Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবর

83

মোংলা উপজেলার জয়মনি এলাকার বন্যাদূর্গতদের মাঝে নৌবাহিনীর ত্রাণ সহায়তা প্রদান

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাগেরহাট, ০২ সেপ্টে¤¦র ২০২০ ঃ দেশব্যাপী বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় কমান্ডার ফোটিলা ওয়েস্ট এর ব্যবস্থাপনায় বাগেরহাট জেলাধীন মোংলা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন জয়মনি এলাকার বন্যা দূর্গতদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। বন্যার কারণে চরম খাদ্য ও পানীয় সংকটে পড়া স্থানীয় হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে শুকনো খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। খাদ্য সহায়তা হিসেবে প্রতিটি পরিবারকে চাল, ডাল ও চিনি প্রদান করা হয়। ত্রাণ বিতরণকালে কমান্ডার ফোটিলা ওয়েস্ট এর প্রতিনিধি কমান্ডার কাজী সাব্বির হোসেন, (ট্যাজ), এএফডযি‘ঊ¢ঢ় পিএসসি, বিএন এবং স্থানীয় চেয়ারম্যান গাজী আকবর হোসেন সহ এলাকার জনপ্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। উলেখ্য, দেশের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার মানুষের সহায়তায় নিয়মিত এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং পরিস্থিতির উন্নতি হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে নৌপ্রতিনিধিগণ মত প্রকাশ করেন।

বাগদা চিংড়ির মূল্য হ্রাস, কপিলমুনিতে চাষীরা দিশেহারা

এইচ এম এ হাশেম, কপিলমুনি (খুলনা)

বৈদেশিক মূদ্র অর্জনের অন্যতম রপ্তানী দ্রব্য সাদা সোনা খ্যাত বাগদা চিংড়ির অস্বাভাবিক মূল্য হ্রাসে সংশ্লিষ্ট চাষীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। খুলনা জেলার রপ্তানীকৃত চিংড়ির সিংহভাগই উৎপাদিত হয় পাইকগাছা অঞ্চলে। প্রতি বছর এ খাত থেকে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব লাভ করে সরকার। কিন্তু চলতি বছরসহ বিগত ৩ বছর ধরে দফায় দফায় চিংড়ির দাম পতনে চাষীদের নাভিশ্বাস উঠে গেছে।

বাগদা চিংড়ি চাষীদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে মৌসুমের শুরুতে ২০ গ্রেডের চিংড়ির দাম ছিল প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা, বর্তমান দাম ৬০০ টাকা। ৩০ গ্রেডের দাম ছিল প্রতি কেজি ৬০০ টাকা, বর্তমান দাম ৫০০টাকা।  ৪৪ গ্রেডের দাম ছিল প্রতি কেজি ৫০০ টাকা, বর্তমান দাম ৪০০ টাকা। ৬৬ গ্রেডের দাম ছিল ৪০০ টাকা, বর্তমান দাম ২৮০ টাকা।

গত ৩ বছর আগে ২০ গ্রেড বাগদার দাম ছিল ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা, ৩০ গ্রেডের দাম ছিল ৭৫০ টাকা, ৪৪ গ্রেডের দাম ছিল ৬৫০ টাকা, ৬৬ গ্রেডের দাম ছিল ৪৫০ থেকে ৪৮০ টাকা।

উপজেলার প্রান্তিক চিংড়ি চাষীদের সাথে আলাপকালে আরো জানাযায়, চিংড়ির এমন মূল্য হ্রাসের সাথে এ অঞ্চলের ডিপো মালিকদের মধ্যে সমঝোতায় অধিক লাভবান হওয়ার পরিকল্পনায় প্রতি বছর মে মাসের শুরুতে এভাবে তাদের উৎপাদিত চিংড়ির দাম হ্রাস করে থাকে। অন্যদিকে চিংড়ি চাষীরা অধিক মূল্যে জমির হারি প্রদান, চড়া মূল্যে রেনু বাগদা ক্রয় ও অন্যান্য খরচ করে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। চিংড়ির এমন দাম কমায় এ অঞ্চলের বহু ঘের মালিক ব্যাংক ঋণ ও মহাজনী দেনা পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে দেওলিয়া হয়ে গেছেন।

সংবাদ প্রকাশের পর ইউএনও, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা দখলকৃত জায়গা পরিদর্শন, উচ্ছেদের নিদের্শ

রূপসা প্রতিনিধি 

রূপসায় সরকারী জমি অবৈধ ভাবে দখল বানিজ্য শুরু হওয়ার সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে। সামাজিক যোগাযোগ ও পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর রূপসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বুধবার দুপুরে সরোজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। জানাযায়, রূপসা উপজেলার শ্রীফলতলা ইউনিয়নের পালের বাজার এলাকায় আঠারোবেকীঁর নদীর তীরে পানি উন্নয়ন বোর্ড মুজিববর্ষকে সামনে রেখে বনায়ন কর্মসূচীর জন্য বালু উত্তোলন করে চারদিকে ভেড়িবাধঁ দিয়ে রেখেছিল। সেই জমিতে স্থানীয় কতিপয় অবৈধ দখলবাজরা দখল করে রাতারাতি তারা বসত ঘর ও ব্যবসা কেন্দ্র খুলে বসে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন আকতার,  পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শেখ হুমায়ুন কবির, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আঃ সোবহান হাওলাদারসহ কয়েকজন কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন। এসময় স্থানীয়দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যার আইয়ুব মল্লিক বাবু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শ্রীফলতলা ইউনিয়নের এমপির প্রতিনিধি এস এম হাবিব, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এসহাক সরদার, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক শ, ম জাহাঙ্গির হোসেন, সমাজ সেবক মোল্লা দেলোয়ার হোসেন দিলু, ইউপি সদস্য সাইদুর রহমান, আওয়ামীলীগ নেতা হিরন আহমেদ হিরু, শারাফাত হোসেন উজ্জল, সার্ভেয়ার মাহাতাব হোসেন, এএসআই কামরুল ইসলাম, ইমলাক মল্লিকসহ অনেকেই।

কর্মকর্তারা পরিদর্শন শেষে স্থানীয়দের জানান, যারা সরকারী জমি অবৈধ ভাবে দখল করে রেখেছেন তাদের উচ্ছেদ করা হবে। আগামী ২ মাসের মধ্যে সকল  অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার নিদের্শ প্রদান করেন। এছাড়া উক্ত জমিতে মুজিব বর্ষকে সামনে রেখে গাছ রোপন করা হবে। তারা আরও বলেন, যে সকল ইট ভাটা মালিক নদী দখল করেছেন তাদের বিরুদ্বে অচিরেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবৈধ দখলবাজদের হাত থেকে সরকারী জমি উচ্ছেদের নিদের্শ প্রদান করায় স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

বাগেরহাটে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় ভ্যান চালক নিহত

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের খুলনা-মোংলা মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় নিমাই মন্ডল (৪৫) নামের এক ভ্যান চালক নিহত হয়েছেন। বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দিগরাজ থেকে ফয়লাহাটগামী একটি ভ্যান খুলনা-মোংলা মহাসড়কের রামপাল উপজেলার ভেকটমারী স্থানে পৌছালে একই দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস ধাক্কা দিলে এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত নিমাই মন্ডল খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার বাজুয়া গ্রামের নিত্যানন্দের ছেলে। তিনি রামপাল উপজেলার টেংড়ামারী গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে বসবাস করতেন।

কাটাখালী হাইওয়ে থানার এসআই মোঃ ফিরোজ হোসেন বলেন, খুলনা-মোংলা মহাসড়কের ভেকটমারী স্থানে পেছন থেকে খুলনাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস পিছন থেকে ধাক্কা দিলে ভ্যান চালক নিমাই গুরুত্বর আহত হন। পরে ফায়ার সার্ভিস আহত নিমাইকে উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

উপকুলের অসহায় দুঃস্থদের স্বাস্থ্য সেবায় ‘জীবন খেয়া’

বাগেরহাট  প্রতিনিধি

মোংলা সুন্দরবনের পেশাজীবি ও উপকুলের অসহায় দুঃস্থ্য মানুষের চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সেবা দিতে নতুন যাত্রা শুরু করছে একটি ভাসমান হাসপাতাল। বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এ ভাসমান হাসপাতাল ‘জীবন খেয়া’। মঙ্গলবার মোংলা বন্দরের পশুর নদীতে নোঙ্গর করে বানিয়াশান্তা ইউনিয়নের পতিতাপল্লীসহ এ অঞ্চলের গরীব জনগোষ্ঠিকে ফ্রি চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরন শুরু করেছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের এ ভাসমান হাসপাতাল ‘জীবন খেয়া’।

এ হাসপাতালটি ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক মাস ব্যাপি এ অঞ্চলের মানুষের জন্য কাজ করবে তারা। দেশের দক্ষিনাঞ্চলের উপকূলীয় ৯ জেলার ২০টি উপজেলায় বিন্যামূল্যে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম চালিয়ে যাবে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের ভাসমান এ হাসপাতালটির কর্তৃপক্ষ। আকাঁবাঁকা দূর্গম পথ পাড়ি দিয়ে দেশের দক্ষিনে উপকুলীয় এলাকার অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ পৌঁছে দিতে রাতদিন পরিশ্রম করে যাচ্ছে ভাসমান হাসপাতালের কর্মীরা। শীর্ষস্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের ভাসমান হাসপাতাল ‘জীবন খেয়া’ এই প্রথম মোংলায় পৌঁছে গরিব ও অসহায় মানুষদের স্বাস্থ্যসেবার কাজ শুরু করে। ভাসমান এ হাসপাতালটি মোংলা বন্দরের পশুর নদীতে এসে পৌঁছলে কোস্টগার্ড সদস্যরা তাদের স্বাগত জানান। এছাড়া উপকুলীয় অঞ্চলে কাজ করার লক্ষে এ কাজে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্যরা। ভাসমান হাসপাতালে চক্ষু ও ডেন্টিসসহ বিভিন্ন ইউনিটে ৮জন মেডিকেল অফিসার, সেবিকাসহ অর্ধশতাধিক স্বেচ্ছাসেবক কর্মী রয়েছে।

বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এ ভাসমান হাসপাতাল দেশের উপকূলীয় এলাকার জেলে পরিবার, মৎস্যজীবি ও অসহায় দরিদ্রদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধপত্র বিতরণ করবে। “জীবন খেয়া” নামের এ হাসপাতালটি আগামীকাল (২ সেপ্টেম্বর) মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের জয়মনি ঘোল গ্রামে জেলে পরিবার ও দরিদ্রদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিবে। এছাড়া মোংলা অঞ্চলে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম শেষে পার্শবর্তী উপজেলা মোড়েলগঞ্জে রওনা হবে ভাসমান হাসপাতাল “জীবন খেয়া”।

জীবন খেয়া ভাসমান হাসাপাতালের মেডিকেল অফিসার, ডাঃ পিযুষ রায় বলেন, উপকুল অঞ্চলে যে ছিন্নমুল মানুষগুলো রয়েছে, তারা ঠিকমত শরীরের দেখভাল ও টাকার অভাবে চিকিৎসা নিতে পারছেনা না। এলাকার অসহায় এমন অ-সঙ্গতি মানুষের জীবন মানের দিকে লক্ষ করে তাদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিৎ করার লক্ষে আমাদের প্রচেষ্টা। উপকুলীয় চরাঞ্চলের এসকল গরীব ও অসহায় দুঃস্থ্য মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা দিতে দেশের বিভিন্ন মহৎ মানুষদের সকল প্রকার আর্থিক সহায়তায় এ চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। বন্যাকবলীত এলাকার অসহায় মানুষদের চিকিৎসাসেবা দেয়ার জন্য এখানে সার্বিক সহযোগীতা করছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোষ্টগার্ড।

ডাঃ হুমায়ুন কবির বলেন,ভাসমান এ হাসপাতালে আমরা সকল রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিবো কিন্ত সর্বপোরী অগ্রাধিকার থাকবে শিশু ও বৃদ্ধদের। কারন সমাজে শিশু ও বৃদ্ধ মানুষগুলো অবহেলীত থাকে বেশী। এছাড়াও গর্ভবতী মায়েদের দিকে আমাদের বেশী লক্ষ রাখতে হচ্ছে, সংসারে মায়েরাই সব সময় ভাল চিকিৎসা নিতে পারেনা তাই শিশু, বৃদ্ধ ও মায়েদের চিকিৎসাসেবা দেয়াই আমাদের প্রথম লক্ষ্য। ভাসমান হাসপাতালে ২০টি ষ্পট চিহ্নিত করা হয়েছে, আজ থেকে শুরু করে আগামী দুই মাস আমাদের এ হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা অব্যাহত থাকবে বলেও জানায় হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

উর্দ্ধতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা: মোড়েলগঞ্জে বৃদ্ধার বসতবাড়ি’র জমি দখলের অভিযোগ

