিনিধিঃ
গত ২৬ মে বুধবার বিকেল ৫টায় তেরখাদার বলর্দ্বনা এবিএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশ থেকে ১১ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেরখাদা থানা পুলিশ ১১জন জুয়ারীকে গ্রেফতার করে বিদ্যালয়ের হল রুমে আটকে রাখেন। এ সংবাদে স্থানীয় দুই প্রভাবশালী নেতা ও পুলিশের যোগ সাজশে ৫ জন জুয়ারী পুলিশের চোখকে ফাকি দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় এবং বাকি ৬ জনকে গ্রেফতার করে তেরখাদা থানা হেফাজতে রাখা হয়। পরের দিন সকাল ১১টায় তেরখাদা উপজেলা সহকারী কশিশনার ভূমি সুস্মিতা সাহার কার্যালয়ে হাজির করলে তিনি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ১৮৬৭ সালের বঙ্গীয় আইনের ৪ ধারায় জুয়া খেলার অপরাধে প্রত্যেককে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। দন্ড প্রাপ্তরা হলো- লিটু খা, মানিক উকিল, জাহাঙ্গীর ফকির, পান্নু খা, শাহা জালাল, ইকরামুল। আসামীদেরকে খুলনা জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এদিকে এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবী, প্রকৃত জুয়ারীদের কে পালিয়ে য্ওায়ার সুযোগ দিয়ে যারা প্রকৃত জুয়ারী নয়, ঘটনাস্থলে দর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলো তাদের কে আটক করে জেলে পাঠানো হয়েছে।
তেরখাদায় মশুনদিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের তৈরী কৃত বাধ কাটার অভিযোগ
তেরখাদা প্রতিনিধিঃ
তেরখাদা উপজেলার মশুনদিয়া, পহরডাঙ্গা, কুদলা, কুমোর ডাঙ্গা, কুশলাসহ বদবদীর বিলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতায় জমির তলদেশ উচু করার সুবাদে সরকারী বরাদ্দকৃত টিআরএম পদ্ধতির ব্যবস্থাপনায় পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক চিত্রা নদীতে ভেড়ি বাধ তৈরী করেছিল। তার মেয়াদ শেষ না হতেই কৃষকদের তেমন কোন উন্নতি না হওয়ায় দীর্ঘ দিনের জমিতে ইরি বোরো চাষ ব্যহত রয়েছে। এ বিষয়ে এলাকাবাসী আর্থিক ক্ষতির মধ্যে রয়ে গেছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে জলাবদ্ধকৃত জমির মালিকরে কিছু অর্থ বরাদ্দ দিলেও তাতে এলাকাবাসী সন্তুষ্ট নয়। তাই পুনরায় টিআরএম পদ্ধতির সুবিধা থেকে বেরিয়ে এসে ঘের ভেড়ি করে এলাকার কৃষকেরা বাচতে চায়। কিন্তু চিত্রা নদীতে বাধ থাকায় চিত্রা নদীর পানি পুনরায় বিলে চলে যাচ্ছে। তাই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে কে বা কারা রাতের আধারে চিত্রা নদীর বাধটি কেটে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে উক্ত বাধটি কেটে দেওয়ায় সম্প্রতি জোয়ারের পানির চাপে চিত্রা নদীর সংযোগ খাল সমূহ দিয়ে ভুতিয়ার বিলে বিভিন্ন ফসুলী জমিতে লবনাক্ত পানি প্রবেশ করে ফসলের চরম ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভগীয় কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড বাধ কেটে দেওয়ায় তেরখাদা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
ডুমুরিয়ায় বাস-মটর সাইকেল সংঘর্ষে যুবক নিহত
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় বাস-মটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে কনক সিংহ (৩১) নামের এক যুবক নিহত হয়েছে।গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের বরাতিয়া নন্দীবাড়ির সামনে এ দূঘর্টনা ঘটে।পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়,খুলনা থেকে ছেড়ে আসা সাতক্ষীরা গামি একটি যাত্রীবাহি বাস ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা মটর সাইকেল কে সজোরে আঘাত করে। এতে মটর সাইকেল চালক বরাতিয়া গ্রামের নির্মল কুমার সিংহ’র ছেলে কনক সিংহ বাসের চাকায় চাপা পড়ে গুরুতর জখম হয়।পরে তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত ড্ক্তাার তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।
ডুমুরিয়ায় বিষপানে গৃহবধূর আত্মহত্যা
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় পারিবারিক কলহে দৃষ্টি রানী মন্ডল (২২) নামের এক গৃহবধূ বিষপানে আত্মহত্যা করেছে।গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ভান্ডারপাড়া ইউনিয়নে তালতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।থানা পুলিশের এসআই হামিদুল ইসলাম জানান,তালতলা এলাকার নিষ্কৃতি মন্ডলের স্ত্রী দৃষ্টি মন্ডল গত মঙ্গলবার সকালে পারিবারিক কলহের জের ধরে বিষপান করে।এরপর ২দিন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পর গতকাল সকালে নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়।এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর স্বামী বাদি হয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছে।
উপেক্ষিত হচ্ছে যশোরে স্বাস্থ্যবিধি
যশোর অফিস
