ওয়ার্ড বিএনপি নেতা নিশাতের মায়ের ইন্তেকালে বিএনপির শোক
।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খুলনা মহানগরীর খালিশপুর থানার অন্তর্গত ১২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য ও খুলনা মহানগর জাসাস’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুজ্জামান নিশাতের মাতা শনিবার রাত রাত সাড়ে ৯টায় ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। নিশাতের মায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল, মহানগর বিএনপির আহবায়ক এ্যাড. এস এম শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান, মহানগর বিএনপি’র সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী প্রমূখ।
অনুরূপ বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা মহানগরীর সকল থানা বিএনপির নেতৃবৃন্দ। শোক বার্তায় বিবৃতিদাতারা মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন। এদিকে রবিবার মরহুমার নামাজে জানাজায় মহানগর বিএনপির আহবায়ক এ্যাড. এস এম শফিকুল আলম মনা ও সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিনসহ বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
দামুড়হুদা( চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গা জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১০ টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমার সভাপতিত্বে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটি, জেলা সড়ক নিরাপত্তা কমিটি; সড়ক দুর্ঘটনা হতাহতদের নির্ভুল ও সমন্বিত পরিসংখ্যান প্রণয়ন; আদালত সহায়তা, মানব পাচার প্রতিরোধ, সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ, চোরাচালান নিরোধ, অনিস্পন্ন চোরাচালান মামলাসমূহ সম্পর্কে মনিটরিং সেলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান, পিপিএম-সেবা।এসময়
আরোও উপস্থিত ছিলেন জেলার বিভিন্ন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌর চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ,সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।
চুয়াডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা
দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার সকাল সাড়ে ৯ টায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধপাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস- ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে “মাদকের আগ্রাসন দৃশ্যমান প্রতিরোধেই সমাধান” প্রতিপাদ্যে জেলা প্রশাসন চুয়াডাঙ্গার আয়োজনে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, চুয়াডাঙ্গার সহযোগিতায় বর্ণাঢ্য র্যালি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কনফারেন্স রুমে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান, পিপিএম-সেবা, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান মনজু, চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, পিপিএম-সেবা, (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্),চুয়াডাঙ্গা কার্যালয়ের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শিরিন আক্তারসহ বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের প্রধানগণ; স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীবৃন্দ।
রামপালে বাড়ীঘরে হামলা ভাংচুর হত্যার হুমকির অভিযোগ
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
রামপালে জমির বিরোধে প্রতিপক্ষরা বাড়ীতে প্রবেশ করে হামলা ভাংচুর ও হত্যার হুমকি প্রদান করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ভুক্তভোগীরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে রামপাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার মানিকনগর গ্রামের মো. সদর আলী নিজ জমিতে ঘর তুলে শান্তিপ্র্ণূভাবে বসবাস করছিলেন। এক সপ্তাহ পূর্বে পার্শবর্তী একই আলের পাশে সদর তার শৌচাগারে কাজ করাচ্ছিলেন। প্রতিপক্ষরা স্থানীয় উজলকুড় ইউপির সদস্য মুজিবর রহমানের নির্দেশে ইশার উদ্দিন, হানিফ শেখ, রাসেল শেখ জোরপূর্বক বাড়ীতে প্ররেশ করে ভাংচুর করে হুমকি দিয়ে বলেন এখানে কোন কাজ করা যাবে না। এ ঘটনায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিরা শালিস করলেও কোন সমাধান পাননি ভুক্তভোগী সদর উদ্দিন। অবশেষে শান্তি শৃঙ্খলা বজয় রাখা এবং আইনি প্রতিকারের আশায় রামপাল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য মুজিবর রহমানের মুৃঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার কাছে হানিফরা জানালে আমি তাদের বলেছি তোরা যা ভালো বুঝিস তাই কর। এমন কথা বলার পরে ইশার উদ্দিন পাইপ ভাংচুর করেছে বলে স্বীকার করে জানান, জমির বিরোধ মিটে গেলে পাইপের ক্ষতিপূরণ দিবো।
রামপাল থানার ওসি (তদন্ত) বিধান চন্দ্র বিশ্বাস জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
কালিগঞ্জে সাহিত্য পরিষদের পুর্নাঙ্গ কমিটি অনুমোদন
কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরা জেলা সাহিত্য পরিষদের কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার পুর্নাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ৫ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ ও ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট কার্য নির্বাহী কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন জেলা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি শহীদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ম.জামান। তাদের স্বাক্ষরিত কমিটিতে সন্মানিত উপদেষ্টা মন্ডলী হলেন অধ্যাপক (অবঃ) গাজী আজিজুর রহমান, কবি মনজুর লুৎফর রহমান, শিক্ষক হাবিবুর রহমান হাবিব, এটিএম রেজাউল হক রেজা ও রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ। অনুমোদিত কার্যকরি কমিটির নেতৃবৃন্দ হলেন সভাপতি অধ্যাপক (অবঃ) এস এম হারুণ উর রশীদ, সিনিঃ সহ সভাপতি সাংবাদিক সুকুমার দাশ বাচ্ছু, সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম মমতাজ হোসেন ও প্রভাষক সেলিম শাহারিয়ার, সাধারণ সম্পাদক আলী সোহরাব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবি আমিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক এম হাফিজুর রহমান শিমুল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহাদাৎ হোসেন সাজু, অর্থ সম্পাদক আফছার উদ্দীন আহমেদ, সহ অর্থ সম্পাদক দীপক কুমার মন্ডল, প্রচার সম্পাদক জি এম পারভেজ, সহ প্রচার সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ঈলাদেবী মল্লিক, সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহেরুন নেছা মিম, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক প্রভাষক রাম প্রসাদ ঘোষ, সহ সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক ইব্রাহিম বাহারী, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক শাহাজান কবির সাজু, সহ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আবু হোসেন ঢালী, সন্মানিত সদস্য যথাক্রমে সম রফিকুল ইসলাম (সমর উদ্ভট), কাজী মোশাররফ হোসেন, জি এম শামছুর রহমান, জিএম আব্দুর রব, শিক্ষিকা কনিকা রানী সরকার, প্রভাষক সাহ জামাল, স্বপন কুমার ঘোষ, শেখ আতিকুর রহমান, নয়ন কুমার দাশ, রাশিদা আক্তার, হাবিবুর ইবনে আয়জদ্দীন, সুজাত হোসেন ও নুসরাত ফারজানা চামেলী, রবিউল ইসলাম ভদ্রবাদি, এস এম মোস্তফা, শেখ অজিবার রহমান ও শাহদাৎ হোসেন। এই কমিটি আগামী দুই বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।কমিটি ১লা জুন ২০২৪ থেকে ৩০ শে জুন ২০২৬ সাল পর্যন্ত মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়।
কালিগঞ্জের নলতায় এন জি এফ এর আয়োজনে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে
কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা নয়াবেঁকী গণমুখী ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে বুধবার (২৬ জুলাই) এনজিএফ এর নলতা শাখায় সমন্বিত কৃষি ইউনিট প্রাণিসম্পদ খাতের আওতায় বেজেরাটি গ্রামের শতাধিক মানুষকে নিয়ে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয় । নলতা শাখার সম্মানিত শাখা ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলামের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এন জি এফ এর সমন্বিত কৃষি ইউনিটের প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা লেয়ার মুরগি পালনের উপর বিস্তারিত আলোচনা করেন, বাচ্চা ব্রুডিং, ভ্যাকসিনেশন, খাদ্য, পানি, আলোক সিডিউল, জীবাণু নাশক স্প্রে এবং মাচায় লেয়ার মুরগি পালনের সুবিধা ইত্যাদি বিষয়ে খামারিদেরকে বিস্তর ধারণা প্রদান করেন। খামারিরা এই ধরনের প্রশিক্ষণ পেয়ে খুবই খুশি, বাস্তব জীবনে লেয়ার মুরগি পালনে এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সফল হওয়ার সম্ভাবনা আশা করা যায়।অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা ও সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন এন জি এফ এর সহকারি কারিগরি কর্মকর্তা যাদব অধিকারী।
রামপাল-মোংলার ৫৩০ জন রোগী চোখের আলো ফিরে পেলো
মোংলা প্রতিনিধি
প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও বাগেরহাটের রামপাল ও মোংলাসহ আশপাশের উপজেলার ৫৩০ জন ছানি পড়া রোগী চোখের আলো ফিরে পেলেন। ঢাকা মেগাসিটি লায়ন্স ক্লাবের সভাপতি লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলামের আর্থিক সহযোগীতায় এ শিবির পরিচালনা করা হয়েছে।
গত ইংরেজি ১৭ মে বড়দিয়া হাজি আরিফ (র.) মাদরাসায় ছানিপড়া, নেত্রনালী ও চোখের মাংশ বৃদ্ধি জনিত রুগীদের বাছাই করা হয়। বাছাইকৃত ছানিপড়া ৩৭৩ জনকে ঢাকা ডাচ আই হাসপাতালে নিয়ে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অপারেশন, লেন্স সংযোজন ও ঔষধ সরবরাহ করা হয়। এ ছাড়াও চোখের মাংশ বৃদ্ধি, নেত্রনালী অপারেশনের জন্য বাছাইকৃত ১২৩ জনের মধ্যে ৮২ জনকেও বিনামূল্যে অপারেশন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ইংরাজি ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া এ চক্ষু শিবিরের মাধ্যমে ৬ সহাস্রাধিক ছানি, নেত্রনালী ও চোখের মাংশ বৃদ্ধি রোগী অপারেশন করা হয়। গত ইংরাজি গত ৩০ জুন থেকে শুরু করে ১১ জুলাই পর্যন্ত অপারেশনের এ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এ ছাড়াও এই চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে প্রায় ৬০ হাজার চক্ষু রোগীকে বিনামূল্য প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ সরবরাহ করা হয়।
এ বিষয়ে ঢাকা মেগাসিটি লায়ন্স ক্লাবের সভাপতি লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, অন্ধত্ব প্রতিরোধ করা একটি মহৎ কাজ। এটা বেশ ব্যায়বহুল ও সময় সাপেক্ষ কার্যক্রম। সেই ২০০৯ সাল থেকে বাগেরহাটের বিভিন্ন উপজেলাসহ খুলনা ও পিরোজপুর জেলার রোগীরা অপারেশন করান এখান থেকে। আল্লাহর রহমতে আমরা রোগীদের সেবা করে আসছি। সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে আরো বেশী ছানিপড়া রোগীদের চিকিৎসা সেবা সম্ভব। এ জন্যে সকলকে এগিয়ে আসার অনুরোধ করেন।
আজ থেকে খুলনায় বৃক্ষমেলা শুরু
তথ্য বিবরণী
‘বৃক্ষ দিয়ে সাজাই দেশ, সমৃদ্ধ করি বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ১৫ দিনব্যাপী খুলনা বিভাগীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা আজ ১৫ জুলাই খুলনা সাকির্ট হাউজ মাঠে শুরু হবে। বিকেল চারটায় এ মেলার উদ্বোধন করবেন বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ। এর আগে বৃক্ষমেলা উপলক্ষ্যে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হবে।
ইউএনডিপি’র আয়োজনে নগর উন্নয়নে কর্মশালা অনুষ্ঠিত
তথ্য বিবরণী
যুবসমাজকে কাজে লাগিয়ে খুলনা নগরীকে কীভাবে একটি পরিচ্ছন্ন ও উন্নত শহরে রূপান্তরিত করা যায় সে বিষয়ে দিনব্যাপী একটি কর্মশালা রবিবার নগরীর হোটেল গ্র্যান্ড প্লাসিডে অনুষ্ঠিত হয়। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার সমাপনীতে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, একটি উন্নত শহর তৈরিতে সুন্দর পরিকল্পনা প্রয়োজন। সুপেয় পানির উৎস সংকুচিত হওয়ায় নগর উন্নয়নে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। এই সমস্যা সমাধানে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন। সবকিছু সঠিক পরিকল্পনা অনুযায়ী হওয়া প্রয়োজন।
সমাপনী কর্মশালায় কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লস্কার তাজুল ইসলাম, কেসিসি’র প্যানেল মেয়র এ্যাড. মেমরী সুফিয়া রহমান শুনু, ইউএনডিপি বাংলাদেশের ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনাফি ডায়াবেথি প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
কর্মশালায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কেসিসি’র বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিসভা অনুষ্ঠিত
তথ্য বিবরনী
খুলনায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৪ উদযাপন বিষয়ক জেলা কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা রবিবার বিকেলে জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীনের সভাপতিত্ব তাঁর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জানানো হয়, আগামী ৩০ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন করা হবে। ৩১ জুলাই সকাল নয়টায় শহিদ হাদিস পার্কের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, সাড়ে নয়টায় শহিদ হাদিস পার্ক থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় পর্যন্ত শোভাযাত্রা এবং সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। ৫ আগস্ট সকাল ১০টায় গল্লামারী মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের সম্মেলনকক্ষে মৎস্য সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া মৎস্য সপ্তাহ চলাকালে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে।
সভায় আরও জানানো হয়, ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশে^ প্রথম, মুক্তজলাশয়ে মাছ আহরণে দ্বিতীয়, তেলাপিয়া উৎপাদনে চতুর্থ এবং সামুদ্রিক মৎস্য আহরণে ২৫তম। খুলনা জেলায় বাৎসরিক মাছের চাহিদা ৫৭ হাজার ২০৪ মেট্রিক টন এর বিপরীতে মাছের উৎপাদন এক লাখ ২২ হাজার ৩৫৭ মেট্রিক টন। জেলায় চিংড়ির মোট উৎপাদন বাৎসরিক ২৫ হাজার ৩৭৫ মেট্রিক টন এবং খুলনা অঞ্চল থেকে বিগত অর্থবছরে মৎস্যপণ্য রপ্তানির পরিমাণ ২৮ হাজার ৩১৬ মেট্রিক টন।
সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ নাজমুল হুসেইন খাঁন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়দেব পাল, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী এবং মৎস্যচাষি ও মৎস্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
রামপালে যুবকের আত্মহত্যা
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
রামপালের সোনাতুনিয়া গ্রামের মো. মজনু শেখ (৩৮) নামের এক যুবকের আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। রবিবার (১৪ জুলাই) ভোর অনুমান ৬ টায় ঘরের বারান্দার রুয়ার সাথে রশি ঝুলে আত্মহত্যা করে। সে উপজেলার সোনাতনিয়া গ্রামের জলিল শেখ ছেলে। ফিরোজা বেগম সাং সোনাতনিয়া রামপাল থানা অদ্য রাত অনুমান ১২ঃ০০ ঘটিকার পরে বারান্দায় ঘুমিয়ে পড়ে এবং তার স্ত্রী নূরজাহান মেয়েকে নিয়ে ঘরের ভিতর ঘুমিয়ে পড়ে। এ ঘটনায় রামপাল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭ টায় তার স্ত্রী নূরজাহান বেগম দেখতে পেয়ে ডাক চিৎকার দেয়। এসময় আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে মজনু ওরফে মনুকে বারান্দার আড়ার সাথে গলায় ফাঁস দেয়া দেখতে পান । জানা গেছে মজনুর সাথে স্ত্রী নূরজাহানের সাথে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জের ধরে সে আত্মহত্যা করতে পারে। খবর পেয়ে ফয়লা পুলিশ ফাড়ির এসআই ইসমাইল হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করেছেন। এ ব্যাপারে রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাশ এর সাথে কথা হলে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, ময়না তদন্তের জন্যে বাগেরহাট মর্গে পাঠানো হয়েছে। কি কারণে বা কেন আত্মহত্যা করেছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পিরোজপুরে স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত
পিরোজপুর প্রতিনিধি:
জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, পল্লীবন্ধু, সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ এর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকীতে পিরোজপুর জেলা জাতীয় পার্টি, সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠন (১৪ জুলাই) রবিবার বিকেল চার ঘটিকার সময়ে পিরোজপুর চেম্বার অফ কমার্স অফিস কার্যালয়ে স্মরণসভা ও দোয়ার আয়োজন করেছেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হয়ে দোয়া অংশগ্রহণ করেন। ৬৮ হাজার গ্রাম বাঁচলে, বাংলাদেশ বাঁচবে -পল্লীবন্ধু এরশাদ। সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, পল্লীবন্ধু হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ এর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকীতে, গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি, স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা ও দোয়া পরিচালনা করেন, জাতীয় ওলামা পার্টির, পিরোজপুর জেলা শাখার অন্যতম নেতা জনাব মোঃ মহিউদ্দিন জিহাদি। সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ বশির আহমেদ সদস্য সচিব জেলা জাতীয় পার্টি ও সভাপতি, জাতীয় যুবসংহতী পিরোজপুর জেলা শাখা। আরো উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় পার্টির উপদেষ্টা মন্ডলী, সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, অঙ্গসংগঠন ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
উক্ত স্বরন সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ দেশ ও জাতির কল্যাণে সব সময়ের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমরা তার রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।
খুবিতে শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সর্বাত্মক কর্মবিরতি অব্যাহত
খবর বিজ্ঞপ্তি
সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, সুপার গ্রেডে অন্তর্ভুক্তিকরণ ও স্বতন্ত্র বেতন স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে ১৪ জুলাই (রোববার) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের সর্বাত্মক কর্মবিরতির ১৪তম দিন অতিবাহিত হয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন ও দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির আহ্বানে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সমিতির আয়োজনে এ কর্মবিরতি অব্যাহত রয়েছে।
সর্বাত্মক কর্মবিরতির কারণে সকল ডিসিপ্লিনের ক্লাস, অনলাইন, সান্ধ্যকালীন ক্লাস, প্রফেশনাল কোর্সের ক্লাস, মিডটার্ম, ফাইনাল ও ভর্তি পরীক্ষাসহ সকল ধরনের পরীক্ষা ও দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বৈষম্যমূলক ও মর্যাদাহানিকর প্রত্যয় স্কিম থেকে শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি প্রত্যাহার, স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তন, সুপার গ্রেড এ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তির দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ সর্বাত্মক কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।
এদিকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি চলাকালে দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত শিক্ষকরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. এস এম ফিরোজের সভাপতিত্বে এবং সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. তরুণ কান্তি বোস এর সঞ্চালনায় অবস্থান কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষকরা বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন।
অপরদিকে সর্বজনীন পেনশন বিধিমালা-২০২৩ এর প্রত্যয় স্কিম থেকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রত্যাহার এবং নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদোন্নয়নের ক্ষেত্রে ইউজিসি কর্তৃক সুপারিশকৃত অভিন্ন নীতিমালায় বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের ১২ দফা অন্তর্ভুক্তির দাবিতে টানা ষষ্ঠ দিন পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। কর্মবিরতি চলাকালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরিষদের সভাপতি উপ-রেজিস্ট্রার দীপক চন্দ্র মন্ডলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক উপ-রেজিস্ট্রার মো. শহিদুল আলম হাওলাদারের সঞ্চালনায় অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়।
অবস্থান কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য রাখেন উপ-রেজিস্ট্রার বেগম সামছুন নাহার শিমুল, মোসাম্মৎ গুলশান আরা, সহকারী রেজিস্ট্রার অলোকা রানী দাস, মোঃ রফিকুল ইসলাম বাবু, মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সানজিদা আক্তার সোমা, সহকারী পরিচালক সাহারা বানুসহ প্রমুখ। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্যাম্পাসে মৌন মিছিল বের করেন। মৌন মিছিলটি ক্যাম্পাসের হাদী চত্বর থেকে শুরু করে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় হাদী চত্বরে এসে শেষ হয়।
নির্বাচনে জয়ী হলে চন্ডীবরপুর ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নে পরিণত করবো: চেয়ারম্যান প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন
মোঃ তাহের, নড়াইল প্রতিনিধিঃ
নির্বাচনে জয়ী হলে চন্ডীবরপুর ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নে পরিণত করার ঘোষনা দিয়েছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন। ইউনিয়নের মানুষের পাশে থেকে তাঁদের ভাগ্যোন্নয়নে শরিক হতে চাই। আমাদের পরিবারের সদস্যরা ইউনিয়নের মানুষকে সবসময় সেবা দেওয়ার চেষ্টা করে থাকেন। তার অংশ হিসেবে আমার বড়ভাই মোঃ বখতিয়ার হোসেনও চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত হয়ে জনগণকে সেবা দিয়েছেন। জেলার ঐতিহ্যবাহী এ ইউনিয়নের উন্নয়নের জন্য যা যা করা দরকার তা নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য, জাতীয় সংসদের হুইপ তারুণ্যের অহংকার মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার সহযোগিতা নিয়ে সম্পন্ন করতে চাই। ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বিভিন্ন এলাকার কাঁচা রাস্তা পাকাকরণসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন ও পড়ালেখার মানোন্নয়ন ঘটাতে চাই। মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করে বলেন, আমি আগেও এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলাম। তখনও চেষ্টা করছি ইউনিয়নকে সন্ত্রাস, মাদক ও জুয়ামুক্ত করতে। আমি এবার নির্বাচনে জয়ী হলে চন্ডীবরপুর ইউনিয়ন হবে সন্ত্রাস, মাদক ও জুয়ামুক্ত। ইউনিয়ন পরিষদকে করব ঘুষ ও দূর্নীতিমুক্ত। আমার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করব ইউনিয়নের মানুষের সেবা করে যেতে। আসন্ন নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডীবরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন আগামি ২৭ জুলাই। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইউনিয়নের ভোটারদের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া মহল্লা সর্বত্রই চলছে নির্বাচনী আলোচনা-সমালোচনা। নির্বাচনে আনারস প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও চন্ডীবরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ভোটারদের আস্থাভাজন মোঃ সাজ্জাদ হোসেন নিয়মিতভাবে প্রচার-প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। সমর্থকদের সাথে নিয়ে সভা-সমাবেশ, লিফলেট বিতরণ করে চলেছেন।রতডাঙ্গা গ্রাম তথা চন্ডীবরপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান সাজ্জাদ হোসেন দীর্ঘদিন যাবৎ ইউনিয়নের উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছেন। সুখে.দু:খে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এ কারণেই ভোটারদেরও পছন্দের শীর্ষে রয়েছেন তিনি (মোঃ সাজ্জাদ হোসেন) বলে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ মন্তব্য করেছেন।রতডাঙ্গা গ্রামসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের একাধিক নারী-পুরুষ ভোটার বলেন, আমরা সুখে-দুখে, বিপদে-আপদে সবসময় সাজ্জাদ হোসেনকে পাশে পাই। আমরা তাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবো ইনশাআল্লাহ। সাজ্জাদ হোসেন বিগত দিনে যখন এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন তখনও তিনি ইউনিয়নের জনগণের জন্য কাজ করেছেন এখনও করবেন বলে আমরা আশাবাদী। মডেল ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ের জন্য সাজ্জাদ হোসেনের বিকল্প নেই বলে তারা জানান।উল্লেখ্য মোঃ সাজ্জাদ হোসেন ২০১১ সালে বিপূল ভোটে এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়ে ২০১৬ সাল পর্যন্ত কর্মদক্ষতা দিয়ে সাফল্যের সঙ্গে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।
