
যুবদল নেতা সাগরের মায়ের সুস্থতা কামনা
।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ও খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর এর মাতা মিসেস মুকুল চৌধুরী অসুস্থাবস্থায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের ডা. শাসম মনোয়ার অধীনে চিকিৎসাধীন আছেন। যুবদর নেতার মায়ের রোগমুক্তি কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ। শনিবার (২৭ এপ্রিল) প্রদত্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ যুবদল নেতার মাতারা আশু সুস্থতা কামনা করেছেন। বিবৃতিদাতারা হলেন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, তথ্য সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান, মহানগর সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন প্রমূখ।
বিএনপি নেতা আজিজুল বারী হেলাল’র বোনের ইন্তেকাল: শোক
।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল এর মেঝবোন মোমেনা বেগম মিনু (৮৫) শুক্রবার বাদ আছর ফকিরহাটের আড়পাড়া গ্রামের নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্না…রাজেউন)। মরহুমার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা, জেলা আহবায়ক আমীর এজাজ খান, মহানগর সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন প্রমূখ।
বিবৃতিদাতারা মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।
মে দিবস ও দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে শ্রমিকদলের প্রস্তুতি সভা
।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
মহান মে দিবস ও দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনের লক্ষ্যে খুলনা মহানগর, জেলা ও আঞ্চলিক শাখা শ্রমিকদলের প্রস্তুতি সভা শনিবার (২৭ এপ্রিল) বেলা ১১টায় বিএনপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
মহানগর শ্রমিকদলের আহবায়ক মজিবর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক আমীর এজাজ খান ও মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন। শফিকুল ইসলাম শফির পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, উজ্জল কুমার সাহা, আবু দাউদ দ্বীন মোহাম্মাদ, আলমগীর তালুকদার, শেখ সিদ্দিকুর রহমান, আযম সরোয়ার, আবু বকর সিদ্দিক, জি এম মাহবুবর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, রাহুল চিশতি, ইব্রাহিম খলিল, আকরাম হোসেন, নুর আলম, ইসলাম খলিফা, বাদল খা, আমিনুল ইসলাম, আবু জাফর, মো. রিপন, বজলু মৃধা, মন্টু মোল্লা, সেলিম হোসেন, হুমায়ুন, আবুল হোসেন, এনামুল, হুমায়ুন, রুবেল, আল মামুন, রাজা প্রমূখ।
সভায় থেকে মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে ১ মে বিকাল সাড়ে তিনটায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে র্যালী ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মে বিকালে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
ট্রাফিক পুলিশের মাঝে সুপেয় পানি খাবার স্যালাইন ও ঠান্ডা জাতীয় খাবার বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
বৈশাখের শুরুতে প্রচন্ড গরম ও তীব্র তাপদাহে জনজীবন যখন অতিষ্ঠ। তখনই খুলনা জেলা যুবলীগের উদ্যোগে পথচারী, দিনমজুর, রিক্সা চালক ও ট্রাফিক পুলিশের মাঝে সুপেয় পানি খাবার স্যালাইন ও ঠান্ডা জাতীয় খাবার বিতরণ করেন। গতকাল শনিবার বেলা ১২ টায় বটিয়াঘাটার মোহাম্মদনগর বাইপাস মোড়ে খুলনা জেলা যুবলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান চৌধুরী মোহাম্মদ রায়হান ফরিদ ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুর রহমান সোহাগ। এ সময়ে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বটিয়াঘাটা উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক অনুপ গোলদার ও যুগ্ম আহবায়ক মিলন গোলদারসহ নেতৃবৃন্দ। এসময়ে চৌধুরী রায়হান ফরিদ বলেন, বৈশাখের শুরু থেকেই তীব্র খরতাপে কাঁপছে সারাদেশ। তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪২ ডিগ্রির মাঝে ওঠানামা করছে। সারাদেশ জুড়ে প্রচন্ড তাপদাহ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রখর সূর্যের খরতাপের তীব্রতা অসহনীয় পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। জনজীবনে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ নেমে এসেছে। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে প্রাত্যহিক কর্মকান্ড। অফিস আদালত, স্কুল কলেজ, হাসপাতাল, নির্মাণ কাজ সবকিছুই চরমভাবে বিঘ্নিত। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ, রিকশা চালক,পথ শিশু, হকার, ফেরিওয়ালাদের জীবনে যেন এই খরদাহ প্রাণ নাশী হুমকির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে দুপুর ১১টা থেকে বিকাল ৩ টার মধ্যে। প্রচুর পানি, পানীয় ও তরল খাবার গ্রহণ করতে হবে। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের এ কর্মসূচী তাপমাত্রা না কমা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে আমাদের এ কর্মসূচী অব্যাহত থাকবে।
সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি. মাহফুজুর রহমান সোহাগ বলেন, বিশেষ করে ঘরের বাইরে বের হলে। প্রচুর পানি, পানীয়, স্যালাইন, শরবত, তাজা রসালো ফল, বিশুদ্ধ ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। প্রখর রোদ থেকে রক্ষা পেতে ছাতা, হ্যাট/ক্যাপ ও সানগ্লাস ব্যাবহার করতে হবে। একটানা দীর্ঘ সময় রোদে কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সূতি, পাতলা ও ঢিলেঢালা পোশাক পরিধান করতে হবে। অনেক সময় অতিরিক্ত ঘামের জন্য শরীর থেকে প্রয়োজনীয় লবণ ও খনিজ পদার্থ বের হয়ে যায়। প্রচুর পানি, লেবুর সরবত এবং ফলমূল খেতে হবে। আমরা যুবলীগ নেতৃবৃন্দ সব সময় মানুষের পাশে ছিলাম আছি থাকবো।
শ্যামনগরে গণশুনানি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন ক্লাইমেট অ্যাকশান গ্রুপের সদস্যদের জন্য তিনদিন ব্যাপী ’সামাজিক জবাবদিহিতা চর্চা’র অংশ হিসাবে পাবলিক হেয়ারিং বা গণশুনানীর প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লিডার্স শনিবার সকালে দাতা সংস্থা মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও এ্যাম্বাসি অব সুইডেনের সহযোগিতায় আয়োজিত এই প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করেন লিডার্স-এর নির্বাহী পরিচালক মোহন কুমার মন্ডল। লিডার্স-এর প্রধান কার্যালয়, শ্যামনগর, সাতক্ষীরার নলেজ ম্যানেজমেন্ট সেন্টারে আয়োজিত প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষণ প্রদান করছেন ’ক্রিয়া’ প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো. আরিফুর রহমান ও প্রকল্প কর্মকর্তা সুলতা রানী সাহা। সেবাদাতা ও সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি, উন্নয়নের কার্যকারীতা এবং জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে গণশুনানির আয়োজনের পূর্বপ্রস্তুতি হিসাবে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে শ্যামনগরের দুইটি ইউনিয়ন পরিষদ-বুড়িগোয়ালিনী ও গাবুরার চেয়ারম্যান, মেম্বর ও উপজেলা জেন্ডার সমতা ও জলবায়ু জোঠকেও এই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
প্রশিক্ষণের অংশগ্রহণ করে অমৃত গাইন বলেন, জনগণকে নিজেদের স্বচ্ছ হতে হবে তবেই সেবাদাতাদের নিকট হতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আশা করতে পারবো। তিনি আরও বলেন, পাবলিক হেয়ারিং বা গণশুনানি জনগণের অধিকার যতাযতভাবে পাওয়ার এক কার্যকরী মাধ্যম।
এই প্রশিক্ষণে একটি রূপক পাবলিক হেয়ারিং বা গণশুনানীর আয়োজন করা হয়।
ডুমুরিয়ায় কেএম হাইস্কুলে তন্ময় প্রকাশ মন্ডল প্রধান শিক্ষক
