Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের আশপাশের সব খবরা খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের আশপাশের সব খবরা খবর

102
ঈদের কেনাকাটা করতে ভিড় জমেছে খুলনা নগরীর বাজারে।

শালিখাতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: উভয় পক্ষে নারী সহ আহত ৬
নওয়াব আলী,মাগুরা।
মাগুরার শালিখার থৈপাড়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে উভয় পক্ষের একজন মহিলা সহ ৬ জন আহত।এদের মধ্যে ৫ জন মাগুরা সদর ও শালিখা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।এদের মধ্যে একবৃদ্ধর অবস্থা আশংকা জনক। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার থৈপাড়া গ্রামে।
গৌতম বিশ্বাসের জমির আইল কাটাকে কেন্দ্র করে অলোক বিশ্বাস-দের সাথে সংঘর্ষ হয়।এ সংঘর্ষে গৌতম বিশ্বাস(৭০),তার দুই পুত্র বিমল বিশ্বাস, অনিল বিশ্বাস ও নিলিমা বিশ্বাস আহত হয়।এদের মধ্যে নিলিমা বিশ্বাস ছাড়া সকলে মাগুরা সদর হাস পাতালে চিকিৎসাধীন আছে।এদের মধ্যে গৌতম বিশ্বাসের অবস্থা আসংকা জনক।
প্রতিপক্ষের অলোক বিশ্বাস ও গোলক বিশ্বাস আহত হয়ে শালিখা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
গৌতম বিশ্বাসের পুত্র অলিপ বিশ্বাস জানয়া অলোক -গোলক-সুব্রত,গুন্ডা,পুলোক,শোভন,সৌরভ,রবিন ও শ্রীপতিরা দা,রড,বাঁশ দিয়ে তাদের উপর হামলা চালিয় তাদের আহত করেছে।তারা অপরাধীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী করেন। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছিলো।

দাকোপে এইচবিবি প্রকল্পের রাস্তার উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য ননী গোপাল মন্ডল
বাজুয়া (দাকোপ) প্রতিনিধি
খুলনার দাকোপ উপজেলার সুতারখালী ও কামারখোলা ইউনিয়নে নির্মিত হেরিংবোনবন্ড(এইচবিবি) প্রকল্পের তিন কিলোমিটার রাস্তার উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (৩১ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে ওই রাস্তা দু’টির উদ্বোধন করেন খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনের সংসদ সদস্য ননী গোপাল মন্ডল। গ্রামীণ জনপদ টেকসই করণের লক্ষে হেরিংবোনবন্ড (দ্বিতীয়পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে এই রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। উপজেলা পিআইও’র কার্যালয় সূত্রমতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এইচবিবি প্রকল্পের আওতায় সুতারখালী ইউনিয়নের গুনারী খোকন হালদারের বাড়ি হতে দীপঙ্কর মলের বাড়ি পর্যন্ত ১ হাজার ৫০০মিটার ও কামারখোলা ইউনিয়নের কামারখোলা সীমানা হতে গুনারী ওড়া পযর্ন্ত ১ হাজার ৫০০ মিটার ইট সোলিয়ের তিন কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। যার ব্যয় ধরা হয়েছে। ২ কোটি ৩২ লাখ ৩৪ হাজার ৯০০ টাকা উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথি স্থানীয় সংসদ সদস্য ননী গোপাল মন্ডল বলেন, টেকসই উন্নয়নে বর্তমানে সরকার খুব তৎপর। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়ন প্রতীক হিসেবে টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়ন করছেন। যা বিগত কোনো সরকার করে নাই এর সুফল জনগণ যুগেযুগে পেতে থাকবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ আব্দুল কাদের, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অনিন্দ কুমার দাশ, সুতারখালী ইউপি চেয়ারম্যান মাসুম আলী ফকির,আওয়ামীলীগ নেতা অসিত সাহা, গাজী সাইফুল ইসলাম, তাপস জোয়াদ্দার প্রমুখ।

পাইকগাছায় লীজঘেরের বাসাবাড়ি ভাংচুর, মারপিট ও ৫০ হাজার টাকা ক্ষতি
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।
খুলনার পাইকগাছায় আদালতের আদেশ অমান্য করে লীজঘের দখলের চেষ্টা, মারপিঠ ও বাসাবাড়ি ভাংচুর ৫০ হাজার টাকা ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত। রবিবার সকাল ১০ঘটিকায় পাইকগাছা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মলন করন উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নের চারবান্ধা গ্রামের মৃত গিরিশ সানার পুত্র জগবন্ধু সানা। তিনি লিখিত বক্তব্য বলেন, আমি ওয়ারেশ মুলে দির্ঘদিন একটি লীজ ঘেরর জমি ভোগ দখল করে আসছি। প্রতিপক্ষ কালী পদ মন্ডল ও ধীরেন্দ্র নাথ মন্ডল খরিদা জমি অধিক দবী করে আদালতে মামলা করে। যা দোতরফা শুনানিতে খারিজ হয়। পরে খুলনা জেলা জজ আদালতে আপিল মামলা করেন। আপিল শুনানী নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত আদেশ দেন। গায়ের জোরে প্রতিপক্ষরা ওই জমি দখলের হুমকি দিচ্ছে। তিনি আরো বলেন, প্রতিপক্ষরা বৃহস্পতিবার, রাতে আমাদের দখলীয় লীজ ঘের ঠুকে বাসা ভাঙচুর করে প্রায় ৫০হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে। সাংবাদিক সম্মেলনে প্রশাসনের নিকট দাবী জানান তিনি তাদের পাওনা জমিতে দখলে থাকিয়া শান্তিপূর্ণভাবে ধান্য ও মৎস্য চাষ করিতে পারেন।

সুতারখালীতে ইসলামী আন্দোলনের ইফতার মাহফিল ও ঈদসামগ্রী বিতারণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলা সুতারখালী ইউনিয়ন এর উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে । ঘটিকায় নলিয়ান বাজার চত্বরে সুতারখালী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মাওলানা সামেজ উদ্দিন সরদার এর সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন সেক্রেটারি মাওলানা হারুন সাহেব এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত ঈদ সামগ্রী বিতরণ ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দাকোপ উপজেলা শাখার সহকারী সংগঠনিক সম্পাদক,মাওলানা মোঃ আল মামুন, বিশেষ অতিথি,ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দাকোপ উপজেলাশাখার ক্যাশিয়ার মাওলানা মোঃ ইমামুল ইসলাম অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আবুল হাসান, মাওলানা মতিয়ার রহমান , মুফতী আল মাসুদ, মাওলানা শামিম হোসাইন মাওলানা আবু তালেব, মাওলানা রবিউলইসলাম, কারী মোঃ রাকিবুল হাসান হাফেজ মোহাম্মদ মোস্তফা, হাফেজ মোঃ হাবিবুল্লাহ, আব্দুল কাদের,আব্দুর সামাদ, দীন মোহাম্মদ প্রমুখ। অনুুষ্ঠানে ইউনিয়নের সাধারণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে ইফতার মাহফিল ও আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মুসল্লিদের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

ডুমুরিয়ায় ট্রাকের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি:
খুলনার ডুমুরিয়ায় ট্রাকের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী খলিলুর রহমান (৩০) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক নাজমুল ইসলাম (৩৫) আহত হন। রোববার (৩১ মার্চ) দুপুরে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের আঙ্গারদহ নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত খলিলুর রহমান সাতক্ষীরার ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের মৃত জহির সর্দারের ছেলে।
খর্নিয়া হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হামিদ উদ্দিন আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের আঙ্গারদহ নামক স্থানে সাতক্ষীরা থেকে ছেড়ে আসা মোটরসাইকেল স্থানে পৌঁছালে একটি ট্রাক পেছন থেকে মোটরসাইকেল চাপা দিয়ে দ্রুত গতিতে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী খলিলুর রহমান নিহত হয়েছেন। আহত হন মোটরসাইকেল চালক নাজমুল ইসলাম।
তাদের উদ্ধার করে ডুমুরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে ডুমুরিয়া ফায়ার সার্ভিসের টিম, ডুমুরিয়া থানা পুলিশ ও খর্নিয়া হাইওয়ে পুলিশ আইন-শৃঙ্খলা ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