নড়াইলে মাদক দ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত
নড়াইল প্রতিনিধিঃ
নড়াইলে নানা আয়োজনে মাদক দ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৪ পালিত হয়েছে। রবিবার (১৪ জুলাই) দিবসটি পালন উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, নড়াইলের আয়োজনে র্যালী, আলোচনা সভা ও রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটি পালন উপলক্ষে সকাল ১০ টায় নড়াইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি র্যালী শুরু হয়ে আদালত সড়ক প্রদক্ষিন শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। মাদক বিরোধী র্যালীতে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণকরে। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ মেহেদী হাসান ও সিভিল সার্জন ডাঃ সাজেদা বেগম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, নড়াইলের সহকারি পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
মাও: সাখাওয়াত হোসেনের সুস্থতা কামনায় ইসলামী আন্দোলন খুলনা মহানগর নেতৃবৃন্দ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমীর, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমীর ও নগরীর ইসলামপুর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব, বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন গুরুতর অসুস্থ, বর্তমানে আইসিইউতে ভর্তি আছেন।
তার আসু সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নায়েবে আমীর ও খুলনা মহানগর সভাপতি প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা আব্দুল আউয়াল, নগর সহ-সভাপতি মুফতী আমানুল্লাহ, শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, আলহাজ্ব আবু তাহের, সেক্রেটারী মুফতী ইমরান হোসাইন, জয়েন্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ আবু গালিব, অ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারি মাওলানা দ্বীন ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম, এইচএম আরিফুল ইসলাম, গাজী মিজানুর রহমান, শেখ হাসান ওবায়দুল করীম, মোঃ হুমায়ুন কবির, মাওলানা হাফিজুর রহমান, আলহাজ্ব আবুল কাশেম, এ্যাডঃ কামাল হোসেন, মাওলানা নাসিম উদ্দিন, বীরমুক্তিযোদ্ধা জিএম কিবরিয়া, আলহাজ্ব সরোয়ার হোসেন বন্দ, আলহাজ্ব আব্দুস সালাম, হাফেজ আব্দুল লতিফ, আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন, মোল্লা রবিউল ইসলাম, গাজী ফেরদাউস সুমন, মাষ্টার মঈনুদ্দিন ভুইঁয়া, আলহাজ্ব মারুফ হোসেন, ক্বারী জামাল হোসেন, কাজী তোফায়েল হোসেন, মোহাম্মদ কবির হোসেন, এস এম আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ তার পরিপূর্ণ সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেন এবং দেশবাসীর কাছেও দোয়া চান।
খুলনা শিপইয়ার্ডের সাবেক এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা
স্টাফ রিপোর্টার
প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে লঞ্চ বিক্রয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত ইমরানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (১৪ জুলাই) দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান শুভ্র বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন একটি সূত্রটি বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
মামলার আসামিরা হলেন- খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত ইমরান, বিক্রয়ের দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য এবং খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডের সাবেক কমান্ডার ও জেনারেল ম্যানেজার (ফাইনান্স) মোহাম্মদ মতিউর রহমান, সাবেক কমান্ডার ও ভারপ্রাপ্ত জেনারেল ম্যানেজার (অ্যাডমিন) এ এম রানা, সাবেক ক্যাপ্টেন ও জি এম (প্রোডাকশন) আনিছুর রহমান মোল্লা ও মেসার্স এস.বি কনস্ট্রাকশনের মালিক মো. সাইদুজ্জামান সাইদ।
এজাহারে বলা হয়, আসামিরা নিয়ম বহির্ভূতভাবে, প্রতারণা, কারচুপি ও পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডের এমভি সৃজনী লঞ্চ দাখিল করে সর্বোচ্চ দর ৩৫ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫০ টাকায় বিক্রি না করে সংশোধিত দর ২৫ লাখ ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করে ১০ লাখ ৭৫ হাজার ৫৫০ টাকা আত্মসাৎ করার অপরাধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি এর ৪২০/৪০৯/১০৯ ধারা তৎসহ ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
খুলনায় তেলের ডিপোতে শটগান দিয়ে ভয় দেখাতেন আ.লীগ নেতা ফরহাদ
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ডিপোগুলোর ডেলিভারি পয়েন্টে ট্যাংকলরি ড্রাইভার, হেলপার ও মিটারম্যানদের চাপ প্রয়োগ করে জোরপূর্বক তেল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে খুলনার আওয়ামী লীগ নেতা শেখ ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে। তিনি তার ব্যবহৃত শটগান ব্যবহার করে এ ভয়ভীতি দেখাতেন।
নগরীর খালিশপুর থানার ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য এবং বাংলাদেশ ট্যাংকলরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের খুলনা বিভাগীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরহাদ হোসেন। এ ঘটনায় খুলনায় আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এ ঘটনার পর গত ২৯ মে লাইসেন্সকৃত বন্দুক দিয়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শনের বিষয়ে প্রশাসন থেকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয় ফরহাদ হোসেনকে। গত ২ জুলাই তিনি কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিলে সেটা সন্তোষজনক না হওয়ায় তার লাইসেন্সটি বাতিল করে নিকটস্থ থানায় বন্দুক জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন খুলনা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার ইয়াসির আরেফীন।
এর আগে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান এবিএম আজাদ ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। অভিযোগে খুলনা বিভাগে জ্বালানি তেল সরবরাহে প্রায়শ বিঘ্ন সৃষ্টিকারী শেখ ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ৮টি অভিযোগ দাখিল করা হয়। এ সময় ফরহাদের অস্ত্রের বিষয়টিও উপস্থাপন করা হয়েছিল।
এ ঘটনার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আশাফুর রহমান ২০২৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর পুলিশ মহাপরিদর্শকের নিকট তিনটি ডিপো থেকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক তেল আদায় এবং ডিপোর ডিএসদের কাছে মাসিক মোটা অংকের চাঁদা আদায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে লাইসেন্স বাতিলের জন্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে চিঠি দেন। এসব ঘটনার পর পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন এবং আনুষঙ্গিক তথ্য ও দলিলাদি পর্যালোচনা করেই শেখ ফরহাদ হোসেনের একনলা বন্দুক, যা শটগানের লাইসেন্স বাতিল এবং লাইসেন্সে লিপিবদ্ধকৃত অস্ত্রটি সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়।
