কমরেড আজিজুর রহমান স্মরণে সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশের ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কমিউনিস্ট নেতা কমরেড আজিজুর রহমানের স্মরণে সভা করেছে ছাত্রমৈত্রীর সাবেক নেতাকর্মীদের ফোরাম মৈত্রীর বন্ধন।
শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকালে নগরীর বিএমএ মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুর করিম বাবুর সভাপতিত্বে সভাটি সঞ্চালনা করেন সাবেক ছাত্রনেতা গাজী ওয়াহিদুজ্জামান টিটো। বক্তব্য দেন রাজনীতিক শ্যামল সিংহ রায়, সাংস্কৃতিক সংগঠক শাহীন জামান পন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোড়ল নূর ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডভোকেট কুদরত ই খুদা, অ্যডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম সিদ্দিকী, ডা. সমরেশ রায়, মোস্তফা খালিদ খসরু, আনিসুর রহমান মিঠূ, সাবেক ছাত্রনেতা সেন্টু প্রমুখ।
স্মরণ সভায় বক্তারা বলেন, কমরেড আজিজুর রহমান আজীবন সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সংগ্রাম করেছেন। তিনি কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। তাঁর জীবনাদর্শ থেকে নতুন প্রজন্মকে শিক্ষা নিতে হবে।
বড়বাজার ব্যবসায়ীর মাতা স্মরণে প্রার্থনা সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
নগরীর বড়বাজার কালিবাড়ি রোডের স্টার ট্রিডিংয়ের সত্ত্বাধিকারি দীপক কুমার সাহার মাতা সন্ধ্যা রানী সাহা স্মরনে প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় বাজার কালিবাড়ি মন্দিরে এর আয়োজন করা হয়। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় পরোলো গমন করেন।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উজ্জল ব্যানার্জী। ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ধর্মীয় সংবাদ পরিবেশক সুব্রত হালদার তপা। উপস্থিত ছিলেন পুরোহিত ও সেবায়েত শিবচন্দ্র ব্যানার্জী, পূজা উদ্যাপন পরিষদ নগর শাখার সভাপতি শ্যামল হালদার, সাবেক সভাপতি গোপী কিষান মুন্ধাড়া, সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুন্ডু, ওয়ার্ড কাউন্সিলর সামসুজ্জামান মিয়া স্বপন, খুলনা বাজার ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. সোহাগ দেওয়ান, সুশান্ত ব্যানার্জী,স্বপন সাহা, দিলীপ সাহা, স্বপন সরকার, তপন সাহা, তোতন হালদার, অরবিন্দু সাহা, শরৎ মুন্ধাড়া, মুখেশ রাম, বিকাশ সাহা মদন, তরুন রায় শিবু, আকাশ ব্যানার্জী, ইন্দ্রজিৎ কুন্ডু গোপাল, রতন দেবনাথ, দিপ্রো দাস, রুপন দে, ভবেশ সাহা, সৌরভ হাজরা, মনোজ রায়, রাজু শীল, বিশ্বরুপ সরকার, বিধান রায়, বাবলু রায়, অনিক ব্যানার্জী, সবুজ ভট্টচার্য, রতন সাহা, মনি সাহনী, মধু সাহা, সনত বকসী ও দিপক সাহাসহ ভক্তবৃন্দ।
“দেশের অগ্রগতির জন্য গবেষণা খুবই গুরুত্বপূর্ণ”-ইউজিসি চেয়ারম্যান
ফুলবাড়ীগেট(খুলনাপ্রতিনিধি
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) তিন দিনব্যাপি ৬ষ্ঠ ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন মেকানিক্যাল, ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং (আইসিএমআইইই) ২০২০ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের আয়োজনে ১৯ ডিসেম্বর শনিবার সকাল সাড়ে ০৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টারে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ এবং প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, “দেশের অগ্রগতিতে গবেষণা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এধরণের কনফারেন্স নতুন নতুন গবেষণা ও আইডিয়া সম্পর্কে ধারণা দেয়। বিগত ১৫ বছরে ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্সের বিপুল অগ্রগতি সাধিত হয়েছে এবং আমাদের জীবনে তার বিপুল প্রভাব রয়েছে। ভবিষ্যতের সকল উন্নয়নের ক্ষেত্রে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইন্ডাস্ট্রির ভূমিকা হবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “আইসিএমআইইই এর ন্যায় আন্তর্জাতিক সম্মেলন নতুন নতুন উদ্ভাবন ও সমস্যা সমাধানের পথ খুলে দেয়। বাংলাদেশ সরকার বিগত কয়েক বছর ধরে গবেষণার ক্ষেত্রে বিপুল অর্থ বরাদ্দ করছে, এটি দেশের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে”। সম্মেলন অর্গানাইজিং কমিটির চেয়ারম্যান ও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ডঃ মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন টেকনিক্যাল কমিটির সচিব প্রফেসর ড. জহির উদ্দিন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তৃতা করেন সম্মেলন অর্গানাইজিং কমিটির সচিব প্রফেসর ড. সোবাহান মিয়া। সম্মেলনে মেকানিক্যাল, ইন্ডাস্ট্রিয়াল, এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং, লেদার, টেক্সটাইল, কেমিক্যাল ও মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিভিন্ন বিষয়ের উপর আমেরিকা, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও বাংলাদেশের খ্যাতনামা অধ্যাপক, স্বনামধন্য গবেষক ও প্রকৌশলীগণ কর্তৃক মোট ১১ টি কীনোট লেকচার ও ২৬টি প্যারালাল সেশনে ১২৯ টি টেকনিক্যাল পেপার উপস্থাপিত হবে। উল্লেখ্য, ২০১০ সাল থেকে প্রতি দুই বছর পরপর সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের সম্মেলনে অফিসিয়াল স্পন্সর বিআরবি গ্রুপ। এছাড়াও সহযোগিতা করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা শিপইয়ার্ড, হ্যামকো গ্রুপ, সিনকস ইঞ্জিনিয়ারিং, ইয়ামাহা গ্রুপ, চায়না জিও ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন, আএফএল গ্রুপ।
কপিলমুনিতে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সহর আলীর স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত
কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি
শেখ ইমাম উদ্দীন সংসদের উদ্যোগে কপিলমুনি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ শহর আলী গাজীর স্মরণ সভা শনিবার বেলা ১১টায় কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কপিলমুনি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কওছার আলী জোয়ারদারের সভাপতিত্বে ও আব্দুল্যাআল মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক জি এম আমিনুল ইসলাম। এছাড়া বক্তব্য রাখেন তালা মুক্তিযোদ্ধা মহা বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ এনামুল ইসলাম, অধ্যক্ষ হাবিবুল্যাহ বাহার, অধ্যক্ষ মুজিবর রহমান, সাবেক উপাধ্যক্ষ মোঃ আফছার আলী, এরফান আলী মোড়ল, সাবেক প্রধান শিক্ষিকা সুরাইয়া বানু ডলি, ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি যুগোল কিশোর দে, কপিলমুনি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রাজু, শেখ আছাদুর রহমান পিয়ারুল, এইচ এম শফিউল ইসলাম প্রমূখ। এছাড়া শুক্রবার জুম্মাবাদ কপিলমুনির ৪ টি মসজিদে শেখ ইমাম উদ্দীন সংসদের পক্ষ থেকে মরহুম অধ্যক্ষ শহর আলী গাজীর দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জাতীয় পার্টি জেপি কর্তৃক মহান বিজয় দিবস ও খুলনা মুক্ত দিবস পালিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
