স্পোর্টস ডেস্ক
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ। যেখানে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করা বাংলাদেশ তিন উইকেট হারিয়ে ১০১ রান করেছে। তবে এখনও স্বাগতিকরা ১০১ রানে পিছিয়ে রয়েছে। মাহমুদুল হাসান জয় ৩৮ ও মুশফিকুর রহিম ৩১ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছেড়েছেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দ্রুতই ২ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। দলীয় ৪ রানের মাথায় কাগিসো রাবাদার একই ওভারে সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক বিদায় নেন।
কেশভ মাহারাজের বলে এলবি হয়ে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ফিরলে তৃতীয় উইকেটের পতন হয় বাংলাদেশের। তিনি ৪৯ বলে ২টি চার ও একটি ছক্কায় ২৩ রান করেন। তৃতীয় উইকেট জুটিতে তিনি ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়ের সঙ্গে ৯৮ বলে ৫৫ রান তোলেন।
এরপর অবশ্য আর কোনো বিপদ হতে দেননি জয় ও মুশফিক। তারা চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৫০ বলে ৪২ রানে করে অবিচ্ছিন্ন থেকে মাঠ ছেড়েছেন।
এর আগে দ. আফ্রিকার প্রথম ইনিংস ৩০৮ রানে শেষ হয়। ২০২ রানের লিড নিয়েছে দলটি। আজ মঙ্গলবার সকালটা ভালো শুরু করেছিল প্রোটিয়ারা। সপ্তম উইকেট জুটিতে কাইল ভেরেইনে ও উইয়ান মুল্ডার ১১৯ রান তোলেন। অবশেষে এই জুটি ভাঙেন হাসান মাহমুদ। তিনি ফিফটি করা মুল্ডারকে স্লিপে থাকা সাদমান ইসলামের ক্যাচে ফেরান। মুল্ডার ১১২ বলে ৮টি চারে ৫৪ রান করেন। হাসান পরের বলেই শূন্য রানে কেশভ মাহারাজকে বিদায় করে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান। প্রোটিয়াদের নমব উইকেট তুলে নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তিনি ৮৭ বলে ৩২ রান করা ড্যান পিটকে ফেরান।
সাতে ব্যাট করা কাইল ভেরেইনে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন। ১৩৪ বলে তিন অংকের দেখা পেয়েছেন তিনি। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। তবে সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে তিনি আউট শেষ হয় সফরকারীদের ইনিংস। ১৪৪ বলে ৮টি চার ও ২টি ছক্কায় ১১৪ রান করেছে।
এর আগের দিন গতকাল আলোকস্বল্পতার কারণে প্রথম দিনের খেলা ১৫ মিনিট আগেই শেষ করা হয়। তাই আজ দ্বিতীয় দিনের খেলা ১৫ মিনিট আগে শুরু হয়েছে।
আজ মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৬ উইকেটে ১৪০ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেখান থেকে আজ সকাল থেকে দলকে এগিয়ে নেনভেরেইনা ও মুল্ডার।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ১০৬ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ৯৯ রানে ৫ উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ১০৮ রানে ৬ উইকেট হারায় তারা। দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেট পান এই ম্যাচে বাংলাদেশ দলে খেলা একমাত্র পেসার হাসান মাহমুদ। বাকি ৫ উইকেটই নেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম।










































