।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
পতিত আওয়ামী সরকার বিগত ১৬বছরে রাষ্ট্র কাঠামোগুলোকে ধ্বংস করেছে। বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে মেরামত করে একটি সুন্দর আগামীর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সবাইকে কাজ করতে হবে উল্লেখ করে খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা-২ আসনে ধানের শীষে মনোনয়ন প্রত্যাশী শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, রাষ্ট্র মেরামতে আমাদের নেতা তারেক রহমান দুই বছর পূর্বে ৩১দফা ষোষণা করেছিলেন। এর মধ্যেই রাষ্ট্র সংস্কারের মূল বিষয়গুলো উপস্থাপিত হয়েছে। এ ৩১ দফা দেশের মানুষের মুক্তির সনদ। চবিবশের ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে খুনি হাসিনা এদেশ থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু তার পতনের এক বছরের বেশি সময় অতিক্রান্ত হলেও আমরা এখনো কাক্সিক্ষত নির্বাচন পাইনি। গত ১৬বছর আওয়ামী লীগ দেশের মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছে। সাধারণ মানুষ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেনি। বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে লক্ষাধিক মামলা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবাদ করতে গেলে পুলিশ ও সরকারি বাহিনী দিয়ে দমন করা হয়েছে। অন্তর্র্বতীকালীন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। কিন্তু তারা এখনো নির্বাচন দিতে সক্ষম হয়নি। তারা ঘোষণা দিয়েছে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে। আমরা আশা করি, এবার জনগণ নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবে এবং নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে।
সোমবার (৬ অক্টোবর) বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রণীত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের রূপরেখার ৩১ দফার লিফলেট বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন। খালেদা জিয়া মাথা উঁচু করে লড়েছেন উল্লেখ করে তুহিন বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার দমননীতি সত্ত্বেও বেগম খালেদা জিয়া মাথা উঁচু করে লড়াই চালিয়ে গেছেন। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যদি বিএনপি জনগণের সমর্থন নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করে, তবে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়ন করা হবে। এই ৩১ দফা হচ্ছে গণমানুষের মুক্তির সনদ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রাথমিকভাবে ৫০ লক্ষ ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে পরিবারগুলো রেশনের আওতায় আসবে এবং নারীরা এ সুবিধা ভোগ করবে। এ সময় নেতাকর্মীরা তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করে বিভিন্ন স্লোগান দেয়। দুপুরে লিফলেট বিরতণ কর্মসূচি নগরীর ফেরিঘাট মোড় থেকে শুরু হয়ে ব্যাংকপাড়া, হার্টমেটাল গ্যালারি হয়ে হোসেন সোহরাওয়ার্দী মার্কেটের সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেয়া হয়।
এ সময় তার সঙ্গে ঢাকা থেকে আগত জাসাস নেতা জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী নাসির উপস্থিত ছিলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাফিজুর রহমান মনি, কে এম হুমায়ূন কবির, আসাদুজ্জামান আসাদ, নাসির উদ্দীন, জাকির ইকবাল বাপ্পি, ইশতিয়াক উদ্দিন লাভলু, একরামুল কবির মিল্টন,আবু সাঈদ শেখ, মাহমুদ আলম বাবু মোড়ল, আজিজুর রহমান, মনিরুজ্জামান মনির, ইফতেকার আলী বাবু, মাসুদুল হক হারুন, মোঃ হাবিবুর রহমান, কাজী নজরুল ইসলাম,শেখ আব্দুল আলীম, আমীন আহম্মেদ, বায়েজিদ হোসেন, ওয়াহিদুজ্জামান হাওলাদার,আবুল ওয়ারা, কামরুজ্জামান রুনু, সাইফুল ইসলাম বকশি,আরিফুল রহমান বিপ্লব, জাহাঙ্গীর হোসেন, সওগাতুল উল আলম সগীর, মোল্লা নুরুল ইসলাম, আহসান মৃধা খোকন, কাজী জলিল, জামাল তালুকদার, আহসান হাবীব বাবু, মিজানুর রশিদ মিজান, শেখ সারোয়ার, মফিজুল ইসলাম, মঈনুল ইসলাম কিরন, আব্দুল কাদের মল্লিক, আফজাল হোসেন, মনিরুল ইসলাম, ইয়াজুল ইসলাম অ্যাপোলো, জামিল হোসেন, জিয়াউর রহমান আপন, ফয়েজ আহমেদ, আজমল আলি খান শাহিন, আবুল কালাম আজাদ লাভলু, মিঠু মির্জা, টুটুল , সাঈদ হোসেন, আমিন শেখ, রমজান খলিফা, আরিফ হোসেন, ইরিনা আক্তার, শারমিন সুলতানা, সুমা আক্তার, কাকলি খান, মাহমুদ হাসান বাবু, আবু বক্কার, মীর মোসলেম উদ্দিন, বাবর মোল্লা মিজান, নুরুল হুদা পলাশ, আরিফ, সৈয়দ ইমরান , খান সাইফুল, সাদী, রমজান শেখ প্রমুখ।











