১৭ই ডিসেম্বর জাতীয় পার্টি জেপি খুলনা জেলা ও মহানগর শাখার যৌথ উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস ও খুলনা মুক্ত দিবস উপলক্ষে বি.এম.এ ভবনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জেপির প্রেসিডিয়াম সদস্য শরীফ শরিফুল হামিদ চন্দন বলেন জাতিসংঘ কর্তৃক ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পুরষ্কার ঘোষণা করায় বাংলাদেশের জনগণকে সম্মানিত করা হয়েছে। তিনি বাংলাদেশে জনগণের প্রতি সম্মানের এই স্বীকৃতিকে ধরে রাখার জন্য দেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের গণতান্ত্রিক শক্তি সমূহকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান। শনিবার বিকাল ৪.০০ ঘটিকায় জেপি খুলনা মহানগর শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্ব করেন এবং সভা পরিচালনা করেন ড.এস.এম জাকারিয়া। মহানগরের নেতা নজরুল ইসলাম (নজু) অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোশারফ হোসেন হাওলাদার, মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আয়েশা বেগম, মালা, মহানগর ছাত্র নেতা মোঃ আবু নাসের, জি,এম হাসান, মোঃ শফিউদ্দিন, এস,এম খলিলুর রহমান, মোঃ আকাশ ইসলাম দিশান, মোঃ জাকিরুল ইসলাম, মোঃ শোভন ইসলাম, রুনা আক্তার, হালিমা বেগম, জাহানারা বেগম, হোসনে আরা বেগম, মোহাম্মদ ইসলাম, মোঃ সোহেল, মোঃ মোক্তার হোসেন প্রমুখ।
ফকিরহাটে আ,লীগ নেতার ভাই সড়ক র্দুঘটনায় নিহত
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটে আওয়ামী লীগ নেতার ছোট ভাই রঘুনাথ মিত্র (৪৩) সড়ক র্দুঘটনায় গুরুত্বর আহত হয়ে ৫দিন মুত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে মুত্যু বরন করেছেন। শুক্রবার রাতে তিনি খুলনার একটি বেসরকারী ক্লিনিকে মুত্যু বরণ করেন। তার মুত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি পিলজংগ ইউনিয়নের ২নং বৈলতলী ওর্য়াড আওয়ামী লীগের সভাপতি শম্ভু মিত্রের ছোট ভাই এবং স্বগীয় রনজিৎ মিত্রের পুত্র। জানা গেছে, ঘটনার দিন রবিবার সকালে রঘনাথ মিত্র মটর সাইকেল যোগে নিজ বাড়ি বৈলতলী হতে কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ী হতে বাহির হয়ে ঢাকা মাওয়া মহাসড়কের তেলির পুতুর বিশ^রোডের রাস্তায় উঠতে যান। সে সময় একটি ট্রলি বেপরোয়া গতিতে এসে তাকে চাপা দিলে তিনি গুরুত্বর আহত হন। এসময় স্থানীয় লোকজন তাকে আহত অবস্থায় উর্দ্ধার করে খুলনার একটি প্রাইভেট ক্লিনিতে ভর্তি করলে শুক্রবার রাতে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। শনিবার সকালে টাউন নওয়াপাড়ার চামারিয়া মহাশ্নশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। এই র্মমাহত ঘটনায় এলাকাবাসির মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
চরমপন্থী লিপু হত্যায় ৮ জনকে আসামী করে মামলা : ফারুকসহ আটক ২
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার ফুলতলায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত মোল্যা হেমায়েত হোসেন লিপু’র হত্যার ঘটনায় তার ভাই মোল্যা হেদায়েত হোসেন লিটু বাদি হয়ে এজাহার নামীয় ৮জন সহ অজ্ঞাত আরও ২/৩ জনকে আসামী করে মামলা করেছেন। পুলিশ এজাহারভুক্ত আসামী চরমপন্থী নেতা ফারুক মোল্যাসহ দু’জনকে আটক করেছে। লাশের ময়না তদন্ত শেষে জানাযা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার রাতে ফুলতলার গরুহাট এলাকায় সন্ত্রসাীদের গুলিতে নিহত লিপুর ভাই ও ফুলতলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্যা হেদায়েত হোসেন লিটু বাদি হয়ে মামলা (নং-১৪, তারিখ-১৯/১২/২০২০ইং) দায়ের করেন। মামলায় বিপ্লবী কমিউনিষ্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা ও বাহিনীর প্রধান ফারুক মোল্যাসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। ঐ রাতেই পুলিশ ফুলতলার পয়গ্রামের একটা বাড়ি থেকে ফারুক মোল্যা (৪৫) ও তার সহযোগী কালিয়া থানার সাতবাড়িয়া গ্রামের মৃত আবু বক্কার শেখের পুত্র মুরাদ হোসেন শেখ (৪০) কে আটক করে। আটকদ্বয়কে শনিবার আদালতে সোপর্দ করে জিজ্ঞাসাদের জন্য ৭দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।
ওসি মাহাতাব উদ্দিন বলেন, অবৈধ অর্থের ভাগাভাগি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জের ধরে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে কি না সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ৩ টি গুলির খোসা, ১টি মোবাইল সেট ও ১টি চশমা উদ্ধার করে। গুলিতে নিহত হেমায়েত হোসেন লিপুর বুকে, তলপেটে ঝাঝরা এবং কপাল ও মুখ ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যায় বলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোস্তফা হাবিবুল্লাহ জানিয়েছেন। মামলার অন্যান্য আসামীদের হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, গেল শুক্রবার মোল্যা হেমায়েত হোসেন লিপু তার বাড়ির অদূরে ফুলতলা গরুহাট এলাকায় হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন অফিসে ও অফিসের বাইরে দাড়িয়ে কয়েকজন বন্ধু নিয়ে আড্ডা ও টিভি দেখছিলেন। এ সময় মোটর সাইকেল যোগে মুখোশধারী ৪/৫ জন অস্ত্রধারী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কিছু বুঝে উঠার আগেই লিপুর বুকে ও মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি বর্ষণ করে। সাথে সাথে লিপু মাটিয়ে লুটিয়ে পড়লে তার মৃত্যু হয়।
মোল্যা হেমায়েত হোসেন লিপু ফুলতলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্যা হেদায়েত হোসেন লিটুর ছোট ভাই। তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী দল (বিপ্লবী কমিউনিষ্ট পার্টি) তালিকাভূক্ত থাকায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সাধারণ ক্ষমা ও আত্ম সমার্পনের সুযোগ নিয়ে দু’বছর পূর্বে পাবনাতে গিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর হাতে অস্ত্র জমা দেয়। সরকারের আর্থিক অনুদান নিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন। গত ঈদুল ফিতরে ঈদ উদযাপনের জন্য ফুলতলা উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংসদ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ও খুলনার পুলিশ সুপার এস এস শফিউল্লাহ’র উপস্থিতিতে লিপুসহ আত্ম সমার্পণকৃত ৩২ সদস্যকে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদানের চেক প্রদান করা হয়।
কৃষকদের সমন্বিত উদ্যোগে জলাবদ্ধতা নিরসনের চেষ্টা
আনোয়ার হোসেন, মণিরামপুর (যশোর)
যশোরের মণিরামপুরের হরিদাসকাঠি সম্বোলডাঙা বিলে দেড় হাজার বিঘা জমি পানিতে তলিয়ে রয়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে গত মৌসুমে আমন চাষ করতে পারেননি এই বিলের কৃষকরা। সামনে বোরো মৌসুম। এবারও কৃষকদের জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার নেয়নি কোন উদ্যোগ। কৃষকরা নিজেদের খরচে পানি সেচার কাজ শুরু করেছেন। ১২টি ডিজেল ইঞ্জিন ভাড়ায় এনে কৃষকরা গত ১৭ দিন পানি সেচার কাজ করছেন।
শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) সরেজমিন হাজরাইল এলাকায় গিয়ে কৃষকদের পানি সেচে মুক্তেশ^রী নদীতে ফেলতে দেখা গেছে। ভোমরদহা গ্রামের ইদ্রিস গাজী নামে এক কৃষক কেশবপুর এলাকা থেকে ডিজেল ইঞ্জিনগুলো ভাড়া এনে ৫০জন শ্রমিক লাগিয়ে বিল সেচার কাজ করছেন। শ্রমিকরা সবাই সম্বোলডাঙা বিলের কৃষক। হরিদাসকাঠি ইউনিয়নের ভোমরদহা, সুবলকাঠি, শ্রীপুর ও হাজরাইল চার গ্রাম মিলে সম্বোলডাঙা বিল।
জমির পানি সরাতে কৃষককে বিঘাপ্রতি গুনতে হচ্ছে ৫০০-১০০০ টাকা। গত চার বছর ধরে এভাবে নিজেদের খরচায় জমির পানি সরিয়ে বোরো চাষ করতে হচ্ছে কৃষকদের। বিরামহীন রাতদিন চলছে ডিজেল ইঞ্জিনগুলো।
কৃষকরা জানান, মূলত বিলের পানি ঢাকুরিয়া খাল হয়ে পাঁচবাড়িয়া স্লুইজগেট দিয়ে মুক্তেশ^রী নদীতে পড়ে। সেই পানি ভবদহ হয়ে নেমে যেত। কিন্তু ভবদহে পলি জমায় সেখান দিয়ে পানি সরছে না। সেই কারণে মুক্তেশ^রী নদীতে ¯্রােত নেই। ফলে সম্বোলডাঙা বিলের পানি সরতে না পেরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। শীত মৌসুম আসলেও এখনো বিলে ২-৫ ফুট পানি জমে আছে।
পানি সেচের কাজে নিয়োজিত বুলবুল গাজী বলেন, আমরা প্রতিদিন তিনশ’ টাকায় কাজ করি। আমার নিজের দুই বিঘা জমি রয়েছে এই বিলে।
ভোমরদহ গ্রামের কৃষক অনিমেশ সরকার বলেন, বিলে এক একর জমি রয়েছে। আমন করতে পারিনি। রোবো ধান করার আশা আছে। জমি সেচার কাজ চলছে। বিঘাপ্রতি আমাদের এক হাজার টাকা দিতে হবে। বোরো ধান না লাগাতে পারলে খাব কি!
