Home খেলাধুলা সুস্থ জাতি গঠন করতে খেলার কোনো বিকল্প নেই: তুহিন

সুস্থ জাতি গঠন করতে খেলার কোনো বিকল্প নেই: তুহিন

10

শহিদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে ১৭নং ওয়ার্ড চ্যাম্পিয়ান

।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা-২ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, বিগত ১৭ বছর দেশের ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে স্বৈরাচার হাসিনা সরকার দলবাজি করেছে। দলীয়করণ করে মাঠ থেকে খেলার মান একেবারেই নষ্ট করে ফেলেছিল। আগামী দিনে বিএনপি যদি ক্ষমতায় যেতে পারে ক্রীড়াঙ্গনকে দলমুক্ত রাখা হবে। অন্তর্বরতী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্রুত নির্বাচনের আশা করা হলেও দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে তা বিলম্বিত হচ্ছে। আওয়ামী প্রেতাত্মারা নির্বাচন ঠেকাতে এখনো তৎপর। গত ১৭ বছর বাংলাদেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। মানুষ এখন ভোট দিতে চায়। আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হলে দেশের মানুষ ১৭ বছর পর ভোট দেয়ার সুযোগ পাবে। নিরপেক্ষ নির্বাচনে জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠন করলে খেলাধুলার গতি বাড়াতে আমরা কাজ করব। নতুন প্রজন্মকে মোবাইল ও মাদক থেকে দূরে সরাতে স্কুলগুলোতে খেলাধূলা বাধ্যতামূলক করা হবে। সুস্থ জাতি গঠন করতে খেলার কোনো বিকল্প নেই।


শনিবার (২৬ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৪টায় সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপি’র উদ্যোগে জোড়াগেট সি অ্যান্ড বি কলোনি মাঠে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়া স্মৃতি (অনূর্ধ্ব-১৬) ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫-এর ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, স্বৈরাচারী সরকার পতনের পর দেশের মানুষ প্রাণ খুলে নি:শ্বাস নিচ্ছে। খেলাধুলায় মেতেছে। জনগণের ভোটে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মানুষের এ উচ্ছ্বাসকে ধরে রাখা হবে। দেশের ফুটবল খেলার হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে হবে। এজন্য প্রতিটি জেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করতে হবে। এসব খেলার মাধ্যমে তৃণমূল থেকে ভালো মানের খেলোয়াড় উঠে আসবে। যারা একসময় জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ পাবে। ইতিমধ্যেই আমাদের নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৩১ দফা কর্মপরিকল্পনা জাতির সামনে তুলে ধরেছেন। ৩১ দফায় ক্রীড়াঙ্গনকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। আয়োজক কমিটির সভাপতি শেখ মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, বেগম রেহানা ঈসা, ডা. রফিকুল হক বাবলু, আসাদুজ্জামান আসাদ, সৈয়দ সাজ্জাদ আহসান পরাগ, একরামুল কবির মিল্টন, মিজানুর রহমান মিলটন, জাকির ইকবাল বাপ্পি, তাজিম বিশ্বাস, কাজি নজরুল ইসলাম, মাহমুদ আলম বাবু মোড়ল, শেখ আজিজুর রহমান, আবুল ওয়ারা, কামরুজ্জামান রুনু, শওকত আলী লাবু বিশ্বাস, আরিফুল ইসলাম বিপ্লব, কাজী মিজানুর রহমান, ওয়াহিদুজ্জামান হাওলাদার, মোঃ সাইফুল ইসলাম, আহসান মৃধা খোকন, মুসা হোসেন খান, আহসান হাবীব বাবু, মিজানুর রশিদ মিজান, জামাল হোসেন তালুকদার, ফরহাদ হোসেন, ইয়াজুল ইসলাম অ্যাপোলো, ডা. শাহিন আহসান, কাদের মল্লিক, বক্কার মীর, ইয়াসিন মোল্লা, শেখ মনিরুল ইসলাম, আফজাল হোসেন, সোহরাব হোসেন, নাদিম আশফাক, মনিরুজ্জামান মনি, আমিন হোসেন মিঠু, নাম্মিন হোসেন মারজান, হাসনা হেনা, নাসরিন হক শ্রাবণী, কামরুন্নাহান হেনা, মুন্নি জামান প্রমুখ। ফাইনাল ম্যাচে ২৬ নম্বর ওয়ার্ড দল এবং ১৭ নম্বর ওয়ার্ড দল মুখোমুখি হয়। চমৎকার নৈপুণ্যের খেলায় ২৬ নম্বর ওয়ার্ড দলকে ৪-১ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে ১৭ নম্বর ওয়ার্ড দলের হাতে চ্যাম্পিয়নের শিরোপা তুলে দেন প্রধান অতিথি।