আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আরও দেশ যোগ দেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, চুক্তিটি কেবল তিনটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার পরিকল্পনা নেই।
সম্প্রতি স্বাক্ষরিত এই চুক্তি ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ বা জোট নামেও পরিচিতি পেয়েছে। বুধবার লন্ডনভিত্তিক গণমাধ্যম আশার্ক আল-আওসাত-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এরদোয়ান বলেন, পরিসর বাড়ানোর আশা করা হচ্ছে। আগামীতে হয়তো এমন পরিবেশ তৈরি হবে, যখন এই অঞ্চলের সব দেশ এক ছাতার নিচে আসবে।
এরদোয়ানের আগে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান গত শনিবার বলেন, পরবর্তী ধাপে মিসর এই চুক্তিতে যোগ দিতে পারে। এর জন্য কারিগরি কিছু বিষয় সমাধান বাকি। তবে কায়রো এই দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে গঠিত এই জোটে ন্যাটোর আদলে একটি শর্ত আছে। যেখানে বলা হয়েছে, কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর হামলা হলে সেটি সব সদস্যের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।
সৌদি মালিকানাধীন গণমাধ্যমটিকে এরদোয়ান বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের নতুন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ভার নিজেদের কাঁধে নেওয়ার তাগিদ থেকে চুক্তিটির উদ্ভব। এখানকার শক্তিগুলোকেই আঞ্চলিক সমস্যার সমাধান করতে হবে। চুক্তিটি সেই লক্ষ্য অর্জনের প্রথম ধাপ।
এরদোয়ান বলেন, বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া সমীকরণ এড়িয়ে আঞ্চলিক বিষয়ের সমাধান করতে হবে। বিদেশিদের দেওয়া সমাধান কেবলই বিপর্যয় ডেকে আনে। বিষয়টি সবার ভালো করে জানা হয়ে গেছে।
চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েলের আধিপত্যকে প্রত্যাখ্যান করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান তিন মিত্রকে একটি বিকল্প নিরাপত্তা কাঠামোর মধ্যে আনা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে এরদোয়ান বলেন, এটি নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াবে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা শিল্পে যৌথ প্রকল্প গড়ে তোলার পথও উন্মুক্ত করবে।











