উদ্যোক্তা ইদ্রিস আলী বলেন, বিলের পানি সরাতে জমির মালিকরা সবাই উদ্যোগ নিয়ে কাজ শুরু করেছি। গত চার বছর ধরে পানি আটকে থাকায় আমরা ব্যাক্তি উদ্যোগে ডিজেল ইঞ্জিন দিয়ে পানি সরাচ্ছি। এইবারসহ আমি দুইবার দায়িত্ব নিয়েছি।
তিনি বলেন, কেশবপুর এলাকা থেকে দৈনিক ৬০০ টাকা চুক্তিতে প্রতিটি মেশিন ভাড়া করা। ১২টা মেশিন লাগিয়ে পানি সেচা হচ্ছে। এই পর্যন্ত ১৭ দিন বিরামহীন মেশিন চলছে। পুরো পানি সরাতে দেড়মাস লাগবে। বিঘাপ্রতি পানি বুঝে ৫০০-১০০০ টাকা করে নিচ্ছি। সবাই টাকা দেবে না। ইতোমধ্যে নয় লাখ ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়ে গেছে। মোট ১৬-১৮ লাখ টাকা খরচ হবে। আমার নিজের ১৮-২০ বিঘা জমি রয়েছে। লাভের আশা করছি না। নিজেদের স্বার্থে একাজ হাতে নেওয়া।
হাজরাইল এলাকার মেম্বর আমজাদ হোসেন বলেন, আমরা বিঘাপ্রতি এক হাজার টাকা করে দিচ্ছি। বিলের সব মাছ ধরে ওরা বেচে নেবে। প্রায় সাত-আট লাখ টাকার মাছ বেচতে পারবে। ওদের লস হবে না।
মণিরামপুর উপজেলা বিএডিসি অফিসের উপসহকারী প্রকৌশলী আকতার হোসেন বলেন, বিল কপালিয়ার পানি সরাতে সরকারি খরচে কাজ চলছে। সম্বোলডাঙা বিলের বিষয়টি আমার জানা নেই।
গতবছর এই বিলের পানি সেচা দিয়ে দ্বন্দ্বে মনির ও জাহিদুল নামে দুই কৃষক গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। দুর্বৃত্তদের দাবিকরা চাঁদা না দেওয়ায় তারা গুলিবিদ্ধ হন। ওই ঘটনায় তখন স্থানীয় ইউপি সদস্য দেবু ম-লসহ ছয় জন পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন।
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে বাগেরহাটে মানববন্ধন
বাগেরহাট প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে বাগেরহাটে বিভিন্ন বাস মালিক সমিতির আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৯ডিসেম্বর) সকালে বাগেরহাট কেন্দ্রীয় বাস টামিলালের সামনে মানববন্ধন করেছে বাগেরহাট বাস মালিক সমিতি, বাগেরহাট-রুপসা, রুপসা – বাগেরহাট মহিষপুরা-খুলনা, পিরোজপুর জেলা আন্ত জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ,মাইক্রোবাস মালিক ও শ্রমিক সমিতি।
ঘন্টাব্যাপী মাবনববন্ধন বক্তব্য রাখেন, বাগেরহাট আন্ত জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ, মাইক্রোবাস মালিক ও শ্রমিক সমিতির সাধারন সম্পাদক তালুকদার আব্দুল বাকী, বাগেরহাট-রুপসা আন্ত জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ, মাইক্রোবাস মালিক ও শ্রমিক সমিতির সভাপতি নিখিল চন্দ্র মুখার্জী, সাধারন সম্পাদক নকীব নজিবুল হক নজু, সহ-সভাপতি মোল্লা আব্দুস সামাদ, কোষাধক্ষ্য কমলেশ দাশ, মহিষপুরা আন্ত জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ, মাইক্রোবাস মালিক ও শ্রমিক সমিতি সভাপতি শেখ মাসুদুর রহমান, হিষপুরা খুলনা আন্ত জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ, মাইক্রোবাস মালিক ও শ্রমিক সমিতির সভাপতি সহদেব দাশ, কোষাদক্ষ্য স্বপন কুমার দাশ, বাগেরহাট জেলা শ্রমিক ইউনিয়ানের সহ- সভাপতি আসলাম বিশ^াস লিটু,মাসুম মোল্লা প্রমুখ।
এসময় মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একাত্তরের বিরোধী শক্তি, যারা বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেনি, তাদের প্রেতাত্মারাই বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণের বিরোধিতা করছে এবং রাতের অন্ধকারে কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য ভাংচুর করেছে। যদি আর কোনো জায়গায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য কেউ ভাঙার চেষ্টা করে, আমরা বসে থাকব না। তার উপযুক্ত দাঁতভাঙা জবাব দেব। শেখ মুজিবুরের সোনার বাংলায় মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদের স্থান নেই।
রূপসায় বাড়িতে ঢুকে শিশুসহ গৃহবধুকে মারপিট,থানায় অভিযোগ
রূপসা প্রতিনিধিঃ
রূপসার ঘাটভোগ ইউনিয়নের বলটি গ্রামে একটি বাড়িতে প্রবেশ করে গৃহবধু রিক্তা বালাও শিশু প্রান্ত বালা (১০) কে মারপিট করে আহত করার অভিযোগ রয়েছে। এঘটনায় প্রবির বালা বাদী হয়ে ৪ জনকে বিবাদী কে রূপসা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। ভুক্তভোগীরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের প্রবির বালার সাথে নির্মল বালা( ৫৫) এর সাথে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন সমাধান করার চেষ্টা করে ব্যাথ হয়। যা নির্মল বালা বিষয়টি মেনে নিতে চাইনি। পরবর্তীতে আবার সমাধান করার চেষ্টা করে প্রশাসন নির্মল বালার বাড়িতে যায়। পুলিশ বাড়িতে যাবার অপরাধে গত ১৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় প্রবির বালা বাড়িতে না থাকার সুযোগে তার স্ত্রী রিক্তা বালা ও তার শিশু পুত্র প্রান্তকে (১০)কে নির্মল বালা, তার স্ত্রী রতœা, পুত্র দেব্রবত বালা ও মিঠু বালা সহ কয়েকজন মিলে তাদের মারপিট করে আহত করে।
আহত রিক্তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোক জন তাদের উদ্বার করে রূপসা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এঘটনায় প্রবির বাদী হয়ে নির্মল বালার স্ত্রী ও পুত্রদের বিবাদী করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।
ভুক্তভোগীরা আরও জানায়, থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর প্রবির বালা ভয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
নির্মল বালার আত্বীয়রা প্রবীরেরর বাড়িতে গিয়ে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।
কেপিসিএল এর সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
তথ্য বিবরণী
সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (কেপিসিএল) এর সিএসআর কর্তৃক গৃহীত সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কিত মতবিনিময় সভা শনিবার সকালে নগরীর কারিতাস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।
প্রধান অতিথি সিটি মেয়র বলেন, কেপিসিএল এর মতো অন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো জনকল্যাণমূলক কাজে এগিয়ে আসলে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষেরা উপকৃত হবে। তিনি বলেন, সরকার বিদ্যুতের উন্নয়নে নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে। ১৬ হাজার মেগাওয়াট থেকে আজ ২৬ হাজার মেগাওয়াটে উন্নতি হয়েছে। দেশে বিদ্যুতের কোন ঘাটতি নেই। রামপালে বিদ্যুত পাওয়ার প্লান্ট স্থাপন প্রায় শেষের দিকে। এখান থেকে আগামী বছর ছয়শত মেগাওয়াট বিদ্যুত পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, গত দুই বছরে খুলনার উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রায় ১৮ শত কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নের জন্য তিন শত ৯৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। পরিস্কার পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে তিনি নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন। মেয়র কেপিসিএল এর এধরণের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে এর সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টরা এগিয়ে আসলে দেশে গরীব অনেকাংশে কমে আসবে। জুমে যুক্ত ছিলেন খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (কেপিসিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আল মামুন এম আতিকুল ইসলাম। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএমএর সভাপতি ডাঃ শেখ বাহারুল আলম, খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের পরিবেশ ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. দিলীপ কুমার দত্ত, সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক মোঃ আব্দুর রহমান, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবাল, প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালক আফরোজা খান মিতা, কেপিসিএল এর জেনারেল ম্যানেজার মোঃ রেজাউল আহসান। এতে সভাপতিত্ব করেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পরিবর্তনের সভাপতি প্রফেসর অজান্তা দাস। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সুন্দরবন একাডেমির পরিচালক প্রফেসর আনোয়ারুল কাদির। স্বাগত জানান পরিবর্তনের নির্বাহী পরিচালক এম নাজমুল আজম ডেভিড। কেপিসিএল এর সিএসআর প্রকল্পের ওপর ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক শিরিন পারভীন। সভায় উপকারভোগীরা তাদের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন।
সভায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, উপকারভোগী, এনজিও প্রতিনিধি, সুশীলসমাজের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমেরকর্মীরা অংশ নেন। খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (কেপিসিএল) এর সহযোগিতায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পরিবর্তন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
কুষ্টিয়ায় বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙচুর: যুবলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩
রেজাউর রহমান তনু, কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বিপ্লবী বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বিপ্লবী বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় কয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আনিসুর রহমানসহ (৩৫) তিনজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) তানভীর আরাফাত আজ শনিবার দুপুরে তাঁর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গ্রেপ্তার বাকি দুজন সবুজ হোসেন (২০) ও হৃদয় আহমেদ (২০)। এ ছাড়া বাচ্চু (৩২) নামের একজন পলাতক। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এসপি বলেন, আনিসুরের সঙ্গে কয়া মহাবিদ্যালয় (কলেজ) কর্তৃপক্ষের দ্বন্দ্ব আছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সহযোগীদের নিয়ে তিনি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে সড়কের পাশে স্থাপিত বাঘা যতীনের ভাস্কর্যটি ভাঙচুর করেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে কুমারখালী উপজেলার কয়া গ্রামে বাঘা যতীনের ভাস্কর্যটি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার বিকেলে কয়া কলেজের অধ্যক্ষ হারুন অর রশীদ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন।
