মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
মণিরামপুরে সরদার ব্রিকস নামে একটি ইটভাটা গুড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। রোববার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার দোঁদাড়িয়া এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোজিনা আকতারের উপস্থিতিতে এই অভিযান চলে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও ইট পোড়ানোর অনুমতিপত্র না থাকায় ভাটাটি গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া উপজেলার হাজরাকাটি এলাকায় নিউ ব্রিকসকে সতর্ক করে ভাটা সরিয়ে নিতে একমাসের সময় দেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর যশোর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক হারুন-অর-রশীদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, সরদার ব্রিকসটি অবৈধভাবে পরিচালিত হওয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোজিনা আকতারের উপস্থিতিতে দুটি ট্রাকটর দিয়ে ভাটার সকল কাঁচা ইট গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ভাটার ক্লিনের আংশিক ভেঙে দেওয়া হয়েছে। মণিরামপুরবাদেও কেশবপুর,চৌগাছা এবং সদর উপজেলায় ভাটার বিরুদ্ধে অভিযান চলেছে, বলেন হারুন-অর-রশীদ।
এদিকে সরদার ব্রিকসের মালিক রবিউল ইসলাম রবি দাবি করেন, কোনপ্রকার পূর্বসংকেত ছাড়াই ভাটায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ভাটার একলাখ কাঁচা ইট নষ্ট করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আমার ভাটার অনুমতিসহ সবই আছে। আমি লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করেছি। কিন্তু পরিবেশ অধিদপ্তরের নতুন আইনে লাইসেন্স নবায়ন হয়নি। দুই একটি বাদে মণিরামপুরের প্রায় সব ভাটাই অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

কেশবপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত অবৈধ দুই ইটভাটা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়েছে
আলমগীর হোসেন,কেশবপুর প্রতিনিধিঃ
যশোরের কেশবপুরে গত ২০ ডিসেম্বর রবিবার সকালে ভ্রাম্যমান আদালত এক অভিযান চালিয়ে অনুমোদনহীন ভাটা তৈরী ও ইট পোড়ানোর অভিযোগে দুই প্রভাবশালীর ইট ভাটা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার সাতবাড়িয়া প্রধান সড়ক সংলগ্ন সুপার ব্রীক্স নামে ফারুকুল ইসলাম ও বেগমপুর বাজার সংলগ্ন রিপন ব্রিকস নামে আর ও একটি কোন অনুমোদন ছাড়াই লোকালয় সংলগ্ন কৃষি জমির উপর প্রভাব খাঁটিয়ে ভাটা নির্মাণ করে অবাদে ইট পুড়িয়ে আসছিল। এ অবৈধ ভাটা নির্মাণের প্রতিবাদে সচেতন এলাকাবাসি দীর্ঘদিন ধরে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন দপ্তরে ভাটা বন্ধের দাবিতে অভিযোগ করে আসছিল। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২০ ডিসেম্বর’ সকালে পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা থেকে পরিচালিত যশোর জেলা কার্যলয়ের সযোগিতায় ইট প্রন্তুত ভাটা নিয়ন্ত্রন আইনের অধিনে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রোজিনা আক্তারের নেত্বতে কেশবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি)ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইরুফা সুলতানা সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ভাটার আগুন নিভিয়ে দিয়ে পরে বুলডোজর দিয়ে ঐ অবৈধ ভাটা দুইটির ইট পুড়ানো চিপনি গুড়িয়ে দেয়। এরপর ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ঐ ভাটা দুইটির সকল কায্যক্রম বন্ধ ঘোষনা করেন। এসময় কেশবপুর থানা পুলিশের একটি টিম ও ভুমি অফিসের সহকারী মোঃ ফারুক হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এবিষয়ে কেশবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ইরুফা সুলতানা জানান, পর্যায়ক্রমে উপজেলার অনুমোদনহীন ভাটামালিকের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।










































