Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চল ও আশপাশের সব খবরা খবর

সারা খুলনা অঞ্চল ও আশপাশের সব খবরা খবর

21
পানিতে ভেসে বেড়াচ্ছে হাঁস।

আদর্শবান মানুষ হওয়াটাই মানুষের মূল সৌন্দর্য্য : বিভাগীয় কমিশনার
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার মো: ফিরোজ সরকার বলেছেন, সুদর্শন মানুষ হওয়াই মানুষের সৌন্দর্য নয়। আদর্শবান মানুষ হওয়াটাই মানুষের মূল সৌন্দর্য। তাই আজকের প্রজন্মকে আদর্শবান ও ভালো মানুষ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষার্থীদের পিতা-মাতার অনুশাসনের পাশাপাশি ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, মন্দ কাজ থেকে দূরে রাখা এবং সৃষ্টিশীল কাজের সাথে সম্পৃক্ত রেখে সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি শুক্রবার সকালে কেসিসি পরিচালিত খুলনা কলেজিয়েট গার্লস স্কুল ও কেসিসি উইমেন্স কলেজ প্রাঙ্গণে তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত পিঠা উৎসব এবং ২০২৩-২০২৪ শিক্ষা বর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন। খুলনা কলেজিয়েট গার্লস স্কুল ও কেসিসি উইমেন্স কলেজ কর্তৃপক্ষ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) রোজিনা আক্তার-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন যুগ্ম সচিব বিল্লাল হোসেন খান, কেসিসি’র সচিব শরীফ আসিফ রহমান, সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো: আমিরুল আরাফাত ও থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো: আব্দুল মোমেন। স্বাগত বক্তৃতা করেন ওরিয়েন্টেশন আয়োজক কমিটির আহবায়ক সহকারী অধ্যাপক ড. নাসরিন নাহার বেগম।
অনুষ্ঠানে প্রশাসক নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান এবং ফিতা কেটে পিঠা উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে তিনি বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। সহকারী অধ্যাপক জিএম মকবুলুর রহমান, পিঠা উৎসব আয়োজক কমিটির আহবায়ক সহকারী অধ্যাপক রাফিয়া আকতার সহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের উর্ধগতি রোধে সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিতে হবে
খবর বিজ্ঞপ্তি
শুক্রবার বিকাল ৪টায় নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড়স্থ চত্বরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন এর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মুফতি ইমরান হুসাইন এর পরিচালনায় মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা, দ্রব্যমূলের উর্ধ্বগতি রোধ ও রাসুল সাঃ কটুক্তিকারী রাখাল রাখার ফাসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল পূর্বক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন দেশের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ কঠোরতা অবলম্বনের পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের কোন বাহিনী বা বাহিনীর কোন সদস্য যদি সরকারকে সহায়তা না করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কোন ধরণের দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়া কঠোর ব্যবস্থা নিন। আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অন্তর্র্বতীকালীন সরকার যে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে তা গ্রহণযোগ্য না। রাষ্ট্রের কাছে মানুষের প্রথম ও প্রধান চাওয়া হলো নিরাপত্তা; সেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না বলে রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তা নিয়েই জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এই অবস্থা অন্তর্র্বতীকালীন সরকার ও দেশের জন্য কল্যাণকর নয়। তাই আইন-শৃংখলার নাজুক পরিস্থিতির দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করে দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করা উচিৎ।
আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে সরকারের প্রতি একগুচ্ছ পরামর্শ দিয়ে বলেন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি রোধ করতে সিন্ডিকেট প্রথা ভেঙ্গে দিতে হবে। রাজনৈতিক পালাবদলে নতুন কোন সিন্ডিকেট যাতে গড়ে না ওঠে সেই ব্যাপারে সরকারকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। দিনের বেলা হোটেল রেস্তোরা বন্ধ রাখতে হবে ,অশ্লীল বেহায়াপনা রোদে প্রশাসনের কার্যকারী ব্যবস্থা নিতে হবে। এজন্য উলামায়ে কেরাম ও নাগরিকদের সমন্বয়ে সামাজিক কমিটি গঠন করা যেতে পারে।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নগর সহ-সভাপতি হাফেজ আব্দুল লতিফ, জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওঃ দ্বীন ইসলাম, এসিস্টেন্ট সেক্রেটারী মোঃ ইমরান হোসেন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ সাইফুল ইসলাম ভূইয়া, প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম কাবির, দপ্তর সম্পাদক মেহেদী হাসান সৈকত, অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির, শিক্ষা ও সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মঈন উদ্দিন ভূইয়া, কৃষি ও শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোল্লা রবিউল ইসলাম তুষার, মহিলা ও পরিবার কল্যাণ সম্পাদক কারী মোঃ জামাল উদ্দিন, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মাওঃ নাসিম উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযুদ্ধা জিএম কিবরিয়া, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ বাদশা খান, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মারুফ হোসেন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম খালিদ সাইফুল্লাহ, সহ দপ্তর সম্পাদক এইচ এম আরিফুর রহমান, সহ অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক গাজী মিজানুর রহমান, সহ প্রশিক্ষণ সম্পাদক মোঃ মঈন উদ্দিন, সদস্য জাহিদুল ইসলাম টুটুল মোড়ল, মোঃ শহিদুল ইসলাম সজিব, মোঃ কবির হোসেন হাওলাদার, মোঃ মিরাজ মহাজন , যুব নেতা মোঃ আব্দুর রশিদ হাওলাদার, আব্দুস সবুর, শ্রমিক নেতা আব্দুল মান্নান, মোঃ পলাশ শিকদার, ছাত্রনেতা মোঃ মাহদী হাসান মুন্না, মোঃ আতিক হাসান, মোঃ মাসুম বিল্লাহ, নাঈম হাসান, শাহরিয়ার নাফিস, মোহাম্মদ মামুন, মোহাম্মদ শাহরিয়ার তাজ, মোঃ নুরুল করিম প্রমুখ। সমাবেশ শেষে বিশালের বিক্ষোভ মিছিল নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।

বিবৃতিতে মহানগর বিএনপি
রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করা সকলের দায়িত্ব

খবর বিজ্ঞপ্তি
রহমত, বরকত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে রমজান সমাগত। রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করা ও তাকওয়া অর্জনের এ মাসে তাকওয়াপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করা সকলের দায়িত্ব।
পবিত্র রমজান উপলক্ষে শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিএনপি’র মিডিয়া সেল প্রদত্ত বিবৃতিতে খুলনাবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানদের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়ে খুলনা বিএনপি এসব কথা বলেছেন। পবিত্র রমজান মাসে একজন রোজাদার মহান রাব্বুল আলামিনের নিকট করুণা ভিক্ষা করলে সন্তুষ্টচিত্তে তিনি বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। এই পবিত্র মাহে রমজানে একজন প্রকৃত মোমিন ব্যক্তি সারাদিন সকল ক্ষেত্রে সংযমী থাকেন আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায়। রমজানের পবিত্রতা রক্ষা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের পাগলা ঘোড়ার লাগাম নিয়ন্ত্রণ করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়েছে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, পবিত্র রমজানের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে যাবতীয় ভোগবিলাস, হিংসা-বিদ্বেষ, উচ্ছৃঙ্খলতা ও সংঘাত পরিহার করে শান্তি প্রতিষ্ঠায় পরস্পরকে সহযোগিতা করতে হবে। বিবৃতিতে মাহে রমজানের সম্মানে সবধরনের গর্হিত কাজ থেকে বিরত থাকতে ও রাখতে সংশ্লিষ্টদের কার্যকরী উদ্যোগ নিতে হবে। ইফতারি ও সেহরীর সময় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ, খুলনা মহানগরীকে যানজটমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। একই সাথে রমজানের পবিত্রতা রক্ষার্থে অশ্লীলতা বেহায়াপনা নিয়ন্ত্রণ ও দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের নাগালে রাখতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণসহ মজুদদার, মুনাফাখোর ও সিন্ডিকেটদের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিবৃতিদাতারা হলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা মহানগর সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, মহানগর সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন প্রমূখ।

ঝিনাইদহে ট্রাকচাপায় এনজিও কর্মকর্তার মৃত্যু
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহে ট্রাকচাপায় সব্যসাচী রায় (৩০) নামে এক এনজিও কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ঝিনাইদহ-কালীগঞ্জ মহাসড়কের মহারাজপুর ইউনিয়নের বিষয়খালী বাজারে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে কালীগঞ্জ বারোবাজার হাইওয়ে থানার ওসি মহসিন হোসেন বলেন, “মরদেহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক ট্রাকটি আটক করা যায়নি।”
মারা যাওয়া সব্যসাচী যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার ব্রহ্মপুর গ্রামের বিমল কুমার রায়ের ছেলে। তিনি রাজশাহীর আরআরএফ এনজিওতে অডিট অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এলাকাবাসী জানায়, “রাজশাহী থেকে মোটরসাইকেলে যশোর যাচ্ছিলেন সব্যসাচী। বিষয়খালী এলকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক তার মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।”

খুলনায় মাসব্যাপী একুশে বইমেলা সমাপ্ত
তথ্য বিবরণী
খুলনায় মাসব্যাপী একুশে বইমেলা শেষ হয়েছে। বয়রাস্থ বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগার চত্বরে শুক্রবার বিকালে এ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়। খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এ সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক বলেন, বইয়ের মূল্য কখনো টাকা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। একখানা বই অমূল্য সম্পদ। বইমেলার বানিজ্যিক আবেদনের পাশাপাশি এর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্য অপরিসীম। বইমেলা প্রাণের মেলা। অন্য অনেক বইমেলা দেখেছি, কিন্তু খুলনার এ বইমেলা অন্যরকম। এ বইমেলাকে ঘিরে খুলনার মানুষের যে প্রাণচাঞ্চল্য, তা অনবদ্য ও অসামান্য। খুলনার এ বইমেলা তার সৃজনশীলতাকে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করে জাতীয় পযায়ে স্থান করে নেবে, এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার টি এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক শিক্ষা অফিসার ফারহানা নাজ, বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারের প্রিন্সিপাল লাইব্রেরিয়ান-কাম-উপপরিচালক মোহাম্মদ হামিদুর রহমান প্রমুখ।