করোনাকালে পোল্ট্রি শিল্প বাঁচাতে খামারীদের ১৫ দফা দাবি
স্টাফ রিপোর্টার
শনিবার বেলা ১২টায় খুলনা প্রেস ক্লাবে বিপিআইএ-এর খুলনা বিভাগীয় কমিটি : খুলনা পোল্ট্রি ফিস ফিড শিল্প মালিক সমিতির করোনাকালে পোল্ট্রি শিল্প বাঁচাতে খামারীদের ১৫ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক ও খুলনার মহাসচিব প্রাণিপ্রেমী এস এম সোহরাব হোসেন। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, দেশের বিকশিত উদীয়মান ও আমিষের যোগানদাতা পোল্ট্রি শিল্পের প্রত্যক্ষ ৬৫ লক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা ভয়াবহ কোভিড করোনা ভাইরাসকালে বাঁচাতে, খুলনা বিভাগের ১০টি জেলায় মোট খামার ছোট-বড় ১০,৫৫৭টি, মুরগী-হাঁসের সংখ্যা ১ কোটি ৫৬ লাখ, দৈনিক ডিম উৎপাদন ৫২ লাখ ১০ হাজার, মাংস উৎপাদন ১২৫ মেট্রিক টন, হ্যাচারীতে প্রতিদিন বাচ্চা উৎপাদন ১৫ লক্ষ ৭৫ হাজার, খাদ্য উৎপাদন ১,৫৫০ মেট্রিক টন, সর্বমোট বিনিয়োগ ৫,৮৯০ কোটি টাকা। স্বল্পমূল্যে হাঁস-মুরগীর ডিম ও মাংস যোগানদাতা খামারী-ব্যবসায়ীরা তিলে তিলে নিঃশেষ হচ্ছে কিছু নীতিমালা ও সিদ্ধান্তের কারণে। করোনাকালে পোল্ট্রি শিল্পের উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সময়োপযোগী নির্দেশ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কার্যকরী পদক্ষেপে তেমন কোনো সমস্যা হয়নি বিধায় সরকারকে ধন্যবাদ। তবে একদিনের ব্রয়লার, কক, সোনালী বাচ্চা প্রতিটি ৫ টাকা, প্রতিটি ডিম ৫.৫০ টাকা, ব্রয়লার মাংস ৯০ টাকা কেজি দরে পাইকারী বিক্রী করে প্রান্তিক খামারী-ব্যবসায়ীরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দিনাতিপাত করছে। সে বিষয়ে সাংবাদিকদের মাধ্যমে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। বর্তমানে দেশে নিরাপদ ও পুষ্টিকর মুরগীর ডিম, মাংস ও দুধ চাহিদার অতিরিক্ত উৎপাদন হওয়ায় এবং বিদেশে রপ্তানি করতে না পারায় প্রান্তিক উৎপাদক খামারীসহ সকলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এজন্য সরকারকে রপ্তানির ব্যবস্থা করা এবং বিদেশী বিনিয়োগের নামে বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানীকে দেশে মুরগী চাষ ও সরবরাহের অনুমতি বাতিল করে তাদের বিনিয়োগকে প্রাণিসম্পদের গবেষণা, রোগ-ব্যাধি প্রতিরোধ-প্রতিষেধক ভ্যাকসিন টিকা উৎপাদন, পশু-পাখির আধুনিক পরীক্ষাগার ও হাসপাতালের কাজে লাগানোর প্রস্তাব করা হয়। এছাড়া আলু, পিয়াজ, ধান, গম, ভুট্টা, হলুদ, মরিচ, খুদ-কুড়া-তুষে পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক আইন থেকে মৎস্য ও পশুখাদ্যকে আওতামুক্ত করার দাবি জানানো হয়। একই সাথে মৎস্য ও পশুখাদ্যকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর মানসনদে চলার আইনকে পাশ কেটে আবারও নতুনভাবে বিএসটিআই-এর সাম্প্রতিক নির্দেশনা বাতিলের আহ্বান জানান। বিভাগের সকল জেলায় কৃষিজ ভিলেজ লাইভ স্টকের আদলে পাইকারী মুরগীর ডিম-খাদ্যের বাজার স্থাপনে কেসিসি-সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে স্থাপন এবং জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের অধীনে খুলনা মহানগরীতে ৩১টি ওয়ার্ডে মেট্রো থানা প্রাণিসম্পদের আরও ৩টি অফিস স্থাপন, জনবল বৃদ্ধি, আধুনিক ডায়াগনস্টিক ল্যাব, অবকাঠামোসহ যানবাহনের প্রয়োজনীয়তা কথা তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেনÑসমিতির উপদেষ্টা, চেম্বার পরিচালক এস এম ওবায়দুল্লাহ ও আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন, সহ-সভাপতি সৈয়দ বেল্লাল হোসেন, শেখ রেজানুল ইসলাম, যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ্ব আরিফুর রহমান বাবু, তপন পাল, প্রচার সম্পাদক শেখ আব্দুল হালিম, দপ্তর সম্পাদক সামছুর রহমান বাবুল, বিসমিল্লাহ ফিড মিলের আলহাজ্ব হেমায়েত উদ্দিন, ফকিরহাট ফিড মিলের আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম, সমিতির নির্বাহী সদস্য মোঃ ইনসান আলী, সরদার হুমায়ুন কবীর, সরদার মোশাররফ হোসেন, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, ছলেমান খান, জুবায়ের রহমান প্রমুখ।
খুবির দু’জন শিক্ষক প্রথম পেলেন ভাইস-চ্যান্সেলর’স এ্যাওয়ার্ড
খবর বিজ্ঞপ্তি
প্রথমবারের মতো খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইস-চ্যান্সেলর’স এ্যাওয়ার্ড ২০১৯ প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে গত বুধবার এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উক্ত এ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রথমবারের মতো এই এ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। ২০১৯ সালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. শেখ জামাল উদ্দিন এবং রসায়ন ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক মোঃ খায়রুল আমীনকে এই এ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। এ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তদের সম্মাননা হিসেবে পঞ্চাশ হাজার টাকা মূল্যের চেক, একটি পদক ও একটি সনদপত্র প্রদান করা হয়। এ সময় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, বিভিন্ন স্কুলের ডিন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), ডিসিপ্লিন প্রধান, ছাত্রবিষয়ক পরিচালক, প্রভোস্ট, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আরও অনেক শিক্ষক অনলাইনে যুক্ত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রমকে উৎসাহিত করতে বর্তমান উপাচার্যের একান্ত আগ্রহ, আন্তরিকতা ও প্রচেষ্টায় এই সম্মানজনক ভাইস-চ্যান্সেলর’স এ্যাওয়ার্ড প্রবর্তন করা হয়েছে। এখন থেকে প্রতি বছর এই এ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উদ্যোক্তা সম্মাননা পেলেন দৈনিক খুলনা টাইমস সম্পাদক সুমন আহমেদ
খবর বিজ্ঞপ্তি
উদ্যোক্তা সম্মাননা পেলেন খুলনা টাইমস সম্পাদক সুমন আহমদ। সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য তাকে এই সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় খুলনা নগরীর উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরীতে অনুষ্ঠিত অপরাজিতা যুব কল্যাণ সংস্থার এক যুগ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত উদ্যোক্তা সম্মাননা পুরস্কার ও আলোচনা সভায় দৈনিক খুলনা টাইমস সম্পাদক সহ আরও কতিপয় উদ্যোক্তাকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কেসিসি’র প্যানেল মেয়র-১ ও ১৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম মুন্না। সম্মানিত অতিথি ছিলেন কেসিসি’র ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এসএম খুরশিদ আহম্মেদ টোনা। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: মতিয়ার রহমান, আস্থা সমাজ কল্যাণ সংস্থার চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান অন্তর, আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. এসএম আখতারুজ্জামান এবং জনউদ্যোগ খুলনার সদস্য সচিব মহেন্দ্র নাথ সেন। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোছা: ফাহিমা খাতুন। পরিচালনায় ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অনুপ কুমার মন্ডল।
অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে ও ক্রেস্ট প্রদানের মাধ্যমে বরণ করে নেয়া হয়। এরপর সংক্ষপ্তি বক্তৃতা, কেক কাটা ও সদন প্রদান। শেষে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা পরিবেশনের মধ্য দিয়ে এক যুগ পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে অপরাজিতা যুব কল্যাণ সংস্থা।
বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে উর্দ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য দানকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না
খবর বিজ্ঞপ্তি
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র, বাগেরহাট-০১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীন এমপি’র পুত্র ও বাগেরহাট ০২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময়ের নামে উদ্ধতপূর্ণ বক্তব্য প্রদানের প্রতিবাদে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে খুলনা মহানগর যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। সন্ধ্যায় নগরীর শঙ্খ মার্কেটস্থ দলীয় কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। মিছিল শেষে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে ভোলা জেলার জনৈক মাঈনুল হোসেন বিপ্লব এর কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। বিক্ষোভ সমাবেশ খুলনা মহানগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশের সভাপতিত্বে ও নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাসেল এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, এস এম হাফিজুর রহমান হাফিজ, কামরুল ইসলাম, আব্দুল কাদের শেখ, কাজী কামাল হোসেন, শওকত হোসেন, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, কবির পাঠান, তাজুল ইসলাম, কে এম শাহীন হাসান, ইয়াসিন আরাফাত, সাবেক ছাত্রনেতা মুশফিকুর রহমান সাগর, বিপুল মজুমদার, অভিজিৎ পাল, ইলিয়াস হোসেন লাবু, আরিফুর রহমান আরিফ, হাসান শেখ, শাহীন আলম, বাদল সিপাহী, ইমরুল রিপন, জামাল শেখ, মাছুম উর রশীদ, ইব্রাহিম হোসেন তপু, আনিসুর রহমান, রকিবুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন, সাকিব হাওলাদার, জামিল হোসেন সোহাগ, লাবু আহম্মেদ, ছাত্রলীগ নেতা সোহেল বিশ^াস, আসাদুজ্জামান বাবু, ইখতিয়ার মোল্লা, জব্বার আলী হীরা, তানজির রহমান উষান, ঝলক বিশ^াস, জহির আব্বাস, ইয়াসিন আলী, রুবায়েদ ইসলাম জুয়েল, পাপ্পু সরকার, তাইজুল ইসলাম তাজ, দিদারুল আলম, সৌরভ আশঁ, লাবিব হোসেন মিথুন, মোঃ কামাল হোসেন, ইমাজ উদ্দীন রিপন, শিকদার রাসেল, শেখ সাকিব, কামরুজ্জামান ইমরান, সোহান হোসেন শাওন, আরাফাত হোসেন মিঞা, রেদওয়ান ইসলাম মোড়ল, তায়েজুল ইসলাম তাজ, ইবনুল হাসান, আব্দুল কাদের সৈকত, বায়জিদ সিনহা, আসাদুজ্জামান সানি, আহানাফ অর্পন, জোয়েব সিদ্দিকী, সাগর মিত্র চন্ময়, মোঃ সাইফুল ইসলাম, বাতেন শিকদার, পারভেজ শিকদার, মসিউর রহমান বাদশা, জিসান আরাফাত, শঙ্কর কুন্ডু, রবিউল ইসলাম প্রিন্স, সৈকত দাস, জোবায়ের হোসেন এশা, জনি বসু, নিশাত ফেরদৌস অনি, রুম্মান আহম্মেদ, আতিকুর রহমান সোহাগ প্রমূখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে উদ্ধতপূর্ণ বক্তব্য প্রদানকারীদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না।
