০সৈয়দ রিপন, অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি
জ্যৈষ্ঠ মাসে বাহারি রকম সব ফলের মধ্যে অভয়নগরের ছোট বড় হাট বাজার সহ বিভিন্ন পাড়া মহল্লার অলিগলিতে বেড়েছে তাল শাঁসের কদর। প্রচন্ড গরমে মানুষ একটু স্বস্তি পেতে তালের শাঁস বিক্রেতাদের দোকানে ভিড় করছে। শুরুতেই চাহিদা বেশি হওয়ায় দাম কিছুটা বেশি। ছোট বড় মিলিয়ে প্রতিপিচ তাল শাঁস ৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সে হিসাবে প্রতিপিচ তাল বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকায়। এবার উপজেলার প্রতিটি গ্রামের তাল গাছে তালের ফলন ভালো হয়েছে। স্থানীয় ভাবে এটাকে তালের শাঁস বা তালের আটি বলে থাকে। গ্রীষ্মের প্রচন্ড গরমে জনপ্রিয় এই তালের শাঁস সকলের কাছে প্রিয় খাবার। বর্তমানে এর চাহিদা অনেক বেড়েছে। বেচা বিক্রি বেশি হওয়ায় তাল কাটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বিক্রেতাকে। একজনকে দিতে না দিতে আরো অনেক ক্রেতা দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তালের শাঁস বিক্রেতা ধোপাদী গ্রামের নূর ইসলাম জানান প্রতি বছর এই সময় সে বিভিন্ন গ্রাম থেকে তাল পেড়ে এনে শাঁস বিক্রি করে সংসার চালায়। প্রতিদিন সে ৪শ থেকে ৫শ পিচ তাল শাঁস বিক্রি করে থাকে। এতে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা লাভ থাকে তার। একই এলাকার তাল বিক্রেতা আফসার সরদারও এমনি বলেন। তাল কিনতে আশা জাকির হোসেন হৃদয় জানান, গরমে তালের শাঁস খেতে ভালোলাগায় দাম একটু বেশি হলেও পরিবারের জন্য নিয়ে যাচ্ছি। স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, তালের শাঁস শরীরের জন্য খুবই উপকারী ফল। গরমের দিনে তাল শাঁসে থাকা জ্বলীয় অংশ মানবদেহে পানি শুন্যতা দুর করে। এছাড়া ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি, এ, বি-কমপ্লেক্সসহ নানা ধরনের ভিটামিন রয়েছে। তাতে থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। কচি তালের শাঁস রক্ত শুন্যতা দুর করে। চোঁখের দৃষ্টি শক্তি ও মুখের রুচি বাড়াতে সাহায্য করে।











