বেনাপোলে ১২ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ
বেনাপোল প্রতিনিধি
বেনাপোলের বিভিন্ন সীমান্তে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১২ লাখ টাকার বিভিন্ন প্রকার ভারতীয় চোরাই পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী চোরাই পণ্য জব্দের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদে বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ধান্যখোলা, বেনাপোল বিওপি এবং বেনাপোল আইসিপির সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভারতীয় কসমেটিক্স, শাড়ি, থ্রি-পিস, কম্বল, কিসমিস, বিস্কুট এবং বিভিন্ন প্রকার চকলেট জব্দ করা হয়েছে।
জব্দকৃত পণ্যের মূল্য প্রায় ১১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এসব পণ্য বেনাপোল কাস্টমসের গোডাউনে জমা দেওয়া হবে।
মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান মালামালসহ চোরাকারবারীদের আটকের ক্ষেত্রে সীমান্তে বিজিবির গোয়েন্দা ও টহল তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে তাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও জানান, চোরাকারবারীরা ভারত থেকে বিভিন্ন সীমান্ত পথে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে এসব চোরাই পণ্য বাংলাদেশে আনছে। এতে করে সরকার যেমন রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং পাশাপাশি দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে উচ্ছেদ চেষ্টার অভিযোগ
নড়াইল প্রতিনিধি
নড়াইলে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে উচ্ছেদ প্রচেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসক কর্তৃক উচ্ছেদ নেটিশের ভুক্তভোগী পরিবারের আয়োজনে নড়াইল পুরাতন বাজারে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, নড়াইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ম. ম. শফিউল্লাহ। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমরা অত্যন্ত সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি। নড়াইল পৌরসভা মহিষখোলা মৌজার দক্ষিণ পার্শ্বে চিত্রা নদী প্রবাহিত। নদীর চর পড়ে থাকা জায়গা দীর্ঘ ৫০ বৎসর পূর্ব থেকে মহকুমা প্রশাসক ও পরবর্তী জেলা প্রশাসক অকৃষি খাস জমি হিসাবে বন্দোবস্ত করে আসছে। আমরা নিজ নিজ ইজারাকৃত জমিতে গৃহ নির্মাণ করিয়া পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করছি। ১৯৯৩ সালে পৌর এলাকার খাস/অকৃষি জমি স্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়ার সিদ্ধান্ত হওয়ায় আমরা স্থায়ী বন্দোবস্ত পাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন করি। আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ১৭/০৭/৯৬ তারিখে জমির বাটা দাগ করে, প্লট সৃষ্টি করে এবং দাগ নং বসিয়ে স্থায়ী ইজারা দেওয়ার প্রস্তাবনা বিভাগীয় কমিশনারের নিকট প্রেরণ করেন। মহিষখোলা মৌজায় জরিপকালে আমাদেরকে মহিষখোলা মৌজায় অন্তর্ভুক্ত করে মাঠ পর্চা ও ৩০ ধারা অনুমোদিত হয়।
তিনি আরো বলেন, স্থায়ী বন্দোবস্ত দরখাস্তকারীগনের মধ্য হতে কয়েকজনকে জেলা প্রশাসক দাতা হয়ে মুল্য নির্ধারণের মাধ্যমে রেজিস্ট্রি করে দেন। বাকি ফাইলগুলি প্রক্রিয়াধীন আছে। গত ০১/১১ সালে ঘর বাড়ি অপসারণের নোটিশ প্রদান করলে আমরা হাইকোর্টের শরণাপন্ন হই। হাইকোর্ট কাগজপত্র বিবেচনা করিয়া ৬০ দিনের মধ্যে ওই জমি স্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন। উক্ত হাইকোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক পুনরায় স্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ইতিমধ্যে ২৯ জানুয়ারি তারিখ জেলা প্রশাসক উক্ত খাস/ অকৃষি জমিকে নদীর শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করে আমাদের উচ্ছেদের নোটিশ প্রদান করেছেন।অতীব দুঃখ ও হতাশা গ্রন্থ হইয়া আমরা আপনাদেরকে জ্ঞাত করিতেছি যে, উক্ত জমি জেলা প্রশাসক কর্তৃক অকৃষি খাস জমি পরচা দাগ সৃষ্ট করে প্লট হিসাবে ইজারা দিয়েছেন এবং কিছু জমি দাতা হিসাবে বিক্রয় করিয়া দিয়েছেন কিন্তু আজ ৫০ বৎসর পর উক্ত জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে আমাদেরকে উচ্ছেদের পরিকল্পনা করেছেন। আমাদের এই জমি ছাড়া অন্য কোথাও কোন ভূমি নাই। আজ ৫০ বৎসর পর জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে আমাদের বিতাড়িত করলে তা হবে আত্মঘাতী বৈষম্যমুলক সিদ্ধান্ত। আমরা কোনো অবৈধভাবে নদীর জায়গায় দখল করি নাই। জেলা প্রশাসক আমাদেরকে সরকারি বিধি মোতাবেক অকৃষি ও খাস জমি ইজারা দিয়েছেন। যাতে আমরা আমাদের জীবনের তিলে তিলে অর্জিত অর্থ দিয়ে বাড়িঘর নির্মাণ করে ৫০ বৎসর যাবত বসবাস করিতেছি। আমাদের কে উচ্ছেদ করলে আমাদের খোলা রাস্তায় বা গাছের তলায় পরিবার নিয়ে থাকতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি অশোক কুন্ডু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তবিবর রহমান খান, খন্দকার আল মাসুদ হাসান, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, মোজাহিদুর রহমান পলাশ, নড়াইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. আফানুর রহমানসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যবৃন্দ। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন, অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এ জমি সরকারি খাস জমি। উচ্ছেদের জন্য যাদের নোটিশ করা হয়েছে। তাদের কখনও বন্ধবস্ত দেওয়া হয়নি।

রামপালে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ আহত ২
রামপাল প্রতিনিধি
রামপালে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে। ভোজপাতিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের ছাত্রনেতা মোঃ ইমন শেখের পিতা- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল ভোজপাতিয়া ইউনিয়ন শাখার সাবেক সভাপতি ও বর্তমান মৎস্যজীবী দলের সভাপতি, ভোজপাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মোঃ সোলায়মান শেখ ও ভোজপাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মোঃ আল-ইমরান শেখকে ২৭ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মোঃ ঘোড়া আলম (৪২), সিট মরিজ ইসমাইল(৫০) সহ আরো ভোজপাতিয়া ইউনিয়নে প্রিন্স বাহিনীর ১৮-২০ জন বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর পরিকল্পিত ভাবে হামলা চালায়। আলম ও ইসমাইল সহ সন্তাসীরা দোকানে ঢুকে সোলাইমান, আল-ইমরান, সোহাগ,আসিক, এর উপর রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে রাস্তায় পেলে রেখে পালিয়ে যায়। এবং ঘের কেনা নগদ ২২ হাজার টাকা এবং ৩ টি মোবাইল ছিনিয়ে নেয়।
সন্ত্রাসী দলে অন্তর্ভুক্ত ছিলো সওকাত (৪৯), শরিফুল (৪০), ফারুক ( ৫০), বাইজিত (২৯), মারুফ (৩৬), মোতালেব (২৮), জিল্লু( ৪৮), আলি আজম (৩৬), লেকওয়াত (৫৮) ,
এ ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে রামপাল উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ ওহিদুল ইসলাম জানান, তিনি ঘটনা শুনে ঘটনাস্থলে গিয়েছিল এবং সন্ত্রাসী প্রিন্স বাহিনী এলাকায় আতংক সৃষ্টি করতেছে। ভোজপাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল-আমিন শেখ জানান সন্ত্রাসী প্রিন্স বাহিনীর সারা এলাকায় নৈরাজ্য সৃষ্টি করতেছে। কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এবং সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে প্রিন্সের কাছে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানার জন্য, রামপাল উপজেলা অফিসার ইনচার্জ সেলিম রেজার কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন আমরা একটা অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেলে আইনুক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