রামপালে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক জালাল উদ্দীন
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
রামপালে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন প্রথিতযশা সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জালাল উদ্দীন বিশ্বাস (৮০)। উপজেলার ঝনঝনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে রবিবার (৩১ মার্চ) সকাল ১০ টায় জানাযা শেষে ঝনঝনিয়াস্থ পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। মৃত্যু কালে তিনি দুই পুত্র, দুই কন্যা ও স্ত্রীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। প্রয়াত জালাল উদ্দীন প্রথমে দৈনিক বাংলাসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সুনামের সাথে কাজ করেছেন। সর্বশেষ তিনি দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় কর্মরত থাকা অবস্থায় বার্ধক্য জনিত কারণে ইস্তফা দেন। জাতির শ্রেষ্ঠ ওই সন্তানের মৃত্যুতে শোকাভিভূত হয়েছেন এলাকার সকল স্তরের মানুষ। রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রহিমা সুলতানা বুশরা উপস্থিত হয়ে জাতীয় পতাকা মোড়ানো কফিনে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে জানাযায় শরীক হন উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান শেখ নূরুল হক লিপন, রামপাল থানা পুলিশ, রামপাল সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জামিল হাসান জামু, মুক্তি যোদ্ধা শেখ আ. মান্নান, শেখ নাম হাসান, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য শেখ আ. সবুর, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মনির আহমেদ প্রিন্স, প্রেসক্লাব রামপাল এর সভাপতি এম, এ সবুর রানা প্রমুখ।#

খুলনা ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা টিভি রিপোর্টার্স ইউনিটির (কেটিআরইউ) নবনির্বাচিত আহ্বায়ক মোহনা টিভির খুলনা ব্যুরো প্রধান মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ ও সদস্য সচিব এশিয়ান টিভির খুলনা বিভাগীয় প্রধান বাবুল আকতারসহ নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (কেসিআরএ) নেতৃবৃন্দ। নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ খুলনার টিভি রিপোর্টার্সদের পাশাপাশি কর্মরত সাংবাদিকদের পেশাগত উৎকর্ষ সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে নেতৃবৃন্দ প্রত্যাশা করেন।
বিবৃতিদাতারা হলেন এসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন আহমেদ, সহ-সভাপতি ডিএম রেজা সোহাগ ও শিশির রঞ্জন মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক আহমদ মুসা রঞ্জু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম নূর ও মামুন খান, কোষাধ্যক্ষ কামরুল হোসেন মনি, দপ্তর সম্পাদক জয়নাল ফরাজী, কার্যনির্বাহী সদস্য এইচ এম আলাউদ্দিন, সোহাগ দেওয়ান ও আব্দুল জলিল প্রমুখ।

শুদ্ধাচার বাস্তবায়নে প্রতিটি কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি: উপ-উপাচার্য
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় শুদ্ধাচার কর্মপরিকল্পনা ২০২৩-২০২৪ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সুশাসন প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে শুদ্ধাচার সংক্রান্ত ও বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি ২০২৩-২৪ বাস্তবায়ন শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ ৩১ মার্চ (রবিবার) অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯.১৫ মিনিটে আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপ-উপাচার্য (উপাচার্য, চলতি দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা।
তিনি বলেন, নিজের আচরণে এবং কর্মক্ষেত্রে শুদ্ধতাই প্রকাশ করে শুদ্ধাচার। এটি বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এজন্য দাপ্তরিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ, শুদ্ধাচার শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির ওপর নির্ভর করে না। এটি নির্ভর করে পুরো ব্যবস্থার ওপর। তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল দেশকে দুর্নীতি ও শোষণমুক্ত করে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলা। তাঁর আদর্শ ও নৈতিকতা মেনে এ দেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আর এই সোনার বাংলা গড়তে প্রয়োজন সোনার মানুষের। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সেই সোনার মানুষ তৈরির কাজ যথাযথভাবে করছে বলে তিনি মনে করেন।
উপ-উপাচার্য বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিএ মূল্যায়নে এ বছর আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি পেয়েছে। এসব কিছু সম্ভব হয়েছে উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেনের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মেধা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে। যার কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ এবং ইউজিসিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বদলে যাওয়াকে উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি শিক্ষক-কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা দিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনে এগিয়ে নিতে নিজের কাজ যথাযথভাবে সম্পাদন করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ যখন সৃষ্টি হয়, তখন তার একটি লক্ষ্য ছিল। এই লক্ষ্যের মধ্যেই প্রথম শুদ্ধাচার শব্দটি যুক্ত ছিল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চিন্তা-ভাবনায় ছিল- ন্যায় ও সমতাভিত্তিক সমাজ এবং দুর্নীতিমুক্ত দেশ গঠন। জাতির পিতার সেই দর্শন বা চিন্তা আমাদের মননে আজ অনুপস্থিত। তিনি আরও বলেন, শুদ্ধাচারের মাধ্যমে সমাজে নতুন মূল্যবোধের সৃষ্টি করতে হবে। এর জন্য নৈতিকতা দরকার। আর নৈতিকতা অর্জনে প্রয়োজন দেশপ্রেম। এই দেশপ্রেম সৃষ্টি হয় শুদ্ধাচারের মাধ্যমে। এজন্য আমাদের পরিবার থেকেই শুদ্ধাচার চর্চা করা প্রয়োজন।
সভাপতিত্ব করেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিএ টিম লিডার প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সেকশন অফিসার মমতাজ খন্দকার লাবনী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর টেকনিক্যাল সেশনে রিসোর্স পারসন হিসেবে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল এবং বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সম্পর্কিত ধারণা ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. শাহনেওয়াজ নাজিমুদ্দিন আহমেদ, এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো. ইয়ামিন কবীর, এপিএ’র ফোকাল পয়েন্ট উপ-রেজিস্ট্রার এস এম আবু নাসের ফারুক এবং আঞ্চলিক লোক প্রশাসন কেন্দ্র, খুলনার সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ও সরকারের সিনিয়র সহকারী সচিব তাছলিমা আক্তার। এ প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের ১০০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ শেষে বিকেলে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরী।

দাকোপে লোকজ’র উদ্যোগে জলবায়ু পরিবর্তনে খাপ খাওয়ানো কৃষি বিষয়ে কর্মশালা
খবর বিজ্ঞপ্তি
দাকোপে লোকজ’র উদ্যোগে জলবায়ু পরিবর্তনে সর্বোত্তম চাষাবাদ পদ্ধতি এবং খাপ খাওয়ানোর কৌশলগুলি চিহ্নিতকরণ ও নথিভুক্তকরণ বিষয়ে কৃষকদের সাথে মতবিনিময় ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দাকোপের পূর্ব সাহেবেরআবাদ গ্রামে স্থানীয় কৃষক সংগঠনের সদস্য ও তরমুজ চাষীদের সাথে ৩০-৩১ মার্চ ২০২৪ অনুষ্ঠিত কর্মশালা ও মতবিনিময় সভায় প্রধান সঞ্চালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন কনসালটেন্ট কৃষিবিদ সিরাজুল ইসলাম। স্থায়ীত্বশীল স্থানীয় কৃষির উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে লোকজ পরিচালিত কৃষক নেতৃত্বে কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কর্মশালার মাধ্যমে উঠে আসে; জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আমাদের পরিবেশ ও কৃষিতে যে যে পরিবর্তন হয়েছে তা হলো: ১) শীত কমে যাওয়ায় আলুর ফলন কমে গেছে; ২) ঋতুর পরিবর্তন হয়েছে- ৬ ঋতুর স্থলে ৩ ঋতুতে পরিনত হয়েছে; ৩) অসময়ে শীত পড়ছে- চৈত্র মাসে শীত ও কুয়াশা পড়ছে, মানুষ বেশী অসুস্থ হচ্ছেন; ৪) গরম বৃদ্ধি পাচ্ছে- হাস, মুরগী ও পশু মারা যাচ্ছে। এছাড়া ছাগল মারা গেছে। আমাশয়, ডায়রিয়া বৃদ্ধি পাচ্ছে; এবং বৃষ্টিপাত অনিয়মিত বা দেরীতে হচ্ছে, আমন ধানের ফলন কমে যাচ্ছে।

দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন লোকজ-এর নির্বাহী পরিচালক দেবপ্রসাদ সরকার, সমন্বয়কারী পলাশ দাশ, ট্রেনিং অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি অফিসার মৌফারসের আলম লেনিন, মিলন কান্তি মণ্ডল প্রমুখ, দিপংকর কবিরাজ প্রমুখ:।

খুলনা প্রেসক্লাবে ২ দিনব্যাপী উই হাটবাজার মেলা শুরু
খবর বিজ্ঞপ্তি
‘দেশীয় পণ্য কিনি-দেশের টাকা দেশেই রাখি’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে উইমেন এন্ড ই-কমার্স ট্রাস্ট(উই)এর আয়োজনে ও খুলনা প্রেসক্লাবের সহযেগিতায় ক্লাবের লিয়াকত আলী মিলনায়তনে উই হাটবাজার ২০২৪ আয়োজন উপলক্ষে ২ দিনব্যাপী মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম রবিবার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে এই মেলার উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শেখ আবু হাসান, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক আহমেদ ও খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মল্লিক সুধাংশু।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেস ক্লাবের সহকারী সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, ক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ তরিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সদস্য আলমগীর হান্নান, শেখ কামরুল আহসান, উইমেন এন্ড ই-কমার্স ট্রাস্ট(উই)এর ওয়ার্কিং কমিটির ডিরেক্টর আকসা হৈম, ডিভিশনের হেড নূরুন্নাহার লিলি, উপজেলা প্রতিনিধি ফাতেমাতুজ্জোহরা, ঝর্ণা ঘোষ, মোঃ রহিমসহ অন্যান্য নারী উদ্যোক্তা ও অতিথিবৃন্দ।

খুলনা প্রেসক্লাবের লিয়াকত আলী মিলনায়তনে ৩১ মার্চ রবিবার সকাল ১০টা থেকে ০১ এপ্রিল-’২৪ সোমবার রাত ১০টা পর্যন্ত ২ দিনব্যাপী এই মেলা চলবে। স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে স্বনামধন্য ২৫টি স্টল এই মেলায় অংশ নিচ্ছে। মেলার স্টলগুলোতে সকল ধরনের দেশীয় পোষাক, গহনা ঐতিহ্যবাহী পণ্য সামগ্রী ও রকমারী খাবারের আয়োজন থাকছে। এছাড়াও বিশাল ছাড় থাকবে সকল দেশীয় পণ্যে।

 

শিক্ষকের বেত্রাঘাতে পা ভাঙলো ছাত্রের
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় শিক্ষকের বেত্রাঘাতে পা ভেঙেছে সাবের হোসেন (১২) নামে এক মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রের। আহত ওই ছাত্র বর্তমানে বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আহত সাবের হোসেন উপজেলার তৈলকুপি গ্রামের আব্দুর রউপ মোড়লের ছেলে। অভিযুক্ত শিক্ষক হলেন, পাটকেলঘাটার মিফতাহুল উলুম মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক শেখ কামরুল ইসলাম ওরফে লিটন।
এর আগে গত শনিবার (২৩ মার্চ) সকালে মাদ্রাসায় ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার সাতদিন অতিবাহিত হওয়ায় কোনো সুরাহ না পেয়ে অবশেষে সাংবাদিকদের দারস্থ হন ভুক্তভোগীর পিতা।

ভুক্তভোগীর পিতা আব্দুর রউফ বলেন, গত শনিবার সকালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার ছেলে সাবেরকে নির্মমভাবে পেটান শিক্ষক কামরুল। পরে তিনি ছেলেকে পার্শবর্তী ক্লিনিকে নিয়ে ভর্তি করেন।এরপর পরীক্ষা-নিরিক্ষা শেষে তিনি জানতে পারেন তার ছেলের ডান পায়ের হাটুর বল সরে গিয়েছে। এর পর থেকে তার ছেলে বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছে। পরে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বারবার মামলা না করার জন্য বাড়িতে গিয়ে চাপ সৃষ্টি করলেও ঘটনার কোনো সুরাহ হয়নি।
অভিযোগ অস্বীকার করে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক কামরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার দিন সকালে তিনটি ছাত্র মারামারি করছিলো। পরে তিনি ওই ছাত্রদের ডাষ্টার দিয়ে মারপিট করেছেন। এতে ওই শিশুটি গুরত্বর আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে। ক্ষমা চেয়ে তিনি ওই শিশুদের বাড়িতে একাধিকবার গিয়ে চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চেয়েছে।

তবে ডাষ্টারের আঘাতে কি ভাবে ছাত্রের পা ভাঙে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাদ্রাসায় বেত আছে তবে সেটি ভয় দেখানোর জন্য ব্যবহার করা হয় কাউকে মারপিট করা হয়না বলে তিনি দাবী করেন।

পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

খুলনা টিভি রিপোর্টার্স ইউনিটির আহবায়ক কমিটি গঠন
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা টিভি রিপোর্টার্স ইউনিটির (কেটিআরইউ) নতুন আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। মোহনা টিভির খুলনা ব্যুরো প্রধান মুন্সি মো. মাহবুব আলম সোহাগকে আহবায়ক ও এশিয়ান টিভির খুলনা বিভাগীয় প্রধান বাবুল আকতারকে সদস্য সচিব নির্বাচিত করে ৫ সদস্যের আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শনিবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত খুলনা টিভি রিপোর্টার্স ইউনিটির বিশেষ সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতি সিদ্ধান্তক্রমে এ আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন-ডিবিসি টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান মো. আমিরুল ইসলাম, আনন্দ টিভির ব্যুরো প্রধান আমজাদ আলী লিটন ও বৈশাখী টিভির ব্যুরো প্রধান মো. হেদায়েতুল্লাহ।

কেটিআরইউ এর সাবেক সভাপতি মুন্সি মো. মাহবুব আলম সোহাগের সভাপতিত্বে বিশেষ সাধারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এটিএন বাংলার বিভাগীয় প্রধান এসএম. হাবিব, নিউজ ২৪-এর ব্যুরো প্রধান মো. শামসুজ্জামান শাহীন, সাবেক সভাপতি ইটিভির ব্যুরো প্রধান সুনীল দাস, এশিয়ান টিভির বিভাগীয় প্রধান বাবুল আকতার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিটিভির ব্যুরো প্রধান মো. লিয়াকত হোসেন, ডিবিসি টিভির ব্যুরো প্রধান মো. আমিরুল ইসলাম, আনন্দ টিভির ব্যুরো প্রধান আমজাদ আলী লিটন ও বৈশাখী টিভির ব্যুরো প্রধান মো. হেদায়েতুল্লাহ।

এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন- সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আরটিভির প্রতিনিধি এসএম. মনিরুজ্জামান, বাংলা টিভির খুলনা প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম ডালিমসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

উপস্থিত ছিলেন- বিটিভির শিল্পাঞ্চল প্রতিনিধি মো. মিজানুল ইসলাম, চ্যানেল আই এর ব্যুরো প্রধান দানিয়েল সুজিত বোস, বাংলা ভিশনের ব্যুরো প্রধান আতিয়ার পারভেজ ও সাবেক কোষাধ্যক্ষ এমডি. অসীম।

এসময় উপস্থিত সাংবাদিকরা কেটিআরইউ এর আহ্বায়ক কমিটি গঠনের বিষয়ে সম্মতি জ্ঞাপন করেন। আগের কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় এবং গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়ায় সভায় উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে আহ্বায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়। আহবায়ক কমিটি আগামী এক মাসের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

পরে সভায় শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকা বিটিভির শিল্পাঞ্চল প্রতিনিধি মো. মিজানুল ইসলাম শারীরিক সুস্থতা কামনা করা হয়।

পল্লী বিদ্যুতের দ্বিগুণ বিলে দিশেহারা গ্রাহক, কমালেন এমপি
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এক মাসের ব্যবধানে পল্লী বিদ্যুতের বিল দ্বিগুণ হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার (৩০ মার্চ) রাতে উপজেলার পান্টি বাজার এলাকায় এক মতবিনিময় সভায় স্থানীয় এমপি ও বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফের কাছে কয়েক শত গ্রাহক বিলের কপি নিয়ে এমন অভিযোগ করেন।

এসময় জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহিদ হোসেন জাফর, কুমারখালী পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. আনছার আলীসহ কয়েক শত গ্রাহক উপস্থিত ছিলেন। পরে আলোচনা শেষে ডিজিএম-কে বিল কমানোর নির্দেশনা দেন এবং গ্রাহকদের বিল কমানোর আশ্বাস দিয়ে বাড়িতে ফেরত পাঠান এমপি।

গ্রাহকরা অভিযোগ করে বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসে তারা যে সমস্ত মিটারে আবাসিক বিল দিয়েছেন। একই মিটারগুলোকে মার্চ মাসে বাণিজ্যিক মিটার দেখিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বিল দ্বিগুণ করেছে। এমন মনগড়া বিলে তাঁতি, ভ্যানচালক, দিনমজুরসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন। তারা বাণিজ্যিক মিটারের বিল বাতিলের দাবি জানিয়েছে।

শনিবার রাতে সরেজমিনে দেখা গেছে, পান্টি ডিগ্রি কলেজ গেটের সামনে কয়েক শত গ্রাহক বিলের কপি নিয়ে ভিড় জমিয়েছে। স্থানীয় এমপি পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম’র সাথে বিল নিয়ে আলাপ করছে।

এসময় পান্টি ইউনিয়নের দাসবশী গ্রামের তাঁতি ও ভ্যানচালক মো. আইনাল হোসেন জানান, তার বাড়িতে একটি বৈদ্যুতিক পাওয়ারলুম যন্ত্র আছে। সেখানে লুঙ্গি তৈরি করেন। সংসারের বাড়তি আয়ের জন্য মটর চালিত একটি ভ্যানগাড়িও চালান তিনি। আর আলোর জন্য দুটি বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালান তিনি। এতে গত ফেব্রুয়ারি মাসে তার বিদ্যুৎ বিল এসেছিল এক হাজার ১৬৪ টাকা। কিন্তু একইভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে মার্চ মাসে বিল এসেছে এক হাজার ৯৮০ টাকা।

পান্টি বাজার এলাকার শাহিন আলী বলেন, গতমাসে মিটার ছিল আবাসিক। তখন বিল এসেছিল মাত্র ৩০৪ টাকা। আর একমাসের ব্যবধানে আমার মিটার বাণিজ্যিক হয়ে গেছে। এবার বিল এসেছে দুই হাজার ৭৭১ টাকা। আমার মত শত শত গ্রাহকের মিটারে বিল দ্বিগুণ হয়ে গেছে। তাই বাণিজ্যিক মিটার বিল বাতিলের দাবি জানাই।
পান্টি কলেজপাড়া এলাকার জামাল উদ্দিন বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ অসৎ উপায়ে আমার মিটারে বিল বাড়িয়েছে। চলতি মাসে আমার বিল এসেছে ছয় হাজার ৯৯ টাকা। গ্রাহকরা বিষয়টি স্থানীয় এমপিকে জানিয়েছেন। এমপি আমাদের বিল কমানোর আশ্বাস দিয়েছেন।

পল্লী বিদ্যুৎ কুমারখালী জোনাল কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা পল্লী বিদ্যুতের প্রায় ৭১ হাজার গ্রাহক রয়েছে। পল্লী বিদ্যুতের পিবিএস নীতিমালা ২০২০-এর ৩০০ – ৩০ /১৮ অনুচ্ছেদের (সি) অনুযায়ী একটি মিটার থেকে দুই ধরনের বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হলে সেই মিটারে সর্বোচ্চ দর বিলের আওতায় আনা হবে। সেই নীতিমালা অনুযায়ী মার্চ মাসে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে বাসাবাড়ির পাশাপাশি পাওয়ারলুম, ব্যাটারি চালিত অটো ও ভ্যান চার্জে বিদ্যুৎ ব্যবহারের কারণে প্রায় এক হাজার গ্রাহককে আবাসিক মিটার থেকে বাণিজ্য ও ক্ষুদ্র শিল্প মিটারে রূপান্তরিত করা হয়েছে। সেজন্য বিলের পরিমাণ দ্বিগুণ হয়েছে।

রোববার (৩১ মার্চ) সকালে কুমারখালী জোনাল কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিল কমানোর জন্য গ্রাহকরা কার্যালয়ের আশেপাশে আনাগোনা করছে। এসময় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মসজিদের ইমাম জানান, তিনি ইমামতির পাশাপাশি একটি পাওয়ারলুম চালান। সেজন্য বিদ্যুৎ অফিস তার মিটারটি আবাসিক থেকে শিল্পে রূপান্তরিত করেছে। এতে বিল বাড়িয়ে দুই হাজার ৪৬০ টাকা করা হয়েছে। তবে আমাদের জনপ্রিয় এমপি মহোদয়ের হস্তক্ষেপে বিল অর্ধেক লেগেছে।

এসময় কুমারখালী পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল কার্যালয়ের ডিজিএম মো. আনছার উদ্দিন বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী যে সমস্ত গ্রাহকরা একটি মিটার দিয়ে দু’টি বিষয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। তাদের মিটারগুলো আবাসিক থেকে বাণিজ্য অথবা শিল্প মিটারে রূপান্তরিত করা হয়েছে। সেজন্য প্রায় এক হাজার গ্রাহকের বিল গতমাসের তুলনায় বেশি করা হয়েছে। তবে স্থানীয় এমপি স্যারের নির্দেশে বিল সমন্বয়ের চেষ্টা চলছে।

