অনলাইন ডেস্ক।।
দেশজুড়ে সহিংস বিক্ষোভের জেরে এবার পদত্যাগ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্র পাওডেল। এর কয়েক ঘণ্টা আগেই দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের চাপে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়েন কেপি শর্মা ওলি। এ খবর দিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে। এতে বলা হয়, সহিংসতায় দেশজুড়ে ব্যাপক অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। লুটপাট করা হয় বাসভবনের বিভিন্ন মালামাল। একইভাবে কেপি শর্মা ওলির ব্যক্তিগত বাড়িতেও হামলা চালানো হয়।
টানা দ্বিতীয় দিনের মতো চলা বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন বহু মানুষ। রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীদের টার্গেটে পরিণত হয়েছেন একাধিক শীর্ষ রাজনীতিক। সোমবার পদত্যাগ করা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখকের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী বিষ্ণু প্রসাদ পাওডেলকে মারধর করে গুরুতর আহত করেন বিক্ষোভকারীরা। এমনকি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবার বাড়িতেও হামলা হয়েছে, যেখানে দেউবা ও তার স্ত্রী আরজু রানা দেউবা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
প্রধানমন্ত্রী পদ ছাড়ার পর কেপি শর্মা ওলি নাকি ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে করে দুবাই যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এরই মধ্যে তিনি উপপ্রধানমন্ত্রীর হাতে দায়িত্ব হস্তান্তর করেছেন। তবে এক বিবৃতিতে অলি জানিয়েছেন, পরিস্থিতি শান্ত করতে তিনি সকল দলের সমন্বয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় অল-পার্টি বৈঠক আহ্বান করেছেন। তিনি দেশবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান।
এদিকে, পরিস্থিতির অবনতিতে ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ই তাদের নাগরিকদের নেপালে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে। নেপালে অবস্থানরত নাগরিকদের জন্য জারি করা হয়েছে সতর্কতা। ভারতীয় দূতাবাসের পক্ষ থেকে ঘরেই থাকার এবং জনসমাগম এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।










