এ ঘটনার পর খুলনার তেল ডিপোগুলোতে অনুসন্ধান করলে জানা যায়, খালিশপুর থানার ৭নং ওয়ার্ড এলাকায় পদ্মা, মেঘনা এবং যমুনা তেলের ডিপো অবস্থিত। শেখ ফরহাদ হোসেন ওই এলাকার মরহুম আকমান হোসেনের ছেলে। স্থানীয় বাসিন্দা, ট্যাংকলরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতা এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে তার আধিপত্য ছিল। এরপর লাইসেন্সকৃত অস্ত্র থাকায় তার প্রভাব আরও বেড়ে যায়। বিভিন্ন সময় তিনি ডিপোগুলোতে লাইসেন্সধারী শটগান নিয়ে ঘুরতেন এবং ভয়ভীতি দেখাতেন।
এ ঘটনায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকেই স্বীকার করেছেন। তারাই বাধ্য হয়ে লিখিতভাবে ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন। তার বন্দুকের লাইসেন্স বাতিল হওয়ায় অত্র এলাকায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
নগরীর ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য মো. জিয়াউর রহমান জানান, ফরহাদ হোসেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ১নং সদস্য পদে আছেন। তিনি মূলত রাজনৈতিক নেতা নন।
আওয়ামী লীগ নেতা শেখ ফরহাদ হোসেন এ বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে অস্বীকার করে বলেন, জেলা প্রশাসকের কোনো চিঠি তিনি পাননি।
অথচ খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন রোববার দুপুরে নিশ্চিত করেন, ব্যবসায়ী ফরহাদ হোসেন জেলা প্রশাসকের নির্দেশে থানায় অস্ত্র জমা দিয়েছেন।
খুলনা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার ইয়াসির আরেফীন বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ফরহাদ হোসেনের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। মূলত বিপিসি থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করার পর সেটা তদন্ত করা হয়। এরপর তার লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চলতি মাসের শুরুতেই তার লাইসেন্স বাতিল করে চিঠি ইস্যু করা হয়েছে।
ভাঙ্গা-নড়াইল-বেনাপোল মহাসড়ক নির্মাণ প্রকল্প// অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণের লোভে গড়ে উঠছে পুতুল স্থাপনা
নড়াইল প্রতিনিধি
ফরিদপুরের ভাঙ্গা-নড়াইল-বেনাপোল মহাসড়কে দুই পাশে সার্ভিস লেনসহ ছয় লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদনের পর নড়াইলসহ বিভিন্ন অঞ্চলে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণের আশায় সড়কের দুই পাশে নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে পুতুল স্থাপনা। অনেকস্থানে বৃক্ষরোপণ ও পুকুর খনন করা হচ্ছে। মাসখানেক আগেও যেখানে ফসল চাষ হতো সেখানে রাতারাতি গড়ে উঠছে বসতি, পাকা-আধাপাকা স্থাপনা। কোথাও কোথাও দোকান-মার্কেটসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে ভাঙ্গা-নড়াইল-বেনাপোল মহাসড়কের দুই পাশে সার্ভিস লেনসহ ছয় লেনে উন্নীতকরণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তর প্রকল্প অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৬ হাজার ১৪০ কোটি ১৯ লাখ টাকা ধরা হয়েছে।
সড়ক ও জনপথ অধিদফতর প্রকল্পটি ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে। প্রকল্পটি ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা ও নগরকান্দা, গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী উপজেলা, নড়াইলের লোহাগড়া ও নড়াইল সদর উপজেলা এবং যশোর জেলার বাঘারপাড়া, যশোর সদর উপজেলা, ঝিকরগাছা ও শার্শা উপজেলার ওপর দিয়ে বেনাপোল পর্যন্ত ছয় লেনে উন্নীত হবে।
এই প্রকল্পের আওতায় নড়াইল শহরের পাশ দিয়ে ধোপাখোলা, মাছিমদিয়া, দক্ষিণ নড়াইল, বাঁশভিটা ও সীতারামপুর এলাকায় নতুন করে সড়ক নির্মাণ করা হবে। সম্ভাব্য এই মহাসড়কের ম্যাপ ফাঁস হওয়ার পর একটি স্বার্থান্বেষী মহল অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণের লোভে বিলের মধ্যে গড়ে তুলছে নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে স্থাপনা, বৃক্ষরোপণ ও খনন করছে পুকুর।
ধোপাখোলা ও দক্ষিণ নড়াইল মৌজার দুটি বিলের মধ্যে রাস্তা না থাকা সত্ত্বেও প্রান্তিক কৃষকের ফসলি জমি মাড়িয়ে বিলের মধ্যে ইট, বালু, সিমেন্ট ও রড বহন করে ঘরবাড়ি নির্মাণ ও ভেকু মেশিন দিয়ে পুকুর খনন করা হয়েছে। মাঠের মধ্যে যেখানে চলাচল কষ্টসাধ্য, সেখানেও পরের ফসলি জমি নষ্ট করে নির্মাণ সামগ্রী নেয়া হচ্ছে।
এই বিলের মধ্যে স্থাপনা তৈরি করেছেন স্থানীয় মো. কামরুজ্জামান, শফি মোল্যা, বাবল আক্তার, মনির মোল্লাসহ বেশ কয়েকজন। রাস্তা হওয়ার খবর পেয়েই রাতারাতি জমি কিনে নিয়েছেন। অনেক কৃষককে তাদের ভূমি বিক্রি করতে বাধ্যও করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিল দুটিতে ফসলি জমি নষ্ট করে প্রায় অর্ধশত স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে। অন্য জমির সীমানা ঘেঁষে মাঠের মধ্যে ২০টির মতো পুকুর খনন করা হয়েছে। এমনকি প্রায় ১০টি ফসলি জমিতে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। এসব স্থাপনা সবই অস্থায়ী। নড়বড়ে ভিত্তির ওপর এসব স্থাপনা নির্মাণে একেবারেই নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে। সামান্য ঝড় বা একটু বেশি বৃষ্টি হলেও ধসে গিয়ে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। অধিক ক্ষতিপূরণের লোভে সাইনবোর্ডের মত ঘর ও স্থাপনাগুলো শুধু দাঁড় করানো হচ্ছে।
ধোপাখোলা গ্রামের কৃষক বাবলু রায় বলেন, ৪৪ শতাংশ জমিই আমার সম্বল। এখান থেকেই রুটি-রুজির ব্যবস্থা হয়। কামরুজ্জামান নামে এক ব্যক্তি আমার ক্ষেতের সীমানা ঘেঁষে পুকুর কাটায় জমির পাড় ভাঙতে শুরু করেছে। বিষয়টি কামরুজ্জামানকে জানালে তিনি পাত্তা দেননি।
ফসলি জমি নষ্ট করে পুকুর খননকারীদের মধ্যে আছেন বাবুল আক্তার ও মনির মোল্যাসহ কয়েকজন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যক্তি বলেন, তিনি মোটামুটি ভালোভাবে ভবনটি নির্মাণ করেছেন! কেউ কেউ আরো বেশি লাভের আশায় চিকন রড দিয়ে দ্বিতল ভবন তৈরি করেছেন, যা জোরে বাতাস হলেও ধসে পড়তে পারে।
একাধিক বাড়ি নির্মাণকারী কামরুজ্জামান বলেন, এখানে গরুর খামার করব। এ জন্য ঘর তৈরি করছি। এই জায়গার ওপর দিয়ে সড়ক যাবে কিনা জানি না। এখানে মোকাম্মেলসহ আরো ৮-১০ জন বাড়ি বানাচ্ছেন।
প্রায় একই উত্তর দেন কয়েক দিনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জমি ক্রয়কারী শফি মোল্যা। তিনি বলেন, এখানে হাঁস ও গরুর খামার করব। এ জন্য জমিগুলো কিনেছি।
মাছিমদিয়া গ্রামের জাকার মোল্লা জানান, সম্ভাব্য সড়কের ম্যাপ হাতে পেয়েছে একটি সিন্ডিকেট। তারা সে অনুযায়ী জমিগুলো বাজারদরের চেয়ে বেশি দাম দিয়ে কিনে নিচ্ছে। অনেককে ক্ষেতখামার বিক্রি করতে বাধ্য করছে। এসব জমিতে ডিসি ও এসপি অফিসেরও কেউ কেউ বাড়ি করছে। দালাল শফি মোল্লা এখানে বড় ভূমিকা রাখছে।
কুদ্দুস মোল্লা নামে এক নার্সারি ব্যবসায়ী জমির মালিকদের গাছ লাগানোর পরামর্শ দিচ্ছেন। পরে সেই জমিগুলোর উচ্চমূল্য আদায় করে দেবেন বলে লোভ দেখাচ্ছেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কুদ্দুস বলেন, এর সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
নড়াইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম বলেন, ধোপাখোলা থেকে সীতারামপুর পর্যন্ত তিন কিলোমিটার বাইপাস সড়কটির জন্য সম্পূর্ণ জমি অধিগ্রহণ করতে হবে। কাজটি করবে জেলা প্রশাসন। আর ম্যাপটি পাস করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ঢাকা অফিসের। কীভাবে সেটি এই সিন্ডিকেটের হাতে এসেছে, তা আমার জানা নেই।
নড়াইল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী বলেন, মহাসড়ক নির্মাণ প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে কোনো প্রস্তাব এখনো দেওয়া হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ফসলি জমি নষ্ট করে স্থাপনা নির্মাণের খবর পেয়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ডা. অপরাজিতা আঁখির মৃত্যু, নেপথ্যে যত কারণ