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় কৈপুকুরিয়া-মাগুরখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তন্ময় প্রকাশ মন্ডল প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। শনিবার সকালে বিদ্যালয় কক্ষে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ৬জন শিক্ষক আবেদন করেন এবং ৪জন নির্ধারিত দিনে ৪জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। এতে সর্বো”চ নম্বর ও মেধা তালিকায় ওই বিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তন্ময় প্রকাশ মন্ডল নিয়োগ প্রাপ্ত হন। নিয়োগ বোর্ডে উপ¯ি’ত ছিলেন ডিজি প্রতিনিধি ডুমুরিয়া সরকারি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সালমা ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশীষ বিশ্বাস,জেলা প্রশাসক প্রতিনিধি উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সটেক্টর মনির হোসেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক প্রদীপ কুমার সরকার ও বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ সানা। নিয়োগ পরীক্ষায় সার্বক্ষণিক মনিটরিং করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম আশিস মোমতাজ।
অভয়নগর উপজেলা নির্বাচনের লক্ষে সরদার অলিয়ার রহমানের মতবিনিময় সভা
স্টাফ রিপোর্টার
অভয়নগর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের লক্ষে উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার অলিয়ার রহমান উপজেলা ও ইউনিয়ন আ.লীগের ৫ শতাধিক নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন। শনিবার বিকালে নওয়াপাড়া ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সুন্দলী ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধির কুমার পাড়ে।
মতবিনিময় সভায় সরদার অলিয়ার রহমান উপস্থিত সকলের কাছে উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য মতামত চান। এ সময় উপস্থিত সকলে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য হাত তুলে সমার্থন ব্যক্ত করেন। সভায় বক্তব্য রাখেন প্রেমবাগ ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি সরদার বাবুল আক্তার,সুন্দলী ইউনিয়ন আ.লীগর সাধারণ সম্পাদক সমিরণ সরকার, চলিশিয়া ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি মশিউর রহমান, পায়রা ইউনিয়র আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক তরফদার মশিয়ার রহমান,শ্রীধরপুর ইউনিয়নের জিল্লুর রহমান,বাঘুটিয়ার শেখ আলমগীর হোসেন, মূভরাড়ার মহিউদ্দিন খান, সিদ্দিপাশার শেখ হাবিবুর রহমান প্রমুখ। এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ.লীগের যুগ্ম সাধারণ সমাপাদক আব্দুর রউফ মোল্যা, উপজেলা আ.লীগের নেতা জাহাঙ্গীর আলম, আইয়ূব হোসেন, লায়লা খাতুন, লুৎফর রহমান প্রমুখ।
অভয়নগর উপজেলা নির্বাচনের লক্ষে সরদার অলিয়ার রহমানের মতবিনিময় সভা
অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি
অভয়নগর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের লক্ষে উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার অলিয়ার রহমান উপজেলা ও ইউনিয়ন আ.লীগের ৫ শতাধিক নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন। শনিবার বিকালে নওয়াপাড়া ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সুন্দলী ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধির কুমার পাড়ে।
মতবিনিময় সভায় সরদার অলিয়ার রহমান উপস্থিত সকলের কাছে উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য মতামত চান। এ সময় উপস্থিত সকলে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য হাত তুলে সমার্থন ব্যক্ত করেন। সভায় বক্তব্য রাখেন প্রেমবাগ ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি সরদার বাবুল আক্তার,সুন্দলী ইউনিয়ন আ.লীগর সাধারণ সম্পাদক সমিরণ সরকার, চলিশিয়া ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি মশিউর রহমান, পায়রা ইউনিয়র আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক তরফদার মশিয়ার রহমান,শ্রীধরপুর ইউনিয়নের জিল্লুর রহমান,বাঘুটিয়ার শেখ আলমগীর হোসেন, মূভরাড়ার মহিউদ্দিন খান, সিদ্দিপাশার শেখ হাবিবুর রহমান প্রমুখ। এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ.লীগের যুগ্ম সাধারণ সমাপাদক আব্দুর রউফ মোল্যা, উপজেলা আ.লীগের নেতা জাহাঙ্গীর আলম, আইয়ূব হোসেন, লায়লা খাতুন, লুৎফর রহমান প্রমুখ।
ডুমুরিয়ায় অসুস্থ যাত্রাশিল্পীর পাশে দাঁড়ালেন সামাজিক সংগঠন ও জনপ্রতিনিধি
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় স্বা¯’্য ও সেবামূলক সংগঠনের পক্ষ থেকে এক অসু¯’ যাত্রাশিল্পীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার শরাফপুর ইউনিয়নের ভুলবাড়িয়া গ্রাম¯’ ওই অসু¯’ যাত্রাশিল্পী আর এম কে সানির নিজ বাসভবনে গিয়ে সংগঠনের সভাপতি ডাক্তার সুদীপ্ত সুন্দর মন্ডল তাকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং তার শারীরিক অব¯’ার খোঁজ খবর নেন। এ সময় উপ¯ি’ত ছিলেন ইউপি সদস্য লাভলী বিশ্বাস, সুকান্ত মন্ডল সহ আরো অনেকে। এক সময়ের মঞ্চ কাঁপানো সাড়া জাগানো শক্তিমান জনপ্রিয় যাত্রা শিল্পী আর এম কে সানি দীর্ঘদিন শারীরিক ভাবে অসু¯’। কিš‘ আর্থিক অনটনের কারণে তিনি সুচিকিৎসা নিতে পারছেন না। এ খবর জানতে পেরে তার কাছে ছুটে যান শোভনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত কুমার বৈদ্য। তিনিও তাকে নগদ অর্থ প্রদান করেছেন।
ডুমুরিয়ায় পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্প-৩য় পর্যায়ে সুফলভোগীদের আয়বর্ধন মূলক প্রশিক্ষণ
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক (বিআরডিবি) পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্প-৩য় পর্যায়ে সুফলভোগীদের ৩দিন মেয়াদী আয়বর্ধনমূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে বিআরডিবি প্রশিক্ষণ হল রুমে এ প্রশিক্ষণে সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক ছিলেন প্রকল্প পরিচালক বিআরডিবি ঢাকা মোঃ আলাউদ্দিন সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিআরডিবি খুলনার উপ-পরিচালক মোঃ নাছির উদ্দিন। সমাপনী দিনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আল আমীন প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করেন।
কালিগঞ্জে প্রবাসীর বৃক্ষ নিধনের পরে জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে
কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার পল্লীতে আমেরিকা প্রবাসীর জমি থেকে বৃক্ষ নিধনের পরে জবরদখল করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের ধলবাড়িয়া গ্রামে ঘটেছে। বিষয়টি ঘীরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানাগেছে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন প্রবাসীর শাশুড়ী জাহানারা আহমেদ (৬৮)। অভিযোগ ও সরেজমিন সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার ধলবাড়িয়া রামচন্দ্রপুর মৌজায় ২৬৩ খতিয়ানে ৫৯৭, ৫৭৮ ও ৫৮২ দাগে ২৩০০ শতক জমি আমেরিকা প্রবাসী আশরাফুল আলম এর স্ত্রী শামিমা আলমের নামীয় ও দীর্ঘ ৪০ বছরের দখলীয়। মালিক প্রবাসে থাকায় উক্ত সম্পত্তি বর্তমানে দেখাশোনা করেণ বয়বৃদ্ধা শাশুড়ী জাহানারা আহমেদ। তিনি গত ৩ এপ্রিল-২৪ তারিখে ঢাকায় অবস্থানরত ছোট ছেলে আমিনুর রহমান বকুলের সাথে ওমরা পালনের জন্য বাড়ি থেকে চলে যান। এ সুযোগে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে একই গ্রামের মৃত আমির আলী তরফদারের ছেলে পরসম্পদ লোভী বুলবুল ইসলাম তরফদার ঐ জমি থেকে ২০/২৫ বছর বয়সী ফলজ, বনজ প্রায় ১৭ টি গাছ কেটে সাবাড় করে দিয়ে বিক্রিত সমুদয় অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। প্রখর তাবদাহে সরকারসহ দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন যেখানে বৃক্ষ রোপন অভিযানে নেমে পড়েছেন ঠিক সেই সময়ে বৃক্ষ নিধনের এমন ঘটনা ব্যাপক সমালোচিত হয়েছেন বুলবুল ইসলাম তরফদার। জাহানারা আহমেদ এ প্রতিনিধিকে জানান, গত ২১ এপ্রিল-২৪ তারিখে পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে বাড়িতে ফিরে দেখতে পাই সবুজ বনায়নে ভরা বৌমার জমি থেকে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ষড়যন্ত্রমূলক বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে সাবাড় করে দিয়েছে। এরপরেও সম্পুর্ণ গায়ের জোরে ২৫ এপ্রিল-২৪ বেআইনে দলবদ্ধ হয়ে উক্ত জমিতে পিলার বসিয়ে ঘেরা ও নেট দিয়ে জবর দখল করেছেন। বাঁধা দিতে গেলে নানান রকম হুমকি ধমকী দিয়ে বৃদ্ধা জাহানারা আহমেদ ও তার কর্মচারীকে হাকাইয়া দেয়। এঘটনার সংবাদে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ও ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম পরিদর্শন করেন এবং হীন জবরদখলের প্রতিবাদ করেন। এঘটনায় সুষ্ঠু বিচার ও বিহিতের দাবীতে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