বাগেরহাটে ক্রয়কৃত জমি দখলের চেষ্টা
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার মালমগাছ্য গ্রামে আলতাফ হোসেন শিকদার (৫০) এর বিরুদ্ধে ১৭ বছর আগে ক্রয়কৃত জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। জমি দখলের জন্য খায়রুল হাওলাদারের ঘর-বাড়ি ভাঙচুর ও তাদের হত্যার হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে আলতাফ শিকদারের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
অভিযোগ সুত্রে ও খায়রুল হাওলাদার বলেন, ক্রয়সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর যাবৎ শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছি, আমার খালাতো ভাই মো: কালাম শেখ, আমার এই জমিজমা দেখাশুনা ও পরিচর্যা করে। কিন্তু আলতাফ শিকদার, এসকেন্দার শিকদার তার লোকজন নিয়ে এসে আমার জমি জোর পূর্বক দখল করার চেষ্টা করে বিগত দুই তিন বছর যাবত। ২বছর যাবৎ আমার এই ক্রয়কৃত সম্পত্তি থেকে কিছু জমি প্রায় ৫শতক জমি জোর করে নিয়ে যায় এসকেন্দার ও তার ভাইয়েরা তাদের দখলে নিয়ে যায়। আমার খালাতো ভাই ও তার প্ররিবার এখানে থাকার কারনে তার ছেলেকে বিভিন্ন সময় একাধিকবার মারপিট করিছে। বিগত দিনে আওয়ামী সরকারের ছত্রছায়ায় থেকে জোর পূর্বক জমি দখল করে রাখে। আমার এই জমি জোর করে দখল নিবে, নাহলে তাদেরকে বড় অংকের চাঁদা দিতে হবে নাহলে জীবনের তরে শেষ করিয়া দিবে বিভিন্ন সময়ে হুমকি ধামকি দিয়ে আসতেছে।
মোঃ কামাল শেখ বলেন, আমার ভাইয়ের ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে আমরা থাকি। অবৈধভাবে আলতাফ শিকদার, এসকেন্দার শিকদার, হাছিফ শিকদার আরও কয়েকজন দা, লোহার রড, চাইনিজ কুড়াল, লাঠি, সোটা নিয়ে আমাকে মারধর করতে আসে। আমি প্রাণ ভয়ে ডাক চিৎকার দিলে এলাকাবাসী আসে। তখন আলতাফ শিকদার বলে এই জমি বিক্রি করতে হলে আমাদের ৫,০০,০০০/-(পাঁচ লক্ষ) টাকা চাঁদা দিতে হইবে, নাহলে এই জমি বিক্রি করতে পারবি না আর এই জমি আমরা দখল করে নিলাম বলে কয়েকজন শ্রমিক দিয়ে আংশিক জমি গড়া দিয়া দখল করে। এসময় এসেকেন্দার সিকদার বলে চাঁদা না দিলে, এলাকা ছাড়া করে দিবো, ঘরবাড়ী জ্বালাইয়া দিবো, নানা প্রকার হুমকি ধামকি দেয়। আমার ঘড়ে একটা মেয়ে আছে তাকে ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়। এছাড়া রাতের আধারে এসে আমার বাড়িতে মাদক সেবন করে আমরা ঘরের ভিতর থেকে কিছু বললে আমাদের ঘরে হামলা চালিয়ে চলে যায়। আর বলে ঘর থেকে বের হলে মেরে ফেলবো।
এসকেন্দার শিকদার বলেন, আমার জমিতে আমি গরা বেড়া দিয়েছি আমি অন্যকারো জমিতে দেইনি।

জন্মস্থান পাইকগাছার মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত নবনিযুক্ত সচিব তৌহিদুর রহমান
পাইকগাছা প্রতিনিধি
জন্মস্থান পাইকগাছার মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন পদোন্নতি প্রাপ্ত নবনিযুক্ত সচিব মোঃ তৌহিদুর রহমান। পদোন্নতি পাওয়ার পর তিনি শুক্রবার সকালে জন্মস্থান পাইকগাছায় আসেন। সকাল ১১ টায় তিনি উপজেলা সদরের প্রাণ কেন্দ্র জিরোপয়েন্ট পৌঁছালে উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ, উপজেলা বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, পাইকগাছা প্রেসক্লাব, নিরাপদ সড়ক চাই, ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। তিনি সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হন নবনিযুক্ত সচিব মোঃ তৌহিদুর রহমান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন, সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, ওসি মোঃ সবজেল হোসেন, জেলা জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা গোলাম সরোয়ার, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য কাজী তমজিদ আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি আসলাম পারভেজ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল, পৌর আহবায়ক সেলিম রেজা লাকি, সদস্য সচিব মোস্তফা মোড়ল, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেন, এডভোকেট সাইফুদ্দিন সুমন, নাজির আহমেদ, আসাদুজ্জামান ময়না, সাইফুল ইসলাম তারিক, সাবেক প্যানেল মেয়র এসএম ইমদাদুল হক, সাবেক কাউন্সিলর কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ, ইমরান সরদার, আমিনুর রহমান, আয়ুব আলী জোয়ার্দার, মুনসুর মোল্লা, আবুল হাসান সরদার, আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ সানা, আলহাজ্ব রেজাউল করিম, শিক্ষক আব্দুল হালিম, আবু হুরায়রা বাদশা, শহিদুর রহমান, এডভোকেট মোর্তজা জামান আলমগীর রুলু, নিরাপদ সড়ক চাই নিসচার সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন, মিরাজুল ইসলাম মিরাজ, আনোয়ার হোসেন, পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট এফএমএ রাজ্জাক, সহ সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, সাধারণ সম্পাদক এম মোসলেম উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক এন ইসলাম সাগর, কোষাধ্যক্ষ এসএম বাবুল আক্তার, সাংবাদিক এসএম আলাউদ্দিন সোহাগ, আলাউদ্দিন রাজা, এম আর মন্টু, পূর্ণ চন্দ্র মন্ডল, খোরশেদ আলম। ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক সানা, জামায়াত নেতা মোহাম্মদ শফিয়ার রহমান ও মুজাহিদ।
উল্লেখ্য সচিব তৌহিদুর রহমান ভিলেজ পাইকগাছা গ্রামের মরহুম নেছার আলী সরদারের ছেলে। তিনি আওয়ামী সরকার কালীন সময়ে বৈষম্যের শিকার হয়ে পদোন্নতি বঞ্চিত হন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী সরকারের পতন হলে। অন্তর্র্বতীকালীন সরকার এ ধরনের বঞ্চিত সরকারি উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের পদোন্নতির আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়। যার অংশ হিসেবে মোঃ তৌহিদুর রহমান কে সচিব হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

গ্রাহকদের টাকা হাতিয়ে নেওয়া মামলার ৫ আসামি কারাগারে
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
গ্রাহকদের ১৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় সাতক্ষীরার প্রগতি এনজিও’র নির্বাহী পরিচালক প্রণনাথ দাস ও তার স্ত্রী সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইতি রানী বিশ্বাসসহ ৫ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সাতক্ষীরার আমলী আদালত-৭ (দেবহাটা) এ আসামিরা হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। বিচারক তনিয়া মন্ডল তনি আসামিদের আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার উত্তর সখিপুর গ্রামের তাপস চন্দ্র বিশ্বাসের স্ত্রী রিংকু রানী বিশ্বাস বাদী হয়ে ২০২৪ সালের জুলাই মাসের ২৯ তারিখে মামলাটি করেন।
রিংকু রানী বিশ্বাস জানান, তিনিসহ তার এলাকার শতাধিক গ্রাহকদের অধিক লাভের প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ১৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় প্রাণনাথ দাস। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় শহরের কামালনগর এলাকার প্রগতি নামের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পরিচালক প্রানাথ দাস। শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় মন্দিরের পাশে রয়েছে তার আলিশান বাড়ি। সেখানে তিনি বিলাসবহুল জীবনযাপন করতেন।
গ্রাহকদের আমানতের টাকা ও লভ্যাংশ ফেরত দিতে প্রাণনাথ দাস গড়িমশি শুরু করেন। পরে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। আমানতকারীদের কেউ কেউ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেও কোনো প্রতিকার পাননি।
তিনি আরো জানান, ২০২৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর শত শত গ্রাহক প্রগতি কার্যালয়ে এসে দেখেন কেউ নেই অফিসটিতে। তার (প্রানাথ দাস) বাড়িও ছিল তালা মারা। গ্রহকরা তাদের টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে বিক্ষোভও করেন। ২০২৪ সালের ১৯ মার্চ ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার গোবরডাঙ্গা এলাকায় পুলিশের হাতে তিনি গ্রেপ্তার হন। এরপর সেখানে কয়েক মাস কারাভোগের পর দেশে ফিরে সাতক্ষীরার সদর থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। কিছুদিন কারাভোগের পর তিনি আদালত থেকে জামিনে ছিলেন। বৃহস্পতিবার প্রাণনাথ ও স্ত্রীসহ তার সহযোগী ৫ জন আদালতে হাজির হয়ে জামিন চান। বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠান।
বাদী পক্ষের আইনজীবি অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম বলেন, “অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রায় ১০টির বেশি মামলা রয়েছে।”