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে দুই নারীকে মারধর করে বসতবাড়ি দখরে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার বেলা ৩টায় হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের কালিকাবাড়ি গ্রামের মৃত আজিজ খানের স্ত্রী মাজু বিবি(৭০) প্রেস কাবে লিখিত অভিযোগে জানান, মঙ্গলবার বেলা ৮টার দিকে পার্শ্ববর্তী সানকিভাঙ্গা গ্রামের সবুর গাজী ১০/১২জন লোক নিয়ে মাজু বিবি ও তার চাচাতো ভাই সুলতান খানের বসতবাড়ির মধ্য হতে প্রায় .৬ শতক জমি দখল করে তার কাটা দিয়ে ঘেরা বেড়া করে নেয়। এ সময় হামলাকারিরা মাজু বিবি(৭০), রুবি বেগম(৩০)কে মারপিট ও লাঞ্চিত করে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। বৃদ্ধা মাজু বিবি বলেন, পৈত্তিক সম্পত্তি প্রভাব খাটিয়ে দখল করে নিয়েছে প্রতিপক্ষ। তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার কেউ নেই। তিনি ন্যায় বিচার চেয়ে উর্দ্ধতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। এ বিষয়ে সবুর গাজী বলেন, ‘আমার কবলকৃত জমিতে আমি গড়া বেড়া দিয়েছি। অবৈধভাবে জমি দখলের অভিযোগ সঠিক নয়। এ বিষয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।  

ফকিরহাটে ছাত্রলীগ নেতার পানিতে ডুবে করুন মূত্যু

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাটের শুভদিয়া ইউনিয়নে উজ্জল কুমার তরফদার (২৬) নামের এক ছাত্রলীগ নেতা পানিতে ডুবে মুত্যু বরন করেছেন। মঙ্গলবার রাতে তেকাটিয়া গ্রামে এঘটনা ঘটে। সে উক্ত গ্রামের মূতঃ সুনীল তরফদারের পুত্র। স্থানীয় জানান, তেকাটিয়া গ্রামের ৪নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি উজ্জল কুমার তরফদার নিজ বাড়ির পাশের্^ একটি গভীর ডোবাই পড়ে মারা যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে মূতঃ অবস্থায় উর্দ্ধার করেন। খবর পেয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ ফারুকুল ইসলাম ওমর ও উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক জয়ন্ত কুমার দাশ সহ বিভিন্ন ব্যাক্তিরা তার বাড়িতে ছুটে যান, এবং শোকাহত পরিবারকে সান্থনা প্রদান করেন। বুধবার দুপুরে তেকাটিয়া মহাশ্নশানে তার সৎ কার্যাদী সম্পান্ন হয়েছে।

রামপালে আন্তজেলা অটো-মাহেন্দ্র পরিচালনা পরিষদের কমিটি গঠন

রামপাল,(বাগেরহাট) প্রতিনিধি

রামপালে আন্তজেলা অটো-মাহেন্দ্র পরিচালনা পরিষদের দ্বি-বার্ষিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। বাগেরহাট জেলার রামপাল, মোংলা, ফকিরহাট উপজেলার মোংলা ঘাট, দিগরাজ, রামপাল, ভাগা, ফয়লা, ও কাটাখালী এলাকার অটো- মাহেন্দ্র মালিক, শ্রমিকদের উপস্থিতিতে মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় ভাগা বাজার চত্বরে রামপাল উপজেলা অটো-মাহেন্দ্র সমবায় সমিতির সভাপতি মোঃ রবিউল ইসলাম এর সভাপতিত্বে ও মোঃ শরিফুল ইসলামের পরিচালনায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা শেষে  মালিক শ্রমিকদের সর্ব-সম্মতিতে মোঃ রবিউল ইসলাম কে সভাপতি ও মোঃ শরিফুল ইসলাম কে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করে ২১ সদস্য বিশিষ্ঠ পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করা হয়। কমিটির অন্যরা হলো সহ সভাপতি, মোঃ সহিদুল ইসলাম (মোংলা), বিকাশ চন্দ্র হালদার (ভাগা), যুগ্ন সম্পাদক মোঃ এরশাদ শেখ (ভাগা), মোঃ ওবায়দুল গাজী (দিগরাজ), মোহাম্মাদ আলী (মোংলা), লাইন সম্পাদক মোঃ সুমন হোসেন (দিগরাজ), মোঃ মনিরুজ্জামান (ফয়লা), মোঃ আল আমিন শেখ (ভাগা), মোঃ আলকাছ হোসেন নিকারী (কাটাখালী, মোঃ নাজমুল হোসেন (সোনাতুনিয়া), সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আল মামুন শিকদার (মোংলা), মোঃ মনির শেখ (কাটাখালী), মোঃ কামরুল ইসলাম (রামপাল), কোষাদক্ষ মোঃ ফিরোজ শেখ (কাটাখালী), সদস্য মোঃ সালাম শেখ (কাটাখালী), মোঃ ইব্রহিম শেখ (সানাতুনিয়া), জোবায়ের শেখ (ফয়লা), ফরহাদ হোসেন (রামপাল), মোঃ জাহিদ শেখ (ভাগা)।

কেশবপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় এক ঔষধ বিক্রয় প্রতিনিধি নিহত

কেশবপুর প্রতিনিধি,

যশোরের কেশবপুরে বুধবার দুপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ভেটেরিনারি ওষুধ বিক্রয় প্রতিনিধি মিজানুর রহমান নিহত হয়েছেন। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। থানা পুলিশ জানায়, কেশবপুর-কলাগাছি সড়কের সাতাইশকাটি নামক এলাকায় বিপরীতমুখী ইজিবাইক ও মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে মোটর সাইকেল চালক মিজানুর রহমান মারা যান। তিনি পাশ্ববর্তী পাটকেলঘাটা থানার কলাপোতা গ্রামের মৃত মোসলেম উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে। তিনি ভেটেরিনারি ওষুধ বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন। এ সময় ইজিবাইকের যাত্রী পাশ্ববর্তী ডুমুরিয়া উপজেলার ধামালিয়া গ্রামের বিজয় পাল (৪০) নামে এক ব্যক্তি আহত হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসী জানায়, দুর্ঘটনা কবলিত স্থানে একটি ট্রাক থেকে মালামাল নামানোর সময় পাঁজিয়ামুখী মোটর সাইকেলের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। কেশবপুর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক ফজলে রাব্বি জানান, লাশ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ব্যাটারি চালিত ইজিবাইকটি জব্দ করা হয়েছে। ইজিবাইক চালক পলাতক রয়েছে।

বেনাপোল বন্দরে বোমা বিস্ফোরণ : বন্দর জুড়ে আতংক

বেনাপোল প্রতিনিধি

বেনাপোল স্থল বন্দরের ২৩ নাম্বার শেডের মধ্যে একটি শক্তিশালী হাত বোমা বি¯েফারিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে বোমাটি মোটর পার্টস এর একটি চালানের মধ্যে বিস্ফোরিত হয়।  তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। তবে বন্দরে কর্মরত কাস্টমস,বন্দর,সিএন্ডএফ এজেন্টস ও লেবাররা আতংকিত হয়ে ছোটাছুটি করতে থাকে। বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক আব্দুল জলিল জানান,বেনাপোল স্থলবন্দরের ২৩ নং সেডের মধ্যে রাখা মোটর পার্টসের কাঠের কার্টুনের ফাঁকে হঠাৎ করে সুতলি দিয়ে পেচানো একটি হাত বোমা বিস্ফোরিত হয়। পরে থানা পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে আলামত সংগ্রহ করে নিয়ে যান। বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মামুন খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কচুয়া উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির গঠন সভা

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলায় বুধবার সকাল ১১.০০-২.০০ ঘটিকা পর্যন্ত  উপজেলার শেখ তন্ময় মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজিৎ দেবনাথ এর সভাপতিত্বে পুষ্টি সমন্বয় কমিটির গঠন সভা ও বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২০ ইং বিষয়ক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন ও কনসার্ন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড এর কারিগরী সহযোগীতায় এবং উন্নয়ন সংস্থা জাগ্রত যুব সংঘ(জেজেএস) এর উদ্দ্যোগে পুষ্টির উন্নয়নে অংশগ্রহনমূলক সমন্বিত প্রকল্প (ক্রেইন) এর আওতায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মনজুরুল আলম সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি তার বক্তব্যে কমিটির দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে আলোকপাত করেন। উপজেলা কৃষি অফিসার মোসাঃ লাভলী খাতুন তার বক্তব্যে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২০ উপলক্ষ্যে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরেন। সভায় সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব সুজিৎ দেবনাথ করোনা প্রতিরোধের জন্য পুষ্টির ভুমিকা সম্পর্কে আলোকপাত করেন। উক্ত কমিটির মিটিং দ্বিমাসিক অনুষ্ঠিত হবে সেক্ষেত্রে উপজেলা মাসিক সমন্বয় সভার সাথে উপজেলা পুষ্ঠি সমন্বয় কমিটির সভা ও অনুষ্ঠিত হবে। তিনি সকলকে করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানান এবং ক্রেইন প্রকল্প এর জেজেএসকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে সভার সমাপ্তি ঘোষনা করেন। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন: উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ, উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের সরকারী কর্মকর্তাবৃন্দ,ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ,সাংবাদিকবৃন্দ,সুশীল সমাজের প্রতিনিধি,ক্রেইন প্রকল্পের জেজেএস এর লাইভলীহুড এন্ড প্রাইভেট সেক্টর স্পেশিয়ালিষ্ট মোঃ আশরাফুল ইসলাম,উপজেলা সমন্বয়কারী মোসাঃ মাহ্ফুজা আক্তার মনি,ইউনিয়ন ফ্যাসিলিটেটর-আল আমিন,মোঃ মাসুদ খান,মোঃ শরিফুর রহমান,ঠাকুরপদ ঢালী,তানিম গাজী,নুসরাত,তাসলিমা,রানা। রূপান্তর এর উপজেলা প্রতিনিধি নাসরিন আক্তার মৌ। সভা সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন ইউএফ ঠাকুরপদ ঢালী।

অভিভাবকহীন অবস্থায় চলছে বেনাপোল বন্দর: ১০ মাস ধরে পরিচালকের পদ শুণ্য

বেনাপোল প্রতিনিধি

দেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল অভিভাবকহীন অবস্থায় চলছে। দীর্ঘ ১০ মাস বন্দরের পরিচালকের পদটি রয়েছে শুণ্য।ভারপ্রপ্তের উপর ভর করে চলছে বন্দরের কার্যক্রম।এতে সিদ্ধান্ত গ্রহনে বিলম্ব হচ্ছে এমনটি দাবি বন্দর ব্যবহারকারিদের। উপসচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা কে বেনাপোল স্থলবন্দরে পরিচালক হিসেবে নিয়োাগ দেওয়া হয়। অথচ ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময়ে উপসচিব প্রদোষ কান্তি দাস বদলী হয়ে অন্যত্র চলে যান।এরপর থেকে কোনো পরিচালক নিয়োগ দেয়নি স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।  গত দশ মাস ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের দ্বায়িত্ব পালন করছেন বর্তমান বন্দরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) আব্দুল জলিল।

বন্দর ব্যবহারকারিরা বলছেন,বন্দরের তাৎক্ষণিক কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক।যেকোনো ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে ঢাকার প্রধান কার্যালয়ের দিকে চেয়ে থাকতে হয়।সেখান থেকে দিক-নির্দেশনার আসার পর কাজ হয় বন্দরে।আর বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছেন আপাতত এখানে কোনো সমস্যা নেই। কোনো সমস্যা দেখা দিলে আমরাই সেটার দ্রুত সমাধান করে দিচ্ছি।

বন্দর সুত্রে জানাগেছে ,স্বাধীনতা পরবর্তীকালে ১৯৭৮ সালে অবলুপ্ত ওয়্যার হাউজিং করপোরেশন (বিডাবিউসি) বেনাপোল বন্দরের দায়িত্ব নেন। ১৯৭৯ সালের ৬ জুলাই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বেনাপোল বন্দরকে শুল্ক আইন-১৯৬৯ তে শুল্ক স্টেশন ঘোষণা করেন। প্রজ্ঞাপন নম্বর ৪৯৩/ডি/কাস/৭৯। ১৯৭৯ সালের ১ অক্টোবর বাংলাদেশ পাট মন্ত্রণালয় দায়িত্ব নেন বন্দরের। পরে ১৯৮৪ সালের নভেম্বর মাসে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ পরিচালনা করে।২০০২ সালের ১ফেব্রুয়ারি থেকে বেনাপোল বন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে। এই বন্দরকে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের আওতায় আনার পর ১৯ বছরে ১৩ জন পরিচালক দায়িত্ব পালন করেছেন। আর চারবার ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করেছেন দুজন উপপরিচালক।

বেনাপোল সিএ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন,পরিচালক পদে যে সব কর্মকর্তারা আসেন তারা এখানে থাকতে চান না।পরিচালক না থাকায় যারা দায়িত্ব পালন করেন তাদের হাতে দাপ্তরিক ক্ষমতাও কম। বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের নির্দেশ ছাড়া তারা কিছুই করতে পারেন না। তিনি বলেন, প্রতি বছর এই বন্দরে থেকে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব দিয়ে থাকে ব্যবসায়িরা।এখানে দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোর অবস্থা বেহাল।এতে পণ্য খালাসে বিলম্ব ও অর্থনৈতিক ক্ষতিতে ব্যবসায়িরা ফলে তারা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন চলে যাচ্ছেন অন্য বন্দরে।দেশের সিংহভাগ গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিজসহ বিভিন্ন শিল্পকলকারখানার কাঁচামাল আমদানি হয় এ বন্দর দিয়ে। রাজস্ব আয়ের দিক থেকে চট্রগ্রাম বন্দরের পরেই বেনাপোল বন্দরের অবস্থান। প্রতিবছর এ বন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার পণ্য আমদানি হয়ে থাকে,যা থেকে সরকারের প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আহরণ হয়।এবন্দর দিয়ে প্রতিবছর প্রায় ১০হাজার কোটি টাকা মূল্যের বাংলাদেশে উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্য ভারতে রপ্তানি হয়।