কালিগঞ্জে অপরিপক্ক আম জব্দ করে বিনষ্ট করলেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আজাহার আলী
কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
কালিগঞ্জে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঢাকায় প্রেরণকালে ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য দিয়ে পাকানো ৪শ’ কেজি আম জব্দ করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আজাহার আলী। শনিবার (২৭ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১ টায় কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগরের বালিয়াডাঙ্গা বাজার সংলগ্নে মৃত মুনসুর আলী গাজীর ছেলে আজিজুল ইসলাম গাজীর প্রতিষ্ঠান থেকে বিশেষ কায়দায় ক্যারেটে ভর্তি রাসায়নিক দ্রব্য মিশ্রিত ৪শ’ কেজি অপরিপক্ব গোবিন্দভোগ আম জব্দ করা হয়। পরে তা জনসম্মুখে বিনষ্ট করা হয়েছে। এমনিভাবে অভিযান পরিচালনা করে সাতক্ষীরা আমের সুনাম বিশ্ব বাজারে সমুন্নত রাখতে হবে এই প্রত্যয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আজাহার আলী বলেন বিভিন্ন প্রকার আম বাজারজাতকরণের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি মুনাফা লাভের আশায় রাসায়নিকে আম পাকিয়ে তা বিক্রি শুরু করেছেন ও ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে পাঠাচ্ছেন এই আম। রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা আম বাইরে থেকে পাকা মনে হলেও আসলে সেগুলো অপরিপক্ব ও কাষতির। এই আম মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর উল্লেখ করে তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ি অসাধু আম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সিনিয়র কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ ওয়াসীম উদ্দীন, থানা পুলিশ ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানা পুলিশের হাতে ৩৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার ১
মাহমুদ হাসান রনি,
দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানা পুলিশ ৩৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ ১ জনকে গ্রেফতার করেছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার সাহার নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ তারেক হাসান ও ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দর্শনা থানার রাঙ্গিয়ারপোতা গ্রামে এক অভিযান চালায়।এসময় রাঙ্গিয়ারপোতা গ্রামের সাবদার আলীর ছেলে
মোঃ পিয়াস আলীর বাড়িতে এক অভিযান চালায়।পরে তার বাড়ির উঠান হতে তার দেহ তল্লাসী করে ৩৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার করে। উদ্ধারকৃত ফেনসিডিললের মূল্য অনুমান ৭২ হাজার টাকা। পরে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে দর্শনা থানায় মামলা হয়েছে।
কুয়েটে “মোটরযান চালক ও হেলপারদের অংশগ্রহণে সড়ক নিরাপত্তামূলক প্রশিক্ষণ” অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় (কুয়েট) এর ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর আয়োজনে দিনব্যাপী “মোটরযান চালক ও হেলপারদের অংশগ্রহণে সড়ক নিরাপত্তামূলক প্রশিক্ষণ” অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৭ এপ্রিল শনিবার সকাল ৯টায় বিশ^বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মিহির রঞ্জন হালদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সোবহান মিয়া। অনুষ্ঠানে রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ এর খুলনা বিভাগের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) প্রকৌশলী মোঃ জিয়াউর রহমান, বাগেরহাট সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) প্রকৌশলী লায়লাতুল মাওয়া ও খুলনা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. নরোত্তম কুমার রায়, স্বাগত বক্তৃতা করেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আরিফুজ্জামান এবং শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন যানবাহন কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. জহির উদ্দিন আহাম্মদ। সেমিনারে বিশ^বিদ্যালয়ের যানবাহন শাখায় কর্মরত কর্মকর্তা, ড্রাইভার, হেলপার ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ-তালুকদার আব্দুল খালেক
তথ্য বিবরনী
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের মেধা, মননশীলতা ও সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে শিক্ষকগণ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অবদান রাখতে পারবেন। স্মার্ট বাংলাদেশের সুফল ভোগ করবে আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষকরা সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম কারিগর।
তিনি শনিবার দুপুরে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশন, খুলনা জেলা ইউনিট আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে শিক্ষা ক্যাডারের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
সিটি মেয়র বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিলো সর্বস্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সোনার বাংলা তথা উন্নত বাংলাদেশ গড়ার। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে। বর্তমানে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপান্তর হওয়ার পরে স্মার্ট বাংলাদেশে দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, ১৯৯৬ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসার পর সাধারণ মানুষ কম্পিউটার ক্রয় করতে পারে এজন্য কম্পিউটারের ওপর থেকে কর মওকুফ করেছিলেন। কম্পিউটার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুব সমাজ তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারছে। ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশের ভিশন বাস্তবায়নের জন্য সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহবান জানান মেয়র।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম কামাল হোসেন। প্রধান আলোচক ছিলেন মাউশির মহাপরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) ও বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রফেসর মোঃ শাহেদুল খবির চৌধুরী। বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশনের জেলা ইউনিটের সভাপতি প্রফেসর খান আহমেদুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন আয়োজক কমিটির আহবায়ক এস এম শওকত হোসেন। ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে শিক্ষা ক্যাডারের ভূমিকা’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশনের জেলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক ড. মোঃ শামীম। অনুষ্ঠানে খুলনা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালক প্রফেসর শেখ হারুনর রশীদ, সরকারি বিএল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শরীফ আতিকুজ্জামান, সরকারি আযমখান কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর কার্ত্তিক চন্দ্র মন্ডল, সরকারি মজিদ মেমোরিয়াল সিটি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শেখ মোঃ বদিউজ্জামান, বয়রা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর কেএম তৌহিদুর রহমান প্রমুখ বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশন কমার্স কলেজের ইউনিটের সম্পাদক তারক চাঁদ ঢালী ও জেলা কমিটির সদস্য শাহানারা পারভীন।
অনুষ্ঠানে খুলনা জেলার বিভিন্ন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, অধ্যাপক, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক ও ইউনিটের সম্পাদকরা অংশ নেন।
মহান মে দিবস সফল করতে খুলনা জেলা শ্রমিকলীগের জরুরী সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