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের ষষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থী ডা. অপরাজিতা আঁখি আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার (১২ জুলাই) রাতে ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে যশোরের অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে রাত সাড়ে ৪টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।
মৃত ডা. অপরাজিতা আঁখির ব্যাচমেট ও সাতক্ষীরা মেডিকেলের সাবেক একাধিক শিক্ষার্থী শনিবার (১৩ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, অপরাজিতা আঁখি সাতক্ষীরা মেডিকেল থেকে ২০২২ সালে এমবিবিএস পাস করেন। এর পরের বছর ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করেন ২০১৬-১৭ সেশনের এ শিক্ষার্থী। ডা. আঁখির গ্রামের বাড়ি অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়ায়। তিনি স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের ইউরোলজি বিভাগের এমএস কোর্সে অধ্যয়নরত ডা. রাহুল দেব বিশ্বাসের স্ত্রী ছিলেন।
জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডা. অপরাজিতা আঁখির এক ব্যাচমেট বলেন, ‘পারিবারিক নানা বিষয়ে হতাশায় ছিলেন ডা. অপরাজিতা আঁখি। ডা. অপরাজিতা আঁখি এমবিবিএসের শিক্ষার্থী থাকাকালীন মেডিকেল কলেজের মানসিকভাবে চাপে ছিলেন। মানসিক চাপ সইতে না পেরে রাতে ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাতক্ষীরা মেডিকেলের সাবেক এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ডা. অপরাজিতা আঁখি শিক্ষার্থী থাকাকালীন সাতক্ষীরা মেডিকেলের গাইনি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. শংকর দেব বিশ্বাস নিজের ছেলের (ডা. রাহুল দেব বিশ্বাস) বউ বানানোর জন্য প্রস্তাব দেন এবং একপর্যায়ে অপরাজিতা আঁখিও রাজি হন। ক্লাসেও বিষয়টি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতেন। এরপর থেকে বিভিন্নভাবে ডা. অপরাজিতা আঁখিকে বিভিন্ন নজরদারিতে রাখতেন ডা. শংকর। এতে মানসিকভাবে অস্বস্তিতে থাকতেন ডা. অপরাজিতা আঁখি। এই সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসার পথ খুঁজছিলেন ডা. আখি। কিন্তু ডা. শংকর মেডিকেলের প্রভাবশালী শিক্ষক হওয়ায় তিনি এ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারেননি। তার ভয়ে মেডিকেলে কেউ কিছু বলতেও পারেন না।’
তিনি আরো বলেন, ‘তৃতীয় বর্ষে থাকাকালীন ডা. অপরাজিতা আঁখির বাবা মারা যান, এরপর তার একমাত্র ভাইও মারা যান। বাবা-ভাই হারানোর শোক এবং শ্বশুরবাড়ি দুটি নিয়ে মানসিকভাবে চাপে থাকতেন ডা. অপরাজিতা আখি।’
সাতক্ষীরা মেডিকেলের সাবেক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘গত ফেব্রুয়ারি মাসে অপরাজিতা আঁখির সঙ্গে অধ্যাপক ডা. শংকর স্যারের ছেলের সঙ্গে ঘটা করে বিয়ে হয়। এরপর থেকে ‘শারীরিকভাবে শুকনা’ শ্বশুরবাড়ির লোকদের এই জাতীয় মানসিক নির্যাতনের মুখে পড়েন। ডা. অপরাজিতার শাশুড়ি তাকে বলতেন, তিনি তার ছেলের যোগ্য নন এবং চিকন। এর একপর্যায়ে অপরাজিতা আঁখি তার গ্রামের বাড়িতে চলে যান। গ্রামে যাওয়ার পর শ্বশুরবাড়ি থেকে সম্প্রতি ডিভোর্স লেটার পাঠানো হয় ডা. অপরাজিতা আঁখির বাসায়। ডিভোর্স লেটার শুক্রবার হাতে পান ডা. অপরাজিতা আঁখি। এতে আরো মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি।’
তিনি আরো বলেন, ‘ডা. অপরাজিতা আঁখি মেডিকেলের নম্র ও ভদ্র ছেলে-মেয়েদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। পরিবার ও তার আশা ছিল, দেশের মানুষের সেবা করবেন। এখন আর তা হলো না। মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে পরপারে চলে গেলেন ডা. অপরাজিতা আঁখি। এ যেন প্রদীপের আলো নিভে যাওয়ার মতো।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আলিমুর রাজিব বলেন, ‘ডা. সোহানা আজমিন বিষয়টি দেখেছেন। তিনি আমাকে যেটি বলেছেন, সেটি হলো, পেটে ব্যথা নিয়ে ডা. অপরাজিতা আঁখি নিয়ে আসা হয়েছে। পরে চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর স্বাস্থ্যের অবনতি হয়। রেফার্ড করারও সুযোগ ছিল না। এরপর তিনি মারা যান। এ সময় তার স্বজন এবং শ্বশুর ছিলেন। কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। পেটে কি হয়েছিল সেটি জানা যায়নি।’
দায়িত্বে থাকা মেডিকেল অফিসার ডা. সোহানা আজমিন বলেন, ‘বমি, পাতলা পায়খানা আর প্রচণ্ড পেটে ব্যথা-এসব নিয়ে ডা. অপরাজিতা আখি এসেছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে পেটে ব্যথা আরো অনেক বেড়ে যায়। রাত আড়াইটার দিকে তাকে নিয়ে আসা হয়েছিল। ৪টার দিকে তাকে নতুন ওষুধ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আরো পাওয়ারের ওষুধ দেওয়া হয়। সাড়ে ৪টার দিকে মারা যান তিনি। অন্য কোনো সমস্যা হয়েছিল কি-না, আমরা সেটা বুঝতে পারিনি।’
তিনি বলেন, ‘সাধারণত পেটে ব্যথায় দুই ঘণ্টায় রোগী মারা যায় না। এক্ষেত্রে কোনো একটা কারণ থাকতে পারে। তারা নিজ থেকে না বললে আমি বলতে পারবো না। তিনি কিছু খেয়েও আসতে পারেন। সাধারণত এই আলামত নিয়ে দুই ঘণ্টায় রোগী মারা যাওয়ার কথা না, এটা সন্দেহজনক। আগে থেকে কিছু একটা ছিল। যেটা ওরা আমাকে ক্লিয়ার করেনি। তাদের পরিবারে কিছু একটা হয়েছে। বাকিটুকু পুলিশ দেখতে পারে, যদি তারা পুলিশকে জানায়।’
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মেডিকেলের গাইনি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. শংকর দেব বিশ্বাস বলেন, ‘আমার বিষয়ে আনা এমন তথ্য বা অভিযোগ আমি কখনো পাইনি। ডা. অপরাজিতা আঁখির কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছে। আমি তার শেষ কৃত্যানুষ্ঠানে আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গেই আছি, তারাও কোনো অভিযোগ করেনি। আমি পরে বিস্তারিত বলবো।’
তিনি আরো বলেন, ‘মে মাস থেকে অপরাজিতা তার মায়ের কাছে ছিল, আত্মহত্যার কথা শুনিনি।’
জানতে চাইলে মেডিকেলের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. রুহুল কুদ্দুস বলেন, ‘আমরা এখনো নিশ্চিত না, ঘটনা কি হয়েছে। তিনি তার বাসায় ছিলেন। বডি অভয়নগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আত্মহত্যা না-কি অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন আমরা বলতে পারছি না।’
সার্বিক বিষয়ে জানতে অভয়নগর থানার ওসি এসএম আকিকুল ইসলামের কাছে ফোন করা হলে তিনি মিটিংয়ে আছেন বলে জানান।
বটিয়াঘাটায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ১ জনের মৃত্যু
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি
বটিয়াঘাটা উপজেলার ছয়ঘরিয়া বদনাখালী এলাকায় নিজবাড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৮ম শ্রেণীর ছাত্র অমৃত মন্ডল(১৪)এর করুন মৃত্যু হয়েছে। সে ওই গ্রামের অনিল মন্ডলের পুত্র। ঘটনাটি ঘটেছে, গতকাল রবিবার আনুমানিক সকাল ১০টার দিকে।
পারিবারিক ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, জলমা ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া বদনাখালী গ্রামের অনিল মন্ডলের পুত্র অমৃত মন্ডল বেশকিছুদিন আগে বাড়ির নারিকেল গাছে উঠতে গিয়ে গাছ থেকে নিচে পড়ে যেয়ে তার একটি পা ভেঙ্গে যায়।চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে আসে। গতকাল রবিবার সকাল ১০টার দিকে সে নিজঘরে বিদ্যুৎতের তার নিয়ে টেবিলে বসে খেলনার জিনিস তৈরি করছিলো। সে ওই সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়। বিষয়টি তার মা আঁচ করতে পেরে চিৎকার করলে বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা এসে অমৃতকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষনা করে। এ ব্যাপারে বটিয়াঘাটা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু হয়েছে।
দাকোপে বীজ মার্কেটের সমস্যা ও সমাধান বিষয়ক প্লানিং মিটিং অনুষ্ঠিত
দাকোপ প্রতিনিধি
