স্পোর্টস ডেস্ক।।
সাদা বলের সিরিজ খেলতে চলতি মাসেই বাংলাদেশে আসার কথা ভারতের। তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে দুই দল। সূচি অনুযায়ী সিরিজটি শুরু হওয়ার কথা ১ সেপ্টেম্বর।
কিন্তু দ্বিপক্ষীয় সিরিজটি ঘিরে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছি। আগামী ২৮ আগস্ট ভারত আসবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। দুই দেশের রাজনৈতিক টানাপোড়নের কারণে এমনটা দেখা দিয়েছে।
তবে সিরিজ নিয়ে আশাবাদী যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ নিয়ে কথা বলেছেন বলে জানান বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ভারতীয় হাই কমিশনারও। তাদের আলোচনাতেও নাকি সিরিজের বিষয়টি ছিল।
সিরিজ নিয়ে আমিনুল বলেছেন, ‘ভারতের হাই কমিশনার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা হয়েছে, তারাও খুব আশাবাদী। গত বিশ্বকাপ থেকে যে দোটানা তৈরি হয়েছে তা দ্রুতই সমাধান করতে পারব। এখন পর্যন্ত আশাবাদী, বাংলাদেশ-ভারত সিরিজটি দুই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যে আলোচনা হয়েছে এর মাধ্যমে সমাধান করে ফেলতে পারব।’
স্পোর্টসের মাধ্যমেই দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট থাকবে বলে মনে করেন আমিনুল।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘‘আমরা বিষয়টি দ্রুত সমাধান করতে চাই। আশা করি স্পোর্টসের মাধ্যমে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট রাখব। যে দোটানা তৈরি হয়েছে তা স্মুথলি রান করতে চাই। আজ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললাম। তিনিও অত্যন্ত আশাবাদী। ইতোমধ্যে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। খুব ইতিবাচকভাবে তিনি বলেছেন, ‘আমরা দ্রুতই ভারত-বাংলাদেশ সিরিজ, কীভাবে দ্রুত খেলার মাধ্যমে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে পারি…।’’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যেতে না পারায় আবারও সমালোচনা করেছেন আমিনুল। তিনি বলেছেন, ‘গত বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে বিগত সরকার যে হটকারি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, হঠাৎ করে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়া, একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে মেনে নিতে পারি না। এটা ঠিক হয়নি। একে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গে যে দোটানা তৈরি হয়েছে… আমি ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তারাও ভারতীয় হাইকমিশন থেকে শুরু করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন।’











































