সংগঠনের সদস্য জাকির হোসেনের পিতার মৃত্যুতে বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর কার্যনির্বাহী সদস্য ও আহসানউল্লাহ কলেজের প্রফেসার মো. জাকির হোসেনের পিতা মুন্সি সলেমান হাওলাদার (৮৪) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না…..রাজিউন)।
মরহুমের মৃত্যুতে গভীর শোক, শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দরা হলেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ আরিফ, উর্দ্ধতন সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ইমতিয়াজ আলি খোকন, সহ-সভাপতি জি এম মহিউদ্দিন, কাউন্সিলর মাজেদা খাতুন, কবি সৈয়দ আলি হাকিম, এ্যাডভোকেট কাজী আমিনুল ইসলাম, শেখ হেদায়েত হোসেন হিদু ও ডা. আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহবুবুর রহমান খোকন, যুগ্ম-সম্পাদক মোহাম্মদ আলি, এস এম মিজানুর রহমান, মো. মনির হোসেন ও এম এ জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল আহমেদ রাজা, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মুন্সি আহমেদ হোসেনসহ সংগঠনের সকল সদস্যবৃন্দ।
নগরীতে লোকনাথ বাবার আর্বিভাব দিবস পালিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
নগরীর ৬৪, স্যার ইকবাল রোডস্থ বাইতিপাড়ার জটাধারী বেদ আশ্রমের প্রধান কার্যালয়ে সম্পুর্ন ঘরোয়া পরিবেশে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে মহাযোগী শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রক্ষচারী বাবার ২৯০তম আর্বিভাব দিবস পালিত হয়েছে গতকাল শুক্রবার।
প্রভাতে মাঙ্গলিক ক্রিয়া, সকাল ৯টায় বাবার পূজা শুরু, অঞ্জলি প্রদান ও পূজান্তে প্রসাদ বিতরণ। সন্ধ্যায় সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাবার জীবনী উপদেশ আলোচনা, করোনা সম্পর্কে সচেতনামুলক বক্তব্য, ভ্যাকসিন সম্পর্কে আশ্রমের ভক্তদের বিশেষ জ্ঞান প্রদান, বিশ্ব শান্তি কামনা, ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনা পৌরোহিত্য করেন সমেন দেবনাথ। পূজার প্রসাদ হিসেবে ৬৪ মোহন্তের ১৬ মোহন্তী ব্যঞ্জনসহ ভোগরাগ প্রস্তুত করেন উমা দেবনাথ।
যাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সাহায্য ও সহযোগিতায় দিবসটি সুন্দর সার্থক ও সাফল্যমন্ডিত হয়েছে তারা হলেন, বীনা পানি দেবী, মিলন দেবনাথ, সোমা দেবনাথ, সৌমিত দেবনাথ, শিখা ভদ্র, আশুতোষ অধিকারী, তমা সাহা, বিলাস সাহা, স্মৃতি দেবনাথ, সুকুমার দেবনাথ, তমা দেবনাথ, শিমুল দেবনাথ, কাকুলী দেবনাথ, হীরা দেবনাথ, বিপ্লব, সরজিৎ, কানাই, কাঞ্চন, কুমারেশ ও কথা দেবনাথ। পূজায় কোকিল কন্ঠে বাবার সংকীর্তন করেন উমা দেবনাথ।
নগরীতে পুলিশের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৫
স্টাফ রিপোর্টার
মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ১০ পিস ইয়াবা ও ৬০ গ্রাম গাঁজাসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন নগরীর খালিশপুর ক্রিসেন্ট গেট এলাকার নূর ইসলাম ওরফে কুটি মিয়ার ছেলে মো. রুবেল (২৩), ক্রিসেন্ট কাচাঁ লাইন তিন তলার সামনের বাসিন্দা করিম মঈন উদ্দিনের ছেলে মো. জাহিদুল ইসলাম (২৩), পিপলস্ নিউ কলোনীর নাজিম উদ্দিন শেখের ছেলে মো. রিয়াজ উদ্দিন (২০), কৃষ্ণনগর ইউনুস মার্কেট চরা হাসনাবাদের ইউনুস হাওলাদারের ছেলে মো. ইফাজ হাওলাদার (১৯) ও দিঘলিয়া থানার মন্ডল মিলের পার্শ্বে হিমুদের বাড়ীর ভাড়াটিয়া ধলা ফকিরের ছেলে মো. লালন ফকির (২৫)।
কেএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) কানাই লাল সরকার জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মহানগর পুলিশ। এসময় ১০ পিস ইয়াবা ও ৬০ গ্রাম গাঁজাসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় ৩টি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।
মেহেরপুরে র্যাবের অভিযানে ৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ১
স্টাফ রিপোর্টার
মেহেরপুর জেলার গাংনি থানাধীন তেরাইল বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে করেছে র্যাব-৬। গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ী হলেন কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার ডাঙ্গের বাজার
গ্রামের মো. আজিজুল মন্ডলের ছেলে মোঃ শাহারুল মন্ডল (২৮)।
র্যাব-৬ জানায়, গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মেহেরপুর জেলার গাংনি থানাধীন তেরাইল বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে র্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় বাজারের মা এন্টারপ্রাইজ এর সামনে থেকে ৪ কেজি গাঁজাসহ শাহারুল মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে গাংনি থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা করা হয়েছে।
শ্রমিক লীগ নেতৃবৃন্দের নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার ঘোষসহ নগর শ্রমিক লীগ নেতৃবৃন্দের নামে ফেজবুকে অপপ্রচার ও গুজবের প্রতিবাদে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার ২৫নং ওয়ার্ড শ্রমিক লীগ-২৫৯১ এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদে সভায় সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন খান। সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেনের পরিচালনায় সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন নগর সদস, পিএমজি সভাপতি ও যুব শ্রমিক লীগের যুগ্ম-আহবায়ক আজিম উদ্দিন। সভায় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি আয়নুল ইসলাম, সুনিল রায়, বিপ্লব রায়, টিটন হাওলাদার, দোলোয়ার হোসেন দিলু, শহিদুল, হাফিজুর রহমান হাফিজ, রাজন, শাহাদত, আলামিন, মাসুম প্রমুখ। সভায় অপপ্রচারকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
খুবির আইন ডিসিপ্লিনের কর্মচারি ফারুকুল ইসলামের মাতার ইন্তেকালে খুবি উপাচার্যের শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ডিসিপ্লিনের কর্মচারি মোঃ ফারুকুল ইসলামের মাতা লাইলী বেগম বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩.৩৫ টায় নগরীর বানরগাতি এলাকায় পূত্রের বাসায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না…রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৯৭ বছর। মৃত্যুকালে তিনি দুই পূত্র এবং এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ বাদ জুম্মা নামাযে জানাজা শেষে তাঁকে ঝালকাঠির ছত্রকান্দা গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান আইন ডিসিপ্লিনের কর্মচারি মোঃ ফারুকুল ইসলামের মাতার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। অনুরূপভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, আইন স্কুলের ডিন ও আইন ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ ওয়ালিউল হাসানাত, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক এবং কর্মকর্তাবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।
বিএনপির ৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সোনাডাঙ্গা থানায় বৃক্ষরোপন
খবর বিজ্ঞপ্তি
বিএনপির ৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা মহানগর বিএনপির ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে থানা পর্যায়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি গতকাল শুক্রবার সকাল ১১টায় সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির উদ্যোগে বয়রা হাজী ফয়েজ উদ্দিন স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও নগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবে মেয়র মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি। বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেনঅধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন খোকন, সাদিকুর রহমান সবুজ, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, হাফিজুর রহমান মনি, শেখ জামিরুল ইসলাম, আকরাম হোসেন খোকন, সরদার রবিউল ইসলাম রবি, মহিউদ্দিন টারজান, মোস্তফা কামাল, মেহেদী হাসান সোহাগ, আব্দুল আলিম, রাজু মোল্যা, হাসনা হেনা, হেদায়েত হোসেন হিদু, আব্দুল গফ্ফার, লিটু পাটোয়ারী, ওয়াহিদুজ্জামান বাকার, তৌহিদুল আলম তুষার, ইকবাল হোসেন, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, শাকিল আহমেদ, শরিফুল ইসলাম সাগর, খান সাইফুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান অভি, সাইফুল ইসলাম মল্লিক, আব্দুস সালাম, শরিফুল ইসলাম, মাহিম আহমেদ রুবেল, মাসুদ রানা, ইমরান হোসেন, মোফাজ্জেল হোসেন, গোলঅম নবী ডালু, আকরাম হোসেন, বাচ্চু মোল্যা, রাজু আহমেদ রাজ, মো. হারুন, আনিসুর রহমান, সরদার আল আমিন, হাফিজ, পারভেজ, টুটুল, দিদার, সাদ্দাম, নজু শেখ, রাকি হোসেন, মাসুদ, তরিকুল ইসলাম প্রমুখ।
আজকের নগরীঃ
বিএনপির ৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে মহানগর ও জেলা বিএনপির গৃহিত ৩দিনের কর্মসুচির আজ শনিবার শেষ দিনে জেলার কয়রা উপজেলায় বানভাসী মানুষের মাষে নগর অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হবে।