অপারেশন ডেভিল হান্ট : বাগেরহাটে ২০ দিনে গ্রেপ্তার ২৫৭
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের বিভিন্ন এলাকায় ২০ দিনে ডেভিল হান্টের অভিযানে যৌথ বাহিনী ২৫৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এরমধ্যে বৃহস্পতিবার রাত থেকে আজ শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে অধিকাংশই আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। বাগেরহাট জেলার ৯টি উপজেলার সর্বত্রই ডেভিল হান্টের অভিযান চলছে।
বাগেরহাট জেলা পুলিশের ডিএসবি শাখার পরিদর্শক কাজী শাহিদুজ্জামান জানান, অপারেশন ডেভিল হান্টের অভিযানে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদেরকে সংশ্লিষ্ট থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ নিয়ে এ পর্যন্ত অপারেশন ডেভিল হান্টের অভিযানে বাগেরহাটের বিভিন্ন এলাকা থেকে ২৫৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে জমি দখলের অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার
আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে খুলনায় এক বিএনপি নেতার স্ত্রীর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি নগরীর খানজাহান আলী থানাধীন মাত্তমডাঙ্গার বাইপাস সড়কে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একজন নির্মাণ শ্রমিককে আটক করে পর শর্তসাপেক্ষে ছেড়ে দেয়। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের খানজাহান আলী থানার ওসি মো. কবির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, সেখানে কংক্রিটের পিলার করে ইটের গাঁথুনি দিয়ে কয়েক ফুট উঁচু দেওয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে ভুক্তভোগী ওই বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম শুকুরের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম আদালতকে অবহিত করেন। পরে আদালত নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেন। এই নির্দেশ অমান্য করে কাজ অব্যাহত রাখার পর রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ সেখান থেকে একজনকে আটক করে।
পরদিন সোমবার দুপুরে গিয়ে সেখানে কাজ বন্ধ দেখা যায়। তবে ইটের গাঁথুনি ও পিলার আগের মতোই রয়েছে। ভুক্তভোগী হোসনেয়ারা বেগমের স্বামী রফিকুল ইসলাম শুকুর বলেন, তার ক্রয়কৃত জমিতে ভোগদখল থাকাবস্থায় গত ২০১১ সালে একটি বাটোয়ারা মামলা করেন জনৈক মো. আবু ফয়সাল। পরে কাগজপত্রে অমিল থাকায় তিনি মামলাটি প্রত্যাহারও করে নেন।
কিন্তু গত ২৯ জানুয়ারি সকালে হঠাৎ মো. আবু ফয়সাল জোরপূর্বক জমি থেকে হোসনেয়ারা বেগমকে উচ্ছেদ করে জমি দখলের চেষ্টা করেন। এমনকি সম্প্রতি স্থানীয় এক প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় জমিটি দখলের উদ্দেশ্যে সেখানে সীমানা দেয়াল নির্মাণের চেষ্টা করেন। পরে বিএনপি নেতা মো. রফিকুল ইসলাম শুকুরের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম বাদী হয়ে খুলনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি পিটিশন দায়ের করেন। আদালত ঘটনাস্থলে ১৪৪/১৪৫ ধারা জারি করেন। কিন্তু আদালতের ওই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সেখানে দেয়াল নির্মাণের পর পুলিশ একজনকে আটক করে পরে শর্ত সাপেক্ষে তাকে ছেড়ে দেয়। এ ব্যাপারে মো. আবু ফয়সাল বলেন, আদালতের কোনো নির্দেশ তিনি হাতে পাননি। তবে থানার মাধ্যমে জানতে পেরে তিনি কাজটি বন্ধ রেখেছেন।
খানজাহান আলী থানার অফিসার ইনচার্জা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, উভয় পক্ষকে চিঠি দিয়ে আদালতের নির্দেশ মানার জন্য বলা হয়েছে। এখন থেকে সেখানে কেউ কোনো কাজ করতে পারবে না। তবে যে কাজ করা হয়েছে সেগুলো ভাঙার ব্যাপারেও আদালতের নির্দেশ প্রয়োজন বলেও তিনি জানান।

আশাশুনিতে দুই বিদায়ী ও এক নবাগত কর্মকর্তাকে সংবর্ধনা
আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনিতে দু’জন কর্মকর্তাকে বদলী জনিত বিদায় ও একজন নবাগত কর্মকর্তাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে এ সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণা রায়ের সভাপতিত্বে ও সমাজ সেবা অফিসার রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, বিদায়ী উপজেলা কৃষি অফিসার এস এম এনামুল ইসলাম, বিদায়ী ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর অপূর্ব মন্ডল, নবাগত কৃষি অফিসার শুভ্রাংশু শেখর দাশ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার দেব, সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মশিউর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সভায় বিদায়ী কর্মকর্তাদ্বয়কে ক্রেস্ট দিয়ে বিদায় ও নবাগত কর্মকর্তাকে পুস্পস্তবক দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

মানব পাচার প্রতিরোধ ও নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে প্রচারাভিযান
আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনিতে রূপান্তরের আয়োজনে আশ্বাস প্রকল্পের আওতায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে স্কুল পর্যায়ে প্রচারাভিযান সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার কামালকাটী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রোগ্রাম অফিসার দীপ্তি রায়ের সঞ্চালনায় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আঃ রাশেদ এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ইউপি সদস্য উদয় কান্তি বাছাড়। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সহকারী শিক্ষক অসিত বরণ ঢালী। সভায় বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের সমন্বয়ে মানব পাচার প্রতিরোধে সর্বদা পাচার ও নির্যাতনকে অন্যায় অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে শপথ বাক্য পাঠ করা হয় এবং সাতক্ষীরা জেলার মানব পাচার রোধে সক্রিয় কর্মীদের দ্বারা মানব পাচার প্রতিরোধ ও নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে প্রচারাভিযান ও সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নাটক ও ভিডিও ডকুমেন্ট প্রদর্শন করা হয়। প্রদর্শনী শেষে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী তৃপ্তি বিশ্বাস, সাগর, শাহী, সুরাইয়া, সুমাইয়া, শাকিল, মন্দিরা, হীরা ও সাথীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। কার্যক্রম বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করেন কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর কুমারেশ মন্ডল। উল্লেখ্য, আশ্বাস প্রকল্পটি সুইজারল্যান্ড অ্যম্বাসিডরের সহযোগিতায় ও উইনরক ইন্টারন্যাশনাল এর বাস্তবায়নে রূপান্তর মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন করছে।

কুল্যা ব্রীজের নিচে নবজাতকের মৃতদেহ উদ্ধার
আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনি উপজেলার কুল্যা-গুনাকরকাটি ব্রীজের নিচ থেকে ৭মাসের এক মেয়ে নবজাতকের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপির ১টার দিকে স্থানীয়রা ব্রীজের নিচে একটি সাদা রঙের বাজারের ব্যাগ দেখতে পায়। স্থানীয়দের সন্দেহ হলে থানা পুলিশকে খবর দিলে এসআই রাজিব মন্ডল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ব্যাগে গর্ভপাত নবজাতকের মৃতদেহ দেখতে পান। তবে ব্যাগটি কে, কখন রেখে গেছে সে বিষয়ে কেউ কিছু বলতে পারেনি।

বুধহাটায় মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় র্যালি
আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় পবিত্র মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধহাটা দারুল উলুম কওমি মাদ্রাসার উদ্যোগে শুক্রবার বিকালে এ র্যালী বের হয়।
মাদ্রাসার জমিদাতা ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ তমেজউদ্দীন গাজীর নেতৃত্বে র্যালীটি কুল্যার মোড় ও বুধহাটা বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এসময় মাদ্রাসার মুহতামিম মাওঃ সালিম উদ্দিন, ইজিবাইক চালক সমিতির সভাপতি রমজান আলী, ইলেক্ট্রিশিয়ান রজব আলী, যুব কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান মনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এসিল্যান্ড নেই ৩ মাস, দুর্ভোগে সেবাপ্রত্যাশীরা

কয়রা প্রতিনিধি
খুলনার কয়রায় ৩ মাস ধরে নেই সহকারী কমিশনার (ভূমি)। এসিল্যান্ড পদটি শূন্য হওয়ায় ভূমি অফিসে সেবাবঞ্চিত হচ্ছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় ভূমি সংক্রান্ত কাজ যেমন- নামজারি, খাজনা আদায়, জমির পরিমাণ নির্ধারণ এবং খতিয়ান সংশোধন, জমি কেনা-বেচা প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ কাজ পিছিয়ে যাচ্ছে। ভূমি অফিসের কর্মীরা যেমন কাজের চাপের মধ্যে পড়েছেন, তেমনি সাধারণ মানুষও সঠিক সময়ে তাদের ভূমি সংক্রান্ত কাজ শেষ করতে পারছেন না।
সেবাপ্রত্যাশী ও স্থানীয়রা জানান, অনেক দিন ধরে জমির খতিয়ান সংশোধন করাসহ নামজারি করার জন্য ভূমি অফিসে যাচ্ছি কিন্তু এসিল্যান্ড না থাকায় এই কাজ শেষ করতে পারছি না। অফিসে গিয়ে শুধু শুনি, ‘এসিল্যান্ড নেই, কাজ করতে পারছি না।’
তবে এসব কাজ সম্পাদন করতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড থাকা আবশ্যক। কিন্তু গত বছরের ১১ নভেম্বর তৎকালীন এসিল্যান্ড বিএম তারিক উজ জামান ইউএনও হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলায় বদলি হয়ে চলে যান। এরপর থেকে এসিল্যান্ড পদে কয়রা উপজেলায় আর কাউকে পদায়ন করা হয়নি। বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উপজেলা পরিষদ প্রশাসকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করায় তার পক্ষে নিয়মিত ভূমি অফিস পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবাগ্রহীতা বলেন, আমরা নামজারির জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু কাজের ধীরগতির কারণে তা পেতে অনেক বেগ পোহাতে হচ্ছে। আমাদের অন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ রেখে একাধিকবার ভূমি অফিসে আসা-যাওয়া করতে হচ্ছে। তবে অনলাইন সিস্টেমে নামজারি ২৮ দিনে নিষ্পত্তি হওয়ার কথা থাকলেও এসিল্যান্ড না থাকায় দীর্ঘ সময় লাগছে।
এ ব্যাপারে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. ফিরোজ সরকার বলেন, এসিল্যান্ড কম থাকায় খুলনার কয়েকটি উপজেলায় এসিল্যান্ড দেওয়া সম্ভাব হচ্ছে না। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে নতুন এসিল্যান্ড প্রদানের জন্য আবেদন করা হয়েছে। শিগগিরই এটা সমাধান হবে আশা করি।