কুষ্টিয়া-৪ আসনের এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ বলেন, দেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী হলো কুমারখালী। এটি একটি বিশেষ এলাকা। এখানে সাধারণ জনগণের মনে কষ্ট দিয়ে কিছু করা যাবে না। আবার সরকারি নিয়মের বাইরেও যাওয়া যাবে না। আমি বিষয়টি নিয়ে গ্রাহক ও পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করেছি। নতুন বিল কমিয়ে পূর্বের ন্যায় বিল নেওয়ার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অসহায়দের আশ্রয়স্থল নড়াইলের ‘বেলাশেষে’
নড়াইল প্রতিনিধি
নড়াইলের সদর উপজেলার শাহাবাদ ইউনিয়নের আলোকদিয়ায় গড়ে উঠেছে বেলাশেষে বৃদ্ধাশ্রম। দোতলা অট্টালিকার নিচের তলায় বারান্দার রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে আছেন সুনাবান ও পূর্ণিমা মালো নামে দুই বৃদ্ধ। দুজনেরই বয়স সত্তর ছুঁই ছুঁই। অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন তারা। সম্ভবত সেই দৃষ্টি সব কিছু ভেদ করে পৌঁছে গেছে তাদের অতীতে। এক পলকে অতীত জীবনের হিসাব কষছেন তারা। হিসাব হয়ত মিলছে না। এক সময় যাদের জন্য প্রাণ উজাড় করে দিয়েছিলেন, বার্ধক্যের অসহায়ত্বে ছেড়ে গেছেন তারা। বেলাশেষে তাই দুই বৃদ্ধ নারীর ঠাঁই হয়েছে।
রোববার (৩১ মার্চ) সকালে সরেজমিন বেলাশেষে বৃদ্ধাশ্রমে গেলে কথা হয় বৃদ্ধা সুনাবানের সঙ্গে। তিনি বলেন, তার বাড়ি নড়াইল পৌসভার ভাটিয়ায়। স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করায় তার কাছে যেতে পারেন না। সাতটা সন্তানের কেউ বেঁচে নেই। এখন কোথাও কেউ নেই তার। থাকার মধ্যে আছে তিনটি বোন। বৃদ্ধাশ্রমে আসার আগে তাদের কাছে থাকতেন তিনি। বোনদের মধ্যে একজনই তাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে গেছেন। এখানে ভালোই আছেন। থাকা-খাওয়ায় সমস্যা নেই। ইফতারি-সেহরিতেও ভালো মানের খাবার পাচ্ছেন। বোনের বাড়ি মাঝে মাঝে বেড়াতেও যান তিনি। তবে সম্প্রতি বোন হজ্বে গেছেন। তাই সেই বাড়িতে অনেক দিন যাওয়া হয় না।

পাশের জেলা যশোর থেকে বৃদ্ধাশ্রমে আসা পূর্ণিমা মালো বলেন, তিনি চার ভাই এক বোন কে মানুষ করেছেন। এখন ভাই-বোন তাকে চেনে না। ভাই-বোন মানুষ করতে গিয়ে জীবনে বিয়ে করতে পারেননি। এখন তারা কেউ খোঁজ খবর নেয় না। তাই নিজেই এসেছেন বৃদ্ধাশ্রমে। দুই বছর ধরে তিনি এখানেই আছেন। তবে থাকা-খাওয়ার সমস্যা নেই।

শুধু সুনাবান বা পূর্ণিমা মালো নয়, তাদের মতো আরও পাঁচ জন অসহায় বৃদ্ধ নারী-পুরুষের ঠাঁই হয়েছে নড়াইল সদর উপজেলার শাহাবাদ ইউনিয়নের আলোকদিয়ায় গড়ে ওঠা বেলাশেষে বৃদ্ধাশ্রমে। ২০২২ সালে নড়াইল জজ কোর্টের আইনজীবী হেমায়েত উল্লাহ হিরু বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন। ৪ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী রয়েছে সেখানে। কমপক্ষে ৪০ জনের আবাসনের সুব্যবস্থা রয়েছে বৃদ্ধাশ্রমে। কোনো কিছুরই অভাব নেই। ফলে অসহায়দের কাছে বেলাশেষে হয়ে উঠেছে শেষ আশ্রয়স্থল।

প্রতিষ্ঠাতা হেমায়েত উল্লাহ হিরু বলেন, অসহায় মানুষদের জন্য কিছু করার ইচ্ছা থেকে পারিবারিকভাবে বৃদ্ধাশ্রমটি গড়ে তুলেছেন। এখানে আসা অসহায় মানুষের বিনা পয়সায় থাকা, খাওয়া, চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য নেয়া হয়েছে নানান পরিকল্পনা। সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পেতে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বিত্তবানদের যাকাতের টাকা এখানে দেয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

এ বিষয়ে নড়াইল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী বলেন, ‘শেষ বয়সে এসে মানুষ খুব অসহায় জীবন যাপন করে। এসব মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব এবং সওয়াবের কাজ। আমি বিত্তবানদের আহ্বান করব এই অসহায়দের আশ্রয়স্থল বেলা শেষের পাশে এসে দাঁড়াতে।’

দুর্ঘটনাকবলিত পিকআপে মিলল ৭৭০ বোতল ফেনসিডিল
নিজস্ব প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গায় একটি দুর্ঘটনাকবলিত পিকআপ ভ্যান থেকে ৭৭০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার সকাল ১১ টার দিকে শহরের সিএন্ডবি পাড়া থেকে পিকআপটি উদ্ধার করা হয়। তবে এ সময় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

জানা যায়, রোববার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গা হয়ে একটি ফেনসিডিলের চালান পাচার হবে। এমন তথ্য পেয়ে জেলার সিএন্ডবি পাড়ায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় সন্দেহজনক একটি পিকআপ সড়কের পাশে চালকবিহীন দুর্ঘটনাকবলিত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে ওই পিকআপটি উদ্ধার করে বিশেষ কায়দায় লুকানো ৭৭০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।

চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আনিসুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সজনে গাছের ডাল কাটতে গিয়ে কৃষকের মৃত্যু
নিজস্ব প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে সজনে গাছের ডাল কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ইয়াকুব আলী (৫১) নামে কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুরে উপজেলার দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তিনি ঐ গ্রামের বাসিন্দা।

মৃতের ছোট ভাই রবিউল ইসলাম জানান, তার বড় ভাই সকালে সজনে গাছের ডাল কাটতে গাছে ওঠেন। ডাল কাটার একপর্যায়ে অসাবধানবশত বিদ্যুতের তারের ওপর কাঁচা ডাল পড়লে তিনি বিদ্যুতায়িত হন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা এসে গাছ থেকে ইয়াকুবের মরদেহ উদ্ধার করেন।

আশাশুনির থানার ওসি বিশ্বজিৎ কুমার অধিকারী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মই দিয়ে লাশ উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্ত পথে অবৈধভাবে আসছে ভারতীয় পণ্য
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
ঈদের বাজারকে ঘিরে সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্ত পথে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার ভারতীয় পণ্যপাচার হয়ে আসছে।

একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, কলারোয়া সীমান্ত পথে দেদারসে ভারতীয় পণ্য প্রবেশ করছে। দিনের বেলা ও রাতের বিভিন্ন সময়ে সীমান্তের চোরাই পয়েন্টগুলো দিয়ে ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।