মহান মে দিবস-২০২৪ উৎযাপন উপলক্ষে খুলনা জেলা শ্রমিকলীগের উদ্যোগে গতকাল বিকাল ৫ ঘটিকায় দলীয় কার্যালয়ে কার্যনির্বাহী পরিষদের জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় শ্রমিকলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বি এম জাফর এর সভাপতিত্বে ও খুলনা জেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোঃ পীর আলীর পরিচালনায়, উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন- খুলনা মহানগর শ্রমিকলীগের সভাপতি মোঃ মোতালেব মিয়া, সাধারণ সম্পাদক বাবু রনজিৎ কুমার ঘোষ,খুলনা জেলা শ্রমিকলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ তারিকুল ইসলাম, মোঃ নিজামুল হক বাবলু,মোঃ আলম হাওলাদার, এ্যাড.এবিএম এনামুল হক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহিন আহমেদ, সহ-সম্পাদক মোঃ জাহিদুর রহমান জাহিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম সিকদার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ফারুক হাওলাদার,প্রচার সম্পাদক শেখ মোঃ মঈনুল ইসলাম মোহন, দপ্তর সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন, সহ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন চিশতি, রুপসা উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি শেখ মোঃ আব্দুস সাত্তার,দিঘলিয়া উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম রিতা, সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম,ডুমুরিয়া উপজেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম লিটু, বটিয়াঘাটা উপজেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহাগ হাওলাদার, রুপসা উপজেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম নূর মোহাম্মাদ টুলু, জেলা শ্রমিকনেতা মোঃ আবু হান্নান,মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ বোরহান উদ্দিন,মোঃ হায়দার আলী খান,মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন,মোঃ নাসির উদ্দীন, মোঃ বাবুল শেখ, আখি বেগম, রমজান শেখ, মোঃ বিল্লাল শেখ,মোঃ হারুন মোড়ল,মোঃ শাহেদ সিকদার, মোঃ আয়ুব আলী শেখ , মোঃ সিবাজুল ইসলাম, জি এম আব্দুল কাদের, আব্দুল ওয়াদুদ শেখ,মোঃ আব্দুল হালিম সরদার,মোঃ নজরুল ইসলাম বাবু প্রমুখ।
উক্ত সভায় সর্বসম্মতি ক্রমে অজিত বিশ্বাসকে খুলনা জেলা শ্রমিকলীগের সহ-সভাপতি ও মোঃ জহির রায়হান কে সদস্য হিসাবে কো-অপশন করা হয়।
উপস্থিতির হার ৯২.১০ শতাংশ: খুবিতে ‘এ’ ইউনিটের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
২৭ এপ্রিল (শনিবার) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের ২৪টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ‘এ’ ইউনিটের (বিজ্ঞান বিভাগ) ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিন বেলা ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ দেলদার আহমেদ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রেভারেন্ড পলস্ হাই স্কুল ও হোপ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ‘এ’ ইউনিটে গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে আসন ছিলো ৮ হাজার ৮৮৬ জন শিক্ষার্থীর। পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ছিলো ৯২.১০ শতাংশ।
এদিকে পরীক্ষা চলাকালে ড. সত্যেন্দ্রনাথ বসু একাডেমিক ভবন ও আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের পরীক্ষার হল এবং কন্ট্রোল রুম পরিদর্শন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। সেখানে পরীক্ষার সার্বিক বিষয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। পরিদর্শন শেষে কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষমান সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে উপাচার্য বলেন, জিএসটি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাশ্রয় এবং মানসিক কষ্ট লাঘব হয়েছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অতীতের তুলনায় এ বছর আরও সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনায় গুচ্ছ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তীব্র তাপদাহের কথা বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভিতরে পরীক্ষা চলাকালীন অভিভাবকদের বিশ্রামের ব্যবস্থা করা হয়। তিনি পরীক্ষার জন্য দায়িত্ব পালনকারী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
পরে উপাচার্য দেলদার আহমেদ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রেভারেন্ড পলস্ হাই স্কুল ও হোপ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটেও পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন। পরীক্ষার হল পরিদর্শনকালে ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরী, পরীক্ষার ফোকাল পয়েন্ট ও চারুকলা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. নিহার রঞ্জন সিংহ, বিভিন্ন স্কুলের ডিন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুসসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
রামাপালে বেপরোয়া ট্রাক চাপায় প্রাণ গেল ৩ জনের
মেহেদী হাসান,রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা ।।
রামপালের খুলনা-মোংলা মহাসড়কের চেয়ারম্যানের মোড় নামক স্থানে বেপরোয়া ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেলে অটো ভ্যান চালকসহ ৩ জনের। খবর পেয়ে রামাপাল থানা পুলিশ, কাটাখালী হাইওয়ে থানা পুলিশ ও রামাপাল ফায়ারসার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেন। পুলিশ ঘাতকসহ ট্রাকটিসহ চালক শাফায়ত (১৮) কে আটক করেছে।
রামাপাল থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ৭ টা ৪০ মিনিটে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের চেয়ারম্যানের মোড়ে খুলনাগামী ট্রাকটি যাত্রীবাহী অটোভ্যনটিকে চাপা দেয়। এ সময় অটোভ্যানে থাকা চালকসহ ৩ জন নিহত হন। ট্রাক চাপায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন রামপাল উপজেলার ঝনঝনিয়া গ্রামের রাজ্জাক মোড়লের ছেলে সাইদ মোড়ল (৪৫)। গুরুতর আহত একই গ্রামের ইসলাম মোড়লের ছেলে মো. আজাদ ও কুমলাই গাববুনিয়া গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে ভ্যান চালক মো. মনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত বলে ঘোষনা করেন।
রামাপাল থানার ওসি (তদন্ত) বিধান চন্দ্র বিশ্বাস জানান, ট্রাকটি হেলপার সাফায়েত চালাচ্ছিল। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোভ্যান গাড়িটি চাপা দেয়। এতে চালকসহ ৩ জন নিহত হন। ট্রাকটি জব্দসহ চালককে আটক করা হয়েছে। নিহতদের হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।#
ঝিনাইদহ-১ আসনে আ.লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু
নিজস্ব প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে দলীয় মনোনয়ন বিক্রি করছে আওয়ামী লীগ। শনিবার সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ ফরম বিক্রি শুরু হয়।
ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাই গত ১৬ মার্চ ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যান। তার মৃত্যুতে শূন্য হওয়া আসনে সকাল থেকেই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করছেন মনোনয়নপ্রত্যাশীরা।
প্রথম দিনেই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক।
মনোনয়নপ্রত্যাশী আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমি ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করি। তিনি নির্বাচন করার সুযোগ দিলে নৌকাকে বিজয়ী করে শৈলকুপার জনমানুষের জন্য কাজ করব।
তিনি বলেন, এই এলাকায় কাজ করার কারণে মানুষের সকল সমস্যার কথা জানি। সুতরাং জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে মনোনয়ন দেন তা হলে আমি নির্বাচিত হয়ে এলাকার সব সমস্যা খুব সহজেই সমাধান করতে পারব। প্রধানমন্ত্রী যদি আমাকে মনোনয়ন দেন আমি বিশ্বাস করি আমার দলের নেতাকর্মীরা আমার জন্য কাজ করবেন।
ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মা-বোনও বিদ্যুতায়িত, প্রাণ গেল ৩ জনের
খুলনাঞ্চল রিপোর্ট
