স্পোর্টস ডেস্ক।।
ডেব্রেসেনে ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ শুরুর আগে আবারও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইতালি সমর্থকরা। ইসরাইলের জাতীয় সঙ্গীত বেজে ওঠার সময় গ্যালারিতে উপস্থিত আজ্জুরি সমর্থকেরা একযোগে মুখ ফিরিয়ে দাঁড়ান এবং হাতে ধরা প্ল্যাকার্ডে প্রতিবাদ জানান। হাঙ্গেরির নাগিরদেই স্টেডিয়ামে গত সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত শুরু হয় ম্যাচটি। নিরাপত্তাজনিত কারণে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলতে হয় দুই দলকে। এর আগে সেদিন সকালে জেরুজালেমে বাসস্টপে এক সন্ত্রাসী হামলায় ছয়জন নিহত হন। সেই ঘটনার পর কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামে ইসরাইল দল। নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও স্টেডিয়াম ছিল প্রায় ফাঁকা, হাতে গোনা কয়েকশ দর্শক উপস্থিত ছিলেন কেবল। তবে তাদের মধ্যেই ইতালিয়ান সমর্থকেরা বারবার প্রতিবাদের সুরে কথা বলেন। ইসরাইলের জাতীয় সঙ্গীত চলাকালীন মুখ ফিরিয়ে নেওয়া ছাড়াও তারা ‘Stop’ লেখা ব্যানার প্রদর্শন করেন। গত ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরেও এই দুই দল মুখোমুখি হলে একই ধরনের প্রতিবাদ করেছিলেন তারা।
এর আগে ইতালিয়ান কোচেস অ্যাসোসিয়েশন এক খোলা চিঠিতে উয়েফা ও ফিফাকে আহ্বান জানিয়েছিল ইসরাইলকে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করার জন্য, যেমনটি রাশিয়ার ক্ষেত্রে হয়েছে ইউক্রেন আক্রমণের পর। গাজায় চলমান ভয়াবহ মানবিক সঙ্কটের কারণেই এই দাবিকে জোরালো করে তুলছেন প্রতিবাদকারীরা। তবে ম্যাচে হয়েছে রোমাঞ্চকর এক লড়াই। নাটকীয় এক লড়াইয়ে ইসরাইলকে ৫-৪ গোলে হারিয়ে ইতালিকে রক্ষা করেন সান্দ্রো তোনালি। তার করা শেষ মুহূর্তের গোলটিই আজ্জুরিদের জন্য জয় নিশ্চিত হয়। এক পর্যায়ে যখন মনে হচ্ছিল আরেকটি সঙ্কটে পড়তে যাচ্ছে ইতালি।
এই ম্যাচে ইসরাইলি ফুটবলারদের পুরো ম্যাচ জুড়ে অভিশাপ দিয়েছে ইতালি। এমনটাই দাবি করেছেন দলটির ফুটবলাররা। কিছু ইসরাইলি খেলোয়াড় স্থানীয় মিডিয়ার কাছে ঘটনাটি ব্যাখ্যা করেছেন। তারা জানান খেলা শেষে এনিয়ে দু’দলের ফুটবলারদের মাঝে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়, যা এক পর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপনেয়। তারা বলেছে যে প্রাথমিকভাবে এতে জিয়ানলুইগি ডোনারুম্মা, টাই ব্রিভো এবং শাগিভ ইয়েহেজকেল জড়িত ছিল, এবং গোলরক্ষক তাদের খেলোয়াড়দের উত্যক্ত করার পর এটি শুরু হয়। ইতালি এই ঘটনার বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।









