চলমান বিধিনিষেধের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই গণপরিবহন চলছে। যাত্রীরা ঠেলাঠেলি করেই বাসে উঠছেন। যাত্রীরা বাসে ওঠার সময় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করছেন না। অথচ ভাড়া নেয়া হচ্ছে দ্বিগুণের বেশি। শহর ও গ্রামাঞ্চলের হাট বাজারে রয়েছে মানুষের ভিড়। শহরের বাজারে কারও মুখে মাস্ক আছে, কারও নেই। তবে গ্রামের চিত্র ভিন্ন। শতকরা ৯৫ ভাগ মানুষ মাস্ক ব্যবহার করছেন না। হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সপিং মল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হাত ধোঁয়ার জন্য সাবান ,হ্যান্ড স্যানিটাইজার, বেসিন ও ড্রাম নেই। মানুষের অবাধ যাতায়াত ও সামাজিক দূরত্ব নেই। কঠোর লকডাউনের মধ্যে যশোরে কোথায় আছে স্বাস্থ্যবিধি সে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সচেতন মহলের মধ্যে। ভারত ফেরত বাংলাদেশীরা বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে দেশে ফেরার কারণে এমনিতেই যশোর জেলা ঝুঁকির মধ্যে আছে। তারপরেও বর্তমান চিত্র দেখে মনে হচ্ছে মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়টি ভুলে গেছেন। শুধু স্বাস্থ্যবিধি এখন কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে। প্রশাসনও নিশ্চুপ মেরে গেছে। কোনো অভিযান নেই।
সরেজমিনে দেখা গেছে, অল্প সংখ্যক বাসে দুই সিটে একজন যাত্রী বসানো হলেও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। আবার কোনো বাসে সিট খালি রাখা হচ্ছে না। অনেকে দাঁড়িয়েও যাচ্ছেন। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বাসগুলোতে কিছু সিট ফাঁকা থাকলেও পরের সময়গুলোতে বাসে অগণিত যাত্রী তোলা হচ্ছে। যশোর- ঝিনাইদহ সড়ক, যশোর –খুলনা সড়ক, যশোর- মাগুরা সড়ক, যশোর-বেনাপোল সড়ক, যশোর-সাতক্ষীরা সড়কে এমন দৃশ্য অহরহ চোখে পড়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বালাই নেই এসব গণপরিবহনে।
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালসহ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার ঘুরে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে প্রবেশ মুখে ও প্রতিষ্ঠানের নানা স্থানে সাইনবোর্ড ও প্যানা সাটানো রয়েছে। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। জেনারেল হাসপাতালের বিভিন্ন কোনে হাত ধোয়ার জন্য বেসিন থাকলেও সেখানে পানি ও সাবান থাকছে না। বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অবস্থা আরো খারাপ। প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ মুখে হাত ধোঁয়ার জন্য সাবান পানি রাখা হয়নি। মোট কথা সরকারি বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি নেই। রোগী ও স্বজনদের মাঝে নেই কোনো দূরত্ব। মাস্ক মুখে না দিয়েই আসা যাওয়া করছেন অনেকে। এছাড়া রাস্তাঘাট, সড়ক, মোড়, ফুটপাত, পাইকারি খুচরা বাজার সর্বত্রই গিজগিজ করছে নানা শ্রেণি পেশার মানুষ। গায়ে গা ঘেঁষে ছুটছে মানুষ। কোথায় স্বাস্থ্যবিধি, কোথায় সামাজিক দুরত্ব সব ভুলে গেছেন তারা। অধিকাংশ মানুষের মুখে মাস্ক নেই। কারো কারো মাস্ক থাকলেও সেটি থুথনির উপর নামিয়ে রাখা হয়েছে। সে সব প্রতিষ্ঠানে হাত ধোঁয়ার জন্য সাবান পানির ব্যবস্থা করা হয়েছিলো তাও এখন নেই।
এদিকে, যশোর গাড়িখানা সড়কের পুলিশ ক্লাব মাঠে জোরেসোরে চলছে অনুমোদনহীন পণ্যের মেলা। দীর্ঘদিন ধরে মেলা চললেও বন্ধের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। অস্থায়ী সস্তা বাজার নাম দিলেও যেন স্থায়ী হয়ে গেছে এই মেলা। পটল বাবু গং করোনাকালেও মেলা বসানোর ফলে শহরের ব্যবসায়ীরা বরাবরই ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছে। কিন্তু কি কারণে প্রশাসন কোন কর্ণপাত করছে না তা নিয়ে নানা গুঞ্জন রয়েছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।
জানা গেছে, এই পর্যন্ত ৩ হাজার ৬শ’ ৫২ জন বাংলাদেশি ভারত থেকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন হয়ে দেশে ফিরেছেন। তাদের ৩৯ জন করোনায় আক্রান্ত । এর মধ্যে ৩১ জন করোনার সংক্রমণ নিয়ে ফেরেন। বাকি ৮ জন যশোরের বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে আক্রান্ত হন। এছাড়া জেলায় ৫ জনের শরীরে মিলেছে ভারতীয় করোনার ধরন। ফলে যশোর জেলা করোনা সংক্রমণের জন্য এমনিকেই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এরপরেও স্বাস্থ্যবিধি মানার দিকে খেয়াল নেই কারো। ফলে সংক্রমণ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