বেনাপোল স্থলবন্দর উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবির তরফদার জানান, একজন উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা এখানে নিয়োগ দিলে তারা এখানে এসে কয়েকদিন পর বদলি হয়ে চলে যান। আবার অনেকে এখানে আসতেও চান না। যে কারনে ভারপ্রাপ্ত দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে।বর্তমান বন্দরের উপপরিচালক (প্রশাসন) আব্দুল জলিল ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের কাজ করছেন। আপাতত এখানে কোনো সমস্যা নেই।কোনো সমস্যা দেখা দিলে আমরাই সেটার দ্রুত সমাধান করে দিচ্ছি।

করোনা সংক্রমণরোধে সরকার মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে:সিটি মেয়র

তথ্য বিবরণী

খুলনা জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে বুধবার দুপুরে নিজস্ব কার্যালয় চত্ত্বরে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এবং বৈশি^ক মহামারী করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ নগরীর ২০ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ডের একশত নি¤œআয়ের শ্রমজীবী, অসহায় ও হতদরিদ্রদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল সাত কেজি করে চাল, তিন কেজি আলু, এক কেজি ডাল, এক লিটার তেল, এক কেজি লবণ, ১০টি ডিম এবং একটি মাস্ক। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এসব খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে সিটি মেয়র বলেন, করোনা সংক্রমণরোধে মাস্ক ব্যবহার সরকার বাধ্যতামূলক করেছে। এখন পর্যন্ত করোনার কোন ঔষধ তৈরি হয়নি। দেশের জনগণ তেমন সচেতন নয়। রাস্তা, দোকান, বাজার, শপিংমলসহ বিভিন্ন স্থানে এখন মাস্ক ছাড়াই মানুষকে চলতে দেখা যায়। করোনাভাইরাস এখনও শেষ হয়ে যায়নি। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব এবং সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের করোনা থেকে বাঁচাতে হবে। করোনা মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সচেষ্ট রয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট দেশের স্বাধীনতাবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে ঘাতকচক্রের হাতে ধানমন্ডির নিজ বাসবভনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও তাঁর আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি। জাতির পিতার জন্য আমরা একটি সুন্দর দেশ পেয়েছি। তাঁর জন্ম না হলে বাংলাদেশ সৃষ্টি হতো না।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার এসএম আউয়াল হকের সভাপতিত্বে এসময় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব দীলিপ কুমার ঘোষ, মহানগর যুবলীগের মোঃ সফিকুর রহমান পলাশ, শ্যামল সিংহ রায়, ২০ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মুজিবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। জেলার নয়টি উপজেলার এবং খুলনার প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একদিনের বেতনের অর্থ দিয়ে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করে অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ অরুণ কান্তি মন্ডল।

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি’র কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পার্টির খুলনা জেলা ও মহানগর কমিটির মানববন্ধন-সমাবেশ

খবর বিজ্ঞপ্তি

বন্ধ ঘোষিত রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকলসমূহ রাষ্ট্রীয় খাতে রেখেই আধুনিকায়ন করে পুনরায় চালু, স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা রোধ, বন্যা উপদ্রুত উপকূলীয় অঞ্চলে স্থায়ী ভেড়ী বাঁধ নির্মাণ এবং ওয়ার্কার্স পার্টির ২১ দফা ও আশু ১৩ দফা বাস্তবায়নের দাবীতে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল বেলা ১১টায় নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে পার্টির খুলনা জেলা ও মহানগর কমিটির যৌথ উদ্যোগে মানববন্ধন-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশের শুরুতে ভারতে সাবেক মহামান্য রাষ্ট্রপতি, এ উপমহাদেশের বরেণ্য রাজনীতিক, বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু প্রয়াত প্রণব মুখার্জীর স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালনের মধ্য দিয়ে গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। মানববন্ধন-সমাবেশ কর্মসূচিতে ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি কমরেড এড. মিনা মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে ও মহানগর সভাপতি কমরেড শেখ মফিদুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তৃতা করেনÑপার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড দীপংকর সাহা দিপু, পার্টির জেলা সাধারণ সম্পাদক কমরেড আনসার আলী মোল্লা, সম্পাদকম-লীর সদস্য কমরেড দেলোয়ার উদ্দিন দিলু, মহানগর সাধারণ সম্পাদক কমরেড এস এম ফারুখ-উল ইসলাম, সম্পাদকম-লীর সদস্য কমরেড খলিলুর রহমান, কমরেড আব্দুর সাত্তার মোল্লা, কমরেড নারায়ণ সাহা, কমরেড আমিরুল ইসলাম, জেলা নেতা কমরেড আঃ হামিদ মোড়ল, ফুলজেলা উপজেলা সভাপতি কমরেড সন্দীপন রায়, সাধারণ সম্পাদক কমরেড আরিফুর রহমান বাবলু, মহানগর নেতা কমরেড অজয় দে, কমরেড বাবুল আক্তার, কমরেড হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ যুব মৈত্রী জেলা সভাপতি প্রভাষক রেওয়ান রাজা, যুবনেতা কৃষ্ণকান্তি ঘোষ, ছাত্র মৈত্রীর জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল রাকিব উজ্জ্বল প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, কোভিট-১৯ বরাদ্দকৃত ১০ হাজার কোটি টাকা সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যখাতেই রাখতে। চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মী-স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী, আইন-শৃঙ্খলায় নিয়োজিত সদস্যদের ও লকডাউন এলাকায় আলাদা বরাদ্দ প্রদান করতে হবে। সার্বজনীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে, স্বাস্থ্যকে সংবিধানে মৌলিক অধিকার অন্তর্ভুক্ত নিশ্চিত করতে হবে। করোনাকালে সকলের জন্য টেস্ট ফ্রি করতে হবে। শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করে বেসরকারি শিক্ষকদের প্রণোদনা, শিক্ষার্থীদের অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের ফ্রি ল্যাবটপ, মোবাইল ও ইন্টারনেট সারচার্জ ফ্রি করতে হবে। কৃষিকে বাঁচাতে কৃষকের উদ্বৃত্ত পণ্য সরকারকেই কিনে নিতে হবে, কৃষি যন্ত্রপাতি সমবায় ভিত্তিতে প্রদান করতে হবে। করোনাকালীন সামাজিক নিরাপত্তাবলয় বৃদ্ধি করে গরীব-মধ্যবিত্তদের রেশনের আওতায় আনতে হবে। বক্তারা বন্ধ ঘোষিত রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকলসমূহ রাষ্ট্রীয় খাতে রেখেই আধুনিকায়ন করে পুনরায় চালু করার দাবী জানান। 

আজ অনশন কর্মসূচি পালন করবে মহসেন জুট মিল শ্রমিকরা

ফুলবাড়ীগেট (খুলনা) প্রতিনিধি

খুলনার শিরোমণি শিল্পাঞ্চলের ব্যক্তিমালিকানাধীন মহসেন জুট মিলের ছাটাইকৃত  শ্রমিকদের গ্রাইচুটি, পিএফ সহ যাবতীয় পাওনাদী পরিশোধের দাবিতে ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টায় মহসেন জুট মিলের নির্বাহী পরিচালক তাওহীদ উল ইসলাম এর খুলনার শেরেবাংলা রোডস্থ বাসভবনের সামনে  অনশন কর্মসূচি পালন করবে। মিলের নির্বাহী পরিচালকের খুলনার বাসবভনের সামনে অনশন কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা ২ সেপ্টেম্বর বিকালে মিল কলোনীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা কাগজী ইব্রাহীমের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন ইঞ্জিল কাজী, খান গোলাম রসুল, আমির মুন্সি, সাংবাদিক সাইফুল্লাহ তারেক, মিহির রঞ্জন বিশ্বাস আবু জাফর, মঙ্গল শেখ , সোহরাব শেখ, সালাম খান, ইলিয়াজ হোসেন, মুনসুর শেখ, আইন উদ্দিন প্রমুখ। সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন এ অনশন কর্মসুচি ডিসি অফিসের সামনে করার কথা ছিল সেটা পরিবর্তন করে নির্বাহী পরিচালকের বাসার সামনে শান্তি পূর্ণভাবে অনশন কর্মসুচি পালিত হবে এবং মিলের সকল শ্রমিক কর্মচারীদের কর্মসুচিতে অংশ গ্রহন করার জন্য আহবান করা হয়।

ডুমুরিয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষ রোপন

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি

ডুমুািরয়ায় উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে দলের ৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি উপলক্ষে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। গতকাল বুধ বিকেলে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা মোশাররফ হোসেন মফিজ।এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির ১ম যুগ্ম আহবায়ক শেখ সরোয়ার হোসেন,ভাইস চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হালিম,যুগ্ন আহবায়ক শেখ শাহিনুর রহমান,অরুন কুমার গোলদার,শেখ মশিউর রহমান লিটন, শেখ ফরহাদ হোসেন,মোল্যা মশিউর রহমান,মাস্টার আইয়ুব মাহমুদ,শেখ মাহাবুর রহমান ডাঃ জিয়াউর রহমান,আবরার হোসেন সৈকত,নাছিম শেখ,জিএম ইজারুল ইসলাম,সাহেদ,ঈমন সরদার,ইয়াছিন গাজী নাজমুল গাজীসহ অনেকে।

মোড়েলগঞ্জের নিশানবাড়িয়ায় ৩নং ওয়ার্ডে ৩শ পরিবার পেলেন নতুন বিদুৎসংযোগ

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের নিশানবাড়িয়া ৩শ পবিবার পেলেন নতুন বিদুৎসংযোগ। এ নতুন বিদুৎসংযোগ শুভ উদ্ধোধন করেন নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু। জানাগেছে, ইউনিয়নে ৩নং ওয়ার্ডের এ বিদুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে। র্দীঘ প্রতিক্ষার পর জনসাধারণ বিদুৎসংযোগ পেয়েছেন। এ সময় অন্যান্যে ইউপি সদস্যবৃন্দ ও স্থানীয় জনসাধারণ উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বৃক্ষরোপণ ও জীববৈচিত্রকে গুরুত্ব দিতে হবে: এমপি বাবু

কয়রা প্রতিনিধি

খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু বলেছেন, সারাদেশে একসঙ্গে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জীববৈচিত্র সংরক্ষণের উদ্ভাবকও ছিলেন বঙ্গবন্ধু। বৃক্ষ নিধন, জলাভূমি ভরাট, পাহাড় কাটা, নদী দূষণ ও কৃষি জমিতে রাসায়নিকের যথেষ্ঠ ব্যবহার বন্ধসহ পরিবেশ সুরক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে এমপি আক্তারুজ্জামান বাবু আরও বলেন, জাতি হিসেবে পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব সবার। আর পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জোরদার করার মাধ্যমে দেশের সবুজ উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে, পরিবেশগত সুরক্ষা এবং জীববৈচিত্র রক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে। আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর থেকে পরিবেশ রক্ষায় বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে বলে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। পরমুখাপেক্ষী না থেকে নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় যে পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হয় সেগুলো তুলে ধরে তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) বাস্তবায়ন, দূষণমুক্ত, পরিবেশবান্ধব সবুজ অর্থনীতি গড়তে হলে আমাদের পরিবেশ সংরক্ষণকে মূল ধারায় নিয়ে আসতে হবে। মনে রাখতে হবে গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণের প্রভাবে জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটছে। এই পরিস্থিতিতে টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে সবুজ অর্থনীতি গড়ার কোনো বিকল্প নেই। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের ১ নম্বর আমাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কয়রা উপজেলা যুবলীগ আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু এ কথা বলেন। কয়রা উপজেলা  যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জাফরুল ইসলাম পাড়ের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাস, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জি এম মোহসিন রেজা, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি নূরে-ই আলম সিদ্দিকী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাগর হোসেন সৈকত, আমাদী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আমির আলী গাইন, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন বাবু, জেলা যুবলীগ নেতা শামীম সরকার, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ মোঃ আবু হানিফ, কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম বাহারুল ইসলাম, আমাদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সবুর ঢালী, সাধারণ সম্পাদক নির্মল কুমার দাশ,বাগালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ গাজী, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আমিনুর রহমান, এম এম ইমরান হোসেন, কাজী মেহেদী হাসান রাজা, কবিরুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগ নেতা মিরাজুল ইসলাম, ইমরান হোসেন জ্যাকি, মৃনাল কান্তি বাছাড়, বাধন হালদার, শেখ মোঃ রাসেল, শেখ হেলাল বাবু, চিন্ময় রায়, তায়জুল ইসলাম, অনুপম মন্ডল, কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলাম টিংকু, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) আমিনুল হক বাদল, সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম প্রমুখ। এর আগে দুপুর ১২টায় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু  ৩নং আমাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালযের শ্রেণী কক্ষে নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।