ফকিরহাটে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দদের সাথে মতবিনিময়

ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষপর্যায়ের নেতৃবৃন্দদের সাথে ফকিরহাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ ফেব্রয়ারি) সন্ধ্যায় কাটাখালী বাসস্ট্যান্ডের বালুর মাঠে তৃনমুলের নেতাকর্মিদের সুসংগঠিত করার লক্ষে এ শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আসাদুজ্জামান সৌদি, যুগ্ম আহবায়ক মেহেদী হাসান সজিব, মোঃ নিয়ামত আলী, ফকিরহাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক আরমান হোসেন বাদশা, কাজি মিরাজুল ইসলাম, বিএনপি নেতা শেখ মিরাজুল ইসলাম, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রাঙ্গা, জেলা কমিটির সদস্য মিঠু, সোহেল রানা, মোঃ রাসেল তালুকদার, হাফিজুর রহমান, ইমতিয়াজ হোসেন, মোঃ রানা, মোঃ সেলিম, ইউনিয়ন নেতা মইন উদ্দিন, ছাত্রদল নেতা রাকিব হোসেন, মোঃ রুবেল শেখ , মোঃ দেদার হোসেন, মোঃ শহিদুল ইসলাম ও যুবদল নেতা মেহেদী হাসান জনি প্রমুখ।
সভায় তৃনমুলের নেতাকর্মিদের সুসংগঠিত করার লক্ষে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এসময় বিএনপি ও সকল সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যাক নেতাকমিরা উপস্থিত ছিলেন।

আইসএিমএবি খুলনা ব্রাঞ্চ
চেয়ারম্যান আজিজুর, সেক্রেটারি মমিনুর নির্বাচিত

খবর বিজ্ঞপ্তি
দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদশ (আইসিএমএবি) খুলনা ব্রাঞ্চ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান পদে আজিজুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান এস. এম. জাকির হোসাইন, সেক্রেটারি মো. মমিনুর ইসলাম ও ট্রেজারার পদে লরেন্স অলি গোমেজ নির্বাচিত হন।
শুক্রবার খুলনার সিএমএ ভবনে অনুষ্ঠিত কেবিসি এর এক সভায় তাদেরকে ২০২৫ সালের জন্য নির্বাচিত করা হয়। কাউন্সিল সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদায়ী চেয়ারম্যান কে. এম. নেয়ামুল হক।
নতুন চেয়ারম্যান ইতোপূর্বে কেবিসি এর ভাইস চেয়ারম্যান, সেক্রেটারি ও ট্রেজারার পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বর্তমানে ইর্স্টান ব্যাংক পি.এল.সি এর মোংলা শাখার ব্যবস্থাপক হিসাবে কর্মরত আছেন। তিনি আইসিএমবি এর একজন ফেলো সদস্য। ভাইস চেয়ারম্যান এস. এম. জাকির হোসাইন পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। সেক্রেটারি মো. মমিনুর ইসলাম ইরকন ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপক পদে কর্মরত আছেন। ট্রেজারার জনাব লরেন্স অলি গোমেজ বসুন্ধরা গ্রুপ (সিমেন্ট ইউনিট মোংলা প্লান্ট) এর হেড অব একাউন্টস পদে কর্মরত আছেন।

ভূমিহীনদের জমি দখলের অভিযোগ সাবেক এমপি সালাহউদ্দিনের বিরুদ্ধে

মহেশপুর প্রতিনিধি
প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অপশক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভূমিহীনদের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর-কোটাচদপুর) আসনের আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন মিয়াজীর বিরুদ্ধে। জোর পূর্বক দখল করা প্রায় ১’শ বিঘার উপরে সরকারি জমিতে মাছ, মাল্টা ও কমলা লেবুর বিশাল প্রজেষ্ট করেছেন তিনি। জমি ফেরত চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তৈলটুপি গ্রামের ভুক্তভোগী ভূমিহীনরা।
জানা গেছে, মহেশপুর উপজেলার স্বরুপপুর ইউনিয়নের তৈলটুপি মৌজার উখরির বিলের আর এস ৫০২ ও ৫০৩ নং দাগের সরকারি জমি ১৯৯৬ সালে ২৮ ভূমিহীন পরিবারের মাঝে বন্দোবস্তো দলিলে রেজিস্ট্রী করে দেন সরকার। দলিল প্রতি ৫০ শতক কওে জমি রেজিস্ট্রী করা হয়। দলিলে ৫০ শতক উল্লেখ থাকলেও ভূমিহীনরা ৩/৪ বিঘা করে অতিরিক্ত দখলে নিয়ে সরকারি জমি চাষ করতেন। ২০১০ সালে ওই জমিতে নজর দেন মেজর জেনারেল সালাহ উদ্দিন মিয়াজী। দখল নিতে শুরু করেন নানান অপকৌশল।কিছ ুভূমিহীন পরিবারকে ভালো চাকুরী ও মোটা অংকের টাকার লোভ দেখিয়ে লীজ দিতে রাজি করান। কিন্তু যারা লীজ দিতে অস্বকৃতি জানান তাদেরকে জমি জোরপূর্বক দখল করেন তিনি। এদিকে অধিকাংশ লীজের মেয়াদ শেষ হলেও ভূমিহীনরা এখন পর্যন্ত তাদেও জমি দখল ফিওে পাননি। এমনকি ওই জমি থেকে লীজের কোন টাকা ভূমিহীনদের দেননি সালাহ উদ্দিন মিয়াজী। জমির দখল ফিরে পেতে ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেন ভূমিহীনরা। কিন্তু তাতেও কোন প্রতিকার পায়নি তারা।
এদিকে উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নে জমি দখলে সেই একই অভিনয়ের নায়ক সালাহ উদ্দিন মিয়াজী। ৩২ বিঘা জমি দখল নিতে এক পরিবারের নামে দিয়েছেন ১’শ বেশি মামলা। মামলা থেকে বাদ পড়েনি পরিবারের নারীরাও। ওই পরিবাওে সদস্যদেও নামে চাদাবাজি, লুটপাট, চুরিসহ দুর্নীতি দমন কমিশনেও মামলা দিয়েছেন তিনি।
জানাযায়, উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৬০ নং ডুমুরতলা মৌজার এস এ ৫৪৫ খতিয়ানের৫৩২৫৬৯ নং দাগে ৯৯২ শতক জমির মালিক সুফিয়া খাতুন। ১৯৬৮ সালের ১৩ জুলাই ৮৯৭৬নং দলিলে সুফিয়া খাতুনের কাছ থেকে ওই জমি ক্রয় করেন কৈখালী গ্রামের আঃহামিদ। দখলে থাকা কালীন ১৩২ ও ১৭৮৫ নং কেসের মাধ্যমে ৫৪৫/১ নং খতিয়ানে নামজারী করেন তিনি। ২০১০ সালে ওই জমিতে নজর পড়ে মেজর জেনারেল সালাহ উদ্দিন মিয়াজীর। জমির দখল নিতে আওয়ামীলীগের সরকারি ক্ষমতা ও নিজের পদাধিকার বলে জন্ম দেন একেরপর এক মিথ্যা নাটকের। ভূমিহীনদেও কাছ থেকে দলিল মূলে জমি ক্রয় করেছেন মর্মে মালিকানা দাবি করেন সালা হউদ্দিন মিয়াজী। শুরু হয় জমি দখলের পায়তারা। ভুয়া দলিল বুনিয়াদে ১৪১৭, ১৪১৯, ১৪১৮, ১৪১৬ নং কেসের মাধ্যমে নিজ নামে জমাখারিজ করেন সালাহ উদ্দিন। কিন্তু আঃহামিদের করা মামলায় সালাহ উদ্দিনের জমাখারিজ বাতিল বলে ঘোষণা করেন সরকার। এরপর ভুয়া দলিল বানিয়ে আঃহামিদ ও তার পরিবারের সদস্যদেও নামে মামলা দেন সালাহউদ্দিন। পুটি মোহাম্মদ নামে এক ব্যক্তিকে দাতা সাজিয়ে ভুয়া দলিল তৈরীতে বিশেষ অপকৌশল ব্যবহার করেন সালাহউদ্দিন। দলিলে ৮৯৭৬ নং নম্বর দেওয়া হলেও টিপসিরিয়ালে দেওয়া হয় মাত্র ২৪২৭ নম্বর। দলিল নম্বর ও সিরিয়াল নম্বওে এমন গড়মিলের কারণে যাচাই বাচার করে ওই দলিল ভুয়া প্রমানিত হয় আদালতে। এরপর থেকে শুরু হয় আঃহামিদ ও তার পরিবারের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া। দুর্নীতি দমনক মিশনেও মামলা দেন তিনি। ইতোমধ্য প্রায় ১’শ বেশি মামলা দিয়েছেন। শেষমেষ ৭ জানুয়ারি ২০২৪ সালে এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর ওই জমি দখল করে নেন সালাহউদ্দিন। সেই সাথে পুকুরে থাকা এক কোটি টাকার মাছ নিজ লোকজন দিয়ে লুটপাট করেন।
কৈখালী গ্রামের ইউনুচ আলী বলেন,সালাহউদ্দিন মিয়াজী আমাদেও জমি দখল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সেই ২০১০ সাল থেকে। ওই জমি দখল নিতে আমাদেও উপর চালিয়ে অমানুবিক জুলুম নির্যাতন। ১’শর বেশি মামলা দিয়েছেন আমাদেও নামে। মিথ্যা মামলায় রাতের পর রাত বাড়িতে ঘুমাতে পারিনি। প্রশাসনিক ও রাজনৈতি কক্ষমতাকে ব্যবহার করে তিনি এমন নেক্কার জনক কাজ করেছেন। জমি দখলের বাজে নেশা রয়েছে তার। তবে সালাহউদ্দীন মিয়াজীর করা সকল মামলাতে আমরা জিতে গেছি। এখন মাত্র একটি মামলা চলমানর য়েছে। ওই মামলাতেও আমরা জয়লাভ করবো।
তৈলটুপি গ্রামের ভূমিহীন লান্টু বলেন, সরকারের দেওয়া ৫০ শতক জমিতে আমি আফাকাটি। কিছুদিন পর দেখি সালাহউদ্দিন মিয়াজী ওই জমি দখল কওে নিচ্ছেন। আমি দখল ঠেকাতে গেলে মেরে মাটি চাঁপা দিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। সেই থেকে আমার জমি বেদখল রয়েছে।
ভূমিহীন ইকরামুল বলেন, ওই জমি লীজ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। কিন্তু আমার লীজের মেয়াদ পাঁচ বছর আগে শেষ হলেও এখন পর্যন্ত জমি দখল ফেরত পাইনি। সালাহউদ্দিন মিয়াজী র্যাব-পুলিশের ভয় দেখিয়ে জমি দখলে রেখেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসমিন মনিরা বলেন, ভূমিহীনরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এব্যাপারে দ্রুতব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

গোয়াল ঘরে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণ
দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
ভারতে পাচারের সময় চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা সীমান্ত থেকে ২ কেজি ৩৩৫ গ্রাম ওজনের ৪টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে বিজিবি। এসব স্বর্ণের বাজার মূল্য প্রায় তিন কোটি টাকা।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নাজমুল হাসান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে দামুড়হুদা উপজেলা হুদাপাড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে স্বর্ণের একটি চালান সীমান্তবর্তী একটি বাড়িতে পরিত্যক্ত গোয়াল ঘরে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির সহকারী পরিচালক মো. হায়দার আলীর নেতৃত্বে সন্ধ্যা ৭টার দিকে হুদাপাড়া গ্রামের মৃত রমজান আলী খানের ছেলে মো. হারুনের (৩৫) বাড়ির অদূরে একটি পরিত্যক্ত গোয়াল ঘরে অভিযান চালানো হয়।
বিজিবি টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ির মালিক মো. হারুন কৌশলে পালিয়ে যায়। বিজিবি টহল দল গোয়াল ঘরের ভেতর ঝুলানো একটি নেটের ব্যাগের মধ্যে সাদা বাইন্ডিং টেপ দ্বারা মোড়ানো ২টি প্যাকেটে ২ কেজি ৩৩৫ গ্রাম ওজনের ৪টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে। এর বাজারমূল্য ২ কোটি ৮৪ লাখ ৩০ হাজার ১৫০ টাকা।
এ ব্যাপারে নায়েক মো. ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে দামুড়হুদা থানায় মামলা করেন। জব্দকৃত স্বর্ণের বারগুলো চুয়াডাঙ্গা ট্রেজারি অফিসে জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ভ্যাসলিনের নতুন পণ্য ‘ভ্যাসলিন গ্লুটা হায়া’ সিরাম ইন লোশন
খুলনাঞ্চল রিপোর্ট
বিশ্ববিখ্যাত স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড ভ্যাসলিন নিয়ে এলো নতুন পণ্য ভ্যাসলিন গ্লুটা হায়া সিরাম ইন লোশন। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ইউনিলিভার বাংলাদেশের স্কিন কেয়ারের এই নতুন সংযোজন ‘ভ্যাসলিন গ্লুটা হায়া’র লঞ্চিং ইভেন্ট দ্যা গ্লো সিটি। আর গ্লো সিটির হোস্ট হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশের স্বনামধন্য এবং ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম তারকা ও কোরিওগ্রাফার আজরা মাহমুদ। তার প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় গ্লো সিটি ইভেন্ট হয়ে উঠেছিল আরও মনোমুগ্ধকর।
লোশন বলতে আমরা শুধু শীতকালে ব্যবহার করা যায় বুঝি। কিন্তু ভ্যাসলিন এবার নতুন পণ্য গ্লুটা হায়া সিরাম ইন লোশন, লঞ্চের মাধ্যমে স্কিন কেয়ার জগতে বিশেষ সাড়া ফেলে দিয়েছে। যা সব ধরনের আবহাওয়ায় এবং সারাবছর ত্বককে ময়েশ্চারাইজড ও গ্লোয়িং রাখতে সাহায্য করবে। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে বিশেষভাবে তৈরি এই লোশনে আছে অনন্য সিরামের কম্বিনেশন যা মুখের সঙ্গে আপনার হাত-পায়ের ত্বকেরও যত্ন নেবে। এর ফর্মুলা দ্রুত শোষিত হয়ে ত্বকে ইনস্ট্যান্ট উজ্জ্বলতা নিয়ে এসে ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে আরও বৃদ্ধি করবে।
সাধারণত সিরাম মুখের যত্নেই সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু ভ্যাসলিনের আমদানিকৃত অথেন্টিক প্রিমিয়াম প্রোডাক্ট গ্লুটা হায়া সিরাম-ইন-লোশন ত্বকের প্রতি যত্নশীল কনজিউমারদের জন্যই তৈরি। যারা সিরামকে প্রাধান্য দিয়ে স্কিন কেয়ারে আগ্রহী এবং হাত-পায়ের যত্নে সিরামের গুরুত্ব অনুভব করে এমনভাবেই তৈরি করা হয়েছে, যা সারা শরীরে ব্যবহার করা যায়। এতে থাকা শক্তিশালী উপাদান ত্বকের গভীরে কাজ করে ময়েশ্চার লক করে এবং উজ্জ্বলতা বাড়ায়। গরম হোক বা শীত, এটি ত্বককে হাইড্রেট রেখে উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে তোলে।
নতুন গ্লুটা হায়া রেঞ্জের দুটি ভ্যারিয়েন্ট। ডিউই রেডিয়েন্স ও ফ্ললেস গ্লো। যা গ্লুটা হায়া কনজিউমারদের ব্যক্তিগত পছন্দ ও প্রয়োজন অনুসারে তৈরি করা হয়েছে। এর ডিউই রেডিয়েন্সে আছে গ্লুটা গ্লো, হায়ালোরন এবং নায়াসিনামাইড, যা ভিটামিন সি’র তুলনায় ১০ গুণ বেশি শক্তিশালী। এটি ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে দেয় ইনস্ট্যান্ট উজ্জ্বলতা। যা প্রথম ব্যবহারেই দেখা যায় চোখে পড়ার মতো গ্লো।
আরেকটি ভ্যারিয়েন্স ফ্ললেস গ্লো, যাতে রয়েছে গ্লুটাথিয়ন, হায়ালোরন ও প্রো-রেটিনল, যা ময়েশ্চারাইজ করে ত্বকের দাগ কমিয়ে দেয় উজ্জ্বলতা। এই লোশনগুলোর লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে এটি নন-স্টিকি ও লাইটওয়েট ফর্মুলা যা সারাবছরই ব্যবহারযোগ্য।
ঢাকার অভিজাত আলোকি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত আমেজিং গ্লুটা হায়ার এই গ্ল্যামারাস লঞ্চিং ইভেন্টে আরও উপস্থিত ছিলেন দেশের নামকরা ইনফ্লুয়েন্সার, বিউটি এক্সপার্ট, সেলিব্রিটি এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্বরা। যাদের উপস্থিতিই ইভেন্টের শোভা বাড়িয়ে তোলে।
ইভেন্টের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল এর বিভিন্ন জোন। এর মধ্যে ইন্টারেক্টিভ গ্লুটা গ্লো জোন ছিল যেখানে গেস্টরা প্রোডাক্টটি ব্যবহার করে এর ইন্সট্যান্ট রেজাল্ট বুঝতে পারেন এবং এই বিষয়ে মতামত শেয়ার করেন। এছাড়া আরও ছিল গ্লো ক্যাফে, গ্লো ফ্রেম, গ্লো রানওয়ে। শ্যাম্পেইন এবং রোজ গোল্ডের আবহে পুরো ইভেন্ট ছিল ইন্সটা ফ্রেন্ডলি, ফলে ইনফ্লুয়েন্সাররা তাদের কন্টেন্ট তৈরিতে আরও বেশি উৎসাহী হয়ে ওঠেন। এ যেন ছিল সেলিব্রিটি ও বিউটি ইনফ্লুয়েন্সারদের মিলন মেলা। জনপ্রিয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং সৌন্দর্য জগতের পরিচিত মুখরা এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ভ্যাসলিন গ্লুটা হায়া সিরাম-ইন-লোশনের প্রশংসা করেন। ইভেন্টে অতিথিরা শুধু নতুন প্রোডাক্টের অভিজ্ঞতাই লাভ করেননি, বরং অনুষ্ঠানের শেষে তাদের জন্য ছিল এক্সক্লুসিভ গুডি ব্যাগ, যাতে ছিল ভ্যাসলিন গ্লুটা হায়ার বিশেষ গিফট প্যাক।
প্রোগ্রামে হোস্টসহ ট্রেন্ডসেটার এবং গর্জিয়াস গেস্টরা কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের পাশাপাশি গ্রুপ ফটো সেশন করেন। সঙ্গে ছিল আরও অনেক আয়োজন। ফলে ইভেন্টটি আরও উপভোগ্য হয়ে ওঠে। সবশেষে হোস্ট আজরা মাহমুদ ইউনিলিভার বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সবাইকে ইভেন্টে আসার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে গ্লুটা হায়া’র চমকপ্রদ মোড়ক উন্মোচন ইভেন্টটি শেষ করেন।

প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে ঢাকা থেকে খুলনায় এসে লাশ হলেন শিক্ষার্থী