যশোরের সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন জানান, ২৫ মে পর্যন্ত যশোর জেলায় ৬ হাজার ৭ শ’ ৫৮ জন কোভিড-১৯ নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৮৮ জন নারী পুরুষ। এর মধ্যে যশোরের বিভিন্ন হাসপাতাল ও বাড়িতে মৃত্যু হয়েছে ৭৭ জনের। আর ঢাকায় ৬ জন খুলনায় ৫ জন ও সাতক্ষীরার হাসপাতালে মারা গেছেন ১ জন। সিভিল সার্জন আরও জানান, ভারত ফেরত করোনায় আক্রান্ত ৩৯ জনের মধ্যে ২৩ জন সুস্থ হয়েছেন। বাকিরা রেডজোনে চিকিৎসাধীন। এক প্রশ্নের জবাবে সিভিল সার্জন জানান, করোনায় বেশ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে যশোর জেলা। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সরকারি বেসরকারী স¦াস্থ্য প্রতিষ্ঠান, শপিং মল মার্কেটের প্রবেশ মুখে হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থা না থাকার বিষয়টি নিয়ে শঙ্কিত। অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ধার ধারছেন না। চলমান বিধিনিষেধের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি না মানার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।
যশোরে মোবাইল টাওয়ার থেকে পড়ে শ্রমিক আহত
যশোর অফিস
যশোরে মোবাইল টাওয়ার থেকে পড়ে মাসুদ (৩৫) নামে এক শ্রমিক আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে বাঘারপাড়া উপজেলার খাজুরা মির্জাপুর নামক স্থানে। আশংকাজনক অবস্থায় তাকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আহত মাসুদ যশোর শহরের বেজপাড়া তালতলা এলাকার মফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি খাজুরা মির্জাপুরে মোবাইল ফোন অপারেটর রবি’র টাওয়ার নির্মাণের কাজ করছিলেন। টাওয়ার থেকে পড়ে নিচে পড়ে গুরুতর আহত মাসুদ। অন্য শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থা আশংকাজনক হওয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে ঢাকায় করা হয়েছে।
যশোরে চাঁচড়া থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
যশোর অফিস
যশোর মৎস্য পোনা বিক্রয় কেন্দ্রের পাশে একটি হ্যাচারি থেকে রাব্বি নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ । বৃহস্পতিবার (২৭ মে) সকালে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। রাব্বি মৎস্য ব্যবসায়ী রিপনের মৎস্য খামারে শ্রমিকের কাজ করতেন ।
যশোর চাঁচড়া ফাঁড়ির এসআই সাইদুর রহমান জানান,‘রাব্বির মৃত্যুর কারণ আমরা এখনো জানতে পারিনি তবে কারণ জানতে অনুসন্ধান করা হচ্ছে ।’
রাব্বির মা জোবেদা বেগম জানান, বুধবার রাতে যশোর শহরতলীর পোলেরহাট মন্ডলগাতী বাড়ি থেকে রাতের খাওয়া শেষ করে নয়টার দিকে কর্মস্থলে ফিরে আসে রাব্বী। সকালে তার মৃত্যুর খবর পান তিনি।
ঢাকায় অমানুষিক নির্যাতনের শিকার যশোরের গৃহপরিচারিকা শিশু
যশোর অফিস
মায়ের বান্ধবীর বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতে গিয়ে এক বছর ধরে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে আমেনা খাতুন (১১) নামে এক শিশু। তার সারা শরীরে গরম খুন্তির ছ্যাঁকার দাগ। প্লায়ার্স দিয়ে তার মাথার চুল টেনে ছেঁড়া হয়েছে। আমেনা বর্তমানে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
যশোর সদর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের নূর ইসলাম ও আকলিমা খাতুনের মেয়ে আমেনা। আমেনার যখন দুই বছর বয়স তখন তার বাবা মারা যান। নানা মারা গেছেন জন্মের আগেই। আমেনার যখন সাত বছর বয়স, তখন নানি জোহরা খাতুন আকলিমাকে আবার বিয়ে দিয়ে দেন। ভিক্ষা করে নানি জোহরা খাতুনই লালন পালন করছিলেন আমেনাকে।
গত বছর করোনার আগে আকলিমা খাতুনের ছোটবেলার বান্ধবী শ্যামলী বৈরাগী তাকে অনুরোধ করেন আমেনাকে তার কাছে দেওয়ার জন্য। শ্যামলীর দুটি বাচ্চা আছে। ঢাকার বাসায় থেকে আমেনা তাদের দেখাশোনা করবে। আমেনার থাকা খাওয়া ও তাকে মানুষ করার দায়িত্ব তার। সরল বিশ্বাসে বান্ধবীর হাতে মেয়েকে তুলে দিয়েছিলেন আকলিমা।
হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আমেনা বলে, শ্যামলী আন্টি আমাকে ঢাকার মহাখালীতে সাততলা সরকারি কোয়ার্টারে নিয়ে যান। সেখানে শ্যামলী আন্টি, তার স্বামী বাদল সিকদার ও আন্টির শাশুড়ি লিলি থাকেন। আন্টির শাশুড়ি সরকারি হাসপাতালের নার্স। ওই বাসায় নিয়ে যাওয়ার পর দুই মাস ভালো ছিলাম। এরপর থেকেই শুরু হয় নির্যাতন। বাড়ির কাজের একটু এদিক ওদিক হলেই বেধড়ক মারপিট করতেন শ্যামলী ও বাদল।
আমেনা জানায়, তাকে দিয়ে বাসার সব ধরনের কাজ করানো হতো। এর আগে সে কোথাও কাজ করেনি বা শেখেনি। রুটি বানানো দিয়ে তার কাজ শুরু। রুটির পরিমাণ কম হলে তাকে মারপিট করা হতো। হাত থেকে পিরিচ পড়ে গেলে মারধর করা হতো। সারা শরীরে গরম খুন্তির ছ্যাঁকা দিয়েছে। হাত ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে হাত মচকে দিয়েছে, প্ল্যায়ার্স দিয়ে মাথার চুল টেনে টেনে উঠিয়ে দিয়েছে। গলায় এবং মাথায় আঘাত করেছে। রুটি বানানো বেলন দিয়ে পিটিয়ে দুই পা ভেঙে দিয়েছে। শ্যামলীর স্বামী আমেনার পায়ের ওপরে দাঁড়িয়ে যন্ত্রণা দিয়েছে। শ্যামলী তার বুকের ওপর দাঁড়িয়েছে। মুখে টেপ লাগিয়ে তাকে হত্যাচেষ্টাও করা হয়েছে। তবে নির্যাতনের কিছুই জানতে পারেনি আমেনার মা ও নানি।
