স্টাফ রিপোর্টার
জলবায়ূ পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবেলায় উপকূলীয় এলাকায় কার্যকর বীমা অর্থায়ন গুরুত্বপূর্ণ| ১৯টি উপকূলীয় জেলা জুড়ে প্রায় ৭১০ কিলোমিটার উপকূলরেখা| জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ, নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা, বন্যা, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, তাপপ্রবাহ ও ধীরগতির অন্যান্য পরিবর্তন ক্রমশ বাড়ছে| ফলে লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ, ফসলহানি, নিরাপদ পানির সংকট, ¯^াস্থ্যঝুঁকি, জীবিকা ব্যাহত , অভিবাসন ও ঋণের বোঝা বাড়ছে| এ অবস্থায় তহবিল গঠন, কার্যকর বীমা ব্যবস্থাপনা গঠন, ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে ক্ষতিপূরণ প্রদানে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে|
শনিবার দুপুরে খুলনা একটি অভিজাত হোটেল মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশে জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকি অর্থায়ন: ˆবশ্বিক প্রতিশ্রুতি থেকে স্থানীয় বাস্তবতা’ শীর্ষক গোলটেবিল ˆবঠকে অংশগ্রহণকারীরা এ অভিমত ব্যক্ত করেন| কেয়ার বাংলাদেশের সহযোগিতায় বেসরকারি সংস্থা অ্যাওসেড এ ˆবঠকের আয়োজন করে|
শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদিরের সভাপতিত্বে ˆবঠকটি সঞ্চালনা করেন অ্যাওসেডের নির্বাহী পরিচালক শামিম আরফিন| বক্তব্য দেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সিপিবির জেলা সভাপতি এস এ রশিদ, বাসদের জনার্দন দত্ত নান্টু, কুয়েটের শিক্ষক ড. তুষার কান্তি রায়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শরিফ হাসান লিমন, ড. ওয়াকিউল সাব্বির, কৃষিবিদ ড. ফেরদৌস, কৃষিবিদ নজরুল ইসলাম, পনি অধিকার কমিটির সভাপতি রেহেনা আক্তার, অধ্যাপক আশেক ই এলাহী, মাধব চন্দ্র দত্ত, বীমা কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কর, মৎস্য কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার বসাক, সাংবাদিক মোস্তফা জামাল পপলু, কেয়ার বাংলাদেশের মৌমিতা দাশ গুপ্ত, হিমাদ্রী শেখর মন্ডল, অ্যাওসেডের প্রকল্প প্রধান হেলেনা খাতুন প্রমুখ|
গোলটেবিল বৈঠকে বলা হয়, সাধারণ ত্রাণব্যবস্থা দিয়ে এই ক্ষতি পূরণ সম্ভব নয়| শুধু সম্পদ হানিই নয়, মানুষের মর্যাদা, মানসিক সুস্থতা, সাংস্কৃতিক পরিচয়, সময়, আর সামাজিক বন্ধনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়| তাই ক্লাইমেট এণ্ড ডিজেস্টার রিকস ফিনান্স এন্ড ইন্সুরেন্সই (সিডিআরএফআই) কার্যকর ব্যবস্থা হতে পারে|










