দাকোপে বীজ মার্কেটের সমস্যা ও সমাধান বিষয়ক কোয়াটারলী সেন্টরশীপ ও প্লানিং মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর নবযাত্রা-২ প্রকল্পের আয়োজনে ইউএসএআইডি’র আর্থিক সহযোগীতায় রবিবার (১৪ জুলাই) সকাল ১০ টায় উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ হলরুমে সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ শফিকুল ইসলাম। নবযাত্রা-২ প্রকল্পের ইকোনমিক ও মার্কেট সিস্টেম স্পেসালিস্ট মোছা: লেবনা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা আলোচনা করেন সাংবাদিক মোঃ মামুনুর রশিদ, কৃষক জীবনান্দ দাস, মারুফ শেখ, কবির হাওলাদার, ডিলার তুষার মিস্ত্রী, মলয় রায়, অখিল হালদার, দেবদুলাল সরকারসহ উপজেলার ২৫ জন কৃষি বীজ ডেলার ও কৃষক-কৃষানী উপস্থিত ছিলেন।
শ্যামনগরে বিকল্প ফসল কৃষি এবং সমন্বিত কৃষি বিষয়ে প্রশিক্ষণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
বৈশিক জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় কৃষিব্যবস্থা। অতিবৃষ্টি, খরা, অতিতাপমাত্রা ও ক্রমবর্ধমান লবনাক্ততা বৃদ্ধির ফলে এ অঞ্চলের কৃষি জমি উল্লেখযোগ্যহার্ েকমে যাওয়ার ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় জনগোষ্ঠী দারিদ্রতা ও পুষ্টিহীনতায় ভুগছে আশংকাজনকভাবে। এই জলবায়ু উদ্ভুত অভিঘাত মোকাবেলা ও জলবায়ু সহনশীল কৃষিব্যবস্থা প্রসারের লক্ষ্যে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) ও এ্যাম্বাসী অব সুইডেন-এর সহযোগিতায় লিডার্স-এর ‘ক্রিয়া’ প্রকল্পের অধীনে ‘‘বিকল্প ফসল কৃষি এবং সমন্বিত কৃষি বিষয়ক’’ দুই দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণটি ১৩ জুলাই ২০২৪ তারিখে লিডাসের্র প্রধান কার্যালয়ে অবস্থিত ক্লাইমেট এ্যান্ড এ্যাডাপটেশন নলেজ ম্যানেজমেন্ট সেন্টার, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা ভেন্যুতে শুরু হয়ে ১৪ জুলাই ২০২৪ তারিখে শেষ হয়।
এই প্রশিক্ষণে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের ‘ক্রিয়া’ প্রকল্পের নারী ও পুরুষ দলের ৩০ জন সদস্য অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জনাব মো: জামাল উদ্দীন। ২ দিনের প্রশিক্ষণে সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা, জলবায়ু সহিষ্ণু কৃষি, ঘাতসহিষ্ণু শস্য জাত নির্বাচনের সাথে সম্পৃক্ত বিষয়বস্তু, শস্য বহুমুখীকরণ ও সাথী ফসল, উপকুলীয় লবনাক্ততার প্রেক্ষাপটে বীজ নির্বাচন ও ব্যবস্থাপনা, ভাসমান চাষ পদ্ধতি, মালচিং পদ্ধতি, সমন্বিত পদ্ধতিতে চাষাবাদ, সমন্বিত বালাই দমন ব্যবস্থাপনা, উপকুলীয় এলাকায় উপযুক্ত সেচ ব্যবস্থাপনা ও বিকল্প চাষাবাদ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষণে আরও উপস্থিত ছিলেন লিডার্স-এর ক্রিয়া প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা সুলতা রানী সাহা, মনিটরিং এ্যান্ড ইভ্যাল্যুয়েশন অফিসার জয়দেব কুমার জোদ্দার ও ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর সালমা সুলতানা।
খুলনা প্রবাসী কল্যান ব্যাংক শাখায় “গ্রাহক সচেতনতা সপ্তাহ”
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা প্রবাসী কল্যান ব্যাংক শাখায় “গ্রাহক সচেতনতা সপ্তাহ” জাকজমকপূর্ন ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকে ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি এন্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্ট (এফআইসিএসডি) এর উদ্যোগে প্রবাসী কল্যান ব্যাংক খুলনা শাখার শাখা ব্যবস্থাপক জনাব মাহমুদুল হাসান মারুফ, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার এর তত্তাবাধনে গত ৭ই জুলাই ২০২৪ থেকে ১১ জুলাই ২০২৪ সপ্তাহ ব্যাপি বিশেষ এই গ্রাহক সেবা সপ্তাহ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সময়ে শাখাটি গ্রাহক সচেতনতামূলক ব্যানার ও ফেস্টুনে সজ্জিত ছিল। পুরো সময়জুড়ে চলছিল ব্যাংকিং সচেতনতা সম্পর্কিত বিচ্ছিন্ন অডিও ভিজুয়াল প্রদর্শনী। সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে অনুষ্ঠিত হয় গ্রাহক সমাবেশ। অনুষ্ঠানের মূল বক্তা হিসেবে শাখা ব্যবস্থাপক জনাব মারুফ প্রবাসী কল্যান ব্যাংকের বিভিন্ন সেবা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। উল্লেখ্য যে, প্রবাসী কল্যান ব্যাংক খুলনা শাখা হতে প্রবাস গমনেচ্ছুক ব্যক্তিরা অতি অল্প সুদে অভিবাসন, ঋন, প্রবাস ফেরত ব্যক্তিরা সহজে পুনঃবাসন ঋন ও প্রবাসীর পরিবারবর্গ কম সুদে আত্মকর্মসংস্থানমূলক বিবিধ ঋন পেয়ে থাকে। প্রবাসী কল্যান ব্যাংক খুলনা শাখা একটি দালাল ও ঘূষমুক্ত পরিচ্ছন্ন শতভাগ সরকারি ব্যাংক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সহিত পরিচালিত হচ্ছে।
সরকারি ব্রজলাল কলেজের নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. গাজী মনিবুর রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
সরকারি ব্রজলাল কলেজের নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. গাজী মনিবুর রহমান এঁর যোগদান পরবর্তী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান গতকাল সকাল সাড়ে ১১টায় কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানের শুরুতে কলেজের শিক্ষক পরিষদ, বিভিন্ন বিভাগ, ইউনিটসমূহ, কর্মচারী সমিতি, বিভিন্ন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষবৃন্দ ও বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি, খুলনা জেলা কমিটির পক্ষ থেকে নতুন অধ্যক্ষকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করা হয়। কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর সমির কুমার দেব এঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অনুভুতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রফেসর মো: আব্দুল আলিম, প্রফেসর সৈয়দ সাদিক জাহিদুল ইসলাম, প্রফেসর প্রভাস চন্দ্র বিশ^াস, সাবেক উপাধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর শিকদার মনিরুজ্জামান, প্রফেসর তবিবার রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর খুলনার পরিচালক প্রফেসর শেখ হারুন অর রশিদ, আযম খান সরকারি কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর কার্ত্তিক চন্দ্র মন্ডল, সরকারি মজিদ মেমোরিয়াল সিটি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বদিউজ্জামান, সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এটিএম বদরুজ্জামান, প্রফেসর ভগবতি সরকার, প্রফেসর আব্দুর মান্নান, প্রফেসর মো: আব্দুল ওয়াদুদ, প্রফেসর জাহাঙ্গীর আলম বুলবুল, প্রফেসর আনোয়ার হোসেন খান, আযম খান সরকারি কমার্স কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর জাহানারা, প্রফেসর আব্দুর রাজ্জাক, প্রফেসর শামসুর রহমান, প্রফেসর রবিউল হক, এইচএসটিটিআই, খুলনা এর উপ-পরিচালক জনাব এস এম শওকত হোসেন, প্রফেসর জোবায়েদ হোসেন, আযম খান সরকারি কমার্স কলেজের শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক প্রফেসর শেখ রেজাউল করিম, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি খুলনা জেলা সভাপতি প্রফেসর খান আহমেদুল কবির, প্রমুখ। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি খুলনা জেলা সম্পাদক ড. মো: শামীম এর সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: মোস্তাফিজুর রহমান ও সহকারি পরিচালক এনামুল ইসলাম বকুল, আযম খান সরকারি কমার্স কলেজের সহযোগী অধ্যাপক, মোসাম্মৎ শাহানাজ বেগম, মোঃ জাহাঙ্গীর আলী কল্লোল কুমার রক্ষিত, মো: রুহুল আমিন, তারক চাঁদ ঢালী, প্রবীর মজুমদার, এবিএম হাসানুজ্জামান, সহকারী অধ্যাপক মো: মারুফ হোসেন, সরকারি মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মোস্তফা ফরিদ আহমেদ, সহকারি অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম কর্ণেল, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির কেন্দ্রীয় সেমিনার সম্পাদক এম এম কবির আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক সৈয়দ বুলবুল আলী, সরকারি জয় বাংলা কলেজের সহকারি অধ্যাপক উম্মে সুরাইয়া, প্রভাষক মো: নাজমুল হোসেন প্রমুখ। সরকারি ব্রজলাল কলেজের সকল বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ ও শিক্ষকমন্ডলী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। উক্ত অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সহকারি অধ্যাপক মো: হারুন অর রশিদ
