ঢাকা অফিস।।
সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, এস আলম ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংক দখলের সময় জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি পরিচালক হিসেবে লুটের সহযোগী ছিলেন শনিবারের (২৫ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। লুটেরার সহযোগী হিসেবে এখন থাকার কথা জেলে। অথচ আছেন বঙ্গভবনে। এ নিয়ে জাতি হিসেবে আমরা আত্ম মর্যাদাবোধ সম্পন্ন হতে পারি কিনা, মাথা উঁচু করে কথা বলতে পারি কিনা– সে প্রশ্ন রেখে গেলাম।’
আজ শনিবার ভয়েস ফর রিফর্ম আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকার কাওরান বাজারে বিডিবিএল ভবনে ভয়েস ফর রিফর্ম আয়োজিত ‘সংশোধিত ব্যাংক রেজল্যুশন আইন-২০২৬: আবারও ঝুঁকির মুখে ব্যাংকিং খাত’ শীর্ষক এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ভয়েস ফর রিফর্মের সমন্বয়ক ফাহিম মাশরুরের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন বিআইবিএমের সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী, লন্ডনের সোয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোসতাক খান, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা বিভাগের ডিন ড. ওয়ারেসুল করিম, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, সিএফএ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আসিফ খান, প্রথম আলোর হেড অফ অনলাইন শওকত হোসেন মাসুম ও ডিসিসিআইর সাবেক সভাপতি শামস মাহমুদ।
বক্তারা বলেন, হঠাৎ করে ব্যাংক রেজল্যুশন আইনে ১৮(ক) ধারা যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অতীতে যারা দেশের ব্যাংকিং খাতকে পরিকন্তিভাবে লুট করেছে তাদেরকে আবারও মালিকানায় আসার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। ব্যাংকিং খাতের প্রতি যা আস্থাহীনতা তৈরি করে পুরো খাতকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণ করা না গেলে অর্থনীতিতে আরও খারাপ অবস্থা তৈরি করবে।
বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ব্যাংকখাতের প্রতি আস্থা ফেরানোর জন্য তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রথমত, চোর ধরে দৃষ্টান্তমূলক কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এস আলম একটি নাম না পদ্ধতি হয়ে উঠেছিলো। আস্থা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ত, আবার যেন অনিয়মের পুনরাবৃত্তি না করতে পারে সে জন্য পদ্ধতিগত সংস্কার করতে হবে। বেনামি ঋণ নিয়ে হুন্ডি করে যেন পাঠাতে না পারে সে জন্য ক্যাসলেস হওয়া খুব জরুরি। তৃতীয়ত, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার করতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বাধীন করতে পারলে এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করা যেতো।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্প্রতি সহিংসতা শুরু হয়েছে। চট্রগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে চলছে। এটা ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। সমাধান করতে না পারলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রণক্ষেত্রে পরিণত হবে। শিক্ষার মান এমনিতেই ক্রমেই নিচে নেমেছে। আস্তে–আস্তে এটা শিক্ষাকে অপ্রাসঙ্গিক করে তুলতে পারে। এ ক্ষেত্রে একটা সমাধানে আইন মেনে চলতে হবে। আর এজন্য নিবন্ধিত দলের কতগুলো নিয়ম–কানুন রয়েছে, যা পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।











































