ঢাকা অফিস
চলমান এসএসসি পরীক্ষার বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন ফাঁসের খবরকে সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড| বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম কামাল উদ্দিন হায়দার জানিয়েছেন, পরীক্ষা শুরুর আগে বা চলাকালে কোনো ¯^ীকৃত গণমাধ্যম বা নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি| একই সঙ্গে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত প্রতিবেদনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছে বোর্ড|
শনিবার (২৫ এপ্রিল) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এসএম কামাল উদ্দিন হায়দার ¯^াক্ষরিত প্রতিবাদলিপিতে এ দাবি করা হয়|
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, আপনার গণমাধ্যম সময় টিভিতে এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর বাংলা প্রথম পত্রের (১০১) সব বোর্ডের প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে মর্মে একটি প্রতিবেদন প্রচার করা হয়, যা মিথ্যা, অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ভিত্তিহীন|
ইতোমধ্যে ২১ এপ্রিল বাংলা প্রথম পত্র (১০১) এবং ২৩ এপ্রিল বাংলা দ্বিতীয় পত্রের (১০২) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে| আমরা অত্যন্ত বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি যে, উভয় পরীক্ষা শুরুর আগে প্রশ্নপত্র ফাঁস সম্পর্কিত কোনো তথ্য ¯^ীকৃত কোনো গণমাধ্যম, অন্য কোনো মাধ্যম বা কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে পাওয়া যায়নি|
পরীক্ষা শেষ হওয়ার একদিন পর প্রশ্ন ফাঁস সংক্রান্ত সংবাদ প্রচার করায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ&ন হয়েছে| এমতাবস্থায়, প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে আরও বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত করে জনমনে বিভ্রান্তি দূরীকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি|
পাশাপাশি, সংবাদটির বিষয়ে জনমনে বিভ্রান্তি দূর করতে আপনার গণমাধ্যমে যথাযথভাবে প্রচার ও প্রকাশের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি|
অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলমান এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে একটি অসাধু চক্র শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি, আতঙ্ক ও ˆনতিক অবক্ষয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্টের চেষ্টা করছে|
এ পরিপ্রেক্ষিতে, ২০ এপ্রিল পুলিশের সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগ (সিটিটিসি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ‘এসএসসি ২০২৬ প্রশ্নপত্র ফাঁস গ্রুপ’ নামক একটি ফেসবুক পেজ শনাক্ত করে| প্রাপ্ত তথ্য ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সিটিটিসির একটি বিশেষ দল ২৩ এপ্রিল ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার জিরাবো টাঙ্গুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়| গ্রেফতারকৃতরা অবৈধ আর্থিক লাভ এবং সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্টের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ফাঁসের মিথ্যা প্রচার চালিয়ে চলমান পরীক্ষা কার্যক্রমকে ব্যাহত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল|
বিজ্ঞপ্তিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজব, অপপ্রচার ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে সচেতন থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়|










