সিপিবি’র খালিশপুর, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানার পৃথক সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র খালিশপুর থানা কমিটির এক সভা আজ বিকেল সাড়ে ৫টায় বিআইডসি রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে থানা সভাপতি মিজানুর রহমান স্বপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। দলের দৌলতপুর থানা কমিটির এক সভা গতকাল সন্ধ্যায় স্থানীয় উদীচী কার্যালয়ে দলের থানা সভাপতি পূর্ণেন্দু দে বুবাই’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সম্প্রতি দলের খানজাহান আলী থানা কমিটির এক সভা ফুলবাড়ি গেটস্থ থানা কার্যালয়ে থানা সভাপতি আব্দুল রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর সভাপতি এইচ এম শাহাদৎ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর সাধারণ সম্পাদক এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার। সভাসমূহে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেনÑসোহরাব হোসেন সরদার, মোস্তাফিজুর রহমান রাসেল, ফরহাদ হোসেন মিটন, ইসমাইল হোসেন, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ। বক্তারা বন্ধ ঘোষিত রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল চালু, শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধের আহ্বান জানান। নেতৃবৃন্দ এ সময়ে করোনা সংকটের কারণে কর্মহারা মানুষের কর্মের সংস্থান ও খাদ্য সহায়তা প্রদানের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। এছাড়াও মহানগরীর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো সংস্কারের দাবী জানানো হয়।
পরিবেশের ভারসাম্য ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই: সাংসদ বাবু
খবর বিজ্ঞপ্তি
আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ খুলনার উপকূলীয় এলাকা কয়রা উপজেলাকে সবুজ কয়রা গড়ার মিশনে স্বাধীনতার ৪৯ বছরে ৪৯ মিনিটে ৪৯ হাজার বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে রোপণ করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে কয়রা মদিনাবাদ সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে ৪৯ হাজার চারা রোপণের উদ্বোধন করেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজামান বাবু। এ সময় তিনি পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোন বিকল্প নেই উল্লেখ করে বলেন, বাড়ির উঠান, ছাদ, সড়ক, অফিস-আদালতের ফাকা রাস্তা ঘাঠ, যেখানে পরিত্যক্ত জায়গা রয়েছে, সেখানেই গাছ লাগাতে হবে। বনজ, ফলজ ও ঔষধি সব ধরনের গাছের চারা রোপাণের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা সম্ভব হবে। ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবন এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে উপকূলেই সরকারের ও ব্যক্তিগত ভাবে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে সংসদ সদস্য আরো বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে সবুজ বনায়ন ঝড়, জলোচ্ছ্াস থেকে মানুষকে বাঁচায়, দেশকে বাঁচায়। এসময় তিনি উপকূলীয় এলাকাসহ প্রতিকূল পরিবেশে যারা বৃক্ষরোপণ করছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সরকারের পাশাপাশি দেশের সবুজ উন্নয়ন নিশ্চিত করে পরিবেশগত সুরক্ষা এবং জীববৈচিত্র রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। সবুজ কয়রা গড়ার লক্ষে মানব কল্যাণ ইউনিটের উদ্যোগে “প্রকল্প অক্সিজেন” মিশনে বন্ধু ফাউন্ডেশন, গিভ বাংলাদেশ ও আমরাই বাংলাদেশ সহযোগীতায় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলগুলির ৪১০০ জন স্বেচ্ছাসেবক গাছের চারা রোপণে অংশ নেয়। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে উপজেলার ৭ টি ইউনিয়নে এক যোগে ৪৯ মিনিটে ৪৯ হাজার গাছ লাগানো হয়। কয়রা উপজেলার কিছু পানি বন্দী এলাকা বাদে আমাদি, বাগালী, মহেশ্বরীপুর, মহারাজপুর, কয়রা সদর, উত্তর বেদকাশী ও দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নে রাস্তার পাশে, বাড়ির আঙ্গিনায়, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ পতিত খালি জায়গায় গাছের চারা রোপণ করা হয়। রোপণকৃত গাছের মধ্যে ছিল শিরীশ, লম্বু, পেয়ারা, কদবেল ছবেদা , তেঁতুল, কৃষ্ণচূড়া, বকুল, জামরুল, আমলকি, আম, জাম, নিম এবং তাল।
কয়রা উপজেলার মানব কল্যাণ ইউনিটের নেতৃত্বে ১৭টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আগামী এক বছরের জন্য লাগানো গাছগুলির তদারকী করবেন। এক হাজার স্থানীয় অতি দরিদ্র মানুষ ফলদায়ক গাছ দেখাশোনা করার পাশাপাশি ফল গ্রহণ করবেন। জয় বাংলা এ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত সংগঠন মানব কল্যাণ ইউনিটের সভাপতি আল-আমিন ফরহাদ বলেন, বৃক্ষ রোপণের মূল লক্ষ্য বার বার প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ উপকূলীয় এলাকা কয়রার লোনা পানিতে ভেঙ্গে পড়া সবুজ বেষ্টনীকে পুনরুদ্ধার করে কয়রাকে সবুজে রুপান্তরিত করা। সকল যুবদের সাথে নিয়ে ৪৯ হাজার গাছ রোপণ ভবিষ্যতের প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এই উপকূলীয় অঞ্চলগুলিকে শক্তিশালী করা। গাছের চারা রোপণে উপস্থিত ছিলেন কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাস, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম মোহসিন রেজা, কয়রা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এইচ এম হুমায়ুন কবির, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম বাহারুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন বাবু, জেলা যুবলীগ নেতা শামীম সরকার ,যুবলীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলাম টিংকু, জেলা ছাত্রলীগ নেতা শিমুল দেবনাথ, মানব কল্যাণ ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক জাহানে আলম উজ্বল, সবুজ আন্দোলনের নেতা ওবায়দুল কবির সম্রাটসহ দলীয় নেতা-কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে: সিটি মেয়র
তথ্য বিবরণী
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব:) সি আর দত্ত মুক্তিযুদ্ধের সময়ে অনেক অবদান রেখেছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। তাঁরা জীবন বাজি রেখে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের আদর্শ নিয়ে সকলের চলতে হবে। মেয়র শুক্রবার বিকালে খুলনার ধর্মসভা মন্দির প্রাঙ্গণে মহান মুক্তিযুদ্ধের ৪ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব:) সি আর দত্ত বীর উত্তমের মৃত্যুতে এক শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। সিটি মেয়র বলেন, জতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ দেশের অসহায় মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করে গেছেন। বঙ্গবন্ধু ক্ষুধা-দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখে ছিলেন। তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা যার যার দায়িত্বটুকু সঠিকভাবে পালন করি দেশ আরো উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাবে। মেয়র মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব:) সি আর দত্তর অবদান স্মরণীয় করে রাখার জন্য তাঁর নামে খুলনায় একটি রাস্তার নামকরণের প্রতিশ্রুতি দেন। বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি বীরেন্দ্র নাথ ঘোষের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি বিজয় কুমার ঘোষ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রবার্ট নিক্সন ঘোষ, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ মহানগর শাখার উপদেষ্টা শ্যামল সিংহ রায়, অলোকা নন্দা দাশসহ বিভিন্ন থানা কমিটির নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ খুলনা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র সাহা।
আ’লীগ নেতা কুটু’র শাহাদাৎ বার্ষিকী কাল
খবর বিজ্ঞপ্তি
২৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য কামরুল ইসলাম কুটু’র শাহাদাৎ বার্ষিকী কাল রবিবার। এ উপলক্ষে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ। কর্মসূচির মধ্যে সকাল ১০টায় দলীয় কার্যালয়ে কুটু’র বেদীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন, দুপুর ১২টায় ২৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল এবং মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিকাল ৪টায় দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচিতে দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের যথা সময়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য বিশেষ আহবান জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালকদার আব্দুল খালেক, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, জেলা আওয়মী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার ্অধিকারী।
কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ীতে ব্যবসায়ীদের সাথে ওসি’র মতবিনিময়
কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি ঃ
খুলনার কপিলমুনিতে পুলিশ ফাঁড়ী ভবনের উন্নয়নের লক্ষ্যে পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এজাজ শফি ব্যবসায়ীদের সাথে মত বিনিময় করেছেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টায় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কওছার আলী জোয়ার্দারের সভাপতিত্বে পুলিশ ফাঁড়ী চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় কপিলমুনি বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন ওসি এজাজ শফি, পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস, পুলিশ পরিদর্শক সঞ্জয় দাশ, থানার সেকেন্ড অফিসার নিমাই চন্দ্র কুন্ডু, কপিলমুনি ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি যুগোল কিশোর দে, এস আই ইন্দ্রজিৎ, এ এস আই প্রবাস মিত্র, পবিত্র সাধু, তাপস সাধু, স্বপন সাহা, মানিক লাল সিংহ, অসিত দে, শাহ মোহাম্মদ ওলি, অনুপ ঘোষ প্রমূখ।
মোংলায় শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবে শিবির নেতার কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোংলায় আলহাজ্ব কোরবান আলী আলিম মাদ্রাসার ‘শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব’টি ব্যক্তিগত ট্রেনিং সেন্টারের কাজে নিয়ম বর্হিভূত ব্যবহার ও ওই মাদ্রাসার গোপন তথ্য চুরির অভিযোগ উঠেছে অপর আরেক মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ওই শিক্ষকের যত্রতত্র ব্যবহারের কারণেই ইতিমধ্যে ওই ল্যাবের দুইটি ল্যাপটপ নষ্ট হয়ে গেছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোরবান আলী আলিম মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। ছাত্র শিবিরের সাবেক নেতা ও ইসলামী আদর্শ একাডেমি’র আইসিটি বিভাগের শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলামের এমন বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে আলহাজ্ব কোরবান আলী আলিম মাদ্রাসার শিক্ষকদের মধ্যে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে।
অভিযোগ ও মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, করোনার কারণে সারা দেশে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয় সরকার। তখনই মাদ্রসা বন্ধের সুযোগ কাজে লাগায় একাডেমি মাদ্রাসার শিক্ষক ও ইমেজভিশন কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার মালিক সাবেক শিবির নেতা মোঃ রফিকুল ইসলাম। আলহাজ্ব কোরবান আলী আলিম মাদ্রাসার এক শিক্ষককে ম্যানেজ করেই শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব কক্ষের চাবি নিয়ে নিয়মিত ব্যক্তিগত কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের কাস নিতে থাকেন রফিকুল ইসলাম।
আলহাজ্ব কোরবান আলী আলিম মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানান, কম্পিউটারে অনভিজ্ঞ বহিরাগত লোকদের হাতে ল্যাপটপ তুলে দিয়ে নিয়মিত ট্রেনিং সেন্টারের কাস নেয়ার কারণে তাদের ল্যাব সেন্টারের দুইটি ল্যাপটপ নষ্ট হয়ে গেছে। একই সাথে মাদ্রাসার কিছু গোপন তথ্য চুরি করেছে রফিকুল ইসলাম। দীর্ঘ কয়েক মাস তাদের মাদ্রাসার ডিজিটাল ল্যাব সেন্টারটি ব্যবহার করার বিষয়টি তারা জানতেন না। সরকারী ছুটি থাকার সুযোগে কতিপয় শিক্ষককে ম্যানেজ করে রফিকুল ইসলাম তাদের মাদ্রাসার ল্যাবটি ব্যবহারের কারণে অনেকটা ক্ষতিতে পড়েছে আলহাজ্ব কোরবান আলী আলিম মাদ্রাসা।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আরো জানান, ৩১ আগষ্ট বিষয়টি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। তারা বিষয়টি ম্যানেজিং কমিটির নজরে আনলে কমিটির সভাপতি ‘শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব’র কক্ষে তালা লাগিয়ে দেন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পরবর্তী সরকারী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত কক্ষটি বন্ধ থাকবে এমন সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেন। একই সাথে নিয়ম বর্হিভূত কক্ষটি ব্যবহারের কারণ জানতে ইমেজ ভিশন ট্রেনিং সেন্টারের মালিক ও ইসলামী আদর্শ একাডেমির আইসিটি শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে তলব করেন কোরবান আলী মাদ্রাসা কমিটি। ম্যানেজিং কমিটির ডাকে রফিকুল ইসলাম সাড়া না দেয়ায় বাধ্য হয়ে কমিটির পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন মোংলা থানায়।
ব্যক্তিগত ট্রেনিং সেন্টারের কাজে কেন কোরবান আলী আলিম মাদ্রাসার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব ব্যবহার করেছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে রফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি ব্যক্তিগত ট্রেনিং সেন্টারের কাজে ব্যবহার করেননি। আলহাজ্ব কোরবান আলী আলিম মাদ্রাসার প্রধান মাওলানা গোলাম মোস্তফা এবং আইসিটি শিক্ষক মইন উদ্দিন বিষয়টি জানতেন।
তবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মইন উদ্দিন আলহাজ্ব কোরবান আলী মাদ্রাসার আরবি শিক্ষক। আর শাহিনুর ইসলাম ও হাসান মাহমুদ নামে দুইজন আইসিটি শিক্ষক রয়েছে ওই মাদ্রসায়।
নাম প্রকাশে না করা শর্তে কোরবান আলী আলিম মাদ্রাসার এক শিক্ষক বলেন, মুলত কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের নামে রফিকুল ইসলাম সার্টিফিকেট বিক্রির ব্যবসা করেন। পাশাপাশি জামায়াত শিবিেিরর রাজনীতির গোপনীয় কর্মকান্ড পরিচালনা করেন। ছাত্র শিবিরের রাজনীতির সাথে এক সময় জড়িত ছিলেন তিনি। বর্তমানে সরকারী দলের ক্ষমতাবান নেতার আর্শিবাদ নিয়ে রফিকুল ইসলাম এমন নানা বিতর্কিত কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। ওই ক্ষমতার দাপটে রফিকুল ইসলাম গত ২ সেপ্টেম্বর কোরবান আলী আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক তৌহিদুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে তাকে হুমকি ধামকিও দেন। এবং তাদের ডিজিটাল ল্যাব ব্যবহারের কথা কেউকে না বলার জন্যও ভীতি দেখান।
এ বিষয়ে মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, তিনি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। তবে অভিযোগকারীকে এ বিষয়টি শিক্ষা অফিসারসহ যথাযথ শিক্ষা বোর্ডকেও অবহিত করার জন্যেও বলা হয়েছে।
ঝিনাইদহে আওয়ামীলীগ নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলা
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহে আওয়ামীলীগ নেতার উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে সদর উপজেলার হরিশংকরপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গ্রামবাসী জানান, আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আওয়ামীলীগ কর্মী অশোক কুমারকে একই গ্রামের জাহাঙ্গীর, মজিদ, সেকেন্দার, বাক্কার ও হায়দারসহ অজ্ঞাতনামা বেশ কয়েকজন তাদেরকে মারপিট করছে। এমন সময় তাকে ঠেকাতে গেলে উক্ত সন্ত্রাসীরা আওয়ামীলীগ নেতা লিকু জোয়ার্দ্দারের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় তারা তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। আহত লিকু জোয়ার্দ্দার হরিশংকরপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও আর্য্যনারায়নপুর গ্রামের মোসলেম উদ্দিন জোয়ার্দ্দারের ছেলে। এ ঘটনায় আহত লিকু জোয়ার্দ্দারের বড় ভাই লুৎফর রহমান জোয়ার্দ্দার ৫ জনকে আসামী করে ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা দায়ের করে। পুলিশ ইতিমধ্যে আসামী বাক্কারকে গ্রেফতার করেছে। হরিশংকরপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদ বলেন, এসকল সন্ত্রাসীরা হরিশংকরপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক ছানার উদ্দিন হত্যা মামলার আসামী। লিকু জোয়ার্দ্দার ওই মামলার সাক্ষী। তাদের পক্ষে সাক্ষী না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে তার উপর উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে আহত করে। তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও দোষিদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
কোটচাঁদপুরে প্রবাসীর স্ত্রী’র লাশ উদ্ধার
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার সাব্দারপুর ইউনিয়নের দুর্গাকুন্ডু গ্রামের একটি বাগান থেকে নুপুর খাতুন (৩০) নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত নুপুর খাতুন ওই গ্রামের দুবাই প্রবাসী মোজাম্মেল ব্যাপারীর স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানায়, সকালে দুর্গাপুর গ্রামের গোরস্তানের পাশের একটি বাগানে নুপুর খাতুনের লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ খবর দেয় এলাকাবাসী। পরে পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে। নিহতের চোঁখ উপরানো ও গলায় ফাঁস দেওয়ার চিহ্ন রয়েছে। কোটচাঁদপুর থানার ওসি মাহবুবুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নুপুর খাতুন বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। তবে কি কারণে এই হত্যা তা জানাতে পারেনি পুলিশ।
বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের অভিযান ফেনসিডিল ও গাঁজা গাছ উদ্ধার
বেনাপোল প্রতিনিধি।
বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে ২৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও বড় ৪টি গাঁজা গাছ উদ্ধার করেছে।শুক্রবার বিকালে ফেনসিডিল ও গাঁজার গাছ গুলো উদ্ধার করেন। এ সময় কাউকে আটক করতে পারেনি।আটক ফেনসিডিল ও গাজার মূল্য ১ রলাখ ৫০ হাজার টাকা । বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন খান জানান,গোপন সংবাদে জানতে পারি খড়িডাংগা গ্রামের আসানুর বাড়িতে গাঁজার গাছ লাগিয়েছে।এমন সংবাদে এসআই মাসুম বিল্লাহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪ টি বড় গাঁজা গাছ উদ্ধার করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সে পালিয়ে যায়।তার বিরুদ্ধে গাঁজা গাছ লাগানো কারনে থানায় মামলা হয়েছে।অপর দিকে দক্ষিণ বারপোতা গ্রামের অভিযান চালিয়ে ২৫০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন খুলনা মহানগরের মাসিক বৈঠক
খবর বিজ্ঞপ্তি
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪ টায় পাওয়ার হাউজ মোড়স্থ আইএবি কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর কমিটির মাসিক বৈঠক নগর সভাপতি আলহাজ্ব মুফতী আমানুল্লাহ ও সেক্রেটারী শেখ মোঃ নাসির উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত। সভায় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগরের জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওঃ দ্বীন ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম সজীব মোল্লা, সহ সাংগঠনিক মোল্লা রবিউল ইসলাম তুষার, প্রচার সম্পাদক মোঃ আব্দুর রশীদ, সহ প্রচার গাজী ফেরদাউস সুমন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ শরিফুল ইসলাম, সহ দপ্তর মোঃ সাইফুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মুক্তিযুদ্ধা জিএম কিবরিয়া, সহ অর্থ আলহাজ্ব মোমিনুল ইসলাম, সহ প্রশিক্ষণ মাওঃ হাফিজুর রহমান, ছাত্র ও যুব বিষয়ক মাওঃ ইমরান হোসাইন, মহিলা ও পরিবার বিষয়ক ডাঃ মাওঃ নাসির উদ্দিন, নির্বাহী সদস্য শেখ হাসান ওবায়দুল করীম, ইশা ছাত্র আন্দোলন নগর সভাপতি এইচ এম খালিদ সাইফুল্লাহ, মোঃ মেহেদী হাসান প্রমুখ। সভায় কিছু দায়িত্বশীল পরিবর্তন করা হয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মাওঃ ইমরান হোসাইন, প্রচার সম্পাদক ডাঃ নাসির উদ্দিন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওঃ হাফিজুর রহমান, সহ প্রশিক্ষণ মোঃ আব্দুল্লাহ আল নোমান, ছাত্র ও যুব বিষয়ক মোঃ ইমরান হোসেন মিয়া, মহিলা ও পরিবার হাফেজ আব্দুল লতিফ এবং নির্বাহী সদস্য হিসেবে হাফেজ খায়রুল ইসলামকে মহানগর কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়, এছাড়া আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর নগরের ও ১৫-৩০ সেপ্টেম্বর ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রশিক্ষণ কর্মশালা এবং আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর কয়রা, পাইকগাছায় ত্রাণ বিতরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
যশোরের শার্শায় পথ শিশু ও পাগ ‘ফ্রী খাবার বাড়ীর’ শুভ উদ্বোধন
বেনাপোল প্রতিনিধি
“ক্ষুধা লাগলে খেয়ে যান, এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যশোরের শার্শায় পথ শিশু ও ভারসাম্যহীন (পাগল) সহ ক্ষুধার্থ মানুষের দু’মুঠো খাবার খাওয়ানোর ব্রত নিয়ে ‘ফ্রী খাবার বাড়ীর’ শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলার নাভারনে বুরুজবাগান মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে মানবসেবা হেল্প ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় দেশসেরা উদ্ভাবক মিজানুর রহমানের উদ্যোগের এই খাবার বাড়িটির উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যশোরের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (নাভারণ সার্কেল) জুয়েল ইমরান।
এখন থেকে বুরুজবাগান মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে বাদল নার্সারীর ভেতরে এই খাবার বাড়িটি কার্যক্রম চালানো হবে। বাদল নার্সারীর মালিক বাদল হোসেনের পরিচালনায় এই ফ্রি খাবার বাড়িটি পরিচালনা করা হবে। প্রধান অতিথি জুয়েল ইমরান বলেন, পথ শিশুদের জন্য বিভিন্ন সংগঠনের কার্যক্রম থাকলেও দেশের কোথাও পাগলদের জন্য এমন খাবারের হোটেল আছে বলে আমার জানা নাই। এটা অসাধারণ একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। এই হোটেলের দীর্ঘ মেয়াদী পরিচালনার জন্য সব ধরনের সহযোগীতা করা হবে। উদ্ভাবক মিজানুর রহমান বলেন, করোনা ভাইরাস সবাইকে কি শিক্ষা দিয়েছে আমার জানা নেই, তবে এই করোনা আমাকে অনেক ভাল কিছু দিয়ে গেছে। করোনা কালে অনাহারে থাকা পথ শিশু ও রাস্তার ভারসাম্যহীন পাগলদের জন্য ফ্রী খাবার বিতরন করতে যেয়ে এমন একটি হোটেল করার কথা ভাবছিলাম। সেই ভাবনা থেকেই এই উদ্যোগ। “মানবসেবা হেল্প ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এবং হাজার হাজার মানুষের অনুপ্রেরণায় আজ এই খাবার বাড়িটির বাস্তবে রুপ দিয়েছি। যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন অনাহারির পাশে থেকে এই ভাবে খাবার দেওয়ার চেষ্টা করে যাবো।” উক্ত অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সাংবাদিক আসাদুজ্জামান আসাদ, নাভারণ ফজিলাতুননেছা মহিলা কলেজের সহকারি অধ্যাপক মিজানুর রহমান, বিজয় টিভির প্রতিনিধি সেলিম রেজা, চ্যানেল এস টিভির প্রতিনিধি ইসমাইল হোসেন, কালের কন্ঠের ঝিকরগাছা প্রতিনিধি এম আর মাসুদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং নানা শ্রেণী পেশার মানুষ। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি জনাব জুয়েল ইমরান পথ শিশু ও ভারসাম্যহীন পাগলদের মাঝে নিজ হাতে খাবার পরিবেশন করেন এবং ইয়াতিম শিশুদের মাঝে কোরআন শরীফ, মাক্স ও সাবান বিতরণ করেন।
সিআর দত্ত ছিলেন একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক : শোক সভায় সিটি মেয়র
স্টাফ রিপোর্টার
সিআর দত্ত ছিলেন একজন প্রকৃত দেশ প্রেমিক। তিনি ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। পরবর্তিতের ১৯৭১ সালে ৪নং সেক্টর কমান্ডার হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীনের জন্য তিনি আপ্রান লড়াই করেছেন। দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৭ সালে মুক্তিযুদ্ধ কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়ীত্ব পালন করেছেন। পরবর্তিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে রাষ্ট্রিয় দায়ীত্ব পালন করে তিনি ১৯৮১ সালে কর্মজীবনের শেষ করেও থেমে থাকেননি। সংখ্যালঘু মানুষের দাবী আদায়ে জন্য তিনি হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদ গঠন করেছেন। আমৃত্যু এই সংগঠনের সভাপতি থেকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুতে দেশ একজন আদর্শবান দেশপ্রেমিক হারাল।
হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রিয় সভাপতি বীর উত্তম মেজর জেনারেল চিত্ত রঞ্জন দত্তের শোক সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক। সিটি মেয়র আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ দেশের অসহায় মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করে গেছেন। বঙ্গবন্ধু ক্ষুধা-দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখে ছিলেন। তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা যার যার দায়িত্বটুকু সঠিকভাবে পালন করি দেশ আরো উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাবে। মেয়র মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব:) সি আর দত্তর অবদান স্মরণীয় করে রাখার জন্য তাঁর নামে খুলনায় একটি রাস্তার নামকরণের প্রতিশ্রুতি দেন।
