মোঃ শামীম হোসেন- বাজুয়া (দাকোপ)।।
গত কয়েক দিনে খুলনা শহর ও জেলার উপজেলা গুলোর ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তাপদাহ। তাপমাত্রা ওঠানামা করছে ৩৮ ডিগ্রি থেকে ৪০ ডিগ্রি এমনকি ৪২ ডিগ্রি পর্যন্ত। সকাল থেকেই তাপ ছাড়াচ্ছে সূর্য এবং বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে রোদের তীব্রতা, বাড়ে তাপমাত্রাও। রোদের তেজ এতটাই যে, ঘরের বাইরে পা ফেলা দায়। নাভিশ্বাস উঠেছে জনজীবনে। তাপদাহের সঙ্গে অনুভূত হচ্ছে ভ্যাপসা গরম। পথে বের হলেই শরীর পুড়িয়ে দিচ্ছে রোদের তেজ। এতে জনজীবনে হাঁসফাঁস অবস্থা।
খুলনার আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বেলা ১২টার দিকে এ অঞ্চলের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এমন তাপপ্রবাহ চলবে অন্তত এক সপ্তাহ। সাতদিন পরে তাপপ্রবাহ কমলেও বৃষ্টির দেখা পেতে অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়েকদিন।
চলমান তাপদাহে বেশি দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষকে। জীবিকার তাগিদে প্রচণ্ড রৌদ্রের খরতাপ উপেক্ষা করেই কাজে নেমে পড়ছেন এসব নিম্ন আয়ের মানুষ। এদিকে খুলনার ২৫০ শয্যা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেনারেল হাসপাতাল, দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গিয়ে দেখা গেছে, ডায়রিয়াজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন শতাধিক মানুষ। বাজুয়া বাজারের শ্রমিক শশি দাশ বলেন, প্রতিদিন জন দিয়ে আমাদের সংসার চলে। গরমে গায়ের চাপড়া পুড়ে যায়। তারপরেও কাজ না করলে সংসার চলে না। এখন এই গরমে কাজ করতে পারছি না। সারারাত ঘুমাতে পারি না ঠিক মতো বিদ্যুৎ থাকে না। কি যে করি এমন তাপ আগে দেখিনি কোন দিন। ভ্যান চালক বিনয় দাশ বলেন, গরমে রাস্তায় লোক তেমন বের হয় না।
আগের মত আয় হয় না। সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে। দুপুর হলে রাস্তা ফাকা থাকে। দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন, বর্তমানে যে তাপমাত্রা বিরাজমান, তাতে হিটস্ট্রোক হতে পারে। সেই জন্য প্রতিটি মানুষকে ঠাণ্ডা ও ছায়াযুক্ত জায়গায় থাকতে হবে। পাশাপাশি শিশুদের পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং ঠাণ্ডা ঘরে রাখতে হবে।









