স্টাফ রিপোর্টার
খুলনায় প্রেমিকা সুরাইয়া আক্তার সীমার সঙ্গে দেখা করতে এসে লাশ হলেন রাজধানী ঢাকার বেসরকারি প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী তাজকীর আহমেদ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খুলনা নগরীর খানজাহান আলী থানার গিলাতলা বালুর ঘাট এলাকায় ভৈরব নদী থেকে তার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাজকীরের মামাতো ভাই আসিফ মাহমুদ নিহতের পরনে থাকা শার্ট-প্যান্ট দেখে লাশটি তাজকীরের বলে শনাক্ত করেন।
খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তাজকীর আহমেদ গত ২১ ফেব্রুয়ারি ধানমন্ডির বাসা থেকে নগরীর গোয়ালখালী এলাকায় মামার বাড়িতে আসেন। সেখান থেকে খালিশপুরে প্রেমিকা সুরাইয়া আক্তার সীমার সঙ্গে দেখা করতে বের হন। এরপর থেকে গত ৭ দিন নিখোঁজ ছিলেন।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর বাবা মুরাদ হোসেন গত ২২ ফেব্রুয়ারি খালিশপুর থানায় একটি জিডি করেন। পরবর্তীতে ২৫ ফেব্রুয়ারি ৭ জনকে আসামি করে অপহরণ মামলা করেন। ওই মামলায় তাজকীরের প্রেমিকা সীমাসহ ৩ জনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সীমার দাবি, তার মোবাইল ব্যবহার করে তার সাবেক স্বামী ইসমাইল হোসেন অভি তাজকীরকে ডেকে নিয়ে আসে।
তিনি জানান, এ ঘটনার পর থেকে অভি পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার কিছুর সময় আগে খানজাহান আলী থানার গিলাতলা বালুর ঘাট এলাকায় ভৈরব নদীর তীরে বস্তাবন্দি একটি লাশ আটকে যায়। স্থানীয় লোকজন থানায় খবর দিলে পুলিশ সন্ধ্যায় গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে নিহতের মামাতো ভাই আসিফ মাহমুদ সেটি তাজকীরের লাশ বলে শনাক্ত করেন। পুলিশ জানায়, নিহতের বুকসহ শরীরের একাধিক স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (নর্থ) নাজমুল হাসান রাজীব জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার পর পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যাবে অর্ধগলিত লাশটি তাজকীরের কিনা। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

স্বামীকে হত্যার পর ‘স্যরি জান, আই লাভ ইউ’, অতঃপর…

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরায় স্বামীকে হত্যার পর গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক নারী। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মৃতরা হলেন- আবুল কালাম আজাদ (৪৫) ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী নাজমিন (৩০)। আবুল কালাম আজাদ কলারোয়া থানার কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা এবং একজন কাপড় ব্যবসায়ী ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, আবুল কালাম আজাদের দুই স্ত্রী ছিল। তবে বড় স্ত্রী শারমিনের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক ছিল না। দ্বিতীয় স্ত্রী নাজমিন একসঙ্গে বসবাসের দাবি জানিয়ে বড় বউ শারমিনকে ফোন করেন। কিন্তু শারমিন রাজি না হওয়ায় ক্ষোভ থেকেই এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ সময় একটি চিরকুট উদ্ধার হয়। চিরকুটে লেখা ছিল, ‘আমি সব কিছু শেষ করে দিলাম। আমি ২টা ৩১ মিনিটে মারছি, এবার আমিও মরছি। একা হলেও বাঁচব না, কারণ শারমিন ও তার পরিবার আমাকে শেষ করে দেবে। তাই আমরা দুইজন মরে গেলাম। এবার তোমরা সংসার কর ভালো করে। আর কেউ বিরক্ত করবে না। আমার ছেলে কষ্ট পাবে, তারপরও কালামের জন্য আমি সবাইকে কষ্ট দিলাম। তবুও সে আমাকে কষ্ট দিল, শয়তান একটা।
নাজমিন স্বামীকে হত্যার পর তার বুকের ওপর কলম দিয়ে লিখেন, ‘স্যরি জান, আই লাভ ইউ’।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। আমি নিজেও যাচ্ছি। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

দুই ভাইয়ের মারামারি ঠেকাতে গিয়ে প্রাণ গেলো যুবকের
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
প্রতিবেশী দুই মারামারি ঠেকাতে গিয়ে ঝিনাইদহের শৈলকূপায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তার নাম শফিকুল ইসলাম ওরফে সুফি শেখ (৩৫)। তিনি ৮ নম্বর ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের বন্দেখালী গ্রামের নবাব আলীর ছেলে। এসময় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বন্দেখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ইদ্রিস আলী ওরফে ইদু জোয়ার্দ্দার নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মোবারক জোয়ার্দ্দারের দুই ছেলে ইদ্রিস আলী জোয়ার্দ্দার ও সাকেন আলী জোয়ার্দ্দারের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার সকালে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ইদ্রিস আলী ওরফে ইদু জোয়ার্দ্দার দেশীয় অস্ত্রসহ লোকজন নিয়ে তার ভাই সাকেন আলীর সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। এসময় সাকেন আলীর প্রতিবেশীরা মারামারি থামাতে এগিয়ে গেলে ইদু জোয়ার্দ্দারের লোকজন হামলা চালায়। হামলার সময় প্রতিবেশী শফিকুল ইসলাম ওরফে সুফি শেখকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন ইদ্রিস আলী জোয়ার্দ্দার।
এসময় স্থানীয়রা শফিকুল ইসলাম ওরফে সুফি শেখকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে দুপুর ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শফিকুল ইসলাম সুফি শেখ মারা যান।
নিহত শফিকুল ইসলামের স্ত্রী লিখা খাতুন বলেন, আমার স্বামী সাধারণ মানুষ। গরু কেনাবেচার ব্যবসা করতেন। প্রতিবেশী দুই ভাইয়ের মারামারি ঠেকাতে গেলে ইদু জোয়ার্দ্দার ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আমার স্বামীকে হত্যা করেছে। আমি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।
ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে জানিয়ে শৈলকূপা থানার ওসি মাসুম খান বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে আছি। এ ঘটনায় ঘাতক ইদু জোয়ার্দ্দারকে আটক করা হয়েছে। সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ নিহতের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বাংলাদেশিকে নির্যাতন, মৃত ভেবে ফেলে গেলো বিএসএফ
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে এক বাংলাদেশি যুবককে নির্যাতনের পর মৃত ভেবে ফেলে রেখে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
উপজেলার বাঘাডাঙ্গা সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। বিএসএফের নির্যাতনের শিকার বিল্লাল সানা খুলনা পাইগাছার খড়িয়া টেমশাখালী গ্রামের আব্দুল মাজেদ সানার ছেলে।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে সীমান্তে টহলরত বিজিবি সদস্যরা তাকে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে মহেশপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
আহতের স্ত্রী জহুরা খাতুন জানান, পাঁচ বছর ধরে কলকাতার মধ্যম গ্রামে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন বিল্লাল। বুধবার দুপুরে বাংলাদেশে আসার উদ্দেশ্যে তারা ৭-৮ জন একসঙ্গে বের হন। পরে রাতে বিএসএফ তাদের দেখতে পেয়ে ধাওয়া করলে বাকিরা পালিয়ে গেলেও ধরা পড়ে যান বিল্লাল। এসময় বিল্লালের ওপর নির্যাতন শুরু করেন বিএসএফ সদস্যরা। এক পর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে মৃত ভেবে তাকে ফেলে যায়। পরে খবর পেয়ে বিকেলে মহেশপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান তার স্বজনরা।
মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদ বিন হেদায়েত বলেন, সকালে বিল্লাল নামে একজনকে বিজিবির সদস্যরা হাসপাতালে ভর্তি করেন। রোগীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় আমরা তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেছি।
মহেশপুর ৫৮-বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল রফিকুল আলম বলেন, সীমান্ত টহলের সময় গুরুত্বর আহত অবস্থায় বিল্লাল সানা নামের যুবককে উদ্ধার করেন বিজিবি সদস্যরা। পরে তাকে মহেশপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

অপারেশন ডেভিল হান্টে আরও ৬১৮ জন গ্রেফতার

খুলনাঞ্চল রিপোর্ট
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অপারেশন ডেভিল হান্টে সারাদেশ থেকে আরও ৬১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
৮ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে শুরু করে বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত ২১ দিনে এ নিয়ে মোট ১১ হাজার ৯৩১ জনকে গ্রেফতার করা হলো ডেভিল হান্ট অপারেশনে। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, অপারেশন ডেভিল হান্ট অভিযানের আওতায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর অন্যান্য মামলা ও ওয়ারেন্টের আওতায় গ্রেফতার করা হয়েছে ৭৮৬ জনকে। ২৪ ঘণ্টায় মোট গ্রেফতার হয়েছেন ১ হাজার ৪০৪ জন।
২৪ ঘণ্টায় অপারেশন ডেভিল হান্টে উদ্ধার যত অস্ত্র : এআইজি ইনামুল হক সাগর জানান, দুটি টিপ ছোরা, লোহার রড একটি, দেশীয় এলজি একটি, কার্তুজ একটি, ছুরি একটি, চাকু চারটি ও একটি সুইচ গিয়ার উদ্ধার হয়।
ডেভিল অর্থ হচ্ছে ‘শয়তান’ আর হান্ট অর্থ ‘শিকার’। ডেভিল হান্ট, যার বাংলা অর্থ গিয়ে দাঁড়ায় ‘শয়তান শিকার’ করা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘোষিত ডেভিল হান্ট বলতে দেশবিরোধী চক্র, সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের আইনের আওতায় আনাকে বোঝানো হয়েছে।
অপারেশন ডেভিল হান্ট একটি বিশেষ অভিযান, যা ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের ছাত্র-জনতার ওপর সন্ত্রাসী হামলা করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সন্ত্রাসীরা। এই হামলায় নেতৃত্ব দেন ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। হামলার ফলে বেশ কয়েকজন হতাহত হন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।
ঘটনার পরপরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের সিদ্ধান্ত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে অপারেশন ‘ডেভিল হান্ট’ নামক বিশেষ অভিযান শুরু হয়।