খুলনা মহানগর শাখার আয়োজনে শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন সভাপতি বীরেন্দ্র নাথ ঘোষ। মহানগর সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র সাহার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত অধিকারী, যুবঐক্য পরিষদের সভাপতি রবার্ট নিক্সন ঘোষ, শ্যামল সিংহ রায়, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, সঞ্জয় কর্মকার, বলরাম দত্ত, দেবাশীষ মন্ডল, অভিজিৎ দে মিঠু, পাপ্পু সরকার। এসময় উপস্থি ছিলেন গোপি কিষান মুন্ধড়া, সুজিত সাহা, অরবিন্দ সাহা, গৌতম লস্কর, এ্যাড. বীরেন সাহা, সুখময় বিশ^াস, সমর কুন্ডু, শ্যামল রায়, এ্যাড. পরিমল রায়, প্রসান্ত দাস, শিবু রায়, গোপাল ঘোষ, বিপুল পোদ্দার, রঘুনাথ ঘোষ (কালা), সত্যরঞ্জন পোদ্দার, নিতাই সরদার, মিলন মুজমদার, অশিত মন্ডল, আশুতোষ সাধু, হিল্লোদে, জোসেফ শিকদার, রনজিৎ ঘোষ রনো, দেব দুলাল বাড়ৈই (বাপ্পি), রাম পোদ্দার, নিলয় মুখার্জী, বিশ^জিৎ দে সরকার, জন বুলেট ঘোষ, আদিত্য বড়ুয়া, অশোক সাহা, সঞ্জিব সাহা কালু, বিপ্লব দাস, বলরাম ঘোষ, সুকদেব ঘোষ, সাংবাদিক বিমল সাহা, সঞ্জয় রানা, মুক্তি রায়, শিউলি ব্যানার্জী, এ্যাড. রাম পোদ্দার, এ্যাড. বিধান ঘোষ, প্রভাসক বিনয় সাহা, এ্যাড. প্রহলাদ, প্রভাষ হালদার খোকন, আনন্দ স্বর, অনিমেষ কুমার সাহা, তুষার সরকার, এ্যাড. আনন্দ ঘোষ, নিহার কান্তি ফৌজদার, নিখিল কুমার বিশ^াস, চন্দন দত্ত, সিধু চক্রবর্তি, নিখিল কুমার বিশ^াস, চন্দন দত্ত, এ্যাড. শচীন্দ্রনাথ পোদ্দার, গৌরাঙ্গ সাহা, রাজ কুমার হেলা, সমর কৃষ্ণ সাহা, সাংবাদিক দেবব্রত রায়, অশোক কুমার দাস, অলোক কুমার সাহা, রনজিৎ মুখপাধ্যায়, বিশ^জিৎ সাহা, নীতিষ বালা, কৃষ্ণপদ বিশ^াস, নিতাই বিশ^াস, দিলীপ সাহানী, জিতেন্দ্রনাথ রায়, সুকুমার সাহা, বাদল কুমার বিশ^াস, শ্যামল কুমার ঘোষ, শ্যামল সাহা, ডাঃ প্রদীপ কুমার কর্মকার, খোকন দাস, প্রদ্যুত সাহা, বিশ^জিৎ সাহা, কৃষ্ণপদ দে, তপন চক্রবর্তি, মিন্টু পাল, দিনেশ রায় প্রমুখ।
সমালোচনায় পড়ে খুলনার সুন্দরবন কলেজের ভর্তি ফি সংশোধন
স্টাফ রিপোর্টার
সমালোচনায় পড়ে খুলনার সরকারি সুন্দরবন আদর্শ কলেজ কর্তৃপক্ষ একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফি সংশোধন করেছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে ভর্তি ফি সংশোধন করে নতুন করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কলেজের ভর্তি কমিটি। এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত একাদশ শ্রেণির ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদের ক্ষেত্রে দুই হাজার ৭৮০ টাকা এবং অমুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদের ক্ষেত্রে দুই হাজার ৭৩০ টাকা ফি ধার্য করা হয়েছিল। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় শুরু হয়। পরে ফি সশোধন করে সব শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি ফি দুই হাজার ৭৩০ টাকা ধার্য করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কলেজের অধ্যাপক অভিজীৎ বসু বলেন, ৩০টির বেশি খাতে খরচের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভর্তি ফি নেওয়া হয়ে থাকে। এরমধ্যে একটি হচ্ছে ‘ধর্মীয় খাত’। তিনি বলেন, আমি ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে এখানে যোগ দেই। তার আগে প্রিন্সিপাল ছিলেন অধ্যাপক সৈয়দ সাদিক জাহিদুল ইসলাম। তার সময় কলেজের মসজিদের উন্নয়ন সংক্রান্ত কিছু নির্মাণ কাজ শুরু হয়। সেজন্য তার তত্ত্বাবধানে মসজিদের উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য মুসলিম শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা বাড়তি নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। চলতি বছরও আগের বছরগুলোর সিদ্ধান্ত অনুসারেই মুসলিম শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দুই হাজার ৭৮০ টাকা এবং অমুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য দুই হাজার ৭৩০ টাকা একাদশ শ্রেণির ভর্তি ফি নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল। অভিজীৎ বসু বলেন, আমাদের কলেজে কোনো মন্দির না থাকায় অমুসলিমদের জন্য ধর্মীয় ফি বাদ রাখা হয়েছিল। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হওয়ার কারণে ধর্মীয় ফি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সারমিন সালাম অক্সিজেন ব্যাংকের শুভ উদ্বোধন
রূপসা প্রতিনিধি
খুলনায় সারমিন সালাম অক্সিজেন ব্যাংকের শুভ উদ্বোধন ৪ঠা সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টায় এমপি সালাম মূশের্দীর খুলনাস্থ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ভিডিও কনফারেন্স’র মাধ্যমে শুভ উদ্বোধন করেন এনভয় গ্রুপের পরিচালক সারমিন সালাম ও খুলনা-৪আসনের সাংসদ আব্দুস সালাম মূশের্দী।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশা। প্রধান অতিথিহিসেবে বক্তুতা করেন জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সরুফুউদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, প্রধান বক্তৃা ছিলেন জেলা কৃষকলীগের সভাপতি, আইচগাতি ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল।
অধ্যক্ষ ফ ম আঃ সালামের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আইয়ুব মল্লিক বাবু, সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, আরিফুর রহমান মোল্লা, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পারভেজ হাওলাদার।
উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গির হোসেন মুকুল, এমদাদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, এমপির কো-অডিনেটর নোমান ওসমানী রিচি, এবিএম কামরুজ্জামান, সাবিনা ইয়াসমিন, রিনা পারভিন, ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বুলবুল, আলহাজ্ব এসহাক সরদার, জিয়া গাজী, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন,আকতার ফারুক, স ম জাহাঙ্গির, জিন্নাহ গাজী, সাবেক চেয়ারম্যান মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান , মোঃ ওহিদুজ্জামান, অহিদুজ্জামান ওয়াহিদ, শামসুল আলম বাবু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি রুহুল আমিন রবি, সাধারণ সম্পাদক রাজিব দাস, যুব মহিলালীগের নেতা আকলিমা খাতুন তুলি, সারমিন সুলতানা রুনা, মোস্তাফিজুর রহমান, দিলু মোল্লা, আরিফুজ্জামান লিটন, আসাদুজ্জামান, আশিষ রায়, হারুন মোল্লা, শেখ ফরিদ,বাদশা মিয়া, জসিম সরদার, মমতা হেনা জোসনা, নুর ইসলাম, মহিউদ্দিন মানিক প্রমূখ।
সভায় বক্তারা বলেন, আব্দুস সালাম মূশের্দী সংসদ সদস্য হওয়ার পর থেকে নির্বাচনী এলাকা ছাড়া খুলনার মানুষেন জন্য স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করে যাচ্ছে।
অক্সিজেনের অভাবে কেউ যাতে মারা না যায় সেই লক্ষে সারমিন সালাম অক্সিজেন ব্যাংক তৈরী করা হয়েছে।
এমপি সালাম মূশের্দী বলেন, অসুস্থ মানুষের পাশে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত থেকে মানুষের সেবা করে যাব। অনেক অসুস্থ মানুষকে চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করেছি। সারমিন সালাম বলেন, সেবা পরম ধর্ম। সেবাকে আপন ভেবে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ব্লাড ব্যাংকের মাধ্যমে অসুস্থ মানুষকে রক্ত দিয়ে জিবন বাচানো হচ্ছে। এছাড়া অক্সিজেনের অভাবে আর কাউকে মারা যেতে না হয় সে লক্ষে কাজ করে যাচ্ছি।
সমুদ্রে ঘন ঘন নিম্মচাপের কারনে: অতিমাত্রায় জোয়ারের পানি বৃদ্ধি ভাঙছে কয়রার দূর্বল বেঁড়িবাঁধ
শাহজাহান সিরাজ, কয়রা
খুলনার উপকূলীয় এলাকা কয়রায় অর্ধশত কিলোমিটার দূর্বল বেঁড়িবাাঁধ সমুদ্রে ঘন ঘন নিম্মচাপ ও অতিমাত্রায় জোয়ারের পানিতে ভেঙে প্লাবিত হচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম। স্থানীয়রা বলেছেন, ৩০থেেেক ৪০ বছর আগে নির্মাণ করা এসব বেঁড়িবাঁধ সময়মত সংস্কার না করা এবং স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে অতিমাত্রায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বেঁড়িবাঁধ ভাঙার মূল কারন। উপকূলীয় এলাকা কয়রার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে টেকসই বেঁড়িবাঁধের দাবী তুললেও হয়ত এতদিনে সরকারের উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের কানে পৌছায়নি। তবে একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে কয়রা-পাইকগাছা থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে টেকসই বেঁড়িবাঁধের দাবী তোলেন। এছাড়া জাতীয় সংসদে বিভিন্ন অধিবেশনেও সংসদ সদস্য বারবার এধরনের দাবী উপস্থাপন করায় সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় বিষয়টি আমলে নিয়ে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা এখাতে বরাদ্ধ দিয়েছেন। এদিকে খুলনার উপকূলীয় উপজেলা কয়রায় ১২০ কিলোমিটার ওয়াপদার বেঁড়িবাঁধের ৩৫ কিলোমিটার অতিমাত্রায় ঝুকিপূর্ণ এবং অর্ধশত কিলোমটিার ঝুঁকির আওতায় রয়েছে বলে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এলাকাবাসী জানায় ঘূণিঝড় সিডর, আইলা, মসেন, ফনি, বুলবুল ও সর্বশেষ আম্পান এবং সম্প্রতি সমুদ্রের নিম্মচাপের মত প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারনে এ এলাকার কপোতাক্ষ ও শাকবাড়ীয়া নদীতে জোয়ারের পানি অতিমাত্রায় বৃদ্দি পায়। ফলে দূর্বল বেঁড়িবাঁধ ভেঙে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘন ঘন লবন পানিতে প্লাবিত হচ্ছে। এছাড়া জোয়রের সময় প্রবল তুফানের পানির ধাক্কায় বেঁড়িবাঁধ দূর্বল হয়ে পড়ায় সামান্য আঘাতে বাঁধ ভেঙে যায়। উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোহসিন রেজা জানান, কয়রা উপজেলা সদরে মদিনাবাদ লঞ্চঘাট, ঘাটাখালি, হরিন খোলা, ২ নং কয়রা, হাজত খালী, গাজী পাড়া, শাকবাড়ীয়া, পদ্মপুকুর, চরামুখা, গোলখালি, আংটিহারা, গাতীর ঘেরী. হরিহরপুর, কাটকাটা, মঠবাড়ী , দশালিয়া ও উত্তর মহেশ্বরীপুর গ্রামের বেঁড়িবাধ এই মহুর্তে অতিমাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি বলেন, চলতি বছরে আরও তিনবার আমাবস্যা ও পূর্ণিমার জোয়ারে নদীতে অতিমাত্রায় পানি বৃদ্ধি পাবে এবং তার আগেই এসব বাঁধ দ্রুত সংস্কার করতে হবে। তবে ঘূর্ণিঝড় আম্পান পরবর্তী সংসদ সদস্য পানি সম্পদ মন্ত্রী ও সচিবকে নিয়ে সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধ ঘুরে দেখেন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দেন। এ বিষয় খুলনা-০৬ জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু জানান, ৫০ বছর আগে নির্মিত দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ওয়াপদার বেঁড়িবাঁধ অনেক এলাকা আজও অরক্ষিত। তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে পাইকগাছার আলমতলা গ্রামে নিজ হাতে বেঁড়িবাঁধ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছিলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যার পর বিভিন্ন সময় সৈরাচার সরকারের এই এলাকার প্রতিনিধিরা বেঁড়িবাঁধের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করায় বেঁড়িবাঁধ অরক্ষিত। তিনি বলেন, নির্বাচিত হওয়ার পর ঘন ঘন সামুদ্রীক জলোচ্ছাস এবং সর্বশেষ আম্পান ও নিম্মচাপের কারনে অনেক স্থানে দূর্বল বেঁড়িবাঁধ ভেঙে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় আম্পান পরবর্তী সরকারের উর্দ্ধতন মহলে যোগাযোগ করে পানি সম্পদ প্রতি মন্ত্রী, সচিব এবং সেনাবাহিনীর প্রধান এ অঞ্চলে সরেজমিনে ঘুরে গেছেনএবং তার পর থেকে সেনাবহিনী বাঁধ রক্ষার কাজ করে চলেছেন। এছাড়া দ্রুত যোগাযোগ করে ৩৫ কিলোমিটার দূর্বল বেঁড়িবাঁধ সংস্কারের জন্য দ্রুত সরকারি অর্থ রবাদ্ধ করা হয়েছে। সংসদ সদস্য বলেন, নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদের প্রথম অধিবেশনে তার নির্বাচণীয় এলাকা কয়রা- পাইকগাছার টেকসই বেঁড়িবাঁধের দাবী জানিয়ে আসছি এবং চলতি অর্থ বছর থেকে টেকসই বেঁড়িবাঁধের কাজ শুরু হবে। তিনি বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে ৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্ধ দিযেছেন, যার অর্ধেক টাকা কয়রা উপজেলায় টেকসই বেঁড়িবাঁধ রক্ষার কাজে ব্যয় করা হবে। এ সম্পর্কে পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থানীয় শাখ কর্মকর্তা মসিউর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আম্পান পরবর্তী উপজেলার ১৬ টি স্থানে বেঁড়িবাধ ঝুকিপূর্ণ হওয়ায়, সংসদ সদস্য উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের মাধ্যমে দ্রুত অর্থ বরাদ্ধ করায় সবগুলি ঝুকিপূর্ণ বাঁধের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। তবে বেদকাশি কাশিরহাটখোলা ভেঙে যাওয়া বাঁধে কাজ শুরু হলেও পানি আটকাতে আরও কিছুদিন সময় লাগতে পারে।
১৭ বছরেও শিরোমণি ইমাম বাড়ী সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
নগরীর খানজাহান আলী থানার দক্ষিণ শিরোমণি ইমামবাড়ী সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়টিতে দির্ঘ্য ১৭ বছরেও কোন উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। বিদ্যালয়টি সমস্যায় জরজরিত এবং ঝুকিপূর্ণ অবস্থাতেই শিক্ষাদান কর্মসূচী অব্যাহত রয়েছে। ২০০৩ সালে ৪ রুম বিশিষ্ট টিন সেডের বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ে ৪ জন শিক্ষক/শিক্ষিকা বিশিষ্ট শিশু শ্রেণীতে ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা ২০ জন,১ম শ্রেণীতে ১৮ জন, ২য় শ্রেণীতে ১৯ জন, ৩য় শ্রেণীতে ৩৬জন, ৪র্থ শ্রেণীতে ১২ জন এবং ৫ম শ্রেণীতে ১৭ জন সহ মোট শিক্ষার্থী ১২২ জন। বেড়া বিহীন ১টি পাকা ওয়াল দেয়া টিনের ছাউনী রয়েছে। টিনের ছাউনীতে বর্ষার মৌসুমে পানি পড়ে, এসময় ছাত্র ছাত্রীদের দাড়িয়ে কাস করতে হয়। স্কুল সংলগ্ন পাশ্ববর্তী ৩টি গাছ স্কুলের ওয়ালের সাথে লাগানো থাকায় আরোও ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে,যেকোন মুহুর্তে বড় ধরনের দুর্ঘনা ঘটে যেতে পারে। শিক্ষার্থীদের বসার পর্যাপ্ত বেঞ্চ নাই। সাড়ে ২৩ শতক জমির উপর স্কুলটি ৪ রুম বিশিষ্ট টিনসেডের ভিতরে ১টি অফিস রুম এবং লাইব্রেরীর জন্য ছাত্র/ছাত্রীদের বসার বেঞ্চ নাই, শিক্ষক শিক্ষার্থীদের বসার ব্যবস্থা নাই। এলাকার দরীদ্র ছেলে মেয়েরা এই বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করে । প্রায় ২ কিলোমিটারের ভিতর আর কোন প্রাথমিক বিদ্যালয় নাই, ফলে ছেলে মেয়েদের উক্ত বিদ্যালয়ে ভর্তি করতে হয়। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শেখ আব্দুস সালাম এর নিকট স্কুলটির এই বেহাল দশার ব্যপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সংস্লীষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট বহু বার স্কুলটির বেহাল দশার ব্যাপারে জানানো সত্বেও কোন ফল হয়নি। স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাকিলা খাতুন বলেন প্রতি বছরই ফুলতলা উপজেলা শিক্ষা অধিদপ্তরে স্কুলটির উন্নয়নের ব্যাপারে এবং ঝুকিপূর্ণ অবস্থার বিষয়ে প্রতি বছরই জানানো হয়। কিন্ত এর কোন ফল হয়নি। বিদ্যালয়টিতে ক্রমশই ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, অতিসত্বর নির্মাণ সহ সংস্কার করা না হলে কোন ছাত্র ছাত্রীকে স্কুলে ভর্তি করা যাবে না। এলাকাবাসি স্কুলটির নির্মাণ সহ সংস্কার এবং শিক্ষক শিক্ষিকা বৃদ্ধির জন্য সংস্লীষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন।
শরণখোলায় প্রতারক চক্রের খপ্পরে মিথ্যা মামলায় নিরীহ পরিবারকে হয়রানীর অভিযোগ
শরণখোলা প্রতিনিধি
বাগেরহাটের শরনখোলায় উপজেলার পুর্ব খোন্তাকাটা গ্রামের একাধিক নিরীহ পরিবারকে মিথ্যা মামলায় আসামী করে হয়রানী করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার পূর্ব-খোন্তাকাটা গ্রামের বাসিন্দা দেলোয়ার খাঁন ,হালিম মাতুব্বর, জাকির মাতুব্বর ও সাবেক স্কুল শিক্ষক নেছার উদ্দিনসহ একটি প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছেন মিথ্যা মামলায় হয়রানির স্বীকার একাধিক নিরীহ পরিবারের লোকজন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একই এলাকার বাসিন্দা প্রভাবশালী মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ আঃ হালিম মাতুব্বর সহ একটি প্রতারক চক্রের থানা ও আদালতে দ্বায়েরকৃত একাধিক মিথ্যা মামলায় জেলে জাহিদুলের মত চরম হয়রানির মধ্যে পড়েছেন পুর্ব খোন্তাকাটা গ্রামের বাসিন্দা কলেজ ছাত্র রাব্বি খান (২৫), কৃষক মাহাবুব খাঁন (৩৮) ,ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রিয়াদুল খাঁন (৩৬), শিক্ষক আঃ রাজ্জাক তালুকদার (৪০), কৃষক রফিক তালুকদার (৫০), ব্যবসায়ী মহিবুল খাঁন (৫০), জেলে জাহিদুল ইসলাম (৩৮), কৃষক মোঃ শহীদ খাঁন (৫০) ও দিনমজুর ফজলু তালুকদার (৫০) সহ নানা পেশার ৯ ব্যক্তি।
জেলে জাহিদুল ইসলাম জানান, জীবনের চাকা সচল রাখতে চলতি বছরে ইলিশ আহরনের জন্য চলতি বছরের জুলাই মাসের শেষের দিকেএকই উপজেলার বাসিন্দা এফবি আলী ফিশিং ট্রলারের মালিক মোঃ নুর মোহম্মদ মাঝির কাছ থেকে অগ্রীম দাদন গ্রহণ করে বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশ্যে যান। সম্প্রতি বাড়ি ফিরে জানতে পারেন একটি মারপিট মামলার ৬ নাম্বার আসামী তিনি।
শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমার মা নুরজাহাজ বেগম উত্তারাধিকার সুত্রে ৫নং মোড়েলাবাদ মৌজার ৩৪১/৭৭১/১৮৯/১৯২ ও ১৯১নং খতিয়ানের ও ১৯২০/১৯২১/১৯২২/১৯২৩ নং দাগ হইতে ১৩.২০ শতক সম্পতি পেয়েছেন। ওই জমি সম্প্রতি বিক্রি করতে চাইলে পুর্ব-খোন্তাকাটা গ্রামের বাসিন্দা মৃত হাবিবুর রহমান খাঁনের ছেলে আঃ বারেক খাঁন বর্তমান বাজার মুল্য অনুযায়ী ১লাখ ২৭ হাজার টাকায় ক্রয় করতে রাজি হন। কিন্তু ওই জমি বিক্রির মাঝখানে স্থানীয় বাসিন্দা দেলোয়ার ,হালিম মাতুব্বর, জাকির মাতুব্বর ও আমার মামা সাবেক স্কুল শিক্ষক নেছার উদ্দিন সহ একটি প্রতারক চক্র বারেক খাঁনের পিছু নেয় এবং তাকে কু-পরামর্শ দিতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে তারা বারেকের কাছ থেকে ৮০হাজার টাকা আত্মসাতের ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেন। এক পর্যায়ে আমরা টাকা হাতে না পেয়ে জমি রেজিষ্ট্রি দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে ওই প্রতারকদের সাথে ঝামেলার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়রা শালিশ বৈঠকে বসলে তাদের অসৎ উদ্যেশ্য প্রমানিত হলে রায় আমাদের পক্ষে আসলে হালিম ও দেলোয়ার ক্ষিপ্ত হয়ে শরণখোলা থানা ও বাগেরহাট আদালতে পৃথক ৩টি মিথ্যা মামলা রুজু করেন। উক্ত মামলায় আমাকে সহ ৯জন নিরীহ গ্রামবাসীকে ফাঁসিয়ে দেন।