দুই মাস পর সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ শুরু

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের নদী-খালে মাছ শিকারসহ বনজ সম্পদ আহরণে সব ধরনের পাস-পারমিট বন্ধ থাকলেও শেষ পর্যন্ত মাছ ও কাঁকড়া আহরণের অনুমতি দিয়েছে বন বিভাগ। মাছের প্রজনন মৌসুমের কারণে দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে সুন্দরবনে পাস-পারমিট বন্ধ ছিল। অবশেষে মাছ ও কাঁকড়া আহরণের অনুমতি পাওয়ায় খুশি উপকূলের জেলে-মহাজনরা। তবে আপাতত অন্যান্য বনজ সম্পদ আহরণ করা যাবে না। সাতক্ষীরা ও আশপাশের উপকূলীয় এলাকার জেলেরা (১ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার সকাল থেকে পশ্চিম সুন্দরবনের বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন অফিস থেকে নৌকা ও ট্রলারসহ নির্ধারিত রাজস্ব জমা দিয়ে মাছ-কাঁকড়া আহরণের অনুমতিপত্র (বিএলসি) সংগ্রহ করতে শুরু করেছেন। মাছ ও কাঁকড়া আহরণের জন্য স্টেশন অফিস থেকে অনুমতি নেওয়া জেলেরা সুন্দরবনের নদী-খালে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ শিকার ও আহরণ করছেন।

শ্যামনগরের গাবুরার জেলে সাইদুল গাজী জানান, ‘আমরা উপকূলের মানুষ। আমাদের জীবন জীবিকার একমাত্র আয়ের উৎসব সুন্দরবন। গত দুই মাস সুন্দরবনের পাস পারমিট বন্ধ থাকার কারণে আমাদের অভাব-অনটনে দিন কাটাতে হয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে আমাদের সুন্দরবনের পাস পারমিট চালু করে দিয়েছে। তাতে আমরা সুন্দরভাবে জীবন-যাপন করতে পারবো।’ পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. সুলতান হোসেন বলেন, মাছ ও কাঁকড়া আহরণের জন্য জেলেদের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। তারা (১ সেপ্টেম্বর) থেকেই সুন্দরবনে মাছ-কাঁকড়া আহরণ করছেন। এসব জেলেরা সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া ছাড়া অন্য কোনও ধরনের শিকার করতে পারবেন না। কেউ যদি মাছ-কাঁকড়া আহরণের পাস নিয়ে সুন্দরবনে অন্য কোনও কিছু ধরার চেষ্টা করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মেহেরপুরে মাদ্রাসার খাদেমকে কুপিয়ে হত্যা

মেহেরপুর প্রতিনিধি

গাংনী উপজেলার কাজীপুর ইউনিয়নের সাহেবনগর গ্রামে ছহির উদ্দীন (৭০) নামে মাদ্রাসার এক খাদেমকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। পাঁচ সন্তানের জনক নিহত ছহির উদ্দীন সাহেবনগর গ্রামের মৃত নায়েব উদ্দীন মন্ডলের পুত্র এবং একই গ্রামের হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এ এতিমখানার খাদেম ও নৈশপ্রহরীর দায়িত্বে ছিলেন।

বুধবার (২ সেপ্টেস্বার) সকালে সাহেবনগর কবরস্থানের পাশে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। নিহতের স্ত্রী হানুফা খাতুন জানান, আমার স্বামী মাদ্রাসায় পাহারা দিয়ে থাকেন। বুধবার সকালে শিক্ষক-ছাত্ররা মাদ্রাসায় ছিলেন না। এ সুযোগে সন্ত্রাসীরা তাকে একা পেয়ে এতিমখানার পাশে কবরস্থানের পাশে কুপিয়ে হত্যা করে ফেলে যায়। তার সঙ্গে কারোর কোনও বিরোধ ছিল না। নিহতের মেয়ে শাহিনা খাতুন জানান, তার বাবা খাদেম হিসেবে কাজের পাশাপাশি কবর খনন করতো। কেন ও কী কারণে তার বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে তারা জানেন না।

নিহতের জামাতা শিক্ষক আব্দুল আওয়াল জানান, তার শ্বশুর ধর্মকর্ম নিয়েই হেফজখানায় থাকতেন, তার কোনও শত্রু ছিল না। কিন্তু কী কারণে হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটলো তারা নিশ্চিত কোনও তথ্য দিতে পারেনি। এদিকে স্থানীয়রা জানান, ছহির উদ্দীনকে কুপিয়ে হত্যা করার সময় মাদ্রাসার দু’জন শিক্ষার্থী দেখেছেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করার সম্ভব হবে। পীরতলা পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ বাবুল মিয়া জানান, নিহত ছহির উদ্দীনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। গাংনী থানার ওসি মো. ওবায়দুর রহমান জানান, হত্যাকা-ের রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মেহেরপুর মর্গে নেওয়া হয়েছে।

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে নৃশংসতা: মন্ত্রণালয় গঠিত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা

যশোর প্রতিনিধি

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের তিন কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা এবং ১৫ জনকে আহতের ঘটনায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে ই-মেইলে ২৭ পৃষ্টার প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে তদন্ত কমিটির প্রধান যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবুল লাইছ। তিনি জানিয়েছেন, প্রতিবেদনে ৮টি পর্যবেক্ষণ ও  ১০টি সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়াও কর্মকর্তাদের দায় দায়িত্ব নিরূপণ করা হয়েছে। মুহাম্মদ আবুল লাইছ জানান, ঘটনার কারণ ও ঘটনার পর গৃহীত পদক্ষেপ যথাযথ ছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ১৪ আগস্ট ঘটনার পরের দিন যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবুল লাইছকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন পুলিশ সুপারের একজন প্রতিনিধি এবং সমাজসেবা অধিদফতর, যশোরের উপপরিচালক। কমিটিকে পাঁচ কর্ম দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। গত ১৯ আগস্ট তদন্ত কমিটি আরও সাত দিন সময় চেয়ে আবেদন করে।

অপরদিকে, সমাজসেবা অধিদফতর গঠিত দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। সেখানে কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলা ও গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। উল্লেখ্য, গত ১৩ আগস্ট যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে কিশোর ‘বন্দিদের’ অমানুসিক মারপিট করা হলে তিন কিশোর নিহত ও ১৫ জন আহত হয়। এ ঘটনায় ১৪ আগস্ট রাতে নিহত কিশোর পারভেজ হাসান রাব্বির বাবা রোকা মিয়া কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় কেন্দ্রের সহকারী পরিচালকসহ পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ৮ বন্দি কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন-কেন্দ্রের তত্ত্বাধায়ক (সহকারী পরিচালক) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, সহকারী তত্ত্বাবধায়ক (প্রবেশন অফিসার) মাসুম বিল্লাহ, ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর একেএম শাহানুর আলম, সাইকো সোস্যাল কাউন্সিলর মো. মুশফিকুর রহমান ও কারিগরি প্রশিক্ষক (ওয়েল্ডিং) ওমর ফারুক। এছাড়া বন্দি কিশোররা হচ্ছে-গাইবান্ধার খালিদুর রহমান তুহিন, নাটোরের হুমাইদ হোসেন, মোহাম্মদ আলী, পাবনার ইমরান হোসেন, মনোয়ার হোসেন, রাজশাহীর পলাশ ওরফে শিমুল ওরফে পলান, কুড়িগ্রামের রিফাত আহমেদ ও চুয়াডাঙ্গার আনিছুজ্জামান।

খুলনা বিভাগে নতুন করে ১৯৬ জনের করোনা শনাক্ত

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনা বিভাগে নতুন করে আরও ১৯৬ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। বিপরীতে সুস্থ হয়েছেন ১৬২ জন। মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে বুধবার সকাল আটটা পর্যন্ত পরীক্ষা করা নমুনার ভিত্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে বিভাগে মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়াল ১৯ হাজার ৩১১। মোট সুস্থ মানুষের সংখ্যা ১৪ হাজার ৩৪৩। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৭৪ শতাংশের কিছু বেশি।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক রাশেদা সুলতানা বুধবার জানান, বিভাগে নতুন সংক্রমিত ১৯৬ জনের মধ্যে চুয়াডাঙ্গায় ১৬ জন, যশোরে ৩৯, ঝিনাইদহে ১০, খুলনায় ৫২, কুষ্টিয়ায় ৪২, মাগুরায় ১৩, মেহেরপুরে ১৫ ও সাতক্ষীরায় ৯ জন। এই সময়ে বাগেরহাট ও নড়াইলে কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি।

মঙ্গলবার থেকে বুধবার সকাল আটটা পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহ ও মেহেরপুরে একজন করে মোট চারজন রোগী মারা যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এ নিয়ে বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত মানুষের সংখ্যা ৩৩১। এর মধ্যে খুলনায় ৮৪, কুষ্টিয়ায় ৬২, বাগেরহাটে ২১, চুয়াডাঙ্গায় ৩০, যশোরে ৩৯, সাতক্ষীরায় ২৮, ঝিনাইদহে ২৭, নড়াইলে ১৬ এবং মাগুরা ও মেহেরপুরে ১২ জন করে মারা গেছেন। বিভাগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭১ শতাংশ। স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, বিভাগে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৭৪৫ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন খুলনা জেলায়, যা বিভাগের মোট রোগীর প্রায় ৩০ শতাংশ। এ ছাড়া যশোরে ৩ হাজার ৩৩৯, কুষ্টিয়ায় ২ হাজার ৮০০, ঝিনাইদহে ১ হাজার ৬৬২, চুয়াডাঙ্গায় ১ হাজার ২৭৩, নড়াইলে ১ হাজার ১৯৭, সাতক্ষীরায় ১ হাজার ৩৬, বাগেরহাটে ৯০৭, মাগুরায় ৮১৬ ও মেহেরপুরে শনাক্তের সংখ্যা ৫৩৬ জন।

কোয়েল সফল মন্টু

মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরা সদর উপজেলার নালিয়ারডাঙ্গি গ্রামে কোয়েল পাখির খামার করে স্বাবলম্বী হয়েছেন রেজাউল ইসলাম মন্টু। বর্তমানে তার খামারের ডিম স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে। অন্যদিকে কোয়েল পাখির মাংস সুস্বাদু ও পুষ্টিকর হওয়ায় প্রতি মাসেই হাজার জোড়া কোয়েল পাখির বাচ্চা বিক্রি করছেন। তবে অর্থনৈতিক কারণে খামারটি আর বড় করা সম্ভব হচ্ছে না। গ্রামের অনেক বেকার যুবক খামারটিতে কাজ করে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠেছেন। কেউ কেউ আবার সকালে এসে বিকেলে বাড়ি ফেরেন। খামারের মালিক রেজাউল ইসলাম মন্টু ও তার দুই ভাই খামারে সময় দিয়েই নিজেদের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। পাইকাররা জানান, খামারটি থেকে উৎপাদিত ডিমের আকার ভালো হওয়ায় বিভিন্ন জায়গা থেকে পাইকাররা ভিড় জমান নালিয়ারডাঙ্গি গ্রামে। আবার ডিমের আকার-আকৃতি ভালো হওয়ায় বিক্রেতারা ডিম বিক্রি করেও লাভবান হন।

ওই গ্রামের ভ্যানচালক রহমান শেখ জানান, আড়াই একর (২৫০ শতক) জমির উপর নির্মিত খামারটিতে গ্রামের ১৪-১৫ জন বেকার যুবকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। খেয়ে-পড়ে বেশ ভালোই আছে বেশ কয়েকটি পরিবার। এ ছাড়া অনেক ভ্যানচালকও এখানে কাজ করছেন। প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ (২০০ টাকা) পাওয়ায় মানুষ পরিবহন করা বাদ দিয়ে নেমে পড়েছেন এ কাজে। খামারের মালিক রেজাউল ইসলাম মন্টু জানান, ১৯৯৬ সালে প্রথম পোল্ট্রি ও লেয়ারের ব্যবসা শুরু করলে তাতে অর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। পরে ২০০১ সালে যুব উন্নয়ন থেকে প্রশিক্ষণ নেন। এরপর শখের বশে নতুন করে শুরু করেন কোয়েল পাখির খামার। তখন থেকেই তিনি এ ব্যবসা ধরে রেখেছেন এবং সফল হয়েছেন। বাড়ি-ঘর, জায়গা-জমি থেকে শুরু করে কিনেছেন চাষের ট্রাক্টরও। পোল্ট্রি ও লেয়ারের চেয়ে কোয়েল পাখির খামারে ঝুুঁকি কম ও লাভ বেশি হওয়ায় স্থানীয় অনেকেই এখন কোয়েল পাখির খামার তৈরির কথা ভাবছেন। এ ছাড়া শ্রীপুর উপজেলায়ও ১টি খামার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে জানান এলাকার যুবকরা। মাগুরা সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ারুল করিম বলেন, ‘বাজার ব্যবস্থার উন্নয়নসহ এসব ছোট খামারিদের সহজ শর্তে অথবা সুদমুক্ত ঋণ দিলে দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক সাড়া পড়বে।’ তিনি ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনার জন্য উদ্যোগী হওয়ারও আহ্বান জানান সংশ্লিষ্টদের।

