ক্রীড়া প্রতিবেদক।।
২ মে সিলেটে যে মহতী যাত্রার শুরু হয়েছিল, তার সফল সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে আজ সোমবার। পর্দা নামতে যাচ্ছে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬-এর জাতীয় পর্বের। দেশের দশটি অঞ্চলের প্রায় সতেরোশ ক্রীড়াবিদ, কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে গত ২০ জুলাই মাঠে গড়িয়েছিল জাতীয় পর্বের খেলা। আর্মি স্টেডিয়ামে সমাপনী দিনে অনুষ্ঠিত হবে ফুটবল ইভেন্টের বালক ও বালিকা বিভাগের দুটি ফাইনাল এবং দুটি ১০০ মিটার স্প্রিন্টের ফাইনাল। বিকাল সাড়ে ৩টায় শুরু হতে যাওয়া সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার সদয় সম্মতি প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
প্রধানমন্ত্রী সমাপনী দিনে নতুন কুঁড়িদের সঙ্গে সময় কাটানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বিকাল ৪টায় ভেন্যুতে আগমনের পর তিনি বালিকা বিভাগের ফুটবল ফাইনাল ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ উপভোগ করবেন, যে ফাইনালে মুখোমুখি হবে রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চল। এই ফাইনাল শেষে তিনি বালক ও বালিকাদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টের ফাইনাল উপভোগ করবেন। এরপর প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬-এর থিম সং-এর সঙ্গে শিশুশিল্পীদের নৃত্য পরিবেশনা উপভোগ করবেন প্রধানমন্ত্রী।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম-এর স্বাগত বক্তব্যের পর বক্তব্য রাখবেন অনুষ্ঠানের সভাপতি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। শেষে গুরুত্বপূর্ণ ও উৎসাহব্যঞ্জক বক্তব্য রাখবেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি।
বক্তব্য পর্ব শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করবেন এবং বিজয়ীদের সঙ্গে অফিশিয়াল ফটোসেশনে অংশ নেবেন প্রধান অতিথিসহ অন্য গুরুত্বপূর্ণ অতিথিরা।
উল্লেখ্য, গত ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের প্রথম আসরের আঞ্চলিক পর্বের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের সব উপজেলা ও জেলার প্রায় এক লাখ সত্তর হাজার খুদে ক্রীড়াবিদ (বয়সসীমা ১২ থেকে ১৪ বছর) আটটি ডিসিপ্লিনে অংশ নেন। এরপর জাতীয় পর্ব হয় রাজধানীর ঢাকার বেশ কয়েকটি ভেন্যুতে।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬-এর বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে প্রতিভার প্রমাণ রাখাদের ইতোমধ্যে বাছাই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাছাইকৃতদের বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) বিভিন্ন শাখায় রেখে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের। তবে এই মহতী উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য কোমলমতি শিশুদের গ্যাজেট আসক্তি থেকে মুক্ত করে মাঠমুখী করা।










