আমেনার মা আকলিমা খাতুন জানান, ফোন করলেই বলতো আমেনা ভালো আছে। ফোনে লাউড দিয়ে কথা বলাতো। তারা কিছুই জানতে পারেননি।
তিনি আরও জানান, গত বছর করোনার আগে তার ছোট বেলার বান্ধবী শ্যামলী বৈরাগী তাকে অনুরোধ করেন আমেনাকে তার সঙ্গে দেওয়ার জন্য। শ্যামলীর দুটি বাচ্চা আছে। ঢাকার বাসায় থেকে আমেনা তাদের দেখাশোনা করবে। আমেনার থাকা খাওয়া ও তাকে মানুষ করার দায়িত্ব তার। সরল বিশ্বাসে বান্ধবীর হাতে মেয়েকে তুলে দিয়েছিলেন।
আমেনার নানি জোহরা খাতুন জানান, এক মাস আগে তিনি আমেনাকে দেখতে ঢাকায় যান। কিন্তু বাদল তাকে বাড়িতে নেয়নি। তার চাচা তাকে মিরপুরের বাসায় নিয়ে যায়। তাকে জানানো হয় শ্যামলী ও বাদল বরিশালে বেড়াতে গেছে। আমেনাকে সঙ্গে নিয়ে গেছে।
যশোরে ফিরে জোহরা খাতুন ফোন করে আমেনার জন্য কান্নাকাটি করেন। একপর্যায়ে এক সপ্তাহ আগে আমেনাকে নিয়ে আসার জন্য তার মা আকলিমাকে ফোন করেন শ্যামলী। এরপর গত ২৩ মে তার নানি ঢাকায় গিয়ে আমেনাকে নিয়ে আসেন। এরপর ২৫ মে তাকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আকলিমা বলেন, মেয়েটাকে শ্যামলীর কাছে দিয়েছিলাম ভালো থাকবে বলে। কিন্তু তার এই অবস্থা করবে ভাবতেই পারিনি। আমি আমার মেয়েকে নির্যাতনের বিচার চাই।
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে বাদল সিকদার ও শ্যামলী বৈরাগীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগযোগ করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।
হাসপাতালে আমেনাকে চিকিৎসা দেওয়া যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. অজয় কুমার সরকার জানান, তার শরীরে অসংখ্যা পোড়া বা ছ্যাঁকার দাগ এবং নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে। অনেক ক্ষত শুকিয়ে গেছে। অনেক দিন ধরেই এই ক্ষতগুলো হয়েছে। তাকে যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।
যশোরে ফেরার পর আমেনাকে হাসপাতালে ভর্তিতে সহযোগিতা করেন রক্তদাতা ও সামাজিক সেবামূলক সংগঠন স্বজন সংঘের সাধারণ সম্পাদক সাধন কুমার দাস। তিনি জানান, জোহরা খাতুন প্রথমে আমেনাকে নিয়ে গ্রাম্য ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা করাচ্ছিলেন। এমন নির্যাতনের খবর পেয়ে তিনি ও তার সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক সঞ্জয় কুমার নন্দী তাদের হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করেন। মামলা করার জন্য যশোর কোতোয়ালি থানায়ও যোগাযোগ করেছিলেন। কিন্তু থানা থেকে ঢাকার সংশ্লিষ্ট থানায় মামলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ধন কুমার দাস জানান, আমেনার মা ও নানি অসহায় দরিদ্র মানুষ। তাদের পক্ষে ঢাকায় গিয়ে মামলা করা সম্ভব নয়। এজন্য তিনি মামলা দায়ের ও নির্যাতনকারীদের শাস্তির জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।
বাগেরহাটে গর্ভধারিনী মায়ের উপর নির্যাতনের অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বারেহাটে গর্ভধারিনী মায়ের উপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠল ছেলের বিরুদ্ধে। ঘটনা ঘটেছে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বাধাল ইউনিয়নের যশোরদি গ্রামে। মায়ের আদরের কুলাঙ্গার সন্তান মেহেদী হাসান (৩২) তার নিজের গর্ভধারিনী মাকে শারীরিক, মানসিক নির্যাতনসহ কিল ঘুসি ,লাঠি দিয়ে একাধিকবার মারধর করে বলে অভাগী মা মোসাঃ নাজমা বেগম (৪৭) অভিযোগে করেন।
মোসাঃ নাজমা বেগম বলেন, আমার স্বামী মোকলেছ আলী দিদার ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি ২সন্তান রেখে মারা যায়। আমার স্বামী দেশের বাইরে থাকায় অনেক কষ্ট করে দুবেলা দুমুঠো না খেয়ে আদরের সন্তানদের লালন পালন করে বড় করে তুলেছি ,ভালো প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করিয়েছি, সেই মা আমি আজ অবহেলিত নিজের আদরের সত্মানের কাছে। তিনি বলেন, আমার স্বামী মারা যাওয়ার কয়েক মাস পর পারিবারিকভাবে দৈবজ্ঞহাটী গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। বিয়ের ঘটনায় প্রাথমিক ভাবে আমার ছেলে মেহেদী হাসান মেনে নিলেও পরবর্তীতে বিয়ের সূত্র ধরে আমাকে বিনা কারনে গালিগালাজসহ শারিরিক ,মানুষিক নির্যাতন করে। গত ২০ মে আমি ছেলের বাড়িতে গিয়ে ভাত খেয়েছি। আমি কেন ভাত খেয়েছি, তার কারন জানতে চায় আমার ছেলে , তার সূত্র ধরে সে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল দেয় ও বেধর মারপিট করে। ঐ দিনেই ছেলে আমাকে বলে আমি নাকি ঘরের একটি কবুতর চুরি করেছি, আমি বলি আমি কবুতর চুরি করি নাই,সাথে সাথে সে আমাকে চর মেরে বলে তোর কোরআন ছুয়ে বলতে হবে। আমি কোরআন ছুয়ে বললেও