খুলনায় বিএনপির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ৪২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি উপলক্ষে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির গৃহীত ৩ দিনের কর্মসূচির আজ ২ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দিন খুলনা হাদীস পার্কে সকাল সাড়ে ১১ টায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার। রাষ্ট্র নির্মাণে এমন কোন খাত নেই, যেখানে তাঁর পবিত্র হাতের স্পর্শ লাগেনি। বাংলাদেশে বৃক্ষরোপনের মত সামাজিক কর্মসূচি সূচনা তাঁর উদ্যোগেই। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পবিত্র নগরী সুদূর মক্কায় আরাফাতের ময়দানসহ সৌদি আরবে নিম বৃক্ষ লাগিয়ে তিনি এক যুগন্তকারী ইতিহাস রচনা করেছিলেন। ৯০ এর গণঅভ্যূথানের পর ৯১ এর নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয় লাভ করে সরকার গঠনের পর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বৃক্ষরোপনকে একটি সামাজিক আন্দোলনের রূপ দিয়েছিলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, জেলা সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, রেহানা ঈসা, স ম আব্দুর রহমান, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, আবু হোসেন বাবু, আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দীপু, শাহিনুল ইসলাম পাখী, ইকবাল হোসেন খোকন, এড. গোলাম মওলা, নিজাম উর রহমান লালু, জালু মিয়া, শেখ সাদী, ইউসুফ হারুন মজনু, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, সাজ্জাদ হোসেন তোতন, একরামুল কবির মিল্টন, হাসানুর রশিদ মিরাজ, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শরিফুল ইসলাম বাবু, নিয়াজ আহম্মেদ তুহিন, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, নাজির উদ্দীন নান্নু, হাসান মেহেদী রিজভী, বদরুল আনাম খান, শেখ জামিরুল ইসলাম, ইশহাক তালুকদার, আকরাম হোসেন খোকন, মাহবুবুল হক, মিজানুর রহমান লিটন, জসিম উদ্দিন লাবু, রবিউল ইসলাম রবি, মেজবাউদ্দিন মিজু, ইমতিয়াজ আলম বাবু, মোল্যা ফরিদ আহম্মেদ, বাচ্চু মীর, মেহেদী হাসান সোহাগ, এনামুল হাসান ডায়মন্ড, জাহাঙ্গীর হোসেন, লিটু পাটোয়ারী, ম শা আলম, কাজী ফজলুর কবির টিটু, মোঃ আলী, কেএম মাহবুব আলম, শামীম আশরাফ, মাহবুব আলম বাদশা, ডা: ফারুক হোসেন, মনিরুল ইসলাম, ওহেদুজ্জামান, মনিরুজ্জামান লেলিন, হেমায়েত হোসেন, নুরুল ইসলাম লিটন, হেদায়েত হোসেন হেদু, খান রাজীব, কিমিয়া শাহাদাৎ, আশিকুর রহমান আশিক, রোকেয়া ফারুক, কওসারী জাহান মঞ্জু, মুশফিকুর রহমান অভি, আরিফুর রহমান আরিফ, রাজিবুল আলম বাপ্পী, ফাহিম আহমেদ রুবেল, সেলিম হোসেন, শাহাবুদ্দীন, খায়রুল ইসলাম পিয়াস, এমরান হোসেন, খায়রুল বাশার, শেখ আল মামুন, টিপু হাওলাদার, জিল্লুর রহমান, সাইদুর রহমান, মাসুদ রেজা, ইসমত আরা কাকন প্রমুখ।

আজকের নগরী : বিএনপির ৪২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে থানা পর্যায়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি শুরু। ৩ সেপ্টেম্বও খানজাহান আলী থানা বিএনপির উদ্যোগে ফুলবাড়ীগেট বিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল ১১ টায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।

দৌলতপুরে হৃদয় হত্যা মামলার ৪আসামি রিমান্ডে

স্টাফ রিপোর্টার

দৌলতপুর কারিগর পাড়ার মতির খাল থেকে রিয়াদুল ইসলাম হৃদয় (১৮) নামের এক কিশোরের মাথা থেতলানো মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলায় গ্রেফতার ৪আসামির প্রত্যেকের দু’দিনের রিমা- মঞ্জুর করেছে আদালত।   

গতকাল বুধবার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহীদুল ইসলাম রিমা-ের আদেশ প্রদান করেছেন। গত ৩০আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০দিনের রিমা-ে আবেদন করেছিলেন। আসামিরা হলেন খালিশপুর থানাধীন গোয়ালখালি মতিঝিল সড়কের আব্দুল আলীমের ছেলে মো. ইমন (২০), পাবলা কারিগর পাড়ার নিজাম উদ্দিনের ছেলে মো. হুসাইন (১৯), মো. শহিদুল ইসলামের ছেলে মো. হাসনাঈন আহমেদ দিহান (১৯) ও মো. ইলিয়াস বিশ্বাসের ছেলে মো. হাসিবুর রহমান শান্ত (১৯)। ৩১আগস্ট এ মামলার অপর আসামি মো. ইব্রাহিম হাসান ওরফে সোহাগ (২১) আদালতে স্বকিারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। সোহাগ দৌলতপুর পাবলা দক্ষিণ কারিগর পাড়ার মোড়ল বাড়ির মো. হানিফ মোল্যার ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, খালিশপুর গোয়ালখালি মেইন রোডের মো. মশিউর রহমানের ছেলে রিয়াদুল ইসলাম হৃদয় (১৮) কে ২৪আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় তার বন্ধুরা। রাতে বাড়ি ফিরে না আসায় পরের দিন খালিশপুর থানায় জিডি করা হয়। ২৮আগস্ট বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দৌলতপুর কারিগর পাড়ার মতির খাল থেকে হৃদয়ের গলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ২৩আগস্ট বিকেল সোহাগের নারিকেল গাছ থেকে ডাব পেড়ে খায় হৃদয়। এনিয়ে আসামিরা তাকে মারধোর করে। এঘটনায় নিহত হৃদয়ের মা মুর্শিদা বাদী হয়ে ৬জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরো ৩/৪জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন যার নং- ১২।

রূপসায় শিক্ষা অফিসের কম্পিউটার অপারেটরের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা 

স্টাফ রিপোর্টার

রূপসা উপজেলা মৈশাঘুনি গ্রামে উপজেলা শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এইচ এম শাহিনের বাড়িতে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা।

গত ৩০আগস্ট রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এসময় সন্ত্রাসীরা শাহিনসহ তার পরিবারের লোকজনকে মারধোর করে ও ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগি এইচ এম শাহিন ৪জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৭/৮জনের বিরুদ্ধে রূপসা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন, রূপসা উপজেলা মৈশাঘুনি গ্রামের মৃত. মোমরেজ আলি শেখের ছেলে আব্দুল হামিদ শেখ (৫৫), আব্দুল হামিদ শেখের ছেলে মো. সুমন শেখ (২৮), আব্দুর রশিদ শেখের ছেলে পিয়াস শেখ (২১) ও করিম ঢালীর ছেলে রিয়াদ ঢালী (১৯)। 

রূপসা থানার ওসি (তদন্ত) সরদার ইব্রাহিম হোসেন সোহেল জানান, উপজেলা শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এইচ এম শাহিনের দেয়া লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।   

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, রূপসা উপজেলা মৈশাঘুনি গ্রামের আব্দুল মোতালেব হালদারের ছেলে উপজেলা শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এইচ এম শাহিন ৩০আগস্ট রাত ১০টার দিকে পরিবারের সকলকে নিয়ে খাবার খাচ্ছিলেন। এসময় হামিদ শেখ বাড়ির দরজা খুলতে বললে শাহিন দরজা খুলে দেয়। সঙ্গে সঙ্গে হামিদ শেখসহ অন্যান্যরা ঘরে ডুকে লোহার রড দিয়ে শাহিনের মাথায় আঘাত করে। তাকে বাঁচাতে স্ত্রী, সন্তানরা এগিয়ে আসলে তাদেরও মারপিট করা হয়। চেচামেচি শুনে ২য় তলা থেকে বড় ভাই, ভাবী, পিতা-মাতা ছুটে এলে তাদেরও মারপিট করা হয়। পরে শাহিনের ছোট চাচা হেমায়েত হালদারসহ আরো অনেকে এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে চলে যায়। মারাত্মক আহত অবস্থায় শাহিনকে উদ্ধার করে খুলনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  

নগরীতে পুলিশের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৮

স্টাফ রিপোর্টার

মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৭০ গ্রাম গাঁজা, ২০ পিস ইয়াবা ও ৫বোতল ফেন্সিডিলসহ ৮ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন নগরীর দিলখোলা রোডের মো. ফিরোজ হাওলাদারের ছেলে মো. শাহিন হাওলাদার ওরফে জুম্মান (২৫),  বসুপাড়া ঘোষ বাড়ীর আক্তার হোসেনের ছেলে মো. সানি (২৫), শেখপাড়া জনতা ব্যাংকের গলির আব্দুল সাত্তার হাওলাদারের ছেলে মেহেদী হাসান (২৬), খালিশপুর উত্তর কাশিপুর মালা গ্যারেজের মোড়ের আজিজ শেখের ছেলে মো. হাসিব (২২), গিলাতলা দক্ষিণপাড়ার আক্কাস শেখের ছেলে মো. মিন্টু শেখ (৩৮), হরিণটানা জব্বার সড়কের মাসুদ সরদারের স্ত্রী মোছা. রাফেজা বেগম ওরফে পারভীন (৫০), খালিশপুর উত্তর কাশিপুর পদ্মা গেইটের সবুর শেখের ছেলে মো. তরিকুল ইসলাম (২৩) ও আমিরুল শেখের ছেলে মো. আমির হামজা হামিম (২২)। 

কেএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) কানাই লাল সরকার জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নগরীর বিভিন্ন থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মহানগর পুলিশ। এসময় ৭০ গ্রাম গাঁজা, ২০ পিস ইয়াবা ও ৫বোতল ফেন্সিডিলসহ ৮ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় ৬টি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে। 

বাগেরহাটে ২৬২ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

স্টাফ রিপোর্টার

বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানাধীন টাউন নওয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৬২ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। ১সেপ্টেম্বর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ী হলেন খালিশপুর বড় বয়রা বৈকালী এলাকার মো. বাবুল খাঁনের ছেলে  মো. শিমুল খাঁন (২৮)। 

র‌্যাব-৬ জানায়, বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানাধীন টাউন নওয়াপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময়

হ্যামকো ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড এর গেটের সামনে থেকে ২৬২ পিস ইয়াবাসহ  শিমুল খাঁনকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ফকিরহাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

যশোরে র‌্যাবের অভিযানে নিষিদ্ধ বিপুল পরিমান ভারতীয় ঔষধসহ গ্রেফতার ২

স্টাফ রিপোর্টার

যশোর জেলার শার্শা থানাধীন বাগআচড়া ইউনিয়ানের টেংরা গ্রামে অভিযান চালিয়ে আমদানী নিষিদ্ধ বিপুল পরিমান ভারতীয় ঔষধসহ দু’চোরাকারবারীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। ১সেপ্টেম্বর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। 

গ্রেফতার দু’চোরাকারবারী হলেন, যশোর জেলার শার্শা থানার শিবনাথপুর গ্রামের মো. আনছার আলীর ছেলে  মো. জাহিদুল আলী (৩১) ও মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মো. আব্দুল আজিজ (৩৮)। 

র‌্যাব-৬ জানায়, ১সেপ্টেম্বর রাতে যশোর জেলার শার্শা থানাধীন বাগআচড়া ইউনিয়ানের টেংরা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় মাকলা চৌরাস্তার পাকা রাস্তার উপর থেকে ৪টি সাদা রংযয়ের প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে রক্ষিত ভারতীয় ২,৭৫,২০০ পিস ট্যাবলেটসহ জাহিদুল আলী ও আব্দুল আজিজকে হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে শার্শা থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

শার্শায় র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতার ১ 

স্টাফ রিপোর্টার

যশোর জেলার শার্শা থানাধীন শার্শা জেলে পাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ১  কেজি ৬০০ গ্রাম গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। ১সেপ্টেম্বর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ী হলেন যশোর জেলার শার্শা থানার ধান্যখোলা গ্রামের শাহাজুল ইসলামের ছেলে মো. সাগর হোসেন (২৪)।

র‌্যাব-৬ জানায়, ১সেপ্টেম্বর রাতে যশোর জেলার শার্শা থানাধীন শার্শা জেলে পাড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময়

মোস্তফার মাছের ঘেরের পাশে বটতলা পাকা রাস্তার উপর থেকে  ১কেজি ৬০০ গ্রাম গাঁজাসহ সাগর হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে শার্শা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