ডাঙ্গা সীমান্তে ভারতের তারকাটার বেড়া কেটে বা গেট খুলে চোরাচালানি পণ্য বাংলাদেশে পাচার হয়ে আসছে। আর পানি বর্ডারে ইছামতি ও সোনাই নদী সীমান্তে এসব পণ্য বাংলাদেশে আনার জন্য বেশ কিছু নৌকা নিয়োজিত রয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, কলারোয়া সীমান্তের কেড়াগাছির চারাবাড়ি ঘাট, কুটিবাড়ি ঘাট, রথখোলা ঘাট, গাড়াখালী ঘাট, সোনাবাড়িয়ার দক্ষিণ ভাদিয়ালী ঘাট, ভাদিয়ালী তেতুলতলা ঘাট, উত্তর ভাদিয়ালী কামারবাড়ি ঘাট, রাজপুর খা-বাগানের ঘাট, চান্দা স্লুইচ গেট ঘাট, উত্তর বড়ালী ঘাট, চন্দনপুরের হিজলদী ভদ্রশাল ঘাট, হিজলদী শিশুতলা ঘাট, সুলতানপুর ঘাট, সুলতানপুর তালসারি ঘাট, গোয়ালপাড়া ঘাট, চান্দুড়িয়া ঘাট, গাড়ালবাড়ি ঘাট, কাদপুর ঘাট দিয়ে ভারতীয় পণ্যপাচার হয়ে বাংলাদেশে আসছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এসব ঘাট দিয়ে আসন্ন ঈদের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী আসছে। বিশেষ করে নারী-পুরুষের বাহারি নামের পোশাক অন্যতম। এছাড়াও পেঁয়াজ, রসুন, ছোলা, বুট, বেসন, সায়াবিন বিট, আদা, লবণ, চিড়া, সুজি, জিরা, শাহী জিরা, গোলমরিচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, এলাচি, জায়ফল, জয়ত্রী, আঙ্গুর, আপেল, কমলা, মালটা, নাশপতি, বেদানা, কিশমিশ, চেরিফল, শার্ট পিস, প্যান্ট পিস, জিন্সের প্যান্ট ও শার্ট, রকমারি পাজ্ঞাবি, থ্রি-পিস, টু-পিস, জর্জেট শাড়ি, ওড়না, গেঞ্জি, জাঙ্গিয়া, শিশু পোষাক, বালিশের কভার, বেডশিট, তোয়ালে, সিট কাপড়, উন্নতমানের বোম্বে প্রিন্ট শাড়ি, সাউথ ইয়ান সিল্ক, কাতান, বেনারসি, আতর, সুগন্ধি, বডি লোশন, রকমারি ক্রিম, সেভিং লোশন, সেভিং ক্রিম, জুতা, স্যান্ডেল, হাঁড়ি, কড়াই, স্টিলের প্লেট, গ্লাস, বাটি, গামলা, বালতি, কড়ির কাপ, পিরিচ, প্লেট, ডিনার সেট, শিশু খেলনা, সেনেটারি বেসিন, পাইপ, ফ্যান, বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট, এলইডি বাল্ব, ফ্যান, ঘর ওয়ারিং সামগ্রী স্লুইচ, সিলিং রোজ, সকেট, নতুন ও পুরাতন সাইকেল, মটরসাইকেল আসছে বলে জানা গেছে।

এছাড়া সীমান্ত খোলা থাকার সুযোগে ফেনসিডিল, মদ, গাজা, আফিম, চরস, ভাং, সিদ্ধি, প্যাথেড্রিন, ইয়াবাসহ নানা প্রকার যৌন উত্তেজক সামগ্রী পাচার হয়ে আসছে।

রাতে এসব পণ্য সীমান্ত সংলগ্ন নির্জন রাস্তায় ট্রাক বা পিকআপ বা মাইক্রো ভরে দেশের অভ্যন্তরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সীমান্তে পণ্য সরবরাহে আগত বিভিন্ন কোম্পানির ডেলিভারি ভ্যানে, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স ভরে এসব পণ্য দেশের অভ্যন্তরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে সূত্র জানায়।

আবার মটরসাইকেল, ইজিবাইক বা থ্রিহুইলারে করে এসব পণ্য বাগআচড়া বাজার, বাকড়া বাজার, কলারোয়া বাজার, কেশবপুর বাজার, রাজগঞ্জ বাজার, মনিরামপুর বাজার, নওয়াপাড়া বাজার, পাটকেলঘাট ও চুকনগর বাজারে নেওয়া হচ্ছে।

দক্ষিণ ও দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন হাট বাজার ও রাজধানী ঢাকায় পৌঁছে যাচ্ছে ভারতীয় পণ্য।

ক্রেতারা সস্তা ও চাকচিক্যময় ভারতীয় পণ্যের প্রতি বেশি আগ্রহী। ফলে অবিক্রিত হয়ে পড়ছে দেশীয় পণ্য। এতে সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।

এ ব্যাপারে কলারোয়ার মাদরা বিজিবি কোম্পানি কমান্ডার আফজাল হোসেন বলেন, তার এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। অন্য এলাকা দিয়ে ভারতীয় পণ্য আসতে পারে।

এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার ও এসিল্যান্ড রিফাতুল ইসলাম কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লালটু বলেন, চোরাচালানের বিষয়ে তার কিছু জানা নেই।

ঘাটতি ২ কোটি টাকা: এইচএসসির পরীক্ষকদের বিল দিতে অর্থ সঙ্কটে যশোর শিক্ষাবোর্ড
যশোর অফিস
পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে বাড়তি পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষক নিয়োগ দিয়ে অর্থ সংকটে পড়েছে যশোর শিক্ষা বোর্ড। এ কারণে ২০২৩ সালের এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন বিল এখনো পরিশোধ করতে পারেনি বোর্ড। বোর্ডের এ বিল পরিশোধে প্রয়োজন প্রায় সাত কোটি টাকা। কিন্তু সংশ্লিষ্ট খাতে জমা আছে পাঁচ কোটি টাকা। অন্য খাত থেকে বাড়তি এ টাকা সমন্বয়ের জন্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন চেয়েছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ।

বছর ঘুরে গেলেও উত্তরপত্র মূল্যায়নের বিল না পাওয়ায় বোর্ড কর্তৃপক্ষকে দুষছেন পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকরা। তবে বোর্ড কর্তৃপক্ষ বলছে, খুব শিগগির তাদের বিল ছাড় করা হবে।
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের এইচএসসির উত্তরপত্র মূল্যায়নে পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকদের বিল এখনো পরিশোধ করা হয়নি। এখন পর্যন্ত চার হাজার ৯৮৬ জন পরীক্ষক বিল জমা দিয়েছেন। কিন্তু প্রকৃত সংখ্যা পাঁচ হাজারেরও বেশি। এখনো অনেকে বিল জমা দেননি। উত্তরপত্র মূল্যায়নসহ সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যয় নির্বাহে ছয় কোটি ৭২ লাখ টাকার প্রয়োজন। কিন্তু ওই ফান্ডে পাঁচ কোটির মতো টাকা জমা আছে।

সূত্র জানায়, যেকোনো পাবলিক পরীক্ষার ফরম পূরণের সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা নির্ধারিত হয়ে যায়। আর ফরম পূরণ করার সময় ফি’র সঙ্গে খাতা দেখার নির্ধারিত টাকাও জমা নিয়ে নেওয়া হয়। ফলে উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য নির্ধারিত অর্থে ঘাটতি দেখা দেওয়ার কথা নয়। অথচ এ ফান্ডে এখন প্রায় দুই কোটি টাকার ঘাটতি রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মন্ত্রণালয় কোনো অর্থ দেয় না, বোর্ডের নিজেদের আয় থেকে সব পরিশোধ করার নিয়ম থাকলেও বার্ষিক খরচের প্রাক্কলন অনুমোদন করে নিতে হয়। এখন নানা অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কারণে বোর্ডের ব্যয় বেড়েছে। তাছাড়া টেন্ডার ব্যয়ও বেড়েছে। চলতি বছর খাতা ক্রয়সহ আনুষঙ্গিক ব্যয়ের জন্য ১৬ কোটি টাকার টেন্ডার হয়। এ টাকাও প্রাক্কলন অর্থ থেকে ছাড় করানো হয়। এসব কারণেও খরচ বেড়েছে। পাশাপাশি পাবলিক পরীক্ষার পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষক বেড়েছে। বেড়েছে তাদের টিএ/ডিএ। এ কারণেও টান পড়েছে ফান্ডে।

আগে একজন প্রধান পরীক্ষকের আওতায় ১৫-২৫ জন পরীক্ষক কাজ করতেন। এখন প্রধান পরীক্ষকরা ৩-৫ হাজার খাতা পান। পরীক্ষক থাকে অনেক ক্ষেত্রে ৮-১০ জন। আবার আগে ৩০০-৪০০ খাতাও পেতেন পরীক্ষকরা। এখন ২০০-২৫০টি খাতা পান গড়ে প্রতি পরীক্ষক। এ কারণে পরীক্ষক, প্রধান পরীক্ষকসহ অন্যান্য জনবল বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের প্রতি খরচের পরিমাণও বেড়েছে।