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় লেবু বাগানে বিদ্যুতের ছেড়া তারে জড়িয়ে মা, ছেলে-মেয়েসহ একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ডালমারা গ্রামের রিয়াজ মোল্লার-স্ত্রী সোনিয়া বেগম, তার মেয়ে রেজবি আক্তার (৯) ও ছেলে সালমান মোল্লা (৫)।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নিয়ামতি ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর জানান, পল্লী বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে বাগানে পড়ে ছিল। সেটা জানতো না রিয়াজ মোল্লার পরিবার। লেবু তুলতে গিয়ে প্রথমে তারে জড়িয়ে পড়ে সালমান। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে মা সোনিয়াও বিদ্যুতায়িত হন। মা ও ভাইকে রক্ষা করতে গিয়ে রেজবিও তারে জড়িয়ে যায়। এতে তিনজনই ঘটনাস্থলে মারা যান। স্থানীয়রা পল্লী বিদ্যুতের অফিসে কল করে জানানোর পর বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করা হয়। পরে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আফজাল হোসেন জানান, বিষয়টি জেনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেছেন।
পল্লী বিদ্যুতের বাকেরগঞ্জ জোনাল ডিজিএম গোবিন্দ চন্দ্র দাস বলেন, কবে তার ছিঁড়ে পড়েছে সেটা তারাও জানত না। এ বিষয়ে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অবৈধ দখল এবং অপরিকল্পিত খননে ডুমুরিয়ায় ৭ নদী অস্তিত্ব সংকটে
স্টাফ রিপোর্টার
অবৈধ দখল এবং অপরিকল্পিত খননের ফলে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বুক চিরে বয়ে চলা সাতটি নদী এখন অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। নদীগুলো হচ্ছে- ভদ্রা, সালতা, হরিনদী, শ্রীহরি, শোলমারি, কাজিবাছা ও হামকুড়া। এর মধ্যে ভদ্রা ও সালতা নদী অপরিকল্পিত খননের কারণে পানিপ্রবাহ সৃষ্টি হয়নি। ফলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৪৬ কোটি টাকা জলে গেছে। খননের সময় নদীর জোয়ার ভাটার প্রতিবন্ধকতা (বাঁধ) অপসারণ না করায় খননের মাত্র দেড় বছরের মাথায় ভরাট হতে শুরু করে। বর্তমানে দুটি নদীর অধিকাংশ স্থান ভরাট হয়ে গেছে। বিলের চেয়ে নদীর তলদেশ উঁচু হওয়ায় এখন বিলের পানি নিষ্কাশনের সুযোগ কমে গেছে। তৈরি হচ্ছে জলাবদ্ধতা।
এদিকে, নতুন করে পানি উন্নয়ন বোর্ড খুলনা ও যশোর জেলার ভরাট হওয়া নদ-নদী খননের জন্য প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করেছে। যা সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুলনার সার্কিট হাউস মাঠে এক জনসভায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার ভদ্রা নদী খনন কাজের উদ্বোধন করেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড ২০১৯ সালের ৩০ জুন ভদ্রা-সালতা খনন প্রকল্পের মাধ্যমে ভদ্রা নদীর ২১ কিলোমিটার ও সালতা নদীর ৯ কিলোমিটার খনন কাজ শেষ করে। কিন্তু, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের হঠকারী ও অপরিকল্পিত এক সিদ্ধান্তের খেসারত দিতে হচ্ছে এখন সবাইকে। যে উদ্দেশ্য নিয়ে ভদ্রা খনন করা হয় সেটি এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।
৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নদী দু’টি খনন করা হয় তখন। ওই সময় উপজেলার খর্ণিয়া ইউনিয়নের গোনালী গ্রাম ও শোভনা ইউনিয়নের গাবতলা এলাকায় একটি রাস্তা (বাঁধ) না কেটে রেখে দেওয়া হয়। ফলে জোয়ারের পানি এসে ওই স্থানে বাধা পেতে থাকে। ফলে আস্তে আস্তে ভরাট হতে থাকে নদী। বাঁধের ওই স্থান থেকে পশ্চিম দিকে ঘ্যাংরাইল নদীর তেলিগাতির উৎপত্তি স্থল থেকে গাবতলা পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার ভরাট হয়। খননের মাত্র দেড় বছরের মাথায় ১৬ ফুট গভীরতার খনন করা নদীটি গোচারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে। কোনো কোনো স্থানে আবার দখল করে মাছ চাষ করা হচ্ছে। আবার কোথাও দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে বসতি। কেউ কেউ নদীর বুকে শুরু করেছেন ফসল চাষ।
ডুমুরিয়া উপজেলার ভদ্রানদী পাড়ের গ্রাম শোভনার বাসিন্দা ষাটোর্ধ্ব আব্দুল করিম খাঁন বলেন, বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে চলা এই ভদ্রা দিয়ে এক সময়ে গয়নার নৌকায় করে কাঁচা তরকারি নিয়ে যেতাম শহরে। এরপর ট্রলারে করেও এই এলাকা থেকে কাঁচামালসহ বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী নিয়ে গেছি। সেই নদীটি ৯০ সালের দিকে ভরাট হতে শুরু করে। এক সময়ে পুরোপুরি ভরাট হয়ে নদী পথে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে ভরাট হওয়া নদী পানি উন্নয়ন বোর্ড খনন করে। কিন্তু, বছর দুয়েকের মধ্যে সেটি আবার ভরাট হয়ে গো-চারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র ভদ্রা, সালতা নয়- এ অঞ্চলের মধ্য দিয়ে বয়ে চলা হরিনদী, শ্রীহরি, শোলমারি, কাজিবাছা, হামকুড়া নদীও অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়েছে।
শোভনা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য শেখ রফিকুল ইসলাম বলেন, ভদ্রা নদীর দক্ষিণের শোভনা গ্রামে সবজি, কুল, পেয়ারাসহ কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয় ব্যাপকভাবে। এই উৎপাদিত পণ্য এবং এই অঞ্চলের চিংড়ি আনা নেওয়ার সুবিধায় তখন বাঁধটি কাটা হয়নি। যদিও অধিকাংশ লোক এই বাঁধ কেটে ফেলার দাবি তোলেন। প্রভাবশালী মহলের কারণে সেটি সম্ভব হয়নি।
খর্ণিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ দিদারুল ইসলাম বলেন, খননের সময়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ঠিকাদারের অনিয়ম এবং আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করায় পরিকল্পিত ভাবে নদীটি খনন হয়নি। বিধায় আজ আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে এসেছে নদীটি।
শোভনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সরদার আব্দুল গণি বলেন, ভদ্রা ও সালতা নদী দুটি ডুমুরিয়ার প্রাণ। নদীটি খননের সময় ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। প্রভাবশালী অনেকের স্থাপনা রক্ষা করতে গিয়ে আঁকা-বাঁকা করে খনন করা হয়। তাছাড়া, একটি খোড়া অজুহাতে গাবতলায় নদীর মাঝ দিয়ে যাওয়া সড়কটি না কেটে রেখে দেওয়া হয়। এতে ওই স্থানে জোয়ারের পানিতে আসা পলি বাধা পড়ে আস্তে আস্তে ভরাট হয়ে এখন আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে এসেছে।
ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হালিম বলেন, ভদ্রা ও সালতা নদী দুটি খননের সময়ে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। প্রভাবশালীদের স্থাপনা রক্ষা করতে গিয়ে আঁকা-বাঁকা করে খনন করা হয়। যার খেসারত এখন ডুমুরিয়া, বটিয়াঘাটা ও কেশবপুর উপজেলার মানুষকে দিতে হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাজকিয়া বলেন, নদী দুটির নাব্যতা ফিরে পেতে খননের ব্যয় ছাড়াও ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি স্লুইসগেট নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। যদিও পরে তা বাতিল হয়ে যায়। ফলে অতিদ্রুত নদী দুটি প্রায় আগের অবস্থানে ফিরে এসেছে। এজন্য ভদ্রা, সালতা নদীসহ আশপাশের ছোট ছোটন দী-খাল পুনঃখনন করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, খুলনাঞ্চলের ভদ্রা, সালতা, হরিনদী, আতাই ভৈরবসহ প্রতিটি নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে খননের প্রয়োজন। এজন্য একটি প্রকল্প পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন ও বাস্তবায়িত হলে এলাকাবাসীর জলাবদ্ধতার সমস্যার সমাধান হবে।
খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনের সংসদ সদস্য ও ভূমিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য ভদ্রা ও সালতা নদী খনন করা হয়। একটি বাঁধের কারণে জোয়ারের পানির স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় গাবতলা থেকে ভরাট শুরু হতে থাকে। বর্তমানে তেলিগাতি পর্যন্ত ভরাট হয়ে গেছে। নদীগুলো খনন করে যদি একটির সঙ্গে অপরটির সংযোগ স্থাপন করে জোয়ার-ভাটার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া করা যায়, তাহলে নদী খনন সুফল বয়ে আনবে।
যশোর কারাগারে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, দুই কারারক্ষীসহ আহত ৭
যশোর অফিস