দিন মজুর ফজলু তালুকদার বলেন, সাধারন মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দ্বায়ের করা ওই চক্রের নেশা-পেশা। মামলায় ফাঁসিয়ে পরবর্তীতে মিমাংসার নামে দুই পক্ষ থেকে অর্থ হাতানোর ধান্দায় দেলোয়ার ও হালিম সহ তার দলবল সময় ব্যস্ত থাকেন। আমরা ওই চক্রের হাত থেকে মুক্তি পেতে প্রসাশন সহ মাননীয় সংসদ সদস্যের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।
স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মহিবুল্লাহ খান বলেন, আমার ভাই মাসুম বিল্লাহ ও আবু তাহের দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে থাকেন। তাই ওই চক্র আমার কাছে কয়েক মাস পুর্বে ৫লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। সৌদি প্রবাসী মাসুম বিল্লাহ বলেন, পুর্ব খোন্তাকাটা এলাকায় একটি নুতন মসজিদ নির্মানের জন্য আমি বিদেশ থেকে দেলোয়ারের কাছে বিভিন্ন সময় পাঁচ লক্ষাধিক টাকা পাঠাই। পরবর্তীতে আমি উক্ত টাকার হিসাব জানতে চাইলে আমি দেশে ফিরলে দেলোয়ার আমাকে নারী নির্যাতন মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেয়।
আরেক সৌদি প্রবাসী আবু তাহের বলেন, কয়েক মাস পুর্বে আমি দেশে গেলে ওই চক্র আমাকে ব্যাংক থেকে আমাকে টাকা তুলতে দেখেন। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ওই দিন সময় সন্ধ্যায় ঝিমতলা এলাকা থেকে দেলোয়ারের নেতৃত্বে আমাকে বেঁধে ফেলে এবং মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে ওই সময় আমার সাথে থাকা নগদ ১৯হাজার টাকা নিয়ে যায় পরবর্তীতে আরো ত্রিশ হাজার টাকা দিয়ে ওদের হাত থেকে আমি জীবন বাঁচাই। ৬মাসের ছুটি নিয়ে দেশে গেলেও ওই চক্রের ভয়ে ২মাসের মধ্যে পুনরায় সৌদি চলে আসি। সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জাকির হোসেন খাঁন মহিউদ্দিন বলেন, ওই এলাকায় জমি জমা নিয়ে দুই পরিরারের মধ্যে বিরোধ আছে। কিন্তু দেলোয়ার সহ একটি অসাধু চক্র মিথ্যা মামলা করে সাধারন মানুষকে হয়রানি শুরু করেছেন বলে আমি অবগত আছি। তবে বিষয়টি মিমাংসার জন্য পুনঃরায় উদ্দ্যেগ নেওয়া হবে।
অপরদিকে, শরনখোলা থানায় দ্বায়ের করা মারপিট মামলার বাদী আঃ হালিম মাতুব্বর বলেন, আমাকে ও আমার ভাই জাকির মাতুব্বরকে গত ২২আগষ্ট যারা অন্যায় ভাবে জিমতলা এলাকায় ফেলে মারপিট করেছেন কেবল মাত্র তাদের বিরুদ্ধে মামলা দ্বায়ের করা হয়েছে। এখানে কাউকে অন্যায় ভাবে আসামী করা হয়নি। তবে, দেলোয়ার খাঁন এ বিষয়ে কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি ।
শরনখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি ) এস কে আব্দুল্লাহ আল সাইদ জানান, একাধিক মামলার বিষয়টি আমার জানা নাই। তবে, শরনখোলা থানায় রেকর্ড হওয়া মামলাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে নিরীহ কোন ব্যক্তিকে হয়রানি করার সুযোগ দেওয়া হবে না।
বাগেরহাটে খাদ্য অধিদপ্তরের কাছে ধান বিক্রি করতে পারেননি প্রান্তিক চাষিরা
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বোরো ধান সংগ্রহের সরকারি লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ অর্জিত হয়েছে বাগেরহাটে। অর্থাৎ বাগেরহাট খাদ্য বিভাগ লক্ষ্যমাত্রার ৯৩ ভাগের অধিক পূরণ করতে পারেনি। গোটা খুলনা বিভাগে পূরণ হয়নি প্রায় ৮০ শতাংশ। এ অবস্থায় সংগ্রহের সময় আরও ১৫ দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে। সরকারি লক্ষ্যমাত্রার অনেক কম ধান সংগ্রহ হলেও এবার ধানের বাম্পার উৎপাদন হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। কৃষকেরা অভিযোগ করেছেন, সিন্ডিকেট আর বিভিন্ন নিয়মকানুনের প্যাচে পড়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যে খাদ্য অধিদপ্তরের কাছে ধান বিক্রি করতে পারেননি প্রান্তিক চাষিরা। বাধ্য হয়ে কম মূল্যে স্থানীয় বাজারে ধান বিক্রি করতে হয়েছে। বাগেরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে বাগেরহাট থেকে সরকার নির্ধারিত ২৬ টাকা কেজি দরে ৬ হাজার ৪১৮ মেট্রিক টন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। ধান সংগ্রহের সময়সীমা ছিল ২৬ এপ্রিল থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে বাগেরহাটের ৯টি উপজেলায় ৪৩৯ দশমিক ৪ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করেছে খাদ্য বিভাগ। শতকরা হিসেবে অর্জনের পরিমাণ মাত্র ৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ। একই সময়ে সিদ্ধ চাল ও আতপ চালও সংগ্রহ করেছে খাদ্য বিভাগ। ধান সংগ্রহ না হলেও ২৭ আগস্ট পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ৪ হাজার ৭৯২ টন সিদ্ধ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ৩ হাজার ৪৪৪ টন সংগ্রহ করা হয়েছে। ৪৮৮ টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রায় অর্জিত হয়েছে ৪২৬ টন।
তবে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী বাগেরহাট জেলায় এবার ৫২ হাজার ৯৩০ হেক্টর জমিতে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৩৭০ টন বোরো ধান উৎপাদন হয়েছে এত ধান উৎপাদন হওয়ার পরেও মাত্র ৬ হাজার ৪১৮ টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে। বিভিন্ন গুদামের দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছাচারিতা, অসহযোগিতা ও খাদ্য বিভাগের নানা নিয়ম কানুনের কারণে সরকারের কাছে ধান বিক্রি করতে পারেননি এমন অভিযোগ রয়েছেন অনেক কৃষকের। খাদ্য বিভাগ স্থানীয় বাজারে দাম বেশি থাকার কথা বললেও কৃষক ও ধান ব্যবসায়ীদের দাবি স্থানীয় বাজারে ধানের দাম অনেক কম ছিল।
বাধাল বাজারের ধান ব্যবসায়ী ও কৃষক মোহাম্মাদ আলী বলেন, মে মাসের প্রথম থেকে জুন মাস পর্যন্ত ধানের দাম ছিল সাড়ে ৬শ থেকে ৭৮০ টাকা। পরে ৯শ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। কিন্তু সরকারি দাম তো ১ হাজার ৪০ টাকা মণ। সরকারি ধান ক্রয়ের পদ্ধতি সহজ করা হলে এবং সিন্ডিকেটের কারসাজি বন্ধ করা গেলে খাদ্য বিভাগের কাছে কৃষকরা ধান বিক্রি করতে আগ্রহী হবেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কচুয়া উপজেলার এক কৃষক বলেন, আমার কৃষি কার্ড রয়েছে। স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বললেন আপনারা ধান বিক্রি করতে চাইলে কৃষি কার্ড দিয়ে আবেদন করেন। আমি উপ-সহকারী স্যারের কাছ থেকে ফরম সংগ্রহ করে আবেদন করলাম। কিন্তু পরে খাদ্য গুদামে খোঁজ নিতে গেলাম। সেখানে জানতে চাইলে বলল আমার নাম লটারিতে বাধে নাই। পরে অনেক কষ্টের উৎপাদিত ধান বাজারে ৭৮০ টাকা মণ দরে বিক্রি করেছি। আমার বাড়ির আশপাশের কোনো কৃষকও ১ হাজার ৪০ টাকা মনে সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে পেরেছে বলে আমার জানা নেই।’ সদর ও চিতলমারী উপজেলার একাধিক কৃষক একই কথা বলেন।
মোরেলগঞ্জ উপজেলার সিরাজ ও শহিদুল বলেন, ধান বিক্রি করার জন্য কয়েকবার খাদ্য গুদামে গেছি। কিন্তু বিভিন্ন অজুহাতে ধান কেনেননি তারা। তাঁর মনে হয়েছে কারসাজির কারনে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেননি খাদ্য বিভাগ।
বাগেরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আব্দুল হাকিম বলেন, সরকারের চাওয়া হচ্ছে কৃষকের উৎপাদিত ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা। সেটা খোলা বাজারে পেলে কোনো সমস্যা নেই। কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনতেই হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে আমরা চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অনেক ক্ষেত্রে অর্জন করতে পেরেছি। ধান সংগ্রহের মেয়াদ আরও ১৫ দিন বৃদ্ধি পেয়েছে।
জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি’র কনিষ্ঠ পুত্রের সুস্থতা কামনায় খুলনা জেলা শ্রমিক লীগ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা জেলা শ্রমিলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বি এম জাফরের কনিষ্ঠ পুত্র, খুলনা সিটি কলেজের সাবেক ভিপি বি এম মাহিমের করোনায় পজেটিভ দেখা দেয়ায় বাড়িতে চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেছেনÑখুলনা জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোঃ পীর আলী, সহ-সভাপতি সৈয়দ তারিকুল ইসলাম, মোঃ নিজামুল হক বাবলু, মুন্সী সেলিম আহমেদ, মোঃ ফরিদ আহমেদ, এস এম আসাদুজ্জামান আসাদ, মোঃ আলম হাওলাদার, মোছাঃ তাছলিমা বেগম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহীন আহমেদ, মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোঃ মঞ্জুর মোর্শেদ রাহাত, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মোঃ মারুফ, মোঃ আলমগীর সরদার, মোঃ নজরুল ইসলাম সিকদার, মোঃ ফারুক হাওলাদার, দপ্তর সম্পাদক কামরুল গাজী, প্রচার সম্পাদক শেখ মঈনুল ইসলাম মোহন, অর্থ সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন, শ্রমিকনেতা এস এম তুহিন হোসেন শাফিন, শেখ মোঃ আবু হান্নান, মোঃ ফারুক হাসান, মোঃ সোহাগ হাওলাদার, মোঃ মনিরুল ইসলাম, মোছাঃ জাহানা বেগম প্রমুখ।
মাতৃহীন মৌরি কিডনি নিয়ে বাঁচতে চায়!