কচুয়া উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলায় পুষ্টি সমন্বয় কমিটির গঠন সভা ও বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২০ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল  বুধবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত উপজেলার শেখ তন্ময় মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজিৎ দেবনাথ এর সভাপতিত্বে ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন ও কনসার্ন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড এর কারিগরী সহযোগিতায় এবং উন্নয়ন সংস্থা জাগ্রত যুব সংঘ(জেজেএস) এর উদ্দ্যোগে পুষ্টির উন্নয়নে অংশগ্রহনমূলক সমন্বিত প্রকল্প (ক্রেইন) এর আওতায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কর্মকর্তা ডা. মো. মনজুরুল আলম সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি তার বক্তব্যে কমিটির দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে আলোকপাত করেন। উপজেলা কৃষি অফিসার মোসা. লাভলী খাতুন তার বক্তব্যে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২০ উপলক্ষ্যে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরেন। সভায় সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজিৎ দেবনাথ করোনা প্রতিরোধের জন্য পুষ্টির ভুমিকা সম্পর্কে  আলোকপাত করেন। উক্ত কমিটির মিটিং দ্বিমাসিক অনুষ্ঠিত হবে সেক্ষেত্রে উপজেলা মাসিক সমন্বয় সভার সাথে উপজেলা পুষ্ঠি সমন্বয় কমিটির সভা ও অনুষ্ঠিত হবে। তিনি সকলকে করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানান এবং ক্রেইন প্রকল্প এর জেজেএসকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে সভার সমাপ্তি ঘোষনা করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ, উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ক্রেইন প্রকল্পের জেজেএস এর লাইভলীহুড এন্ড প্রাইভেট সেক্টর স্পেশিয়ালিষ্ট মো. আশরাফুল ইসলাম, উপজেলা সমন্বয়কারী মোসা. মাহ্ফুজা আক্তার মনি, ইউনিয়ন ফ্যাসিলিটেটর-আল আমিন, মো. মাসুদ খান, মো. শরিফুর রহমান, ঠাকুরপদ ঢালী, তানিম গাজী, নুসরাত, তাসলিমা, রানা, রূপান্তর এর উপজেলা প্রতিনিধি নাসরিন আক্তার মৌ। সভা সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন ইউএফ  ঠাকুরপদ ঢালী।

খুবির পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিনের মাস্টার্সের মেধাবী ছাত্রের অকাল মৃত্যুতে খুবি উপাচার্যের শোক

খবর বিজ্ঞপ্তি

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিনের মাস্টার্সের মেধাবী ছাত্র মোঃ আব্দুর রহিম আজ বিকেলে তার বাড়ি মানিকগঞ্জের গ্রামে মুত্যুবরণ করেছেন। করোনা মহামারীর কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় তিনি গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ডিসিপ্লিনের সূত্র তাঁর মৃত্যুর ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে পারেনি। তবে তার মাস্টার্স কোর্সের শুধু ডিফেন্স বাকি ছিলো বলে জানা যায়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিনের মাস্টার্সের মেধাবী ছাত্রের এই অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি এক শোক বিবৃতিতে বলেন,  মেধাবী এই ছাত্রের অকাল মৃত্যুতে একটি সম্ভাবনারও মৃত্যু হলো। এটি বিশ্ববিদ্যালয় ও তার পরিবারের জন্য অপূরণীয় ক্ষতির। তিনি তার পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। আরও শোক প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন এবং সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. উত্তম কুমার মজুমদারসহ ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, শিক্ষার্থী,কর্মকর্তা এবং কর্মচারিরা।

করোনা ও আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্থ দুই হাজার পরিবারকে সহায়তা দিচ্ছে ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্ট

শরণখোলা প্রতিনিধি

বাগেরহাটের শরণখোলায় মহামারী করোনা ও ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে দুই হাজার পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করছে ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রস্ট (ডিসিএইচটি)। পিচ উইন্ডস জাপানের (পিডব্লিউজে) আর্থিক সহায়তায় ‘ইমারজেন্সি রিলিফ অপারেশন ফর সাইকোন আম্ফান এন্ড কভিট-১৯ অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম’ নামের প্রকল্পের মাধ্যমে এসব উপকরণ দেওয়া হচ্ছে। সংস্থাটি উপজেলার সাউথখালী ও রায়েন্দা ইউনিয়নের প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার নিয়ে এই কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে।

গত সোমবার ৩১ আগস্ট  উপজেলা সদরের আর.কে.ডি.এস পাইলট বালিকা বিদ্যালয় মিলনায়তনে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকজনের হাতে খাদ্য সামগ্রী ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরণ তুলে দিয়ে কার্যক্রমের আনুষ্ঠিক উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরদার মোস্তফা শাহিন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত উপজেলা ছিলেন — আওয়ামী-যুবলীগের আহবায়ক    ও রায়েন্দা  সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন, সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোজাম্মেল হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি  এম সাইফুল ইসলাম খোকন, শরণখোলা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম, প্রকল্প কর্মকর্তা রনজিৎ হালদার, সাদিয়া সামাদ মৌ, ডা. নাজমুল হোসেন, বিপ্লব কুমার বিশ্বাস, সুমাইয়া আক্তার, রিয়াদ আহমেদ, আরমান হোসেন প্রমূখ।

প্রকল্প ব্যবস্থাপক রনজিৎ হালদার জানান, উপজেলার দুটি ইউনিয়নের ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে তাদের বাড়ি বাড়ি এসব সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রতি পরিবারকে ১০ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ১ কেজি তেল, ৪ কেজি আলু ও ক্ষতিগ্রস্থ জেলে পরিবারে জন্য মাছ ধরা জাল, তাবু এবং সাবান, মাস্কসহ বিভিন্ন উপকরণ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি করোনা সচেতনতার জন্য লিফলেট, ব্যানার, পোস্টার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ অব্যাহত থাকবে।

ফুলতলায় আইন শৃঙ্খলা কমিটি ও মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

ফুলতলা প্রতিনিধি

ফুলতলা উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটি ও মাসিক সমন্বয় সভা উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় ইউএনও সাদিয়া আফরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আকরাম হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুলী বিশ্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান কে এম জিয়া হাসান তুহিন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কাজী জাফর উদ্দিন, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ আসলাম খাঁন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আলহাজ্ব আনোয়ারুজ্জামান মোল্যা, মুক্তিযোদ্ধা কাজী আশরাফ হোসেন আশু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার শাহাবুদ্দিন জিপ্পী, মৃনাল হাজরা, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মনিরুল ইসলাম, শরীফ মোহাম্মদ ভুইয়া শিপলু, মাওঃ সাইফুল হাসান খান, শেখ আবুল বাশার, অধ্যক্ষ সমীর কুমার ব্রক্ষ্ম, উপজেলা প্রকৌশলী বিকাশ চন্দ্র নন্দী, ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা শামীম আরা নিপা, মৎস্য কর্মকর্তা রনজিৎ কুমার, সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোঃ শাহীন আলম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, বিআরডিবি কর্মকর্তা মোঃ আফরুজ্জামান, খানজাহান আলী থানার ওসি প্রবীর কুমার বিশ্বাস, এসআই আব্দুল কাউয়ুম প্রমুখ। সভায় মাদক নিয়ন্ত্রন, বাল্য বিবাহ রোধ ও করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার আহবান জানান।

আম্পান বিধ্বস্ত শরণখোলার ১৪ হাজার কৃষক শঙ্কায়

শরণখোলা প্রতিনিধিঃ

বাগেরহাটের আম্পান বিধ্বস্থ শরণখোলায় দীর্ঘস্থায়ী বর্ষনের কারনে ১৪ হাজার কৃষক বিপাকে রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে জমি চাষ ও বীজ রোপন করতে না পারায় তারা এ বিপাকের সম্মুখীন হয়েছেন। উপজেলার বকুলতলা  গ্রামের চাষী সুলতান মোল্লা, খুড়িয়াখালী গ্রামের আজিজ হাওলাদার,চালিতাবুনিয়া গ্রামের নুরুল হক ফকির,  শাহজাহান হাওলাদার, শরৎ মন্ডল জানান, ১৫/২০ দিনের লাগাতার বর্ষনের কারনে কোমর সমান পানিতে মাঠ- ঘাট তলিয়ে ছিলো। ফলে  তারা জমি চাষ করতে পারেনি। বীজতলা ছিলো পানির নীচে।বর্তমানে অনেক এলাকা থেকে বর্ষার পানি নেমে গেলেও অনেক এলাকা এখনও জলমগ্ন।  আবার কিছু এলাকার পানি শুকিয়ে সেখানে বীজ রোপনের অযোগ্য হয়ে আছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আমনের বীজ রোপন করতে না পারায় ভালো ফলন আসবেনা বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন আম্পান বিধ্বস্তরা। তারা আরও জানান,  আগের বছরের তুলনায় এবছর  প্রায় ১৫/২০ দিন পিছিয়ে রয়েছেন। প্রতিবার এমন সময় তাদের আমনের ক্ষেত সবুজে সবুজে পূর্ন হয়ে যায়।

শরণখোলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৌমিত্র সরকার জানান, শরণখোলায় ৯ হাজার দুই শত পঞ্চাশ হেক্টর জমিতে আমন ধানের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারন করা হলেও অতিবর্ষনের কারনে তা বাধাগ্রস্থ হয়েছে। চাষের সময় অতিবাহিত হলেও চাষীরা ব্রী ধান ৫২ ও ৭৬ উফশী  জাতের এবং স্থানীয় জাতের প্রায় ২ হাজার একর জমিতে এখনও  বীজ বপন করতে পারেনি। তবে পানি সহনশীল ধানের ক্ষেত্রে তেমন ক্ষতি হবেনা বলেও তিনি জানান।

দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে জিআর মামলার ১ আসামী আটক

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা

দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে জিআর মামলার ১ আসামী আটক হয়েছে। আটককৃত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে বুধবার সাতক্ষীরা জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, পিপিএম (বার) এর দিক নির্দেশনায়, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার দেবহাটা সার্কেল শেখ ইয়াছিন আলীর তত্ত্বাবধানে এবং দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার সাহার নেতৃত্বে দেবহাটা থানার এএসআই সুজিত বিশ্বাস সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় গত ইং ০১/০৯/২০২০ তারিখ রাত ১১ টার দিকে জিআর-১৬২/১২(দেব) দুইটি, জিআর-১৭/১৪ (দেব) দুইটি, জিআর-১৫২/১৩(দেব), জিআর-১৫২/১৩(ক) (দেব) এর আসামী ইসমাইল হোসেন, পিতা- নজরুল ইসলাম, সাং- মাঝ পারুলিয়া, থানা- দেবহাটা, জেলা- সাতক্ষীরাকে গ্রেফতার করেন। আসামীকে বিচারার্থে ইং-০২/০৯/২০২০ তারিখ বুধবার বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

শরণখোলায় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত-১

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

বাগেরহাটের শরণখোলায় একবৃদ্ধকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার আমড়াগাছিয়া বাজারে। আহত পরিবার সুত্রে জানা যায়, উপজেলার মৃত সুরেন্দ্রনাথ ওঝা’র পুত্র শশধর ওঝা (৬৮) ৩নং নলবুনিয়া মৌজার বি.আর.এস ১/১ নং খতিয়ানের ০.৬৪ একর জমি ডিসিআরমুলে ভোগদখল করছিলেন। কিন্তু উক্ত জমি নলবুনিয়া গ্রামের মৃত সফেজ মাতুব্বরের ছেলে শাহ আলম মাতুব্বর (৪০), হোগলপাতি গ্রামের বিমল হাওলাদারের ছেলে বাবুল ওরফে তাপস হাওলাদার (৩৫) ও ছৈলাবুনিয়া গ্রামের মৃত মজিদ খানের ছেলে শাহাবাজ খা (৫০) তাদের দখলে নিতে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করে এবং ভয়ভীতি দেখায়। অবশেষে গত ২৩ আগস্ট (রোববার) সকালে শশধর ওঝা টিন কিনার উদ্দেশ্যে পার্শ্ববর্তী আমড়াগাছিয়া বাজারে গেলে যাত্রী ছাউনির কাছাকাছি পৌছামাত্র শাহ আলম মাতুব্বর, তাপস, শাহাবাজ খা সহ ৪/৫জন তাকে এলোপাতাড়ি মারপিট করিয়া আহত করে এবং তার কাছে থাকা ৪০ হাজার টাকা ছিনিয়া নিয়া যায়। এ ঘটনায় শশধর ওঝা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ১ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) ৩জনকে আসামী করে শরণখোলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে প্রতিপক্ষ বাবুল ওরফে তাপস হাওলাদার জানায়, শশধর ওঝার সাথে আমাদের কোন জমি সংক্রান্ত বিরোধ নাই। শাহবাজ খানের ছেলে রাজিব খান (১৮) ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে জেল হাজত থেকে দু মাসের মধ্যে ছাড়িয়ে দিবে বলে ৪ বছর পূর্বে ৭০ হাজার টাকা নেয় শশধর ওঝা। উক্ত বিষয় নিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালি দিলে শাহ আলম মাতুব্বর ধাক্কা দিলে রাস্তায় পড়ে গিয়ে সামান্য আহত হয়। তবে মারামারি কোন ঘটনা ঘটেনি। এ ব্যাপারে শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ এস.একে আব্দুল্লাহ আল-সাঈদ জানান, শশধর ওঝার অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হয়েছে। তবে আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

শরণখোলায় পুষ্টি বিষয়ক মৌলিক প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