জাতীয় ছাত্র সমাজে যোগদানে নগর শাখার প্রস্তুতি সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় ছাত্র সমাজে বিভিন্ন কলেজ থেকে যোগদান উপলক্ষে খুলনা মহানগর শাখার উদ্যোগে শনিবার বিকেল ৫টায় নবপল্লী কমিউনিটি সেন্টারে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ইমানা আক্তার ইমু এবং পরিচালনা করেন নূসরাত জাহান এ্যানি। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনÑমুন্নি আক্তার, শ্রাবণি, পাখি, মুনিয়া আক্তার পাখি, মোঃ মিরাজুল ইসলাম, ইমরান হোসেন, সিয়াম খান, দেবী, শামসু, শিমলা, লিজা, মারজানা আক্তার মুন্নি, মেহেদী হাসান, পারভেজ, আল আমিন, জালাল শেখ, মনির হোসেন, ইমাম হোসেন, সৈয়দ সংগ্রাম, ইমন, নাঈমা রহমান, পান্না খান, মোরশেদ আলম কুমকুম, তিশা খান প্রমুখ। সভায় সভাপতি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ছাত্রদের হাতে অস্ত্র নয়, কলম ধরতে হবে এবং মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত শিক্ষাঙ্গণ গড়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।
যশোরে যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ১; আহত ১
যশোর অফিস
যশোর-মাগুরা সড়কের হুদোরাজাপুর নামকস্থানে যাত্রীবাহী বাস উল্টে এক মাদ্রাসা ছাত্র নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে অন্তত ১৮ জন; তাদের মধ্যে ৫জনের অবস্থা আশংকাজনক। আহতদের যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
যশোর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন মাস্টার শহিদুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি মাগুরা থেকে যশোরের উদ্দেশে আসছিলো। দুপুর আড়াইটার দিকে বাসটি যশোর সদর উপজেলার হুদোরাজাপুর নামকস্থানে পৌছলে অপর একটি গাড়িকে পাশ দিতে গিয়ে রাস্তার নিচে নেমে যায়। এরপর চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি উল্টে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার কাজে অংশ নেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও উদ্ধার কাজে অংশ নেয়।
দূর্ঘটনা স্থলেই শাহিন (১৭) নামে এক হাফেজী মাদ্রাসার ছাত্র নিহত হন। নিহতের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকোপা উপজেলায় বলে জানান হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশ।
তিনি আরো জানান, আহতদের মধ্যে ১৭/১৮জনকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া অনেকে সামান্য আঘাত প্রাপ্ত হয়েছেন।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. এনাম উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনায় আহত ১১জনের মধ্যে একজন হাসপাতালে আনার পথেই মারা গেছেন। অন্যদের ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে তাদের মধ্যে ৫জনের অবস্থা সংকটাপন্ন।
যশোরে বাড়ছে শীত, কমছে তাপমাত্রা
যশোর অফিস
যশোরে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। সেইসঙ্গে উত্তরের হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) যশোরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ ডিগ্রি। আজ রবিবার তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।
যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য মতে, শুক্রবার যশোরের তাপমাত্রা ছিল ১৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার সকালে তাপমাত্রা কমে ৮ ডিগ্রিতে নেমে এসেছে। কুয়াশা না থাকায় সকাল থেকে সূর্যের আলো থাকলেও উত্তরের হিমেল হাওয়ার কারণে শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। ফলে সকালে কাজে বেরিয়ে দুর্ভোগে পড়েন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ।
রিকশাচালক শাহাজাদা বলেন, ‘গত কয়েকদিন বেশ কুয়াশা ছিল। কিন্তু শীত ছিল না। কাল (শুক্রবার) বিকাল থেকে ঠান্ডা জেঁকে বসেছে। আজ সকালে কুয়াশা নেই। রোদ উঠলেও শীত কমছে না। হালকা বাতাসে পুরো শরীর কালায়ে যাচ্ছে। এ রকম আরও কয়েকদিন হলে সকালে কাজে বের হওয়া যাবে না।’
চাকরিজীবী শামসুল ইসলাম বলেন, ‘সকাল ৮টার মধ্যে অফিসের উদ্দেশে বের হতে হয়। প্রচন্ড শীতের কারণে রিকশা না নিয়ে হেঁটে যাচ্ছি। যাতে শরীরটা একটু গরম থাকে। কিন্তু উত্তরের হিমেল হাওয়ায় জবুথবু অবস্থা। খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ তো নাজেহাল হয়ে যাচ্ছে।’
সুমন নামে একজন হোটেল কর্মচারী বলেন, ‘সকালে নাস্তার জন্য হোটেলে চাপ থাকে। যে কারণে ফজরের আজানের পর থেকে কাজের চাপ। ওই সময় থেকে পানি ব্যবহার করছি। পানি ধরলে মনে হচ্ছে হাত অবশ হয়ে যাচ্ছে। আঙুলগুলো নাড়ানো যাচ্ছে না। তারপরও কাজ করছি। ঠান্ডার ভয় করলে মালিক মজুরি দেবে না।’
যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায় বলেন, গতকালকের চেয়ে ঠান্ডা একটু বেশিই। হাসপাতালে এখন পর্যন্ত ঠান্ডাজনিত রোগী বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের তেমন চাপ নেই। তবে, শিশু ও বৃদ্ধরা যেন কুয়াশার ভেতর বাইরে বেশি বের না হয়-সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। কেননা এখন ঠান্ডাজনিত রোগ যেমন সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, কোল্ড ডায়রিয়া হতে পারে।
তিনি বলেন, শিশু ও বৃদ্ধদের লেপ ও কম্বল ব্যববহার করে ঘরের ভেতরেই রাখা দরকার। ফ্রিজের কোনও খাবার না খাওয়া, কুসুম গরম পানি পান ও গোসল করা হলে অনেকটা এসব রোগ হতে মুক্ত হতে পারেন। যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অধিদফতর আরও জানিয়েছে, যশোরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে এবং তাপমাত্রা আরও কমার শঙ্কা রয়েছে।
যশোরে স্ত্রীকে রক্ষা করতে গিয়ে বখাটেদের হাতে স্বামী আহত
যশোর অফিস
যশোরের অভয়নগর উপজেলার প্রেমবাগ ইউনিয়নে বখাটেদের হাত থেকে স্ত্রীকে রক্ষা করতে গিয়ে হামলায় আহত হয়েছেন স্বামী শফিকুল মোল্যা (৩০)। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে ধলিরগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
শফিকুল মোল্যার স্ত্রী তহমিনা খাতুন জানান, শুক্রবার রাতে তার স্বামী বাড়িতে না থাকায় এলাকার চার-পাঁচজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী তার ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে তাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। এসময় তার স্বামী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সন্ত্রাসীদের বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা তার স্বামীকে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারতে মারতে ঘর থেকে বাইরে ফেলে দেয়। তা আর্তচিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
এলাকাবাসী তার স্বামীকে উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
হাসপাতালে ভর্তি শফিকুল মোল্যা জানান, ধলিরগাতি গ্রামের মোহর আলীর ছেলে মেহেদি হাসান, মুনতাজ মোল্যার ছেলে আকতার মোল্যা, মনা মোল্যার ছেলে হুমাই মোল্যা এবং রিয়াজ হামলার ঘটনায় জড়িত। রিয়াজ নামের যুবকটি তাকে লোহার রড দিয়ে মাথায়, হাতে ও পায়ে বেধড়ক মারপিট করে।
বিষয়টি সম্পর্কে অভয়নগর থানার ইনসপেক্টর (তদন্ত) মিলনকুমার মন্ডল বলেন, ‘ঘটনা শুনেছি। এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
যশোরে আরো দশ করোনা রোগী শনাক্ত
যশোর অফিস
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) জেনোম সেন্টারের পরীক্ষায় আরো ১১ ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে। এদের মধ্যে দশজনই যশোর জেলার বাসিন্দা।
শুক্রবার রাতে পরীক্ষা শেষে শনিবার সকালে এই ফল প্রকাশ করা হয়। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট তিন জেলার সিভিল সার্জনদের কাছে পরীক্ষার বিস্তারিত ফলাফল পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এনএফটি বিভাগের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষণ দলের সদস্য ড. শিরিন নিগার জানান, এদিন তাদের ল্যাবে মোট ৮১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৭০টি নেগেটিভ ফল দেয়।
এদিন যশোর জেলার মোট ৬৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে দশটি পজেটিভ ফল দেয়।
আর মাগুরার ১৫টি নমুনা পরীক্ষা করে একটি পজেটিভ পাওয়া যায়। নড়াইলের পরীক্ষিত দুটি নমুনাই নেগেটিভ ফল দেয়।
স্বাস্থ্য বিভাগের হিসেব অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত যশোর জেলায় মোট চার হাজার ৫৫২ ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়। এদের মধ্যে চার হাজার ২৫৭ জন ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। মারা গেছেন ৫৩ জন।
এসডির উদ্যোগে রচনা প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান
খবর বিজ্ঞপ্তি