একজন প্রধান পরীক্ষক সহকারী অধ্যাপক মনিরুজ্জামান বলেন, তিনি তিন হাজার ৮০০টি উত্তরপত্র পেয়েছিলেন। তবে এখনো বরাদ্দের অর্থ পাননি। তার মতো অনেকেই খাতা দেখার বিল ঈদের আগে পাওয়ার জন্যে অপেক্ষায় আছেন।

এ বিষয়ে যশোর শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবীব বলেন, পরীক্ষার্থী বেড়েছে। পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের ফিও বেড়েছে। এ কারণে বাজেটের চেয়ে বাড়তি অর্থ প্রয়োজন হচ্ছে। তবে মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলছে। খুব শিগগির শিক্ষকদের উত্তরপত্র মূল্যায়নের ফি পরিশোধ করা হবে।

আর্সেনিকমুক্ত নলকূপ স্থাপনে গোবর মিশ্রিত পানি ব্যবহারের অভিযোগ
বেনাপোল (যশোর) উপজেলা প্রতিনিধি
যশোরের শার্শা উপজেলায় আর্সেনিকমুক্ত নলকূপ খননের সময় বোরিং ফ্লুইড হিসেবে গরুর গোবর মিশ্রিত পানি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আর্সেনিকমুক্ত নলকূপ খননের সময় বোরিং ফ্লুইড হিসেবে গরুর গোবর মিশ্রিত পানি ব্যবহার করা হচ্ছে খবর পেয়ে সম্প্রতি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরে প্রধান প্রকৌশলী সরোয়ার হোসেন এক অফিস আদেশ জারি করেন। ওই আদেশে নলকূপ খননে গরুর গোবর মিশ্রিত পানি ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে পরিহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও বিভাগীয় কর্মকর্তাদের একই আদেশ দিয়ে তা বাস্তবায়নে নির্দেশ জারি করেন। অথচ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ম্যাকানিকরা নলকূপ খননের সময় প্রতিটি নলকূপে বেন্টোনাইট-ক্লে মিশ্রিত পানির ব্যবহার না করে গোবর মিশ্রিত পানি ব্যবহার করছেন। যা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি।
যশোরের শার্শা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী নুর ইসলাম জানান, উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ২৮৬টি আর্সেনিকমুক্ত নলকূপ বসানোর কাজ প্রায় শেষের পথে। মেসার্স ফিরোজ এন্টারপ্রাইজ, দিয়া এন্টারপ্রাইজ ও খাকি কনস্ট্রাকশন নামের তিনটি ঠিকানারি প্রতিষ্ঠান নলকূপ স্থাপনের কাজ করছে। তবে তারা প্রত্যেকেই বেন্টোনাইট-ক্লের পরিবর্তে গরুর গোবর ব্যবহার করছেন। তবে আগামীতে যাতে গোবর ব্যবহার না করেন সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলার সুবর্ণখালী গ্রামের শামসুর রহমান বলেন, ‘আমি একটি নলকূপ জনস্বাস্থ্য অফিস থেকে গ্রহণ করি। ঠিকাদার নলকূপ বসানোর সময় গোবর মিশ্রিত পানি ব্যবহার করেন। আমাকে ঠিকাদারের লোকজন বলেন, এখনই গোবর প্রয়োজন। আমি নিজেই গোবর এনে দেওয়ার পর তারা নলকূপ বসানোর কাজ সম্পন্ন করেন। পরে আমি নিজে খোঁজ নিয়ে জেনেছি, উপজেলার প্রত্যেকটি নলকূপ বসানোর সময় গোবর মিশ্রিত পানি ব্যবহার করা হয়েছে।’
যশোর জেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহিদ পারভেজ বলেন, আর্সেনিকমুক্ত নলকূপ বসানোর সময় গোবর ব্যবহার করা হচ্ছে না। এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ দিলে তদন্ত কমিটি গঠন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারি বিএল কলেজের ইংরেজি বিভাগের শতবর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
দক্ষিনবঙ্গের শতবর্ষ বিদ্যাপীঠ ঐতিহ্যবাহী সরকারি ব্রজলাল কলেজের ইংরেজি বিভাগের শতবর্ষ উদযাপনের চতুর্থ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১১টায় ইংরেজি বিভাগের সেমিনার কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক রোকসানা খানমের সভাপতিত্বে এবং কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শরীফ আতিকুজ্জামান ও উপাধ্যক্ষ প্রফেসর সমীর কুমার দেব এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত সভায় আগামী ৪ মে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শতবর্ষ উদযাপন প্রোগ্রামের সার্বিক বিষয় নিয়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সাথে উম্মুক্ত মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মত বিনিময় সভায় বিভিন্ন সেশনের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা উপস্থি ছিলেন।
প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে বিভাগীয় প্রধান রোকসানা খানম বলেন, ইংরেজি বিভাগের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের পদচারণায় ৪ মে মুখরিত হয়ে উঠবে ক্যাম্পাস। ইংরেজির এলামনাইগন পুরো দিনটিকে আনন্দের সাথে উপভোগ করবে। এ দিনটি ডিপার্টমেন্টের জন্য একটি স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে।
সহযোগী অধ্যাপক দীপংকর কুমার ঘোষ বলেন, দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে কার্যকরী ভুমিকা নেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ডিপার্টমেন্ট থেকে অবসর নেয়া শ্রদ্ধেয় প্রাক্তন অধ্যাপক মণ্ডলীকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সহযোগী অধ্যাপক দীপংকর কুমার ঘোষ, সহযোগী অধ্যাপক সীমা চৌধুরী, সহকারী অধ্যাপক মো. মামুন সরদার, সহকারী অধ্যাপক মাহবুবা নাসরিন, সহকারী অধ্যাপক মো. হারুন অর রশীদ, সহকারী অধ্যাপক রাবেয়া খাতুন, প্রভাষক জয়দেব দত্ত, প্রভাষক মো. মতিউর রহমান, প্রভাষক আসমাউল হুসনা। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্যে রাখেন ৯৩-৯৪ সেশনের মো. আনোয়ার হোসেন শিমুল, মো. নওরোজ আলী, ৯৪-৯৫ সেশনের বাসন্তী লতা দাস, ৯৮-৯৯ সেশনের নাজমুস সাকিব, ৯৯-০০ সেশনের মো. রবিউল ইসলাম লিটন, মো. রফিক উল ইসলাম রনি, লস্কর সোহেল রানা, ০০-০১ সেশনের আশরাফ-উন-নাহার তানিয়া, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ রাফিজ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, শ্যামা প্রসাদ বাছাড়, শৌনক কুমার দে বিকু, মো. শামীমুল ইসলাম, শেখ আছাদুর রহমান, পরিমল বিশ্বাস, মো. জাহিদ শিকদার, ০২-০৩ সেশনের মো. সাইদুর রহমান, ০৩-০৪ সেশনের শেখ মো. সোহেল, ০৪-০৫ সেশনের ফারজানা ইয়াসমিন, মাহফুজুর রহমান বাপ্পী ০৬-০৭ সেশনের আহসানুল বান্না সুমন, সাইফুল হাসান মল্লিক, মো. আব্দুল কাদের, জয়দেব রায় ০৮-০৯ সেশনের মো. আশিকুল ইসলাম সানি, আবু তাহের প্রিন্স ১১-১২ সেশনের মো. আবীর হাসান প্রমুখ।