ইবি প্রতিনিধিঃ
প্রত্যেকটি মানুষ এই সুন্দর পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য জীবনের সর্বোচ্চ সংগ্রামে অংশ নিতে প্রস্তুত থাকে। হয়তো বা কেউ জিতে যায় আবার কেউ নিয়তির খেলায় হেরে যায়।তেমনি সেই সংগ্রামী মানুষের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে আমিনা রহমান মৌরি। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকার পর ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়,সেখান ডাক্তারগণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তার কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে এমন রিপোর্ট দেন। এখন প্রত্যেক সপ্তাহে দুইবার তার কিডনি ডায়ালাইসিস করতে হয়। যাতে দরকার হয় প্রচুর পরিমাণ অর্থের যা তার শুধুমাত্র পরিবারের পক্ষে বহন করা একেবারেই সম্ভব না। আমিনা রহমান মৌরির বাড়ি বাগেরহাট জেলার রামপাল থানার অন্তর্গত গিলাতলা এলাকায়।সে বর্তমানে বাগেরহাট সরকারি পি.সি কলেজের ইংরেজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। মৌরির রক্তের গ্রুপ ও+(পজেটিভ)।মৌরির পিতা মুজিবুর রহমান একজন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মকর্তা। তিনি ও হার্টের রোগী।এমতাবস্থায় ডাক্তারগণ পরামর্শ দিয়েছেন যত দ্রুত সম্ভব কিডনি প্রতিস্থাপন করার জন্য।কারণ তার দুইটি কিডনির একটিও ভালো নাই।
এই পরিস্থিতিতে মৌরির একমাত্র পিতা সবার কাছে মানবিক সাহায্যের জন্য আবেদন করেছেন।আমাদের সমাজে অনেক মানুষ রয়েছে কিন্তু একজন মা জাতি অর্থাৎ মেয়ে মানুষের জীবন বাঁচাতে কয়জন ভাই এগিয়ে আসবে!মৌরির পিতা সমাজের সর্ব স্তরের মানুষের কাছে এই মানবিক সাহায্য করার জন্য বিশেষভাবে আবেদন করেছেন।
মৌরির নিকট সাহায্য পাঠানোর ঠিকানাঃ ইসলামী ব্যাংক বাগেরহাট শাখা, হিসাব নং-২১৪৩৮ বিকাশ:০১৬১১ ৩২১৪৯০ এবং তার ব্যক্তিগত মোবাইল নাম্বার: ০১৭১৮ ৮৪৯৭৫০। মৌরির পিতা মুজিবুর রহমান কিডনি দাতাদের বিশেষভাবে জোর আবেদন করেছেন। সুতরাং আমরা মানুষ হিসেবে মানবিক দিক বিবেচনা করে আমরা সবাই মৌরির সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসি। মহান আল্লাহ তায়ালা হয়তোবা আমাদের মঙ্গল করবেন।
আশাশুনিতে পুলিশী অভিযানে সাত জন গ্রেফতার
আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনি থানা পুলিশ পৃথক অভিযানে সাত জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের শুক্রবার সকালে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ গোলাম কবিরের নেতৃত্বে এসআই জাহাঙ্গীর হোসেন অভিযান চালিয়ে নিয়মিত মামলা-১(৮)২০২০, ২(৮)২০২০ এবং ৩(৮)২০২০ এর আসামী কল্যানপুর গ্রামের সৈয়দ আলি সানার পুত্র মোঃ মনিরুজ্জামান (মনি) মধ্যম বড়দল গ্রামের মৃত আক্কাজ সরারের পুত্র কামরুল সরদার (৪২), রবিউল ইসলামের পুত্র সাইফুল মোল্যা (২০), মৃত কদু গাজীর পুত্র খানজি গাজী (৫২), খানজির পুত্র জাফর মোল্যাকে গ্রেফতার করেন। অপরদিকে এএসআই নাজিম উদ্দীন অভিযান চালিয়ে সিআর-১০০/১৬ (ওয়ারেন্ট) আসামী রাজাপুর গ্রামের মৃত নূর হোসেনের পুত্র সাহেব আলীকে, এএসআই মোকাদ্দেস হোসেন সিআর-১১৩/১৯ (ওয়ারেন্ট) আসামী কচুয়া গ্রামের মেসকের সানার পুত্র আকুল সানাকে গ্রেফতার করেন।
খরিয়াটি স্কুলে নিয়োগ বাণিজ্য রোধের আবেদন
আশাশুনি প্রতিনিধি
আশাশুনি উপজেলার দরগাহপুর ইউনিয়নের খরিয়াটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ব্যাপক বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে প্রতিকার প্রার্থনা করে জেলা পশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিভাবক মোঃ আওছাফুর রহমান ও এলাকাবাসীর পক্ষে মিজানুর রহমান ডিসি বরাবর লিখিত অভিযোগে বলেছেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদটি ১২/৮/১৯ তাং হতে শূণ্য থাকায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয় পরিচালনা করছেন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুল বারিক খান জেলা শিক্ষা অফিসারের সাথে যোগসাজস করে গোপনে গোপনে বিদ্যালয় কার্যকরী কমিটির সদস্যদের না জানিয়ে নিয়োগ বাণিজ্য করার পায়তারা শুরু করেছেন। তারা প্রথমে বড়দল কলেজিয়েট স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক তরুন কান্তি সানার নিকট থেকে ৪/৫ মাস ১৫ লক্ষ টাকা নিয়ে তাকে নিয়োগ দানের চুক্তিবদ্ধ হন। কিন্তু পরবর্তীতে দলুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক চিত্তরঞ্জন দাসের নিকট থেকে ১৭ লক্ষ টাকা গ্রহন করে বেশী টাকার লোভে তাকে নিয়োগ দানের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এমন অভিযোগ করে অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে, যোগ্য শিক্ষক নিয়োগে যথাযথ ভাবে পরীক্ষার মাধ্যমে মেধা ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ না করে অর্থের বিনিময়ে শিক্ষক নিয়ে স্কুলটিকে ধ্বংস করার পায়াতার করা হচ্ছে। এনিয়ে স্কুলের অভিভাবকমহলসহ এলাকাবাসী ফুসে উঠেছেন। তারা নিয়োগ বাণিজ্য প্রতিরোধে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ জন প্রতিনিধিদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। জেলা প্রশাসক মহোদয় অভিযোগ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশাশুনিকে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন বলে আবেদনকারীরা জানান। এব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, অভিযোগেকথা শুনেছি। যতদুর জানি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষ্ঠু ও যথাযথ পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবস্থা নিতে পারেন। তবে পরীক্ষা নিরপেক্ষ ও বিধিমোতাবেক অনুষ্ঠানে আমরা বদ্ধপরিকর। দরগাহপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মিরাজ আলি বলেন, নিয়োগ বাণিজ্যর বিষয়টি এখন এলাকায় ওপেন হয়ে গেছে। নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, দুদক, শিক্ষা মন্ত্রী, শিক্ষা সচিবকে অনুলিপি প্রদান ও জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তারপরও যদি নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ না হয় এবং নিয়ম অমান্য করে তঞ্চকীপূর্ণ নিয়োগের চেষ্টা রোধ না হয় সেটি হতবাক জনক। তিনি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।











































