স্পোর্টস ডেস্ক।।
সৌদি প্রো লিগে টানা দুই ম্যাচ বয়কটের পর শনিবার আল ফাতেহর বিপক্ষে ম্যাচে দলে ফেরেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। আর ফিরেই গোল করে জানান দেন নিজের উপস্থিতি।
দলের অধিনায়ক হিসেবে শুরুর একাদশে ছিলেন তিনি। তার সঙ্গে আক্রমণভাগে খেলেছেন জোয়াও ফেলিক্স, সাদিও মানে ও কিংসলে কোম্যান। ম্যাচের মাত্র ১৮ মিনিটেই জালে বল জড়িয়ে দেন রোনালদো।
শেষ পর্যন্ত আল নাসর ২-০ গোলের জয় পায়। যোগ করা সময়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন আইমান ইয়াহইয়া। এই জয়ে সৌদি প্রো লিগের পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে আল নাসর। শীর্ষে থাকা আল হিলালের চেয়ে তারা এখন এক পয়েন্ট পিছিয়ে।
ইএসপিএন জানিয়েছিল, চলতি মাসের শুরুতে আল ইত্তিহাদ ও আল রিয়াদের বিপক্ষে ম্যাচে খেলেননি রোনালদো। সাম্প্রতিক ট্রান্সফার উইন্ডোতে ক্লাবের জন্য পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা না পাওয়ায় তিনি অসন্তুষ্ট ছিলেন।
বিশেষ করে সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড-এর ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ ছিল তার। একই তহবিলের ৭৫ শতাংশ মালিকানাধীন আল হিলাল যখন তার সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ করিম বেনজেমাকে আর ইত্তিহাদ থেকে দলে ভেড়ায়, তখন আল নাসরের জন্য সমপর্যায়ের বিনিয়োগ না হওয়ায় হতাশ হন রোনালদো।
তবে ইএসপিএনকে সূত্র জানিয়েছে, পিআইএফ রোনালদোর প্রধান দাবিগুলো মেনে নেওয়ার পরই তিনি দলে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। এর মধ্যে ছিল আল নাসরের বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং ক্লাবের শীর্ষ নির্বাহীদের প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসন পুনর্বহাল।
রোনালদোর প্রতিবাদ শুরু হওয়ার পর সৌদি প্রো লিগ এক বিবৃতিতে জানায়, প্রতিটি ক্লাবই তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা স্বাধীনভাবে পরিচালনা করতে পারে।
বিবৃতিতে বলা হয়, “আল নাসরে যোগ দেওয়ার পর থেকেই ক্রিস্টিয়ানো পুরোপুরি সম্পৃক্ত ছিলেন এবং ক্লাবের উন্নয়ন ও উচ্চাকাঙ্ক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। একজন শীর্ষ প্রতিযোগীর মতোই তিনি জিততে চান। তবে যত গুরুত্বপূর্ণই হোন না কেন, কোনো ব্যক্তিই নিজের ক্লাবের বাইরের সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করেন না।”
শনিবারের গোলটি ছিল চলতি মৌসুমে রোনালদোর ১৮তম লিগ গোল। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তিনি এখন জুলিয়ান কুইনোনসের সমান অবস্থানে আছেন, যিনি খেলেন আল কাদশিয়ার হয়ে। তবে আল আহিলের ইভান টনির চেয়ে তিনি দুই গোল পিছিয়ে আছেন।








