দাকোপে তিন কিলোমিটার ইটের (এইচবিবি) রাস্তার উদ্বোধন
দাকোপ প্রতিনিধি
দাকোপ উপজেলার সুতারখালী ও কামারখোলা ইউনিয়নে নির্মিত হেরিং বোনবন্ড (এইচবিবি) প্রকল্পের তিন কিলোমিটার রাস্তার উদ্বোধন করা হয়েছে।
রোববার (৩১মার্চ) বেলা ১১ টায় ঐ রাস্তা দু’টির উদ্বোধন করেন খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনের সংসদ সদস্য ননীগোপাল মন্ডল। গ্রামীণ মাটির রাস্তাসমূহ টেকসই করণের লক্ষে হেরিং বোনবন্ড (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে এই রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্র জানাগেছে, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে এইচবিবি প্রকল্পের আওতায় সুতারখালী ইউনিয়নের গুনারী খোকন হালদারের বাড়ি হতে দীপঙ্কর মন্ডলের বাড়ি পর্যন্ত ১ হাজার ৫০০ মিটার এবং কামারখোলা ইউনিয়নের কামারখোলা সীমানা হতে গুনারী ওড়ামুখো পর্যন্ত ১ হাজার ৫০০ মিটার ইট সোলিয়ের তিন কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। যার ব্যয়া হয়েছে ২ কোটি ৩২ লাখ ৩৪ হাজার ৯০০ টাকা। উদ্বোধনী সভায় প্র্রধান অতিথি খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ননী গোপাল মন্ডল বলেন, টেকস ইউন্নয়নে বর্তমানে সরকারের প্রধান লক্ষ।
বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়ন প্রতীক হিসেবে টেকস ইউন্নয়ন বাস্তবায়ন করছেন। যা বিগত কোনো সরকার করে নাই। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ আব্দুল কাদের, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অনিন্দ কুমার দাশ, সুতারখালী ইউপি চেয়ারম্যান মাসুম আলী ফকির, আওয়ামীলীগ নেতা অসিত সাহা, শাহাবুদ্দিন গাজী, জুলফিকার আলী জুলু, গাজী সাইফুল ইসলাম, জি এম রেজা, তাপস জোয়াদ্দার, আনিচুর রহমান , ইউপি সদস্য খোকন মেম্বর, মুরারী মোহন প্রমুখ।

খালিশপুর পেটকা বাজার এলাকায় জামিনে থাকা আসামিদের হুমকিতে ভীত ভুক্তভোগী পরিবার
খালিশপুর প্রতিনিধি
নগরীর খালিশপুর পেটকা বাজার এলাকায় মারপিটে অন্তঃসত্তা নারী তানজিলার গর্ভপাতের ঘটনায় জামিনে মুক্তি পেয়ে ফের হুমকি দিচ্ছে আসামিরা। যেকারনে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান ভুক্তভোগী তানজিলা তার স্বামী নাজমুল ও ছোট্ট ২ শিশু সন্তান। জানা গেছে, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি তানজিলা সহ আসামিরা একসাথে বনভোজনের আয়োজন করে। সে সময় থালা বাসন এলোমেলো করাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতির এক পর্যায়ে মারপিটের ঘটনা ঘটে। ঐ সময়ে ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা তানজিলার গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়। পরবর্তীতে তানজিলাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ৯ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী তানজিলা। এদিকে মামলার এজাহার ভুক্ত আসামিদের মধ্যে কয়েকজন আসামিরা গত ২২ মার্চ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তানজিলার বাড়িতে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মামলা তুলে না নিলে স্বামী সন্তান সহ প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে দ্রুত চলে যায় এবং উল্টো তানজিলার স্বামী নাজমুল সহ একই সাথে কাজ করা ও পাশাপাশি বসবাসকারী রসুল (৩০) ও সুজন (২৫) কে ফাঁসাতে খালিশপুর থানায় ষড়যন্ত্র মুলক একটি ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছে জামিনে থাকা আসামি কবির খলিফা। এদিকে অন্য আসামি পিংকি (১৯) কে মিথ্যা মারপিটের অজুহাতে খালিশপুর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছে যা এখনো তদন্তনাধীন পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। তদন্তনাধীন ঐ এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে,গত ২৫ মার্চ ইফতারের পর মায়ের বাসায় যাওয়ার সময় তানজিলার স্বামী নাজমুল সহ অন্যরা পিংকিকে মারধর করে। এ ঘটনায় পিংকি অন্তঃসত্তা হওয়ায় খুলনা মেডিকেলে ভর্তি হয় এবং তাঁর গর্ভের সন্তান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে উল্লেখ করে। এদিকে ভুক্তভোগী তানজিলা জানান, তাঁর উপরে উল্টো প্রতিশোধ নিতে আসামিরা। এসব সাজানো কুটকৌশল চালাচ্ছে। তাই তিনি সুষ্ঠ তদন্ত পূর্বক ন্যায় বিচার চেয়ে প্রসাশনের কাছে আবেদন জানান।

খুলনা পরমাণু কেন্দ্রে সুশাসন বিষয়ক সভায় বক্তারা
খবর বিজ্ঞপ্তি
ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন এন্ড এ্যালায়েড সায়েন্সেস(ইনমাস) খুলনা শাখা আয়োজিত সুুশাসন প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে অংশীজনের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা বলেছেন, আদর্শ রাষ্ট্র গঠণে সকলকে স্ব-স্ব স্তর থেকে মানবিক ও সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার মধ্যদিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। এজন্য সেবা প্রদানকারী ও সেবা গ্রহীতার মধ্যে আন্তরিকতা থাকা জরুরি। তবে সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে রোগী ভাগিয়ে বাইরে নেওয়ার প্রবণতা বন্ধে সকলকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসারও আহবান জানান বক্তারা। বক্তারা বলেন, যারা সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে রোগী ভাগিয়ে বাইরে নেবে তাদেরকে কঠোর হস্তে দমন করতে হবে।
রবিবার সকালে নগরীর খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন পরমাণু শক্তি কমিশনের ইনমাস সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতির বক্তৃতা করেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব খান মোঃ রেজা উন-নবী। মূখ্য আলোচক ছিলেন, ইনমাস খুলনার পরিচালক ও মূখ্য চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা: ঝর্ণা দাস।
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, খুলনা মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা: মো: খসরুল আলম মল্লিক, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা: মো: হোসাইন সাফায়েত এবং খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সোনালী সেন।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার ওনার্স এসোসিয়েশন খুলনা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা: গৌতম রায়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. জলি সুলতানা, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা ডিসিপ্লিনের মোঃ সোহেল পারভেজ, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম আব্দুল্লাহিল কাফি, বাগেরহাটের ইলিয়াস কোতয়ালী, রেশমা বেগম, শিক্ষক তারক চন্দ্র মন্ডল প্রমুখ।
সভাপতির বক্তৃতায় উপসচিব খান মোঃ রেজা-উন-নবী বলেন, একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠণ সবারই কাম্য। আর সে লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। যার অংশ হিসেবে অংশীজনদের সমন্বয়ে এভাবে সভা করে মাঠ পর্যায়ের যে কোন সমস্যা শোনা ও তার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য তিনি সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সেবার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহবান জানান।
মূখ্য আলোচক ইনমাস খুলনার পরিচালক ডা: ঝর্ণা দাস তার উপস্থাপনায় ইনমাস খুলনার ইতিহাস ও সেবা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তবে এখানে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাসহ ১৬টি পদ শূণ্য থাকার কথা তুলে ধরে দ্রুত এ সংকট সমাধানের দাবি জানান। পাশাপাশি সেবা গ্রহীতাদের পক্ষ থেকেও দ্রুত পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া, কীট, ওষুধ, যন্ত্রপাতি ও স্থাপনাসহ সকল প্রকার সংকটের দ্রুত অবসান দাবি করা হয়।