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতিদের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পাঁচজন হাজতি আহত হয়েছেন। তাদের সংঘর্ষ ঠেকাতে গিয়ে দুজন কারারক্ষী আহত হয়েছেন। পরবর্তীতে হুইসেল বাজিয়ে কারারক্ষীরা ভেতরে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের নিউ জেল এলাকায় এ সংঘর্ষ বাঁধে।
তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন খুলনা কারা উপমহাপরিদর্শক অসীম কান্ত পাল। জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে সূত্র জানিয়েছে। সংঘর্ষের সূত্রপাতের বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ পূর্ব কোন্দলের কথা জানিয়েছে। তবে, কারাগারের অপর একটি সূত্র বলছে, মোবাইল ফোন ব্যবহার করাকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ হয়েছে।
শুক্রবার সকাল থেকেই যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে অসংখ্য দর্শনার্থী তাদের হাজতিদের সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষায় ছিলেন। হঠাৎ হুইসেল বেজে ওঠে। মুহূর্তেই মানুষ দিকবিদিক ছোটাছুটি শুরু করে। দর্শনার্থীদের দ্রুত বাইরে বের করে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, সকল কারারক্ষী তাড়াহুড়ো করে লাঠি নিয়ে কারাগারের ভেতরে প্রবেশ করে। কারা কর্তৃপক্ষের এ ধরনের কার্যক্রম দেখে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়। কেউ কেউ বলতে থাকে আসামি পালিয়েছে। প্রায় দেড় ঘণ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
ওইসময় কারাগারে ভেতরে যাওয়া কারারক্ষী ও সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কারা অভ্যন্তরের নিউ জেল এলাকার সামনে সন্ত্রাসী ভাইপো রাকিব ও আরেক সন্ত্রাসী সম্রাটের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়। এ সময় দু’গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। শেষমেষ তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সঙ্গে সঙ্গে হুইসেল বাজানো হয়।
পরবর্তীতে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার সুরাইয়া আক্তার ও জেলার শরিফুল আলম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। একপর্যায় দ্রুতই তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে খুলনা কারা উপমহাপরিদর্শক অসীম কান্ত পাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এদিকে, কারাগারের অপর একটি সূত্র জানিয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে দুজন কারারক্ষী জখম হয়েছেন। তাদেরকে কারা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, আহত হাজতিদেরও সেখানে চিকৎসা দেওয়া হয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, তাৎক্ষণিক কারাকর্তৃপক্ষ জড়িত সাত-আটজনকে চিহ্নিত করেছেন। এদের মধ্যে কয়েকজনকে পৃথক স্থানে রাখা হয়েছে। তাদের বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের সহকারী সার্জন সাজ্জাদ হোসেন বলেন, দুজন কারারক্ষী ও ছয়-সাতজন হাজতি কারা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা আশঙ্কামুক্ত ও সুস্থ রয়েছেন।
কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার সুরাইয়া আক্তার বলেন, ঘটনাটি সামান্য। তবে, আকস্মিকভাবে তাদের একজন কারারক্ষী অ্যালার্ট হুইসেল বাজিয়ে ফেলেন। এতে করে বিষয়টি বড় আকারে রূপ নেয়।
তিনি বলেন, মূলত যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বর্তমানে শহরের দাগী কয়েকজন সন্ত্রাসী রয়েছে। তাদের মধ্যে ভাইপো রাকিব অন্যতম। এদের দু’টি গ্রুপের সদস্যদের বাইরেই কোন্দল ছিল। যা কারাগারের ভেতরে ক্ষোভ মেটানোর চেষ্টা করেছে। যারা এ ঘটনার সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি বলেন, কারারক্ষীদের উপর হামলা চালানো হয়নি। মূলত তাড়াহুড়ো করে কারাগারের ভেতরে প্রবেশ করতে গিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি কারাগারে দুইজন কারারক্ষীর মধ্যে ডিউটিরত অবস্থায় মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই দুই কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। তার রেশ কাটতে না কাটতেই কারা অভ্যন্তরে হাজতিদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলো।
প্রচণ্ড দাবদাহে মানুষের পাশে: প্রশংসায় ভাসছেন মানবিক পুলিশ সদস্য
নিজস্ব প্রতিনিধি
দেশের সর্বোচ্চ দাবদাহে পুড়ছে চুয়াডাঙ্গা। প্রচণ্ড এই দাবদাহে সাধারণ মানুষ যখন ঘরমুখো, তখন এই দাবদাহ থেকে অসহায় দরিদ্র রিকশা ভ্যান চালক ও পথচারীদের একটু স্বস্তি দিতে ও পিপাসা নিবারণের জন্য ছুটে চলেছেন জেলার মানবিক এক পুলিশ সদস্য (পুলিশের নায়েক)। চাকরির (ডিউটির) ফাঁকে সময় সুযোগ পেলেই তিনি ছুটে যান শহরের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে। খুঁজে বেড়ান অসহায় দরিদ্র রিকশা, ভ্যানচালক ও পথচারীদের। তাদেরকে পেলেই তিনি নিজের বেতনের টাকা দিয়ে কেনা ছাতা, ডাব, বিশুদ্ধ পানি ও খাওয়ার স্যালাইন তুলে দেন তাদের হাতে।
কে এই মানবিক পুলিশ সদস্য: যশোর জেলার শার্শা উপজেলার টেংরালী গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম মল্লিকের ছেলে মানবিক এই পুলিশ সদস্য ইসমাইল হোসেন।
২০১৬ সালে যশোর জেলা থেকে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরিতে যোগদান করেন ইসমাইল হোসেন। পরে পদোন্নতি পেয়ে বর্তমান পুলিশের নায়ক পদে চুয়াডাঙ্গা জেলায় কর্মরত আছেন মানবিক এই পুলিশ সদস্য। চুয়াডাঙ্গায় যোগদানের পর থেকেই তিনি মসজিদ, মাদরাসাসহ অসহায়, দরিদ্র ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে থাকেন। এসব কারণে খুব অল্প সময়ে তিনি জেলাবাসীর কাছে মানবিক পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
মানবিক এই পুলিশ সদস্য জানান, ছোট থেকেই গরির অসহায় মানুষের জন্য কিছু করার প্রবল ইচ্ছা ছিল। আমার সে স্বপ্নটা পূরণ হতে শুরু করে চাকরিতে জয়েন করার পর। চাকরিতে জয়েন করার পর থেকেই আমার বেতনের একটা অংশ গরীর অসহায় মানুষের জন্য ব্যয় করি।
তারই ধারাবাহিকতায় দাবদাহে যখন সাধারণ মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। আবার প্রশাসনের পক্ষ থেকেও হিট অ্যালাট জারি করা হয়েছে। এমন অবস্থায় দেশের সর্বোচ্চ দাবদাহে যখন পুড়ছে চুয়াডাঙ্গা। সে সময় হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে খালি মাথা জেলা শহরে রিকশা ভ্যান চালাচ্ছে দিন আনা দিন খাওয়া দরিদ্র শ্রেণীর বয়ষ্ক মানুষ।
পাশাপাশি ফুটপাত দিয়ে হাঁটছে পিপাসা কাতর মানুষ। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থেকে সামান্য কিছুটা স্বস্তি দিতে ভ্যানচালক ও রিকশা চালকদের জন্য ছোট ছাতা, ডাবের পানি, স্যালাইন বিশুদ্ধ পানি এবং পথচারীদের জন্য বিশুদ্ধ পানি এবং খাবার স্যালাইন, চাকরির ফাঁকে সময় সুযোগ পেলেই চুয়াডাঙ্গা শহরের বিভিন্ন স্থানে ছুটে যাই এসব বিতরণ করতে।
আমার এই সামান্য সহযোগিতায় তীব্র ও অতি তীব্র দাবদাহ থেকে অসহায় দরিদ্র মানুষের কিছুটা হলেও প্রশান্তি মেলে। এ সময় ওই সব মানুষের হাসি আর আনন্দ দেখে আমার প্রাণ জুড়িয়ে যায়।
আল্লাহ সামর্থ দিলে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত অসহায় দরিদ্র এসব মানুষের জন্য আমার সাধ্যমত সহযোগিতা থাকবে।
তিনি আরো বলেন, চলমান দাবদাহ থেকে অসহায় দরিদ্র মানুষদের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বৃত্তবানদেন প্রতি তিনি আহ্বান জানান।
সংবাদকর্মী শিরিন জামান জানান, সত্যিই এই পুলিশ সদস্য প্রশংসার দাবিদার। তাকে দেখে সমাজের বৃত্তবানরাও উৎসাহিত হয়ে এগিয়ে আসবেন বলে আশা করছি।
৭ বিয়ে করা স্বামীকে নিয়ে কাড়াকাড়ি, পালিয়ে বাঁচলেন আনসার সদস্য
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
অষ্টম শ্রেণি পাশ আনসার সদস্য তরিকুল ইসলাম (৩৮)। বাড়ি বাগেরহাট সদর উপজেলার খানপুর গ্রামে। কর্মরত আছেন ঢাকার সুত্রাপুর থানায়। একে একে বিয়ে করেছেন সাতটি। যেখানেই যান সেখানেই বিয়ে করেন। সবশেষ বিয়ে করেছেন ঝিনাইদহ শহরের পবহাটিতে। বর্তমানে তিন নম্বর স্ত্রী পারভীন গ্রামে আর ষষ্ঠ স্ত্রী যশোরের বেনাপোল রয়েছেন। দুই স্ত্রীর দুইটি সন্তানও রয়েছে।
ষষ্ঠ স্ত্রী হোসনে আরা আক্তার সাথী আড়াই বছরের কন্যাসন্তানকে নিয়ে স্বামীকে ফিরে পেতে আসেন ঝিনাইদহের পবহাটিতে। সেখানে বেধে যায় রণক্ষেত্র। স্বামীকে নিতে শুরু হয় কাড়াকাড়ি। উপায় না পেয়ে কোনমতে পালিয়ে বাঁচে আনসার সদস্য তরিকুল ইসলাম।
