Home খেলাধুলা ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ বিবেচনায় ব্যাটিং উইকেট চান বাংলাদেশ অধিনায়ক

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ বিবেচনায় ব্যাটিং উইকেট চান বাংলাদেশ অধিনায়ক

0

স্পোর্টস ডেস্ক।।

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা নারী ক্রিকেট দলের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হচ্ছে আগামীকাল। রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ম্যাচ শুরু হবে সকাল সাড়ে ৯টায়। আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি এই সিরিজে ব্যাটিং উইকেট চেয়েছেন।

এবারের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করবে ইংল্যান্ড। আগামী জুনে পর্দা উঠবে এবারের আসরের। ইংল্যান্ডের মাটিতে খেলা হওয়া ব্যাটারদের জন্য উইকেটে রান আছে এমন উইকেটে খেলতে চান টাইগ্রেস অধিনায়ক জ্যোতি।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) রাজশাহীতে সিরিজ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে জ্যোতি বলেন, ‘যেহেতু আমরা ইংল্যান্ডে যাব (টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ) খেলার জন্য তাই ওইখানে আসলে উইকেটগুলো ব্যাটিং বান্ধব বেশি হয়। কিছু কিছু জায়গা আছে যে মাঠগুলো ওখানে আসলে স্পিনটা অনেক বেশি সাহায্য করে দলগুলোকে। তাই আমরা ওটা চাইনি, আমরা চেয়েছি যে একটা ভালো ব্যাটিং বান্ধব উইকেট যেখানে ব্যাটাররা আসলে স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যাটিং করতে পারবে রান আসবে কারণ রান করার অভ্যাসটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

রাজশাহীর উইকেট নিয়ে তিনি বলেন, ‘অনেক সময় এটা উইকেটের জন্য হয় না কিন্তু আমার কাছে এ পর্যন্ত মনে হয় যেভাবে রাজশাহীর উইকেট আসলে যেভাবে কাজ করে ব্যাটারদের জন্য খুব ভালো সেটা। আর আমি চাইব যে দুই পক্ষ থেকে অনেক বেশি রান হোক কারণ রান যখন হবে তখন আসলে দর্শকরা মাঠে আসবে মানুষ আসলে খেলা দেখে খুব পছন্দ করবে।’

জ্যোতি মনে করেন সবকিছু যদি শুধু ঢাকা কেন্দ্রিক হয়, তাহলে দেশের অন্য অঞ্চলের ক্রিকেট উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। ঢাকার বাইরে নিয়মিত ম্যাচ আয়োজন করা গেলে স্থানীয় খেলোয়াড়, কোচ ও সংগঠকদের মধ্যে আরও বেশি উৎসাহ তৈরি হবে।

তিনি বলেন, ‘যারা এই দায়িত্বে আছেন তারা যদি এই জিনিসটা চিন্তা করেন যেহেতু আসলে ঢাকা কেন্দ্রিক সবকিছু করলে হবে না বাইরে এসে যদি আমরা বাইরের মাঠগুলোকে এভাবে আমরা গুরুত্ব দেই এবং ওখানেও যদি খেলা আয়োজন করি তাহলে মনে করব যে তারা অনেক বেশি উৎসাহিত হবে যারা এটার সাথে জড়িত আছে।’

জ্যোতি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেটে পুরুষ এবং নারী ক্রিকেটের পরিমাণটা বাড়ছে সেইভাবে কিন্তু আসলে আমাদের মাঠ অনেক কম খেলার। সেই ক্ষেত্রে থেকে চিন্তা করলে কিন্তু ঢাকার বাইরে আমাদের চিন্তা করা উচিত যে এই মাঠগুলোকে আরও পরিচর্চা করা।’