বাবার মৃত্যুর সাত দিন পর থানায় কিশোরী, জানালো সে হত্যাকারী
স্টাফ রিপোর্টার
বাবার মৃত্যুর সাত দিন পর থানায় গিয়ে তাকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে এক কিশোরী (১৬)। পুলিশ তাকে নিরাপত্তা হেফাজতে নিয়ে বিষয়টি অনুসন্ধান করছে।
জানা গেছে, খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর থানার দেয়ানা উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা শেখ হুমায়ুন কবির। তার তিন মেয়ে। বড় মেয়ে বিবাহিত। স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে দেয়ানার বাড়িতেই থাকতেন ব্যবসায়ী হুমায়ুন। থানায় হাজির হওয়া কিশোরী সুমাইয়া তার ছোট মেয়ে। সে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
জানা গেছে, গত ৫ জুলাই দৌলতপুর এলাকার ব্যবসায়ী শেখ হুমায়ুন কবীরের মরদেহ ঘর থেকে উদ্ধার হয়। হৃদরোগে তার মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়। বলা হয়, আগের রাতে ভাত খেয়ে ঘুমাতে যাওয়া ব্যবসায়ী হুমায়ুন সকালে ঘুম থেকে ওঠেননি। মৃত্যুর সাত দিন পর ১২ জুলাই রাতে দৌলতপুর থানায় হাজির হয় তার ছোট মেয়ে সুমাইয়া। পুলিশকে সে বলে, ‘বাবাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা করেছি। আমাকে গ্রেফতার করুন।’
হুমায়ুন কবিরের চাচতো ভাই এস এম মইনুল ইসলাম বলেন, ‘আমার চাচাতো ভাই ধার্মিক ও ভালো লোক ছিলেন। তার মৃত্যুর খবরের পর গিয়ে লাশ দেখে আমাদের কাছে মনে হয়েছে, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু না। তার হাতে দুটো ছিদ্র ছিল। সেগুলো কোথা থেকে আসলো।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুই মেয়ের চলাফেরা এবং আচরণে হুমায়ুন কবির খুবই বিরক্ত ছিলেন। এ নিয়ে প্রায়ই মেয়েদের রাগারাগি করতেন তিনি।’
হুমায়ুনের প্রতিবেশী দিনমজুর শেখ আমির হোসেন বলেন, ‘ভোর ৬টায় শুনেছি হুমায়ুন ভাই স্ট্রোক করে মারা গেছেন। তার বাড়ি গিয়ে দেখে মনে হয়েছে, যেন নিরিবিলি শুয়ে আছেন। চেহারা স্বাভাবিক ছিল।’
হুমায়ুন কবিরের বড় মেয়ে মরিয়ম বলেন, ‘বাবার মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশার ভেতরে আছি। এখনও মামলা করার সিদ্ধান্ত হয়নি। পারিবারিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। খুব চাপের ভেতর আছি।’
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রবীর কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘১২ জুলাই হুমায়ুন কবিরের ছোট মেয়ে সুমাইয়া বিনতে কবির থানায় আসে। সে বলে, “আমি আমার বাবাকে রাতে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করেছি।” কিন্তু পরক্ষণেই আবার বলে, “আমি হত্যা করিনি, আমার ঘাড়ে জিন আছে, সে হত্যা করেছে।” তার অসংলগ্ন কথাবার্তায় আমরা বিভ্রান্ত হচ্ছি না। অনুসন্ধান করছি। সুমাইয়ার মা বলছেন, তার মেয়ের মানসিক সমস্যা আছে। তিন বছর আগে তাকে একবার মানসিক ডাক্তার দেখানো হয়েছিল।’
ওসি আরও বলেন, ‘এ বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি। এ কারণে ঘটনাটি নথিভুক্ত হয়নি। সুমাইয়াকে খুলনা ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো।’
খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার ফুলতলা উপজেলায় পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। রোববার (১৪ জুলাই) দুপুরে ফুলতলা এম এম কলেজের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম ওলিয়ার রহমান। তিনি কাভার্ড ভ্যানের চালক ছিলেন। তার বাড়ি নড়াইল জেলা সদরের মিঠাপুর গ্রামে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফুলতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, দুপুর তিনটার দিকে খুলনা থেকে আসা তাহেরা মরিয়ম কাভার্ড ভ্যানের এবং বিপরীত দিক থেকে আসা আশা নামের একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই কাভার্ড ভ্যানের চালক নিহত হন।
সাতক্ষীরায় রোহিঙ্গা ২ নারীসহ পাচারকারী আবদুল্লাহ আটক
নিজস্ব প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই রোহিঙ্গাসহ মানব পাচারকারী চক্রের হোতা আব্দুল্লাহ তরফদারকে আটক করেছে রিভারাইন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা। রোববার (১৪ জুলাই) শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের কালিঞ্চি গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটক রোহিঙ্গারা হলেন, সাজিদা বেগম (১৯) ও হাজরা বেগম (২১)। এদের মধ্যে সাজিদা কক্সবাজারের টেকনাফ থানার বাঁশনল ক্যাম্পের সদস্য। আর হাজরা বেগম (২১) কক্সবাজার সদরের ১৮ নং ক্যাম্পের সদস্য।
এছাড়া আটক পাচারকারী চক্রের হোতা আব্দুল্লাহ তরফদার রমজাননগর ইউনিয়নের কালিঞ্চি গ্রামের মাস্টারপাড়া এলাকার আকবর তরফদারের ছেলে।
রিভারাইন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কৈখালী ক্যাম্পের ইনচার্জ লিয়াকত হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত কয়েক মাস ধরে আব্দুল্লাহ ও তার লোকজন নদী পথে রোহিঙ্গা নর-নারীদের ভারতে পাচার করছিল বলে গোয়েন্দা তথ্য ছিল। এরই প্রেক্ষিতে শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আব্দুল্লাহর বাড়ি ঘেরাও করে রাখা হয়। এরপর রোববার ভোরে ভারতে পাচারের পূর্বমুহূর্তে পাচার চক্রের প্রধান আব্দুল্লাহসহ দুই রোহিঙ্গা নারীকে আটক করা হয়।
লিয়াকত হোসেন আরও জানান, আটক দুই রোহিঙ্গা নারী কক্সবাজারের ক্যাম্প থেকে পালিয়ে আসে। পরবর্তীতে ভাল কাজের প্রতিশ্রুতিতে দালালের মাধ্যমে তারা সীমান্ত পার হওয়ার জন্য আব্দুল্লাহর কাছে পৌঁছায়। আটককৃতদের সন্ধ্যায় শ্যামনগর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, রিভারাইন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা দুই রোহিঙ্গাসহ পাচারকারীকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।
পুলিশ হচ্ছে দুষ্টর দমন এবং সৃষ্টের লালন ওসি কোতয়ালী
শহিদুল ইসলাম দইচ যশোর।।
যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, পুলিশ হচ্ছে দুষ্টের দমন এবং সৃষ্টের লালন। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, ছিনতাই, ডাকাতি,চাকুবাজ, কিশোর গ্যাং দমনে যেমন আপষহীন তেমনি সমাজে ভালো মানুষগুলি যারা সমাজকে লালন এবং ভাল ভাল কাজ গুলি করেন পুলিশ তাদেরকে লালন করেছে এবং করছে। সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ কিশোর গ্যাং সহ অপরাধীদে কোন ছাড় নাই। সন্ত্রাসীদের কোন কালার রং না দেখে অপরাধী হিসাবে দেখে তাদের দমনে করা হচ্ছে আগামিতে সে ধারা অব্যাহত থাকবে । কোন দল এবং গ্রুপে এগুলো দেখার সুযোগ নেই। আমি কোতোয়ালি থানার ওসি হিসাবে আছি অপরাধীদের সাথে কোন আপষ করি নাই তাই কোন ছাড় নাই।
আজ ১৪ জুলাই রোববার সন্ধা ৭ টার দিকে সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড কৃষ্ণবাটি গ্রামে এলাকাবাসী সাথে মাদক বিরোধী এক মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথীর বক্তব্যে ওসি একথা বলেন।
আরবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে মত বিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সালমা পারভীন কিয়া, মামুন গাজি, আজিজুল ইসলাম,আব্দুল করিম রাজু,শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
এসময় চেয়ারম্যান শাহারুল ইসলাম বলেন, আমি আমার ইউনিয়নে দেখিনা এবং দেখব না কে কোন দল করে । কে আমাকে ভোট দিল আর কে আমাকে ভোট দেয়নি। ইউনিয়ন বাসি সবাই আমাকে ভোট দিয়েছে। ভোট সবাই দিয়েছে বলেই চেয়ারম্যান হতে পেরেছি।রাজ নিতি করতে হলে ইউনিয়নে নয় জেলা নিয়ে রাজনিতি করি এবং করব। আমি আওয়ামীলীগের রাজনিতি করি জামাত বিনপির সাথে আপোষ না। কৃষ্ণবাটি গ্রামে চুরি ছিনতাই, কিশোর গ্যাং বেড়েছে ওসি সাহের সহযোগিতা পেলে এলাকার মানুষ শান্তিতে ঘুমাবে।










