বাগেরহাটের শরণখোলায় পল্লী চিকিৎসক, ফার্মাসিষ্ট ও ইউনিয়ন ফ্যাসিলিটেটরদের নিয়ে দুই দিন ব্যাপী পুষ্টি বিষয়ক মৌলিক প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত সোম ও মঙ্গলবার উপজেলার তাফালবাড়ি জেজেএস ডেভেলপমেন্ট সেন্টারে এ প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়। পুষ্টি উন্নয়নে অংশগ্রহণমূলক সমন্বিত প্রকল্প (ক্রেইন) প্রকল্পের আওতায় দাতা সংস্থা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অর্থায়নে ও কনসার্ন ওয়াল্ড ওয়াইড সহযোগিতায় উন্নয়ন সংস্থা জেজেএস, ওয়াটার এইড ও রুপান্তর এ প্রশিক্ষনের আয়োজন করে।

প্রশিক্ষনে রিসোর্স পারসন হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শরনখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ তরিকুল ইসলাম। সহায়ক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, দাতা সংস্থা কনসার্ন ওয়াল্ড ওয়াইডের এ্যাডভোকেসি স্পেশালিষ্ট রুমানা শারমিন, উন্নয়ন সংস্থা জেজেএস’র নিউট্রিশন স্পেশালিষ্ট মৌতিথী আইচ। প্রশিক্ষনে আলোনা করেন, প্রকল্প সমন্বয়কারী মামুন অর রশীদ ও উপজেলা সমন্বয়কারী মোঃ ফরিদুজ্জামান।

অপরদিকে মঙ্গলবার বিকেল ৩ টায় বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ১-৭ আগষ্ট ২০২০ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজতি উপজেলার বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে রচনা প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

রামপালে সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি

রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

রামপালে নানান কারনে সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা ও ভুল সিদ্ধান্তের কারণে ধান ক্রয় সম্ভব হয়নি বলে মনে করছেন সচেতন মহল। রামপাল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বোরো মৌসুমে এ উপজেলা ৫১৩ টন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। গত মার্চ মাস থেকে ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ধান ক্রয়ের সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মাত্র ক্রয় করা হয়েছে ২৯ টন ধন, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪৮৪ টন কম। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারিভাবে লটারির মাধ্যমে ১০৪০ টাকা দরে ধান ক্রয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ওই দরে প্রথম দিকে ধান ক্রয় শুরু হওয়ার পর পরই ধানের বাজার মূল্য বেড়ে যায়। এছাড়াও নানান শর্ত জুড়ে দেওয়ায় প্রান্তিক কৃষকরা ধান বিক্রিতে নিরুৎসাহিত হন। বাজারে লাগামহীনভাবে ধনের দাম বেড়ে যাওয়া, উম্মুক্ত পদ্ধতিতে ধান ক্রয় না করায় ও খাদ্য দপ্তরের নিয়ন্ত্রণ না থাকায় মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় সম্ভব হয়নি বলে সচেতন মহল দাবি করেন। এ ব্যাপারে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জাহাঙ্গীর আরিফ খান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বাজারে বেশি দামে ধান বিক্রি হওয়ার কারণে এবং নির্দিষ্ট আদ্রতায় ধান বিক্রিতে কৃষকরা অনিহা দেখান। শুধু রামপােেল নয় সব উপজেলায় এমন অবস্থা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ায় সরকারিভাবে সেপ্টেম্বরের ১৫ তারিখ পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে লক্ষমাত্রাা পূরণের জন্য ধান বা চাল ক্রয় করা হবে। রামপাল উপজেলা খাদ্য গুদামের কোনো কোনো অসাধু লোকের হয়রানির শিকার হয়ে ধান বিক্রিতে নিরুৎসাহিত হয়েছেন কিনা এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি সেটি অস্বীকার করেন। এ ব্যাপারে রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাধন কুমার বিশ্বাস এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, আমরা লটারির মাধ্যমে ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করি। বাজারে ধানের দাম বেশী থাকায় ও নির্দিষ্ট আদ্রতার শর্তে কৃষকরা ধান বিক্রিতে অনিহা দেখান।

ফরাজী পূজা কমিটির সহ-সভাপতি জীবন বিশ্বাস-এর মৃত্যুতে শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন

খবর বিজ্ঞপ্তি

ফরাজীপাড়া সার্বজনীন পূজা কমিটির সহ-সভাপতি জীবন বিশ্বাস (৬০) গতকাল ০১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাত ৮:৪৫টায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে, ৩ মেয়ে, আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেনÑখুলনা মহানগর পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কু-ু, আওয়ামী লীগ নেতা ও ফরাজীপাড়া পূজা কমিটির উপদেষ্টা শ্যামল সিংহ রায়, ফরাজীপাড়া পূজা কমিটির সভাপতি মিঠু বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব কুমার রুদ্র, প্রধান উপদেষ্টা তপন কুমার রায়, উপদেষ্টা ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার দীপক চন্দ্র ম-ল, উপদেষ্টা লিটন ম-ল, হিটলার চন্দ্র বিশ্বাস, নীরোজ রায়, উর্ধ্বতন সহ-সভাপতি ইঞ্জিয়ার কৃষ্ণপদ দাস, সহ-সভাপতি তরুণ সাহা, রুহিদাস কু-ু, তাপস বিশ্বাস (রবিন), বাবলু মিত্র, দেবাশিষ কর্মকার, সহ-সাধারণ সম্পাদক সনজিৎ কু-ু, জীবন মিত্র, মহিলা সম্পাদিকা অধ্যাপিকা মল্লিকা দাস, প্রচার ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক উৎপল কর্মকার, রিপন ব্রহ্ম, রাজু বিশ্বাস, টুকুরানী মিত্র, জবা বণিক, রবীন বণিক প্রমুখ।

সরকারি গাছ কেটে নিজে বাচঁতে অন্যের বিরুদ্ধে মামলা

হুসাইন ইমাম সবুজ, স্টাফ রিপোর্টার:

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উরফি ইউনিয়ের ডুমদিয়া গ্রামের রাস্তার গাছ কেটে নিয়ে চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা। এনিয়ে ভুক্তভোগী পরিবার সংশয় ও ভয়ে দিন কাটাচ্ছে। কয়েকজন স্থানিয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানাযায়,  ঐ এলাকার গাজী বাড়ির সামনে রাস্তা থেকে ২৪টি আম ও মেহগুনি গাছ কেটে নিয়ে যায় জলিল গাজীর  ছেলে ইবাদত গাজী । এলাকার লোক বাধাঁ দিলে তাদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল দেয়। গাছ কাটার সময় ওই গ্রামের  ইমদাদ গাজী বাধাঁ দিলে তাকে নানান ভাবে হুমকি দেয়। বিষয়টি স্থানীয় ভুমি অফিসে অভিযোগ করেন ইমদাদ গাজী। এ কারনে ইবাদত গাজী বাদি হয়ে ইমদাদ গাজী ও তার অসুস্থ পিতা অছিকুর রহমান (৭০)  বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে। ওই এলাকার আরো ৩০-৩৫ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রয়েছে এবাদত গাজির  বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগি এমদাদ গাজী বলেন, এবাদত গাজী আমাদের প্রতিবেশি এবং সর্ম্পকে চাচতো ভাই। সে গত মাসে আমাদের বাড়ির পাশের রাস্তা থেকে কয়েক জন লোক নিয়ে ২৪ টি গাছ কেটেছে এবং সেখানে তিনি পানির হাউজ করার জন্য কাজ করছেন । সরকারি রাস্তার কাটছে কেন একথা বলারার পর সে আমার উপর ক্ষিপ্ত হয় আমি বিষয়টি ইউনিয়ন ভুমি অফিসে জানাই । গত রোববার (৩০ আগষ্ট) আমি এবং আমার বাবার নামে আদালত থেকে সমন এসেছে তারপর আমরা জানতে পারলাম এবাদত আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে । আমরা এই মিথ্যা ও হয়রানি মূলক মামলা থেকে রেহাই চাই। ওই গ্রামের বাসিন্দা হাজী চুন্নু গাজী (৭১) বলেন, এবাদত ও তার স্ত্রী মামলা বাজ। বিগত ১০-১২ বছর এলাকার অনেক লোকের বিরুদ্ধে সে মামলা করেছে। আবার টাকার বিনিময়ে মামলা মিটিয়ে ফেলে। তাকে এলাকার লোক এখন মামলাবাজ নামেই জানে ।

ওই গ্রামের মনির গাজীর স্ত্রী শিখা বেগম (৪০) বলেন, আমার জায়গা তেকে পানি তার গায়গায় যাওয়ার কারনে সে আমার স্বামীরর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলা দিয়েছিলো পরে আমরা সাত হাজার টাকা দিয়ে তার সাথে মিটমাট করি। বুধবার বেলা ১১ টায় উরফি উইনিযনের ডুমদিয়া গাজী বাড়ি সংবাদ সম্মেলন করে এসব কথা বলেন ভুক্তভোগি পরিবারগুলো। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইমদাদ গাজি । এসময় এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে ডুমদিয়া ইউনিয়নের সহকারি ভুমি কর্মকর্তা কাজী ফজলুল হক বলেন, গাছ কাটা ও সরকারি জায়গায় কাজ করার একটা অভিযোগ এসেছিলো অভিযোগের ভিত্তিতে আমি সেখানে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। আমরা সার্ভেয়ার এনে ওই জায়গা পরিমাপ করে তারপর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

এ বিষয় এবাদতের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে কথা গুলো উঠেছে নতা সম্পূর্ণ মিথ্য। আমাকে পূর্ব থেকে তারা অত্যাচার করে আসছে । যা গ্রাম বসির সাথে কথা বললে জানাযাবে।

ইশা ছাত্র আন্দোলন খুলনা মহানগরীর মাসিক সভা

খবর বিজ্ঞপ্তি

বুধবার বিকেল ৩টায় ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন খুলনা মহানগরীর মাসিক সভা শাখা সভাপতি এইচ এম খালিদ সাইফুল্লাহ এর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মঈনুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় নগরীর পাওয়ার হাউস মোড়¯’ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্তিত ছিলেন নগর সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম ইসলাম আবির সহ আরো ছিলেন মঈনুূদ্দিন মাহদী হাসান মুন্না, মাহদী হাসান আব্দুল্লাহ আল মামুন শাকির, হাবিবুল্লাহ মেজবাহ,আবু বকর সিদ্দিকি, আব্দুল্লাহ, ইয়ামিন মোল্লা, মানজুরুল হুদা, আব্দুল্লাহ আলমামুন বনি আমিন,রাকিব গোলদার, সহ প্রমুখ।

প্রতাপনগরে পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েন ও জেলা পুলিশের ত্রাণ বিতরণ