সে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে টাটনে টানতে ঘরের বাইরে নিয়ে যায়। সে আমাদের বাড়ির সামনে অসংখ্য মানুষের সামনে আমাকে ইচ্ছে মত মারপিট করে ,আমি অজ্ঞান হয়ে রাস্তায় পড়ে যাই। এর এগেও সে আমাকে কয়েকবার মারপিট ও গালাগাল দিয়ে বাড়ির থেকে বের করে দিয়েছে। এই কুলাঙ্গার ছেলে শুধু আমাকে নয় স্থানীয় সন্ত্রাসীদের সাথে নিয়ে আমার বর্তমান স্বামীকে মেরে গুরুত্বর জখম করেছে। তিনি বলেন, প্রথমে আমিসহ নিকট আত্মীয় দিয়ে আমার ছেলেকে অনেক বুঝিয়েছি। শেষ পর্যন্ত যখন দেখেছি এই ছেলে আমাকে যে কোন সময়ে মেরে ফেলতে পারে তখন সম্পূর্ন নিরুপায় হয়ে মোড়েলগঞ্জ থানাসহ পোলেরহাট ফাড়িতে অভিযোগ দায়ের করি। কিন্তু অভিযোগ দিলেও তার কিঞ্চিত পরিমান পরিবর্তন হয়নি। সে এখন আমাকে মেরে ফেলে মাটিতে পুতে রাখবে বলে হুমকি দিচ্ছে। ভুক্তভোগী নারী জীবনের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
মেহেদী হাসান বলেন, আমি তাকে বিনা কারনে মারধর করিনি। তিনি তার গর্ভধারীনি মাকে বলেন তিনি একজন চরিত্রহীন মহিলা। তিনি বলেন, প্রয়োজনে আরো মারবো।
এ বিষয়ে পোলেরহাট ফাড়ির ইনচার্জ মোঃ আফজাল হোসেন বলেন, মোসাঃ নাজমা বেগমের দ্বিতীয় বিয়েকে কেন্দ্র মেহেদী হাসান একাধিক ভাবে তার মাকে মারধর করেছে বলে সত্যতা পেয়েছি। তিনি বলেন,ঘটনাটি সত্যিই দুঃখ জনক। সঠিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান।
কেশবপুরে আগুন লেগে দোকান পুড়ে যাওয়ায় ৩ ব্যবসায়ীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান
আলমগীর হোসেন, কেশবপুর প্রতিনিধি,
কেশবপুরে আগুন লেগে দোকান পুড়ে যাওয়ায় ৩ ব্যবসায়ীকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। ক্ষতিগ্রস্থ প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে দোকান মেরামতের জন্য ৭ হাজার ৫শ টাকা করে প্রদান করা হয়েছে।
জানা গেছে, গত ১ মে (শনিবার) দুপুরে বৈদ্যুতিক শর্ক সার্কিট থেকে আগুন লেগে উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়নের নুড়িতলা বাজারের ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের পান-সুপারির দোকান, আব্দুল মোমিনের ইলেকট্রনিক্সের দোকান ও মুক্তার আলী ভুট্টোর চালের দোকানসহ মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ওই ৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। বিষয়টি জানতে পেরে সে সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন তাদেরকে সহযোগীতার আশ্বাস দেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ ওই ৩ ব্যবসায়ীর হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ রিজিবুল ইসলাম।
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান জানান, বৈদ্যুতিক শর্ক সার্কিট থেকে আগুন লেগে তাদের ৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাওয়া ওই আর্থিক সহযোগীতা দিয়ে তাদের পুড়ে যাওয়া দোকান মেরামত করবেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ রিজিবুল ইসলাম বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে জিআর খাত থেকে ক্ষতিগ্রস্থ প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে ৭ হাজার ৫শ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
খুলনায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ
তথ্য বিবরণী
খুলনা জেলার পাইকগাছা, দাকোপ ও কয়রা উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত বয়েছে।
আজ (বৃহস্পতিবার) পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সাড়ে পাঁচ টন ত্রাণসামগ্রী তিন হাজার পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। খাদ্যসহায়তার মধ্যে ছিলো চাল, ডাল, আলু, শুকনা খাবার, চিড়া ইত্যাদি। ৫০ জন শিশুর মাঝে সুজি, সেমাই, কিসমিস, বাদাম ইত্যাদি শিশুখাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া পাঁচশত মানুষকে স্যানিটাইজার ও মাস্ক, ৫০ জন নারীকে স্যনিটারি ন্যাপকিন, ৫০ জন কৃষকের মাঝে গো-খাদ্য হিসেবে খোল-ভূষি বিতরণ করা হয়েছে। ৫০টি বিশুদ্ধ পানির জার ও বালতি বিতরণ করা হয়েছে। একই সাথে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে রান্না করা খিচুড়ি বিতরণ করা হচ্ছে।
কয়রা উপজেলায় ১০টন ত্রাণসামগ্রী এবং প্রতি ইউনিয়নে নগদ আড়াই লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। সরকারি, বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন এসব ত্রাণসামগ্রী বিতরণে সহায়তা করেছে।
দাকোপ উপজেলায় তিনশত পরিবারের মাঝে চিড়া, মুড়ি, গুড় ইত্যদি শুকনা খাবার এবং দুইশত ২০ পরিবারের মাঝে শিশুখাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে পাঁচ টন চাল ও শুকনা খাবার ক্রয়ের জন্য নগদ অর্থ বিতরণ কার্যক্রম চলমান আছে।
