ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে থানার সামনে শাহরিয়ার আলম সোহাগ ও মিশন আলী নামের দুই সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থলে কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় ওই দুই সাংবাদিক কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ েচিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহত সাংবাদিক শাহরিয়ার আলম সোহাগ দীপ্ত টিভির ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার কালীগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি এবং মিশন আলী নাগরিক টিভির ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি।
এ ব্যাপারে শাহরিয়ার আলম সোহাগ বলেন, ‘আড়পাড়া এলাকা থেকে ওসি মামলা না নেওয়ায় ১৬ থেকে ২০ জন নারী থানায় আসেন। এ সময় উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জালালসহ কয়েকজন ওই নারীদের উপর হামলা চালান। সে ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিকদের উপরেও হামলা চালায় জালালসহ কয়েকজন। ওসির সামনে সন্ত্রাসী জালাল এই হামলা চালিয়েছে। হামলার পর ওসি তাকে গ্রেপ্তার না করে সেফ এঙ্টি দিয়েছে। ওসি নিজে জালাল, শাহীন লস্করসহ কয়েকজনকে ডেকে এনেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওসির মাদক নিয়ে বাণিজ্য ও আসামির মোবাইল গায়েব নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়। এই ঘটনায় ওসি পেটুয়া বাহিনী দিয়ে সাংবাদিকদের উপর হামলা চালাল।’ এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, ‘শুক্রবার সন্ধ্যায় আড়পাড়া এলাকার মিঠু নামের নিয়মিত মামলার এক আসামিকে আটক করা হয়। পরে রাত আটটার দিকে তার পরিবারের লোকজন এলাবাসীকে সাথে নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার খবর জানতে পারি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ সময় আমি নিমতলা এলাকার বিএনপির কয়েকজন নেতাকে বিষয়টি জানাই। মহিলারা যেন থানার ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে। আড়পাড়া এলাকার মহিলারা সেখানে উপস্থিত হলে জালাল ও তার সাথে থাকা দলীয় নেতাকর্মীরা মহিলাদের ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকরা এই ঘটানার ভিডিও ধারণ করতে গেলে দলীয় নেতাকর্মীরা তাদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করে। পরে আমি তাদের নিবৃত করার চেষ্টা করি।’
আপনি পেটুয়া বাহিনী ডেকে সাংবাদিকদের উপর হামলা করিয়েছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমার সাংবাদিকদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক। এমন ঘটনা ঘটবে আমি বুঝতে পারিনি।’









