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (এএসডি) এর উদ্যোগে ‘করোনা পরিস্থিতি ও শ্রমজীবী শিশুদের অবস্থা’ শীর্ষক স্কুল ভিক্তিক জাতীয় রচনা প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর ইকবাল রোডে ওয়াইডব্লিউসিএ মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক তাসমিমা হোসেন। এএসডির নির্বাহী পরিচালক জামিল এইচ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টের আইজীবী এডভোকেট দেলোয়ার হোসেন, গণমাধ্যম কর্মী, লেখক ও সাহিত্যিক তাহমিনা শিল্পী। অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিজয়ী শিশু ও অভিভাবকরা ছাড়াও এএসডির ডিসিএইচআর প্রকল্পের ব্যবস্থাপক ইউ কে এম ফারহানা সুলতানা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন প্রজেক্ট অফিসার গুল-ই-জান্নাত জেনী।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা পুরস্কার হিসেবে বিজয়ীদের হাতে ক্রেষ্ট, সার্টিফিকেট, বই তুলে দেন এবং ‘শিশু অধিকার নিয়ে শিশুদের ভাবনা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। এ বছর রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা হচ্ছেন- ক গ্রুপ (৬ষ্ঠ-৮ম শ্রেণী) ১ম শাহজালাল ইউনিভার্সিটি স্কুল এ্যান্ড কলেজের
আনিশা সুলতানা (অরনি), ২য় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মুনতাহা মাহী, ৩য় মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের মাহিয়া খাতুন, ৪র্থ কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের ফাহিম তানজীম, ৫ম ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের হুমায়রা আদিবা, খ গ্রুপ (৯ম-১০ম শ্রেণী) ১ম ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের সাদমান সামি, ২য় ভিকারুননিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজের নাজিফা মালিয়াত নাযাহ্, ৩য় ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের আদিবা হোসেন, ৪র্থ নোয়াখালী জিলা স্কুলের নীলেশ সাহা, ৫ম সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামিহা খান।
পুনর্বাসন প্রকল্প: প্রস্তাব-পুনঃপ্রস্তাব চলছে, নেই অগ্রগতি
স্টাফ রিপোর্টার
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নসহ বহুমুখী লক্ষ্য নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড খুলনা। একের পর প্রকল্প প্রস্তাব হলেও কোনও অগ্রগতি হচ্ছে না। ফলে প্রস্তাব পাঠানোর বছর যেতে না যেতেই টাকার অংক বাড়িয়ে পুনঃপ্রস্তাব করা হচ্ছে। দাকোপে উপকূলীয় পোল্ডার নং ৩১-এর পুনর্বাসন প্রকল্পে এ অবস্থা চলছে। সর্বশেষ প্রস্তাবটি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রফোজল (ডিপিপি) মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা হয়েছে। দাকোপের জনপ্রতিনিধিদের আবেদনের ভিত্তিতে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ৩১নং পোল্ডার পুনর্বাসনের লক্ষ্যে বেড়িবাঁধ পুনরাকৃতিকরণ, বাঁধের ঢাল সংরক্ষণ, স্থায়ী নদীর তীর প্রতিরক্ষা, নিষ্কাশন অবকাঠামো পুনর্বাসন, নিষ্কাশন খাল পুনঃখনন, নদী পুনঃখনন কাজসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজ সমূহ অন্তর্ভুক্ত করে প্রকল্প প্রণয়নের নির্দেশনা দেন। ওই নির্দেশনা মোতাবেক খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ড ১ হাজার ৫৪৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যয়ে পোল্ডার নং ৩১-এর পুনর্বাসন শীর্ষক প্রকল্প তৈরি করে। যা গত ২৭ জুলাই পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়। ৩ সেপ্টেম্বর পরিকল্পনা কমিশন বাপাউবো বহির্ভূত সদস্য অন্তর্ভুক্ত করে কমিটি গঠন করে সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রণয়ন ও শুধু অর্থনৈতিক বিশ্লেষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। ওই কমিটি গত ২৪ নভেম্বর বাপাউ বোর্ডে প্রতিবেদন দাখিল করেছে। যা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ ব্যানার্জি বলেন, প্রথম প্রস্তাব করা ১২৪০ কোটি টাকার প্রকল্প যথায়ময়ে অগ্রগতি না হওয়া ও নির্মাণ সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রকল্পটি পুনরায় তৈরি করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দাকোপ উপজেলার চালনা অঞ্চলে অবস্থিত পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩১নং পোল্ডার। এই চালনা অঞ্চলেই উপজেলার বেশির ভাগ কার্যত্রম পরিচালিত হয়। এ পোল্ডার এলাকায় রয়েছে সোনালী ব্যাংক ভবন, কৃষি ব্যাংক ভবন, অগ্রণী ব্যাংক ভবন, রুপালী ব্যাংক ভবন, চালনা পৌরসভা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার বাসভবন, চালনা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়, একাধিক মসজিদ, মন্দির, ব্রীজ, কালভার্ট ও সড়কসহ নানা অবকাঠামো। এছাড়া চালনা বাজারের ১৫ কিলোমিটার দক্ষিণে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোংলা সমুদ্রবন্দর অবস্থিত। যা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লাইফ লাইন হিসেবে পরিচিত। কিন্তু মোংলা বন্দরের সঙ্গে রেলপথের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। তবে মোংলা বন্দর হতে পণ্য পরিবহনে পশুর নদী চ্যানেল হিসাবে ব্যবহৃত হয়। সঙ্গত কারণে এ রুটে চলাচলকারী কোস্টারের কারণে খরস্রোতা পশুর নদীর টেউ দু’পাড়ে আছড়ে পড়ে। বিধায় চালনা বাজারস্থ এলাকায় নদী ভাঙন সমস্যা প্রকট রূপ ধারণ করেছে। নদীর এ ভাঙন অব্যাহত থাকলে জনগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ছাড়াও খালিশা ও চালনা বাজারস্থ অবকাঠামো ও মূল্যবান জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে উপজেলার পশ্চিম দিক দিয়ে প্রবাহিত শিবসা নদীর বাম তীরে মোজাম নগর নামক স্থানও নদী ভাঙনের কবলে রয়েছে। ফলে এখানকার স্থাপনা হুমকীর মুখে পড়েছে। এছাড়া উপকূলে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় ফণী, বুলবুল এবং সর্বশেষ সংঘটিত সুপার সাইক্লোন আম্ফানের কারণে সৃষ্ট উচ্চ জোয়ারের কারণে পোল্ডার নং-৩১ এর বেড়িবাঁধ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই এলাকাকে ভাঙন ও জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ায় হাত থেকে রক্ষা করার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বাপাউবো-এর মহাপরিচালক ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ২ জানুয়ারি পানি সম্পাদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন করেন।
সিপিবি ১৯নং ওয়ার্ড শাখার মাস্ক ও প্রচারপত্র বিলি
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি পালনে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) খুলনা মহানগরীর ১৯নং ওয়ার্ড শাখার উদ্যোগে গতকাল সন্ধ্যায় মাস্ক ও প্রচারপত্র বিলি এবং সচেতনতামূলক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। দলের মহানগর সাধারণ সম্পাদক এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার উপস্থিত থেকে মাস্ক বিতরণ করেন। এ সময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনÑসোনাডাঙ্গা থানা সাধারণ সম্পাদক রুস্তম আলী হাওলাদার, সিপিবি নেতা নীরজ রায়, মহানগর যুব ইউনিয়নের সদস্য সচিব সৈয়দ রিয়াসাত আলী রিয়াজ প্রমুখ। এ সময় নেতৃবৃন্দ মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ প্রতিরোধে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি পালন এবং অন্যকে সচেতন করার আহ্বান জানান। সংক্রমণ রোধে মাস্ক পরিধান এবং হাত ধোয়া অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, আপাতত মাস্কই করোনার ভ্যাকসিন হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এ ব্যাপারে অবহেলা করার সুযোগ নেই। এ সময়ে জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কর্মসূচি ও বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
মহানগর বিএনপির অভিনন্দন
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত সভাপতি মো. আজিজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. আমির সোহেল ও কোষাধ্যক্ষ জাকারিয়া হোসেন তুষারসহ সকল নির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দরা হলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউল¬াহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মো. মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।
কালীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ১৭
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ভোলপাড়া গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ১৭ জন আহত হয়েছেন। শনিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, ভোলপাড়া গ্রামের মৃত খোরশেদ মন্ডলের ছেলে শহর আলী মন্ডল (৬৮), জমির মন্ডলের ছেলে মসলেম মন্ডল (৭০) ও শওকত মন্ডল (৫০), বাবর আলী মন্ডলের ছেলে জিয়ার মন্ডল (৪৫), আনছার মন্ডলের ছেলে শাহবুর মন্ডল (৪৫), মিকাইল মন্ডলের ছেলে আলী হোসেন মন্ডল, অলিয়ার মন্ডলের স্ত্রী রুমানা বেগম (২৫), ছরোয়ার মন্ডলের স্ত্রী আমিরণ বেগম (৪৫), আমিরুল মন্ডলের স্ত্রী মালেকা বেগম (১৬) উভয়ের গ্রাম ভোলপাড়া এবং একই উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের খেলাফত হোসেনের ছেলে কাদের আলী, মমরেজ আলীর ছেলে ঝুমুর মোল্ল্যা ওই গ্রামের তুহিন হোসেন, ইদ্রিস আলী, পলাশ মোল্ল্যাসহ ১৭ জন। আহতরা ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল ও কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত শহর আলী মন্ডল জানান, পৈত্রিক সূত্রে যুগ যুগ ধরে এই জমি আমরা চাষাবাদ করে আসছি। এরই মাঝে কাদের আলী তার ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্তেও আমাদের জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে চাষ শুরু করে। সেসময় আমরা বাধা দিলে আমাদের উপর অতর্কিত হামলা করে। আমরা আদালতের বাইরে না। আদালত যে রায় দিবে তা আমরা স্বেচ্ছায় মেনে নেব। কিন্তু এই হামলার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ভোলপাড়া গ্রামে শহর আলী ও কাদের আলীর মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে ঝিনাইদহ আদালতে মামলা চলমান। হঠাৎ শনিবার দুপুরে কাদের আলী লোকজন নিয়ে শহর আলী পৈর্তৃক সম্পত্তি দখল করতে যায়। এ সময় দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি মুহা: মাহফুজুর রহমান মিয়া জানান, বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কিস্তির চাপে গলায় ফাঁস