খুলনা বিভাগে করোনায় কর্মহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত
তথ্য বিবরণী
খুলনা বিভাগের সাতক্ষীরা, মেহেরপুর, বাগেরহাট ও চুয়াডাঙ্গা জেলায় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় করোনায় কর্মহীনদের মাঝে নগদ অর্থ ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ পর্যন্ত ত্রাণ হিসেবে ৪৫ হাজার নয়শত ২৪ পরিবারের মাঝে দুই কোটি ২৯ লাখ ৬২ হাজার টাকা এবং ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় দুই লাখ ৮৭ হাজার তিনশত ৪০ উপকারভোগী পরিবারের মাঝে ১২ কোটি ৯৩ লাখ তিন হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া সাতশত ৩৮টি পরিবারের মাঝে শিশু খাদ্য হিসেবে তিন লাখ টাকা এবং গো খাদ্য হিসেবে চারশত ৭৯জন উপকারভোগীর মাঝে তিন লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। ৩৩৩ কল এর মাধ্যমে ৯৭ টি পরিবারকে খাদ্যসহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
মেহেরপুর জেলায় এ পর্যন্ত ১৩ হাজার দুইশত ৫০ উপকারভোগী পরিবারের মাঝে ৬২ লাখ ৬২ হাজার পাঁচশত টাকা এবং ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ১৫ হাজার দুইশত ৫০ উপকারভোগী পরিবারের মাঝে ৬৮ লাখ ৬২ হাজার পাঁচশত টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এছাড়া ৩৩৩ কল এর মাধ্যমে ১৫টি পরিবারকে খাদ্যসহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
বাগেরহাট জেলায় এ পর্যন্ত ৪০ হাজার ছয়শত ৫০ উপকারভোগী পরিবারের মাঝে দুই কোটি পাঁচ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় এক লাখ ৭২ হাজার আটশত ৯৯ উপকারভোগী পরিবারের মাঝে সাত কোটি ৭৮ লাখ চার হাজার পাঁচশত ৫০ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ৩৩৩ কল এর মাধ্যমে দুইশত ৩৯টি পরিবারকে খাদ্যসহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ পর্যন্ত ২৩ হাজার ছয়শত ৬৮ উপকারভোগী পরিবারের মাঝে এক কোটি সাত লাখ ৬৩ হাজার টাকার খাদ্যসামগ্রী এবং ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ৫৩ হাজার আটশত ২৫ উপকারভোগী পরিবারের মাঝে দুই কোটি ৪২ লাখ দুই হাজার একশত ২৫ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ৩৩৩ কল এর মাধ্যমে এক হাজার ছয়শত চারটি পরিবারকে খাদ্যসহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
খুলনা বিভাগের অন্যান্য জেলাগুলোতে অনুরূপ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।
খুবির নবনিযুক্ত উপাচার্যের ক্যাম্পাসে নির্মাণাধীন বিভিন্ন অবকাঠামো পরিদর্শন, কাজের গতি ত্বরান্বিতের নির্দেশ
০খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন আজ ২৭ মে ২০২১ খ্রি. বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ক্যাম্পাসে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পে নির্মাণাধীন বিভিন্ন অবকাঠামোর কাজ পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি নির্মাণাধীন ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন এন্ড রিসার্স (আইইআর) ভবন, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, জয়বাংলা চতুর্থ একাডেমিক ভবন, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, শহিদ ডা. আলীম চৌধুরী মেডিকেল সেন্টার পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি করোনার কারণে নির্মাণকাজে যে শ্লথাবস্থার সৃষ্টি হয় তা কাটিয়ে উঠতে সকল কাজের গতি ত্বরান্বিত করার জন্য পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগ এবং প্রকৌশল বিভাগকে নির্দেশনা দেন। পরিদর্শনকালে উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. উত্তম কুমার মজুমদার, প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মোঃ আব্দুর রাজ্জাকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে নবনিযুক্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন আজ বেলা ১২টায় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগ এবং প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর নির্মাণ ও সংস্কারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত হন। এসময় তিনি সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের নিষ্ঠার সাথে কাজ করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণ কাজের যথাযথ মান বজায় রাখতে তাদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। এছাড়া তিনি চলতি অর্থ বছরের বরাদ্দ যথযাথভাবে কাজে লাগানোর নির্দেশনাও দেন। সভায় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুসসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিন, হল, বিভাগ, দপ্তরের পক্ষে নবনিযুক্ত উপাচার্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়। বেলা ১টায় নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর