০ স্টাফ রিপোর্টার
নগরীর আড়ংঘাটা থানা এলাকায় জনৈক জাকির হোসেন মৃধার জমি জবর দখলের অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগী। এর প্রতিকার চেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।
আড়ংঘাটা থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন, রায়েরমহল এলাকার মৃত শেখ দলিল উদ্দিনের ছেলে জয়নুল আবেদীন, আয়নুল আবেদীন মারুফ, শেখ ফারুক হোসেন, শেখ ফেরদৌস উদ্দিন ফিরোজ, আসমা বেগম ও রেশমা বেগমসহ একটি চক্র তার জমিতে সাইনবোর্ড দিয়ে দখলের পায়তারা চালায়। সে লক্ষ্যে ডুমুরিয়া মৌজার বিল পাবলা এলাকায় ১৩২৪/১ নং খতিয়ানের এসএ ৭২৭ নং খতিয়ানের স্থলে বুজারত ৭১৮৮ ও ৭১৮৭ খতিয়ানের স্থলে আরএস জরিপের আরএস ১৯৫৯ ও ১৯৬০ নং খতিয়ানে লিখিত সিএস ও এসএ ৪৬০২ নং দাগের স্থলে ভুমি জরিপের আরএস ৪০১৪৮ নং দাগে বিলান ২ দশমিক ৭৩ একর জমির মধ্যে ১ দশমিক ৫০ একর জমি নিজের বলে দাবি করেন। উক্ত জমি আমি ক্রয় চুক্তিতে ভোগ দখল করে আসছি। অথচ উক্ত ব্যক্তিরা তা নিজের দাবি করে বিরোধ বাধানোর চেষ্টা করছে। এর কারন জিজ্ঞেস করলে ও কাগজপত্র নিয়ে বসতে চাইলে তারা তা দেখাতে পারেনি এবং বিভিন্নভাবে হয়রানী শুরু করে। বিষয়টি স্থায়ীভাবে মিমাংশার দাবি জানান ভুক্তভোগী।
এদিকে উক্ত জমিতে গিয়ে দেখা যায় বিশাল এক সাইনবোর্ড টানিয়ে দিয়েছেন আয়নুল আবেদীন মারুফ। এর কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি এর কোন সদুত্তোর দিতে পারেনি। বরং নিজেকে সিটি কর্পোরেশনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বলেন, আমার পৈত্রিক জমি তাই আমি দখলে নিয়েছি। এ নিয়ে কারও কাছে কৈফিয়ত দেবো না।
এ বিষয়ে মোঃ জাকির হোসেন মৃধা বলেন, আমি বয়রা মেই রোড এলাকার মোসাঃ জাকিয়া সুলতানা ও মোঃ নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকীর নিকট হতে জমিটি খরিদা চুক্তিতে ভোগ করে আসছি। হঠাৎ করে কেসিসির কর্মকর্তা পরিচয়দানকারী মারুফ জমিটি জবর দখল করতে চাচ্ছে। যা আইনত অবৈধ। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে বসাবসির আবেদন করেও কোন সাড়া পায়নি। মূলত আমাদের ভোগান্তির জন্যই তিনিসহ তার লোকজন আমাদেরকে হয়রানী করছে। তিনি এর প্রতিকার দাবি করেন।










