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
যশোরের মণিরামপুরে দেনার দায়ে তোহুরা বেগম (৪৩) নামে এক গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার স্বরণপুর জামতলা মোড় এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে খেদাপাড়া ক্যাম্প পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঝুলন্ত লাশ নামায়। তোহুরা ওই এলাকার ভ্যানচালক রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। তিনি এক মেয়ে ও দুই ছেলের জননী। গৃহবধূর স্বামী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আমিনুর রহমান জানান, একবছর আগে তিনটি সমিতি থেকে দেড় লাখ টাকা ঋণ নেন তোহুরা। সেই টাকায় মেয়ে বিয়ে দেওয়াসহ ঘর মেরামত করান। করোনার কারণে কয়মাস কিস্তি নেওয়া বন্ধ ছিল। ত্রিশ হাজার টাকা কিস্তি বাকি আছে। গত বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) স্বামীর সাথে খুলনায় ননদের বাড়ি যান তিনি। আজ (শনিবার) দুপুর আড়াইটার দিকে দুইজনে বাড়ি ফেরেন। এরপর ভ্যান নিয়ে বের হন রফিকুল। কিছুক্ষণ পরে তোহুরার আত্মহত্যার খবর আসে।
স্বজনরা বলছেন কিস্তির চিন্তায় আত্মহত্যা করেছেন তোহুরা। তবে স্বামী রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি টুকটাক কিস্তি দিচ্ছি। ওরে কোন সমিতি চাপ দেছে কিনা বলতে পারব না।সংসারে কোন ঝামেলা নেই। কেন ও একাজ করলো বুঝলাম না। খেদাপাড়া ক্যাম্পের আইসি এসআই গোলাম রসুল বলেন, ননদের বাড়ি থেকে ফেরার পর বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে ঘরের আড়ার সাথে ওড়না জড়িয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছেন তোহুরা। খবর পেয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে আমি গিয়ে ঝুলন্ত লাশ নামাই। তোহুরার স্বজনদের থানায় অভিযোগ করতে পাঠিয়েছি। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ফকিরহাটে পাখি শিকারীরা বেপরোয়া
আসাদুজজামান আসাদ
ফকিরহাটে পাখি শিকারীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। শীত বেড়ে যাবার সাথে বেড়েই চলেছে পাখি নিধন। মৌসুমী শিকারীদের সাথে সৌখিন শিকারীদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না অতিথি পাখির সাথে দেশীয় প্রজাতির পাখিরাও। কানুনের কলমে পাখি শিকার নিষিদ্ধ বলা হলেও বাস্তবতার খাতায় তার যেন কোনো বালাই নেই। শীতের শুরু থেকে শেষ অব্দি পাখি শিকার ফকিরহাটের সর্বত্রই। শীতকে সামনে রেখে মৌসুমী চোরা শিকারীদের সাথে সৌখিন শিকারীদের রাজসিক প্রত্যাবর্তনে পাখি শিকার যেন হয়ে ওঠে উৎসব। উপজেলার প্রায় প্রত্যেক গ্রাম- এলাকাতেই এই পাখি শিকারীর দেখা পাওয়া যায়।দিনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এরা বিল ঝিল বা বন্য বাগানে দাপিয়ে বেড়ায়।এদের হিংস্র লোলুপ থাবায় প্রকৃতির অপার সুন্দর দান ‘পাখিকুল’ চলেছে বিলুপ্তির পথে।রসনা বিলাসে ব্যাকুল শিকারীদের অপরাধজনিত অপতৎপরতায় বিরুপ হচ্ছে প্রকৃতি।হারাচ্ছে তার আসল সৌন্দর্য আর রং।প্রকৃতিপ্রেমী সচেতনমহল অসহায়।
খোজ নিয়ে জানা যায়,গ্রামীন জনজীবনে পাখি শিকারে ব্যস্ত শ্রেনীর কেউ নীচুতলার নয়। পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে,পাখ-পাখালীর পোকামাকড় সংগ্রহ করে খাওয়াটা ছিল আমাদের ফল- ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে আশীর্বাদ স্বরুপ।দেশীয় প্রজাতির পাখিদের হারিয়ে যাওয়ার ফলে আজ আমাদের ফসল উৎপাদনে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়।প্রাকৃতিক পরিবেশের বিরুপ বৈরিতার এও এক জলজ্যান্ত কারন।সবমিলিয়ে আমাদের পরিবেশটা এমন যে, পুকুর আছে মাছ আছে তবে মাছরাংগা নেই! ঘরের কোনে এখন আর চড়ুই বাসা বাধেনা। উঠানের দোয়েল মানুষ থেকে অনেক দুরে।বাড়ীর বাগানে টুনটুনির বাসা উধাও। তালগাছে বাবুই পাখির বাসা দেখতে চাইলে যেতে হবে নেট দুনিয়ায়। ভোরের পাখির ডাকে এখন আর কারো ঘুম ভাংগেনা।দল বেধে সন্ধ্যায় পাখির ঝাকেরা আর ফেরেনা আপন কুলায়।পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধে বিলের মাঠে নেই শালিকের কিচির মিচির।শীতকালে শীতের প্রকোপ থেকে বাচতে শীতপ্রধান দেশ গুলো থেকে প্রান বাচাতে অনেক ধরনের বাহারী পাখিরা আসে এই বাংলায়। অতিথি পাখির আগমনে কলকাকলীতে মুখরিত হয়ে ওঠে আমাদের চারপাশ।সৌখিন শিকারীদের সাথে পাল্লা দিয়ে শিকার চালায় মৌসুমী শিকারীরা।বিষটোপ,বিভিন্ন ধরনের ফাদ, এয়ারগান সমন্বয়ে শ্রাদ্ধ চলে পাখ- পাখালির।অবাধ শিকারের সাথে চলে দেদারছে বিক্রয়।এক বছরের জেল বা এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে সরকার যে আইন করেছে তার প্রতি শিকারীদের শ্রদ্ধা বা ভয় নেই। বাস্তবায়নে যাদের চোখ বা কান খোলা রাখার কথা তাদের খোঁজ নেই।আমাদের কারোরই যেন নেই নৈতিক বা সামাজিক দায়বদ্ধতা।নইলে এদেশে কি এভাবে পাখি শিকার হয়!
ডুমুরিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী সাংবাদিক জাহাঙ্গীরের গনসংযোগ
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক ও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাহাঙ্গীর আলম দিনব্যাপী নানা কর্মসূচী অব্যাহত রেখেছেন। তিনি গতকাল শনিবার দুপুর ২ টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মির্জাপুর গ্রামের শিমুল ঢালীর স্ত্রী রতœা ঢালী ও পূর্ব ডুমুরিয়া গ্রামের নজরুল গাজীকে দেখতে যান। এসময়ে তিনি তাদের চিকিৎসার খোজঁ খবর নেন। সন্ধ্যায় মির্জাপুর গীতা জয়ান্তী উৎসবে এবং রাত ৮ টায় মির্জাপুর উত্তর মাথায় রক্ষাকালী মন্দিরে সাপ্তাহিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সকালে ডুমুরিয়া বাজারের পুরাতন ট্রলারঘাট এলাকায় সকল শ্রেণী পেশার মানুষেন সাথে কুশল বিনিময় করেন। রাত ১০ টায় দক্ষিণ ডুমুরিয়ায় এক মতবিনিময় সভা করেন। রাত ১১ টায় মির্জাপুর বটতলায় বনভোজনে অংশ নেন। এসময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মোজাম্মেল হক মোহন, হারুনুর রশীদ বাবু, জাকিরুল মোল্লা, সুমন শেখ, বাধণ মন্ডল প্রমুখ। এছাড়া গত পরশু পূর্ব ডুমুরিয়ার আলহাজ্ব মোজাহার গাজীর জানাজায় অংশ নেন।
ডুমুরিয়া সদরের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আ’লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের এক বিশেষ বর্ধিত সভা গতকাল রাত ৮ টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলহাজ্ব খান মোহাম্মদ আলী পাইকারী কাচাঁ বাজারে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত খান। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাহনেওয়াজ হোসেন জোয়াদ্দার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শেখ নাজিবুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক খান আবু বক্কার, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোল্লা সোহেল রানা, উপ-প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম, সদর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব খান নজরুল ইসলাম সোহেল রানার পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, আব্দুস সালাম মাঝি, মাসুদ রানা নান্টু, জামিল আক্তার লেলিন, আসলাম খান, গফ্ফার গাজী, শেখ জাকির হুসাইন, কবির গাজী, আছমা পারভীন, মনিষা মন্ডল, শিমু আক্তার, খান জাকির হোসেন, সিরাজুল ইসলাম খান,রবিউল ইসলাম খান আন্টু, খান আবুল বাসার, জাহিদ হোসেন, বাধণ মন্ডল প্রমুখ।
সাতক্ষীরায় বিলুপ্তির পথে কালের স্বাক্ষী মাটি ও বাঁশের তৈরী ধানের গোলা
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা
বিলুপ্তির দ্বারে কালের স্বাক্ষী মাটি ও বাঁশের তৈরী ধানের গোলা। জেলার বিভিন্ন উপজেলার কিছু কিছু গ্রামে কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে মাটি ও বাঁশ দিয়ে তৈরি ধানের গোলা। এসব অঞ্চলের মানুষের এক সময় গোলাভরা ধান ও পুকুরভরা মাছ ছিল কিন্তু সময়ের প্রেক্ষাপটে এখন ওইসব ঐতিহ্যের সবকিছুই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
এ প্রজন্মের মানুষের কাছে পূর্বেকার ওইসব রীতিনীতি যেন এখন রূপকথার গল্প কাহিনীর মতো। বর্তমানে ধান চাষের জমির পরিমাণ ক্রমান্বয়ে কমে আশায় এখন আর কৃষক বা চাষিদের গোলাভর্তি ধান ঘরে ওঠে না। নেই আগের মতো গোলার ব্যবহার। সবই যেন বিলুপ্ত হতে চলেছে। সেইসঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ধানসহ শস্য রাখা গোলার ব্যবহার। শত বছর আগের তৈরি ধানের গোলা কিছু কিছু কৃষকের বাড়ির সামনে আজও কালের সাক্ষ্য দিচ্ছে। এ প্রসঙ্গে দেবহাটার সুভিন্দু বলেন, বাপ-দাদার তৈরি এই গোলাগুলো স্মৃতি হিসেবে রাখা হয়েছে। ধানসহ বিভিন্ন শস্য রাখা গোলা এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। ক্রমান্বয়ে হারিয়ে যাচ্ছে ধান সংরক্ষণ করা গোলার আবহমান রীতি। এখন শুধু পূর্বপুরুষের তৈরি করা অল্পসংখ্যক গোলা ছাড়া নতুন কোনো শস্য মজুদ রাখার গোলা আর চোখে পড়ে না। যুগেরও পরিবর্তন ঘটেছে। পূর্বপুরুষদের মতো এখন আর গোলার প্রয়োজন হয় না। আগে গ্রামের মানুষদের ধান মাড়াই করে গোলায় তোলার যে আনন্দ ছিল, এখন আর তার দেখাই মেলে না। আধুনিকতার ছোঁয়ায় কালের বিবর্তনে সব হারিয়ে যেতে বসেছে।