সুধীর কুমার পাল খুবির নবনিযুক্ত উপাচার্যকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। বেলা ১টা ৩০ মিনিটে খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত উপাচার্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কেএম ইকবাল হোসেন, জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যাড. এনামুল হক উপস্থিত ছিলেন। বিকেল ৩টায় তিনি আইসিটি সেলের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্ষেত্রে ই-ফাইলিং সিস্টেম চালু করা, অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ও ফলাফল প্রকাশের গুরুত্বারোপ করে এসব কাজের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদানের নির্দেশনা দেন। এসময় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. কামরুল ইসলাম তালুকদারসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
খুবির বিবিএ ডিসিপ্লিনের শিক্ষক ড. জহিরউদ্দিনের পিতার ইন্তেকালে উপাচার্যের শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর ড. এটিএম জহিরউদ্দিন এর পিতা মোঃ আব্দুর রাজ্জাক ঠাকুর গত রাত ৩টায় ফরিদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৮৩ বছর। তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ বৃহস্পতিবার বাদ জোহর ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বড়খারদিয়া গ্রামে নামাজে জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর ড. এটিএম জহিরউদ্দিন এর পিতার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোক বিবৃতিতে তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
অনুরূপ শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিন প্রফেসর এস এম জাহিদুর রহমান, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
পাইকগাছায় ২৭ কিলোমিটার ওয়াপদার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ : ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি
পাইকগাছা প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় ঘুর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে পূর্ণিমার প্রবল জোয়ারের পানির চাপে ২৭ কিলোমিটার ওয়াপদার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ। বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
পাইকগাছা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দীন জানান, উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন একটি পৌরসভার প্রায় ২৭ কিলোমিটার ওয়াপদার রাস্তা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে এলাকায় পানি প্রবেশ করে। যার মধ্যে সোলাদানা, দেলুটি, গড়ইখালী, কপিলমুনি, লতা ইউনিয়নে বিভিন্ন এলাকা ভেঙ্গে ও ওয়াপদার বাঁধ উপচে পানি প্রবেশ করে প্লাবিত হয়। এর মধ্যে সোলাদানা ইউনিয়নে সর্বাধিক ৬ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা পবিত্র কুমার দাস জানান, উপজেলায় ৬৬০ হেক্টর চিংড়ি ঘের প্লাবিত হয়ে ১ কোটি ১৫ লাখ টাকার চিংড়ি ও মৎস্য সম্পদের ক্ষতি হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, এ মৌসুমে তেমন কোন ফসল না থাকায় কৃষি ক্ষেত্রে কোন ক্ষতি হয়নি, তবে দেলুটি ও গড়ইখালী ইউনিয়নে ১ হেক্টর জমিতে লবণ পানি উঠে আউস ধানের বীজতলা নষ্ট হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী জানান, পূর্ণিমার জোয়ারের পানিতে বিভিন্ন ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার মত ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা তৈরীর কাজ চলছে। তাদের পুনর্বাসনের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
“উম্মোচিত হবে বঙ্গবন্ধুর জীবন, কর্ম, রাজনৈতিক দর্শন, মুক্তিযুদ্ধ এবং প্রকৌশল ও প্রযুক্তির সাথে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক নানা বিষয়”
০খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় (কুয়েট) এ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও ‘মুজিব শতবর্ষ’ উপলক্ষ্যে “বঙ্গবন্ধু চেয়ার” প্রবর্তন করা হয়েছে। ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত অধ্যাপক “বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রফেসর” উপাধিতে ভূষিত হবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৭৩তম সভায় বিষয়টি অনুমোদন করা হয়।।
‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ পদটি সৃষ্টি করা হয়েছে মূলত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গৌরবময় জীবন ও কীর্তি, আদর্শ ও কর্ম এবং ভাষা আন্দেলন, মুক্তিযুদ্ধ, উচ্চ শিক্ষা, বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি এবং বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার সাথে সম্পৃক্ত প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিষয়ে গবেষণার জন্য। পিএইচডি ডিগ্রীধারী জাতীয়/আন্তর্জাতিকভাবে সর্বজনবিদিত বাংলাদেশী পন্ডিত, শিক্ষকতায় যার কমপক্ষে ২০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে, যিনি স্বীকৃত বিশ^বিদ্যালয়ের যেকোন বিভাগের একজন প্রথিতযশা প্রফেসর তিনি নিয়োগ নীতিমালা অনুযায়ী ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’ হিসেবে নিয়োগ পাবেন। ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রফেসর’ সম্মানীসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা প্রাপ্ত হবেন। বঙ্গবন্ধু চেয়ারে যিনি বসবেন, তাঁর বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কীর্তি, রাজনীতি, আদর্শ ও কর্ম এবং ভাষা আন্দেলন, মুক্তিযুদ্ধ, উচ্চ শিক্ষা, বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি এবং উন্নয়ন বিষয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে স্বীকৃত/আন্তর্জাতিক মানের অন্ততঃ ১০টি বই/নিবন্ধ/প্রবন্ধ/বুক চ্যাপ্টার থাকতে হবে। বিশ^বিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর এর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার নির্বাহী কমিটি’ নামক সিন্ডিকেট কর্তৃক অনুমোদিত একটি কমিটির মাধ্যমে সুপারিশকৃত যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে সিন্ডিকেটের অনুমোদনক্রমে প্রতি দফায় ২ বছরের জন্য এ নিয়োগ কার্যকর হবে। কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে থাকবেন অত্র বিশ^বিদ্যালয়ের দুইজন প্রফেসর (গ্রেড-১), বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট কর্তৃক মনোনিত একজন প্রতিথযশা ব্যক্তি, ১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর খুলনা এর ট্রাস্টি/মনোনিত ব্যাক্তি। বিশ^বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কমিটির সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘এ বিশ^বিদ্যালয়ে “বঙ্গবন্ধু চেয়ার” প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর জীবন, কর্ম, রাজনৈতিক দর্শন, মুক্তিযুদ্ধ এবং প্রকৌশল ও প্রযুক্তির সাথে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক নানা বিষয় নিয়ে কাজ করার সুযোগ তৈরী হলো। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ নিয়ে গবেষণা কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করি, প্রথিতযশা গবেষক যিনি ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রফেসর’ হবেন তার হাত ধরে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু চর্চার দিগন্ত প্রসারিত হবে।’
ডুমুরিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী আ’লীগ নেতা সাংবাদিক জাহাঙ্গীরের গনসংযোগ
ডুমুুরিয়া প্রতিনিধি
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ণ প্রত্যাশী উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক ও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাহাঙ্গীর আলম গতকাল বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচীতে অংশ গ্রহন করেন। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘুর্নিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্থ ঘরবাড়ি, মৎস্যঘের, আশ্রয়ন প্রকল্পে আশ্রয় নেয়া মানুষের খোজঁ খবর নেন। তিনি সকালে চর ডুমুরিয়া গ্রামের ক্ষতিগ্রস্থ সকল বাড়ি ও মৎস্যঘেরে যান। এর আগে ডুমুরিয়া মহিলা কলেজে আশ্রয় নেয়া বাসভাসী মানুষের খোজঁ খবর নেন। পরে ট্রলারঘাট ও ডুমুরিয়া বড় বাজার এবং আশপাশের ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় যান। এসময়ে তিনি সকলকে ধ্যর্য ধরে এ কঠিন দুর্যোগ মোকাবেলা করার আহবান জানান। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মাহাবুর রহমান, হাবিবুর রহমান, বিল্লাল শেখ, ব্যাপারি আইয়ুব আলী, নওশের সরদার, আজমত শেখ, কালাম ঢালী, রিজাউল শেখ, আতিয়ার শেখ, আলমগীর মোড়ল, সুমন শেখ, কবির মোড়ল, ইনামুল হালদার, পলাশ রায়, বাধঁন মন্ডল, সুব্রত বিশ্বাস, হারুনুর রশীদ বাবু, এস কে বাপ্পি, জাহাঙ্গীর মোড়ল প্রমুখ।
কেএমপির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১
স্টাফ রিপোর্টার
মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকা হতে ২০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ী হলেন নগরীর দৌলতপুর মনিকতলার সাহেব পাড়ার মৃত. আকবর শেখ এর ছেলে মো. মিলন শেখ ওরফে পোড়া মিলন (২৭)।
কেএমপির সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চের বিশেষ পুলিশ সুপার রাশিদা বেগম জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এসময় ২০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।











































