গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে যাত্রীবাহীবাস ও নসিমনের সংঘর্ষে ৫ নির্মাণ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে শুক্রবার সকাল ৮ টার দিকে উপজেলার পোনা বাসস্ট্যান্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধারকরে প্রথমে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহতরা হলেন উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের তিতা গ্রামের বেলায়েত মুন্সীর ছেলে সুমন মুন্সী (২০), রাফিক মোল্যার ছেলে বদিয়ার মোল্যা (৩০) বজলু ফকিরের ছেলে মিজান ফকির (৫০), আজিরন ফকিরের ছেলে মোঃ লায়েক ফকির (৫০) ও আবি মোল্যার ছেলে সিরাজুল ইসলাম মোল্যা (৩০)। মৃত্যুর বিষয়টি কাশিয়ানী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজিজুর রহমার, ঘোনাপাড়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িরইনচার্জ এস.আই নিজামুল আলম, গোপালগঞ্জ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. অসিত কুমার মল্লিক ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত ডা. অঞ্জন কুমার সাহা নিশ্চিত করেছেন। ঘোনাপাড়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস.আই নিজামুল আলম জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে কাশিয়ানীর পোনা বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় পাশ্ববর্তী সংযোগ রাস্তা থেকে একটি যাত্রী বোঝাই নছিমন মহাসড়কে উঠছিল। এ সময় থেকে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ফালগুনী পরিবহনের একটি বাসের সাথে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই এক নছিমন যাত্রী নিহত হয়।
কাশিয়ানী হাসপাতালে নেয়ার পথে আরও দুই নছিমন যাত্রী মারা যান। আহত নছিমনের আরও ৭ যাত্রীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আশংকাজনক অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভাংগা হাইওয়ে থানার ওসি আতাউর রহমান জানান, চিকিৎসারত অবস্থায় পরে ফরিদপুরে ১জন ও গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ১ জন মারা যান। নছিমনের যাত্রীরা কাশিয়ানী উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের তিতাগ্রাম থেকে নছিমনে করে ভবননির্মাণ কাজ করতে কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া যাচ্ছিলেন বলে জানান ওই কর্মকর্তা। তারা সবাই নির্মাণ শ্রমিক ভাটিয়াপাড়া এলাকায় একটি ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের কাজে যাচ্ছিলো।











