হোসনে আরা আক্তার সাথী বলেন, বেনাপোল বন্দরে কর্মরত থাকা অবস্থায় আমাদের এলাকায় আসতো তরিকুল। নিজেকে এতিম পরিচয় দিয়ে আমাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। তার কথায় ভুলে আমার পরিবার ২০১৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর তার সঙ্গে বিয়ে দেয়। সেই থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত আমার কাছেই থাকতো। দুই বছর আগে ঢাকায় বদলি হওয়ার পর থেকে আমার খোঁজ খবর নেয়া বন্ধ করে দেয় তরিকুল।
তিনি আরো বলেন, আমার ও আমার সন্তানের কোনো খরচ দিতো না সে। ঢাকায় যাওয়ার পর ইমোতে পরিচয় হয় ঝিনাইদহের পবহাটি এলাকার ঐ মেয়ের সঙ্গে। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে সেজুতিকে বিয়ে করে। এরপর থেকে আমার সঙ্গে সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। গত ঈদে আমার কাছে গিয়ে ছয়দিন ছিলো। আমার কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা নিয়ে চলে এসেছে। তারপর সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। আমার আড়াই বছরের মেয়েটি বাবার জন্য সবসময় কান্নাকাটি করে। ঝিনাইদহ আছে এমন খবর পেয়ে আমরা ঐ বাড়িতে গিয়েছিলাম। আমাদের মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। আর বাড়ি থেকে পালিয়েছে তরিকুল। আমি তরিকুল ও সেজুতির বিচার চাই।
এ ব্যাপারে আনসার সদস্য তরিকুলের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
৯ মাসে ৪৩ হাজার টন শুকনা মরিচ আমদানি, তবুও কমছে না দাম
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে শুকনা মরিচের আমদানি বেড়েছে। গত অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসের তুলনায় চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে এই মসলাজাত পণ্যটি প্রায় সাড়ে ৫ হাজার টন আমদানি বেড়েছে। ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা বলছেন, দেশীয় বাজারে চাহিদা বাড়ার কারণে শুকনা মরিচ আমদানি বেড়েছে। অন্যদিকে, বন্দরে আমদানি বাড়লেও বাজারে তার প্রভাব পড়ছে না। গত এক থেকে দেড় মাস সাতক্ষীরার মসলা বাজারে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে শুকনা মরিচের দাম।
ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা জানায়, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ পর্যন্ত এই বন্দর দিয়ে শুকনা মরিচ আমদানি হয়েছে ৪৩ হাজার ১৩২ টন। যার আমদানি মূল্য ১ হাজার ৮৬ কোটি ৮ লাখ টাকা।
অন্যদিকে, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ পর্যন্ত ভোমরা বন্দরে শুকনা মরিচ আমদানি হয়েছিল ৩৭ হাজার ৭৮৭ টন। যার আমদানি মূল্য ছিল ৯২৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। সে অনুযায়ী চলতি অর্থবছরের গেল ৯ মাসে এ বন্দরে শুকনা মরিচ আমদানি বেড়েছে ৫ হাজার ৩৪৫ টন।
ভোমরা বন্দরের অন্যতম মসলাজাত পণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী আবু হাসান জানান, গেল অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছর তার প্রতিষ্ঠানে শুকনা মরিচ আমদানি বেড়েছে। সপ্তাহে ১০ থেকে ১২ ট্রাক শুকনা মরিচ আমদানি হচ্ছে। যা গেল অর্থবছরের এই সময়ের তুলনায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বেশি।
তিনি আরো বলেন, গত অর্থবছরের এই সময় সপ্তাহে ৭ থেকে ৮ ট্রাক শুকনা মরিচ আমদানি হয়েছে তার প্রতিষ্ঠানে। আমদানিকৃত এসব শুকনা মরিচ স্থানীয় জেলার চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়ে থাকে।
সাতক্ষীরা সদরের সুলতানপুর বড় বাজারের মসলা আড়তে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতি কেজি শুকনা মরিচ ৪৫০ থেকে ৪৬০ দরে বিক্রি হয়েছে। যা আরো এক থেকে দেড় মাস আগেও এই দামই ছিল।
বন্দরে আমদানি বাড়লেও দাম কমছে না কেন? এমন প্রশ্ন করলে ব্যবসায়ীরা জানান, ভোমরা বন্দরে যে পরিমাণ শুকনা মরিচ আমদানি হয় তার অধিকাংশ চলে যায় জেলার বাইরে। ফলে পণ্যটি আমদানি বাড়লেও তার প্রভাব সাতক্ষীরার হাটবাজারগুলোতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এমএম আব্দুল্লা জানান, জেলায় শুকনা মরিচের দাম স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। বিগত এক থেকে দেড় মাস ধরে প্রায় একই রয়েছে শুকনা মরিচের দাম। তবে ভোমরা বন্দরে যে পরিমাণ শুকনা মরিচ আমদানি হচ্ছে তাতে করে দাম কমে যাওয়ার কথা। কিন্তু কেন কমছে না সেটি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে বলেও জানান তিনি।
টয়লেটের পাইপ ভেঙে মিলল ইয়াবা, ২ সহোদর গ্রেপ্তার
মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের মনিরামপুরে টয়লেটের পাইপ ভেঙে কয়েকশ পিস ইয়াবা জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় ইয়াবা ব্যবসায়ী দুই সহোদর ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার রাজগঞ্জ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তারেরা হলেনÍরাজগঞ্জ বাজারের আব্দুল খালেকের ছেলে তরিকুল ইসলাম ও ফরিদ উদ্দিন।
অভিযানে অংশ নেওয়া উপপরিদর্শক (এসআই) আতিকুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ইয়াবা জব্দ করে থানায় আনা হয়েছে। কত পিস পাওয়া গেছে তা গুনে দেখতে হবে।
পুলিশ জানায়, তরিকুল রাজগঞ্জ বাজারে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। এর আগেও একাধিকবার তিনি মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী আনিছুর রহমান বলেন, দুপুরে মনিরামপুর থানা-পুলিশের একটি দল তরিকুলের বাড়িতে অভিযান শুরু করে। একপর্যায়ে পুলিশ তরিকুলের বাড়ির টয়লেটের কমোডের পানিতে কয়েকটি ইয়াবা ভাসতে দেখে। পরে টয়লেটের পাইপ ভেঙে কয়েকশ পিস ইয়াবা জব্দ করে পুলিশ।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী রাশেদ আলী বলেন, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তরিকুল বাড়িতে থাকা ইয়াবা টয়লেটের কমোডে ফেলে পানি ঢেলে দেন। প্রায় দুই ঘণ্টা অভিযান শেষে টয়লেটের মধ্যে ইয়াবা দেখতে পায় পুলিশ। পরে টয়লেটের পাইপ ভেঙে প্লাস্টিকের চামচে করে কয়েকশ পিস ইয়াবা জব্দ করতে সক্ষম হয়।
‘হিট স্ট্রোকে’ মানিকগঞ্জে খুলনার যুবকের মৃত্যু
স্টাফ রিপোর্টার
মানিকগঞ্জে ‘হিট স্ট্রোকে’ খুলনার রহমত আলী সানা (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাতে মানিকগঞ্জের একটি ইটভাটায় কর্মরত অবস্থায় তিনি মারা যান।
রহমত আলী সানা খুলনার পাইকগাছা উপজেলার লস্কর ইউনিয়নের আলমতলা গ্রামের মৃত ছবেদ আলী সানার ছেলে।
লস্কর ইউপি চেয়ারম্যান তুহিন কাগজী জানান, তিনি সুস্থ শরীরে মানিকগঞ্জে ইটভাটায় কাজ করতে গিয়েছিলেন। সেখানে ‘হিট স্ট্রোকে’ রহমতের মৃত্যু হয়েছে বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। শনিবার আলমতলা মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
অনিমেষ সরকার রিণ্টুর পিতার সুস্থতা কামনায় খুলনা জেলা পূজা পরিষদের প্রার্থনা সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ খুলনা জেলা শাখার সাবেক আহ্বায়ক প্রয়াত অমিয় সরকার গোরার ছোট ভাই ও খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অনিমেষ সরকার রিণ্টুর পিতা আশিষ সরকার ঝুনু গত ২ এপ্রিল রাতে হার্ট এ্যাটাক্ট করে খুলনার আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি হন। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ন্যাশানাল হার্ট ফাউন্ডেশনে নেয়া হয়। সেখানে তাঁর হার্টের মূল শিরায় ব্লক ধরা পড়ায় তাঁকে রিং পরানো হয়। শ্রদ্ধেয় আশিষ সরকার ঝুনুর আশু সুস্থতা কামনা করে গতকাল সন্ধ্যায় খুলনার শ্রীশ্রী শীতলাবাড়ী মন্দির প্রাঙ্গণে প্রধান পুরোহিত রণজিৎ মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত প্রার্থনা সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় পূজা পরিষদের উপদেষ্টা বিজয় কুমার ঘোষ, খুলনা মহানগর পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুণ্ডু, জেলা পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিমান সাহা, জেলা পূজা পরিষদের সহ-সভাপতি রবীন্দ্র নাথ দত্ত, এ্যাড. নিমাই চন্দ্র রায়, রতন কুমার মিত্র, অধ্যক্ষ অজিত কুমার বিশ্বাস, প্রভাষক গৌর চন্দ্র ঢালী, শীতলামাতা ঠাকুরাণী মন্দির কমিটির সভাপতি ও জেলা পূজা পরিষদের উপদেষ্টা শ্যামা প্রসাদ কর্মকার, জেলা পূজা পরিষদের কোষাধ্যক্ষ বিভূতি ভূষণ সাহা, দপ্তর সম্পদক সুমন দাস, সমাজকল্যাণ সম্পাদক অমর কুমার দাস, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বিষয়ক সম্পাদক দীপংকর মণ্ডল লিটন, জেলা পূজা পরিষদের উপদেষ্টা বাবুল চন্দ্র সাহা বাবলা, মৃণাল কান্তি বিশ্বাস, পলাশ সাহা দেবু, শিমুল কুমার দাস, মাধুরী মণ্ডল, অনামিকা দাস পপি, বিশ্বজিৎ কুমার মণ্ডল, জেলা পূজা পরিষদের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বিশ্বজিৎ পাল, ছাত্র ঐক্য পরিষদের সভাপতি সুমন বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ সরকার রাহুল, জেলা পূজা পরিষদ নেতা অ্যাড. পংকজ সাহা, অতনু কর বাপ্পা, দিপংকর সাহা বাবু, শংকর সাহা, তপন চক্রবর্ত্তী, নিত্যানন্দ সাহা নিতাই, জেলা যুব ঐক্য পরিষদের সহ-সভাপতি গৌতম দাস, ছাত্র ঐক্য পরিষদ নেতা দীপ মিস্ত্রী, সুজল মিস্ত্রী, সৌরভ মল্লিক, শুভ মণ্ডল, প্রেমজয় ধর, আশিষ সরকার, বাপ্পি, জয়দেব, অয়ন, রাতুল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
সিপিবি’র খুলনা মহানগরীর ২৩তম সম্মেলন সফলের লক্ষ্যে ২৭নং ওয়ার্ড শাখার সভা অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) খুলনা মহানগরের ২৩তম সম্মেলন সফলের লক্ষ্যে ২৭নং ওয়ার্ড শাখার এক সভা আজ ২৭ এপ্রিল শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় পার্টি খুলনা জেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। শাখা সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড সরকার ভূষণ চন্দ্র তরুণের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর সাধারণ সম্পাদক কমরেড এ্যাড. নিত্যানন্দ ঢালী, সম্মেলন প্রস্তুতি পরিষদের চেয়ারম্যান কমরেড এইচ এম শাহাদৎ, সদর থানা সভাপতি কমরেড তোফাজ্জেল হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিপিবি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা কিংশুক রায়, কমরেড মহেন্দ্র নাথ সেন, কমরেড এ্যাড. সুব্রত কুণ্ডু, কমরেড ধীমান বিশ্বাস প্রমুখ। সভায় আগামী ৪ মে ’২৪ খুলনা মহানগরের ২৩তম সম্মেলন সফলের লক্ষ্যে বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয় এবং ওয়ার্ড শাখার নেতা কর্মীদের নিরলসভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
খুলনা নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ
বিদ্যুতের অযৌক্তিক মিটার রেন্ট ও ডিম্যান্ড চার্জ প্রত্যাহার না করলে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে
খবর বিজ্ঞপ্তি
বিদ্যুতের লাগাতারভাবে আদায়কৃত অযৌক্তিক মিটার রেন্ট ও ডিম্যান্ড চার্জ প্রত্যাহার না করলে ভুক্তভোগী গ্রাহকদের নিয়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন খুলনা নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ওজোপাডিকো কর্তৃক প্রিপেইড মিটার সংযোগের সময় গ্রাহকদের নিকট থেকে মূল্য/ভাড়া নেয়া হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও অব্যাহতভাবে মিটার রেন্ট গ্রহণ করা হচ্ছে, যা দেশের নাগরিকদের সাথে রীতিমত প্রতারণা। কর্তৃপক্ষের এহেন মিথ্যাচার এবং তৎপরবর্তী চড়ামূল্যে ভাড়া আদায়ে নেতৃবৃন্দ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে ইতোমধ্যে এ মিটার রেন্ট আদায়ের ব্যাপারে যৌক্তিক ব্যাখ্যাসহ এ ভাড়া প্রত্যাহারের দাবী জানান। ইতোপূর্বে আদায়কৃত মিটার রেন্টের যৌক্তিক কোনো ব্যাখ্যা না থাকলে তা গ্রাহকদের ফেরৎ প্রদানেরও আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ বলেন, নতুন মিটার সংযোগের সময় পূর্বের গ্রাহকদের ক্রয়কৃত মিটার ওজোপাডিকো খুলে নিলেও তার কোনো মূল্য পরিশোধ করেনি। বিশাল অংকের এ মিটারগুলো কোথায় গেল তাও গ্রাহকদের অজানা থেকে গেছে। ডিম্যান্ড চার্জের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ আজও কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা প্রদান করতে পারেননি। সরকার বিদ্যুতের ভ্যাট নিলেও একটি সেবাদানকারী খাতে ডিম্যান্ড চার্জেরমত বিষয়টি অবাক করার মতো। বিশাল অংকের আদায়কৃত জনগণের অর্থ দ্বারা লুটপাটের একটি বন্দোবস্ত করা হয়েছে বলে নেতৃবৃন্দ মনে করেন। সংগঠনটির পক্ষে সংগঠনের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. আ ফ ম মহসীন এবং সদস্য সচিব অ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদার এক যৌথ বিবৃতিতে এ অগ্রহণযোগ্য অর্থ আদায় থেকে কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যথায় অচিরেই তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে জানান।
জনউদ্যোগ,খুলনার পরিবেশ কর্মিদের সমাবেশে বক্তারা
জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবও এখন দৃশ্যমান এবং তা পরিমাপ করা যাচ্ছে
খবর বিজ্ঞপ্তি
‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি এখন আর দূর ভবিষ্যতের বিষয় নয়। পরিবেশ এবং মানুষের বাস্তুসংস্থানের উপর এরই মধ্যে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। জনস্বাস্থ্যের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবও এখন দৃশ্যমান এবং তা পরিমাপ করা যাচ্ছে।’ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবীজুড়ে তাপদাহ জনিত মৃত্যু বেড়ে গেছে। শুধু শারীরিক নয়, মানসিক সুস্থতার ক্ষেত্রেও ক্ষতি করছে। অত্যধিক তাপমাত্রা মন ও মেজাজকে প্রভাবিত করে গুরুতর মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাও সৃষ্টি করছে। তাই সরকারি, বেসরকারি ও সুশীল সমাজকে পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। বিশ^ব্যাপী যুদ্ধ বন্ধ করে পরিবেশ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আবাসন প্রকল্প এবং ব্যক্তিগতভাবে যারা কৃষিজমি নস্ট করে অপরিকল্পিকভাবে আবাসন করছে তারা পরিবেশের দিকে নজর দিচ্ছে না। বরং গাছ নিধন করে আবাসন করছে। জলাশয় বন্ধ করা হচ্ছে। নদী-খালবিলের জমি দখল কওে অন্যকাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এভাবে বললেন জনউদ্যোগ খুলনার পরিবেশ কর্মিদের সমাবেশে বক্তারা।
শনিবার বেলা ১১টায় জনউদ্যোগ,খুলনার উদ্যোগে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গ্রিনহাউজ গ্যাস নি:সরণ কমাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে পরিবেশ কর্মিদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জনউদ্যোগ,খুলনার নারী সেলের আহবায়ক এ্যাড: শামীমা সুলতানা শীলু। সঞ্চালনা করেন জনউদ্যোগ,খুলনার সদস্য সচিব সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেন। অন্যান্যদেও মধ্যে বক্তৃতা করেন খুলনা নাগরিক সমাজের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আফম মহসিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, শেখ মফিদুল ইসলাম, এ্যাড : মোমিনুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন হাওলাদার, সরদার আবু তাহের, নূরুন নাহার হীরা, মো: আব্দুস সবুর, আফরোজা জেসমিন বীথি, নাজমূল তারেক তুষার,মুক্তা জামান রাখী, মীর মো: কবির হোসেন, আনোয়ারা খাতুন, নুসরাত আঁচল টুসি, বদরুন নাহার, মদিনা মনোয়ারা,রুবি আকতার, মাহামুদা খাতুন, সাংবাদিক খান আজরফ হোসেন মামুন, দুর্জয় হালদার, ছাত্রনেতা জয় বৈদ্য প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপদাহ, দাবানল ও আবহাওয়া-সম্পর্কিত বিভিন্ন ঘটনাগুলোর পরিমাণ ও তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর এর বিরূপ প্রভাবও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার সঙ্গে মানসিক অবসাদ, আগ্রাসন, এমনকি আত্মহত্যার উচ্চ হারসহ বিভিন্ন মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার যোগসূত্র রয়েছে। যদিও মানসিক স্বাস্থ্যের বিভিন্ন সমস্যা তাপমাত্রার বাইরেও বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভর করে।
বক্তারা বলেন, সুন্দরবনের বৃক্ষ নিধন করা যাবে না বরং বৃক্ষরোপণ করতে হবে। সভায় সকল সংগঠণকে বৃক্ষরোপণ করার জন্য আহবান জানান। পরে কলেজ ক্যম্পাসে বৃক্ষরোপণ করা হয়।









