এবিষয়ে সাতক্ষিরা জেলার দেবহাটা উপজেলার কোড়া গ্রামের কৃষক আকবার আলি বলেন, বাপ ও দাদার কাছে শুনেছি- সেই আমলে রাস্তাঘাটের অবস্থা ছিল খুবই করুণ। গরুর গাড়ি ছাড়া মানুষের চলাচলসহ ধান বিক্রির কোনো বিকল্প পথ ছিল না। বাজারগুলোও ছিল দূরে। তাই ধান গোলাতেই রাখা হতো দীর্ঘসময়। তার পর সুবিধামতো সময়ে বিক্রি করা হতো। বর্তমানে রাস্তাঘাট উন্নত, সেইসঙ্গে আশপাশে গড়ে উঠেছে ধান বেচা-কেনার আড়ত। নানা কারণে ভাগ বাটোয়ারা হয়ে কমে গেছে ব্যক্তিমালিকানা জমির পরিমাণ। তাই সময়ের প্রয়োজনে ধান গোলাতে তোলার আগেই বিক্রি করে দিতে হয়। তাই ধানের গোলাগুলো এখন বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে।
ফুলতলায় হাম-রুবেলা টিকা ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন
ফুলতলা প্রতিনিধি
দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকা ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন শনিবার বেলা ১১টায় ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: জেসমিন আরা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা: মোঃ সাইদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার খুলনার প্রতিনিধি ডা: সৈয়দ আহসান রিজভী। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আযাদ, ডাঃ সিরাজুম মুনিরা, জেলা সিসিটি মোঃ মোহাব্বত হোসেন, ইপিআই কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার, প্রেসক্লাব সভাপতি তাপস কুমার বিশ্বাস, সাংবাদিক শেখ মনিরুজ্জামান, মোঃ নেছার উদ্দিন, অনুপ বিশ্বাস প্রমুখ। প্রসংগতঃ ফুলতলা উপজেলায় ১৯ ডিসেম্বর ২০২০ থেকে ২৮ জানুয়ারী ২০২১ তারিখ পর্যন্ত ২৯০ টি টিকা কেন্দ্রর মাধ্যমে ৯মাস থেকে ১০ বছরের কম বয়সের শিশুদের সর্বমোট ২৪ হাজার ৬৪জনকে এ টিকা প্রদান করা হবে। এদিকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের উদ্যোগে সিভিল সার্জন খুলনার সহযোগিতায় ফুলতলা উপজেলার মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তরের প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
ফকিরহাটে অপহৃত কিশোরী উদ্ধার আটক-১
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাট থেকে অপহরনের ১০দিন পর অপহৃত কিশোরী (১৪) কে উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ। মামলার প্রধান আসামীকে আটক করেছে। পুলিশ জানায়, মডেল থানার ওসি (তদন্ত) বাবুল আক্তারের নেতৃত্বে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো: রফিকুল ইসলাম সহ সংগীয় ফোর্স শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে মোংলার দিগরাজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বাড়ী থেকে উক্ত অপহৃত কিরোকীকে উদ্ধার এবং মামলার প্রধান আসামী অসিম সাহা (১৮) কে পুলিশ আটক করতে সক্ষম হয়েছে। আটককৃত অসিম উপজেলা মূলঘর ইউনিয়নের কাঠালিডাঙ্গা গ্রামের শ্যামল সাহার পুত্র। পুলিশ মামলার বরাত দিয়ে সংক্ষিপ্ত বিবরনে জানান, অসিম সাহা সহ তার সহযোগীরা গত ৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় কাঠালিডাঙ্গা এলাকা থেকে কিশোরী এক কন্যাকে সু-কৌশলে ও ফুসলিয়ে একটি মাইক্রো বাসে করে অপহরন করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় অপহৃত কিশোরীর পিতা নিজ বাদী হয়ে ৪জনের নাম উল্ল্যেখ করে ফকিরহাট মডেল থানায় একটি অপহরন মামলা করেন। যার নং-৬, তারিখ-১৪/১২/২০২০ইং। বাকী আসামীরা পলাতক রয়েছে। উক্ত কিশোরীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
ফকিরহাটে দশম শ্রেনীর ছাত্রী তামান্নার মৃত্যুতে শোক
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটে বাহিরদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্রী তামান্না খাতুন (১৬) ১৯ ডিসেম্বর সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে মারা গেছে। সে কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। এদিন সকালে বেশী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে সেখানে উপস্থিত কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অসিমকুমার সমাদ্দার বলেন, করোনা উপসর্গ না থাকলেও যেহেতু জ্বর ছিল তাই তার করোনা পরীক্ষার জন্য নমূনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তার এই অকাল মৃত্যুতে তার সহপাঠী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী সহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসছে। তামান্না মানসা গ্রামের মো: মিলনের কন্যা।
ফকিরহাটে বজ্রপাত রোধে তালের বীজ রোপন
ফকিরহাট প্রতিনিধি
“চলো বন্ধু বদলে যাই’ ‘মানবতার বিশ্ব চাই” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেভ দ্য টুমরো, খুলনা শাখার উদ্যোগে বজ্রপাত রোধে তাল বীজ রোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তাল বীজ রোপনঅব্যাহত রয়েছে। ১৯ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় ভৈরব নদীর তীরে তাল বীজ রোপন করা হয়। জানা গেছে এগুলো দেখশুনা ও পরিচর্যার দায়িত্ব দায়িত্ব পালন করবে সংগঠনের সদস্যদের। তাল বীজ রোপনকালে এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সেভ দ্য টুমরো খুলনা শাখার সভাপতি সৈয়দ অনুজ, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ সানিয়া ইসলাম, প্রচার সম্পাদক ইয়াছিন আরাফাত, সহ-স্কুল বিষযক সম্পাদক মো: হানিফ জমাদ্দার, সহ-প্রচার সম্পাদক সুমায়রা আফরোজ সূচনা, সদস্য মুসলিমা খাতুন, সাদিয়া আফরিন জুলি, নাইম ইসলাম সরদার সাইফুল ইসলাম, গালিব মোড়ল, মান্না, পলাশ প্রমুখ।
স্বগীয় ডাঃ দুলাল কৃষ্ণ শিকদার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে দক্ষিণ খানপুরের জয়লাভ
ফকিরহাট প্রতিনিধি
সন্ত্রাস মাদক ও জঙ্গিবাদ মুক্ত সমাজ সমাজ গড়ার লক্ষ্যে বাগেরহাট সদর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের হাকিমপুর বিদ্যানিকেতন স্কুল মাঠে স্বগীয় ডাঃ দুলাল কৃষ্ণ শিকদার স্মৃতি আন্ত ওয়ার্ড ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলার প্রথম রাউন্ডের তৃতীয় খেলা শনিবার বিকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। চুলকাঠি ১নং ওর্য়াড বনাম দক্ষিণ খানপুর কালীবাড়ী ৯নং ওয়ার্ড এর মধ্যকার খেলাটি নির্ধারিত সময়ে শুরু হয়। খেলার নিদ্ধারিত সময় শেষ হলেও কোন দল গোল করতে পারেনী। ফলে গোল শূন্যে ম্যাচ ড্র হয় ভাগ্যে নির্ধারণ ট্রাইবেকার এর মাধ্যমে। পরে ৪/৩ গোলের ব্যবধানে দক্ষিণ খানপুর ৯নং ওয়ার্ড জয়লাভ করে। খেলায় দর্শক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন খানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির ফহম উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক শিশির শিকদার, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের আহবায়ক ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান আব্দুস সবুর, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা শেখ আখতারজ্জামান টুকু, আ,লীগ নেতা দেব রঞ্জন, মোহাব্বত আলী চাকলাদার,আব্দুর সাত্তার,আব্দুল গনি, হাবিুর রহমান সহ হাজার হাজার ফুটবলপ্রেমী দর্শক। এই টুর্নামেন্টের চতুর্থ খেলাটি আগামী ২১শে ডিসেম্বর দক্ষিণ খানপুর কাছারিবাড়ী মাঠে বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে।
বড়দলে ইটের ট্রলি আটকানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত- ১১
আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে ইট পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ট্রলি আটকানোর ঘটনা ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ১১ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহত ৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে দক্ষিণ বড়দল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষ দর্শী ও সংশ্লিষ্টদের সূত্রে জানাগেছে, বড়দলে অবস্থিত নজরুল ইসলামের এ কে ব্রিক্স এর ইট পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ট্রলি ক্রেতাদের কাছে পৌছতে বিভিন্ন সড়ক ব্যবহার করে থাকে। শনিবার সকাল ১০ টার দিকে একটি ট্রলিতে ইট নিয়ে ৯নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ বড়দল গ্রামের জয়নালের দোকানের সামনে দিয়ে কিছুদূর যাওয়ার পর দেবব্রত মেম্বারের ভাই উত্তম বাধা দেয়। ফলে ট্রলিটি ইট না নিতে পেরে ফিরে আসে। এখবর পৌছানোর পর ভাটার ম্যানেজার স্থানী বাসিন্দা হরে কৃষ্ণ শীলসহ অনেকে ঘটনাস্থালে গেলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দু’ পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে দেবব্রত মেম্বার, তার ভাই উত্তম, সুবোল, গ্রাম পুলিশ ফনিন্দ্র নাথ, অচিন্ত্য, বিশ্বনাথ এবং অপর পক্ষের হরেকৃষ্ণ শীল, অরবিন্দু, স্বপন, বাপ্পি ও রেবাশীল আহত হন। গুরুতর আহত সুবোল, ফনিন্দ্র, অচিন্ত্য, বিশ্বনাথ, উত্তম,, অরবিন্দু ও স্বপনকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত হরে কৃষ্ণকে আশাশুনি হাসপাতালে এবং অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কবিরসহ পুলিশ অফিসার ও সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা দায়ের বা কেউ গ্রেফতার হয়নি।
শ্রীউলায় গৃহহীনদের গৃহ নির্মানের স্থান পরিদর্শন
আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নে গৃহহীনদের জন্য গৃহ নির্মান কাজ করতে স্থান নির্বাচনের লক্ষ্যে স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থান পরিদর্শন করা হয়।
আম্পান ঘূর্ণিঝড়ে শ্রীউলা ইউনিয়নে গৃহহীন ব্যক্তিদের জন্য গৃহ নির্মানের লক্ষ্যে স্থান নির্বাচনের জন্য স্থান পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা। এসময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহাগ খান, শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ইউনিয়নে ভাঙ্গন কবলিত ভেড়িবাধ ও ইজিপিপি প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন ইউএনও মীর আলিফ রেজা।










































