জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ত্রি পক্ষিয় বৈঠক
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা) প্রতিনিধ
খুলনার শিরোমণি শিল্পাঞ্চলের ব্যক্তিমালিকানাধীন মহসেন জুট মিলের শ্রমিক কর্মচারীদের পিএফ, গ্রাচুইটি সহ চুড়ান্ত পাওনা পরিশোধের ব্যাপারে ২৬ জুলাই রবিবার বেলা ১২ টায় খুলনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কন্ফারেন্স রুমে ত্রি পক্ষিয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা জেলা প্রশাসকের(এডিসি) অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় শ্রম পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, বিভাগীয় কলকারখানা, প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মোঃ আরিফুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ কমিশনার( সিটিএসবি) মোঃ আশরাফ হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার ইন্ডা: পুলিশ এ কে এম শাহিন মন্ডল, মহসেন জুট মিলের নির্বাহী পরিচালক মোঃ তাওহিদুল ইসলাম, প্রকল্প প্রধান মোঃ রহিম হোসেন, আন্দোলনরত সাধারণ শ্রমিক কর্মচারীদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব উদ্দিন, কাগজী ইব্রাহিম, ইঞ্জিল কাজী, ক্বারী আছহাব উদ্দিন, মহসেন জুট মিল ওয়াকার্স ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল খান, মোড়ল আব্দুর রহমান, আমির মুন্সি, সাংবাদিক মিহির রঞ্জন বিশ^াস, ক্ষতিগ্রস্থ শ্রমিক পরিবারের সন্তান সাংবাদিক সাইফুল্লাহ তারেক প্রমুখ। দির্ঘ আড়াই ঘন্টা আলোচনা শেষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ ইউসুফ আলী বলেন শ্রমিকদের ঈদুল আযহার পূর্বে ৬ হাজার টাকা ও আগামী ১ মাসের মধ্যে চুড়ান্ত পাওনা পরিশোধ করার জন্য মিল মালিকের প্রতিনিধিকে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় তিনি আরোও বলেন শ্রমিকদের দির্ঘ ৭ বছর মিলটি বন্ধ হলেও তাদের বকেয়া পাওনা পরিশোধ করা হয়নি। এতে করে মিল এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে শ্রমিকদের মাঝে। উক্ত বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক শ্রমিকদের পাওনা দিতে ব্যর্থ হলে মিল এলাকায় কোন বিশৃংখলা হলে তার দায়ভার মিল মালিককে বহন করতে হবে। এদিকে আজ সোমবার বিকাল ৪টায় মহসেন জুটমিল শ্রমিক কলোনীতে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এক জরুরী বৈঠক ডেকেছেন আন্দোলনরত সাধারণ শ্রমিক কর্মচারী নেতৃবৃন্দ।

গিলাতলা বিহারী কলোনিতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিন মজুরকে পিটিযে জখম
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা) প্রতিনিধি
নগরীর খানজাহান আলী থানাধীন গিলাতলা ২ নং বিহারী কলোনিতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিনমজুরকে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে । এ ব্যাপারে খানজাহান আলী থানায় ২৬ জুলাই রবিবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগির স্ত্রী মোসাঃ হোসনেয়ারা বেগম। থানায় লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায় ২৫ জুলাই রাত সাড়ে ৮ টায় গিলাতলা বেগপাড়া মৃত সামাদ বেগের পুত্র সালাম বেগ(৩০)চা-পান খাওয়ার উদ্যেশ্যে নিজ বাড়ির থেকে বের হয়ে কলোনী এলাকায় আসে, এসময় দিনমুজুর সালাম বেগ পানের পিক ফেলার কারণে একই এলাকার মৃত ফজর খানের পুত্র বাবুল(৫০), খান রহিম (৪২) ও বাবুল খানের পুত্র ফয়সাল খান দিনমুজুর সালাম বেগকে দোকান থেকে কাঠের মোটা বাতা দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে রাস্তার উপর ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। গুরুতর জখম সালাম বেগের বাম হাত ভেঙ্গে গেছে বলে জানিয়েছেন তার স্ত্রী মোসাঃ হোসনেয়ারা বেগম। খানজাহান আলী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ কবির হোসেন বলেন এঘটনায় থানায় অভিযোগ হয়েছে, তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।










































