Home খেলাধুলা বডি ক্যামেরায় প্রকাশ পেল মেসিকে কি নির্দেশনা দিয়েছিলেন রেফারি

বডি ক্যামেরায় প্রকাশ পেল মেসিকে কি নির্দেশনা দিয়েছিলেন রেফারি

0

স্পোর্টস ডেস্ক।।

বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে রেফারিং ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন স্লোভেনিয়ান রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। রেফারিং ক্যারিয়ারের চূড়ান্ত চূড়ায় থেকে বিদায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া এই রেফারি মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেন ও আর্জেন্টিনার রোমাঞ্চকর ফাইনাল ম্যাচটি দেখেছিলেন একদম কাছ থেকে।

সম্প্রতি ফিফা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান লেনোভোর যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত বডি ক্যামেরার বিশেষ ফুটেজে এবার সেই ফাইনালের ভেতরের গল্প ও ভিনচিচের আই-ভিউ থেকে ঘটা নানা রোমাঞ্চকর দৃশ্য উপভোগ করার সুযোগ পেলেন ফুটবলপ্রেমীরা।

বডি ক্যামেরার এই বিশেষ ভিডিওতে ফুটে উঠেছে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে দেওয়া রেফারির এক গোপন বার্তা। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নেমে দ্রুতই হলুদ কার্ড দেখেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। বিপদের আভাস পেয়ে মেসিকে ডেকে ভিনচিচকে সাফ বলতে শোনা যায়, ‘মেসি, পারেদেসকে নিয়ন্ত্রণে রাখো।

আমি তাকে (দ্বিতীয় হলুদ কার্ড) দিতে চাই না… তার কার্ড আছে। দয়া করে তাকে শান্ত রাখো, সব সময়।’ রেফারির এই বার্তা পেয়ে সতীর্থকে নিয়ন্ত্রণে রাখেন মেসি, যার ফলে পুরো ম্যাচে দ্বিতীয় কার্ড এড়িয়ে মাঠেই টিকে ছিলেন পারেদেস।

ভিডিওর শুরুতেই মেটলাইফ স্টেডিয়ামের টানেলে মেসিকে বার্সেলোনার সাবেক ও বর্তমান সতীর্থ মার্ক কুকুরেয়া ও রদ্রির সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে দেখা যায়। তবে সাউন্ড সিস্টেমে ডেভিড গেটার ‘টাইটানিয়াম’ গান বেজে ওঠায় টসের সময়ে মেসি ও রদ্রির কথোপকথন শোনা যায়নি।

খেলার মাঝপথে স্প্যানিশ অধিনায়ক রদ্রি ফাউল করার পর মেসি যখন রেফারির দিকে তাকান, তখন ভিনচিচ অভয় দিয়ে বলেন, ‘লিওনেল, আমি পুরোটা দেখেছি।’ রেফারির এই কথায় কোনো তর্কে না গিয়ে ঘুরে দাঁড়ান ৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকা। অন্যদিকে লামিন ইয়ামালকে ফাউল করায় লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে হলুদ কার্ড দেখানো এবং অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারকে ফাউলের পর ‘তোমার জন্য এটাই শেষ সুযোগ’ বলে কড়া বার্তা দেওয়ার দৃশ্যও ধরা পড়ে সেই ক্যামেরায়।

ম্যাচে ফেরান তোরেসের দেওয়া স্পেনের জয়সূচক গোল থেকে শুরু করে পুরস্কার প্রদান মঞ্চে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে ‘চমৎকার কাজ করেছেন’ বলে প্রশংসা পাওয়ার মধুর স্মৃতিগুলো এখন ভিনচিচের এই ক্যামেরার সৌজন্যে জনসমক্ষে।