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নে প্লাবনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম (বার)। বুধবার তিনি প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনকালে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এ্যাসোসিয়েশন ও জেলা পুলিশ, সাতক্ষীরার উদ্যোগে সুপার সাইকোনে পাউবো’র ভেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে এবং পরবর্তীতে নদীর পানি অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ও প্রচুর বৃষ্টিপাতে রিং বাঁধ ভেঙ্গে প্রতাপনগর ইউনিয়নের প্লাবিত মানুষদের দুর্ভোগ দুর্গতি লাঘবে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়া প্লাবিত এলাকার অবস্থা দেখা ও অসহায় মানুষের সাথে কথা বলে তাদের মানবেতর জীবন যাপনের পরিস্থিতি অবলোকন করেন পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান। এসময় সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) শেখ ইয়াছিন আলী, অফিসার ইনচার্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা মোঃ মহিদুল ইসলাম, আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ গোলাম কবির, আশাশুনি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ জাকির হোসেন, আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আলমগীর আলম লিটন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যানের দুর্নীতির প্রতিকারে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, জাল কাগজপত্র প্রদর্শন করে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স গ্রহন ও এলাকার অসহায় মানুষদের সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত করে আত্মসাতের প্রতিকার প্রার্থনা করে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। শুভদ্রাকাঠি গ্রামের সোহরাব হোসেন, প্রতাপনগর গ্রামের হেলাল উজ্জামান, আব্দুস সামাদ মহলদার, মাহামুদুল হাসান মিলন, জিয়াউর রহমান, কুড়িকাহনিয়ার নূরে আলম বাদী হয়ে দুদক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, তথ্য ও জন প্রশাসন মন্ত্রণালয় বরাবর লিখিত অভিযোগে জানাগেছে, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন বিগত  ৯ বছর এলজিএসপি, কাবিখা, কাবিটা, কর্মসৃজন কর্মসূচি. জিআর ও আন্তঃ খেয়াঘাটের ১% টাকাসহ বিভিন্ন ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে কোটি কোটি আত্মসাৎ করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত মোবাইলের মাধ্যমে ২৫০০ করে টাকা প্রাপকের নাম, পিতার নাম ঠিক রেখে অনেকের স্থলে নিজের লোকদের মোবাইল নং দিয়ে টাকা আত্মসাৎ, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধি ভাতার নতুন বইয়ের সকল পাতা ছিড়ে ফেলে ৭ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের পর থেকে সরকারি বরাদ্দকৃত ত্রাণের চাউল, নগদ টাকা, ঢেউটিন, শুকনা খাবারসহ অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী এবং বাঁধ রক্ষার কাজের শ্রমিকদের মজুরী (চাউল) না দিয়ে সিংহ ভাগ আত্মসাৎ করেছেন। ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন টিভি চ্যানেল ও পত্রিকায় ফলাও করে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া করোনার জন্য সরকাারি সহায়তা ৩ লক্ষ ৭৪ হাজার টাকা নিয়ে স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম ও আত্মসাতের ঘটনার অভিযোগ রয়েছে। গ্রাম পুলিশ ইব্রাহিমের পরিবারের ৯জনকে, ৯নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বারের স্বামী আমিরুল ও ছেলে শাহজালালকে, পোষ্ট মাস্টার আসাদুল সেখ, তার ভাই পুলিশে কর্মরত রবিউলের মা ও স্ত্রীকে, ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত আসমাউল হুসনা ও তার বোনসহ অগণিত মানুষকে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এমনকি রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন এনজিও’র সহায়তার তালিকায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে তাদের নাম দেওয়া হয়েছে। সরকারি নিয়মকে তুয়াক্কা না করে তিনি ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হয়ে নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রতাপনগর মাদরাসার অবৈধ কমিটির বিরুদ্ধে আদালতে ১১৮/১৭ নং মামলা বিচারাধীন থাকলেও তিনি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বোর্ড গঠনের পায়তারা চালাচ্ছেন উল্লেখ করে অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান জাল আয়কর জমার রশিদ দেখিয়ে ২টি আগ্নেয়াস্ত্র গ্রহন করেছেন। বিদ্যুতের মিটার করিয়ে দেওয়ার নামে ক্যাডার মুকুল হোসেনের মাধ্যমে এলাকা থেকে প্রতি জনের নিকট থেকে ২৩০০ টাকা করে ৪০/৫০ লক্ষ টাকা এবং ভিজিডি কার্ডধারী ৩৮৫ জনের নিকট থেকে ২০০ টাকা করে একাউন্টে জামা রাখা হবে বলে ২৫০ টাকা করে কেটে রাখা হয়েছে। অতিঃ ৫০ টাকা ফেরৎ দেওয়া হয়নি এবং একাউন্টেও টাকা জমা হয়নি বলে অভিযোগ করে তারা আরও বলেন, সুশীলনের প্রকল্পের আওতায় মৎস্য ঘের নাই এমন ব্যক্তি আসমাউল হুসনা, আমজাদ মেকানিক, মজিদ শেখ, শাহ আলমসহ ৫০ জনের তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। যাদেরকে ৫০০০ টাকা করে সহায়তা প্রদান করা হবে। এমনকি ভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতকারী চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য দাবী জানান হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, সকল ত্রাণ ও সহায়তা যথাযথ ভাবে ডিসি মহোদয়ের তদারকিতে এবং ইউএনও প্রতিনিধি ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে বিতরণ করা হয়েছে। কোন অনিয়ম দুর্নীতি করা হয়নি। সকল বরাদ্দ যথা নিয়মে বিতরণ ও কাজে লাগান হয়েছে। কোন আত্মসাতের সামান্যতম ঘটনা ঘটেনি। বরং বাঁধ রক্ষাসহ অসহায় মানুষের পাশে থেকে ব্যক্তিগত তহবিল হতে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করেছি। হিংসাত্মক ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে তিনি দাবী করেন।

শ্রীরামকাটি স্কুলের শিক্ষক ও কমিটির সাথে মতবিনিময়

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনি উপজেলার শ্রীরামকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও এসএমসি সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে জুম এ্যাপসের মাধ্যমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ব্যবস্থাপনায় বিকাল ৩.৫০-৫.০০ পর্যন্ত জুম ্এ্যাপসের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় করোনা কালীন করণীয়, শিক্ষার্থীদের পাঠদানের অগ্রগতি বিশেষ করে রেডিও, সংসদ টিভিতে সম্প্রচারিত পাঠদানের সাথে শিক্ষার্থীদের সংযুক্ত করা, ধারাবাহিক মূল্যায়ন, এসএমসির করণীয়, শিক্ষকদের করণীয় ইত্যাদি বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা। শিক্ষার্থীদের সাথে যোগাযোগ সহ ধারাবাহিক মূল্যায়ন, সংসদ টিভি এবং বেতারে নিয়মিত পাঠ দেখা এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার জন্য ইউএনও মীর আলিফ রেজা পরামর্শ প্রদান করেন। সভায় এসএমসির সভাপতি, সদস্য, অভিভাবক এবং প্রধান শিক্ষক আলোচনা রাখেন।

প্রতাপনগরে সরকারি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগরে অসহায় মানুষের মাঝে সরকারি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অতিবৃষ্টি ও অস্বাভাবিক জোয়ারে পানিতে বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত পানি বন্দি মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে। এসময় অসহায় মানুষদের খাদ্য সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামালের তত্ত্বাবধানে ও আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনোনীত ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতে শিশু খাদ্য, চিড়া, চিনি, সুজি, গুড়, মুড়ি সহ শুকনা খাবার এবং অন্যান্য মালামাল বিতরণ করা হয়। ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ উদ্বোধন করেন, ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ -সভাপতি ও প্রতাপনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ জাকির হোসেন। এসময় ইউপি সচিব খায়রুল ইসলাম, ইউপি সদস্য/সদস্যা, গ্রাম পুলিশ, রাজনৈতিক ও গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আশাশুনিতে মামলায় স্বাক্ষীকে পিটিয়ে পা ভেঙ্গে দেওয়ার অভিযোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানম্যানের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মামলার স্বাক্ষী হারুন শিকারীকে প্রকাশ্য দিবালোকে হামলা চালিয়ে দু’পা ভেঙ্গে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার রাজাপুর বৌবাজার সানা এন্টারপ্রাইজে এলোমহর্ষক ঘটনা ঘটে। আহত ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, আনুলিয়া ্ইউনিয়নে ৪নং ওয়ার্ডে দীর্ঘদিনের বঞ্চিত ইউপি সদস্য শাহাবুদ্দীন সানা বিগত ১০ বছরে আনুলিয়া ইউনিয়নের আলমগীর আলম লিটনের স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম, দূনীতির ফিরিস্তি তুলে ধরে গত ৬ আগষ্ট সাতক্ষীরা স্পেশাল জজ আদালতে (৭ নং) মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বিজ্ঞ আদালত দুদক চেয়ারম্যানের উপর তদন্তভার অর্পন করেন। মামলা হওয়ার পর দূনীতি বাজ চেয়ারম্যান ও তার একান্ত সহযোগী ইউপি সদস্য আলম, শতকাত হোসেন, জিয়ারুল ও  সুজনসহ ১০/১২জন সন্ত্রাসী স্টাইলে হারুনের উপর অর্তকিতে হামলা চালায়।  এছাড়া মামলার বাদী ও স্বাক্ষীদের দফায় দফায় জীবন নাশের হুমকী দেওয়া হচ্ছে। এনিয়ে চেয়ারম্যান লিটনসহ তার সহযোগিদের নামে থানায় জিডি করা হয়েছে (যার জিডি নং-৫৬০)। মধ্যম একসরার মৃত জেহের আলী শিকারীর ছেলে হারুন শিকারী স্বাক্ষী হওয়ায় তার উপর দীর্ঘদিন চাপ সৃষ্টি করায় রাজি না হওয়ায় এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ক্ষতি গ্রস্থ পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। এব্যাপারে আনুলিয়া ইউনিয়নের আ’লীগের সাধারন সম্পাদক ফারুক হোসেনর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিগত ১১সাল হতে অদ্যাবধি চেয়ারম্যান লিটনের অনিয়ম দূনীতির কথা আমি যদি বলি আপনারা সাংবাদিকরা লিখে শেষ করতে পারবেন না। তার ক্ষমতার দাপট সন্ত্রাসী বাহিনী আনুলিয়া ইউনিয়নের অসহায় সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে। বিচারের নামে ইউনিয়টিতে চলছে জুলুম অত্যাচার আর নির্যাতন। আমি আ’লীগের পক্ষ থেকে জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের কাছে সরেজমীনে তদন্ত পূর্বক তার দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে ইউনিয়নের মুজিব আদর্শের সৈনিকদের উজ্জীবিত করার করার দাবী জানাই। পাশাপাশি যে কোন মুহুর্তে আমি সহ আমার পরিবার চেয়ারম্যান লিটনের সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক জানমাল হারানোর স¤া¢বনা বিদ্যমান বলে আমি মনে করি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত খবর পেয়ে আশাশুনি থানার ওসি মোহাম্মদ গোলাম কবির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে জানাগেছে।

জেলা গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির শোক

আশাশুনি প্রতিনিধি

কলারোয়া উপজেলা গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সভাপতি গ্রাম ডাক্তার নজরুল ইসলামের মাতা রোকিয়া বেগম (৮৫) ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি অইন্না ইলায়হি রাজেউন)। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১০.২০ টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা তার নিজস্ব বাসভবনে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। বুধবার বাদ যোহর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন করা হয়। তার মুত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতি সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি গ্রাম ডাক্তার মাহবুবুর রহমান, সহ সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফফার, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ হোসেন বাবু, দপ্তর সম্পাদক অর্পূব মজুমদার, প্রচার সম্পাদক মোঃ রফিক আহম্মেদ, সমাজসেবা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, অর্নিবান সরকার, রিপন ঢালি, এম এ হাসান, নান্টু পদ পাল, আলমঙ্গীর হোসেন, জামিলুল বাশার, আনোয়ার হোসেন, আবু বককার প্রমূখ।

বড়দলে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে গোয়ালডাংগা বাজার চত্বরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বড়দল ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি রফিক ফকিরের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক আজহারুল ইসলাম ম›ন্টুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, যুবদল সভাপতি আজগার মোড়ল, কৃষকদল সভাপতি বদরুল ফকির, মৎসজিবীদল সাধারণ সম্পাদক তাহের ইকবাল জুয়েল। সভায় অন্যদের মধ্যে হাফিজুল ইসলাম ফকির, আরিফুল ইসলাম বকুল শিকারী, রেজাউল সরদার, ছালাম সরদার, শরিফ্লু ইসলাম শরিফ, সাইফুল্লাহ, মামুন, রমজান, আকরাম হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ঝিনাইদহে অস্বচ্ছল নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন প্রদান

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের এলজিএসপি-৩ বিবিজি ২য় কিস্তির অর্থায়নে ঝিনাইদহের ফুরসন্ধি ইউনিয়ন পরিষদে অস্বচ্ছল নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেঞ্চ এবং কমিউনিটি কিনিকে চেয়ার প্রদান করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে ফুরসন্ধি ইউনিয়ন পরিষদে এ আয়োজন করেন। ফুরসন্ধি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. মোঃ আব্দুল মালেক মিনা এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ ডিষ্ট্রিক্ট ফ্যাসিলেটেটর (ডিএফ) আব্দুল্লাহ্ আহম্মদ ইমন বিন রেজা, হরিশংকরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ছাব্দার আলী, ফুরসন্ধি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ রবিউজ্জামান, প্যানেল চেয়ারম্যান কবির হোসেন ও ইউপি সদস্যসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। পরে অস্বচ্ছল নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেঞ্চ এবং কমিউনিটি কিনিকে চেয়ার প্রদান করা হয়।

ঝিনাইদহের করোনা জয়ী অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সেলিম রেজাকে ফুলেল শুভেচ্ছা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

সবার প্রিয় মানুষ করোনা যোদ্ধা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ সেলিম রেজা সকলের দোয়ায় আল্লাহর অশেষ রহমতে অবশেষে করোনা থেকে মুক্তি লাভ করেছেন। মঙ্গলবার তিনি করোনা জয় করে কর্মস্থলে ফিরেছেন। এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে অভিনন্দন জানানো হয়। পরে বুধবার দুপুরে তার নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ঝিনাইদহ প্রেসকাবের সহ-সভাপতি ও এস এ টিভি ও দৈনিক বণিকবার্তা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি এবং দৈনিক নওয়াপাড়া পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি ফয়সাল আহমেদ তাকে ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে অভিনন্দন জানান।

নৌ-যান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের কমিটি গঠন

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাংলাদেশ নৌ-যান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের বাগেরহাটের মোংলা শাখার কমিটি গঠন করা হয়েছে। বাংলাদেশ নৌ-যান শ্রমিক ও কর্মচরী ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক সবুজ শিকদার স্বাক্ষরিত মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর নিশ্চিত করেছেন। কমিটির নেতৃবৃন্দরা হলেন এস.এম মনিরুল ইসলাম (মাষ্টার) সভাপতি, মো. কাওছার শেখ(মাষ্টার) (সাধারণ সম্পাদক), মো. রুবেল হোসেন (কার্যকরী সভাপতি), মো. শহিদুল ইসলাম (সহ-সভাপতি), রবিউল ইসলাম যুগ্ম (সাধারণ সম্পাদক), মাসুদ করিম (সাংগঠনিক সম্পাদক), সাদ্দাম হোসেন (অর্থ সম্পাদক), সবুজ রাজ (প্রচার সম্পাদক), সাইফুল ইসলাম (ক্রিড়া সম্পাদক), শাওন অপু(শ্রম ও আইন বিষয়ক সম্পাদক), মইনুল ইসলাম(সাহিত্য ও সংস্কৃতিক সম্পাদক) সহ ৩১সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।