স্টাফ রিপোর্টার।।
খুলনা জেলার ডুমুরিয়ার শরাফপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম রবি হত্যা মামলার এজহারভুক্ত ৫নং আসামি জেলা আওয়ামী নেতা উপজেলা নির্বাচনে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আজগর বিশ্বাস তারা ও মো. সাইফুল ইসলাম সরদারকে ৫দিনের রিমাণ্ড শেষে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।
রবিবার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ শাহিনুর রহমান ৫দিনের রিমাণ্ড শেষে তারা বিশ্বাস ও সাইফুল ইসলামকে আদালতে হাজির করেন। এসময় অতিরিক্ত সিজিএম আদালতের বিচারক ইসরাত জাহান তামান্না তাদের জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ প্রদান করেছেন। এর আগে গত ৯ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ শাহিনুর রহমান আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০দিনের রিমাণ্ডের আবেদন করেছিলেন। তারা বিশ্বাস নগরীর লাইন বিল পাবলা এলাকার মো. হারেজ উদ্দীন বিশ^াসের ছেলে এবং সাইফুল ইসলাম গুটুদিয়া গ্রামের ফজলে সরদারের ছেলে।
মামলা সুত্রে জানা যায়, ৬ জুলাই রাত পৌঁনে ১০টার দিকে ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া ওয়াপদার মোড় নামকস্থানে র্দুর্বৃত্তদের গুলিতে শরাফপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা শেখ রবিউল ইসলাম রবি (৪৬) নিহত হন। ঐ দিন তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও ভূমিমন্ত্রী নারায়ণচন্দ্র চন্দের সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। সন্ধ্যায় তিনি ডুমুরিয়া উপজেলা সদরের শহিদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা শেষে মোটরসাইকেলে একা খুলনার বাসার উদ্দেশে রওনা দেন। রাত পৌঁনে ১০টার দিকে তিনি খুলনা-সাতক্ষীরা সড়কের গুটুদিয়া ওয়াপদার মোড় নামকস্থানে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে পেছন দিক থেকে বেশ কয়েকটি গুলি করে পালিয়ে যায়। এ সময় তার পিঠে ৫টি গুলি বিদ্ধ হয়ে রাস্তার ওপর লুটিয়ে পড়েন। গুলির শব্দ শুনে পরে স্থানীয় লোকজন তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে রাত সোয়া ১০টার দিকে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত. বলে ঘোষণা করেন। এঘটনায় নিহত চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম রবি’র স্ত্রী শায়লা ইরিন বাদী হয়ে ৭জনের নাম উল্লেখ করে ডুমুরিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন যার নং- ৪।










