সেলুনে দাড়ি কাটাতে গিয়ে আ.লীগ নেতা আটক
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাঈদ মেহেদীকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আটক করে পুলিশ। সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদীকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শ্যামনগর উপজেলার বিসমিল্লাহ সুপার মার্কেটের একটি সেলুন থেকে তাকে আটক করা হয়।
সেলুন মালিক কার্তিক জানান, গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সাঈদ মেহেদী তার দোকানে দাড়ি কাটাতে আসেন। কিছুক্ষণ পর পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়।
আটক সাঈদ মেহেদী কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতল ইউনিয়নের পানিয়া গ্রামের শামসুদ্দিন আহমেদের ছেলে। তিনি কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।
এদিকে, পুলিশ একইদিন শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আশরাফ হোসেন মিঠুকে আটক করে পুলিশ। উপজেলা সদর থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক আশরাফ মিঠু শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ি এলাকার আবু বক্কার সিদ্দিক গাজীর ছেলে। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) শ্যামনগর থানার ওসি মো. হুমায়ুর কবির মোল্যা বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাঈদ মেহেদীসহ এক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতাকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

কুয়েটে ‘জুলাই বিপ্লবের’ গ্রাফিতি মুছে ফেলায় ক্ষোভ ও বিতর্ক
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) জুলাই বিপ্লবের সময় লেখা গ্রাফিতিগুলো মুছে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে যে, প্রশাসন একদিকে গ্রাফিতি মুছে ফেলছে, অন্যদিকে নতুন দেয়াল তৈরি করে সেখানে বিএনপির পোস্টার লাগানোর অনুমতি দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মতে, এটি দ্বৈতনীতি এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে কুয়েটের গ্রাফিতিগুলো সারা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। এসব দেয়ালচিত্র ও স্লোগান শুধু প্রতিবাদের প্রতীকই ছিল না, বরং তা গণ-আন্দোলনের এক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হয়ে উঠেছিল। কিন্তু সম্প্রতি প্রশাসনের নির্দেশে এসব গ্রাফিতি মুছে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।’ এক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘যারা এসব গ্রাফিতি লিখেছিল তাদের গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে খোঁজা হয়েছিল। ৫ আগস্ট না এলে তারা হয়তো আজ বেঁচে থাকতো না। আর আপনারা কত হাসিখুশিতে এসব গ্রাফিতি মুছে দিচ্ছেন। লজ্জা!’
শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘কুয়েটের ইতিহাসে কখনও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোনও দেয়ালে পোস্টার লাগানো হয়নি।’ শিক্ষার্থীরা এ বিষয়টি তুলনা করে বলছেন, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই গ্রাফিতিগুলো মুছে ফেলা হয়েছে।’
বিশ্লেষকরা বলছেন, একটি গণ-আন্দোলনের স্মৃতিচিহ্ন এভাবে বিলুপ্ত করা শুধু ইতিহাসকে মুছে ফেলার প্রচেষ্টা নয় বরং এটি ভবিষ্যতের আন্দোলনগুলোর জন্যও একটি সতর্কবার্তা।
শিক্ষার্থীদের দাবি, জুলাই বিপ্লবের স্মারক রক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নতুন করে ভাবতে হবে, অন্যথায় এটি নতুন অসন্তোষের জন্ম দিতে পারে।

নগরীর সন্ধ্যা বাজার মনিটরিংয়ে জেলা প্রশাসন
স্টাফ রিপোর্টার
আসন্ন রমজান ও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) নগরীর ময়লাপোতা সন্ধ্যা বাজার এলাকায় এ বাজার মনিটরিং করা হয়।
খুলনা জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় এই অভিযান পরিচালনা করেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ। সাথে ছিলেন বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্স কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ ও আনসার বাহিনী।
এসময় বিভিন্ন দোকানে পণ্যের দাম, মান, মূল্য তালিকা, পণ্যের সরবরাহ ইত্যাদি বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়। আসন্ন রমজান মাসে ভোক্তা সাধারণ যাতে কোনোভাবে প্রতারণার সম্মুখীন না হয় সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে এসআইয়ের পরকীয়া, অতঃপর…
খুলনাঞ্চল রিপোর্ট
অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন আব্দুর রউফ নামের এক উপপরিদর্শক (এসআই)। রউফ সেই সময় রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) বোয়ালিয়া থানায় কর্মরত ছিলেন।
এ ঘটনায় রউফের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ তদন্তেও মিলেছে পরকীয়ার সত্যতা।
এদিকে এ ঘটনার পর থেকে ওই কনস্টেবল শারীরিক এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। স্ত্রী এবং সন্তানের দুশ্চিন্তায় তিনি দুবার আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন। দুই দফায় করেছেন স্ট্রোক।
এছাড়া এসআই রউফ তার পরকীয়া প্রেমিকাকে দিয়ে ওই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আদালতে করিয়েছেন মিথ্যা মামলা। নানাভাবে ওই কনস্টেবলকে এসআই রউফ হয়রানি করছেন বলেও উঠেছে অভিযোগ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এসআই রউফকে আরএমপি থেকে সাতক্ষীরার কলারোয়া থানায় বদলি করা হয়। আর পাবনার ঈশ্বরদীর একটি পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত রয়েছেন ভুক্তভোগী কনস্টেবল। এক সময় তিনিও আরএমপিতে কর্মরত ছিলেন।
স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার ঘটনায় ওই কনস্টেবল গত বছরের মার্চে আরএমপি কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। আরএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিট এ অভিযোগের তদন্ত করে। ১২৭ পাতার তদন্ত প্রতিবেদনে ওই পুলিশ কনস্টেবলের অভিযোগের সত্যতা মেলে। এরপর রউফের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়।
পরে আবারও আরএমপির ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম মামলার তদন্ত করে সম্প্রতি প্রতিবেদন দিয়েছেন।
ওই পুলিশ কনস্টেবল অভিযোগে উল্লেখ করেন, তার ছেলে রাজশাহীর একটি স্কুলে অধ্যয়নরত। এ কারণে তার স্ত্রী নগরীর সাধুর মোড়ে নিজের বাবার বাড়িতেই থাকেন। বাড়ির অংশ নিয়ে বোনদের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে এক শ্যালিকা বোয়ালিয়া থানায় অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব পান থানার তৎকালীন এসআই রউফ।
কনস্টেবল অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, একদিন তিনি কর্মস্থল থেকে বাড়িতে ফিরে রউফকে তার স্ত্রীর সঙ্গে ডাইনিংয়ে একসঙ্গে খেতে দেখেন। তিনি রউফের পরিচয় আগে থেকে জানতেন না। স্ত্রীর কাছে জানতে পারেন- অভিযোগ তদন্ত করতে এসে রউফের সঙ্গে পরিচয়। এরপর রউফ তার শ্বশুরবাড়ির একটি ঘর ভাড়া নিয়েছেন। তিনি একা থাকেন। রান্নার সমস্যার কারণে রউফ তার স্ত্রীর সঙ্গে খান।
ওই কনস্টেবল লক্ষ্য করেন, একদিন গভীর রাতে তার স্ত্রী ঘুমাচ্ছিলেন। তখন তাকে মেসেঞ্জারে বার্তা পাঠান রউফ। ওই কনস্টেবল মেসেঞ্জারের কথোপকথনে দেখেন- দুজনের একসঙ্গে তোলা অন্তরঙ্গ ছবি এবং কুরুচিপূর্ণ বার্তা আদান-প্রদান হয়েছে। তিনি নিশ্চিত হন, স্ত্রীর সঙ্গে রউফের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। ওই রাতেই তিনি রউফের সঙ্গে মোবাইলে উচ্চবাচ্য করেন। তার স্ত্রী সেদিন বলেছিলেন, তার ভুল হয়ে গেছে। তিনি আর রউফের সঙ্গে সম্পর্ক রাখবেন না; কিন্তু সম্পর্ক ঠিকই চালিয়ে গেছেন। এসব ঘটনায় ফাঁড়ির ছাদ থেকে লাফ দিয়ে তিনি দুবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। সহকর্মীরা তাকে রক্ষা করেন।
ওই কনস্টেবল বলেন, রউফ বর্তমানে আমার স্ত্রীকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে দিচ্ছেন না। বিভাগীয় মামলা হওয়ার পর তিনি আমার বিরুদ্ধে স্ত্রীকে দিয়ে ডিআইজির কাছে অভিযোগ করিয়েছেন। আদালতে যৌতুকের মিথ্যা মামলাও দিয়েছেন। আমাকে চাকরিচ্যুত করতে রউফ চেষ্টা করছেন। আমার স্ত্রীর সঙ্গে তার পরকীয়া সম্পর্ক তদন্তে প্রমাণিত। রউফ আমার জীবনটা নষ্ট করে দিয়েছেন। এসব কারণে আমি দুই দফা স্ট্রোক করেছি। মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমি বিচার চাই।
অভিযোগের বিষয়ে যোগাযোগ করলে রউফ দাবি করেন, ওই কনস্টেবল এবং তার স্ত্রীকে তিনি চেনেনই না।
কনস্টেবলের শ্বশুরবাড়ির একটি ঘরে বসবাসের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ভাড়া উঠেছিলাম। তবে তার স্ত্রীর সঙ্গে আমার পরকীয়া সম্পর্ক নেই।
সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক কথা বলার সময় রউফ পরকীয়া সম্পর্কের প্রমাণ দেখতে চান। পরে তার হোয়াটসঅ্যাপে কনস্টেবলের লিখিত অভিযোগ ও তার বিরুদ্ধে হওয়া বিভাগীয় মামলার কপি, কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ ছবি ও মেসেঞ্জারে কথোপকথনের স্ক্রিনশট পাঠানো হয়। এরপর ফোন করলে তিনি আর ধরেননি। আর এসআই রউফের কথায় স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কনস্টেবলের স্ত্রী মোবাইলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
এসআই রউফের বিরুদ্ধে হওয়া বিভাগীয় মামলার সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে চাইলে আরএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, বিভাগীয় মামলা অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ ব্যাপারে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার নিয়ম নেই।